Tag: Rsp

Rsp

  • Nepal Polls: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বলেন্দ্র

    Nepal Polls: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বলেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র তথা র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত হওয়া, পেশায় টেকনোলজিস্ট বলেন্দ্র শাহ এখন নেপালের রাজনীতিতে একটি বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP) বহু নির্বাচনী এলাকায় প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছে, যার ফলে ৩৫ বছর বয়সী শাহ নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    বলেন্দ্রর উত্থান (Nepal Polls)

    নেপালে বর্তমানে ভোট গণনা চলছে। গত বৃহস্পতিবার সেখানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা ছিল জেন জেড আন্দোলনের পর প্রথম নির্বাচন। সেই বিক্ষোভে বহু মানুষ নিহত হয়। ব্যাপক আন্দোলনের জেরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। ভেঙ্গে দেওয়া হয় সংসদ। এই নির্বাচনে পুরনো রাজনৈতিক শক্তিগুলিও রয়েছে, যেমন ওলির কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফাইড মার্কসিস্ট–লেনিনিস্ট) এবং পুষ্প কমল দহলের সিপিএন (মাওবাদী কেন্দ্র)। সমালোচকদের মতে, এই দলগুলি প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতীক, যা ধীরে ধীরে জনসমর্থন হারাচ্ছে। ৩৫ বছর বয়সী বলেন্দ্র ‘ব্যালেন’ শাহ নিজেকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে তরুণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

    কাঠমান্ডুর প্রথম নির্দল মেয়র

    একসময়ের র‍্যাপার শাহ রাজনীতিতে পরিচিতি পান যখন তিনি কাঠমান্ডুর প্রথম নির্দল (ইন্ডিপেনডেন্ট) মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ভারতের কর্নাটকের বিশ্বেশ্বরাইয়া টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। নেপালের রাজনীতিতে তিনি উঠে এসেছেন তরুণদের আইকন হিসেবে। তবে ভারতের সম্পর্কে তাঁর কিছু আগের মন্তব্য সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০২৩ সালে তিনি নেপালে ভারতীয় সিনেমা নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানান। তাঁর অভিযোগ, একটি বলিউড চলচ্চিত্রে হিন্দু দেবী সীতাকে ‘ভারতের মেয়ে’ বলা হয়েছে। শাহ এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, “বহু ঐতিহ্য অনুযায়ী সীতার জন্মস্থান বর্তমান নেপাল বা নেপাল–বিহার সীমান্তের কাছাকাছি।”

    ‘গ্রেটার নেপাল’

    একই বছরে তিনি তাঁর কার্যালয়ে ‘গ্রেটার নেপালে’র একটি মানচিত্র প্রদর্শন করে বিতর্ক তৈরি করেন, যেখানে ভারতের কিছু ভূখণ্ডও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি একে ভারতের নতুন সংসদ ভবনে থাকা ‘অখণ্ড ভারত’ মানচিত্রের প্রতীকী জবাব হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। এই বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি এমন কিছু বলিনি যার জন্য আমায় ক্ষমা চাইতে হবে। ভারত তাদের সংসদের মানচিত্রকে সাংস্কৃতিক মানচিত্র বলেছে, তাই আমরা ঐতিহাসিক ‘গ্রেটার নেপাল’ মানচিত্র প্রদর্শন করেছি। এতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়।” ২০২৫ সালে তিনি আবারও সমালোচনার মুখে পড়েন, যখন তিনি একটি পোস্ট করেন যাতে ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চিনের বিরুদ্ধে অশালীন শব্দ ব্যবহার করা হয়। পরে সমালোচনার মুখে তিনি সেই পোস্ট মুছে ফেলেন। তবে গত মাসে তিনি তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার থেকে চিন-সম্পৃক্ত দামাক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক প্রকল্প বাদ দেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলির শক্ত ঘাঁটি ঝাপা-৫ এলাকায় অবস্থিত এই প্রকল্পটি চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (BRI) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত। এই পদক্ষেপকে ভারতের প্রতি আশ্বাস হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা নিয়ে।

