Tag: sagar dutta hospital

sagar dutta hospital

  • Birupaksha Biswas: মেডিক্যালে ভর্তির আশ্বাসে ৮ লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন বিরূপাক্ষ!

    Birupaksha Biswas: মেডিক্যালে ভর্তির আশ্বাসে ৮ লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন বিরূপাক্ষ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থ্রেট কালচারে অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালী চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ সামনে আসছে। কয়েকদিন আগেই তাঁকে সাসপেন্ড করেছে আইএমএ। এবার মুর্শিদাবাদের এক ছাত্রকে মেডিক্যালে সুযোগ করে দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠল বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের (Birupaksha Biswas) বিরুদ্ধে। এর আগে শক্তিপুর হাসপাতালের এক চিকিৎসক অনুপম মণ্ডলকে পোস্টিং করে দেওয়ার নাম করে অনেক টাকা হাতিয়েছিলেন বিরূপাক্ষ। এবার ডাক্তারি পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য টাকা নিয়ে প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা (Birupaksha Biswas)

    জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি ভাদুরিয়াপাড়ার দীন মহম্মদের ছেলে ডাক্তারি পড়ার জন্য নিট পরীক্ষা দিয়েছিলেন। পরীক্ষার ফল আশানুরূপ হয়নি। কম নম্বর পাওয়ায় সরকারি মেডিক্যাল কলেজ সুযোগ পাচ্ছিলেন না ওই ছাত্র। সেই সময়ে ছাত্রের বাবা দীন মহম্মদের সঙ্গে স্থানীয় এক চিকিৎসকের সঙ্গে পরিচয় হয়। ওই চিকিৎসকই বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের (Birupaksha Biswas) সঙ্গে ওই ব্যক্তির পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। সেই সময়ে ছেলেকে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানোর জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছিলেন তিনি। তাই বিরূপাক্ষের কাছে সাহায্য চান। তাঁর অভিযোগ, ছেলেকে মেডিক্যালে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি। দু’দফায় মোট ৮ লক্ষ টাকা দেওয়ার পরেও মেডিক্যালে ভর্তি করিয়ে দেননি ওই ডাক্তারবাবু। ওই চিকিৎসক কলেজে সিট বুকিং করে দেওয়ার নাম করে ছাত্রের বাবার কাছ থেকে আট লক্ষ টাকা নেন। দু’দফায় সেই টাকা দিয়েছিলেন দীন মহম্মদ। কিন্তু, কোনও সদর্থক উত্তর না আসায় টাকা ফেরত চাইতে গেলে ছাত্রের বাবাকে হুমকি দেন বিরূপাক্ষ। চার বছর আগে তাঁর সঙ্গে এমন প্রতারণা হয়। আদালতে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন তিনি। দীন মহম্মদের দাবি, গত শনিবার আচমকাই তাঁকে ফোন করেন অভিযুক্ত চিকিৎসক। সেখানে সুর নরম করে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। অবশেষে ৪৫ হাজার টাকা তাঁকে ফেরত দিয়েছেন বলে ছাত্রের বাবার দাবি। এই বিষয়ে জানতে বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে ফোন করা হয়েছিল। সেখানে তিনি বলেন, এভাবে অপপ্রচার করা হচ্ছে। কেন এমন করা হচ্ছে তিনি জানেন না।

    আরও পড়ুন: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    সাগর দত্তে বিরূপাক্ষ-বাহিনীর দাপাদাপি

    সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজে বিরূপাক্ষ-বাহিনী (Birupaksha Biswas) দাপিয়ে বেড়াত। টোকাটুকি থেকে তোলাবাজি- নৈরাজ্য সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজে। বাধা দিলে জুটত বদলির হুমকি। বিরূপাক্ষ-বাহিনীর দাপটে ত্রস্ত বিভাগীয় প্রধানরাও। এসব নিয়ে মুখ খুলেছেন কলেজের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম প্রধান।

    কী বললেন সাগর দত্তের অধ্যক্ষ?

