Tag: Road Block

Road Block

  • Hooghly: টাকার পাহাড়ে নেতারা! প্রতিবাদে বিজেপির অবরোধে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

    Hooghly: টাকার পাহাড়ে নেতারা! প্রতিবাদে বিজেপির অবরোধে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন ধরেই সরগরম প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড। কংগ্রেস সাংসদ ধীরজ সাহুর ঘর থেকে ৩৫৩ কোটি টাকা উদ্ধার হওয়ায় সারা দেশে শোরগোল পড়ে যায়। আয়কর দফতরের হানায় এই বিপুল পরিমাণ অর্থের হদিশ মিলেছে, যার উৎস এখনও পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাংলাতেও তৃণমূল নেতাদের আস্তানা থেকে মিলেছে বিপুল অর্থ। আর এইসব চরম দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি (Hooghly)।

    পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

    সোমবার চুঁচুড়ার রবীন্দ্রনগর এলাকায় এই ইস্যুতে বিজেপি’র ওবিসি সেলের নেতৃত্বে (Hooghly) কয়েকশো দলীয় কর্মী  জি টি রোড অবরোধ করে অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন। সকাল ১১ টা নাগাদ এই কর্মসূচি শুরু হয়। চলে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে। বিক্ষোভের জেরে জি টি রোডের উপর চরম যানজটের সৃষ্টি হয়। এক প্রকার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে রবীন্দ্রনগর লাগোয়া জি টি রোড। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় চুঁচুড়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। রাস্তা থেকে বিক্ষোভকারীতে সরাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। এরপর বলপূর্বক বিজেপি কর্মীদের রাস্তা থেকে হটিয়ে দেয় চুঁচুড়া থানার পুলিশ। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা বিজেপির ওবিসি মোর্চা সভানেত্রী লাভলী দে, জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব? (Hooghly)

    হুগলি জেলা বিজেপির ওবিসি মোর্চা সভানেত্রী লাভলী দে বলেন, তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি সীমাহীন, সাধারণ মানুষের কাছে যেখানে টাকা নেই, সেখানে যেখানে সেখানে টাকা পাওয়া যাচ্ছে। পিছিয়ে নেই অন্য দলও। এই তো দেখুন ধীরজ সাহুর বাড়ি থেকে ৩০০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া আমাদের (Hooghly) মূল অভিযোগ হল, বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ওবিসি’কে বঞ্চিত করা হচ্ছে।পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে ওই নেত্রী বলেন, পুলিশ তো তৃণমূলের দলদাস। ওরা তাই আমাদের দাঁড়াতেই দেয়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে এসডিপিও অফিস ঘেরাও, জাতীয় সড়ক অবরোধে বিজেপি

    Shantipur: দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে এসডিপিও অফিস ঘেরাও, জাতীয় সড়ক অবরোধে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলার পুলিশ সুপার ভয়ে আসছেন না। অবিলম্বে শান্তিপুর (Shantipur) এবং তাহেরপুর থানার ওসিকে বদল করতে হবে। তারা তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। বদল না করলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো। পাশাপাশি একজন এসডিপিও পাঁচ বছর ধরে একই জায়গায় কী করে দায়িত্বে থাকে, সেটাও পুলিশ সুপারকে জবাব দিতে হবে। শান্তিপুরে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় এসডিপিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানোর সময় এমনই প্রতিক্রিয়া দিলেন রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। এদিন পুলিশ সুপার না আসায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা রানাঘাটে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন।

    কী ঘটেছিল? (Shantipur)

    উল্লেখ্য, দু’দিন আগে শান্তিপুর থানার বড়জিয়াকুড়ে অধীর সরকার নামে এক বিজেপি কর্মী খুন হন। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাকে পিটিয়ে খুন করেছে। পাশাপাশি এই খুনের ঘটনা লঘু করে দেওয়ার জন্য শান্তিপুর (Shantipur) থানার পুলিশের অতি সক্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেই কারণেই এদিন নদীয়া রানাঘাটে এসডিপিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপির বেশ কিছু বিধায়ক এবং সাংসদদের নেতৃত্বে চলে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি।

