Tag: sajal Ghosh

sajal Ghosh

  • Surendranath College Scandal: ইউনিয়ন রুমে উইয়ে খাওয়া টাকার পাহাড়! সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ভিতরে এসি বেডরুম, ব্যাগভর্তি নোট, অস্ত্র উদ্ধার ঘিরে তোলপাড়

    Surendranath College Scandal: ইউনিয়ন রুমে উইয়ে খাওয়া টাকার পাহাড়! সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ভিতরে এসি বেডরুম, ব্যাগভর্তি নোট, অস্ত্র উদ্ধার ঘিরে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে একাধিক চাঞ্চল্যকর সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কলেজের দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ইউনিয়ন রুমে মশা দমনের ওষুধ স্প্রে করতে গিয়ে উদ্ধার হয়েছে দুটি ব্যাগ ভর্তি উইপোকায় ক্ষতিগ্রস্ত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা। পাশাপাশি কলেজের ছাদে মিলেছে দুটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বিলাসবহুল ঘর, যেখানে ছিল খাট, আলমারি, বালিশ, তোয়ালে-সহ নানা সামগ্রী। উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, কন্ডোম, ভর্তি সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রও।

    উইয়ে খাওয়া ২ ব্যাগভর্তি টাকা!

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে কলকাতা পুরসভার কর্মীরা কলেজের ইউনিয়ন রুম খুলতে বলেন। অধ্যাপকদের অনুমতি নিয়ে ঘরের তালা ভাঙার পর আলমারির ভিতর থেকে দুটি ব্যাগে রাখা বিপুল পরিমাণ ১০০ ও ৫০০ টাকার পুরনো নোট উদ্ধার হয়। নোটগুলির অনেকটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে জানা যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে পারে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক তৃণমূল নেতার নিয়ন্ত্রণে ছিল ওই ইউনিয়ন রুম। সেখান থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, বহু অ্যাডমিট কার্ড, ভর্তি ফর্ম, কন্যাশ্রী প্রকল্প সংক্রান্ত নথি-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজ উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া কলেজের ছাদে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পাওয়া গিয়েছে একাধিক মদের বোতল এবং কন্ডোম। এগুলি কারা ব্যবহার করত এবং কোনও অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে এর যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    পাঁচতলায় জোড়া এসি ঘর!

    এদিকে কলেজের পাঁচতলায় দুটি বিলাসবহুল এসি কক্ষেরও সন্ধান মেলে। ঘরগুলিতে খাট, আলমারি, আধুনিক শৌচালয় এবং সংলগ্ন ছাদ রয়েছে। চাবি না মেলায় তালা ভেঙে ঘরগুলি খোলা হয়। উপস্থিত কলেজ কর্তৃপক্ষও এমন ব্যবস্থার অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন। কলেজের টিচার-ইন-চার্জ পূর্ণেন্দু প্রকাশ পাল জানান, পরিচালন সমিতির বৈঠকে একটি রেস্ট রুম তৈরির আলোচনা হয়েছিল ঠিকই, তবে এই ধরনের দুটি পূর্ণাঙ্গ শোয়ার ঘর রয়েছে, সে বিষয়ে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না। অভিযোগ উঠেছে, ওই ঘরগুলি তৃণমূল নেতা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ছেলে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি।

    তৃণমূলের দুর্নীতির প্রমাণ, বললেন সজল

    ঘটনার জেরে সরব হয়েছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের ছাত্রনেতারা দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি চালিয়েছেন এবং সেই সূত্রেই বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হয়েছিল। গত সপ্তাহেই তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের আর্থিক অনিয়ম নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বলে দাবি করেন। সজল ঘোষের বক্তব্য, উদ্ধার হওয়া অর্থ সাধারণ মানুষের টাকা এবং ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে তা সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অর্থের উৎস সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে বলেও দাবি তাঁর।

    দায়ী সুদীপ-নয়না, দাবি সজলের

    এছাড়াও সজল ঘোষ অভিযোগ করেন, এই গোটা ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী তথা তৃণমূল বিধায়িকা নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কলেজগুলিকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া অর্থ সেই চক্রেরই অংশ। তিনি ঘটনার তদন্ত কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডির হাতে তুলে দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত চালাচ্ছে।

  • Amit Shah: রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, উদ্বোধন করবেন তিন পুজোর

    Amit Shah: রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, উদ্বোধন করবেন তিন পুজোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল উদ্বোধন করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পিতৃপক্ষের অবসান শেষে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। এই দেবীপক্ষেই বাংলায় দেবীমূর্তির (Durga Puja) আবরণ উন্মোচন করতে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জানা গিয়েছে, শুক্রবার চতুর্থীর দিন দুপুরের মধ্যে কলকাতায় আসবেন শাহ। তার পরে শহরের দু’টি নামী পুজোর উদ্বোধনে যোগ দেবেন তিনি। একটি সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো, অন্যটি ইজেডসিসির দুর্গাপুজো। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো নামেই বিখ্যাত।

