Tag: Russian President Vladimir Putin

Russian President Vladimir Putin

  • PM Modi: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে রাশিয়া পাড়ি মোদির, আজ বৈঠকের সম্ভাবনা চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে

    PM Modi: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে রাশিয়া পাড়ি মোদির, আজ বৈঠকের সম্ভাবনা চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) মঙ্গলবারই তাঁর দুই দিনের সফরে রাশিয়া পাড়ি দিলেন। সেখানে ১৬তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, নরেন্দ্র মোদির রাশিয়া সফরের আগে, গত রবিবারই সে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান পুতিন প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। মোদিকে রাশিয়ার অত্যন্ত ভালো বন্ধু বলে উল্লেখ করেন পুতিন। রাশিয়া উড়ে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছি। ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেব।’’ ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনের সঙ্গে ভারতের নিবিড় সম্পর্ক বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এবং তিনি আরও জানিয়েছেন, বিভিন্ন ইস্যুতে বিস্তৃত আলোচনা হবে এখানে। বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্র নেতারাও উপস্থিত থাকবেন। আজকে অর্থাৎ মঙ্গলবার সারা দুনিয়ার দৃষ্টি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চিনের রাষ্ট্রপতি জিনপিং-র বৈঠকের দিকে। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। শেষবারের মতো এই দুই রাষ্ট্র প্রধানের বৈঠক হয়েছিল ২০২৩-এর অগাস্টে সাউথ আফ্রিকায় ব্রিকস সম্মেলনে।

    জুলাই মাসের পর ফের রাশিয়া সফরে মোদি (PM Modi)

    নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘‘ভারতের গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে ব্রিকস সম্মেলনে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মঞ্চ যেখানে আমরা আমাদের আলোচনা এবং কথোপকথন চালাতে পারি, বিশ্বের উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রভৃতি ইস্যুতে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুলাই মাসেই মস্কো সফরে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তারপরে ঠিক তিন মাসের মাথায় ফের আবার রাশিয়া সফরের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী। জুলাই মাসেই বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে বৈঠক হয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। শুধু তাই নয় সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে রাশিয়া সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানেও ভূষিত করে মস্কো।

    ব্রিকস তৈরি হয়েছিল ২০০৬ সালে (PM Modi)

    প্রসঙ্গত, ব্রিকস (BRICS) তৈরি করা হয়েছিল ২০০৬ সালে। রাশিয়া ভারত এবং চিন- এই তিন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা ২০০৬ সালেই জি এইট সম্মেলনে এই গ্রুপ তৈরি করেন। প্রথমবারের জন্য ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল ২০০৯ সালে এবং তা রাশিয়াতেই হয়েছিল। এখন ব্রিকস অনেকটাই বড় হয়েছে। মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী রয়েছে জোটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vladimir Putin: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রেকর্ড জয় পুতিনের, শোনা গেল তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারি

    Vladimir Putin: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রেকর্ড জয় পুতিনের, শোনা গেল তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ছ’বারের জন্য রুশ প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসতে চলেছেন ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। ৮৭.৮ শতাংশ ভোট পেয়ে ফের মস্কোর মসনদে এলেন তিনি। পুতিনের জয়ের ধারে কাছেও দেখা যাচ্ছে না নিকটতম বাম প্রতিদন্দ্বীকে। ওই বাম প্রার্থীকে পেতে দেখা যাচ্ছে মাত্র ৪ শতাংশ ভোট। সোভিয়েট-পরবর্তী রাশিয়ায় প্রথম এত বিপুল ব্যবধানে জয়ী হলেন তিনি। জেতার পরে পুতিন যদি প্রেসিডেন্ট পদে মেয়াদ পূরণ করতে পারেন, তবে রাশিয়ার ২০০ বছরের ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদি শাসক হিসাবে প্রথম স্থানে থাকবেন তিনি। ভেঙে যাবে জোসেফ স্ট্যালিন এবং লিওনিদ ব্রেজনেভের টানা ২৪ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড। জয়ের পরেই পুতিন দিলেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারিও।

    জেতার পরে নিজের ভাষণে কী বললেন পুতিন? 

    জেতার পরে নিজের ভাষণে পুতিন (Vladimir Putin) বলেন, ‘‘আমার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য দেশের সমস্ত নাগরিককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এটা কোনও ব্যাপার নয় কে কতটা আমাদের ভয় দেখাতে চায়। আমাদের দমন করে রাখতে চায়। অতীতে যারা আমাদের চেতনা এবং ইচ্ছাকে দমন করে রাখতে চেয়েছে, ইতিহাসে তারা কেউ সফল হতে পারেনি। ভবিষ্যতেও তারা সফল হবে না। কখনওই না।’’

    হুঁশিয়ারি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের

    তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারিও শোনা গেল তাঁর গলায়। মার্কিন নেতৃত্বে চলা পশ্চিমী রাষ্ট্রজোট ‘নেটো’র সঙ্গে রাশিয়ার সংঘাতের কোনও সম্ভাবনা রয়েছে কি না, এই প্রশ্নের জবাবে পুতিন (Vladimir Putin) জানিয়েছেন, আধুনিক বিশ্বে সবই সম্ভব। রুশ সংবাদমাধ্যমকে পুতিন বলেন, “এটা সকলের কাছেই স্পষ্ট যে, তেমন হলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে এক ধাপ দূরে থাকা হবে। আমি মনে করি খুব কম মানুষই তেমনটা চাইবেন।” প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে পরমাণু যুদ্ধের হুমকিও শোনা গিয়েছিল পুতিনের গলায়। তিনি বলেছিলেন, ‘‘রাশিয়া কারিগরি এবং কৌশলগত দিক থেকে পরমাণু যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।’’ ২০২২ সাল থেকেই চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে ব্রিটিশ এবং ফরাসি সেনারাও রয়েছেন বলে দাবি করেছেন পুতিন। তাঁর আরও দাবি, নেটোর অধিকাংশ সেনাই রুশ সেনার ‘প্রতিরোধে’র সামনে মারা যাচ্ছেন।

    ২০১৮ সালে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়ে জেতেন পুতিন

    রাশিয়ায় তিন দিন ধরে চলেছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। গতকাল রবিবারই তা শেষ হয়েছে। সোমবার সামনে এল ফলাফল। এর আগে ২০১৮ সালে রাশিয়াতে এই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছিল। সেবার সাড়ে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন পুতিন। তবে পুতিন (Vladimir Putin) সমর্থকদের বিরুদ্ধে ভোটে জালিয়াতি ও বিরোধীদের ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও ওঠে সেবার। সম্প্রতি, জেলবন্দি পুতিন বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু হয়। এনিয়েও অভিযোগে কাঠগড়ায় তোলা হয় পুতিনকে। সেই আবহেই এল পুতিনের বিপুল জয়ের খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share