Tag: RPF

RPF

  • Burdwan: আরপিএফের ওপর হামলায় অভিযুক্ত তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা, রণক্ষেত্র বর্ধমান স্টেশন

    Burdwan: আরপিএফের ওপর হামলায় অভিযুক্ত তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা, রণক্ষেত্র বর্ধমান স্টেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের সঙ্গে আরপিএফের গন্ডগোলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বর্ধমান (Burdwan) স্টেশন চত্বর। আরপিএফ কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের বিরুদ্ধে। স্টেশনের মধ্যেই এই হামলার ঘটনায় সাধারণ যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়়েন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    বেশ কয়েকদিন ধরেই বারে বারে সাধারণ ট্রেন যাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছিল। চলন্ত ট্রেনের কামরায় তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা সাধারণ ট্রেন যাত্রীদের কাছে থেকে টাকা আদায় করছে জোরপূর্বক। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ আসে ট্রেন যাত্রীদের কাছ থেকে। অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বিশেষ অভিযান চালানো হয় আরপিএফের পক্ষ থেকে। আর তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে আরপিএফ কর্মীদের সঙ্গে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের একাংশের ঝামেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে আরপিএফের সঙ্গে বচসা শুরু হয় তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের। তারপর তাঁরা আরপিএফের তাড়া খেয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের বাইরে চলে যান। কিন্তু তারপরেই তাঁরা পাল্টা হামলা করেন বলে অভিযোগ। প্ল্যাটফর্মের বাইরে আরপিএফের কর্মীরা তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের আক্রমণের মুখে পড়েন। আরপিএফ কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের অভিযোগ. আরপিএফ বিনা কারণে তাঁদের কাজে বাধা দিচ্ছে ও মারধর করছে। তাঁদের ট্রেনে ও প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে গেলে আরপিএফ প্রতিনিয়ত অত্যাচার করছে বলে দাবি তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের। প্রায় শ’দেড়েক সদস্য আরপিএফের অফিসের সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    আরপিএফ আধিকারিক কী বললেন?

    বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনের আরপিএফ ইন্সপেক্টর আশিস কুমার সরকার বলেন, যাত্রীদের যাতে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা হেনস্থা না করে তারজন্য এদিন বিশেষ অভিযান চালানো হয়। ওরা দল বেঁধে এসে হামলা চালিয়েছে। আমাদের ৫ জন কর্মী জখম হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায় নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah Station: হাওড়া স্টেশনে ব্যস্ত সময়ে মহিলার পেটে ছুরি মেরে খুন! ত্রিকোণ প্রেম? চাঞ্চল্য

    Howrah Station: হাওড়া স্টেশনে ব্যস্ত সময়ে মহিলার পেটে ছুরি মেরে খুন! ত্রিকোণ প্রেম? চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তখন হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) অত্যন্ত ব্যস্ততার সময়, ভিড়ে ঠাসাঠসি। আচমকা এক মাহিলার আর্তনাদ শোনা গেল। জানা গেল, ভিড়ের মাঝেই এক মহিলাকে ছুরি মেরে খুনের ঘটনা ঘটেছে। ছুরির আঘাতে মুহূর্তের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েছিলেন মহিলা। আহত অবস্থায় তাঁকে হাওড়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ইতিমধ্যে পুলিশ অভিযুক্ত মুঙ্গেশ যাদব নামক এক ব্যক্তিকে গোলাবাড়ি থানা থেকে গ্রেফতার করেছে। এই খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    কীভাবে ঘটনা ঘটল (Howrah Station)?

