Tag: S Somanath

S Somanath

  • Gaganyaan Mission: ডিসেম্বরেই মানবহীন গগনযান-এর মহাকাশ যাত্রা! জানেন ইসরোর পরিকল্পনা?

    Gaganyaan Mission: ডিসেম্বরেই মানবহীন গগনযান-এর মহাকাশ যাত্রা! জানেন ইসরোর পরিকল্পনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ডিসেম্বরেই গগনযান প্রকল্পের প্রথম মিশন (Gaganyaan Mission) মহাকাশে পাড়ি দিতে পারে বলে আশা ইসরোর। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ (S Somanath) সম্প্রতি জানান, গগনযানের মানববিহীন প্রথম মিশন (জি১)-এর শেষপর্যায়ের কাজ চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই এর উৎক্ষেপণ করার কথা ভাবা হচ্ছে।

    গগনযান-এর কাজ কোন পর্যায়

    গগনযান (Gaganyaan Mission) প্রথম মিশন মহাকাশে পাঠানোর তোড়জোড় চলছে। একাধিক আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সঙ্গে একযোগে কাজ এগিয়ে চলেছে। চেষ্টা চলছে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম মিশনটি শুরু করে দেওয়ার। সম্প্রতি ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেন, ‘‘বর্তমানে মহাকাশাভিযান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত রকেট ও হার্ডওয়ার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে পৌঁছেছে এবং ক্রু মডিউলের সংযোজন প্রক্রিয়া তিরুবনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘এই মুহূর্তে আমরা গগনযানের মানববিহীন প্রথম মিশন (জি১)-এর শেষপর্যায়ের কাজ করছি। আমরা পুরো তারের ওয়ারিং এবং টেস্টিং-এর কাজ সম্পন্ন করে ফেলেছি। আশা করছি, নভেম্বরের মধ্যেই পুরো সিস্টেম উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে। ফলে খুব সহজেই আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম হব।’’

    আরও পড়ুন: রাখি পূর্ণিমায় রাতের আকাশে সুপার-ব্লু মুন! ভারতে কখন দেখা যাবে?

    মহাকাশে মানুষ পাঠানোই লক্ষ্য

    চন্দ্রযান-৩ প্রকল্পে সাফল্যের পর গগনযান প্রকল্প সফল করতে জোরদার প্রস্তুতি শুরু করে ইসরো (ISRO)। প্রথমে পৃথিবীর অক্ষে এই মানববিহীন যান প্রদক্ষিণ করবে। মহাকাশযানে করে মানুষের পরিবর্তে পাঠানো হবে মানবীয় (মানুষের মতো দেখতে) রোবট ‘ব্যোমিত্র’-কে। পরবর্তীতে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। ইতিমধ্যেই রকেটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ছাড়াও মানববাহী মহাকাশযানের যন্ত্রাংশ মহাকাশযান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র সতীশ ধবন স্পেস সেন্টারে আনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এবং বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারেও শুরু হয়েছে মহাকাশ গবেষণার নানান পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজ। ইসরো আগে এই ধরনের অভিযান (Gaganyaan Mission) করেনি ফলে এটা সর্বাত্মক ভাবে সফল করা ভারতীয় মহাকাশ সংস্থার কাছে একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: “সুনীতাদের ফেরা নিয়ে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই”, বললেন ইসরো প্রধান

    ISRO: “সুনীতাদের ফেরা নিয়ে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই”, বললেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা প্রত্যেকেই সুনীতা উইলিয়ামসকে নিয়ে গর্বিত। তাঁর ঝুলিতে অনেকগুলি অভিযানের অভিজ্ঞতা রয়েছে। নয়া মহাকাশযানে চড়ে প্রথম মহাকাশে যাওয়া খুবই সাহসিকতার কাজ।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO) প্রধান এস সোমনাথ।

    ‘স্পেস স্টেশন অত্যন্ত নিরাপদ স্থান’ (ISRO)