    পুলিশের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ (Shantipur)

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, পুলিশ বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে যাতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ছাড়া পেয়ে যায়। কিন্তু আমরা সেটা হতে দেব না। খুন হওয়া বিজেপি কর্মী (Shantipur) অধীর চৌধুরীর ছেলে যে বয়ান দেবে, সেই ভিত্তিতেই অভিযোগ নিতে হবে পুলিশকে। পাশাপাশি তিনি বলেন, শান্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এর আগেও দেখা গেছে বিভিন্ন সময় তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। অন্যদিকে তাহেরপুর থানার যে ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বর্তমানে রয়েছেন, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। শুধুমাত্র তৃণমূলের কথায় কাজ করার জন্য তাকে দায়িত্বে রাখা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে এই দুই থানার ওসিকে বদলি করার দাবি জানাচ্ছি। অন্যদিকে এসডিপিও প্রবীর মণ্ডল কিভাবে পাঁচ বছর ধরে একই জায়গায় দায়িত্ব থাকেন, সেটাও আমরা বুঝে নেব পুলিশ সুপারের কাছ থেকে। তিনি বলেন, অবিলম্বে যদি আমাদের দাবিগুলো না মানা হয়, তাহলে আগামী দিনে সব স্তব্ধ করে দেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • TMC: পুনর্নির্বাচনেও ভোটে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ, বাইক ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা

    TMC: পুনর্নির্বাচনেও ভোটে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ, বাইক ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্বাচনের দিনেও অশান্তি। ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার বার্নিয়ায়। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ। তাঁরা এদিন জোটবদ্ধ হয়ে শ্রীকৃষ্ণপুরে তেহট্ট ঘাট থেকে দেবগ্রাম রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    ৮ জুলাই তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের কারণে তেহট্টের বার্নিয়া এলাকায় বহু মানুষ ভোট দিতে পারেননি। এরপর এই এলাকায় ফের ভোট করার দাবি জানানো হয়। সেই মতো প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করে। কিন্তু, গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এদিন সকালে ভোট দিতে গেলে তাদের ভয় দেখিয়ে ফিরিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এরপর কয়েকজন গ্রামে ঢুকে গ্রামবাসীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। এমনিতেই এর আগে ভোট দিতে না পারার রাগ ছিল। তৃণমূলের ওই দুষ্কৃতীদের সামনে পেয়ে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করেন। তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। গ্রামবাসীরা প্রতিরোধ করলে তৃণমূলের এক দুষ্কৃতীকে তাঁরা ধরে ফেলেন। যদিও সে বাইক রেখে পালিয়ে যায়। এরপরই উত্তেজিত জনতা তার বাইক ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরে, পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে বোঝানোর পর অবরোধ ওঠে। ভোটদানের ব্যবস্থা হয়।

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, এর আগেও আমরা তৃণমূলের (TMC)  সন্ত্রাসের কারণে ভোট দিতে পারিনি। আমাদের দাবি মেনে ফের এলাকায় ভোট হচ্ছে। এদিনও তৃণমূল এলাকায় সন্ত্রাসের চেষ্টা করে। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC)  কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কল্লোল খাঁ বলেন, ওই এলাকায় সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। কিন্তু বিরোধীরা একজোট হয়ে সন্ত্রাস করার চেষ্টা করেছে। আমাদের দলীয় কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর করেছে। আমরা চাই, সুস্থ এবং শান্তিতে নির্বাচন হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: বিধায়কের আশ্বাসেও আস্থা নেই, জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধ

