Tag: Saigal Hossain

Saigal Hossain

  • Saigal Hossain: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    Saigal Hossain: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা চার ঘণ্টা জেরার পর গরুপাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেন (Saigal Hossain)। এদিন সায়গলকে জেরা করতে আসানসোলের বিশেষ আদালতে যায় ইডি আধিকারিকদের এক দল। জেরা শেষে সংশোধনাগারেই তাঁকে গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নেয় ইডি। জানা গিয়েছে, আজই সায়গলকে আদালতে পেশ করতে পারে ইডি। উল্লেখ্য আজই সিবিআই গরুপাচার মামলায় চার্জশিট পেশ করেছে। এবার সায়গলের গ্রেফতারে জোড়া চাপে কেষ্ট মণ্ডল (Anubrata Mondal)। 

    শুক্রবার গরুপাচার মামলায় সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) জেরা করতে ইডির ছয়জনের দল আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে যায়। সকাল ১০ টা ১৫ নাগাদ তাঁরা সংশোধনাগারে পৌঁছন তাঁরা। ল্যাপটপ, ভিডিও ক্যামেরা-সহ তিনজন ভিতরে ঢোকেন। যেভাবে আদালতের কাছে অনুমতি নেওয়া হয়েছে ঠিক সেভাবেই ইডি আধিকারিকরা আসেন। ৩৫ টি প্রশ্নমালা সাজানো হয়েছিল সায়গলের জন্য। টানা চার ঘণ্টা চলে জেরা। তারপর সায়গলকে হেফাজতে নেন ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ সিবিআই-এর

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়গল হোসেনের (Saigal Hossain) বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। মাত্র কয়েক হাজার টাকা বেতন পান রাজ্য পুলিশের কন্সটেবল সায়গল। এই আয়ে তিনি কী করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করলেন তা সায়গলের কাছে জানতে চান গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, গোয়েন্দাদের প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যাচ্ছিলেন সায়গল। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এছাড়াও গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, সায়গলের নামে ও বেনামে আরও সম্পত্তি উদ্ধার বাকি রয়েছে। এছাড়া গরুপাচারের টাকা কার কার কাছে পৌঁছত তাও সায়গলের থেকে জানতে চান তাঁরা। কিন্তু সঠিক উত্তর না পাওয়াতেই গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত। 

    গ্রেফতার হওয়ার ৫৭ দিন পর আজ অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। চার্জশিটে অনুব্রতকেই গরুপাচার (Cattle Smuggling) দুর্নীতির মূল কাণ্ডারি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তে বীরভূমে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের নথি, জমি ও চালকলের কাগজপত্র খতিয়ে দেখে সেগুলি অনুব্রত মণ্ডলের সম্পত্তি বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। জানা গিয়েছে দেহরক্ষী সায়গলের (Saigal Hossain) মাধ্যমেই চলত গরুপাচারের কোটি কোটি টাকা লেনদেন। দুর্নীতি দমন আইনে পেশ করা এই চার্জশিটে অনুব্রতর ৫৩টি সম্পত্তির দলিল, ১৮ কোটির ফিক্সড ডিপোজিট-সহ একাধিক তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এদিন আদালতে অনুব্রতকে জেল হেফাজতে রেখেই বিচার প্রক্রিয়া চালানোর আবেদন জানিয়েছে সিবিআই। তাঁদের কথায়, অনুব্রত মণ্ডল প্রভাবশালী, ফলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া তদন্তের জন্য সমস্যার হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Saigal Hossain: সায়গল হোসেনকে জেরা এনআইএ-র! বিস্ফোরকের কারবারিদের সঙ্গেও যুক্ত অনুব্রত-র দেহরক্ষী

    Saigal Hossain: সায়গল হোসেনকে জেরা এনআইএ-র! বিস্ফোরকের কারবারিদের সঙ্গেও যুক্ত অনুব্রত-র দেহরক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদা বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) জেরা করল এনআইএ (NIA)। বীরভূমের মহম্মদবাজারে জিলেটিন স্টিক উদ্ধারকাণ্ডে তিহাড় জেলে বন্দি সায়গলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গরু পাচার কাণ্ডে আপাতত তিহাড় জেলে রয়েছেন সায়গল ও অনুব্রত। সিবিআই, ইডির পর এবার বিস্ফোরকের কারবারিদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে এনআইএ-র জেরার মুখে পড়লেন সায়গল।

