Tag: Ruchira Kamboj

Ruchira Kamboj

  • Ruchira Kamboj: সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি ভারতের, ফের জানালেন রুচিরা

    Ruchira Kamboj: সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি ভারতের, ফের জানালেন রুচিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ভারত যে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে, বিশ্বমঞ্চে ফের একবার তা জানিয়ে দিলেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ (Ruchira Kamboj)। মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখছিলেন রুচিরা। ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে অফ সলিডারিটি উইথ প্যালেস্তাইন পিপল’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল এদিন। সেই উপলক্ষেই বক্তৃতা দিচ্ছিলেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি।

    ‘তামাম বিশ্বে মানবতার সঙ্কট’

    তিনি বলেন, “প্যালেস্তাইনে নাগরিকদের সঙ্গে আমাদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্ক ঐতিহাসিক। দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যেও সম্পর্ক রয়েছে। প্যালেস্তাইনের বাসিন্দারা যাতে রাষ্ট্র ও শান্তি-সমৃদ্ধি পান, সেজন্য তাঁদের পাশে রয়েছে ভারত।” এর পরেই রুচিরা (Ruchira Kamboj) বলেন, “সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে ভারত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে। আমরা এটাও বিশ্বাস করি, আন্তর্জাতিক মানবতা আইন সকলেরই মেনে চলা উচিত।” বর্তমান বিশ্বে যে মানবতার সঙ্কট চলছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন রুচিরা। তিনি বলেন, “মানবতার এই সঙ্কটের দিনে মানবতা রক্ষায় চূড়ান্ত দায়িত্ব পালন করা প্রয়োজন বিশ্বের প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই।”

    গাজার অসহায়দের পাশে ভারত

    হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের জেরে বিপর্যস্ত গাজা স্ট্রিপের বাসিন্দারা। এই গাজা স্ট্রিপেই ঘাঁটি গেড়েছিল প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র সংগঠন। এই সংগঠনই প্রথম হামলা চালায় ইজরায়েলে। প্রত্যাঘাত করে ইজরায়েল। এই যুদ্ধের জেরেই ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় গাজা স্ট্রিপ। গাজার অসহায় নাগরিকদের পাশে দাঁড়াতে সেখানে ত্রাণ পাঠায় ভারত। এদিন সেকথা মনে করিয়ে দিয়ে রুচিরা বলেন, “গাজা স্ট্রিপে ৭০ টন মানবিক সাহায্য পাঠিয়েছে ভারত। এর মধ্যে রয়েছে ১৬.৫ টন ওষুধ ও মেডিকেল সরঞ্জাম।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘কলকাতার ‘প্রতিবাদ সভা’য় যোগ দেওয়ার অপেক্ষায়…’’, ট্যুইট-বার্তায় অমিত শাহ

    রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “৭ অক্টোবর, প্রথম যেদিন ইজরায়েলের ওপর হামলা হয়েছিল, সে সম্পর্কেও আমরা জানি। আমরা হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। সন্ত্রাসবাদের পক্ষে কোনও যুক্তিই খাড়া করা যায় না। আবার গাজায় যেসব নিরীহ মানুষ যুদ্ধের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন, তাঁদের নিয়েও ভারত উদ্বিগ্ন।” রুচিরা (Ruchira Kamboj) বলেন, “ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন ইস্যুতে ভারত বরাবরই আলোচনার পক্ষে। প্যালেস্তাইন স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করুক, ভারত তা চায়। দুই দেশের সীমান্তেই বজায় থাকুক কাঙ্খিত শান্তি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Afghanistan: আফগানিস্তানে জঙ্গিদের আশ্রয়, প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে না, পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতের

    Afghanistan: আফগানিস্তানে জঙ্গিদের আশ্রয়, প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে না, পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের (Afghanistan) মাটিকে সন্ত্রাসবাদের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। বিশেষ করে যেসমস্ত সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ইউনাইটেড নেশনসের নিরাপত্তা পরিষদ। বৃহস্পতিবার কড়া ভাষায় পাকিস্তানকে আক্রমণ করল ভারত। আফগানিস্তানের মাটিতে জেহাদিদের প্রশিক্ষণ ও শিবির স্থাপন মেনে নেবে না ভারত। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নাম না করে এভাবেই পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিলেন ভারতের প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ।