    থিমের অভিনবত্ব সজল ঘোষের পুজোয় (Amit Shah)

    থিমের অভিনবত্বের কারণেই ফি বছর আলোচনার কেন্দ্রে থাকে সজল ঘোষের পুজো। কখনও অযোধ্যার রামমন্দির, কখনও আবার দিল্লির লালকেল্লা করে দর্শকদের চমকে দিয়েছেন তিনি। এবার এই পুজোর থিম হল ‘অপারেশন সিঁদুর’। মূলত এই থিমেরই উদ্বোধন করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের এই পুজো এবার পা দিল ৯০ বছরে। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর উদ্বোধন করে শাহ (Amit Shah) যাবেন ইজেডসিসির পুজোর উদ্বোধন করতে। এই পুজোর আয়োজন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিক মঞ্চ নামের এক সংগঠন। এই পুজো শুরু হয়েছিল মুকুল রায়ের হাত ধরে। তিনি তখন ছিলেন বিজেপিতে। পরে তৃণমূলেই ফিরে যান দলবদলু মুকুল। পুজো হয়েছিল তার পরের বছরও। পরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এবার ফের হচ্ছে সেই পুজোর আয়োজন। খুঁটিপুজোর দিন উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    দক্ষিণ কলকাতার মণ্ডপ উদ্বোধনেও যাবেন শাহ

    বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতার একটি মণ্ডপ উদ্বোধনেও যেতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে সেটি কোন মণ্ডপ কিংবা উদ্যোক্তাই বা কারা, সে সম্পর্কে মুখে কুলুপ এঁটেছেন পদ্ম-নেতৃত্ব। তবে কেন্দ্রটি যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুর লাগোয়া এলাকায়, তা নিশ্চিত। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তাই এ বছর তড়িঘড়ি করে পিতৃপক্ষেই ‘হিজাব’ পরে প্যান্ডেলের উদ্বোধন করেছেন মমতা। এ নিয়ে তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এবার (Durga Puja) শাহকে এনে ‘অপারেশন সিঁদুর’ থিমের উদ্বোধন করিয়ে রাজ্যবাসীকে বার্তা দিতে চাইছে পদ্মশিবির (Amit Shah)।

  • Santosh Mitra Square: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে বাতিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রদীপ জ্বালিয়ে মাকে আবাহন

    Santosh Mitra Square: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে বাতিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রদীপ জ্বালিয়ে মাকে আবাহন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) নিয়ে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন হয়েছে। এখনও আন্দোলন জারি রেখেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সাধারণ মানুষও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। এই আবহের মধ্যে এবছরের পুজোয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করার কথা ঘোষণা করল সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (Santosh Mitra Square) পুজো কমিটি। ইতিমধ্যেই পুজো কমিটির কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তবে, পুজোতে আর কী কাটছাঁট করা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

    প্রদীপ জ্বালিয়ে মাকে আবাহন (Santosh Mitra Square)

    এলাকার কয়েক হাজার মা-বোনেদের হাতের জ্বলন্ত প্রদীপ শিখায় মাকে আবাহন করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। পুজো কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যে ৭টা থেকে ৯টা এই প্রদীপ জ্বালানোর অনুষ্ঠান হবে। মায়ের কাছে প্রার্থনা করা হবে, যাতে পশ্চিমবঙ্গে অভয়া-নির্ভয়াদের পুনরাবৃত্তি না হয়। উল্লেখ্য, বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো বলে খ্যাত সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের (Santosh Mitra Square) আয়োজন নিয়ে প্রতি বছরই আগাম কৌতূহল থাকে। গত বছর এখানেই করা হয়েছিল রামমন্দির। পুজো উদ্বোধনে এসেছিলেন খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। এবারেও জাঁকজমকের প্রস্তুতি ভালোই ছিল। জানা গিয়েছিল, আমেরিকার লাস ভেগাস শহরের বিখ্যাত স্ফিয়ারের অনুকরণে আলোর গোলক থিমে সাজবে মণ্ডপ। কিন্তু, এবছর পুজোর আগে বদলে যায় শহরের পরিস্থিতি।

    আরও পড়ুন: আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার ১

    ঢাকের বাদ্যির সঙ্গেই বেজে ওঠে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ দাবি