    সাগর দত্তের (Sagar Dutta Hospital) অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম প্রধান বলেন, “এখানকার যা পরিস্থিতি আমি এসে ফেস করেছি, সেটা অকল্পনীয়। দীর্ঘ ৩০ বছরের শিক্ষক জীবনে আমাকে এই ধরনের অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়নি। ২০২২ সালে আসার পর থেকেই একটা নাম বারবার আমার কাছে আসত, তাঁকে আমি কখনও চোখে দেখিনি। নাম হচ্ছে বিরূপাক্ষ বিশ্বাস। তিনি এখানে দুটো ঘর দখল করে ছিলেন। ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে কম অভিযোগ পেয়েছি, যাঁরা অন্যান্য ক্যাটাগরি অফ স্টাফ, তাঁদের থেকেই বেশি অভিযোগ পেয়েছি। কে কোন ক্লাস করাবেন, কে করবে, কে হস্টেল পাবে কি পাবে না, সে সব কিছু ঠিক হত বিরূপাক্ষের সিদ্ধান্তেই। আমি নিজে পদক্ষেপ করি। আমি বলেছিলাম লিখিত অভিযোগ জানাতে। কিন্তু কেউ ভয়ে লিখিত দেয়নি। এখনও পর্যন্ত যা যা লিখিত পড়েছে, তা স্বাস্থ্যভবনে জমা দিই। জুলাই মাসে এক ছেলেকে বুঝিয়ে অভিযোগ দায়ের করাই। বরানগর থানার পুলিশ তার অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে আন অথারাইজড কার্যকলাপের অভিযোগ ছিল। কিন্তু তারপর থেকে আড়াই বছরে আমি ও আমার স্টাফরা বিভিন্নভাবে হেনস্থার শিকার হই। ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস করতে দেওয়া হয় না, তাদের মিটিং মিছিলে ব্যস্ত রাখা হয়। মার্কস কম পায়। অনেক বিভাগীয় প্রধান বলেও ফেলেন, তাঁরা থ্রেট পেতেন। শুধু তাই নয়, অভিযোগ, টুকলি করলে কাদের ধরতে হবে, আর কাদের ধরা যাবে না, সেটাও ঠিক করে দিত বিরূপাক্ষ-বাহিনী (Birupaksha Biswas)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khardah: চারটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও রোগীর মিলল না চিকিৎসা! তারপর কী হল জানেন?

    Khardah: চারটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও রোগীর মিলল না চিকিৎসা! তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ রোগীকে নিয়ে পরিবারের লোকজন চার-চারটি সরকারি হাসপাতালে ঘুরে বেড়ালেন। কোনও হাসপাতালেই মিলল না ঠাঁই। বাধ্য হয়ে রোগী নিয়ে ফের বাড়ি ফিরলেন পরিবারের লোকজন। এই ঘটনা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কী বেহাল দশা, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তবে, বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হতে সোমবার বিকেলে খড়দা (Khardah) বলরাম হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দার (Khardah) রহড়া আজমতলার বাসিন্দা তনুশোভা বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার সকালে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। শরীরে তিনি খিচুনি অনুভব করেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে প্রথমে বারাকপুর বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। রোগীর অবস্থা দেখে জানানো হয়, ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে। অন্যত্র নিয়ে যেতে হবে। রোগীকে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর স্ক্যান করা হয়। পরে জানানো হয়, ব্রেন স্ট্রোক নয়, নিউরোর সমস্যা। এরপর এনআরএস হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কোনও চিকিৎসা মেলেনি। সোমবার রোগীকে নিয়ে যেতে বলা হয়। সেখানে চিকিৎসা না পেয়ে তাঁরা বাঙ্গুর হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যান। সেখানেও রোগীর কোনও চিকিৎসা না করেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে, চারটি হাসপাতাল ঘুরে কোথাও তাঁর ঠাঁই মেলেনি। অবশেষে পরিবারের লোকজন দিনভর হাসপাতালে হাসপাতালে রোগী নিয়ে ঘুরে বাড়়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবারের লোকজন বলেন, রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু, চারটি বড় বড় সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও কোনও চিকিৎসা পেলাম না। সরকারি হাসপাতালে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কেউ নেই। কোনও চিকিৎসা পেল না রোগী। পরে, বিষয়টি জানাজানি হতে সোমবার খড়দা (Khardah) হাসপাতালে রোগীকে ভর্তি করা হয়। আমাদের প্রশ্ন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বলে কি কিছু নেই? রোগী নিয়ে এত হয়রানি হওয়ার পর স্বাস্থ্য দফতরের টনক নড়েছে। এখন রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী করছিল?

    বিএন বসু হাসপাতালের সুপারের কী বক্তব্য?

    বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালের সুপার এনামুল হক বলেন, কী রোগ নিয়ে রোগী ভর্তি হয়েছিলেন জানি না। তবে, স্ট্রোক হয়ে থাকলে আমাদের চিকিৎসা করা হয়। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madan Mitra: অধ্যক্ষকে দফতরে না পেয়ে মদনের হুমকি, সাগর দত্ত হাসপাতালে ফের পড়ল পোস্টার

