Tag: roscosmos

roscosmos

  • Satellite Image of Green India: ‘শস্যশ্যামলাং মাতরম’ মহাকাশ থেকে ঝলমলে সবুজ ভারতের ছবি, নজর কাড়ছে বিশ্বের

    Satellite Image of Green India: ‘শস্যশ্যামলাং মাতরম’ মহাকাশ থেকে ঝলমলে সবুজ ভারতের ছবি, নজর কাড়ছে বিশ্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা…সকল দেশের সেরা’ ভারতের ছবি ধরা পড়ল রাশিয়ার উপগ্রহে। রসকসমসের (Roscosmos) ইলেকট্রো-এল হাইড্রোমেটারোলজিক্যাল স্যাটেলাইটের (Electro-L satellite) তোলা এই ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। রাশিয়ার এই কৃত্রিম উপগ্রহ গোটা পৃথিবীর আবহাওয়ার হিসেব রাখে। এটি পৃথিবীর বিষুবরেখা থেকে প্রায় ৩৬,০০০ কিলোমিটার উঁচুতে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে স্থির হয়ে ভেসে থাকে এবং ঠিক পৃথিবীর আবর্তনের সমান গতিতে চলাচল করে। আর সেই উপগ্রহের তোলা ছবিতে ধরা পড়েছে সবুজ ভারতের ছবি।

    কী এই ইলেকট্রো-এল স্যাটেলাইট?

    ইলেকট্রো-এল একটি জিওস্টেশনারি কক্ষপথে অবস্থানকারী আবহাওয়া উপগ্রহ। সাবাবছর নিরবচ্ছিন্নভাবে পৃথিবীর উপর নজর রাখে এই উপগ্রহ। এই উপগ্রহে রয়েছে মাল্টিস্পেকট্রাল স্ক্যানিং ডিভাইস, যা একসঙ্গে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ধরতে পারে। এর মাধ্যমে ভারত মহাসাগর, ইউরেশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও অ্যান্টার্কটিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধরা পড়ে। ইলেকট্রো-এল (Electro-L) মোট ১০টি স্পেকট্রাল ব্যান্ডে ছবি তোলে। যার মধ্যে দুটি দৃশ্যমান (সবুজ ও নীল) এবং বাকি ইনফ্রারেড রেঞ্জে। ইনফ্রারেড প্রযুক্তির সাহায্যে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং মেঘের গতিবিধি নির্ভুলভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়। উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত তথ্য পাঠানো হয় রাশিয়ার আবহাওয়া দফতরে। এছাড়া বিশ্বের একাধিক আবহাওয়া বিভাগ এই তথ্য বিশ্লেষণ করে আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরি ও দুর্যোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। শুধু তাই নয়, এই উপগ্রহ আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট উদ্ধার ব্যবস্থা কসপাস সারস্যাট (COSPAS-SARSAT)-এর সংকেতও রিলে করে, যা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় উদ্ধার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    সবচেয়ে ঝলমলে সবুজ ভারত

    রাশিয়ার মোট ১৫৫৯টি কৃত্রিম উপগ্রহ রয়েছে। এর মধ্যে বহু উপগ্রহ রুশ সেনার সিস্টেম মেনে কাজ করে। আলোচ্য উপগ্রহটি এই বছরেরর ফেব্রুয়ারিতেই উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সম্প্রতি এর পাঠানো ছবিগুলির মধ্যে অন্যতম একটি ছবি, কালো অন্তরীক্ষের প্রেক্ষাপটে নীল রঙের ঝলমলে পৃথিবী। যার মধ্যে সবচেয়ে ঝলমলে রঙিন সবুজ ভারত। মহাকাশযানের জানালা দিয়ে তোলা আরেকটি চমৎকার ছবিতে প্রশান্ত মহাসাগর ও মেঘমালার ঘূর্ণায়মান নীল ও সাদা বিন্যাসের এক উচ্চ-রেজোলিউশনে পৃথিবীকে দেখা গিয়েছে। হয়তো যা দেখে মহাকাশচারীদের মনে পড়ছিল মাত্র কয়েক দিন আগেই পেছনে ফেলে আসা নিজেদের গ্রহটাকে!