    বুধবার সকালে হাওড়া স্টেশনের (Howrah Station) ২৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পার্সেল ডিপার্টমেন্টের পাশে পিন্টু, মুঙ্গেশ এবং রিভু চা খাচ্ছিলেন। মাথায় যন্ত্রণার অভিযোগে পিন্টুকে ওষুধ আনতে পাঠায় মুঙ্গেশ। এরপর সুযোগ বুঝে রিভুর পেটে ছুরি চালান মুঙ্গেশ। আশেপাশের যাত্রীরা ঘটনায় বিস্মিত হয়ে পড়েন। চিৎকারে ছুটে আসে আশেপাশের মানুষ। জানা যায় রক্ত মাখা ছুরি নিয়ে সকলকে ভয় দেখান মুঙ্গেশ। এরপর আরপিএফ অনেক কষ্টে বাগে নিয়ে আসে অভিযুক্তকে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে রিভুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মরশুমে পাহাড় থেকে সাগরে গানে গানে শান্তির বার্তা বাউল শিল্পীর

    মৃত মহিলার পরিচয়

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) খুন হওয়া মহিলার নাম রিভু বিশ্বাস, বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায়। স্বামী পিন্টু বিশ্বাস এবং তাঁর পরিবার নিয়ে মুম্বইতে বসবাস করতেন। খুনে অভিযুক্ত যুবক মুঙ্গেশ যাদব মুম্বইতে থাকতেন। একই হোটেলে পিন্টু এবং অভিযুক্ত কাজ করতেন। তবে ত্রিকোণ প্রেম সংক্রান্ত কিছু বিষয় ছিল কিনা তা এখনও জানা যায়নি। মুঙ্গেশ জানিয়েছেন, তাঁকে বিয়ে করার জন্য কলকাতায় আসতে বলেছিল রিভু। তাঁর কাছে থেকে একটা মোটা অঙ্কের টাকাও নেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও আর বিয়ে হয়নি। তবে তিনি খুনের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নন। তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah Station: রণক্ষেত্র হাওড়া স্টেশন, আরপিএফ-হকারদের ব্যাপক সংঘর্ষ, তীব্র উত্তেজনা

    Howrah Station: রণক্ষেত্র হাওড়া স্টেশন, আরপিএফ-হকারদের ব্যাপক সংঘর্ষ, তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) আরপিএফ এবং হকারদের সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনায় আরপিএফের সঙ্গে হকারদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটলে লাঠিচার্জ হয়। এর ফলে বেশ কয়েকজন হকার ইতি মধ্যে আহত হয়ে পড়েন। হকারদের অভিযোগ, তাঁরা স্টেশনে ব্যবসা করতে গেলে রেল পুলিশ বাধা দেয়। প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বচসা হয়। আর তারপরে হকাররা প্ল্যাটফর্মে বসে অবস্থান করতে গেলে, রেলের পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয় এবং তারপর গোলমাল বাধে, মারামারি হয়। এই সংঘর্ষের ঘটনায় স্টেশনের যাত্রীদের মধ্যেও তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে।

    স্টেশনর কোথায় ঘটল ঘটনা (Howrah Station)?

    সূত্রে জানা গেছে, হাওড়া স্টেশনের (Howrah Station) ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হকাররা রেলের পুলিশদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে বলেন, তাঁরা স্টেশনের মধ্যে থাকা দোকানের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কর্মসূচির কথা জানিয়েছিল, এবং সেই মতন তাঁরা বিক্ষোভ দেখানোর কাজে যোগদান করলে, রেলের পুলিশ এসে তাঁদের বাধা দেয়। এরপর একে একে সমস্ত হকাররা একত্রিত হলে, আরপিএফের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং এরপর হাতাহাতি হয়। রেলের পুলিশ ঠিক তারপরেই ব্যাপক লাঠি চার্জ করে। ইতি মধ্যে বেশ কিছুজন হকার আহত হয়েছেন।

    আগেও হয়েছে ঝামেলা

    সূত্রে আরও জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবারেও এই হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) হকারদের সঙ্গে রেলের পুলিশদের এক প্রকার ঝামেলা হয়। হকাররা যে স্থানে বসে ব্যবসা করতেন, পুলিশ এসে তাঁদের তুলে দিয়েছিল। সেই দিনেও একপ্রকার ঝামেলা হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। আরপিএফ পুলিশ এবং হাকারদের মধ্যে ঘটেছিল হাতাহতির ঘটনাও।

