Tag: run for unity

  • Sardar Patel 151st Birth Anniversary: ১৫১তম জন্মবার্ষিকীতে সর্দার প্যাটেলকে শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর, ‘রান ফর ইউনিটি’র সূচনা অমিত শাহের

    Sardar Patel 151st Birth Anniversary: ১৫১তম জন্মবার্ষিকীতে সর্দার প্যাটেলকে শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর, ‘রান ফর ইউনিটি’র সূচনা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ঐক্য ও অখণ্ডতা রক্ষার ইতিহাসে যাঁর অবদান চিরস্মরণীয়, সেই সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫১তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে গোটা দেশ। শনিবার, ৩১ অক্টোবর পালিত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় একতা দিবস (Rashtriya Ekta Diwas) বা জাতীয় ঐক্য দিবস। স্বাধীনতার পর ৫৬০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্যকে ভারতীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করে ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা এদিন বিশেষভাবে স্মরণ করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সর্দার প্যাটেলের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পাশাপাশি, দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হচ্ছে জাতীয় ঐক্য দিবস।

    রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন

    নয়াদিল্লির প্যাটেল চকে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন। স্বাধীন ভারতের প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁরা তাঁর ঐতিহাসিক অবদানকে স্মরণ করেন। দেশের রাজনৈতিক সংহতি ও অখণ্ডতা প্রতিষ্ঠায় প্যাটেলের ভূমিকা জাতীয় ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

    ‘অখণ্ড ভারতের স্থপতি’, সর্দার প্যাটেলকে শ্রদ্ধা মোদির

    সর্দার প্যাটেলের জন্মবার্ষিকীতে সমাজমাধ্যমে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে ‘অখণ্ড ভারতের স্থপতি’ এবং ‘জাতির লৌহমানব’ হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি লেখেন, শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও সক্ষম ভারত গড়ার লক্ষ্যে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন সর্দার প্যাটেল। মাতৃভূমির সেবায় তাঁর আত্মত্যাগ ও নিষ্ঠা আজও বিকশিত ও আত্মনির্ভর ভারত গড়ার পথে গভীর অনুপ্রেরণা জোগায়।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, দেশের ঐক্য ও সংহতি প্রতিষ্ঠায় প্যাটেলের অবদান কখনও ভোলার নয়। তাঁর দূরদর্শিতা, নেতৃত্ব এবং দেশ গঠনের প্রতি নিষ্ঠা আগামী প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করবে। এদিন গুজরাটের একতা নগরে ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’-তেও শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

    ‘আধুনিক ভারতের স্থপতি’, প্যাটেলকে কুর্নিশ অমিত শাহের

    সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে আধুনিক ভারতের স্থপতি হিসেবে উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সমাজমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি লেখেন, জাতীয় ঐক্য ও অখণ্ডতার প্রতীক সর্দার প্যাটেলের জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে কোটি কোটি প্রণাম। দেশবাসীকেও রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান তিনি।

    শাহের বক্তব্য, স্বাধীনতার পর দেশীয় রাজ্যগুলিকে একত্রিত করে একটি ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের ক্ষেত্রে প্যাটেলের সাহস, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ঐতিহাসিক উদ্যোগের ফলেই ভারতের রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক সংহতি সুদৃঢ় হয়েছিল।

    দিল্লিতে ‘রান ফর ইউনিটি’র সূচনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    রাষ্ট্রীয় একতা দিবস উপলক্ষে দিল্লির মেজর ধ্যানচাঁদ জাতীয় স্টেডিয়াম থেকে ‘রান ফর ইউনিটি’ (Run for Unity)-র সূচনা করেন অমিত শাহ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, সর্দার প্যাটেল এমন এক ব্যক্তিত্ব, যিনি শুধু ভারতের ইতিহাসই বদলাননি, দেশের ভৌগোলিক মানচিত্র গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, স্বাধীনতার পর ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজ ছিল অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু প্যাটেলের নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতায় সেই অসম্ভব কাজ সম্ভব হয়েছিল। তাঁর তৈরি শক্তিশালী ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েই আজ বিশ্বমঞ্চে গর্বের সঙ্গে নিজের অবস্থান তুলে ধরছে ভারত।