    কেন জেরা

    এনআইএ সূত্রের দাবি, বীরভূমের মহম্মদবাজারে জিলেটিন স্টিক-সহ ডিটনেটর উদ্ধারের তদন্তে সায়গল হোসেনকে জেরা করে মিলতে পারে বিভিন্ন তথ্য। ২০২২ সালে মুরারই থেকে উদ্ধার হয়েছিল ৮১ হাজার ডিটোনেটর। গাড়ির চালককে আটক করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ২৭ হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং ১ হাজার ৯২৫ কেজি জিলেটিন স্টিক ও আরও ২ হাজার ৩২৫টি ডিটোনেটর উদ্ধার হয়। বিপুল এই বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তভার নেয় এনআইএ। পুলিশের একাংশের মদতে বিস্ফোরক সরবরাহকারীরা ডিটোনেটর-জিলেটিন স্টিক হাত বদল করতেন। তদন্তে এমনই তথ্য পেয়েছে এনআইএ। এই ঘটনায় ধৃতদের জেরা করেই সায়গলের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি এনআইএর। যে জায়গায় মজুত করে রাখা হয়েছিল ওই ডিটোনেটর, তার মালিক সায়গলের অত্যন্ত ঘনিষ্ট বলেই দাবি এনআইএ-র। 

    আরও পড়ুন: চার রাজ্যে পিএলএফআইয়ের ডেরায় হানা এনআইএ-র, কী ছক কষেছিল জঙ্গিরা?

    এনআইএ-র জিজ্ঞাসাবাদ

    ২০১০ সালে কনস্টেবল পদে চাকরি পান সায়গল হোসেন। ২০১৬ থেকে অনুব্রতর ছায়াসঙ্গী হিসেবে সর্বত্র দেখা যেতে থাকে সায়গল হোসেনকে। আর তারপরই তাঁর এই উত্থান। গরু পাচার, কয়লা পাচার-এর পর এবার জিলেটিন স্টিক উদ্ধার। বিস্ফোরকের কারবারিদের সঙ্গেও কি সায়গল হোসেনের (Saigal Hossain) যোগাযোগ ছিল? প্রভাবশালী যোগ ছাড়া কি এই বিস্ফোরকের কারবার চলতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই সায়গলকে জেরা করে এনআইএ। ৫ ঘণ্টা ধরে চলে সেই জেরা-পর্ব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: সুকন্যা গ্রেফতার হতেই জামিনের জন্য কাকুতিমিনতি অনুব্রতর

    Anubrata Mondal: সুকন্যা গ্রেফতার হতেই জামিনের জন্য কাকুতিমিনতি অনুব্রতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসাধিককাল তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। গরু পাচার কেলেঙ্কারিতে অন্যতম অভিযুক্ত তিনি। তাঁকে গ্রেফতার করে দিল্লি নিয়ে যায় ইডি (ED)। কিন্তু আসানসোল আদালতে এখনও চলছে তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া সিবিআইয়ের মামলা। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় আসানসোল আদালতে ভার্চুয়ালি পেশ করা হয়েছিল অনুব্রতকে। পেশ করা হয়েছিল তাঁর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও। বুধবার সন্ধ্যায় ইডি গ্রেফতার করে কেষ্ট-কন্যাকে। তার পর এদিন শুনানির সময় কার্যত ভেঙে পড়েন অনুব্রত। ভার্চুয়াল শুনানিতে জামিনের জন্য বিচারকের কাছে কাকুতিমিনতি করেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। সিবিআইয়ের মামলা থেকে অব্যাহতিও চেয়েছেন তিনি।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) বলেন…