    আরএসপির নির্বাচনী ইশতেহার

    এছাড়া আরএসপির নির্বাচনী ইশতেহারে ভারসাম্যপূর্ণ বিদেশনীতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তুলনামূলকভাবে তরুণ ও বাস্তববাদী নেতা হিসেবে—যিনি ভারতের কর্নাটকে পড়াশোনা করেছেন, শাহ অর্থনৈতিক সহযোগিতা, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং দুর্নীতিবিরোধী সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিতে পারেন, যা দুই দেশের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে পারে। যদিও তিনি কিছু বিআরআই সম্পর্কিত প্রকল্পের বিরোধিতা করেছেন এবং নেপালের রাজনৈতিক অভিজাতদের বেইজিং-ঘনিষ্ঠতার সমালোচনা করেছেন, তবুও শাসন অভিজ্ঞতার অভাবের কারণে তাঁর বিদেশনীতি কিছুটা অনির্দেশ্য হতে পারে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। সামগ্রিকভাবে, বলেন্দ্র শাহের নেতৃত্বে একটি সরকার নেপালের ঐতিহ্যগত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে তরুণদের নেতৃত্বে এক নতুন ও পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক ধারা সূচিত করতে পারে।

     

  • Balen Shah: র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বালেন্দ্রর দলের হাতেই যাচ্ছে নেপালের রাশ?

    Balen Shah: র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বালেন্দ্রর দলের হাতেই যাচ্ছে নেপালের রাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের সাধারণ নির্বাচনে (Nepal Election) বড় ধরনের জয়ের পথে র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা বালেন্দ্র শাহের (Balen Shah) দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP)। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত বছরের যুব নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের পর, যা দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল।

    এগিয়ে আরএসপি (Balen Shah)

    নির্বাচনের ফলে দেখা গিয়েছে হিমালয়ের পাদদেশের এই অঞ্চলের দেশটিতে একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটতে চলেছে। এতে শাহের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এদিকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা প্রবীণ নেতা কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma Oli) তাঁর নিজের শক্ত ঘাঁটিতেই পিছিয়ে পড়েছেন। নেপালের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৬৫টি আসনের মধ্যে ১৬১টির ফল প্রকাশিত হতে চলেছে। এতে দেখা যাচ্ছে আরএসপি ইতিমধ্যেই সর্বাধিক আসনে জয় পেয়েছে এবং আরও বহু আসনে এগিয়ে রয়েছে। এটি দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থনের বড় ধরনের পতনের ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    নজর কেড়েছেন ঝাপা-৫ আসনে

    নেপালের এই সাধারণ নির্বাচনের ফলের ইঙ্গিত, নয়া রাজনৈতিক শক্তি আরএসপির পক্ষে একটি শক্তিশালী নির্বাচনী ঢেউ তৈরি হয়েছে। গত বছরের যুব আন্দোলনের পর থেকেই এই দলটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন’ নামেই পরিচিত, বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন ঝাপা-৫ আসনে। এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল – ইউএমএলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই আসনে শাহ ১৫,০০০-এরও বেশি ভোট পেয়েছেন। আর সিপিএন-ইউএমএলের চেয়ারম্যান তথা নেপালের চারবারের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি শনিবার সকাল পর্যন্ত পেয়েছেন প্রায় ৩,৩০০টি ভোট (Nepal Election)। ৩৫ বছর বয়সী ইঞ্জিনিয়ার শাহ কিছুদিন আগে পর্যন্তও কাঠমান্ডুর মেয়র ছিলেন। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত রইলে নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন শাহ-ই।

    তিনি পরিচিত ছিলেন একজন র‍্যাপার হিসেবে

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এই নির্বাচনী পরিবর্তন জনগণের মধ্যে প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি বাড়তে থাকা অসন্তোষের প্রতিফলন। গত ১৮ বছরে নেপালে ১৪টি সরকার গঠিত হয়েছে, যা দেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার ছবিটাই তুলে ধরে (Balen Shah)। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আরএসপি ইতিমধ্যেই ২০টি আসনে জয়ী হয়েছে, এগিয়ে রয়েছে আরও ৯৫টি আসনে। বালেন্দ্র শাহের রাজনৈতিক উত্থান কোনও বাঁধাধরা গতে হয়নি। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি পরিচিত ছিলেন একজন র‍্যাপার হিসেবে। কাঠমান্ডু মেয়র নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরেই শুরু হয় তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা। ওই নির্বাচনে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠান-বিরোধী প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রচারে তাঁর জনসমর্থন নজর কেড়েছে নেপালবাসীর। তাঁর সমাবেশগুলিতে বিপুল জনসমাগম হয়, যার একটা বড় অংশই ছিল তরুণ ভোটার (Nepal Election)।