    Drinking Water: বিধায়কের আশ্বাসেও আস্থা নেই, জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে অন্ডাল ব্লকের কাজোড়া গ্রামে পানীয় জলের (Drinking Water) সংকট। রানীগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েক সপ্তাহ আগে এখানে জল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। যদিও বিধায়কের আশ্বাসে আস্থা নেই গ্রামবাসীদের, এমনটাই স্থানীয়দের একাংশ বলছেন। জল সংকটের মুখে কাজোড়া পান্ডাপাড়ার বাসিন্দারা মঙ্গলবার রাতে কাজোড়া-বহুলা প্রধান সড়ক অবরোধ করেন।  পুরুষরা রাস্তার মাঝখানে বসে এবং মহিলারা রাস্তার উপর সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখান।  বিক্ষোভের জেরে ওই সড়কে যান চলাচল পুরোপুরি ব্যাহত হয়। একই সঙ্গে কাজোড়া রেলগেটও বন্ধ থাকায় জ্যাম আরও বেড়ে যায়।  

    ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা কী অভিযোগ করছেন?

    গ্রামবাসী বিজয় পান্ডা, শুশান্ত পান্ডা, শুভদীপ মোদি প্রমুখ বলেন, আমাদের এলাকায় বছরের পর বছর ধরে জলের (Drinking Water) সমস্যা রয়েছে।  প্রতিটি নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা আশ্বাস দিলেও আজ পর্যন্ত জল সংকটের নিরসন হয়নি। কয়েকদিন আগে এখানে এসেছিলেন বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জল সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয়রা বলেন,  এবার আর কোনও নেতার আশ্বাসে আমরা বিশ্বাস করি না। সমস্যা এতটাই গভীর যে এলাকার মানুষ প্রতিটি ফোঁটা জলের জন্য ব্যাকুল। ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে জল সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের এলাকায় ট্যাঙ্কার পৌঁছায় না। ট্যাঙ্কারগুলোও অর্ধেক জল নিয়ে আসে, যে কারণে মানুষ পর্যাপ্ত জল পায় না। তাই প্রতিবাদ করা ছাড়া আমাদের আর কোনও উপায় নেই।  বিক্ষোভের খবর পেয়ে পৌঁছয় অন্ডাল থানার পুলিশ।  পুলিশ গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে শান্ত করে।  দীর্ঘ বিক্ষোভের পর পুলিশের আশ্বাসে বিক্ষোভ শেষ হয়।

    কী বললেন পঞ্চায়েত প্রধান?

    কাজোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রাণকৃষ্ট নোনিয়া বলেন, কাজোড়া গ্রাম বছরের পর বছর ধরে জলের (Drinking Water) সমস্যায় ভুগছে।  প্রতিদিন ওই এলাকায় ট্যাঙ্কারে জল সরবরাহ করা হচ্ছে।  রেলগেট সার্বক্ষণিক বন্ধ থাকায় মানুষ সঠিক সময়ে জল পাচ্ছে না, যার কারণে সমস্যা হচ্ছে।  পিএইচই ট্যাপ বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।  শীঘ্রই এলাকার জলের সংকট কেটে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rape: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ, উত্তাল কালিয়াগঞ্জ, লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস

    Rape: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ, উত্তাল কালিয়াগঞ্জ, লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণ (Rape) করে খুনের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে৷ ঘটনাকে ঘিরে উত্তাল কালিয়াগঞ্জ থানার সাহেবঘাটা সংলগ্ন পালোইবাড়ি। রাস্তার ওপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা৷ অবিলম্বে অভিযুক্ত ওই যুবককে তাদের সামনে হাজির করানোর দাবি তোলেন তাঁরা। সব মিলিয়ে কালিয়াগঞ্জে রাজ্য সড়কের উপর ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতেই ওই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে ফুঁসলিয়ে পালোই বাড়ি এলাকার একটি পুকুরের পাশে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে ওই যুবক ধর্ষণ (Rape) করে বলে অভিযোগ৷ এরপর প্রমাণ লোপাটের জন্য ওই যুবতীকে পুকুরের জলে চুবিয়ে মারা হয় বলে জানান মৃতার আত্মীয়রা। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করার পাশাপাশি টিয়ার গ্যাসের সেলও ফাটাল পুলিশ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রী ও অভিযুক্ত যুবক ভিন্ন সম্প্রদায়ের৷ মৃতার বাড়ি মালগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহেবঘাটার গাঙ্গুয়া এলাকায়। নৃশংস ঘটনায় অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন মৃতার পরিবার ও গ্রামবাসীর৷ এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ। পুলিশকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখান উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে এলাকার দোকানপাটও বন্ধ করে দেন তাঁরা। আন্দোলনের তীব্রতা ক্রমশ বাড়তে থাকে। রাস্তার ওপর কাঠকুট ফেলে আগুনের তীব্রতা বাড়ান ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা৷ পুলিশের সামনেই লাঠিসোঁটা নিয়ে জড়ো হতে থাকেন তাঁরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকেন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে নামানো হয় কমব্যাট ফোর্স৷ উত্তেজিত জনতাকে পালটা ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করার পাশাপাশি টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটাতে দেখা যায় পুলিশকে৷ ঘটনায় মহিলা, পুরুষ সহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক কালিয়াগঞ্জ থানায় আত্মসমর্পণ করেছে।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী?

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ট্যুইট করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে আরও এক নাবালিকাকে ধর্ষণ (Rape) করে খুন করা হল। আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি খাটানোর পর এবার রাজবংশী সম্প্রদায়ের ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ভাইপোর নবজোয়ার কর্মসূচির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যস্ত পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ। পশ্চিমবঙ্গের আইন বলে কিছু নেই। এর দাম চোকাতে হচ্ছে মহিলাদের। রাজ্য সরকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুষ্কৃতীরা সাহস পাচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Swasthya Sathi: স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করাতে গিয়ে চূড়ান্ত হয়রানি, পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ

    Swasthya Sathi: স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করাতে গিয়ে চূড়ান্ত হয়রানি, পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের জন্য জনসাধারণকে হয়রানিতে ফেলার অভিযোগ উঠল বামনগোলা ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখালেন এলাকাবাসী। তাঁদের অভিযোগ, গত ১৬ তারিখ থেকে স্বাস্থ্যসাথীর (Swasthya Sathi) কাজ শুরু হয়। কয়েকটি কাজ করার পর বামনগোলা ব্লকের আধিকারিকরা জানিয়ে দেন, আগামী মঙ্গলবার ও বুধবার স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড করা হবে। সেই অনুযায়ী বামনগোলা ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা সকাল দশটা থেকে পাকুয়াহাট কলেজ অডিটোরিয়ামে এসে উপস্থিত হন। সকাল থেকে পাকুয়াহাট কলেজ অডিটোরিয়ামে এসে বহু অপেক্ষা করেও দেখা মেলেনি স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের কর্মীদের। অফিসের কর্মীদের জিজ্ঞাসা করা হলে তাঁরা জানিয়ে দেন, আজ কোনও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করা হবে না। আজ তাঁদের ডাকা হয়নি।

    কী বলছেন ক্ষুব্ধ মহিলারা?

    প্রখর রোদে ছাতা মাথায় দিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন বহু মহিলা। তাঁদেরই একজন বললেন, ১৬ তারিখে একবার এসেছিলাম। কিন্তু ফিরে যেতে হয়েছে। এরপর মঙ্গল ও বুধবার সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও লোকই আসেনি। জিজ্ঞাসা করলে বলছে, আমরা কাউকে ডাকিনি। ক্ষোভ উগরে দিয়ে ওই মহিলা বলেন, আমাদেরকে ডেকে দিনের পর দিন এভাবে হয়রানিতে ফেলার কী মানে?

    কী আশ্বাস দিলেন প্রশাসনের আধিকারিকরা?

