Tag: Russia

Russia

  • Terrorism Arrest Warrant: টেলিগ্রামের সহ-প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদতের অভিযোগ, জারি আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানা

    Terrorism Arrest Warrant: টেলিগ্রামের সহ-প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদতের অভিযোগ, জারি আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেলিগ্রামের সহ-প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভের (Pavel Durov) বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে মদত দেওয়ার অভিযোগ এনেছে রাশিয়ার ফেডারেল নিরাপত্তা সংস্থা (এফএসবি)। একই সঙ্গে তাঁকে আন্তর্জাতিকভাবে ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায় তোলার প্রক্রিয়াও শুরু (Terrorism Arrest Warrant) হয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস। এফএসবি জানিয়েছে, টেলিগ্রাম পরিচালনার দায়িত্বে থাকা দুরভের বিরুদ্ধে রুশ ফৌজদারি আইনের ২০৫.১ ধারার ১.১ অংশে মামলা করা হয়েছে। ওই ধারাটি সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে সাহায্যেপ সঙ্গে সম্পর্কিত। তাসের প্রতিবেদনে এফএসবির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “টেলিগ্রাম প্রশাসনের প্রধান পাভেল দুরভের বিরুদ্ধে তদন্তাধীন একটি ফৌজদারি মামলার অংশ হিসেবে অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁর গ্রেফতারির জন্য আন্তর্জাতিক পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।”

    স্পুটনিকের বক্তব্য (Terrorism Arrest Warrant)

    রুশ আইনজীবী ভ্লাদিমির ঝেরেবেনকভ জানিয়েছেন, দুরভের অনুপস্থিতিতেও তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে। প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে এটি একটি প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাসকে ঝেরেবেনকভ বলেন, “রাশিয়ায় কোনও ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের জন্য এটি একটি প্রচলিত প্রক্রিয়া। রুশ আদালত কারও অনুপস্থিতিতেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর রুশ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ওই ব্যক্তিকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ পুলিশ সংস্থা বা ইন্টারপোলের মাধ্যমও রয়েছে। দুরভের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হতে পারে।” আইনি প্রতিনিধির বক্তব্য দিয়ে রুশ সংবাদ সংস্থা স্পুটনিক জানিয়েছে, দুরভের বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি অভিযোগ প্রমাণিত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে। এদিকে, এফএসবির তথ্য উদ্ধৃত করে স্পুটনিক দাবি করেছে, ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি রাশিয়ার অভ্যন্তরে জঙ্গি হামলা এবং ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা সমন্বয়ের জন্য টেলিগ্রামের বিভিন্ন চ্যানেল, চ্যাট ও বট ব্যবহার করলেও, সেগুলি সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেনি টেলিগ্রাম।

    রাশিয়ার দাবি

    রুশ কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই কর্মকাণ্ডের ফলে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে নারী এবং শিশুও রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকশ’ কোটি ডলারের সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে তারা (Terrorism Arrest Warrant)। স্পুটনিক আরও জানিয়েছে, এফএসবির অভিযোগ অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা টেলিগ্রামের পরিচয়-পরিচয় সেবা ব্যবহার করে তরুণী সেজে রুশ পুরুষদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতেন। পরে তাঁদের জঙ্গি কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার চেষ্টা করা হত। এফএসবির আরও দাবি, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে রাশিয়ার ১৬টি অঞ্চলে ওই পরিচয়-পরিচয় সেবার ৪৬ জন তরুণ ব্যবহারকারীকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা এবং অগ্নিসংযোগের মতো কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগ রয়েছে। এর আগে ফরাসি কৌঁসুলিদের বরাত দিয়ে জানা যায়, ৪১ বছর বয়সী এই ধনকুবেরের বিরুদ্ধে টেলিগ্রাম-সংক্রান্ত একাধিক অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে শিশুদের যৌন নিপীড়নের উপাদান ছড়িয়ে দেওয়া, প্রতারণা এবং মাদক বিক্রির অভিযোগও ছিল। সেই সময় দুরভ বলেছিলেন, বিশ্বজুড়ে যোগাযোগের একটি মঞ্চ পরিচালনার ক্ষেত্রে (Pavel Durov) ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত কঠিন। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, রাশিয়া ও ইরানের মতো দেশে সরকারি দাবি মেনে নেওয়ার চেয়ে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়াকেই (Terrorism Arrest Warrant) তাঁর সংস্থা বেছে নিতে প্রস্তুত ছিল।

  • India: জুনেই রুশ তেলের আমদানি ছাড়াল ২৩ লাখ ব্যারেলের গন্ডি, সস্তা জ্বালানির খোঁজে নয়া কৌশল ভারতের

    India: জুনেই রুশ তেলের আমদানি ছাড়াল ২৩ লাখ ব্যারেলের গন্ডি, সস্তা জ্বালানির খোঁজে নয়া কৌশল ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও, রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে (India) চলেছে ভারত। বলা ভালো, রুশ তেল (Russian Oil) কেনার ক্ষেত্রে ভারত আরও সক্রিয় হয়েছে। বিশ্বের বহু দেশ এখনও রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখলেও, ভারতীয় শোধনাগার সংস্থাগুলি রেকর্ড পরিমাণে রুশ তেল আমদানি করছে। এর ফলে একদিকে যেমন রাশিয়া তার তেলের জন্য একটি বড় ও নির্ভরযোগ্য বাজার পাচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে ভারত তুলনামূলক কম দামে জ্বালানি জোগাড় করে নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও মজবুত করছে।

    জুন মাসের খতিয়ান (India)