    গত বছর হয়েছিল সাঁতরাগাছি স্টেশনে ঝামেলা

    হাওড়া স্টেশনের মতন (Howrah Station) গত অগাস্ট মাসে সাঁতরাগাছি স্টেশনেও বেধে ছিল ব্যাপক সংঘর্ষ। হকার এবং আরপিএফের মধ্যে হয়েছিল ছিল ব্যাপক মারামারি। রেল পুলিশের লাঠির আঘাতে এক হাকারের মাথা ফেটে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। আর এই ঘটনার পরেই বাধে ব্যাপক সংঘর্ষ। রেল পুলিশের লাঠি চার্জের বিরুদ্ধে রামরাজাতলা এলাকায় চলে হকারদের অবস্থান বিক্ষোভ। এই ঘটনায় রেলের দক্ষিণ-পূর্ব শাখার বেশ কিছু রেল লাইন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। বেশ কিছু ট্রেন সাময়িক সময়ের জন্য আটকে যায়। যাত্রীদের ভীষণ অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hindi Film: মণিপুরে স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রদর্শিত হবে হিন্দি চলচ্চিত্র

    Hindi Film: মণিপুরে স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রদর্শিত হবে হিন্দি চলচ্চিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৭ তম বর্ষে মণিপুরের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে অনেক বছরপর দেখানো হবে হিন্দি চলচ্চিত্র (Hindi Film)। মণিপুরে শেষ হিন্দি চলচ্চিত্র দেখানো হয়েছিল কুছ কুছ হো তা হ্যায়। প্রায় দুই দশকের পর মণিপুরে জাতি গোষ্ঠীর সংঘর্ষের মধ্যেই এই হিন্দি চলচ্চিত্র দেখানোর বিষয়ে বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও গত কয়েক মাস ধরে উত্তপ্ত মণিপুর। সংসদের বাদল অধিবেশনের অনাস্থা প্রস্তাবে মণিপুরের বিষয় নিয়ে সরব হিয়েছেন বিরোধীরা। পাল্টা সরকার পক্ষ থেকে দীর্ঘ দিনের কংগ্রেস শাসন, নেশা পাচার, মাদক চোরা চালানের কথা বলে, সরকার পক্ষ বিরোধীদের কাঠগড়ায় তুলেছে। এর মধ্যেই প্রেক্ষা গৃহে দেখানো হবে হিন্দি চলচ্চিত্র।

    হিন্দি (Hindi Film) চলচ্চিত্র কেন দেখানো হবে?

    ট্রাইবাল অর্গানাইজেশন হামার স্টুডেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের(HSA) পক্ষ থেকে একটি পরিকল্পনা করে চুড়াচাঁদপুর জেলার লামাকা নামক স্থানে একটি হিন্দি (Hindi Film) সিনেমা দেখানো হবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য এই সিনেমার নাম বিষয়ে এখনও প্রকাশ করা হয়নি। গত সোমবার হাসা (HSA) র পক্ষ থেকে বলা হয় যে এই সিনেমা কার্যত দুটি জাতির মধ্যে লড়াই সংঘর্ষের কথাকে স্পষ্ট করবে। বহু বছর ধরে এখানকার আদিবাসী সমাজের মানুষের উপর অধিকার কায়েম করেছে, এমন জঙ্গিদের কার্যকলাপকে উদ্দেশ্যে করেই দেখানো হবে চলচ্চিত্র।

    কেন বন্ধ ছিল হিন্দি চলচ্চিত্র?