    অবশেষে কার্ড করতে আসা লোকজন ক্ষোভ উগরে দিয়ে মালদা-নালাগোলা রাজ্য সড়কের পাকুয়াহাট এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক অবরোধ চলে। অবশেষ খবর পেয়ে বামনগোলা থানার পুলিশ ও বামনগোলা ব্লকের জয়েন্ট ভিডিও ঘটনাস্থলে আসেন। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানান, আগামী দিনগুলিতে স্বাস্থ্যসাথী (Swasthya Sathi) কার্ড করা হবে নিজ নিজ এলাকায়। কবে কোন জায়গায় হবে, তা গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এই আশ্বাস পাওয়ার পরেই তাঁরা পথ অবরোধ তুলে নেন। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: অমিত শাহের সভায় যাওয়ার ‘অপরাধে’ অটো বন্ধের ফতোয়া! ধুন্ধুমার তারাপীঠে, বিক্ষোভ বিজেপির

    Tarapith: অমিত শাহের সভায় যাওয়ার ‘অপরাধে’ অটো বন্ধের ফতোয়া! ধুন্ধুমার তারাপীঠে, বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমিত শাহের সভায় যাওয়ার ‘অপরাধে’ বেশ কয়েকজন অটোচালককে অটো চালাতে দিচ্ছে না তৃণমূল। এই অভিযোগ ঘিরে সোমবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল তারাপীঠ (Tarapith)। বিজেপির পক্ষ থেকে এদিন আটলা মোড়ে রাস্তার ওপর বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিজেপি-তৃণমূল বচসায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপক্ষের হাতাহাতিও হয়। পুলিস গিয়ে কোনওরকমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সাধারণ যাত্রীরা পড়েন দুর্ভোগে।

    বিজেপির মূল অভিযোগ কী?

    বিজেপি নেতা তারক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল ইউনিয়নের নেতা বলেছে, তারাপীঠে (Tarapith) রামনবমীর পতাকা সব খুলে ফেলতে হবে। আমরা সব দেখে নেবো। অমিত শাহর সভায় যাওয়ার জন্য নাকি দুজন অটোচালককে অটো লাগাতে দেবে না। গরিব, খেটেখাওয়া মানুষের পেটে লাথি মারার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস? পশ্চিমবঙ্গবাসী দেখুন, কোন জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যটাকে নিয়ে যাচ্ছে। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, ওরা আমাদের ওপর হামলাও চালিয়েছে। এ নিয়ে আগামীদিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি তিনি দিয়েছেন।

    অভিযোগের উত্তরে কী বললেন তৃণমূল ইউনিয়নের নেতা?

    তৃণমূল পরিচালিত অটো ইউনিয়নের সেক্রেটারি নাশির শেখের বক্তব্য, এটা ভুল ধারণা। পাটির কোনও ব্যাপারে গাড়ি বন্ধ করা হয়নি। তারাপীঠে (Tarapith) ইউনিয়নের একটা সিস্টেম আছে। সেই অনুযায়ীই গাড়ি বন্ধ করা হয়েছিল সাতদিন। ইউনিয়নের নিয়মভঙ্গ করার জন্য ওদের সাসপেন্ড করা হয়েছিল। অনেকেই আছে, বেলাইনে ভাড়া খাটে। ওদের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। সেটা নিয়ে বিজেপি এরকম করবে, আমরা ভাবতে পারিনি। এই সমস্যার সমাধান আমরা কালই করে দিয়েছিলাম এবং ওদের লাইনে গাড়ি লাগাতে বলেছিলাম। তা না করে ওরা আজ অত্যাচার শুরু করে দিল। ওরা আমাকেও মারধর  করেছে। দোষীকে গ্রেফতার করা না হলে তাঁরাও অটো চলাচল বন্ধ করে দেবেন বলে হুমকি দেন।

    কী বললেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা অশিস বন্দ্যোপাধ্যায়