    জানা গিয়েছে, জুন মাসে ২৩ লাখেরও বেশি ব্যারেল রুশ অপরিশোধিত তেল ভারতের বিভিন্ন বন্দরে এসে পৌঁছেছে। যার আর্থিক মূল্য ৫১৪ কোটি মার্কিন ডলারের কাছাকাছি। বাজার বিশেষজ্ঞদের ধারণা, জুলাই মাসেও এই আমদানির পরিমাণ প্রায় একই স্তরে থাকতে পারে। ইউরোপের বড় অংশের বাজার হারানোর পর রাশিয়া এখন মূলত এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ওপর নির্ভর করছে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের ধারাবাহিক চাহিদা রাশিয়ার তেল রফতানির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত কেন এত বেশি পরিমাণে রাশিয়ার তেল কিনছে, তার সবচেয়ে বড় কারণ হল তুলনামূলক কম দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মানের অপরিশোধিত তেলের তুলনায় রুশ তেল এখনও উল্লেখযোগ্য ছাড়ে মিলছে। ফলে ভারতীয় শোধনাগার সংস্থাগুলি কম খরচে কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারছে। এতে তাদের উৎপাদন ব্যয় কমছে, লাভের পরিমাণ বাড়ছে এবং দেশের জ্বালানি সরবরাহও স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হচ্ছে।

    তেল আমদানি বাড়িয়েছে ভারত

    তাছাড়া, পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক সংঘাত ভারতের আমদানি নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সেই কারণে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার ফলে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে পরিবহণ ব্যয় বেড়েছে এবং সরবরাহের ধারাবাহিকতাও ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত শুধু রাশিয়া থেকেই নয়, লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকেও তেল আমদানি বাড়িয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই—একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি জোগাড় নিশ্চিত করা। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে ভারতে অপরিশোধিত তেলের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তার পরিবর্তে রাশিয়া ভারতের সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহকারী দেশ হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে। জুন মাসে ভারতে মোট যে পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আমদানি হয়েছে, তার প্রায় অর্ধেকই এসেছে রাশিয়া থেকে। এই পরিসংখ্যানই স্পষ্ট করে দিচ্ছে, ভারতের জ্বালানি চাহিদা পূরণে রুশ তেলের গুরুত্ব গত কয়েক বছরে কতটা বেড়েছে (Russian Oil)।

    অপরিশোধিত তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী

    এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক অস্থিরতার কারণে ব্রেন্ট মানের অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৯০ মার্কিন ডলারের ওপরে উঠে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তুলনামূলক কম দামে রুশ তেল পাওয়া ভারতীয় সংস্থাগুলির কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরও বাড়ে, তাহলে রাশিয়া থেকে আমদানির প্রবণতাও বজায় থাকতে পারে (India)। রাশিয়ার ক্ষেত্রেও ভারতের এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ইউরোপীয় দেশগুলি রাশিয়ার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ফলে ইউরোপে রুশ তেলের বাজার অনেকটাই ছোট হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমী দেশগুলির নানা বিধিনিষেধের কারণে জাহাজ পরিবহণ, বিমা এবং আর্থিক লেনদেনেও রাশিয়া নানা সমস্যায় জর্জরিত। সেই সময় থেকেই এশিয়ার দেশগুলির দিকে ঝুঁকতে শুরু করে ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ।

    নয়াদিল্লির সাফ কথা

    ২০২২ সালের আগে পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে খুব সীমিত পরিমাণে তেল আমদানি করত। কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারত ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছে রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম ক্রেতায়। বর্তমানে চিন ও ভারতের মতো দেশগুলির চাহিদাই রাশিয়ার তেল রফতানিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে (India)। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে বারবার উঠেছে প্রশ্ন। যদিও নয়াদিল্লি বরাবরই জানিয়ে এসেছে, তাদের তেল কেনার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই বাণিজ্যিক বিবেচনার ভিত্তিতে নেওয়া হয় (Russian Oil)। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তুলনামূলক কম দামে তেল সংগ্রহ করা এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখাই সরকারের পাখির চোখ। চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন প্রশাসন অস্থায়ীভাবে কিছু রুশ তেলবাহী চালানের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছিল। পরে সেই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হলেও, ভারত সাফ জানিয়ে দেয়, তাদের আমদানি নীতির মূল ভিত্তি থাকবে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বা কূটনৈতিক চাপের ভিত্তিতে নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত (India)।

    ভারতের বহুমুখী আমদানি কৌশল

    শিল্পমহলের পর্যবেক্ষণ, বর্তমানে ভারত একাধিক দেশ থেকে তেল আমদানি করছে এবং প্রয়োজনীয় মজুতও বজায় রেখেছে। ফলে কোনও একটি অঞ্চলে সংঘাত বা সরবরাহ ব্যাহত হলেও, দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় বড় ধরনের সঙ্কট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা তুলনামূলকভাবে কম। এই বহুমুখী আমদানি কৌশল ভবিষ্যতেও ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। বিশ্ব রাজনীতিতে জ্বালানি এখন শুধু অর্থনীতির বিষয় নয়, কৌশলগত ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতের বর্তমান অবস্থান স্পষ্ট—যেখানে সুলভ মূল্যে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি মিলবে, সেখান থেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করা হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যতদিন রাশিয়া আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় কম দামে অপরিশোধিত তেল বিক্রি করবে এবং বিকল্প উৎসগুলিতে অনিশ্চয়তা বজায় থাকবে, ততদিন (Russian Oil) ভারত মস্কো থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করে চলবে বলেই ধারণা (India) সংশ্লিষ্টমহলের।

     

  • Russia: ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য উরাল অপরিশোধিত তেলের দামে বড় ছাড় ঘোষণা রাশিয়ার, কেন জানেন?