    এদিন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসা করেন, অনুব্রতবাবু, কেমন আছেন? অনুব্রত বলেন, শরীর ভাল নেই। অনেক সমস্যাও রয়েছে। বিচারকের প্রশ্ন, আপনি যে আসানসোল জেলে ফেরার আবেদন করেছিলেন দিল্লি হাইকোর্টে, তার স্ট্যাটাস কী?  অনুব্রত বলেন, স্যার, এখনও সেটা চলছে। আমাকে আসানসোল জেলে ফেরত চেয়ে নিন। বিচারক বলেন, ওটা তো হাইকোর্টের বিষয়। আমার হাতে নেই। বিচারক ফের প্রশ্ন করেন, এমনি কেমন আছেন? অনুব্রতর (Anubrata Mondal) সংক্ষিপ্ত উত্তর, ঠিক আছি। পরে অনুব্রত বলেন, সিবিআই মামলায় এবার আমায় বেল দিয়ে দিন। ওটা ফলস কেস। বিচারক বলেন, আমরা সরকারি লোকজন। কাগজপত্র, ডকুমেন্ট সব দেখেই বিচার করতে হয়। আমি কী জানি, সেটা বড় কথা নয়। আর আপনার মামলা তো দিল্লি হাইকোর্টে রয়েছে। সেটা কী হল জেনে আসানসোল জেলে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত হবে।  

    আরও পড়ুুন: অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকে তিন দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    বিচারক এও বলেন, তিহাড় জেলে কেমন (Anubrata Mondal) আছেন? যদি কোনও অসুবিধা হয় জেল সুপারকে জানাবেন। ওখানে পরিবেশ তো একটু আলাদা। কোনওরকম দ্বিধা-সংকোচ করবেন না। তিনি জানান, সিবিআই সমস্ত নথির কপি অনুব্রতর আইনজীবীর হাতে দিয়ে দিয়েছেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ মে।

    এদিকে, এদিনই সুকন্যাকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে পেশ করবে ইডি। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল ছিলেন সুকন্যা। আর্থিক লেনদেনে সরাসরি যুক্তও ছিলেন তিনি। ইডির দাবি, তদন্তে দেড়শো-দুশো ব্যাঙ্কে নগদ জমার রশিদ মেলে। টাকার অঙ্ক ১০ কোটিও বেশি। ওই টাকা নগদে জমা পড়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: আসানসোল জেলের সুপারকে ব্যাঙ্কের নথিসহ দিল্লিতে তলব ইডির, খুলবে কি রহস্যের জট?

    Anubrata Mondal: আসানসোল জেলের সুপারকে ব্যাঙ্কের নথিসহ দিল্লিতে তলব ইডির, খুলবে কি রহস্যের জট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ গরু পাচার কাণ্ডে এনামূল হক, অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এবং তাঁর এককালের দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, সকলেই একসময় আসানসোল জেলেই ছিলেন। তাঁদের কারাবাসের সময় সংশোধানাগারের সুপার থেকেছেন কৃপাময় নন্দী। এবার গরু পাচারকাণ্ডে আসানসোল সংশোধনাগারের সুপারকে দিল্লিতে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। জেল সুপারকে শুধু দিল্লিতে ডাকা হয়েছে এমন নয়, তাঁকে আগামী ৫ এপ্রিল তাঁর যাবতীয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি সহ আসতে বলেছে ইডি। এদিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে জেল সুপার বলেছেন,”ই-মেল পেয়েছি। তবে কি কারণে আমাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে তা বলতে পারব না। আমি উচ্চ আধিকারিকদের বিষয়টি জানিয়েছি। তারা যেমন বলবেন আমি সেই পথেই চলব।” গরু পাচারকাণ্ডে দীর্ঘদিন আসানসোল জেলে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। অভিযোগ, এই সময় জেল থেকেই তৃণমূল নেতাদের নির্দেশ দিতেন কেষ্ট। নিজের জেলার যাবতীয় কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখতেন তিনি। বীরভূমের তৃণমূল নেতা কাজল শেখ নিজেই এই অভিযোগ করেছিলেন। তবে সম্প্রতি দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। কেষ্টর দিল্লি যাত্রা আটকাতে অবশ্য অনেক চেষ্টাই করা হয়েছিল। বীরভূম জেলার নেতারা প্রকাশ্য সভায় বলেছিলেন, পঞ্চায়েত ভোটের আগে জেলায় তৃণমূলের সংগঠন ভেঙে দিতেই পরিকল্পিতভাবে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকী খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন থেকে নিজে বলেছিলেন, ‘পঞ্চায়েত আসছে বলে কেষ্টকে দিল্লি নিয়ে যাচ্ছে।’ মমতার এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিরোধীরা বলেছিলেন, ‘এর থেকেই স্পষ্ট যে অনুব্রত জেলে বসেই দলের কাজ করছিলেন।’ আর এই সব বিতর্কের মাঝেই এবার আসানসোল সংশোধনাগারের সুপারকে ইডির তলব নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    জেল সুপারকে কী জিজ্ঞাসা করতে পারে ইডিAnubrata Mondal