    বালেন্দ্রর জনপ্রিয়তা

    তাঁর এই জনপ্রিয়তা তৈরি হয় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হওয়া যুব আন্দোলনের সময়। তখন হাজার হাজার তরুণ দুর্নীতি ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন। এই আন্দোলনের জেরে পতন ঘটে ওলি সরকারের। অনেক পর্যবেক্ষক এই আন্দোলনকে “জেন জেড মুভমেন্ট” এমনকি “রেভেলিউশান” বলেও উল্লেখ করেছেন। এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন বালেন শাহ স্বয়ং (Balen Shah)। সরকার পতনের পর নেপাল সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, যার দায়িত্বই ছিল সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করা। আরএসপির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রাক্তন টেলিভিশন সঞ্চালক রবি লামিছানে। শাহ গত বছরের ডিসেম্বরে এই দলে যোগ দেন এবং দ্রুত দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হয়ে ওঠেন।

    রাজনৈতিক অভিজাতদের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ

    তাঁর নির্বাচনী প্রচারের মূল বক্তব্যই ছিল নেপালের পুরনো রাজনৈতিক অভিজাতদের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করা এবং প্রজন্মগত পরিবর্তনের প্রতীক  হিসেবে নিজেকে তুলে ধরা। প্রধানমন্ত্রী পদে প্রচার শুরু করার সময় তিনি বক্তব্য শুরু করতেন ‘সর্বপ্রথম, মাতা জানকী কি প্রণাম’ শব্দবন্ধ দিয়ে (Nepal Election)। তিনি বক্তব্য রাখেন মৈথিলী ভাষায়, যা প্রচলিত ভারতের দুই রাজ্য বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং নেপালের মাধেশ প্রদেশে। তিনি তাঁর প্রচার শুরুই করেছিলেন জনকপুর থেকে। এটি মাধেশ প্রদেশের রাজধানী এবং হিন্দু দেবী সীতা বা মা জানকীর জন্মস্থান (Nepal Election)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটি নেপালের বিভিন্ন ভাষাগত ও আঞ্চলিক জনগোষ্ঠীর কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর কৌশল (Balen Shah)। প্রসঙ্গত, নেপালের এই নির্বাচন ছিল সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর যুব বিদ্রোহের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচন। এই আন্দোলনের নেপথ্যে ছিল দুর্নীতি, শাসন ব্যর্থতা এবং পুরনো রাজনৈতিক দলগুলির আধিপত্যের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা জনরোষ।

    জেন জেডের শক্তি

    বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন ছিল সেই জেন জেডের শক্তির রাজনৈতিক পরীক্ষা। আরএসপির ফলেই স্পষ্ট, বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা নেপালের পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন চায় (Nepal Election)। নেপালের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাম প্রসাদ ভান্ডারি জানান, এবার ভোট দিয়েছেন প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ। ভোটগ্রহণের সময় কয়েকটি জেলায় সামান্য বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটে বলে খবর।এদিকে, নেপালে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় খুশি ভারত। তারা একে স্বাগত জানিয়েছে (Balen Shah)। ৫ মার্চ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত নেপালের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগকে স্বাগত জানায়।” ভারত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি এবং নেপাল সরকারের ভূমিকাকেও অভিনন্দন জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কাঠমান্ডুর অনুরোধে ভারত নির্বাচন পরিচালনায় লজিস্টিক সাহায্য করেছে। ভারত ভবিষ্যতেও নেপালের সঙ্গে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে।” অন্যদিকে, শনিবার সকালেও ভোট গণনা চলতে থাকায় বালেন্দ্রর দল আরএসপি বড় ব্যবধানে জয়ের দিকে এগোচ্ছে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, আরএসপি ২৫টি আসনে জয়ী হয়েছে। এগিয়ে রয়েছে ৯৩টি আসনে (Nepal Election)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, ভোট গণনা শেষ হওয়ার কথা ৯ মার্চের মধ্যে (Balen Shah)।

     

  • Biswanth Chowdhury: ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে হার! প্রয়াত হলেন রাজ্যের প্রাক্তন কারামন্ত্রী বিশ্বনাথ চৌধুরী