    Russia: ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য উরাল অপরিশোধিত তেলের দামে বড় ছাড় ঘোষণা রাশিয়ার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার (Russia) প্রধান রফতানিযোগ্য উরাল অপরিশোধিত তেলের দামে মিলছে উল্লেখযোগ্য ছাড়। বাজার সূত্রের (Urals Crude) দাবি, ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য বর্তমানে উরাল অপরিশোধিত তেল ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের তুলনায় প্রতি ব্যারেলে ১০ মার্কিন ডলারেরও বেশি কম দামে প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এই মূল্যছাড় আরও বেড়েছে। এর ফলে ভারতীয় তেল শোধনাগারগুলির কাছে রাশিয়ার তেল আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। বস্তুত, রাশিয়ার উরাল পর্বতমালা সংলগ্ন অঞ্চলের খনিতে এই তেল পাওয়া যায় বলে সেই নামেই তেলের নাম।

    মিলছে বেশি ছাড় (Russia)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার তেলের প্রতি তুলনামূলক দুর্বল চাহিদা এবং বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রফতানিকারীরা বিক্রি ধরে রাখতে বেশি ছাড় দিতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনও দামের ওপর প্রভাব ফেলছে। এই পরিস্থিতিতে আমদানি-নির্ভর দেশ হিসেবে ভারতের সামনে তুলনামূলক কম দামে অপরিশোধিত তেল কেনার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কেনার সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে পরিবহণ ব্যয়, শোধনাগারের লাভের হার, বিমা, অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক বাণিজ্যিক হিসেবের ওপর। গত কয়েক বছরে পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের ছবিটা বদলে যাওয়ায় ভারত রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারী দেশে পরিণত হয়েছে। তুলনামূলকভাবে কম দামের কারণে ভারতীয় শোধনাগারগুলি নিয়মিতভাবে কিনছে রুশ তেল।

    ভারতের পৌষমাস

    বাজার (Urals Crude) বিশ্লেষকদের মতে, উরাল অপরিশোধিত তেলের বর্তমান মূল্যছাড় ভারতীয় শোধনাগারগুলিকে একাধিক সুবিধা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কম দামে অপরিশোধিত তেল সংগ্রহ, শোধন প্রক্রিয়ায় লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি, বিভিন্ন উৎস থেকে তেল সংগ্রহের ক্ষেত্রে আরও বেশি নমনীয়তা, আমদানি ব্যয় হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত জ্বালানি রফতানিতে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা। যদিও ভারতীয় সংস্থাগুলি রাশিয়ার তেলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গ্রেডের অপরিশোধিত তেলের সঙ্গেও মূল্য এবং পরিবহণ ব্যয়ের তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে (Russia)। আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্রেন্টকে মূল্য নির্ধারণের অন্যতম প্রধান মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়। আর, উরাল হল রাশিয়ার প্রধান রফতানি-উপযোগী অপরিশোধিত তেলের মিশ্রণ। এই দুইয়ের মধ্যে মূল্য ব্যবধান যত বাড়ে, ততই উরাল তেল কিনে শোধনাগারগুলির লাভের সম্ভাবনা বাড়ে, বিশেষ করে যখন শোধিত জ্বালানির চাহিদা থাকে স্থিতিশীল।

    ভারতের ডাবল লাভ

    ভারত বর্তমানে রাশিয়া থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের একটি বড় অংশ শোধন করে ডিজেল, পেট্রোল এবং বিমান জ্বালানিতে রূপান্তর করছে। এর একাংশ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হলেও, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রফতানি করা হয় বিদেশেও। ফলে কম দামে রাশিয়ার তেল পাওয়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং (Russia) ব্যয় নিয়ন্ত্রণ—দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনে উরাল তেলের মূল্যছাড়ের পরিমাণ নির্ভর করবে বৈশ্বিক তেলের চাহিদা, ওপেক প্লাসের উৎপাদন নীতি, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং অন্যান্য প্রতিযোগী অপরিশোধিত তেলের সরবরাহের ওপর। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে (Urals Crude) রাশিয়ার ছাড়ে তেল ভারতের জ্বালানি আমদানির কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ধরে (Russia) রাখবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

  • Russia: রাশিয়ায় জ্বালানি সঙ্কট চরমে, ভারত থেকে পেট্রোল কিনছে পুতিনের দেশ, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Russia: রাশিয়ায় জ্বালানি সঙ্কট চরমে, ভারত থেকে পেট্রোল কিনছে পুতিনের দেশ, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় বিপর্যস্ত রাশিয়া (Russia)। ভ্লাদিমির পুতিনের দেশের তেল শোধনাগারগুলির উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রাশিয়ায় দেখা দিয়েছে জ্বালানি সঙ্কট। এই সমস্যা থেকে (Gasoline Supplies) বেরতে ভারত থেকে পেট্রোল আমদানি শুরু করেছে মস্কো। একসময় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানিকারী দেশ হিসেবে পরিচিত রাশিয়াকে এখন অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে বিদেশি সরবরাহের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শিল্প সূত্রে খবর, সমুদ্রপথে ভারতের পাঠানো পেট্রোলের চালান ইতিমধ্যেই রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এই পদক্ষেপ একদিকে যেমন দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করছে, তেমনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে রাশিয়ার জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর চাপও স্পষ্ট করে দিয়েছে।

