Tag: Same Sex Relationship

Same Sex Relationship

  • Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে আগের রায়ে ‘কোনও ভুল নেই’, রিভিউ পিটিশন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে আগের রায়ে ‘কোনও ভুল নেই’, রিভিউ পিটিশন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage) নিয়ে রায় পুনর্বিবেচনার একগুচ্ছ আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সমলিঙ্গে বিবাহকে যে আইনি স্বীকৃতি দেয়নি শীর্ষ আদালত, তা নিয়ে একগুচ্ছ রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল। যদিও সেগুলি খারিজ করে দিয়ে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, শীর্ষ আদালত যে রায় দিয়েছিল, তাতে কোনও ত্রুটি মেলেনি। যে মতামত প্রকাশ করা হয়েছিল, তা আইন মেনেই ছিল। তাই কোনও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। 

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রায় এবারও বহাল রেখে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। আগের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি বিআর গভাই, বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি বিভি নাগরত্ন, বিচারপতি পিএস নরসিং এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ। আদালত জানিয়েছে, এই সংক্রান্ত পূর্বের রায়ে কোনও ভুল নেই। যে পাঁচজন বিচারপতির বেঞ্চ রিভিউ পিটিশনের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে, তাঁদের মধ্যে মাত্র একজনই পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে ছিলেন, যে বেঞ্চ সমলিঙ্গে বিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেয়নি। মূল বেঞ্চের চার সদস্য (তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কৌল, বিচারপতি রবীন্দ্র ভট্ট এবং বিচারপতি হিমা কোমলি) অবসরগ্রহণ করেছেন। ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে রায় দিয়েছিল। আদালত জানিয়েছিল, একমাত্র সংসদ বা বিধানসভাই সমলিঙ্গের বিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিতে পারে। আদালত আইন তৈরি করতে পারে না, ব্যাখ্যা করতে পারে মাত্র।

    সংসদের অধিকার

    সমলিঙ্গে বিবাহকে (Same Sex Marriage) আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার আর্জি জানিয়ে যে একগুচ্ছ মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেটার প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে সেই পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ চারটি আলাদা রায় দিয়েছিল। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ‘স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট’-র আওতায় সমলিঙ্গে বিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি সংসদের অধিকারের মধ্যে পড়ছে। আর যে সব রিভিউ পিটিশন দাখিল হয়েছিল, তাতে সওয়াল করা হয়েছিল যে সাংবিধানিক মূল্যবোধের সঙ্গে ২০২৩ সালের রায় ‘স্পষ্টতই অন্যায্য’ ছিল। মূল মামলার অন্যতম পিটিশনার সোনু সুদ প্রথম রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছিলেন। ২০২৩ সালের নভেম্বরে দাখিল করেছিলেন সেই রিভিউ পিটিশন।

    কী বলেছিল শীর্ষ আদালত

    ২০২৩ সালের রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, সমলিঙ্গ যুগলকে (Same Sex Marriage) কোনও রকম ভাবে হেনস্থা করা যাবে না। এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষিত করার বিষয়টিতেও বিচারপতিরা সকলেই একমত হয়েছিলেন। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, সমকামিতা অথবা ছকভাঙা যৌন রুচি একেবারেই স্বাভাবিক বিষয়। সেই অনুসারে কোনও সম্পর্কের অধিকারের কোনও তারতম্য হতে পারে না। তবে সমলিঙ্গ বিয়েতে আইনি সম্মতি দেওয়ার বিষয়টি আইনসভার উপরে ছেড়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, দ্রুত একটি কমিটি তৈরি হবে সমলিঙ্গ বিবাহ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের জন্য। এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মানুষজন এই রায় পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানান আদালতে। 

    আরও পড়ুন: বাংলায় ছাত্রশূন্য স্কুলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি! কেন্দ্রের রিপোর্টে রাজ্যে শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশা

    কেন্দ্রের যুক্তিকে মান্যতা

    সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage) নিয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকারের পাশাপাশি, সাতটি রাজ্যের সরকার তাদের মতামত জানিয়েছিল। কেন্দ্রের পাশাপাশি, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং রাজস্থান সরকার সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি বৈধতার দাবির বিরোধিতা করে। কেন্দ্রের তরফে সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি স্বীকৃতির বিরোধিতা করে জানানো হয়, এটা নেহাতই ‘শহুরে অভিজাত সমাজের ভাবনা’। পাশাপাশি, এমন ‘স্পর্শকাতর বিষয়ে’ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার সংসদের হাতে তুলে দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। মোদি সরকারের সেই যুক্তিই কিয়দাংশে মেনে নিয়েছিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: সমপ্রেম বিয়ে নিয়ে সুপ্রিম-রায়ে একসুর! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে কী বলছে হিন্দু-মুসলিমরা?