    তিহার জেলের আগে বেশ কয়েকমাস আসানসোল সংশোধনাগারে ছিলেন অনুব্রত। যদিও সেই সময় সংশোধনাগারে বহাল তবিয়তে থাকতেন অনুব্রত (Anubrata Mondal), এই অভিযোগ বারে বারে করেছে বিরোধীরা। এনামূল হক, অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের সঙ্গে জেলে কারা দেখা করতে আসত, তা জানতে চাওয়া হতে পারে জেল সুপারের থেকে। এদিকে অনুব্রত যখন আসানসোল সংশোধানাগারে ছিলেন, তখন বেশ কিছু বিষয়ে ইডির প্রশ্নের মুখে পড়েছিল জেল কর্তৃপক্ষ। এমনকী, দিল্লি যাত্রার সময় অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) কলকাতা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছিল জেল কর্তৃপক্ষের ওপর। সেই সময় কচুরির দোকানে জেলবন্দি অনুব্রত (Anubrata Mondal) দিব্যি বসে তৃণমূলের এক যুবনেতা এবং মেয়ে সুকন্যার গাড়ির চালকের সঙ্গে ‘বৈঠক’ করেছিলেন, যা নিয়ে জেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল। আর এবার খোদ জেল সুপারকেই দিল্লিতে তলব করল ইডি।  

    দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্ট অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তাঁকে রাখা হবে তিহার জেলে। পাশাপাশি দিল্লির আদালত অনুব্রতর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দিয়েছে। পরবর্তী শুনানি আগামী ৩ এপ্রিল। অন্যদিকে, কাকতালীয় হলেও তিহার জেলে এখন রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী ও গরুপাচারকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত সায়গল হোসেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cattle Smuggling Case: গরু পাচার মামলায় নতুন মোড়! বখরা পেতেন ২ বিধায়ক! ইডি-কে জানাল সায়গল

    Cattle Smuggling Case: গরু পাচার মামলায় নতুন মোড়! বখরা পেতেন ২ বিধায়ক! ইডি-কে জানাল সায়গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে (Cattle Smuggling Case) ধৃত সায়গল হোসেনের নতুন ঠিকানা হয়েছে তিহার জেল। ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষে শুক্রবারই তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। আর তারপরই ফের প্রকাশ্যে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সায়গল জানিয়েছেন গরু পাচার কাণ্ডে বখরা দেওয়া হত ২ বিধায়ককে। এই ২ বিধায়কের মধ্যে একজন আবার মন্ত্রীও ছিলেন। এমনটাই জানিয়েছে কেষ্টর প্রাক্তন দেহরক্ষী।

    সায়গলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে গরু পাচারের টাকার বখরা নিতেন ওই ২ বিধায়ক। কিন্তু কারা এই বিধায়ক তা এখনও জানা যায়নি। সায়গল দাবি করেছেন, সীমান্তে পাচারকারীদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিনিময়ে এই টাকা নিতেন ওই ২ বিধায়ক। আর সায়গলের থেকে এমন বক্তব্য শোনার পর ইডি ওই ২ বিধায়ককে জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে গরু পাচার কাণ্ডে এবারে ২ বিধায়কের নাম উঠে আসায়, মনে করা হচ্ছে এই মামলার নতুন মোড় আসতে চলেছে। তবে বিধায়কদের দিল্লি না কলকাতায় তলব করা হবে সে নিয়ে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি।

    ইডির জিজ্ঞাসাবাদের পরেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার টুলু মণ্ডল