    গত ৫ জুন সুনীতা এবং তাঁর অভিযানসঙ্গী বুচ উইলমারকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা হয় ‘বোয়িং স্টারলাইনার’। গত ২৬ জুন তাঁদের ফেরার কথা ছিল। কিন্তু, মহাকাশযানে হিলিয়াম গ্যাস লিক সহ একাধিক ত্রুটি ধরা পড়েছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের কাছেই একটি রুশ উপগ্রহে বিস্ফোরণ ঘটায় তার ধ্বংসাবশেষ চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে। ফলে. নাসা জানিয়ে দিয়েছে, এখনই পৃথিবীতে ফেরা হচ্ছে না সুনীতাদের। মার্কিন মহাকাশ সংস্থার আশঙ্কা, ৪৫ থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত বিলম্ব হতে পারে সুনীতাদের ঘরে ফেরা।

    এপ্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ইসরো প্রধান বলেন, “ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে সুনীতাদের ফেরা নিয়ে এত গভীর আশঙ্কার কোনও কারণ নেই। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন একটি অত্যন্ত নিরাপদ স্থান। মহাকাশচারীরা দীর্ঘদিন সেখানে নিরাপদে ও সুস্থভাবে থাকতে পারেন। সমস্ত রকম বন্দোবস্ত রয়েছে সেখানে।” তিনি বলেন, “সুনীতা ছাড়াও সেখানে আরও ন’জন মহাকাশচারী রয়েছেন। তাঁরা কেউই আটকে নেই। এমন শব্দ প্রয়োগ অনুচিত।”

    ‘কোনও সমস্যাই নেই’

    ইসরো কর্তা বলেন, “কোনও না কোনওদিন সকলকেই ফিরে আসতে হবে। নয়া মহাকাশযান বোয়িং স্টারলাইনকারের কর্মক্ষমতা যাচাই করতেই গিয়েছেন তাঁরা। কীভাবে সেটি মহাকাশে ঘুরপাক খেতে পারে, কীভাবে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে, এগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” এই মহাকাশবিজ্ঞানী বলেন (ISRO), “মহাকাশচারীদের ফেরানোর নানারকম প্রযুক্তি রয়েছে ওই মহাকাশযানে। তাই কোনও সমস্যাই নেই। তাছাড়া মহাকাশচারীদের জন্য ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে অনেকদিন থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে।”

    আর পড়ুন: “বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুতগামী করতে ব্রিটিশ আইনে বদল আনা হয়েছে”, বললেন শাহ

    বোয়িং স্টারলাইনারের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ইসরো কর্তা বলেন, “যখন আমরা বোয়িং স্টারলাইনারের মতো কোনও মহাকাশযান তৈরি করি, আমাদের মূল লক্ষ্য থাকে সেটি অভিযান সেরে সফলভাবে পৃথিবীতে পৃথিবীতে ফিরতে পারবে কিনা, তা যাচাই করে নেওয়া।” তিনি বলেন, “বোয়িং স্টারলাইনারের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামানো হয়েছে বলেই আমার অনুমান।” সোমনাথ জানান, সুনীতা নিজেও ওই মহাকাশযানের ডিজাইন টিমে ছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নানা পরামর্শ দিয়েছেন।

    তিনি বলেন, “আমরাও একটি নয়া মডেল তৈরি করছি। তাই বুঝতে পারছি সুনীতার ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতা কেমন ছিল।” তিনি বলেন, “আমাদের থেকে অনেক বেশি অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন সুনীতা। আমি কামনা করি, তিনি যেন সুস্থভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। পরে তাঁর এই অভিজ্ঞতার সাহায্যে নয়া মহাকাশযান তৈরিতে সাহায্য করুন।” ইসরো কর্তা বলেন, “মহকাশ অভিযান মানুষের জন্যই। বলা তো যায় না, হয়তো অন্য কোনও দেশের জন্য উদ্ধার কাজে যাবে ভারতের মহাকাশযান।”

    সোমনাথের কণ্ঠে ঝরে পড়ে প্রত্যয়। স্বাভাবিক। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পা রেখে যে তামাম বিশ্বকে তাক লাগিয়েছে ইসরোই (ISRO)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S Somanath Autobiography: দিনের আলো দেখছে না ‘নীলাভু কুদিচা সিমহাঙ্গলে’, জানুন নেপথ্যের কারণ