    ইউক্রেনের ড্রোন হামলার জের (Russia)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত থেকে রাশিয়ার পেট্রোল আমদানির প্রধান কারণ হল ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় একের পর এক তেল শোধনাগারের ক্ষতি। গত কয়েক মাসে ইউক্রেন রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। ফলে একাধিক রিফাইনারির উৎপাদন কমে গিয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই সঙ্কট দেখা দিয়েছে দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানি সরবরাহে। এই পরিস্থিতির জেরে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পেট্রোলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বহু জায়গায় পেট্রোল পাম্পে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। জোগানের তুলনায় চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অর্থনীতির সূত্র মেনে বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু এলাকায় রেশনিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। দ্রুত বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের ওপর চাপও দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে (Gasoline Supplies)। হঠাৎ করে সৃষ্টি হওয়া এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারত ছাড়াও প্রতিবেশী বেলারুশ থেকে জ্বালানি জোগাড়ের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে মস্কো।

    ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধন কেন্দ্র

    গত এক দশকে ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধন কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশের আধুনিক রিফাইনারিগুলিতে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। এর মধ্যে রাশিয়া থেকে কেনা বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেলও রয়েছে। সেই তেল পরিশোধনের পর তৈরি হওয়া পেট্রোলিয়াম পণ্যই এখন আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি রাশিয়াতেও (Russia) রফতানি হচ্ছে। অর্থাৎ, রাশিয়া থেকে কেনা অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে ফের সেই দেশেই পেট্রোল হিসেবে পাঠাচ্ছে ভারত। শিল্পমহলের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই অন্তত ৬০ হাজার মেট্রিক টন পেট্রোল ভারতের বন্দর থেকে রাশিয়ার উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। একাধিক ট্যাঙ্কার বর্তমানে রাশিয়ার বন্দরের পথে রয়েছে। এও জানা গিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে কয়েক লাখ টন করে পেট্রোল আমদানির পরিকল্পনাও করছে রাশিয়া।

    ইউক্রেনের সামরিক কৌশল

    সম্প্রতি, ইউক্রেন তাদের সামরিক কৌশলে বড়সড় (Gasoline Supplies) পরিবর্তন এনেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি সংঘর্ষের পাশাপাশি রাশিয়ার জ্বালানি পরিকাঠামোকে টার্গেট করে হামলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সে দেশের তেল শোধনাগার, জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্র, ফুয়েল ডিপো এবং পরিবহণ নেটওয়ার্কে ধারাবাহিক ড্রোন হামলার লক্ষ্য রাশিয়ার (Russia) সামরিক ও অসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই জ্বালানি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করা। এরই প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে রাশিয়ার জ্বালানি উৎপাদনে। যার জেরে পুতিনের দেশে দেখা গিয়েছে ঘোরতর তেল সঙ্কট। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনও স্বীকার করেছেন, ড্রোন হামলার ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। যদিও সরকারের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে,  এবং চেষ্টা চলছে দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার।

    রাশিয়ার পেট্রোল আমদানির প্রভাব

    বিশ্লেষকদের মতে, ভারত থেকে রাশিয়ার এই পেট্রোল আমদানির প্রভাব পড়তে পারে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও। ভারতীয় পরিশোধিত জ্বালানির রফতানির চাহিদা বাড়তে পারে, ভারত-রাশিয়া সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বিশ্বব্যাপী পেট্রোল বাণিজ্যের রুটেও আসতে পারে বড়সড় পরিবর্তন। ভবিষ্যতে রাশিয়ার শোধন ক্ষমতা আরও কমে গেলে আঞ্চলিক জ্বালানির দামেও তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়তে পারে আগের চেয়ে আরও অনেক বেশি।

    জ্বালানি সহযোগিতা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ভারত ও রাশিয়ার (Russia) মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ছাড় মূল্যে অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড আমদানিতে ভারত বর্তমানে রাশিয়ার অন্যতম বড় ক্রেতা। এবার সেই সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেল, কারণ এবার পাল্টা পরিশোধিত পেট্রোল ভারত থেকে রফতানি হচ্ছে রাশিয়ায়। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও কীভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে, এই ঘটনা তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগামী দিনে এই আমদানির ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করবে ইউক্রেনের হামলার তীব্রতা এবং রাশিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত রিফাইনারিগুলি কত দ্রুত মেরামত করা যায়, তার ওপর। যদি হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে রাশিয়াকে আরও দীর্ঘ সময় ভারত-সহ অন্যান্য দেশের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে পরিশোধিত জ্বালানি পেতে। অন্যদিকে, শোধনাগারগুলির উৎপাদন স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে আমদানি কমে আসতে পারে। তবে আপাতত জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলায় ভারতের ভূমিকা রাশিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (Gasoline Supplies)। উল্লেখ্য, রাশিয়ার ১১টি টাইম জোনজুড়েই জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। সেই কারণেই চালু করতে হয়েছে রেশনিং ব্যবস্থা, ফিলিং স্টেশনগুলিতে দীর্ঘ গাড়ির সারি। দেশের বিভিন্ন জায়গায় চড়া দরে বিকোচ্ছে গ্যাসোলিন। ক্রেমলিন (Russia) জানিয়েছে, রাশিয়া অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, এবং গ্রহণযোগ্য মূল্যে জ্বালানি আমদানি নিয়েও আলোচনা করছে।

     

  • India-China Relation: ‘ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, সহযোগী’ বার্তা চিনের! বেজিংয়ের সুরে কি বরফ গলছে?