    Biswanth Chowdhury: ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ে হার! প্রয়াত হলেন রাজ্যের প্রাক্তন কারামন্ত্রী বিশ্বনাথ চৌধুরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন প্ৰাক্তন কারামন্ত্রী বিশ্বনাথ চৌধুরী। ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে প্রয়াত হন তিনি। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অন্যতম স্বচ্ছ ভাবমূর্তির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার রাজনৈতিক মহল ও জেলাবাসী শোকাহত। জেলার এক রাজনৈতিক যুগের অবসান ঘটল বলে রাজনৈতিক বিশ্লষকরা মনে করছেন।

    টানা সাত বারের বিধায়ক

    বাম আমলের মন্ত্রী ছিলেন বিশ্বনাথ। টানা সাত বার বালুরঘাট থেকে আরএসপির টিকিটে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ৩৪ বছরের বাম শাসনকালের মধ্যে প্রায় আড়াই দশক ধরে মন্ত্রিত্ব সামলেছেন তিনি। ১৯৮৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত রাজ্যের কারা ও সমাজকল্যাণ দফতরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ১৯৭৭ সালে প্রথম বার বিধায়ক হন বিশ্বনাথ। ২০১১ সালে তৃণমূলের শঙ্কর চক্রবর্তীর কাছে হেরে গিয়েছিলেন তিনি। তিনি বালুরঘাটের একটি হাইস্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক ছিলেন। গত কয়েকমাস আগে বিশ্বনাথবাবুর স্ত্রী মারা যান। তারপর গত কয়েকদিন আগে তিনি ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। অসুস্থ থাকার সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    শোকের ছায়া জেলার রাজনৈতিক মহলে

    এই বিষয়ে বামফ্রন্টের নেতা তথা বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রবীর দত্ত বলেন, বিশ্বনাথদার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তিনি আমাদের দলের এক অন্যতম মুখ ছিলেন। এই জেলার প্রতি তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। কলকাতা থেকে বালুরঘাটে তাঁর নিজের বাড়িতে মরদেহ আনার ব্যাবস্থা চলছে। এই বিষয়ে বিজেপির টাউন সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্ত বলেন, বিশ্বনাথবাবু একজন বর্ষীয়ান নেতা, তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, রাজনৈতিক মহলে এক বড় নক্ষত্রের পতন হল। তিনি অন্য দলের হলেও তিনি তো আমাদের বালুরঘাট শহরের বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী ছিলেন।

    বালুরঘাটবাসী কী বললেন?

    এই বিষয়ে বালুরঘাটের (Balurghat) বাসিন্দারা বলেন, বিশ্বনাথবাবু আমাদের বালুরঘাটের এক অন্যতম ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। বালুরঘাটের প্রতি তাঁর অবদানের কথা আমরা কোনওদিন ভুলব না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাম নবমীর ছুটি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর, হল যোগদানপর্ব

    Sukanta Majumdar: রাম নবমীর ছুটি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর, হল যোগদানপর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন যিনি জয় শ্রীরাম ডাক শুনতে পারতেন না, তিনি এখন রামনবমী ছুটি দিয়েছেন। কথায় বলে ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনওদিনই পূরণ হবে না, হতে পারে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। বালুরঘাটের জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় এসে এইভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি।  

    তৃণমূল ছেড়ে প্রায় আড়াইশো জন কর্মীর বিজেপিতে যোগদান (Sukanta Majumdar)

    এদিনের নির্বাচনী প্রচার সভায় আরএসপি-র পঞ্চায়েত সদস্য ও তৃণমূলের প্রায় আড়াইশো জন কর্মী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। মূলত, এদিন বালুরঘাট ব্লকের জলঘর গ্রামপঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় একটি যোগদান কর্মসূচি ও একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভাতে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, তৃণমূলের থেকে কর্মীদের মোহভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে, এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। ভোটের মুখে দলে দলে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক আমাদের দলে নাম লেখাচ্ছেন। এতে আমাদের সংগঠন আরও অনেক মজবুত হল। আগামীদিনেও আরও বহু তৃণমূল কর্মী আমাদের দলে যোগদান করবেন। মানুষ তিতি বিরক্ত। তৃণমূলের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের সঙ্গে কেউ আর থাকতে চাইছে না।

