Tag: Sahil Wakode Suicide

  • Sahil Wakode Suicide: ‘দাঙ্গা উসকে দিতে ভুয়ো খবর ’, সাহিল ওয়াকোড়ের আত্মহত্যার ঘটনায় আইআইটি বম্বের অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    Sahil Wakode Suicide: ‘দাঙ্গা উসকে দিতে ভুয়ো খবর ’, সাহিল ওয়াকোড়ের আত্মহত্যার ঘটনায় আইআইটি বম্বের অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইআইটি বম্বের ছাত্র সাহিল ওয়াকোড়ের আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ছাত্রের বিরুদ্ধে মুম্বই পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ পত্রে, আইআইটি বম্বের হিউম্যানিটিজ বিভাগের অধ্যাপক সূর্যকান্ত ওয়াঘমোরে, প্রবীণ আইনজীবী মিহির দেশাই, আইনজীবী নবনীত, ছাত্রী হুমা নামাল, অমরকান্ত ঠাকুর-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সামাজিক মাধ্যমে এমন কিছু তথ্য ও পোস্ট ছড়িয়েছেন, যা তাদের দাবি অনুযায়ী ‘ভুয়ো খবর’ ছড়িয়ে জাতপাতের ভিত্তিতে উত্তেজনা ও সংঘর্ষ উসকে দিতে পারে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে প্ররোচনামূলক পোস্টের মাধ্যমে হিংসা, সামাজিক অস্থিরতা এবং জাতপাতের ভিত্তিতে সমাজকে বিভক্ত করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

    পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান

    অভিযোগে আইনজীবী মিহির দেশাইয়ের সঙ্গে এইচআরএলএন-এসএলটিসি নামে একটি সংগঠনের যোগসূত্রের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে দাবি করা হয়েছে, ওই সংগঠন জার্মান ক্যাথলিক চার্চ-সম্পর্কিত এক এনজিও-র কাছ থেকে অর্থসাহায্য পায়। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। আরও অভিযোগ, নবনীত মিহির দেশাইয়ের চেম্বারে কাজ করেন এমন এক ব্যক্তি সাহিল ওয়াকোড়ের পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে থাকাকালীন তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি পরিবারকে অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লার বিরুদ্ধে তফসিলি জাতি ও উপজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের অধীনে অভিযোগ দায়ের করার জন্য উৎসাহিত করেন। এদিকে মুম্বই পুলিশের সূত্রের দাবি, সাহিল ওয়াকোড়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগের ক্ষেত্রে আইআইটি বম্বের অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লার বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ। পুলিশ সূত্র আরও জানিয়েছে, সাহিলের বিরুদ্ধে জাতপাত সংক্রান্ত কটূক্তি করা হয়েছিল—পরিবারের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ করা হলেও, সেই দাবিকে সমর্থন করার মতো কোনও প্রত্যক্ষদর্শী বা নির্দিষ্ট প্রমাণ এখনও তদন্তকারীদের হাতে আসেনি।

    পরীক্ষার হলের সিসিটিভি ফুটেজ

    তদন্তকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে অধ্যাপক দুল্লা যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফুটেজে সাহিলকে নিচের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায় বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এরপর তাঁকে পরীক্ষার ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এরপর অধ্যাপক দুল্লা সাহিলকে একটি আলাদা ঘরে নিয়ে যান। সেখানে আরও এক অধ্যাপক এবং বিভাগের একজন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় সাহিলকে পরে নিজের হস্টেল কক্ষে যেতে এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতেও দেখা যায় বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। এই ঘটনায় তিন অধ্যাপককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তাঁদের বক্তব্যও রেকর্ড করা হয়েছে। তবে মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা দাবিগুলির সত্যতা আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া হয়নি।

LinkedIn
Share