    India-China Relation: ‘ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, সহযোগী’ বার্তা চিনের! বেজিংয়ের সুরে কি বরফ গলছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত, রাশিয়া এবং চিনের (India-China Relation) মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার পক্ষে সওয়াল করল বেজিং। চিনের মতে, ইউরেশিয়ার এই তিন প্রধান শক্তির মধ্যে গঠনমূলক সম্পর্ক শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলির স্বার্থেই নয়, বিশ্বব্যাপী শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সোমবার নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠকে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান জানান, রাশিয়া-ভারত-চিন (RIC) কাঠামোর অধীনে সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যেতে বেজিং নয়াদিল্লি ও মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে প্রস্তুত।

    ভারত-রাশিয়া-চিন সম্পর্কের গুরুত্ব

    সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারত ও চিনের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, দুই নেতা পারস্পরিক সমস্যার সমাধান এবং সংলাপ বজায় রাখার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছেন। লিন জিয়ান বলেন, “চিন, রাশিয়া এবং ভারত—তিনটিই উদীয়মান অর্থনীতি। এই তিন দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা তাদের নিজস্ব স্বার্থের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির জন্যও সহায়ক।” তিনি আরও বলেন, “তিন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে রাশিয়া ও ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে চিন প্রস্তুত।”

    আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা

    রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন সম্প্রতি মন্তব্য করেন যে, ভারত ও চিনের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক স্বতন্ত্রভাবে বিকশিত হয়েছে এবং তা কোনও তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত নয়। ভারত-চিন সম্পর্ককে তিনি “জটিল কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ” বলে বর্ণনা করেন। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলির সমাধানে বাইরের হস্তক্ষেপ বিশেষ সাহায্য করবে না। পুতিন আরও উল্লেখ করেন, সীমান্ত-সহ একাধিক ইস্যুতে নয়াদিল্লি ও বেজিং নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দুই দেশের এই সহনশীল ভূমিকা সারা বিশ্বের কাছে শিক্ষনীয় অভিমত পুতিনের।

    সীমান্ত পরিস্থিতি ‘সাধারণভাবে স্থিতিশীল’

    ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে লিন জিয়ান জানান, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর পরিস্থিতি বর্তমানে “সাধারণভাবে স্থিতিশীল” রয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের বিভিন্ন ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। তিনি বলেন, ভারত ও চিনের উচিত একে অপরকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে না দেখে সহযোগী হিসেবে দেখা। লিন জিয়ান বলেন, “দুই দেশকে সঠিক কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে। ভারত ও চিন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং সহযোগী। উভয় দেশের উন্নয়নের জন্য একে অপর সুযোগ, হুমকি নয়।” লিনের মতে, দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করার পথে এগোনো উচিত দুই দেশের।

    ভারত-পাক সম্পর্ক নিয়েও অবস্থান স্পষ্ট 

    ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে চিনের মুখপাত্র জানান, নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে মতপার্থক্য শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “আমরা দুই পক্ষকেই সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে মতভেদ মেটানোর এবং যৌথভাবে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানাই।”

    মতপার্থক্য দূর হওয়ার পথে

    বিশ্ব রাজনীতিতে দ্রুত পরিবর্তন, বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত এবং নতুন অর্থনৈতিক জোটের উত্থানের প্রেক্ষাপটে আরআইসি কাঠামোর গুরুত্ব নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ভারত ও চিনের মধ্যে এখনও নানা মতপার্থক্য থাকলেও, বেজিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য তিন দেশের মধ্যে সহযোগিতা ও কৌশলগত সংলাপ বাড়ানোর প্রতি নতুন আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক

    জিয়ানের এই মন্তব্য চিন-ভারত সুসম্পর্ক পুনর্নির্মাণের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তুলেছে। কিছুদিন আগেই অরুণাচল প্রদেশকে ‘দক্ষিণ তিব্বত’ হিসেবে দাবি করে ইচ্ছাকৃতভাবে ‘বিকৃত’ মানচিত্র নিয়মিত প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে চিনকে। গালওয়ান ক্ষতের উপর নুন ছিটিয়েছে করাচির সঙ্গে বেজিংয়ের সখ্যতা। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ মেটেনি। এই আবহে জিয়ানের এই মত, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ— সেরকমটাই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

    চিনকে বিশ্বাস করা যায়!

    উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালের ‘হিন্দি চিনি ভাই ভাই’ স্লোগানকে পদদলিত করে ৬২-তেই যুদ্ধে নেমেছিল চিন। এর পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কের গ্রাফ নেমেছে। সীমান্তবর্তী উত্তেজনা ছাড়াও নিউক্লিয়ার সাপ্লাই গ্রুপের সদস্যপদ গ্রহণ, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার — একাধিক বিষয়ে ভারতের সামনে প্রাচীর তুলেছে চিন। ১৯৬২-র যুদ্ধ এবং ১৯৬৭-র সীমান্ত সংঘর্ষের পর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) তুলনামূলক শান্ত ছিল। ২০১৭ সাল থেকে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হতে শুরু করে। সে বছর ডোকলামে টানা ৭৩ দিন দু’দেশের বাহিনী পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল। পরে কূটনৈতিক পথে সমস্যার সমাধান হয়। এর পর ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গলওয়ানে সংঘর্ষ হয় ভারতীয় সেনার সঙ্গে চিনের বাহিনীর। তার পরে কূটনৈতিক এবং সামরিক স্তরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফিরেছে।

    ‘রাশিয়া-ভারত-চিন ত্রিশক্তি জোট’

    ভারত এবং চিনের কূটনৈতিক শৈত্য সম্প্রতি অনেকটাই কেটে গিয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা শান্ত। অতিমারিও এখন অতীত। কূটনীতিকদের মতে, সামরিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে এই তিন দেশ পৃথক বলয় তৈরি করলে ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ বাড়বে। ‘রাশিয়া-ভারত-চিন ত্রিশক্তি জোট’ বা ‘রিক ট্রয়িকা’ বিশ্বকে চাপে রাখবে।