  • Luna 25: চাঁদের দেশে পাড়ি রুশ ল্যান্ডারের, ‘লুনা ২৫’ না ‘চন্দ্রযান ৩’, আগে নামবে কে?

    Luna 25: চাঁদের দেশে পাড়ি রুশ ল্যান্ডারের, ‘লুনা ২৫’ না ‘চন্দ্রযান ৩’, আগে নামবে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের কক্ষপথে চক্কর কাটছে ভারতের ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। আগামী ২৩ তারিখ তার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করার কথা। এর মধ্যেই শুক্রবার, চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিল রুশ মহাকাশযান ‘লুনা ২৫’ (Luna 25)। গন্তব্য সেই এক— চাঁদের দক্ষিণ মেরু। ‘লুনা ২৫’-এর সম্ভাব্য অবতরণ সেই ২৩ তারিখেই। ফলত, এখনও পর্যন্ত অনাবিষ্কৃত চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে কে প্রথম অবতরণ করে, তা নিয়ে জোর কৌতুহল বিশ্বজুড়ে।

    স্বাধীন রাশিয়ার প্রথম চন্দ্রাভিযান

    ১৯৭৬ সালের ১৪ অগাস্ট মহাকাশে যাত্রা করেছিল ‘লুনা ২৪’। সেটিই ছিল সাবেক সোভিয়েত আমলের শেষ চন্দ্র অভিযান। তারপর ৪৭ বছর কেটে গিয়েছে। পতন হয়েছে সোভেয়েত সাম্রাজ্যের। এবার এতদিন পর অধুনা রাশিয়ার এটিই হচ্ছে প্রথম চন্দ্রাভিযান। শুক্রবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে (স্থানীয় সময়) মস্কো থেকে প্রায় ৫৫০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত আমুর ওব্লাস্টের ভোস্টনি কসমোড্রোম থেকে সয়ুজ রকেটে চেপে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেয় ‘লুনা ২৫’। পাঁচ দিনের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ১৬ অগাস্ট এটি চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে। এর পর ২৩ তারিখ সম্ভবত সেটি চাঁদের বুকে অবতরণ করবে। যদিও, রুশ মহাকাশ সংস্থা রসকসমস দাবি করেছে, ‘চন্দ্রযান ৩’-এর অবতরণের ২ দিন আগেই, অর্থাৎ ২১ তারিখই চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ফলবে ‘লুনা ২৫’ (Luna 25)।

    মহাকাশে প্রতিযোগিতা ভারত ও রাশিয়ার!

    গত ১৪ জুলাই দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টারের ‘লঞ্চিং প্যাড’ থেকে সফল উৎক্ষেপণ হয়েছিল মহাকাশযানটির। উৎক্ষেপণের ২২ দিন পর তা চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছেছে। ইসরো জানিয়েছে, আগামী ২৩ তারিখ বিকেল ৫টা ৪৭ মিনিটে রোভার প্রজ্ঞানকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদের দক্ষিণ মেরু ছোঁবে ল্যান্ডার বিক্রম। ভারতের ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3) কিংবা রাশিয়ার ‘লুনা ২৫’ (Luna 25), যে দেশের মহাকাশযানই প্রথমে অবতরণ করবে, তাদেরই নাম উঠবে ইতিহাসের পাতায়। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মহাকাশযান নামানোর পালক জুড়বে তাদের মুকুটে। ফলে, মহাকাশে এক প্রকার প্রতিযোগিতা চলছে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে। এদিনর সফল উৎক্ষেপণের জন্য রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা রসকসমসকে অবশ্য শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইসরো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share