Tag: Sadguru

Sadguru

  • Sadhguru: মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন সদগুরু? আরোগ্য কামনা প্রধানমন্ত্রীর

    Sadhguru: মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন সদগুরু? আরোগ্য কামনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সদগুরু। বুধবার দিল্লির এক নামি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়েছে। ওই হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, শারীরিক অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে সদগুরুর। ইশা ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করা হয়েছে সদগুরুর শারীরিক অবস্থার আপডেট দিয়ে। অন্যদিকে, সদগুরুর (Sadhguru) সঙ্গে কথা বলার পরে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। প্রধানমন্ত্রীর এই আরোগ্য কামনায় অভিভূত হতে দেখা গিয়েছে সদগুরুকে। প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট তিনি রিট্যুইটও করেছেন।

    সদগুরুর কন্যাও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন পিতার স্বাস্থ্যের আপডেট 

    ইতিমধ্যে ইশা ফাউন্ডেশনের তরফে এক ভিডিও বার্তায় সদগুরু নিজেই সকলকে আশ্বস্ত হতে বলেছেন। সদগুরুর (Sadhguru) কন্যা রাধে জগ্গি তাঁর পিতার স্বাস্থ্যের বিষয়ে আপডেট দিয়েছেন এবং সমাজ মাধ্যমের পাতায় লিখেছেন, ‘‘সকলকে জানানো হচ্ছে সদগুরু এখন ভালো আছেন এবং দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।’’ রাধে জগ্গি এই ইনস্টাগ্রাম স্টোরি বুধবার রাতেই পোস্ট করেন। সদগুরুর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Sadhguru (@sadhguru)

    চার সপ্তাহ ধরে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ চলছে সদগুরুর 

    দিল্লির ওই বেসরকারি হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসক বিনীত সুরি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রায় চার সপ্তাহ ধরে মস্তিষ্কে যন্ত্রণা অনুভব করছিলেন সদগুরু (Sadhguru)। এরকম আবহে ৮ মার্চ তিনি শিবরাত্রির অনুষ্ঠানও করেন। পরবর্তীকালে ১৫ মার্চ থেকে যন্ত্রণা আরও তীব্র হয়। সে সময়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। এরপরে গত সপ্তাহে বৃহস্পতিবার সদগুরু দিল্লিতে পৌঁছান। তখনই এমআরআই-তে ধরা পড়ে তাঁর মস্তিষ্কে তুমুল রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তার মধ্যেই শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি শুরু হয় সদগুরুর। মাথায় যন্ত্রণার সঙ্গে বমি শুরু হয়। দুর্বল হতে থাকে তার বাঁ পা। শেষ পর্যন্ত হাসপাতলে ভর্তি হন তিনি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sadguru: “মানবিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন উভয় ক্ষেত্রেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত”, বললেন সদগুরু

    Sadguru: “মানবিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন উভয় ক্ষেত্রেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত”, বললেন সদগুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ স্বাধীন হয়েছিল ১৯৪৭ সালে। তার আটশো থেকে নশো বছর আগে ধ্বংস হতে বসেছিল ভারতের সংস্কৃতি। কিন্তু সেই সংস্কৃতি বেঁচে রয়েছে। মানবিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক উন্নতি দুই ক্ষেত্রেই ফের ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত। মঙ্গলবার স্বাধীনতা দিবসের দিন এমনই অভিমত পোষণ করলেন আধ্যাত্মিক নেতা সদগুরু (Sadguru)।

    সদগুরুর বক্তব্য

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এদিন কোয়েম্বাতুরের ঈশা যোগ সেন্টারে ভাষণ দিচ্ছিলেন সদগুরু। সেখানেই তিনি বলেন, “আটশো থেকে নশো বছর আগে আমরা বিপন্ন হতে বসেছিলাম। যা এই গ্রহের আর কোনও দেশকে হতে হয়নি। আমরা যখন গণহত্যার কথা বলি, তখন আমরা চেঙ্গিশ খানের কথা বলি, আমেরিকার উপজাতি অথবা আফ্রিকার মানুষদের ক্রীতদাসে পরিণত করার কথা বলি কিংবা অ্যাডফ হিটলার যেভাবে মানুষ নিধন যজ্ঞ করেছিলেন, তার কথা বলি। কিন্তু আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই এই বলে যে, ভারতের মতো আর কোনও দেশকেই এভাবে বিধ্বস্ত হতে হয়নি।”

    ‘জীবন্ত স্পিরিট’

    ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়েও কীভাবে ভারত তার সংস্কৃতিকে ধরে রাখল, সে ব্যাখ্যাও এদিন দিয়েছেন সদগুরু (Sadguru)। তিনি বলেন, “এ দেশে অনেক কিছুই ঘটেছে। তা সত্ত্বেও দেশবাসী তাঁদের স্পিরিটটাকে ধরে রেখেছিলেন। তবে এই স্পিরিট দেশবাসীর ফাইটিং স্পিরিট নয়। এটা ভারতের একটা সুন্দর প্রকৃতি। এটা একটা জীবন্ত স্পিরিট। সচরাচর দেশবাসী তাঁদের মধ্যে ফাইটিং স্পিরিট পুষে রাখেন। তবে আমরা যাঁরা ভারতবাসী, আমাদের মধ্যে কোনও ফাইটিং স্পিরিট নেই। আমরা কারও সঙ্গে লড়াই করতে চাই না। আমরা শুধু চাই বাঁচতে, প্রত্যেককে বাঁচতে দিতে।”

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে ‘কালো দিন’ পালন সিন্ধ-বালোচ ফোরামের

    সদগুরু বলেন, “এটা এমন একটা জাতি, যা সর্বদা সভ্যতাকেই আঁকড়ে ধরে, বিশ্বকে আঁকড়ে ধরে। ভারত এটা করে তার সংস্কৃতি দিয়ে, তার সঙ্গীত দিয়ে, তার বিজ্ঞান দিয়ে, তার বাণিজ্য দিয়ে এবং সর্বোপরি তার আধ্যাত্মিক পদ্ধতি দিয়ে। এই পথেই আমরা বিশ্বকে প্রভাবিত করি।” তিনি (Sadguru) বলেন, “তাই স্বাধীনতার এই পুণ্য দিনে আসুন আমরা শপথ নিই আমরা যেন অন্তর্ভুক্তিকরণ করতে পারি। এবং এভাবেই বিশ্বনেতা হতে পারি। এমন একটা জাতি গঠন করতে পারি, যারা কেবল মানব কল্যাণের কথাই ভাববে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share