    Same Sex Marriage: সমপ্রেম বিয়ে নিয়ে সুপ্রিম-রায়ে একসুর! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে কী বলছে হিন্দু-মুসলিমরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage) নিয়ে শীর্ষ আদালতের রায়কে স্বাগত জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।  কেন্দ্র-সহ সব পক্ষের মতামত শোনার পর  সমলিঙ্গের বিয়েকে আপাতত বৈধতা দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব কেন্দ্রকেই দিয়েছে আদালত। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে একযোগে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক কার্যকরী সভাপতি অলোক কুমার এবং শীর্ষস্থানীয় মুসলিম ধর্মগুরু মৌলানা সাজিদ রশিদি। দু’জনের মতেই সমপ্রেম ভারতীয় সংস্কৃতির অংশ নয়। তাঁদের মতে, এটি বিদেশ থেকে আসা সংস্কৃতি।

    কী বলছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা অলোক কুমার বলেছেন, “দুটি ছেলে বা দুটি মেয়ের মধ্যে সম্পর্ককে বিয়ে (Same Sex Marriage) হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া যায় না বলে সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করায় আমি খুশি।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সমকামী বিবাহকে আইনি বৈধতা না দিলেও সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ সমকামী দম্পতিরা লিভ-ইন সম্পর্কে থাকতেই পারেন। নিজেদের পছন্দ মতো সঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে তাঁদের। তবে সন্তান দত্তক নেওয়ার প্রশ্নে পাঁচ বিচারপতির ৩ বিচারপতি দ্বিমত পোষণ করেছে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-তদন্তে গতি আনতে দিল্লি থেকে আনা হচ্ছে নতুন আধিকারিক! নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান, মৌলানা রশিদি বলেন, ‘সমপ্রেম (Same Sex Marriage) ভারতীয় সংস্কৃতি নয়। এই বিষয়গুলি খুব খোলাখুলি ভাবে চলে ইউরোপীয় ও পশ্চিমী দেশে। তবে ভারতে এই কাজকর্মকে কখনই উৎসাহ দেওয়া বা অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। ভারতের সব বৈবাহিক অনুশীলনগুলির শিকড় আমাদের মূল্যবোধ ও সামাজিক ঐতিহ্যের মধ্যে গেঁথে রয়েছে। শীর্ষ আদালতের উচিত এই বিষয় চূড়ান্ত রায় দেওয়ার আগে আমাদের মূল্যবোধ ও বিশ্বাসগুলিকে সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা।’ এক কদম এগিয়ে সমপ্রেমের সম্পর্কে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন রশিদি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট! সিদ্ধান্ত নিতে বলল আইনসভাকে

    Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট! সিদ্ধান্ত নিতে বলল আইনসভাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে বৈধতা পেল না সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage)। এই ক্ষেত্রে আইন প্রনয়নের যাবতীয় দায় সংসদের দিকে ঠেলল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। তবে, সমকামী দম্পতিদের লিভ ইন সম্পর্কে আইনি রক্ষাকবচ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়েছে। শুনানি শেষে সমলিঙ্গ সম্পর্ককে স্বীকতি দিলেও সমলিঙ্গে বিবাহে এখনই সম্মতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট। সম্পূর্ণটাই ছাড়া হল কেন্দ্রীয় সরকারের উপর। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছে, আদালত এ নিয়ে আইন তৈরি করতে পারে না। কিন্তু আইনের ব্যাখ্যা দিতে পারে। 

    কেন্দ্রকে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ

    পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের একাধিক সদস্য প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের সঙ্গে একমত হননি। তাই ভিন্নমতের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ‘সমলিঙ্গে বিবাহে এখনই আইনি স্বীকৃতি নয়।’ অর্থাৎ ভালোবেসে সমকামে নিজের মনের মানুষের সঙ্গে সহবাস করা গেলেও বিয়ে এখনই সম্ভব নয়। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানান, সমলিঙ্গ সম্পর্কের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য কেন্দ্রের একটি কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। তার মাধ্যমে ওই সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষিত করা হবে।

    কী কী বললেন প্রধান বিচারপতি

    প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠানটি কোনও অনড়, অটল বিষয় নয়। বিবাহে বিবর্তন আসে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ব্যক্তিগত স্তরে যে কোনও কাজকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত নয়। বিবাহ বর্তমানে যে স্বীকৃতি পেয়েছে, আইন না থাকলে তা সম্ভব হত না।’’ সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্য সদস্যেরা হলেন, বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কউল, বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভট্ট, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি এস নরসিং।

    আরও পড়ুন:এমাসেও দুবাই যাওয়ার কথা ছিল বাকিবুরের! উদ্ধার হওয়া খাতায় কী পেল ইডি?

