Tag: sai

sai

  • Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতেও নেপালকে সাহায্য ভারতের, গুয়াহাটিতে অনুশীলন নেপালি বক্সারদের

    Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতেও নেপালকে সাহায্য ভারতের, গুয়াহাটিতে অনুশীলন নেপালি বক্সারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-নেপাল ক্রীড়া সম্পর্ক আরও মজবুত করার লক্ষ্যে এশিয়ান গেমসের আগে নেপালের বক্সিং দলকে বিশেষ প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিয়েছে ভারত। স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (SAI) গুয়াহাটি ন্যাশনাল সেন্টার অব এক্সেলেন্সে (NCOE) দীর্ঘমেয়াদি উচ্চমানের প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নিয়েছেন নেপালের বক্সাররা। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে জাপানে শুরু হতে চলেছে আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমস। তার আগে নেপাল বক্সিং ফেডারেশনের অনুরোধে এই প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাত জন বক্সার এবং দুই জন কোচ নিয়ে নেপালের দলটি গত ১০ আগস্ট থেকে গুয়াহাটিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। শিবির শেষ করে এখান থেকেই সরাসরি জাপানের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা তাদের।

    নেপালের দলে ৭ বক্সার

    নেপাল দলের সাত বক্সার হলেন রামিশা শ্রেষ্ঠা, অস্মিতা দুওয়াল, কুসুম তামাং, চন্দ্র বাহাদুর থাপা, খগেন্দ্র রোকা মাগার, দান বাহাদুর দারলামি এবং রবিন নেপাল। তাঁরা বিভিন্ন বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সাই-এর কোচ নরেন্দ্র রানা, ত্রিদীপ বোরা এবং প্রণমিকা বোরার তত্ত্বাবধানে চলছে তাঁদের প্রশিক্ষণ। বক্সারদের টেকনিকের উন্নতি, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং প্রতিযোগিতার জন্য মানসিকভাবে তৈরি করার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই শিবিরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং মেঘালয়ের বক্সারদের সঙ্গে নেপালের খেলোয়াড়দের অনুশীলন ও স্প্যারিংয়ের সুযোগ। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের বক্সিং স্টাইল ও কৌশলের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন নেপালের বক্সাররা। নেপালের বক্সার রামিশা শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, গুয়াহাটিতে কঠোর অনুশীলন এবং দক্ষ ভারতীয় বক্সারদের সঙ্গে প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা এশিয়ান গেমসের আগে তাঁদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়েছে। তাঁর কথায়, “এখানে প্রশিক্ষণ অত্যন্ত কঠোর হয়েছে। অসাধারণ ও দক্ষ বক্সারদের সঙ্গে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছি। ফলে এশিয়ান গেমসের জন্য আমরা এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও প্রস্তুত।” ভারতীয় খেলোয়াড় ও সাই-এর কর্মীদের আতিথেয়তারও প্রশংসা করেন তিনি।

    ভারত ও নেপালের মধ্যে ক্রীড়া সম্পর্ক

    সাই-এর গুয়াহাটির এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর ডি কে মিত্তল বলেন, প্রথমবার নেপালের বক্সিং দল গুয়াহাটিতে প্রশিক্ষণ নিতে এসেছে। তাঁর আশা, এই শিবির থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা জাপানে নেপালের বক্সারদের ভাল ফল করতে সাহায্য করবে। তিনি জানান, শিবির চলাকালীন প্রায় পাঁচ দিনের একটি প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছিল, যা ভারত ও নেপাল—দুই দেশের বক্সারদেরই উপকৃত করেছে। সাই (SAI)-এর উপর কোনও আর্থিক বোঝা না রেখেই এই শিবির পরিচালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক যাতায়াত, ভিসা, চিকিৎসা বিমা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বহন করছে নেপাল বক্সিং ফেডারেশন। নেপালের বক্সারদের এই প্রশিক্ষণ শিবির শুধু এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতেই সাহায্য করছে না, ভারত ও নেপালের মধ্যে ক্রীড়া এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে গুয়াহাটির গুরুত্বও ক্রমশ বাড়ছে।

  • Achinta Sheuli: অলিম্পিক্সের শিবির থেকে বহিষ্কৃত সোনাজয়ী ভারোত্তলক অচিন্ত্য, কেন জানেন?