    ৫৬০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্যের সংযুক্তিকরণে ঐতিহাসিক ভূমিকা

    ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল স্বাধীন ভারতের প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর দেশীয় রাজ্যগুলিকে ভারতীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। ৫৬০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্যকে একত্রিত করে একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ ভারত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। এই অসামান্য অবদানের জন্যই ইতিহাসে তিনি ‘ভারতের লৌহমানব’ (Iron Man of India) হিসেবে পরিচিত।

    তাঁর স্মৃতিতে গুজরাটের একতা নগরে নির্মিত হয়েছে বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’। সর্দার প্যাটেলের রাষ্ট্রগঠন, জাতীয় সংহতি ও ঐক্যের ভাবনাকে সম্মান জানাতেই প্রতি বছর তাঁর জন্মদিনে পালিত হয় রাষ্ট্রীয় একতা দিবস।

    দেশজুড়ে ঐক্যের শপথ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    শুধু দিল্লি বা গুজরাট নয়, রাষ্ট্রীয় একতা দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজন করা হয়েছে নানা কর্মসূচির। সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল ও কলেজে নেওয়া হচ্ছে জাতীয় ঐক্য ও সংহতি রক্ষার শপথ। পাশাপাশি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং ‘রান ফর ইউনিটি’র আয়োজন করা হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়।

    দেশের বৈচিত্র্যময় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিসরে ঐক্য, সম্প্রীতি, শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। সর্দার প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী তাই কেবল একজন মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীকে স্মরণ করার দিন নয়, বরং দেশের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও জাতীয় সংহতির প্রতি দায়বদ্ধতা পুনর্ব্যক্ত করারও উপলক্ষ।

  • Rashtriya Ekta Divas: দেশবাসীকে রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের শপথের পাঠ দিলেন প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন জানেন?

    Rashtriya Ekta Divas: দেশবাসীকে রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের শপথের পাঠ দিলেন প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মর্যাদার সঙ্গে দেশজুড়ে পালিত হল সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের (Sardar Patel) ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। দিনটি ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’ (Rashtriya Ekta Divas) হিসেবে পরিচিত। এদিন এই উপলক্ষে হয়েছে ‘রান ফর ইউনিটি’ও। যা দেশবাসীর মনে ফের একবার জাগিয়ে তুলল দেশপ্রেম, ঐক্য, অখণ্ড ভারত এবং আত্মনির্ভরতার সেই অদম্য চেতনাকে, যে স্বপ্ন একদিন দেখেছিলেন ভারতের লৌহমানব প্যাটেল। এদিন দিল্লিতে অনুষ্ঠানের পাশাপাশি গুজরাটের নানদিয়ায় ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’তেও হয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান। স্বাধীন ভারতের স্থপতি এই মহান ব্যক্তিত্বকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করল তামাম ভারত, যিনি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশীয় রাজ্যকে একসূত্রে গেঁথে দিয়েছিলেন।

    প্যাটেলকে শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতির (Rashtriya Ekta Divas)

    দিল্লির প্যাটেল চকের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জাতির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্দার প্যাটেলকে। প্যাটেলের প্রতিমূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত এবং লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে স্যাক্সেনা। তাঁরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এই ‘লৌহ মানবে’র কৃতিত্বের গাথা। তাঁদের মতে, ৫৬০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্যকে একত্রিত করে সার্বভৌম ও ঐক্যবদ্ধ ভারতের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন তিনি।

    ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’

    এদিন কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানটি হয় ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’তে (Sardar Patel)। ১৮২ মিটার উঁচু প্যাটেলের এই মূর্তিটি বিশ্বের সর্বোচ্চ মূর্তি হিসেবে পরিচিত। ২০১৮ সালে এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি দেশবাসীকে দেন রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের শপথের পাঠ। লৌহমানবকে শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি অঙ্গীকার করছি যে, দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা এবং নিরাপত্তা রক্ষায় নিজেকে নিবেদিত রাখব। আমি দেশবাসীর মধ্যেও এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করব। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের দূরদৃষ্টি ও কঠোর পরিশ্রম যে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করেছে, তার চেতনায় আমি এই শপথ গ্রহণ করছি। আমার দেশ যেন অভ্যন্তরীণভাবে নিরাপদ থাকে, সে জন্যও আমি সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করব (Sardar Patel)।”