    আবার অন্যদিকে সায়গলকে বর্তমানে তিহার জেলে রাখার ফলে সায়গলের আইনজীবী দাবি করেছেন, তাঁকে ইডি আর জিজ্ঞাসাবাদ করছে না। তাই পরবর্তী শুনানিতে জামিনের আবেদনের সময় সায়গল হোসেনকে সশরীরে আসানসোল সিবিআই আদালতে হাজিরার কথা বলেন সায়গলের আইনজীবী অনির্বাণ গুহঠাকুরতা। কিন্তু সিবিআই-এর আইনজীবী এর বিরোধীতা করে জানান, কারোর জামিনের আবেদনের জন্য তাঁকে সশরীরে উপস্থিত থাকার কোনও প্রয়োজন নেই। এরপরেই সশরীরে আদালতে পেশ করার আবেদন খারিজ করলেন আসানসোল সিবিআই আদালতের বিচারক। আগামী ১১ নভেম্বর তাঁর ভার্চুয়াল শুনানির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, সায়গলকে জেরা করার জন্য ইডি আগেই দিল্লি নিয়ে যায় ও পরে তিহার জেলে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। আবার শনিবারেই সিবিআই কোর্টে তাঁর এই মামলার শুনানি ছিল। তাঁর আইনজীবীও দিল্লিতেই। ফলে শনিবার ভিডিও কলের মাধ্যমে শুনানি হয় তাঁর। সে সময় আইনজীবী অনির্বাণ পরবর্তী শুনানির জন্য সরাসরি আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রার্থনা করলে বিচারক তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয় ও আগামী ১১ নভেম্বর গরু পাচার মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানান। এদিন অনুব্রত মণ্ডলেরও শুনানি রয়েছে। এই প্রথমবারের জন্য কেষ্ট ও সায়গলের শুনানি একদিনে হবে।

  • Cattle Smuggling Case: ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত সায়গল হোসেনের, নতুন ঠিকানা তিহার জেল

    Cattle Smuggling Case: ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত সায়গল হোসেনের, নতুন ঠিকানা তিহার জেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) ফের জেল হেফাজতে অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। শুক্রবার তাঁকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে হাজির করা হয়েছিল। এদিন তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এখন থেকে তাঁর নতুন ঠিকানা তিহার জেল। অর্থাৎ তিহার জেলে তাঁকে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, তিহার জেলে অনুব্রত মণ্ডলকেও নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

    গরু পাচার কাণ্ডে (Cattle Smuggling Case) দীর্ঘদিন ধরেই সিবিআইয়ের নজরে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। একাধিকবার তাঁকে জেরাও করেন তদন্তকারীরা। ৯ জুন সায়গল হোসেনকে তলব করা হয়েছিল। এরপর ওইদিন দুপুর ২ টোর পর নিজাম প্যালেসে যান সায়গল। দফায় দফায় চলে জেরা। ম্যারাথন জেরার পর সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় সায়গলকে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছিল, সম্পত্তির হিসেব দিতে পারেননি তিনি। তাঁর আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের কোনও মিল পাওয়া যায়নি। বক্তব্যে মিলেছে একাধিক অসংগতি। সেই কারণেই গ্রেফতার করা হয় সায়গলকে। তারপর একাধিকবার সায়গল জামিনের আবেদন করলেও তা মঞ্জুর হয়নি। পরবর্তীতে ইডির হাতেও গ্রেফতার হন সায়গল।

    আরও পড়ুন: টানা ২ দিন দিল্লিতে ইডি জেরার মুখে সুকন্যা, কলকাতায় সিবিআইয়ের সামনে কেরিম