    Achinta Sheuli: অলিম্পিক্সের শিবির থেকে বহিষ্কৃত সোনাজয়ী ভারোত্তলক অচিন্ত্য, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সের জাতীয় শিবির থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে কমনওয়েলথে সোনাজয়ী বাঙালি খেলোয়াড় অচিন্ত্য শিউলিকে (Achinta Sheuli)। রাতে মহিলাদের হস্টেলে ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়েন তিনি। তারই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অচিন্ত্যর বিরুদ্ধে পুরো প্রমাণ ছিল। তাই কোনও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি অচিন্ত্যর বিরুদ্ধে।

    অচিন্ত্যর বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ২০২২ সালে বার্মিংহ্যামে কমনওয়েলথ গেমসে ভারোত্তোলনে ৭৩ কেজি বিভাগে সোনা জিতেছিলেন হাওড়ার ছেলে অচিন্ত্য (Achinta Sheuli)। জাতীয় অলিম্পিক্স শিবিরে প্যারিস অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন অচিন্ত্য। অভিযোগ, মহিলাদের হস্টেলে রাতে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সেই সময় এক নিরাপত্তারক্ষী তাঁকে দেখতে পান। তিনি সেই ঘটনার ভিডিও করেন। অচিন্ত্যকে আটকানো হয়। সেই ভিডিও স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (সাই) ও এনআইএস পাতিয়ালার এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর বিনীত কুমারের কাছে পাঠানো হয়। ভিডিও প্রমাণ থাকায় আলাদা করে কোনও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। অচিন্ত্যকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়। 

    আরও পড়ুন: দেশে ৭ দফায় ভোট, লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

    অলিম্পিক্সের স্বপ্ন অধরা

    এই ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। অচিন্ত্যকে (Achinta Sheuli) সঙ্গে সঙ্গে শিবির ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, বলে ভারতীয় ভারোত্তলক সংস্থার তরফে জানানো হয়। শুক্রবারই শিবির ছেড়ে চলে যান অচিন্ত্য। এর ফলে প্যারিস অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের স্বপ্ন এবার আর পূর্ণ হচ্ছে না অচিন্ত্যের। কারণ, এই মাসে আর তাইল্যান্ডের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন না অচিন্ত্য। ফলে তাঁর আর অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ থাকছে না। সম্প্রতি চোট সারিয়ে জাতীয় শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন অচিন্ত্য। অলিম্পিক্সে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু বিশৃঙ্খলার অভিযোগে বহিষ্কৃত করা হল তাঁকে। ফলে স্বপ্ন পূরণ হল না অচিন্ত্যের। ক্ষণিকের ভুলে হারিয়ে যেতে চলেছেন বাংলার ছেলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Khelo India: প্যারা অ্যাথলিটদের প্রতিভা বিকাশে সহায়ক খেলো ইন্ডিয়া! মত অনুরাগের 

    Khelo India: প্যারা অ্যাথলিটদের প্রতিভা বিকাশে সহায়ক খেলো ইন্ডিয়া! মত অনুরাগের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম বার প্যারা খেলো ইন্ডিয়া গেমস আয়োজন করছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক। সঙ্গী সাই। এই প্রতিযোগিতা চলবে ১০ থেকে ১৭ ডিসেম্বর। রবিবার থেকেই দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে শুরু হয়ে গিয়েছে এই প্রতিযোগিতা। সোমবার এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। প্যারা অ্যাথলিটদের প্রতিভা বিকাশে সাহায্য করছে খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্প, দাবি করলেন ক্রীড়ামন্ত্রী।

    প্রথম খেলো ইন্ডিয়া প্যারা গেমস

    এবারই প্রথম খেলো ইন্ডিয়া প্যারা গেমসের সূচনা হয়েছে। সার্ভিসেস স্পোর্টস কন্ট্রোল বোর্ড সহ ৩২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১৪০০ জনেরও বেশি প্রতিযোগী আট দিনের এই খেলায় অংশ নিয়েছেন।  অ্যাথলেটিক্স, শ্যুটিং, তীরন্দাজি, ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস এবং ভারোত্তোলনের মতো ৭টি ইভেন্ট এই গেমসে রয়েছে। এদিন এর সূচনা করে কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী অনুরাগ সিং ঠাকুর জানান, খেলো ইন্ডিয়া প্যারা গেমসের লক্ষ্য সম্ভাবনাময় প্যারা অ্যাথলিটদের দক্ষতা ও বিকাশে সহায়তা করা। 


    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের প্রকল্প খেলো ইন্ডিয়া। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতকে ক্রীড়া বিশ্বে সবার ওপরে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রীর। এই প্রকল্পের সুফলও পাচ্ছে দেশ। অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস সব জায়াগাতেই পদকের সংখ্যা বেড়েছে ভারতের। প্যারা অ্যাথলিটরাও তার বাইরে নন। টোকিও প্যারা অলিম্পিকে ভারত ১৯টা পদক জিতেছিল। প্যারা এশিয়ান গেমসে ১০০টিরও বেশি পদক জিতেছে ভারতীয় অ্যাথলিটরা। যা দেশের কাছে গর্বের।”

    প্রথম খেলো ইন্ডিয়া প্যারা গেমস

    ইতিমধ্যেই প্যারা খেলো ইন্ডিয়াতে যোগ দিতে দিল্লি গিয়েছে বাংলা দল। ক্রীড়ামন্ত্রক জানিয়েছে, প্রতিযোগীদের সব রকম চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হবে। জাতীয় ক্রীড়াবিজ্ঞান ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কর্নেল বিভু নায়েক বলেছেন, প্যারা অ্যাথলিটরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদে ও সুস্থভাবে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, তা সুনিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share