    এই মণিপুরে শেষ হিন্দি চলচ্চিত্র(Hindi Film) দেখানো হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। দেশ বিরোধী শক্তিগুলি দেশের স্বাধীনতা দিবসের দিনটিকে অমান্য করে আর তাই মণিপুরের মানুষকে দেশ বিরোধী শক্তি থেকে স্বাধীনতা লাভ করতে হবে মনে করে হাসা। রেভল্যুশনারি পিপলস ফ্রন্ট(RPF) নামক আরও এক সংগঠন, ২০০০ সাল থেকে হিন্দি চলচ্চিত্রের উপর নিশেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ২০০০ সালের সেপ্টম্বরেই প্রায় ৬০০০ থেকে ৮০০০ টাকার হিন্দি অডিও, ভিডিও ও ক্যাসেট নষ্ট করে দিয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। আরপিএফ যদিও সেই ভাবে কোনও নিষেধাজ্ঞার কথা না বললেও, তারা মনে করে বলিউডের চলচ্চিত উত্তর পূর্ব ভারতের মানুষের সংস্কৃতি, ভাষা, ধর্ম, জীবনের মধ্যে খারাপ প্রভাব ফেলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RPF Jawan: মহারাষ্ট্রে চলন্ত ট্রেনে এলোপাথাড়ি গুলি আরপিএফ জওয়ানের! নিহত অফিসার সহ ৪

    RPF Jawan: মহারাষ্ট্রে চলন্ত ট্রেনে এলোপাথাড়ি গুলি আরপিএফ জওয়ানের! নিহত অফিসার সহ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেল যাত্রীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব রয়েছে তাঁদের ওপর। সেই রক্ষকই হয়ে উঠল ভক্ষক। রেল সুরক্ষা পুলিশ (RPF Jawan)-এর এক কর্মীর আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে প্রাণ গেল চলন্ত ট্রেনে চার যাত্রীর। নিহত চার জনের মধ্যে রেল পুলিশের (RPF Jawan) এক সাব-ইনস্পেক্টরও রয়েছেন। সূত্রের খবর, ট্রেনটির প্যান্ট্রি কারের এক কর্মীরও মৃত্যু হয়েছে গুলি চালনার ঘটনায়। সোমবার সকালেই এই ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, রাজস্থানের জয়পুর থেকে মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল জয়পুর এক্সপ্রেস। তখনই ঘটে এই গুলি চালনার ঘটনা। ট্রেনের গায়ে, জানলার কাচে গুলির দাগ রয়েছে।

    ঘটনার বিস্তৃত ব্যাখা

    ভারতীয় রেল আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়েছে এই ঘটনায়। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার জয়পুর এক্সপ্রেস ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে পালঘর স্টেশন দিয়ে যাচ্ছিল। সে সময়ই হঠাৎই নিজের স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকেন আরপিএফের ওই জওয়ান। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই রেল পুলিশ (RPF Jawan) কর্মীর নাম চেতন সিং। জানা গিয়েছে, জয়পুর এক্সপ্রেসের বি ফাইভ কোচে ডিউটি করছিলেন চেতন সিং। গুলি চালনার ঘটনায় মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা জয়পুর এক্সপ্রেসে। গুলি করে চার জনকে হত্যা করার পরেই ট্রেনের চেন টেনে নামার চেষ্টা করেন ওই রেল পুলিশ কর্মী। জানা গিয়েছে, পালঘরের পরের স্টেশন দাহিসারে তিনি ঝাঁপ দিয়ে নামার চেষ্টা করতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র।

    কেন গুলি চালাল চেতন?

    গুলি চালনার কারণ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, নিহত আরপিএফ অফিসার তাঁর পূর্বপরিচিত ছিলেন। তবে নিহতের সঙ্গে বিবাদ ছিল না অভিযুক্তের (RPF Jawan)। পুলিশ অবশ্য প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন অভিযুক্ত ব্যক্তি (RPF Jawan)। তার অসুস্থতার কারণে বেশ কিছু দিন ধরেই তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে ছুটি চাইছিলেন। কর্তৃপক্ষ তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ারও পরামর্শও দিয়েছিলেন পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে অবশ্য চেতন নিজেই জানান, সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন তিনি। তারপরেই এই পরিণতি। জয়পুর এক্সপ্রেসকে এরপর বরিভালি স্টেশনে দাঁড় করানো হয়। সেখানে দেহগুলিকে নামানো হয়। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের দেহগুলি স্থানীয় বাবাসাহেব অম্বেদকর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বরিভালি স্টেশনে হাজির হয়েছেন জিআরপির আধিকারিক রবীন্দ্র শিসভে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share