  • PM Modi: ‘‘ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা বুমেরাং হবে”, সতর্ক করে দিলেন পুতিন

    PM Modi: ‘‘ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা বুমেরাং হবে”, সতর্ক করে দিলেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করার যে কোনও চেষ্টা শেষ পর্যন্ত বুমেরাং হবে।” শুক্রবার এমনই মন্তব্য করলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে সমর্থন করেন তিনি। বলেন, “সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলির নিজেদের প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত।” সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, ভারত সবসময় নিজের জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে নীতি নির্ধারণ করেছে এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের কারণে বাইরের কোনও চাপ এলেও ভবিষ্যতেও তাই করবে।

    নিষেধাজ্ঞার হুমকি বুমেরাং হতে পারে (PM Modi)

    তিনি বলেন, “ভারত সবসময় একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার হুমকি ততক্ষণাৎ বুমেরাং হয়ে যাবে।” পুতিন জানান, রাশিয়া আগে ভারতের সঙ্গে Su-57 যুদ্ধবিমান যৌথভাবে তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সেই সহযোগিতা বাস্তবায়িত না হওয়ায় রাশিয়া একাই বিমানটি তৈরি করে। ভারত-রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শুধু যে কেনাবেচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তাও জানান পুতিন। বলেন, “আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্কের বিশেষত্ব হল পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে আমরা শুধু কেনাবেচা নয়, যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দিই।”

    ভারত-রাশিয়া যৌথ উদ্যোগ

    উদাহরণ হিসেবে (PM Modi) তিনি ব্রহ্মোস (BrahMos) সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারতীয় ও রুশ বিশেষজ্ঞরা শুরু থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্রের নকশা তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন এবং তা সফল হয়েছে।” আমেরিকা যদি ভারত Su-57 বা S-500 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কিনতে চায়, তাহলে তারা নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে কি? এই (Putin) প্রশ্নের উত্তরে পুতিন বলেন, “ভারত একটি সার্বভৌম দেশ এবং নিজেদের জন্য সবচেয়ে আধুনিক ও উপযুক্ত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা তাদের রয়েছে। অন্যরা যা-ই বলুক, ভারত সবসময় এই ভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি জানান, ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চাপের বদলে সামরিক প্রয়োজন ও কার্যকারিতার ভিত্তিতেই নেওয়া হবে (PM Modi)।

    পুরানো সেই দিনের কথা

    পুতিন মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে একসময় নরেন্দ্র মোদিকে আমেরিকায় প্রবেশের ভিসা দেওয়া হয়নি। অথচ বর্তমানে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালোভাবেই এগিয়ে চলছে। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সবাই সেই সময়ের কথা মনে করি যখন প্রধানমন্ত্রী মোদির যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এখন তিনি প্রধানমন্ত্রী, সব নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক সফলভাবেই এগোচ্ছে।” তিনি জানান, মোদি নিশ্চয়ই সেই অভিজ্ঞতার কথা ভুলে যাননি এবং এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে ভারত পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল নয় বলেও জানান পুতিন (Putin)। বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা, অন্য সব অংশীদারের মতোই, রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর নির্ভর করে না। কেউ আমাদের নির্দেশ দিতে পারে না যে, ভারতের কাছে এটা সরবরাহ করো না।” রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা আমাদের অংশীদারদের, বিশেষ করে ভারতের মতো দেশের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সবসময় রক্ষা করব (PM Modi)।”

  • Russia Ukraine War: কিভে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল, তীব্র আলোর ঝলকানিতে চোখ ধাঁধালো ইউক্রেনবাসীর

    Russia Ukraine War: কিভে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল, তীব্র আলোর ঝলকানিতে চোখ ধাঁধালো ইউক্রেনবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর আলোর ঝলকানিতে রাতের ঘুম উড়ে গেল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভবাসীর। তীব্র রুশ হামলায় কেঁপে উঠল গোটা শহর। রাশিয়া-অধিকৃত পূর্ব ইউক্রেনে হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে কিয়েভে ব্যাপক বোমাবর্ষণ (Russia Ukraine War) করা হয়।

    রাতের আকাশে তীব্র আলোর ঝলকানি (Russia Ukraine War)

    অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য কিয়েভে আঘাত হানে (Russian Hypersonic Missile)। ফুটেজে আঘাতের মুহূর্তে তীব্র আলোর ঝলকানি দেখা গিয়েছে। এরপরেই ঘটে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। ইউক্রেনের আধিকারিকরা জানান, হামলায় প্রায় ৬০০টি ড্রোন এবং ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। সংবাদ মাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকগুলি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পারলেও, সবগুলি আটকানো যায়নি। জানা গিয়েছে, রাশিয়ার এই হামলায় লুকিয়ানিভস্কা মেট্রো স্টেশনের কাছের একটি ব্যবসা কেন্দ্র এবং পাশের বাজার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলির মধ্যে একটি ছোট ক্যাফেও ছিল। আগের রুশ হামলার পর এটি ছ’বার পুনর্নির্মাণ ও ফের চালু করা হয়েছিল।

    রাশিয়ার কড়া সমালোচনা

    এই হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন বহু মানুষ। রাজধানী-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে বাড়িঘর, স্কুল, বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতভর কিয়েভজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় বাসিন্দারা আশ্রয় নেন মেট্রো স্টেশন ও ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে। এক্স হ্যান্ডেলে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা রাশিয়ার কড়া সমালোচনা করে বলেন, “এই হামলা মিলিটারি টার্গেটে নয়, বরং সাধারণ মানুষের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে। তিনি লেখেন, “রাশিয়া কিয়েভ-সহ চেরকাসি, খারকিভ, ক্রোপিভনিতস্কি, ওডেসা, পোলতাভা, সুমি এবং ঝিতোমির অঞ্চলেও অন্যতম বৃহৎ রাতের হামলা চালিয়েছে।”