    আরও পড়ুন: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) এই কটাক্ষককে উড়িয়ে দিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন , সুকান্তবাবু শিক্ষিত অধ্যাপক, তিনি মুখ্যমন্ত্রী প্রসঙ্গে যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন তা কাম্য নয়। পাশাপাশি বাম পঞ্চায়েত সদস্যের বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বামেরা বিজেপিকে সাহায্য করছে, তা জানি। তবে, যত সংখ্যা বলছেন, তত সংখ্যায় যোগদান করেনি। মাত্র কয়েকজন যোগদান করেছেন। তৃণমূল থেকে কেউ যোগদান করেনি। ওরা মিথ্যা দাবি করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: বাসন্তী, কুলতলিতে ফের দুজন তৃণমূল কর্মী খুন, জেলাজুড়ে শোরগোল

    TMC: বাসন্তী, কুলতলিতে ফের দুজন তৃণমূল কর্মী খুন, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের সন্ত্রাসে রাজ্যে আরও দুই তৃণমূল (TMC) কর্মীর মৃত্যু হল। দুটি ঘটনায় ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। একটি বাসন্তী, আর অন্যটি কুলতলি এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম আলি আজগর লস্কর (৬২) এবং আবু সালেম খান (৪৮)। শনিবার গভীর রাতে কলকাতা হাসপাতালে আজগরের মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রবিবার সকাল থেকে উত্তেজনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আর আবু সালেমকে বুথের সামনে গুলি করে খুন করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বাসন্তীর রাধারাণীপুর এলাকায় ২৪১ নম্বর বুথে আরএসপির সংগঠন ভাল। তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে আরএসপি প্রার্থী দিয়েছে।  সকাল থেকেই ভোটকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছিল। ভোটের পর পরই ব্যালট বক্স ছিনতাইকে কেন্দ্র করে গণ্ডগোল বাধে। অভিযোগ, বুথ থেকে ভোটের ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আরএসপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তখনই তৃণমূল কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে আর এস পি ও তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। বুথের সামনে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। গাড়ি ভাঙচুর করে ব্যালট বাক্স বের করে নেয়। তাতে বাধা দেয় তৃণমূল। তখনই দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক অশান্তি হয়। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের মোট ৮ জন  আহত হয়েছেন। তাঁদেরকে উদ্ধার করে বাসন্তী ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে আনা হয়েছে। পরে, তৃণমূল কর্মী আজগরসাহেবের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, কুলতলির জালাবেড়িয়া-১ পঞ্চায়েত এলাকায় পশ্চিম গাবতলায় তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপি সহ বিরোধী দলের কর্মীদের মধ্যে গণ্ডগোল বাধে। বুথে ছাপ্পা ভোটকে কেন্দ্র করেই ঝামেলা বাধে। তখনই তৃণমূল কর্মী আবু সালেমকে পিটিয়ে গুলি করে খুন করা হয়।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূল (TMC) বিধায়ক পরেশরাম দাস বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। মানুষ উন্নয়নের নিরিখে ভোট দিয়েছে। এটা আরএসপি বুঝতে পেরে গিয়েছে। তাই, ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পর  পরই আরএসপি সন্ত্রাস করে ভোট লুট করতে চেয়েছিল। সেটা তৃণমূল কর্মীরা রুখে দেন। আর তারজন্যই আরএসপিদের হাতে আমাদের কর্মীরা রক্তাক্ত হয়। একজনের প্রাণ গেল। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি করছি। অন্যদিকে, কুলতলির ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের এক নেতা বলেন, বিজেপি সহ বিরোধী দলের লোকজন বুথ দখল করতে এসেছিল। তৃণমূলের ওই কর্মী প্রতিহত করতে গিয়ে খুন হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Clock Tower: বাম আমলের টাওয়ারে নতুন ‘তৃণমূলী ক্লক’, ৯ লাখি ঘড়িতে দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছে বিরোধীরা