    এখানেই শেষ নয়, তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার আবেদন করেছিল ইডি। গরুপাচার মামলায় Cattle Smuggling Case) জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে দিল্লি হাইকোর্ট আগেই ইডিকে অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সায়গল হোসেন। তবে তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালতও। পরে হোসেনকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এরপর তাঁকে ২২ অক্টোবর আসানসোল জেল থেকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর আজকে ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    আজই বিকালে প্রিজন ভ্যানে তিহার জেলে নিয়ে যাওয়া হবে সায়গল হোসেনকে। সায়গলের আইনজীবীরা দাবি করেছিলেন, সায়গলকে যেন পশ্চিমবঙ্গের কোনও জেলে পাঠানো হয়। যদিও তা খারিজ করা হয়। এর পাশাপাশি, তিহারে নিয়ে যাওয়ার আগেই যেন সায়গলকে লাঞ্চ দেওয়া হয়, এমন আবেদনও করা হয়েছিল সায়গলের আইনজীবীর তরফে। পরে ইডির তরফে জানানো হয়, সায়গলকে তিহার নিয়ে যাওয়ার আগেই লাঞ্চ দেওয়া হবে।

  • Saigal-Hossain: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতর! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল

    Saigal-Hossain: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতর! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Scam) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) দিল্লি নিয়ে যাওয়া হল। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের একটি দল সায়গলকে নিয়ে দিল্লি গিয়েছে। সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। প্রথমে নিম্ন আদালত, তার পরে কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো সায়গল হোসেনকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পায় ইডি। সেই মতো শুক্রবার বিকেলে অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে দিল্লি নিয়ে যায় রাজ্য পুলিশের একটি বিশেষ দল।

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ সিবিআই-এর

    হাওড়া অমৃতসর জলিয়াওয়ালাবাগ এক্সপ্রেসে করে সায়গলকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লি। নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টে বেজে ১৫ মিনিটের ২ মিনিট পরে ঠিক ৪টে ১৭ মিনিটে আসানসোল রেল স্টেশনে ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন আসে। জানা গেছে, ট্রেনের এস ৩ কোচে সিট নম্বর ৫৮ এবং ৫৯ নং সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তাতে ২ জন যান। বাকি এস ৪ কামরায় ৪ জন আধিকারিকও গিয়েছেন। এদিন বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ আসানসোল জেল থেকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে আসানসোল রেল স্টেশনের সায়গলকে আনা হয়। এদিন সায়গলের পরনে ছিল আকাশী নীল রংয়ের টি-শার্ট ও নীল জিন্সের প্যান্ট। সঙ্গে ছিল একটি পিঠ-ব্যাগও। মুখে লাগানো ছিল মাস্ক। গোটা স্টেশন চত্বরকে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ, রেল পুলিশ ও আরপিএফের আধিকারিকদের নিয়ে বিশাল নিরাপত্তা ঘেরাটোপ করা হয়েছিল। রেল সূত্রে জানা গেছে, সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবার দুপুরের পরে এই ট্রেন দিল্লি পৌঁছে যাবে। সেখানে ইডি-র হাতে তুলে দেওয়া হবে সায়গলকে।

    আরও পড়ুন: এফআইআর নিচ্ছে না পুলিশ! অভিষেকের ‘গুলি’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আদালতে সুকান্ত

    সায়গল হোসেনকে ইডি দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি পাওয়ায় অনুব্রত মণ্ডলের উপরেও নিঃসন্দেহে চাপ বাড়ল। কারণ প্রথম থেকেই ইডি এবং সিবিআই-এর অভিযোগ, গরু পাচারের বেআইনি কারবারে অনুব্রতর ডান হাত ছিলেন সায়গল। বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রতকে গ্রেফতারের আগেই সায়গলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই বহু গোপন তথ্য পাওয়া যায়। তার রেশ ধরেই গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Saigal Hossain: সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি আদালতের

    Saigal Hossain: সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছু দিন ধরেই অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার চেষ্টা চালাচ্ছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। দিল্লিরই রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে আর্জি জানিয়েছিল ইডি। অবশেষে সেই অনুমতি পেল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এবার দিল্লি উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে জেরা করা হবে সায়গলকে। 

    গরুপাচার কাণ্ডে সিবিআই- এর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন সায়গল হোসেন। আপাতত তিনি আসানসোল জেলে রয়েছেন। কিন্তু সংশোধনাগারেই তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। তারপর ইডি গোয়েন্দারা আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার আর্জি জানান। কিন্তু আদালত সে আর্জি খারিজ করে দেয়।      

    নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যায় ইডি। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টও সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার আর্জি খারিজ করে দেয়। হাইকোর্ট গোয়েন্দাদের প্রশ্ন করে, কেন সায়গলকে দিল্লি নিয়ে যেতে হবে? কলকাতায় কি ইডির অফিস নেই? এখানেই জেরা করা হোক।    

    আরও পড়ুন : কেষ্টর বাড়ির পরিচারক থেকে কাউন্সিলর! তাঁর ব্যাংক থেকেও হত কোটি টাকার লেনদেন! কী বলছে সিবিআই?