    একতা প্যারেড

    এদিনের অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল একতা প্যারেড। এটি পরিচালনা করেন মহিলা বাহিনীর সদস্যরা। এটি ভারতের শক্তি, অন্তর্ভুক্তি এবং জাতীয় চরিত্রের প্রতীক (Rashtriya Ekta Divas)। প্যারেডটির নেতৃত্ব দেন গুজরাট ক্যাডারের আইপিএস কর্তা সিমরন ভরদ্বাজ। এটি প্যাটেলের আজীবন সমর্থিত শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও জনসেবার আদর্শকে প্রতিফলিত করে। এই ভারতীয় সিভিল সার্ভিসকে দেশকে শক্ত ভিত্তি দেওয়ার ‘ইস্পাত কাঠামো’ হিসেবে কল্পনা করেছিলেন তিনি।

    ‘ঐক্যের প্রধান চালিকাশক্তি’

    প্যাটেলকে ‘ঐক্যের প্রধান চালিকাশক্তি’ বলে উল্লেখ করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫০তম জয়ন্তীতে ভারত তাঁকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে। ভারতকে (Sardar Patel) একীভূত করার পেছনে তিনি ছিলেন মূল চালিকাশক্তি, যিনি স্বাধীনতার পর দেশের ভাগ্যগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। জাতীয় ঐক্য, সুশাসন এবং জনসেবার প্রতি তাঁর অটল অঙ্গীকার আজও প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। আমরা তাঁর স্বপ্ন—একতাবদ্ধ, শক্তিশালী এবং আত্মনির্ভর ভারতের—পক্ষে আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি।” তিনি মনে করিয়ে দেন, স্বাধীনতার পরের অস্থির বছরগুলিতে কীভাবে সর্দার প্যাটেলের সাহস ও প্রশাসনিক দূরদৃষ্টি ভারতকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করেছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে সময় বিভাজনের হুমকি আমাদের সদ্য স্বাধীন দেশের আত্মাকে নাড়িয়ে দিচ্ছিল, সেই সময় সর্দার প্যাটেলের দৃঢ়তা ও দেশপ্রেমই নিশ্চিত করেছিল যে ভারত এক ও অভিন্ন থাক (Rashtriya Ekta Divas)।”

    অমিত শাহের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “তাঁর জন্মবার্ষিকীতে, জাতীয় ঐক্য, অখণ্ডতা এবং কৃষকদের ক্ষমতায়নের প্রতীক লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলজিকে কৃতজ্ঞ জাতির পক্ষ থেকে আমি শ্রদ্ধা জানাই।” তিনি আরও বলেন, “সর্দার সাহেব দেশীয় রাজ্যগুলিকে একত্রিত করে দেশের ঐক্য ও নিরাপত্তা মজবুত করেছিলেন এবং কৃষক, অনগ্রসর শ্রেণি ও বঞ্চিতদের সমবায়ের সঙ্গে যুক্ত করে দেশকে স্বনিযুক্তি ও আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল—দেশের উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হল কৃষকের সমৃদ্ধি। সর্দার সাহেব যে দেশকে ন্যায় ও ঐক্যের নীতিতে বেঁধে গড়ে তুলেছিলেন, সেই দেশকে রক্ষা করা প্রতিটি দেশপ্রেমিকের দায়িত্ব (Rashtriya Ekta Divas)।”

    সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল

    প্রসঙ্গত, ১৮৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর গুজরাটের নাডিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহচর প্যাটেল তাঁর কৌশলগত মেধা ও প্রশাসনিক দক্ষতার জন্য “ভারতের লৌহমানব” অভিধায় ভূষিত হন (Sardar Patel)। স্বাধীনতার পর ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি ৫৬০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্যকে একত্রিত করে এক জাতিতে পরিণত করার দুরূহ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তাঁর কূটনৈতিক দক্ষতা ও দৃঢ় সংকল্প ভারতকে একটি একক, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। তাঁর দূরদৃষ্টি আধুনিক ভারতের রাজনৈতিক ঐক্য, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি স্থাপন করে বই কি (Rashtriya Ekta Divas)!

LinkedIn
Share