    Madan Mitra: অধ্যক্ষকে দফতরে না পেয়ে মদনের হুমকি, সাগর দত্ত হাসপাতালে ফের পড়ল পোস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দালালচক্রের মূল পান্ডা জাবেদ আলির বুধবারও টিকি ছুঁতে পারেনি পুলিশ। তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের (Madan Mitra)  হুঙ্কারই যে সার তা এই ঘটনাতেই প্রমাণিত। এরইমধ্যে মদন মিত্র সোজা হাসপাতালে হাজির হন। অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম প্রধান নিজের দফতরে না দেখতে পেয়ে সেখানে বসেই ফোনে অধ্যক্ষকে রীতিমতো ধমক দেন তিনি।

    অধ্যক্ষকে কী বললেন মদন? (Madan Mitra)  

    অধ্যক্ষের উদ্দেশে মদন বলেন,আপনি বেরিয়ে গিয়েছেন কেন? মাসের শেষে তো তিন লক্ষ টাকা মাইনে পান। এখানে দালালরাজ চলছে। আপনি কেন সুয়োমোটো থানায় ডায়েরি করেননি? এখানেই থামেননি মদন। তাঁর কথায়, সব দালালরাজ আরজি কর, এনআরএসে হয়। ওখানে সব চুড়ি পরে বসে থাকে। এটা কামারহাটি। ঘেঁটি ধরে নাড়িয়ে দেব। সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ঢুকতে পারবেন তো? রীতিমতো হুমকির সুরে একথা বলেন মদন। পাশাপাশি কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা থেকে শুরু করে ভাইস চেয়ারম্যান, ৩০ জন কাউন্সিলরও মদনের সঙ্গে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সেই সংখ্যার কথাও অধ্যক্ষকে জানিয়ে দেন তৃণমূল বিধায়ক। অন্যদিকে, অধ্যক্ষ বলেন, কোনও হুমকি দেননি তো। আসলে উনি যে আসবেন, তা আমার জানা ছিল না। জানলে হয়তো থেকে যেতাম। আসলে মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই, সবটা আমার শোনা হয়নি। তাছাড়া তাঁর সঙ্গে অনেকদিনের সম্পর্ক। তাই, পরে, কথা বলে মিটিয়ে নেব।

    হাসপাতালে দালালরাজের বিরুদ্ধে পড়ল পোস্টার

    হাসপাতালে দালালরাজের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল। এর আগে জাবেদ আলিদের ছবি দিয়ে পোস্টার পড়েছিল। এবার রোগীদের সচেতন করতে ফের পোস্টার পড়ল। পোস্টারে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, ‘সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের আগত রোগীর ও রোগীর আত্মীয় পরিজনদের জানানো যাচ্ছে যে, হাসপাতালের যেকোনও পরিষেবা পাওয়ার জন্য, কোনও ব্যাক্তিকে কোনও টাকা দেবেন না। প্রয়োজনে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলা হয়েছে।’ প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে এক রোগীকে আইসিইউতে ভর্তিকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে দালালরাজের বিষয়টি সামনে এসেছিল। মদন মিত্র বলেছিলেন, হাসপাতালে দালালদের প্রতিদিনের আয় ৫০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা। কলকাতা পুলিশ এসএসকেএম, এনআরএসে ধরেছে, কামারহাটিতে দালালরাজের বিরুদ্ধে যারা মিছিল করেছিল, তাদের বাড়ি ভেঙে দিয়েছে। বউ-বাচ্চাকে গঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। মদনের এই বক্তব্যের পরও পুলিশ দালালচক্রের মাথাকে ধরতে পারল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sagar Dutta Hospital: দালালচক্রের মূল পান্ডার টিকি ছুঁতে পারল না পুলিশ! মাথায় কার হাত?

    Sagar Dutta Hospital: দালালচক্রের মূল পান্ডার টিকি ছুঁতে পারল না পুলিশ! মাথায় কার হাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দালাল চক্র নিয়ে তোলপাড় কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Sagar Dutta Hospital)। হাসপাতালে দাদালচক্রের বিরুদ্ধে পোস্টার দেওয়ার অপরাধে শামসেদ আলি নামে তৃণমূল কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে জাবেদ আলি নামে এক দালাল ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। হাসপাতালে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে নাম জড়ায় জাবেদ আলি এবং মুকিম খানের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই এক মুকিম খান নামে দালাল চক্রের পান্ডাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত দালাল চক্রের মূল পান্ডা জাবেদ আলির টিকি ছুঁতে পারেনি পুলিশ।

