Tag: Russia Ukraine conflict

Russia Ukraine conflict

  • Putin on Food Crisis: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেই খাদ্যসঙ্কট মোচনে মদত, পশ্চিমকে ‘শর্ত’ পুতিনের

    Putin on Food Crisis: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেই খাদ্যসঙ্কট মোচনে মদত, পশ্চিমকে ‘শর্ত’ পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা তুলতে পশ্চিমের দেশগুলিকে চাপ দিল রাশিয়া (russia)!

    পশ্চিমের দেশগুলি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই বিশ্বব্যাপী খাদ্যসঙ্কট (Global food crisis) এড়াতে মস্কো (Moscow) উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে প্রস্তুত। একথা জানিয়ে দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির (Mario Draghi) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন পুতিন। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, সেই সময়ই পুতিন মারিওকে জানিয়ে দেন একথা।

    ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর ক্রেমলিনের (Kremlin) পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আজভ (Sea of Azov) ও কৃষ্ণসাগরে (Black Sea) জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফোনে কথা বলার সময় পুতিন আজভ ও কৃষ্ণসাগরে অসামরিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার নিশ্চয়তায় গৃহীত পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন মারিওকে। তিনি সেখানে এসব জাহাজ চলাচলে নিয়মিত মানবিক করিডর চালু রাখার কথাও উল্লেখ করেন।

    রাশিয়ার তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাশিয়ান ফেডারেশন শস্য ও সার রফতানির মাধ্যমে খাদ্যসঙ্কট কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে যে প্রস্তুত ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে তা জানানো হয়েছিল। তবে সেজন্য পশ্চিমের দেশগুলি থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে হবে।

    আরও পড়ুন : মোদি-মাক্রঁর বৈঠক, উঠল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও

    রাশিয়ার অবস্থানকে ব্ল্যাকমেল হিসেবে বর্ণনা করেছে ইউক্রেন (Ukraine)। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ বিদেশ সচিব লিজ ট্রাস বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট খাদ্যসঙ্কটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বিশ্বকে ব্ল্যাকমেল করতে চাইছেন পুতিন। কিভের দাবি, ইউক্রেনের বন্দর আটকে রেখেছে রাশিয়া। যে কারণে, সেখান দিয়ে কোনও শস্য় পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। মস্কোর পাল্টা দাবি, বন্দরগুলিতে মাইন বিছিয়ে রেখেছে ইউক্রেন। 

    বিশ্ববাজারে ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে খাদ্যসঙ্কট। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শস্য, রান্নার তেল, জ্বালানি ও সারের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটকে উসকে দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত। তার জেরে ভারতের কড়া সমালোচনা করেছে জি-৭ (G-7) ভুক্ত দেশগুলি। তারা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজিও জানিয়েছে। অবশ্য গম রফতানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশ চিন (China)।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, বিশ্বের ক্রমবর্ধমান খাদ্য সঙ্কটের জন্য পশ্চিমের দেশগুলির ওপর দায় চাপাতে চাইছে ক্রেমলিন। ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘর্ষের (Ukraine Russia Crisis) কারণে লক্ষ লক্ষ টন খাদ্যশস্য ও অন্যান্য কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠাতে পারছে না ইউক্রেন।

    আরও পড়ুন : চিন নিয়ে সহমত, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াডে

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) জেরে বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, জ্বালানি এবং সারের। দেখা দিয়েছে খাদ্যসঙ্কটও। যদিও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, অসামরিক জাহাজগুলি এখন নিরাপদে ইউক্রেনের মারিউপোলের (Mariupol) আজভ সাগর বন্দর ব্যবহার করতে পারে। এই বন্দরে ছটি বিদেশি শুকনো পণ্যবাহী জাহাজ এখন ছাড়ার জন্য প্রস্তুত। এই জাহাজগুলি বুলগেরিয়া, ডোমিনিকা, লাইবেরিয়া, পানামা, তুরস্ক এবং জামাইকা থেকে এসেছে।

    জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের কৃষকদের উৎপাদিত দু’কোটি টনের বেশি খাদ্যশস্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। দেশটিতে নতুন করে ফসল কাটার সময়ও চলে এসেছে। এমতাবস্থায় পুতিনের ‘শর্তে’ বিশ্বনেতারা রাজি হন কিনা, এখন সেটাই দেখার।

     

  • India Wheat Supplier: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যাহত জোগান, ভারত থেকে গম কিনবে মিশর

    India Wheat Supplier: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যাহত জোগান, ভারত থেকে গম কিনবে মিশর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, কারও পৌষমাস তো কারও সর্বনাশ! মূল দুই গম সরবরাহকারী (Wheat Supplier) দেশ এখন নিজেদের মধ্য়ে যুদ্ধে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে, ভারত (India) থেকে গম (Wheat) কিনতে উদ্য়োগী হল মিশর (Egypt)। এর জন্য তড়িঘড়ি ভারতকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করল ফারাওয়ের (Pharaoh) দেশ।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) ফলে গমের যোগানে টান পড়ার ফলে বড় সমস্য়ায় পড়েছে মিশর। আর সেই ঘাটতি মেটাতে এবার ভারত থেকে গম আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিল উত্তর আফ্রিকার (North Africa) এই রাষ্ট্রটি। ইতিমধ্য়েই, গম সরবরাহকারী অনুমোদিত দেশের তালিকায় ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করেছে মিশর। 

    গোটা বিশ্বের মধ্য়ে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ গম আমদানি করে থাকে মিশর। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আগে পর্যন্ত ফি-বছর রাশিয়া থেকে সস্তায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের গম আমদানি করত মিশর। একইভাবে, ইউক্রেন থেকে ৬১ লক্ষ মার্কিন ডলার মূল্যের গম আমদানি করত আফ্রিকার এই রাষ্ট্রটি। এই দুই দেশই ছিল, মিশরের সবচেয়ে বড় গম সরবরাহকারী দেশ। মিশরের মোট গম আমদানির ৮০ শতাংশই আসত রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে।

    অন্যদিকে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদনকারী দেশ হলেও, ভারত থেকে গম কিনত না মিশর। কিন্তু গত দুমাসে, পরিস্থিতি অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধে বেঁধে গিয়েছে। আর এর ফলে, বড় সমস্যায় পড়েছে মিশর। কারণ, এই দুই দেশ থেকে তাদের গমের সরবরাহ পুরোটাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। 

    এই পরিস্থিতিতে, ভারতের সাহায্য চায় মিশর। ভারতও জানিয়ে দিয়েছে, যতটা সম্ভব গম সরবরাহ করে মিশরকে সাহায্য করা হবে। সম্প্রতি মিশেরর এক প্রতিনিধিদল মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও পঞ্জাবে গিয়ে গমের গুণমান, সংরক্ষণ পদ্ধতি ও রফতানির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে। এরপরই, ভারতকে সরবরাহকারী রাষ্ট্রের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে মিশর। জানা গিয়েছে, চলতি বছর মিশরকে ১০ লক্ষ টন গম সরবরাহ করবে ভারত। 

    রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের ফলে, ভারতের সামনে রফতানি বৃদ্ধি করার বিরাট সুযোগ তৈরি হল। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। কারণ, বর্তমানে ভারতের গমের ভাণ্ডার উপচে পড়েছে। রফতানি হলে, তা ব্যবহার হবে। জমে থাকা বিপুল গম বেরিয়ে যাবে। পাশাপাশি, ভারতের রফতানির (Indias export) পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। বিদেশি মুদ্রা (Forex) আসবে। একইসঙ্গে, কৃষকদেরও সুবিধা হবে। কারণ, দেশ-বিদেশে চাহিদা বাড়লে তাঁদের উৎপাদিত শস্য ভাল দাম পাবে। 

    গমের রফতানি (Wheat export) নিয়ে মিশরের পাশাপাশি তুরস্ক, চিন, বসনিয়া, সুদান, নাইজেরিয়া ও ইরানের সঙ্গেও আলোচনা চালাচ্ছে ভারত। 

LinkedIn
Share