Tag: sabang

sabang

  • BJP: পঞ্চায়েতে জেতার সার্টিফিকেট না দেওয়ায় সবংয়ে বিজেপি সদস্যাকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: পঞ্চায়েতে জেতার সার্টিফিকেট না দেওয়ায় সবংয়ে বিজেপি সদস্যাকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে উইনিং সার্টিফিকেট দিতে রাজি না হওয়ায় বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থীকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং ব্লকের ১৩ নম্বর বিষ্ণুপুর অঞ্চলের মকরানিচক এলাকায়। গুরুতর জখম অবস্থায় জয়ী বিজেপি সদস্য ফাল্গুনি বিজলি বেরাকে সবং গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং ব্লকের ১৩ নম্বর বিষ্ণুপুর অঞ্চলের মকরানিচক এলাকার বিজেপি (BJP) প্রার্থী ছিলেন ফাল্গুনিদেবী। এই পঞ্চায়েতে তৃণমূল ১৩টি আসনে জয়ী হয়। সঙ্গে মকরানিচক এলাকায় তৃণমূলকে হারিয়ে বিজেপি প্রার্থী ফাল্গুনিদেবী জয়ী হন। বুধবার রাতে মকরানিচক বুথ এলাকায় বিজেপির জয়ী পঞ্চায়েত প্রার্থী ফাল্গুনিদেবীর বাড়িতে এসে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাড়িতে এসে মারধরের হুমকি দিয়ে যায়। তারপরে রাতে স্বামীর অনুপস্থিতিতে তৃণমূল লোকজন ফের চড়াও হয়। বিজেপির সদস্যের কাছে থেকে উইনিং সার্টিফিকেট চায় তারা। কিন্তু, দাবি মতো সার্টিফিকেট না দেওয়ায় বিজেপির ওই মহিলা পঞ্চায়েত প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বাড়িতে লুটপাট চালানো হয়। এমনকী মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি উদ্ধার করে। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় সবং গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পরবর্তীতে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় সবং থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে সবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) নেতা নিতাইচাঁদ মণ্ডল বলেন, তৃণমূল এই পঞ্চায়েতে প্রচুর আসন পেয়েছে। তারপরও আমাদের জয়ী প্রার্থীর কাছে থেকে উইনিং সার্টিফিকেট ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। না দেওয়ায় ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। আমরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তৃণমূলের সবং ব্লকের সহ-সভাপতি গণেশ প্রামাণিক বলেন, এই ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই বিজেপির (BJP) কর্মীরাই আমাদের তৃণমূল কর্মীদের মারধর করছে। আজকেও কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করেছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা সাজানো ঘটনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Molestation: ভণ্ড তান্ত্রিককে খুঁটিতে বেঁধে মারধর, গ্রেফতার করল পুলিশ, কেন জানেন?

    Molestation: ভণ্ড তান্ত্রিককে খুঁটিতে বেঁধে মারধর, গ্রেফতার করল পুলিশ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তন্ত্রসাধনার মাধ্যমে অসুস্থ ১৬ বছরের নাবালিকাকে সুস্থ করে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এক ভণ্ড তান্ত্রিক। নাবালিকার পরিবারের লোকজন তা বিশ্বাস করেছিলেন। আর ওই নাবালিকার সঙ্গে শ্লীলতাহানি (Molestation) করার অভিযোগ উঠল ভণ্ড ওই তান্ত্রিকের বিরুদ্ধে। ভণ্ড ‘তান্ত্রিকের’ কীর্তি জানাজানি হতেই সোমবার গ্রামবাসীরা তাকে আটকে মারধর শুরু করে। পরে পুলিশ এসে বিষ্ণুপদ হাজরা (৬২) নামে ওই ‘তান্ত্রিককে’ গ্রেফতার করে। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সবং থানার তিন নম্বর দাঁদরা অঞ্চলের নীলা এলাকার বাসিন্দা বিষ্ণুপদ হাজরা নামে ৬২ বছর বয়সী এক প্রৌঢ় বাড়িতে তন্ত্র সাধনা করতেন। সোমবার ওই এলাকার ১৬ বছরের এক নাবালিকা শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করায় তান্ত্রিকের শরণাপন্ন হয় তার পরিবার। তারপর তাকে তান্ত্রিকের কাছে নিয়ে আসা হয়। তখন ওই তান্ত্রিক পরিবারের সদস্যদের নাবালিকাকে তার বাড়িতে রেখে চলে যাওয়ার কথা বলেন। একা পেয়ে তন্ত্রসাধনার নাম করে বাড়ির ভিতরে নাবালিকার শ্লীলতাহানি (Molestation) করে বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে ওই নাবালিকা বাড়িতে ফেরার পর কান্নাকাটি করে সব কথা সে খুলে বলে। তারপর পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্ত ভণ্ড বিষ্ণুপদ হাজরার বাড়িতে হাজির হন। তার এই কীর্তি প্রকাশ্যে আসার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার সাধারণ মানুষ। তাকে খুঁটিতে বেঁধে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তন্ত্রসাধনার জিনিসপত্রে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় সবং থানার পুলিশ। অভিযুক্তকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    কী বললেন পুলিশ প্রশাসনের কর্তা?

    জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, অভিযুক্ত তান্ত্রিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে হনুমানের মাথার খুলি ও বেশকিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃতকে জেরা করা হবে। এর পিছনে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share