    তারপরই ইডি দিল্লিতে একটি পৃথক মামলা করে। সোমবার রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে সেই মামলার শুনানি ছিল। সায়গলের তরফে ক্যাভিয়েট করে রাখায় তাঁর আইনজীবীরাও সওয়াল করেন। কিন্তু সব শুনে দিল্লির আদালত ইডিকে সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি দিয়েছে।  

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়গল হোসেনের (Saigal Hossain) বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। মাত্র কয়েক হাজার টাকা বেতন পান রাজ্য পুলিশের কন্সটেবল সায়গল। এই আয়ে তিনি কী করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করলেন তা সায়গলের কাছে জানতে চান গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যাচ্ছিলেন সায়গল। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এছাড়াও গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, সায়গলের নামে ও বেনামে আরও সম্পত্তি উদ্ধার বাকি রয়েছে। এছাড়া গরুপাচারের টাকা কার কার কাছে পৌঁছত তাও সায়গলের থেকে জানতে চান তাঁরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
     
     
  • Anubrata Mondal: কেষ্টর বাড়ির পরিচারক থেকে কাউন্সিলর! তাঁর ব্যাংক থেকেও হত কোটি টাকার লেনদেন! কী বলছে সিবিআই?

    Anubrata Mondal: কেষ্টর বাড়ির পরিচারক থেকে কাউন্সিলর! তাঁর ব্যাংক থেকেও হত কোটি টাকার লেনদেন! কী বলছে সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেষ্টর বাড়ির পরিচারকই এখন কাউন্সিলর! এমনকি এই পরিচারকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও হত কোটি কোটি টাকার লেনদেন। এমনটাই দাবি করল সিবিআই। গরু পাচার মামলার (Cattle Smuggling Case) তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে উঠে আসছে। ফলে ততই জোরালো হচ্ছে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে মামলা। এই মামলায় সিবিআই চার্জশিটে দাবি করেছে যে, কেষ্টর বাড়ির পরিচারক বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে মুনের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকেও বিশাল পরিমাণ টাকার লেনদেন হয়েছে। আর যার পরিমাণ দেখে চক্ষু চড়কগাছ গোয়েন্দা অফিসারদের।

    তবে কে এই বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ২০১১ সালে মাসিক ৫ হাজার টাকা বেতনে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বাড়িতে পরিচারক হিসেবে কাজে যোগ দেন তিনি। কিন্তু সেই বিশ্বজ্যোতির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে প্রায় ৪৬ লক্ষ নগদ টাকা। ফলে একজন পাঁচ হাজার টাকা মাইনের পরিচারকের অ্যাকাউন্টে কীভাবে এত টাকা জমা পড়ল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সিবিআই। তবে জানা গিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বজ্যোতি বোলপুর পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। চার্জশিটে সিবিআই আরও দাবি করেছে, এখন বেতন হিসেবে অনুব্রতের পরিবারের থেকে মাসে ২০ হাজার টাকা পান তিনি। এছাড়া তাঁর আয়ের অন্য কোনও উৎসের প্রমাণ মেলেনি। তবুও তদন্তে উঠে এসেছে, একটি ব্যাংকের বোলপুর শাখায় বিশ্বজ্যোতির নামের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ৪৫ লক্ষ ৭৩ হাজার ৬০৪ টাকা নগদ জমা করা হয়েছে। এছাড়াও পরে জমা করা হয় ৬২ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩৪৫ টাকা। ফলে সব মিলিয়ে কোটি টাকার মালিক অনুব্রতর বাড়ির কাজের লোক। গোয়েন্দাদের দাবি, ওই অ্যাকাউন্টে যা লেনদেন হয়েছে, সবই অনুব্রত অথবা তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের নির্দেশে।

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবেন শতাব্দী?