    Clock Tower: বাম আমলের টাওয়ারে নতুন ‘তৃণমূলী ক্লক’, ৯ লাখি ঘড়িতে দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছে বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাম আমলের বেহাল টাওয়ার ক্লক (Clock Tower) সরিয়ে নতুন ক্লক বসানো হল বালুরঘাট শহরের বাসস্ট্যান্ডে। যার খরচ নাকি ৯ লক্ষ টাকা। পুরসভার বসানো ঘড়ির খরচ শুনে চক্ষু চড়কগাছ শহরবাসীর। যা নিয়ে কটাক্ষ বিরোধীদের গলায়। বাম ও বিজেপির অভিযোগ, টাওয়ার তো আগেই ছিল। শুধুমাত্র ঘড়ির খরচ কেন এত টাকা? পুরবোর্ড অবশ্য দাবি করেছে, সম্পূর্ণ নতুন ঘড়ি এনে লাগানো হয়েছে। তবে বাম আমলে এর চেয়ে বেশি খরচ করা হয়েছে। যুক্তি যাই দেখানো হোক, এই ঘড়ির বিষয়টি নিয়ে শহরের চায়ের দোকানগুলিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।  

    নতুন কি না, সন্দেহ প্রকাশ আরএসপি-র প্রাক্তন চেয়ারপার্সনের

    আরএসপির প্রাক্তন চেয়ারপার্সন সুচেতা বিশ্বাস বলেন, সঠিক খরচ মনে না পড়লেও আমরা লাখ দু’য়েক টাকা খরচ করে ওই ঘড়ি বসিয়েছিলাম। তাই বলে এই বোর্ডের মতো ৯ লক্ষ টাকা খরচ হয়নি। আর আমাদের সময়কালের টাওয়ারই (Clock Tower) তো রয়েছে। নতুন করে শুধু ঘড়ি বসানো হয়েছে। ওই ঘড়িটি নতুন কিনা, তাও সন্দেহ রয়েছে। 

    এটা কি লন্ডন থেকে আনা? প্রশ্ন বিজেপি-র

    বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য সুমন বর্মন বলেন, বামেদের আমলে এই ঘড়ি (Clock Tower) বসানো হয়েছিল। সেই ঘড়িই বিগত তৃণমূল বোর্ড সংস্কারের নামে কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয় দেখিয়েছিল। এখন নতুন পুরবোর্ড আবার একই ঘড়ি সংস্কার করে ৯ লক্ষ টাকা খরচ দেখাচ্ছে। এটা কি লন্ডন থেকে আনা? 

    কী বলছেন এলাকার বাসিন্দারা?

    এবিষয়ে বালুরঘাট শহরের চকভবানী এলাকার বাসিন্দা সুরজিৎ দত্ত বলেন, এই ঘড়ি (Clock Tower) দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে পড়েছিল। নতুন করে লাগানো হয়েছে। খুব ভালো কথা। কিন্তু এই ঘড়ির জন্য এত খরচ করার কোনও মানে হয় না। এই ঘড়ির খরচ নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। প্রসঙ্গত, বালুরঘাট শহরের মূল কেন্দ্র বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চৌমাথা মোড়ে এই টাওয়ার ঘড়ির অবস্থান। ২০১৩ সালের আগে বাম আমলে এই ঘড়িটি লক্ষাধিক টাকা খরচ করে বসানো হয়েছিল। বিগত এক দশকের বেশি সময় ধরে এই টাওয়ার ঘড়িই শহর চেনার মূল আকর্ষণ হয়। ২০১৩ সালে পালাবদলের পরে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। এরপর তা নষ্ট হলে ২০১৬ সালে সংস্কার করা হয়৷ পরে ফের নষ্ট হয়ে যায়। দীর্ঘ বছর এই ঘড়ি খারাপ থাকায় নতুন পুরবোর্ড ঘড়ি সংস্কারে উদ্যোগী হয়েছে। নববর্ষের উপহার স্বরূপ বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র এই ঘড়ি উদ্বোধন করেন। যাকে ঘিরেই বিতর্ক।

    কী জবাব দিলেন বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান?

    এবিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, বামেদের আমলে ওই ঘড়ি (Clock Tower) বসাতে আমাদের চেয়ে বেশি টাকা লেগেছে। আর ওরা যেভাবে ঘড়িটি বসিয়েছিল, তা সংস্কারও করা হত না। যে ঘড়িটি বসানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ নতুন। এটি উন্নতমানের জিপিআরএস সিস্টেমে বসানো হয়েছে। শহরের সৌন্দর্যের জন্যই এই উদ্যোগ। যা বিরোধীরা এতদিন করতে পারেনি বলেই এই ধরনের কথা বলছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share