    অবরোধ, ধর্মঘট এসব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নীতির বিরুদ্ধে। তাই যারা ধর্মঘট করবে বলেছিল, আমি তাদের তা না করার জন্য অনুরোধ করেছি। ওরা সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছে। একইসঙ্গে আমি পুলিশকেও অনুরোধ করেছি, যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। বিজেপির অমিত শাহের সভায় যাওয়ার জন্যই তারাপীঠে (Tarapith) অটো চালাতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এর জবাবে তিনি বলেন, পুলিশ তদন্ত করে দেখুক না, কোনটা সত্যি, কোনটা মিথ্যা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road Block: রাজ্যে পানীয় জলের সমস্যা কী ভয়াবহ, রাস্তায় বেরিয়ে টের পেলেন মন্ত্রী, মুক্তি মিলল আশ্বাস দিয়ে

    Road Block: রাজ্যে পানীয় জলের সমস্যা কী ভয়াবহ, রাস্তায় বেরিয়ে টের পেলেন মন্ত্রী, মুক্তি মিলল আশ্বাস দিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগের কাবলে এলাকায় রাজ্য সড়ক অবরোধের (Road Block) জেরে আরামবাগ-কলকাতা রাজ্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেল। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তায় যানবাহনের লাইন পড়ে যায়। ওই সময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। অবরোধের জেরে আটকে পড়েন তিনিও।  

    কী দাবিতে গ্রামবাসীদের এই অবরোধ?

    অবরোধকারীদের অভিযোগ, হরিণখোলা ২ নং সুলতানপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন বাসিন্দারা। প্রায় ৩০০ টি পরিবারের ভরসা মাত্র একটি টিউওয়েল। এলাকায় রাস্তার কাজ হওয়ার সময় জলের পাইপলাইন নষ্ট হয়ে যায়। তারপর থেকে জলের সংকট আরও তীব্র হয়েছে বলে অভিযোগ। ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের ক্ষোভ, বারবার পঞ্চায়েত ও প্রশাসনিক দফতরে জানানোর পরেও কোনও কাজ হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই কাবলে এলাকায় রাজ্য সড়ক অবরোধ (Road Block) করেন গ্রামবাসীরা।

    কী আশ্বাস দিলেন পরিবহণমন্ত্রী?
     
    সেই অবরোধে আটকে পড়ে মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর গাড়ি। তাঁকে ঘিরেও অভিযোগ জানাতে শুরু করেন অবরোধকারীরা। পরে মন্ত্রী দ্রুত সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দিলে অবরোধ (Road Block) ওঠে। ঘটনাস্থলে যায় আরামবাগ থানার পুলিশ। এ বিষয়ে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেন, জল সংকটের মুখে পড়েছে বলেই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। তবে দ্রুত এই সমস্যা মেটানোর জন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আপাতত দুটো পাম্প বসিয়ে যাতে পানীয় জলের সমস্যা মেটানো যায়, সেই ব্যবস্থা করছি।

    বিজেপির বিধায়ক কী বললেন?

    বিজেপি রাজ্য সম্পাদক তথা পুরশুড়া বিধানসভার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, সুলতানপুর এলাকাটি আমার পুরশুড়া বিধানসভা এলাকার মধ্যেই পড়ছে। এলাকার মানুষ আমাকে জানিয়েছিল, আমি গিয়েছিলাম। ওখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার যেটা করণীয়, এমএলএ ল্যাডের টাকা দিয়ে আমি ওই এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা মেটানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরকে জানিয়েছি। কিন্তু এই রাজ্য সরকারের গাফিলতিতে ওই এলাকায় কাজটি এখনও হয়ে ওঠেনি। যার ফলে আজকে ওই বিক্ষোভ চলাকালীন মন্ত্রীর গাড়ি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে আটকে (Road Block) ছিল। সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। আর মন্ত্রী সেই অবরোধের মুখ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য মিথ্যে কথা ও নাটক করে গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Agitation: তৃণমূলের পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ এলাকাবাসীর, কেন দেখে নিন?