    S Somanath Autobiography: দিনের আলো দেখছে না ‘নীলাভু কুদিচা সিমহাঙ্গলে’, জানুন নেপথ্যের কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর আত্মজীবনীতে পূর্বতনের সমালোচনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। চন্দ্রযান ২-এর ব্যর্থতার কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ভূতপূর্ব ইসরো কর্তা কে শিবনের কিছু নীতির সমালোচনা করা হয়েছে তাঁর আত্মজীবনী ‘নীলাভু কুদিচা সিমহাঙ্গলে’ (S Somanath Autobiography)। বাংলায় তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘যে সিংহরা জ্যোৎস্না পান করেছিল’।

    ‘নীলাভু কুদিচা সিমহাঙ্গল’

    এই বিতর্কের মাঝে তাঁর আত্মজীবনী প্রকাশ করবেন না বলেই জানিয়ে দিলেন ইসরোর বর্তমান কর্তা এস সোমনাথ। শনিবার তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আপাতত দিনের আলো দেখছে না ‘নীলাভু কুদিচা সিমহাঙ্গল’। তাঁর আত্মজীবনীতে যে চন্দ্রযান ২ অভিযান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, তা স্বীকার করে নিয়েছেন সোমনাথ। সেই অভিযান কেন ব্যর্থ হয়েছিল, তাও তিনি লিখেছেন তাঁর আত্মজীবনীতে। যেহেতু আত্মজীবনীটিকে নিয়ে দানা বেঁধেছে বিতর্ক, তাই বইটি প্রকাশ না করার সিদ্ধান্তই নিয়েছেন ইসরোর চেয়ারম্যান।

    ‘চ্যালেঞ্জ প্রত্যেকের জীবনের অঙ্গ’

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সোমনাথ (S Somanath Autobiography) বলেছিলেন, “আমার জীবনের কাহিনি বর্ণনা করা এই বইয়ের উদ্দেশ্য নয়। যাঁরা জীবনের চ্যালেঞ্জগুলিকে অতিক্রম করে স্বপ্ন ছুঁতে চান, তাঁদের অনুপ্রাণিত করাই এই বইয়ের একমাত্র উদ্দেশ্যে।” তবে শনিবার ফের সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ইসরো কর্তা বলেন, “কোনও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে পৌঁছানোর রাস্তায় সকলকেই কিছু না কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এই চ্যালেঞ্জ প্রত্যেকের জীবনের অঙ্গ। আমি নিজের জীবনের সব চ্যালেঞ্জগুলিই এই বইতে লিপিবদ্ধ করেছি। কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করিনি। কোনও একজন ব্যক্তিকে আলাদা করে আক্রমণ করা আমার উদ্দেশ্যও ছিল না। আমি একটা নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গীকে তুলে ধরতে চেয়েছিলাম মাত্র। কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিষয়ে অভিযোগ তুলিনি।”

    আরও পড়ুুন: থানায় গিয়ে আইসিকে ‘উপহার’ দিলেন তৃণমূলের মন্ত্রী, জেলাজুড়ে শোরগোল

    প্রসঙ্গত, তৃতীয়বারের চেষ্টায় শেষমেশ সফল হয় ভারতের চন্দ্রযান মিশন। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রাখে ল্যান্ডর বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞান। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্য আসে তখন, যখন ইসরোর কর্তা সোমনাথ (S Somanath Autobiography)। মিশন চন্দ্রযান ২ যখন ব্যর্থ হয়, তখন ইসরোর চেয়ারম্যান পদে ছিলেন শিবন। সেই অভিযান ব্যর্থ হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে সোমনাথ তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন, “তাড়াহুড়োর কারণেই ব্যর্থ হয়েছিল চন্দ্রযান ২ মিশন। চন্দ্রযান ২ উৎক্ষেপণের আগে যতবার পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন ছিল, তা করা হয়নি। মিশন ব্যর্থ হওয়ার ঘোষণা করার সময় ব্যর্থতাগুলি, গাফিলতিগুলিও লুকিয়ে যাওয়া হয়েছিল।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share