    রুচিরা কম্বোজের মন্তব্য

    আফগানিস্তান (Afghanistan) নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ভারতের তরফে একাধিক মন্তব্য করেন ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ। এছাড়া আফগানিস্তানে সাধারণ মানুষের অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এর পাশাপাশি ভারতের তরফে আফগানিস্তানকে গত বছর যে সাহায্য করা হয়েছে তাও এই আলোচনার সভায় তুলে ধরেন তিনি।

    তিনি বলেন, “ভারত আশা করে যে আফগানিস্তানের জমিতে সন্ত্রাসবাদীদের প্রশিক্ষণ ও শিবির স্থাপন করা হবে না। বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের নিষিদ্ধ তালিকায় থাকা জঙ্গিদের ও মাদক পাচারকারীদের আফগান ভূখণ্ডে আশ্রয় দেওয়া হবে না।”

    আরও পড়ুন: গ্রুপ সি-র ৮৪২ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    আফগানিস্তানের (Afghanistan) জনগণের প্রসঙ্গ এনে রুচিরা কম্বোজ বলেন, “আফগান জনতার কথা মাথায় রেখে এবং রাষ্ট্রসংঘের আবেদনে সাড়া দিয়ে আফগানিস্তানে ত্রাণ পাঠাচ্ছে ভারত। আফগানিস্তানের উন্নয়নের জন্য কাজ করবে ভারত। আমি মনে করিয়ে দিতে চাই আফগানদের নিরাপত্তা এবং সেদেশে শান্তি বহাল করার কাজই ভারতের কাছে অগ্রাধিকার পাবে।” তিনি উল্লেখ করেছেন, ইউনাইটেড নেশনশের আর্জিতে ভারত সাড়া দিয়েছে এবং আফগানিস্তানকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন গম, ৬৫ টন ওযুধ সামগ্রী এবং ২৮ টন অন্যান্য সামগ্রীও পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আফগানিস্তানের উন্নতির জন্য সেক্রেটারি জেনারেলের সঙ্গে কাজ করতেও আগ্রহী ভারত বলে জানিয়েছেন রুচিরা।

    আফগান মহিলাদের প্রসঙ্গে কী বললেন রুচিরা?

    আফগানিস্তানের পরিস্থিতি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, রুচিরা কাম্বোজ বলেছেন যে, সেদেশের জনগণের পরিস্থিতি “গভীর বেদনাদায়ক”। আবার মহিলাদের চরম দুর্দশার কথা এনে তিনি বলেন, দেশটির ভবিষ্যতের জন্য মহিলা ও সংখ্যালঘুদের একত্রিতকরণ জরুরী এবং তাদের অধিকার যথাযথভাবে রক্ষিত হওয়া প্রয়োজন। ফলে আফগানিস্তানের (Afghanistan) এই পরিস্থিতির পরিবর্তনেরই ডাক দিচ্ছে ভারত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Ruchira Kamboj: ডিসেম্বরে ভারতের সভাপতিত্বে সভা, রাষ্ট্রসংঘ প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ রুচিরা কম্বোজের

    Ruchira Kamboj: ডিসেম্বরে ভারতের সভাপতিত্বে সভা, রাষ্ট্রসংঘ প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ রুচিরা কম্বোজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে (UN) ভারতের (India) স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ (Ruchira Kamboj) দেখা করলেন রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্টনিও গুতেরাসের সঙ্গে। মঙ্গলবার রুচিরা দেখা করেন গুতেরাসের সঙ্গে। রাষ্ট্রসংঘের শীর্ষ কর্তার সঙ্গে দেখা করে তিনি আলোচনা করেন কীভাবে সফল করা যাবে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) ডিসেম্বরের সভা। এই সভায় সভাপতিত্ব করবে ভারত। অ্যান্টনিও গুতেরাসের সঙ্গে সাক্ষাৎকার পর্ব শেষে ট্যুইট করেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, আজ, রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্টনিও গুতেরাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে খুবই খুশি। তাঁর সঙ্গে প্রোগ্রাম এবং কী কী বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের সভাপতিত্বে হবে বৈঠক। তা নিয়েই হয়েছে আলোচনা।