    দালালচক্রের মূল পান্ডার মাথায় কার হাত, কামারহাটি জুড়ে চর্চা

    কামারহাটি বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। দাপুটে এই নেতা থাকার পরও এই এলাকায় তৃণমূল গোষ্ঠী কোন্দলে জর্জরিত। গত পুরসভা নির্বাচনে একাধিক আসনে তৃণমূলের অফিসিয়াল প্রার্থীর বিরুদ্ধে খোঁজ প্রার্থী দাঁড়ানোর ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। জানা গিয়েছে, জাবেদ আলি সাগর দত্ত হাসপাতালের (Sagar Dutta Hospital) কর্মী। হাসপাতাল জুড়ে দালাল চক্র চালানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দুদিন আগে দক্ষিণ দমদমের এক রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করাকে কেন্দ্র করে দালাল চক্রের বিষয়টি সামনে আসে। হাসপাতালে আইসিইউ বেড পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রায় ছয় হাজার টাকা দাবি করা হয়। আর এই অভিযোগ উঠে জাবেদ আলি ও মুকিম খানের বিরুদ্ধে। পরবর্তীকালে বিষয়টি জানতে পেরে মদন মিত্র হস্তক্ষেপ করেন। তিনি ওই রোগীকে আইসিইউ তে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। যদিও পরে, ওই রোগীর মৃত্যু হয়। এরপরই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে মদন মিত্র সরব হন। শামসেদ আলি সাগর দত্ত হাসপাতালে অভিযুক্ত জাবেদ আলির বিরুদ্ধে পোস্টার লাগিয়েছিলেন। এর পরই তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত জাবেদ আলি। এই জাবেদ আলিকে নিয়েই প্রকাশ্যেই তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র সরব হয়েছেন। এত কিছুর পরেও এখনও পর্যন্ত জাবেদ আলির নাগাল পেল না পুলিশ। জাবেদ আলির পিছনে শাসক দলের এক দাপুটে নেতার হাত রয়েছে, যার জন্য জাবেদ আলি মদন মিত্রকেও পাত্তা দিচ্ছে না বলে দলের অন্দরে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। পুলিশও জাবেদকে ঘাঁটাতে সাহস পাচ্ছে না। তবে, এই বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কেউ মুখ খুলতে চাইছে না। হাসপাতালে দালালরাজ নিয়ে গোটা কামারহাটি জুড়়ে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madan Mitra: সাগর দত্ত হাসপাতালে রোগী মৃত্যুতে দালালরাজকে দায়ী করলেন মদন

    Madan Mitra: সাগর দত্ত হাসপাতালে রোগী মৃত্যুতে দালালরাজকে দায়ী করলেন মদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারহাটি সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রমরমিয়ে দালালচক্র চলছে। এক বোতল রক্তের দাম ১৭০০ টাকা। সাগর দত্ত হাসপাতাল থেকে কলকাতার পিজি হাসপাতালে নিয়ে যেতে রোগীর পরিবারের কাছে থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। এটা বিরোধী দলের কোনও রাজনৈতিক নেতার অভিযোগ নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra) এই অভিযোগ করছেন। যা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার উত্তর দমদম অঞ্চলের এক রোগীকে শ্বাসকষ্ট জনিত চিকিৎসার জন্য সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে আইসিসিইউ বেডে তাঁকে স্থানান্তরের প্রয়োজন হয়। সেই বেডে দেওয়ার জন্য রোগীর পরিবারের কাছে ছয় হাজার টাকা চাওয়া হয়। মুকিম খান নামে এক দালাল রোগীর পরিবারের কাছে এই টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ। রোগীর পরিবারের এক সদস্য বিষয়টি কামারহাটি বিধায়ক মদন মিত্রকে জানান। পরে, মদন মিত্র (Madan Mitra) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেই রোগীকে আইসিসিইউতে ভর্তি করার উদ্যোগ নেন। যদিও ততক্ষণে সেই রোগীর মৃত্যু হয়। সেই খবর পেয়ে মদন মিত্র তার দলবল নিয়ে শুক্রবার রাতে সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

    হাসপাতালে দালালচক্র নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক? (Madan Mitra)

    তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra) বলেন, দালাল রাজের জন্য হাসপাতালে পরিকাঠামো ভেঙে পড়ছে। রাতে ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত নিতে গেলে দালালের মাধ্যমে নিতে হচ্ছে। বেশি পয়সা গুনতে হচ্ছে রোগীর পরিবারের লোকজনদের। এবার থেকে আর দালাল চক্র সাগর দত্তে চলবে না। এরকম ফের দালাল চক্রের হদিশ পেলে তাকে কেউ মারবেন না, পুলিশে দেওয়ার আগে আমাদের একবার জানাবেন। প্রসঙ্গত, করোনার সময় এই সাগর দত্ত হাসপাতালে দালাল চক্র নিয়ে তিনি সরব হয়েছিলেন। দালালরাজ খতম করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তারপরও সেই আগের মতোই এই হাসপাতালে দালালচক্র চলছে। ফলে, বিধায়কের এই হুঁশিয়ারি কতটা বাস্তবায়িত হয় সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন কামারহাটিবাসী এবং হাসপাতালের রোগীর পরিবারের লোকজনেরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share