Tag: road blocked

road blocked

  • Kamarhati: পাঁচদিন পর নিখোঁজ নাবালকের দেহ উদ্ধারে রণক্ষেত্র, বিটি রোড অবরোধ

    Kamarhati: পাঁচদিন পর নিখোঁজ নাবালকের দেহ উদ্ধারে রণক্ষেত্র, বিটি রোড অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক নাবালকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি (Kamarhati) এলাকা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম ইমতিয়াজ হোসেন। তার বয়স আট বছর। পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিটি রোডে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নাবালকের মৃত্যুর জন্য পুলিশকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান অবরোধকারীরা। অবরোধ তুলতে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে অবরোধকারীদের সঙ্গে বচসা বাধে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ।

    পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে অবরোধ (Kamarhati)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইমতিয়াজের বাড়ি পানিহাটি পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড। তার বাবা নাসিম হুসেন পেশায় রিকশ চালক। ৩০ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বেরিয়ে ইমতিয়াজ রহস্যজনভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের তরফ থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর না পেয়ে ঘোলা থানায় অভিযোগ জানানো হয়। তবে, পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে এদিন দুপুরে আগরপাড়া-কামারহাটি (Kamarhati) লাগোয়া একটি বন্ধ কারখানার ভিতরে পুকুরের মধ্যে থেকে হাত-পা বাঁধা,মুখে রুমাল বাঁধা অবস্থায় মৃত অবস্থায় ইমতিয়াজকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করলে তাকে বাঁচানো যেত বলে দাবি স্থানীয়দের। তারপরেই স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার দাবি জানান। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বচসা হয়। পরে, লাঠিচার্জ করে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, আগে কোনও ঝামেলাতেও জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়নি শিশুটির পরিবারের কাউকে। সে ক্ষেত্রে শিশুটি কী ভাবে নিখোঁজ হল, কেনই বা তার দেহ পুকুরে এল, তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, খুন করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। দোষীদের শাস্তি চাই।

    পুলিশ কমিশনার কী বললেন?

    পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া এদিন ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, যেখানে ওই নাবালকের দেহ পাওয়া গিয়েছে, সেখানে সচরাচর কেউ যায় না। কেন ওই নাবালককে এভাবে খুন করা হল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ এলাকা, জুয়ার বোর্ড ভেঙে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ

    Nadia: এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ এলাকা, জুয়ার বোর্ড ভেঙে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাদ থেকে পড়ে এক ব্যক্তির রহস্যজনক ভাবে মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল এলাকা। জুয়ার বোর্ড ভাঙচুর করা হয়। আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন এলাকাবাসী। পরিবারের দাবি, ওই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) হাঁসখালি থানার বগুলা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম কৃষ্ণপদ মণ্ডল। তাঁর বাড়ি হাঁসখালি থানার মুরাগাছা এলাকায়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Nadia)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার (Nadia) বগুলা এলাকায় কার্তিক নামে এক দুষ্কৃতী নিয়মিত জুয়ার বোর্ড চালায়। অভিযোগ, রবিবার রাতে কৃষ্ণপদ নামে ওই ব্যক্তিকে ডেকে নিয়ে যায় কার্তিক। গভীর রাতে পুলিশের তরফ থেকে খবর দেওয়া হয়, কৃষ্ণপদ মণ্ডল দুর্ঘটনায় জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। পরিবারের লোকজন তড়িঘড়ি সেখানে গিয়ে জানতে পারে তাঁর মৃত্যু ঘটেছে। প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয় পুলিশের ভয়ে পালাতে গিয়ে সে ছাদ থেকে পড়ে মারা গিয়েছে। পুলিশের দাবি মানতে নারাজ পরিবারের লোকজন। তাঁদের দাবি, রবিবার রাতে জুয়া খেলার সময় তাকে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে খুন করা হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে সোমবার কৃষ্ণনগর-বগুলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন এলাকাবাসী। তাঁদের অভিযোগ, বগুলা এলাকায় পুলিশের মদতে একাধিক জুয়ার বোর্ড চলে। পুলিশ টাকা নিয়ে চুপ করে থাকে।

    কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    এ বিষয়ে মৃত কৃষ্ণপদ মণ্ডলের জামাই তন্ময় রায় বলেন, পুলিশ টাকা নিয়ে এই জুয়ার বোর্ড চালাতে মদত দিচ্ছে। আমার শ্বশুরকে খুন করা হয়েছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয় ততক্ষণ এই আন্দোলন চলবে। পাশাপাশি পুলিশকে উদ্যোগ নিয়ে জুয়ার বোর্ডগুলি বন্ধ করতে হবে। যদিও পরবর্তীকালে পুলিশের আশ্বাস পেয়ে অবরোধ তুলে নেন এলাকাবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road: সংস্কারের দুদিনের মধ্যেই হাত দিলেই উঠে আসছে রাস্তার পিচ! কোথায় দেখে নিন

    Road: সংস্কারের দুদিনের মধ্যেই হাত দিলেই উঠে আসছে রাস্তার পিচ! কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সংস্কারের দুদিনের মাথায় হাত দিলেই খুবলে আসছে পিচের রাস্তার (Road) চাদর। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনায় নিম্নমানের কাজে সরব গোটা এলাকাবাসী। এমনকী দুদিন আগে   গ্রামীণ সড়কের রাস্তায় (Road)  বাঁশের ব্যারিকেড বেঁধে পথ অবরোধ করেছিলেন বাসিন্দারা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের কলিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের দুলিয়াবাড়ি এলাকায়। সপ্তাহ খানেক আগে  গ্রামীণ সড়ক যোজনার বেহাল রাস্তা (Road)  সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে মালদহ জেলা পরিষদ। তবে, সড়ক সংস্কার হলেও তা নিম্নমানের বলে অভিযোগ তুলছে বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, বেহাল রাস্তা (Road)  সংস্কার হওয়ায় আমরা খুশি। কিন্তু, কাজের গুণগতমাণ এতটাই খারাপ যে এক সপ্তাহের মধ্যে এই রাস্তা আগের মতো বেহাল হয়ে পড়বে। তাঁরা আরও বলেন,সামনেই পঞ্চায়েত ভোট।ভোট পাওয়ার আশাই মানুষকে শুধু দেখানোর জন্য এই রাস্তা(Road)  সংস্কার করা হচ্ছে।কিন্তু, আদৌও এই রাস্তা ব্যবহারের উপযোগী হবে না।ঝাড়ু দিলেই বেরিয়ে আসছে রাস্তার কঙ্কালসার চেহারা।এমনভাবে নিম্নমানের কাজ হলে পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব পড়বে।

    সড়ক যোজনার রাস্তাতেও কাটমানি! Road

    দুলিয়াবাড়ি থেকে অরবরা পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক যোজনার বেহাল রাস্তা (Road)  সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে মালদহ জেলা পরিষদ। এই রাস্তার জন্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। এত টাকা খরচ করে সংস্কার করা হলেও কাজের গুণগতমাণ নিম্মমানের। আর এর পিছনে রয়েছে কাটমানি। বিজেপির চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের কো-কনভেনার প্রসেনজিৎ শর্মা বলেন,কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের জন্য যথার্থ অর্থ বরাদ্দ করলেও রাজ্য সরকার সেই কাজে কাটমানি বসিয়ে  নিম্নমানের কাজ করছে। ঠিকাদার সংস্থা তৃণমূল নেতাদের মোটা অঙ্কের কাটমানি দিতে গিয়েই নিম্নমানের কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে, এলাকার মানুষ রাস্তা নেমে প্রতিবাদ করায় বেকায়দায় পড়েছে তৃণমূল। আসলে কাটমানির জন্যই এসব হচ্ছে। যদিও বিজেপির এই অভিযোগকে মানতে নারাজ মালদহ জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা জেলা পরিষদের সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন। তিনি পাল্টা মন্তব্য করে বলেন,বিজেপির এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি নিজে এলাকায় যাব। কাজের গুণগত মান খতিয়ে দেখব। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন,গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের ক্ষেত্রে যদি পাঁচ বছরের মধ্যে কাজ খারাপ হয়, তাহলে তা ঠিকাদার বহন করবে। তাই, বাসিন্দাদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই। রাস্তা (Road)  সংস্কারের কাজ ঠিকমতো হবে। আমি নিজে এই বিষয়ে উদ্যোগী হব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন মহিলারা, কেন জানেন?