    ভারতের অবস্থান…

    পনের সদস্য দেশ নিয়ে গঠিত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। বিশ্বের পাঁচ শক্তিশালী দেশ চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, আমেরিকা এবং ব্রিটেন নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলেশন, নতুন দেশের অন্তর্ভুক্তি বা মহাসচিব প্রার্থীর নিয়োগে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এই স্থায়ী সদস্যদের। নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান অস্থায়ী সদস্য দেশগুলি হল ব্রাজিল, আলবানিয়া, ঘানা, কলম্বো, আয়ারল্যান্ড, কেনিয়া, মেক্সিকো এবং নরওয়ে। ভারত নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম অস্থায়ী সদস্য। এই অস্থায়ী সদস্যরা নির্বাচিত হয় দু বছরের জন্য।

    আরও পড়ুন: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক ভারত, এবার দাবি ফ্রান্সের

    জানা গিয়েছে, গত বছর অগাস্টে নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের সভাপতিত্বে সভা হয়েছে রাষ্ট্রসংঘে। সেবার আলোচনার ভরকেন্দ্র ছিল সামুদ্রিক নিরাপত্তা, রাষ্ট্রসংঘে শান্তি রক্ষা এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধিতা। গত বছর অগাস্টের পর এবার ডিসেম্বরে ফের সভাপতিত্ব করার সুযোগ এসেছে ভারতের কাছে। যে পনেরটি দেশ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য, তারা প্রত্যেকই সভাপতিত্ব করার সুযোগ পায়। সেই সুযোগ আসে অ্যালফাবেটিক্যালি। রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেলের সঙ্গে রুচিরা কম্বোজের (Ruchira Kamboj) বৈঠকে জি-২০ তে ভারতের সভাপতিত্ব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এটা ভারতের কাছে একটা বড় সুযোগ। কারণে বৈশ্বিক নানা বিষয় তুলে ধরার একটা সুযোগ মিলবে এই জি-২০তে। প্রসঙ্গত, এই জি-২০ শুরু হয়েছে আজ, বৃহস্পতবারই।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • UNSC: রাষ্ট্রসংঘে সংস্কার সাধনে চেষ্টা করবে ভারত, জানালেন রুচিরা কম্বোজ

    UNSC: রাষ্ট্রসংঘে সংস্কার সাধনে চেষ্টা করবে ভারত, জানালেন রুচিরা কম্বোজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারই ঘানার হাত থেকে রাষ্ট্রসংঘের সভাপতিত্বের রাশ এল ভারতের (India) হাতে। আর শুক্রবারই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ (Ruchira Kamboj) জানিয়ে দিলেন ভারত রাষ্ট্রসংঘে সংস্কার সাধনে চেষ্টা করবে। জোর দেওয়া হবে বিশ্ব সন্ত্রাস দমনে।

    ডিসেম্বর প্রেসিডেন্সি…

    এদিন রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, আমরা ডিসেম্বর প্রেসিডেন্সিতে সেই একই স্পিরিট নিয়ে আসব। আমরা দুটি প্রধান বিষয়ে আলোকপাত করব। একটি হল, উন্নীত বহুপাক্ষিকতার পক্ষে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা এবং অন্যটি হল বিশ্ব সন্ত্রাস দমন। কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা করা হবে। সন্ত্রাস বিরোধী কমিটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে কম্বোজ জানান, অক্টোবরে ভারতে এই কমিটির বিশেষ বৈঠক হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, দিল্লি ঘোষণার সঙ্গে এক মত হয়ে সন্ত্রাস দমন কমিটিও স্বীকার করেছে প্রযুক্তিগত দিক থেকে জঙ্গিরা ক্রমেই উন্নত হচ্ছে। এর বিরুদ্ধেই আমাদের লড়তে হবে।

    আরও পড়ুন: ভারত-চিন সম্পর্কে নাক গলাবেন না, আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি ড্রাগনের দেশের