    জেলেনস্কির বক্তব্য

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, রাশিয়া ‘ওরেশনিক’ নামের একটি শক্তিশালী হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করেছে। ওরেশনিক এমন একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের গতির চেয়ে দশগুণ বেশি বেগে চলতে পারে এবং তিন, চার বা তারও বেশি তলা নীচে থাকা ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ধ্বংস করার জন্য তৈরি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে রাশিয়া প্রথম ইউক্রেনের দ্নিপ্রো শহরে বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ওরেশনিক ব্যবহার করেছিল (Russia Ukraine War)। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পশ্চিমাঞ্চলীয় লভিভ এলাকায় দ্বিতীয়বার এটি ব্যবহার করা হয়। হামলার তীব্র নিন্দা করে জেলেনস্কি বলেন, “এটি সাধারণ নাগরিক ও অসামরিক পরিকাঠামো—যেমন বাজার, স্কুল এবং জল সরবরাহ কেন্দ্র—লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে (Russian Hypersonic Missile)।” রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রক রবিবার জানিয়েছে, তারা ওরেশনিক-সহ অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইউক্রেনের ‘সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র’, বিমানঘাঁটি এবং সামরিক-শিল্প পরিকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে। যদিও তারা নির্দিষ্ট কোনও জায়গার নাম বলেনি। রাশিয়ার দাবি, এই হামলা ছিল রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ইউক্রেনের হামলার প্রতিক্রিয়া (Russia Ukraine War)।

     

  • Russian Oil Imports: ট্রাম্পের চাপে নত নয়! রাশিয়া থেকে কেনা বন্ধ করবে না ভারত, বার্তা মোদি সরকারের

    Russian Oil Imports: ট্রাম্পের চাপে নত নয়! রাশিয়া থেকে কেনা বন্ধ করবে না ভারত, বার্তা মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া থেকে তেল (Russian Oil Imports) কেনা বন্ধ করবে না ভারত, মার্কিন চাপ উড়িয়ে স্পষ্ট জানাল মোদি সরকার। কেন্দ্রের বক্তব্য, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থই সর্বাগ্রে, তাই আমেরিকার ‘ওয়েভার’ থাক বা না থাক, রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা চলবে আগের মতোই। সোমবার, ১৮ মে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি (মার্কেটিং ও অয়েল রিফাইনারি) সুজাতা শর্মা বলেন, “আমেরিকার ওয়েভার নিয়ে আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে, ওয়েভারের আগেও আমরা রাশিয়া থেকে তেল কিনেছি, ওয়েভারের সময়ও কিনেছি, এখনও কিনছি।”

    দেশবাসীর স্বার্থকেই প্রাধান্য

    সুজাতা শর্মা স্পষ্ট করে জানান, ভারতের তেল কেনার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাণিজ্যিক যুক্তি, অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে নেওয়া হয়। তাঁর কথায়, “অপরিশোধিত তেলের কোনও ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই ওয়েভার থাক বা না থাক, ভারতের জ্বালানি সরবরাহে তার কোনও প্রভাব পড়বে না।” উল্লেখ্য, মার্চ মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার সমুদ্রপথে রফতানিকৃত তেল কেনার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের একটি লাইসেন্স বা ছাড় দিয়েছিল। পরে সেটির মেয়াদ বাড়ানো হলেও ১৬ মে তা শেষ হয়ে যায়। তবে বাস্তবে ভারত কখনওই রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করেনি। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড় মূল্যে রুশ তেল পাওয়া শুরু হলে ভারত বড় পরিমাণে সেই তেল আমদানি করতে শুরু করে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেও ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির ২০ শতাংশের বেশি এসেছে রাশিয়া থেকে। কেন্দ্র বারবার জানিয়েছে, কোন দেশ থেকে কত তেল কেনা হবে, তা সম্পূর্ণভাবে ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং জাতীয় স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল।

    বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখাই লক্ষ্য

    ভারত বর্তমানে তার মোট চাহিদার ৮০ শতাংশেরও বেশি অপরিশোধিত তেল বিদেশ থেকে আমদানি করে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে যেখানে তুলনামূলক সস্তায় তেল পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই কেনার নীতি নিয়েছে নয়াদিল্লি। মজার বিষয় হল, অতীতে মার্কিন প্রশাসন নিজেই স্বীকার করেছিল যে ভারত রাশিয়ার তেল কিনে চলায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুবিধা হয়েছে। গত বছর ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও জানিয়েছিল, আমেরিকা অনানুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে রুশ তেল কেনা চালিয়ে যেতে বলেছিল, যাতে বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল থাকে। তবে পরবর্তীতে অবস্থান বদলে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার ইস্যুতে ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নেয় আমেরিকা। বর্তমান পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না।

  • Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) গিয়ে ইরানের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্টের দূতেরা। অন্তত এমনই ঘোষণা করলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতিমধ্যেই দেশ ছেড়েছেন।

    ট্রাম্পের দাবি (Donald Trump)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, তিনি স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারকে ইসলামাবাদে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, দু’মাসের সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে ইরান একটি প্রস্তাব দিচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, “আমি বলেছি, ‘না, তোমরা সেখানে যাওয়ার জন্য ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নেবে না। আমাদের হাতে সব কার্ড আছে। তারা চাইলে যে কোনও সময় আমাদের ফোন করতে পারে। কিন্তু তোমরা আর ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নিয়ে গিয়ে বসে বসে অর্থহীন আলোচনা করবে না।’”