    আরজি কর কাণ্ডে নৃশংস ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে রব ওঠে বিচার চেয়ে। বিতর্ক তৈরি হয় ‘উৎসব’ নিয়েও। এমনিতেই রাজ্যের একাধিক ক্লাব পুজোয় সরকারি অনুদান ফিরিয়ে দিয়ে আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কলকাতার পুজোয় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (Santosh Mitra Square) বাড়তি আকর্যণ। প্রশ্ন ওঠে, এই আরজি করের ঘটনার মাঝে এবার পুজোয় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার কি তাহলে উৎসবে মাতবে? ৩০ সেপ্টেম্বর পুজোর উদ্বোধনের দিন দেখা যায়, মায়ের আগমনে প্রতিবাদের ছবি। চিকিৎসক ধর্ষণ- খুনের বিচার চেয়ে সন্ধ্যা দখল করেন এলাকার মহিলারা। ঢাকের বাদ্যির সঙ্গেই বেজে ওঠে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ দাবি। তবে পুজোর আগেই পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে, তাই প্রথমেই বাদ পড়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। পুজোর ক’টা দিন কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় বিরোধী শিবিরের এই পুজোয়, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করেছেন দেবাংশু, কমিশনের দ্বারস্থ সন্দেশখালির রেখা পাত্র

    Sandeshkhali: তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করেছেন দেবাংশু, কমিশনের দ্বারস্থ সন্দেশখালির রেখা পাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাট লোকসভার বিজেপি প্রার্থী তথা সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদী মহিলা রেখা পাত্রের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ্যে আনার অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন এবং জাতীয় তফসিলি কমিশনের দ্বারস্থ হল বিজেপি। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, রেখা পাত্রের (Rekha Patra) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ফোন নম্বর, স্বাস্থ্য সাথীর বিস্তারিত তথ্য তিনি সামজিক মাধ্যমে এনেছেন। এভাবে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের অভিযোগ তোলেন রেখা পাত্রের আইনজীবী। এই ঘটনায় ব্যাপক রাজনৈতিক শোরগোল পড়েছে।

    তৃণমূল নেতা কী বলেছিলেন (Rekha Patra)?

    তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে বলেন, “রেখা পাত্রের (Rekha Patra) স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের ব্যাপারে খোঁজ নেবেন। সরকারি সুবিধা পেতে গেলে তৃণমূল করতে হয় না।” তৃণমূলের পক্ষে দাবি করা হয়, বসিরহাটের এই বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে স্বাস্থ্য সাথী সকল সুবিধা নিয়েছেন। এরপর রেখার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে দেন। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। দেবাংশুর বিরুদ্ধে মহিলা কমিশনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূল নেতার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলেন, “শুনেছি রেখা পাত্র বসিরহাট লোকসভার বিজেপি প্রার্থী হয়ে অসুস্থ হয়েছেন। রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর তৈরি করা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড রেখা পাত্রের রয়েছে। তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পান।”

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া (Sandeshkhali)

    গতকাল বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “সরকারের প্রকল্পের সুবিধা কেন নেবেন না সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মানুষ। এই সুবিধা কি তৃণমূল দিচ্ছে? এটা তো সরকারের প্রকল্প। একজন লোকসভা প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য কেন প্রকাশ্যে আনা হল? বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনার অনুরোধ জানাবো। আবার বিজেপি নেতা অমিত মালব্য নিজে সামজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে বলেন, “বিজেপি প্রার্থীর (Rekha Patra) ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছে তৃণমূল। ব্যক্তিগত তথ্য যাতে প্রকাশ্যে না আসে তা নিশ্চিত করুক নির্বাচন কমিশন।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sajal Ghosh: বরানগরে বিজেপি প্রার্থী হয়ে তৃণমূলকে সজলের হুঙ্কার, “চোরেদের কেউ ভোট দেবে না”  

    Sajal Ghosh: বরানগরে বিজেপি প্রার্থী হয়ে তৃণমূলকে সজলের হুঙ্কার, “চোরেদের কেউ ভোট দেবে না”  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরানগর উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়ে শাসক দলকে হুঙ্কার দিলেন সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)। তিনি তৃণমূলের উদ্দেশ্যে বলেন, “চোরেদের কেউ ভোট দেবে না।” ১লা জুন সপ্তম দফা লোকসভা নির্বাচনের দিনেই বরানগর বিধানসভার উপনির্বাচন। উল্লেখ্য, এই নির্বাচনী কেন্দ্রে আগের বিজয়ী বিধায়ক ছিলেন তাপস রায়। সম্প্রতি তিনি বিধায়ক পদে ইস্তফা দিলে বিধানসভা কেন্দ্রের আসন ফাঁকা হয়। তাপস বাবু আবার উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন।

    কী বলেছেন সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)?