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, মুনকে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা অস্থায়ী ক্যাম্পে ডেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ও বয়ান রেকর্ডও করা হয়েছে৷ তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় মুন জানিয়েছেন, তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় লেনদেন হয়েছে ‘মালিকে’র (Anubrata Mondal) নির্দেশে৷ সেখান থেকেই তাঁদের অনুমান, তাঁর নামে যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি রয়েছে তা নিয়ন্ত্রণ করত অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেন (Saigal Hossain)৷

    সিবিআই তরফে অভিযাগ উঠেছে যে, গরুপাচারের টাকা একাধিক প্রভাবশালীকে দেওয়া এবং বিভিন্ন ব্যবসায় খাটানোর জন্যই সেভ অডিটর হিসেবে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বাড়ির পরিচারক বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল ও এর মাধ্যেমেই লেনদেন করা হত। গোয়েন্দারা আরও দাবি করেছেন, শুধুমাত্র বিশ্বজ্যোতি নয়, অনুব্রতর বাড়ির অন্যান্য পরিচারকের নামেও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। বর্তমানে গরুপাচার-কাণ্ডের বেআইনি আর্থিক লেনদেনের ঘটনার তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দারা।

  • Saigal Hossain: সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি, আবেদন হাইকোর্টে

    Saigal Hossain: সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি, আবেদন হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যেই অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) আসানসোলের সংশোধনাগারে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এবার সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। কলকাতা হাইকোর্টে সে বিষয়ে আবেদনও করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 

    প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার ইডির অফিসাররা আসানসোল সংশোধনাগারে গিয়ে সায়গলের (Saigal Hossain) সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেই দীর্ঘ চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ চলে। তদন্তে সহযোগীতা না করার অভিযোগে সংশোধনাগারেই সায়গলকে গ্রেফতার করেন গোয়েন্দারা। ইডির সায়গলকে হেফাজতে নেওয়ার আর্জি মঞ্জুর হলেও, তাঁকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার আর্জি খারিজ করে দেয় আসানসোলের সিজেএম আদালত। তারপর আরও কয়েক দফায় এই একই আবেদন করলেও সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এরপরেই কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করে ইডি। তদন্তের স্বার্থে সায়গলকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যেতে চান ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    ইডির দাবি, বিপুল সম্পত্তির নথি পাওয়া গেলেও, সম্পত্তির উৎস কী তা নিয়ে মুখ খুলছেন না সায়গল। তাই নয়াদিল্লি নিয়ে গেলে বাড়তি চাপ দেওয়া যাবে। শুক্রবার গরুপাচার মামলায় সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) জেরা করতে ইডির ছয়জনের দল আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে যায়। সকাল ১০ টা ১৫ নাগাদ তাঁরা সংশোধনাগারে পৌঁছন তাঁরা। ল্যাপটপ, ভিডিও ক্যামেরা-সহ তিনজন ভিতরে ঢোকেন। যেভাবে আদালতের কাছে অনুমতি নেওয়া হয়েছে ঠিক সেভাবেই ইডি আধিকারিকরা আসেন। ৩৫ টি প্রশ্নমালা সাজানো হয়েছিল সায়গলের জন্য। টানা চার ঘণ্টা চলে জেরা। তারপর সায়গলকে হেফাজতে নেন ইডি আধিকারিকরা। তাঁকে জেরা করতে দিল্লি থেকে উড়ে এসেছিলেন অফিসাররা। 

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়গল হোসেনের (Saigal Hossain) বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। মাত্র কয়েক হাজার টাকা বেতন পান রাজ্য পুলিশের কন্সটেবল সায়গল। এই আয়ে তিনি কী করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করলেন তা সায়গলের কাছে জানতে চান গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যাচ্ছিলেন সায়গল। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এছাড়াও গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, সায়গলের নামে ও বেনামে আরও সম্পত্তি উদ্ধার বাকি রয়েছে। এছাড়া গরুপাচারের টাকা কার কার কাছে পৌঁছত তাও সায়গলের থেকে জানতে চান তাঁরা। কিন্তু সঠিক উত্তর না পাওয়াতেই গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share