    Agitation: তৃণমূলের পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ এলাকাবাসীর, কেন দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ভাটপাড়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের আর্য সমাজের ডাম্পিং গ্রাউন্ড। ডাঁই হয়ে জমে রয়েছে জঞ্জাল। কে বা কারা সেই জঞ্জালের স্তূপে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এমনিতেই জ়ঞ্জালের গন্ধে টেকা দায়। তারমধ্যে দোসর হচ্ছে ডাঁই হয়ে থাকা জঞ্জালের স্তূপে ধোঁয়া। গোটা এলাকায় দুর্গন্ধ যুক্ত ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বাড়িতে বয়স্ক লোকজন থেকে শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। সোমবার এলাকার মানুষ জঞ্জাল সরানোর দাবিতে রাস্তায় বেঞ্চ পেতে রাস্তা অবরোধে সামিল হন। তৃণমূল পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ( Agitation) উগরে দেন। আর এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এই পথ অবরোধের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় কাউন্সিলর লালন চৌধুরী। পরিস্থিতি সামাল দিতে জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম যান। তাঁকে ঘিরে ধরে এলাকাবাসী নিজেদের ক্ষোভ উগরে দেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দলীয় কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূল পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? Agitation

    ভাটপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল পুরবোর্ডে ক্ষমতায় রয়েছে। আর এই পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের আর্য সমাজ এলাকায় বহু বছর ধরে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে জঞ্জাল ফেলা হয় বলে অভিযোগ। জঞ্জালের ধোঁয়া আর ছাইয়ের কারণে শিশু থেকে বয়স্ক লোকজন অসুস্থ হয়ে পড়ছে। বহুবার তৃণমূল পুরবোর্ডে এই বিষয়ে দরবার করা হয়েছে। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ফলে, তৃণমূল পুর বোর্ডের বিরুদ্ধে ক্রমশ ক্ষোভ  দানা বাঁধতে শুরু করে। এদিন ফের ডাম্পিং গ্রাউন্ডে জঞ্জালের স্তূপে ধোঁয়ায় গোটা এলাকা ছেয়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা বাইরে বেরিয়ে আসেন। রাস্তা অবরোধ করে তাঁরা তৃণমূল পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ( Agitation) উগরে দেন। অবিলম্বে ডাম্পিং গ্রাউন্ড থেকে জঞ্জাল সরানোর দাবিতে সরবও হন। স্থানীয় কাউন্সিলর লালন চৌধুরী বলেন,  এই জঞ্জাল এলাকাবাসীর কাছে মস্তবড় বোঝা। জঞ্জালের ধোঁয়ার কারণে বহু শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অনেকে বয়স্ক লোকজন ধোয়ার কারণে ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারে না। ছয় মাসে আগে ডাম্পিং গ্রাউন্ড থেকে জঞ্জাল সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুরবোর্ডের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। জগদ্দলের বিধায়ককে বিষয়টি বলা হয়েছিল। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। অগত্যা আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। এই এলাকায় কোনওভাবে জঞ্জাল রাখা যাবে না।

    স্থানীয় কাউন্সিলারের সঙ্গে সহমত এলাকাবাসী। এদিন অবরোধে সামিল হয়ে বিক্ষোভকারীরা বলেন, পুরসভার কাছে আবেদন করে কোনও লাভ হয়নি। তাই, বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হল। বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যান জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। তাঁকে ঘিরে ধরে এলাকাবাসী বিক্ষোভে ( Agitation) ফেটে পড়েন। বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, ১২ বছর ধরে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে জঞ্জাল জমে। নতুন কিছু নয়। ধোঁয়ার জন্য এলাকাবাসীর কষ্ট হয়। শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আগের তুলনায় জঞ্জাল অনেকটাই কমানো হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই জঞ্জালের স্তূপ আমরা সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Road: হাসপাতাল যাওয়ার ৩ কিমি রাস্তা ঘুরে যেতে হচ্ছে ৮ কিমি! ক্ষোভে অবরোধ