    আরাঘচির বক্তব্য

    এদিকে, আরাঘচি ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ ছেড়ে গিয়েছেন। এটি ছিল তাঁর ত্রিদেশীয় সফরের প্রথম গন্তব্য। এরপর তাঁর যাওয়ার কথা, ওমান এবং রাশিয়ায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি প্রেস টিভি জানিয়েছে, তিনি শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে আরাঘচি বলেন, তিনি পাকিস্তানি আধিকারিকদের সঙ্গে ইরানের অবস্থান তুলে ধরেছেন, যা যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার একটি কার্যকর কাঠামো হতে পারে। তিনি এও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই কূটনীতিতে আন্তরিক কিনা, তা এখনও দেখা বাকি (Donald Trump)।”

    ট্রাম্পের ইঙ্গিত

    পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, ওমান সফর শেষে এবং রাশিয়ায় যাওয়ার আগে আরাঘচি ফের পাকিস্তান সফর করতে পারেন (Pakistan)। বিদেশমন্ত্রকের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, তার প্রতিনিধিদলের একটি অংশ তেহরানে ফিরে গিয়েছে যুদ্ধ সমাপ্তি সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিতে। তারা রবিবার রাতে ফের ইসলামাবাদে ফিরবে। এদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের ইঙ্গিত, ভবিষ্যতে যে কোনও আলোচনা ফোনের মাধ্যমে হতে পারে। তিনি লেখেন, “যদি তারা কথা বলতে চায়, তাহলে শুধু ফোন করলেই হবে!!!” তাঁর আরও দাবি, ইরানে কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা কেউ জানে না এবং সেখানে চরম অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিশৃঙ্খলা চলছে।

    হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা

    বিশ্লেষকদের মতে, “সব কার্ড আমাদের হাতে” কথাটি সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ এবং অঞ্চলে ৫০,০০০-এর বেশি সেনার উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে, যারা প্রয়োজনে ফের যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত (Donald Trump)। এদিকে, এই যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করতে চাপ বেড়েছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে যে অচলাবস্থা চলছে, তার কারণে। এই প্রণালীর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ইরানের শক্তিশালী ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস শনিবার জানিয়েছে, তারা এই জলপথে তাদের অবরোধ এখনই তুলে নিতে চায় না। যদিও এটি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে (Pakistan)। ট্রাম্প বলেন, “আমার দূতদের সফর বাতিল মানেই যুদ্ধ ফের শুরু হবে না। আমরা এখনও সেই বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করিনি।”

    ইরানের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, আরাঘচি শনিবার ওমানের রাজধানী মাসকটে পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি ওমানি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর তিনি রাশিয়ায় যাবেন, যেখানে যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করেছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল (Donald Trump)।

     

  • Russian LNG Cargo: মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মাঝেই রাশিয়া থেকে ভারতের উদ্দেশে পাড়ি দিল এলএনজি ভর্তি ট্যাঙ্কার

    Russian LNG Cargo: মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মাঝেই রাশিয়া থেকে ভারতের উদ্দেশে পাড়ি দিল এলএনজি ভর্তি ট্যাঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় রাশিয়া থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) আমদানির পথে এগোচ্ছে ভারত। এলএসইজি (LSEG) শিপিং ডেটা অনুযায়ী, রাশিয়ার পোর্টোভায়া প্ল্যান্ট থেকে একটি এলএনজি কার্গো ইতিমধ্যেই ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এই প্ল্যান্টটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। যদি এই কার্গো সফলভাবে ভারতে পৌঁছায়, তবে এটি হবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর প্রথম রুশ এলএনজি সরবরাহ।

    ভারতের পশ্চিম উপকূলের দিকে ‘কুনপেং’

    ‘কুনপেং’ নামের একটি এলএনজি ট্যাঙ্কার,বর্তমানে ভারতের পশ্চিম উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। এই ট্যাঙ্কারের ধারণক্ষমতা ১,৩৮,২০০ কিউবিক মিটার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ডেলিভারি সফল হলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও রুশ এলএনজি-র জন্য নতুন বাজার খুলে যাবে। গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) দাবি করেছিলেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) তাঁকে আশ্বাস দিয়েছেন, ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ করবে। তবে ভারত সরকার কখনও এই ধরনের প্রতিশ্রুতি প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি। বরং তাদের অবস্থান স্পষ্ট—জ্বালানি কেনা হবে মূল্য, সরবরাহের নিরাপত্তা এবং দেশের স্বার্থের ভিত্তিতে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে ভারতও এই পরিস্থিতিতে চাপে রয়েছে।

    ভারতের কৌশলগত পদক্ষেপ

    রাশিয়ার পোর্টোভায়া এলএনজি প্ল্যান্টটি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চালু হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১.৫ মিলিয়ন টন। তবে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় এই প্ল্যান্ট থেকে রফতানি ব্যাহত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চিনে এলএনজি সরবরাহ করেছে রাশিয়া। এবার ভারতে এলএনজি পাঠাল রাশিয়া। ভারত যদি এই সরবরাহ গ্রহণ করে, তবে চিনের পাশাপাশি এটি হবে রাশিয়ার জন্য দ্বিতীয় বড় বাজার। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০২৭ সালের আমদানি নিষেধাজ্ঞার আগে বিকল্প বাজার খুঁজছেন। এই প্রেক্ষাপটে ভারতের সম্ভাব্য এলএনজি আমদানি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

LinkedIn
Share