    বিজেপি নেতা সজল ঘোষ (Sajal Ghosh) বলেন, “তাপস বাবু আমার কাকা, আমি তাঁর ভাইপো। তৃণমূলের ক্ষমতা থাকলে এই ভাইপোকে আটকে দেখাক। আমি দায়িত্ব নিয়ে সামলে নেবো। মানুষ আমার উপর ভরসা রেখেছেন। আমি বিশ্বাস করি চোরেদের দলকে কেউ ভোট দেবে না। বাংলার তরুণদের স্বপ্ন ভঙ্গ করেছে তৃণমূল। ৭০ বছরের পার্থর টুকটুকে ৩০ বছরের গার্ল ফ্রেন্ড। তাঁর খাটের নিচে লাল নোটের বান্ডিল, সব সাধারণ মানুষের টাকা। সন্দেশখালির মায়েদের যারা ইজ্জত নিয়ে খেলেছেন, তাদের কোনও মানুষ ভোট দেবে না। কোনও ভদ্রলোক এই তৃণমূলকে ভোট দিতে পারে না। তাবে কেউ কেউ তৃণমূলকে ভোট দেবেন শুধুমাত্র পেটের দায়ে।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তৃণমূলের হামলা, আক্রান্ত দলীয় কর্মীর বাড়িতে বিজেপি প্রার্থী অশোক পুরকাইত

    নো ভোট টু মমতা (Sajal Ghosh)

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বরানগর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ছিলেন অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র। তৃণমূল প্রার্থী তাপস রায় ৩৬ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন এখানে। এই এলাকার মানুষ এক সঙ্গে বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন। বিজেপি নেতা সজলের (Sajal Ghosh) দাবি, “মোদিজির উন্নয়নের হাওয়া এবং নো ভোট টু মমতা, মানুষের মনে ব্যাপক সাড়া ফেলবে। যেহেতু লোকসভার ভোট, তাই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। ভোটের সময় তৃণমূলের চোরেরা ভোট লুট করতে পারবে না। বাহিনীর লাঠিতে তেল মাখানো চলছে। দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এইবারের ভোট অন্য রকম হবে।” ভোটের মুখে এই কেন্দ্রে বিধানসভা এবং লোকসভা ভোটের উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP-TMC Clash: কলকাতা পুরসভায় মারধর বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP-TMC Clash: কলকাতা পুরসভায় মারধর বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ কলকাতা পুরসভার অন্দরে (BJP-TMC Clash)। অভিযোগ, বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে পুরসভার অধিবেশন চলাকালীন ধাক্কা দেন তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু। এ নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে যায় পুরসভার ভিতরে। তবে এই দিনের ঘটনা নতুন কিছু নয়, গত মাসেই পুরসভার অন্দরে এমন কাণ্ড দেখা গিয়েছিল। শ্যামপুকুর বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি (BJP-TMC Clash) নেতার বাড়ি জেসিপি নামিয়ে ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে পুরসভার বিরুদ্ধে। সে নিয়ে পুরসভার অন্দরে সরব হতেই তৃণমূল কাউন্সিলাররা মারধর করে বিজেপি কাউন্সিলরদের। একমাসের ব্যবধানে পের একবার তৃণমূলের সন্ত্রাস দেখা গেল কলকাতা পুরসভায়। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রাজ্যের সর্বত্র তৃণমূলের সন্ত্রাস দেখছে সাধারণ মানুষ। রাস্তার সন্ত্রাস এবার উঠে এসেছে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানেও।

    ঠিক কি ঘটেছিল?

    জানা গিয়েছে, এদিন পুরসভার অধিবেশনে বিজেপির তরফে টেন্ডার দুর্নীতি নিয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ দুর্নীতি প্রস্তাব উত্থাপন করতেই ঝাঁপিয়ে পড়েন তৃণমূল কাউন্সিলররা এবং মারধর শুরু করে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সজল ঘোষকে (BJP-TMC Clash)। শুধু তাই নয়, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগও ওঠে তৃণমূল কাউন্সিলার অসীম বসুর বিরুদ্ধে। এরপরেই অধিবেশ বয়কট করেন বিজেপি কাউন্সিলাররা। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই মেয়র বলেন, ‘‘বিরোধীরা এখানে প্রশ্নই করেনা! আমাদের কাউন্সিলারদেরই প্রশ্ন করতে হয়।’’ মেয়রের সামনেই দেখা গেল বিরোধীরা প্রশ্ন করলে ঠিক কী পরিণতি হয়।

    বিক্ষোভ বিজেপির

    বিজেপি কাউন্সিলাররা এদিনের ঘটনা পরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে তাঁরা সাংবাদিক সম্মেলনও করেন। পুরসভার অন্দরে তাঁদের যে কোনও নিরাপত্তা নেই একথাও বলেন  গেরুয়া শিবিরের কাউন্সিলাররা। মারামারির ঘটনা নিয়ে সজল ঘোষ এবং অসীম বসু দুজনের কাছেই জবাব তলব করেছেন চেয়ারপার্সন মালা রায়। সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেন চেয়ারপার্সন, তবে ব্যবস্থা গ্রহণ যে কতটা পক্ষপাতহীন হবে তা নিয়ে সন্দিহান গেরুয়া শিবিরের একাংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share