    Panchayat Road: হাসপাতাল যাওয়ার ৩ কিমি রাস্তা ঘুরে যেতে হচ্ছে ৮ কিমি! ক্ষোভে অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রায় দু-দশক ধরে বেহাল রাস্তা (Panchayat Road)। এলাকায় রয়েছে পানীয় জলের সমস্যাও। পঞ্চায়েত এবং প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও মেলেনি সুরাহা। এলাকার বিধায়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পরেও হয়নি সমাধান। এইসব ক্ষোভ থেকেই ৮১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নং ব্লকের লক্ষণপুর ৮১ নম্বর জাতীয় সড়কে। ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

    পথশ্রী প্রকল্পেও ভাগ্যের শিকে ছেঁড়েনি!

    জানা গিয়েছে, মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নং ব্লকের অন্তর্গত ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে লক্ষণপুর, ঝিকোডাঙা, ডুমুরকলা, কনার, পাড়ুই সহ একাধিক গ্রামের রাস্তা (Panchayat Road) বেহাল। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও পাকা রাস্তা হয়নি মালদার এই গ্রামগুলিতে। লাল মাটির রাস্তা, খানাখন্দে ভরা। দীর্ঘ দুই দশক সংস্কারের অভাবে কার্যত বেহাল দশা। পারো থেকে ঝিকোডাঙা পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তা গ্রামের মূল প্রবেশপথ।পার্শ্ববর্তী ২০ থেকে ২৫ টি গ্রামের ৫ থেকে ৬ হাজার মানুষ দৈনন্দিন যাতায়াত করে এই রাস্তা দিয়ে। যানবাহন তো বটেই, বৃষ্টি হলে মানুষের চলাচলের পক্ষেও অযোগ্য হয়ে ওঠে এই রাস্তা। হাসপাতাল যাওয়ার ৩ কিলোমিটার দূরত্বের রাস্তা ঘুরে যেতে হচ্ছে ৮ কিলোমিটার। আগুন লাগলে গ্রামে আসতে পারছে না দমকলের গাড়ি। এদিকে কিছুদিন আগেই পথশ্রী প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের কয়েক হাজার বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু তাতেও ভাগ্যের শিকে ছেঁড়েনি ঝিকোডাঙা গ্রামের রাস্তার। যার ফলে গ্রামবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার সকালে হরিশ্চন্দ্রপুর ৮১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। মন্ত্রীর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। তিনটি দফতরের প্রতিমন্ত্রী হয়েও নাগরিক পরিষেবা থেকে কেন বঞ্চিত গ্রামবাসীরা, বিক্ষোভকারীরা এই প্রশ্নও তুলেছেন।

    শুরু রাজনৈতিক চাপানউতোর

    কংগ্রেসের দখলে পঞ্চায়েত থাকার কারণে বিমাতৃসুলভ আচরণ করছে তৃণমূল, অভিযোগ কংগ্রেস পরিচালিত ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিমানবিহারী বসাকের। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। মালদা উত্তরের বিজেপির সাংগঠনিক জেলা যুবমোর্চার সভাপতি অয়ন রায় বলেন, মন্ত্রীর গড়ে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ নাগরিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। পঞ্চায়েত ভোটে মানুষ এদের ছুড়ে ফেলবে। যদিও বিরোধীদের অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল। মালদা জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা জেলা পরিষদের সভাধিপতি রফিকুল হোসেন বলেন, পথশ্রী প্রকল্পে ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের দুটি রাস্তা (Panchayat Road) ধরা হয়েছে। তবে মানুষকে নাগরিক পরিষেবা দিতে ব্যর্থ কংগ্রেস পরিচালিত ওই গ্রাম পঞ্চায়েত। পানীয় জলের সমস্যা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share