    সন্ত্রাসবাদই যে এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের শিরঃপীড়ার কারণ, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি। সন্ত্রাসবাদের রক্তচক্ষু গভীর এবং বিশ্বব্যাপী ছড়ানো এর শিকড়। প্রকৃতিগতভাবে এটি ট্রানজিশনাল। এই সন্ত্রাসবাদ দমনে লড়াই করতে হবে সম্মিলিতভাবে। অন্তত এটা এই সময়ের দাবি। রুচিরা কম্বোজ বলেন, ভারত এই কমিটির চেয়ারে রয়েছে। গোটা বিশ্ব যাতে এক যোগে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে, তার চেষ্টা করবে। রুচিরা কম্বোজ বলেন, গত ২২ বছর ধরে বিশ্ব নেতারা রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ((UNSC)) সংস্কার সাধনের কথা বলে আসছেন। কিন্তু আমরা এক ইঞ্চিও নড়িনি। তিনি জানান, ডিসেম্বরের ১৪-১৫ তারিখে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ দমন শীর্ষক এক বিতর্ক সভায় যোগ দিতে আসছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    প্রসঙ্গত, ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য দেশ রয়েছে পাঁচটি। বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্য। ভারত অস্থায়ী সদস্য। তা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ভারত উঠে এসেছে বারংবার। আন্তর্জাতিক নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও নানা সময় ভারত নিয়েছে নির্ণায়কের ভূমিকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Ruchira Kamboj: রাষ্ট্রসংঘে ভারতের নয়া স্থায়ী দূত রুচিরা কম্বোজ

    Ruchira Kamboj: রাষ্ট্রসংঘে ভারতের নয়া স্থায়ী দূত রুচিরা কম্বোজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে (United Nations) ভারতের নতুন স্থায়ী দূত (India’s Permanent Ambassador to UN) নিযুক্ত হলেন রুচিরা কম্বোজ (Ruchira Kamboj)। রুচিরা বর্তমানে ভুটানে (Bhutan) ভারতের রাষ্ট্রদূত (Indian Ambassador) হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ১৯৮৭ সালের ব্যাচের ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসের (Indian Foreign Service) এই আধিকারিক, খুব শীঘ্রই দায়িত্ব বুঝে নেবেন। টিএস ত্রিমূর্তির (TS Trimurti) পরেই তিনি এই পদে বসছেন। টিএস ত্রিমূর্তি গত মার্চ মাসে অবসর নিয়েছিলেন। এরপর তাঁর চাকরির মেয়াদ তিন মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Ukraine war) পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে বারবার ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ত্রিমূর্তি। এবার রাষ্ট্রসংঘে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করার দায়িত্ব অভিজ্ঞ রুচিরার উপর। 

    আরও পড়ুন: আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ-র প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু

    বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, টিএস মূর্তির পর রাষ্ট্রসংঘে ভারতের হয়ে স্থায়ী প্রতিনিধিত্ব করবেন রুচিরা কম্বোজ। কূটনীতিক হিসেবে এই ভারতীয় কন্যার কেরিয়ার গ্রাফ শুরু থেকেই উজ্জ্বল। ১৯৮৭ ব্যাচের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় তিনি দেশের মহিলাদের মধ্যে শীর্ষস্থানে ছিলেন। কাজে যোগদানের পর থেকে প্রতিটি জায়গাতেই নিজের প্রতিভার পরিচয় রেখেছেন রুচিরা। তিনি ফ্রান্স, মরিশাসে ভারতের দূত হিসেবে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন। ২০১৭-১৯ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয় হাইকমিশনে নিযুক্ত ছিলেন রুচিরা।

    আরও পড়ুন: ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণদের তথ্য চাইল সিবিআই, স্কুলে স্কুলে গেল নির্দেশ

    ১৯৯১-৯৬ সাল পর্যন্ত রুচিরা পশ্চিম ইউরোপ ডিভিশনে আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন। সেই সময় ফ্রান্স, ব্রিটেন, ইতালি, স্পেন ও কমনওয়েলথের সঙ্গে ভারতের সু-সম্পর্ক রক্ষায় রুচিরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। লন্ডনে (London) কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েটে (Commonwealth Secretariat) সেক্রেটারি জেনারেলের অফিসের  ডেপুটি হেড হিসাবেও তিনি দায়িত্ব সামলেছিলেন। একাধিক আন্তর্জাতিক সামিট আয়োজনে ভূমিকা নিয়েছেন এই ভারতীয় কন্যা। ২০১৪-১৬ সাল পর্যন্ত প্যারিসে ইউনেসকোর (UNESCO) ভারতীয় দূত হিসাবে নিয়োজিত ছিলেন রুচিরা। এরপর ২০১৯ সালে তিনি ভুটানে (Bhutan) ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসাবে কর্মরত হন।

LinkedIn
Share