    Arambagh: রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন মহিলারা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচণ্ড গরমে তীব্র জল সঙ্কটে অতিষ্ঠ হয়ে হুগলির আরামবাগের (Arambagh) গড়বাড়ি এলাকায় রাজ্য সরকার অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন মহিলারা। তবে, শুধু বুধবার নয়, মঙ্গলবারও এলাকাবাসী রাস্তা অবরোধে সামিল হয়েছিলেন। বাড়ির সব কাজ ফেলে মহিলারা জোটবদ্ধ হয়ে এদিন বালতি হাতে নিয়ে অবরোধে সামিল হন। অবরোধের জেরে আরামবাগ (Arambagh) – কলকাতা রাজ্য সড়কে তীব্র যানজট তৈরি হয়। পরে, পুলিশ গিয়ে অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তোলার ব্যবস্থা করে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    আরামবাগের (Arambagh) মায়াপুর ২ নং পঞ্চায়েতের গড়বাড়ি এলাকায় পানীয় জলের জন্য জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের মাধ্যমে ট্যাঙ্ক বসানো হয়। পরে গ্রামে গ্রামে সেই প্রকল্পের কলও বসানো হয়। কিন্তু অভিযোগ, সেই কল থেকে জল পাননি গড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দারা। যার জেরে ওই গ্রামে তীব্র জল সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়েই আরামবাগের (Arambagh) গড়বাড়ি এলাকার মানুষ মঙ্গলবার বেশ কিছুক্ষণ রাস্তা অবরোধ করেছিলেন। কিন্তু, সমস্যার সমাধান হয়নি। এদিন ফের ওই এলাকায় আরামবাগ (Arambagh) – কলকাতা রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন গ্রামবাসীরা।

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ঘটা করে গ্রামে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে কল বসানো হয়। কিন্তু, সেখান থেকে পানীয় জলের পরিষেবা পাওয়া যায় না। প্রকল্প নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। এই তীব্র গরমে এলাকাবাসীকে জল কিনে খেতে হচ্ছে। অনেকে দূরের কোনও এলাকা থেকে জল নিয়ে এসে প্রয়োজন মেটাচ্ছে। প্রশাসনের কাছে বহুবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। বাধ্য হয়েই জলের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা অবরোধ করেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই নিয়ে বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুশান্ত বেড়া বলেন, ঘটা করে জলপ্রকল্প করে কী লাভ হল। আসলে তৃণমূলের নাটক এবার শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই মানুষ বুঝতে পেরে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এভাবে আর বেশি দিন নয়। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষ তার যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: মুখ থুবড়ে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জলস্বপ্ন প্রকল্প’! গরমে জল সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা

    Drinking Water: মুখ থুবড়ে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জলস্বপ্ন প্রকল্প’! গরমে জল সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরম পড়তেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের (Drinking Water) সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও রাস্তার ট্যাপকল আছে, তাতে ঠিকমতো জল পড়ে না, আবার কোথাও জল আসে অনিয়মিত। উখড়া পাঠকপাড়া, চ্যাটার্জীপাড়া এবং রুইদাসপাড়াতে সপ্তাহখানেক ধরে ট্যাপকলে জল পড়ছে না বলে অভিযোগ। এরপরই শুক্রবার উখড়া-মাধাইগঞ্জ রোডের আনন্দমোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ গিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেয়। ঘণ্টা দুয়েক পর অবরোধ ওঠে। কিন্তু, সেই অবরোধ করেও কোনও লাভ হয়নি। ফলে, ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে এই এলাকায় কয়েক বছর আগে রাস্তার ধারে প্রায় ৭ হাজার ট্যাপ বসানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার নতুন করে পানীয় জলের (Drinking Water) সংযোগ দেওয়া হয়। তবে, মেন লাইনের সঙ্গে এখনও সংযোগ না দেওয়ার কারণে বাড়ি বাড়ি জল সরবরাহ শুরু হয়নি। আর রাস্তায় যে সাত হাজার ট্যাপ রয়েছে, সেখান দিয়ে ঠিকমতো জল সরবরাহ হচ্ছে না বলেও এলাকাবাসীর ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গরমে পর্যাপ্ত পানীয় জলের (Drinking Water) পরিষেবা না থাকার কারণে বাইরে থেকে জল কিনে খেতে হচ্ছে। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জল সরবরাহ করার কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। বহুবার এই বিষয়ে পঞ্চায়েতে আবেদন জানানো হয়েছে। তাতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাই, এলাকার মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে রাস্তা অবরোধে সামিল হয়েছিল। এখন পঞ্চায়েত কী উদ্যোগ নেয় সেদিকে আমরা তাকিয়ে রয়েছি।

    কী বললেন উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান?

    অবরোধের পর পরই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রাজু মুখোপাধ্যায়। তাঁর হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে। রাজুবাবু বলেন, সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় প্রতিদিন পানীয় জলের (Drinking Water) ট্যাঙ্ক পাঠানো হবে। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, পাইপ লাইনের কাজ অনেক বাকি রয়েছে। ঠিকাদার কেন পাইপ লাইনের কাজ বাকি রেখেছে সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কারণ, এই ঠিকাদারের জন্যই হাজার হাজার বাসিন্দাকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে ঠিকাদার উদ্যোগ না নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal People: ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে আদিবাসীরা, কেন জানেন?

    Tribal People: ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে আদিবাসীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ দাবি এখনও পূরণ হয়নি। রাজ্যকে বিঁধে কুড়মিদের (Tribal People) নতুন করে আন্দোলন শুরু হল। মঙ্গলবার বেলা ১০টা নাগাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য খড়গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যার জেরে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। তবে, মঙ্গলবার তাদের আন্দোলন জাতীয় সড়কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে। গত বছর দাবি আদায়ে কুড়মিরা (Tribal People) লাগাতার রেল অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। যার জেরে হাজার হাজার যাত্রীদের চরম নাকাল হতে হয়েছিল। গতবারের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ৫ এপ্রিল দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুম্বই এবং আদ্রা শাখার বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। তাই, দাবি আদায়ে বুধবার থেকে জাতীয় সড়ক এবং রেল যোগাযোগ বন্ধ হ‌লে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    কী কারণে আন্দোলনে কুড়মি সমাজ? Tribal People

    আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফশিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে ১ এপ্রিল থেকে জঙ্গলমহলে শুরু হয়েছে ‘ঘাঘর ঘেরা’ নামে অবরোধ কর্মসূচি। ‘কুড়মি সমাজ পশ্চিমবঙ্গ’ সংগঠনের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত আগেই পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলি-তে সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন, ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া সহ বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা রাজ্যের জঙ্গলমহল এলাকা জুড়ে ‘ঘাঘর ঘেরা’ নামে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এতদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ চলেছে। ৪ঠা এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য খড়গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। পূর্ব ঘোষণা মত এদিন সংগঠনের সদস্যরা (Tribal People) জাতীয় সড়কে জমায়েত হয়। পরে, লাগাতার আন্দোলন শুরু করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share