    কেন্দ্রের অভিমত

    সুপ্রিম কোর্টে রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি কউল বলেন, ‘‘বিশেষ বিবাহ আইনে সমলিঙ্গ মিলনকে অন্তর্ভুক্ত করার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ওই আইন পরিবর্তন করতে হলে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।’’ কেন্দ্র সরকারের পাশাপাশি, এ বিষয়ে সাতটি রাজ্যের সরকারও তাদের মতামত জানিয়েছে। কেন্দ্রের পাশাপাশি, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং রাজস্থান সরকার সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি বৈধতার দাবির বিরোধিতা করেছে। কেন্দ্রের তরফে সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি স্বীকৃতির বিরোধিতা করে জানানো হয়, এটা নেহাতই ‘শহুরে অভিজাত সমাজের ভাবনা’। পাশাপাশি, এমন ‘স্পর্শকাতর বিষয়ে’ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার সংসদের হাতে তুলে দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: সমকামীরা দৈনন্দিন জীবনে কী কী সমস্যায় পড়েন? জানতে কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    Same Sex Marriage: সমকামীরা দৈনন্দিন জীবনে কী কী সমস্যায় পড়েন? জানতে কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমকামী কিংবা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরা দৈনন্দিন জীবনে কী কী সমস্যায় পড়েন, তা বিবেচনা করার জন্য একটি কমিটি গঠন করবে কেন্দ্র। এলজিবিটিকিউআইএ প্লাস সম্প্রদায়ের ‘প্রকৃত মানবিক উদ্বেগগুলি’ খুঁজে বার করা হবে, বলে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে  (Supreme Court) জানান  কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। এদিন, সুপ্রিম কোর্টে সমলিঙ্গ বিবাহের (Same Sex Marriage) জন্য আইনি মর্যাদা চেয়ে আবেদনের শুনানি ফের শুরু হয়। শুনানির সময় কেন্দ্রের তরফে দেশের শীর্ষ আদালতকে এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়।

    কমিটির নেতৃত্বে ক্যাবিনেট সচিব

    গত ২৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে সমলিঙ্গ বিবাহের (Same Sex Marriage) স্বীকৃতি নিয়ে শুনানি চলার সময়ে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় কেন্দ্রের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, সমকামী বিবাহকে বৈধ করার প্রশ্নে না গিয়েই কি সমকামী দম্পতিদের জন্য সামাজিক সুবিধা বাড়ানো যেতে পারে? সেই প্রশ্নের জবাবেই এই কমিটি গঠন করার কথা জানাল কেন্দ্র।  বুধবারের শুনানিতে কেন্দ্র শীর্ষ আদালতকে জানিয়ে দিল, সমকামী জুটিদের সামাজিক চাহিদা খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হবে। ক্যাবিনেট সচিব ওই কমিটিকে নেতৃত্ব দেবেন।

    কমিটির দায়িত্ব

    বর্তমানে যৌথ ভাবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে কিংবা কোনও বিমা বা সঞ্চয়ী প্রকল্পে নমিনির নাম দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয় সমকামী এবং তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের। দৈনন্দিন জীবনে তাঁদের আর কী কী সমস্যায় পড়তে হয়, তা-ই খুঁজে দেখতে চাইছে কেন্দ্র। এদিনও সমলিঙ্গ বিবাহের বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে। তিনি দাবি করেন, সমকামী বিবাহের বিষয়ে ইউরোপীয় ঐক্যমত্য রয়েছে কথাটা ঠিক নয়। তাঁর কথায়,”৪৬টি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ৬টিতেই সমলিঙ্গ বিয়েকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ময়নায় নিহত বিজেপি কর্মীর দেহের ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    আদালতের অভিমত

    আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানান, কমিটি গঠনের থেকেও অনেক বেশি কিছু করতে হবে। আইনের বদল দরকার। জবাবে সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্যতম সদস্য বিচারপতি হিমা কোহলি বলেন, “একবারে এক এক পা করেই এগোনো উচিত। শুনানি চলাকালীন কেন্দ্র এই কথা জানিয়েছে।” প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “সলিসিটর জেনারেল মেনে নিয়েছেন, দুটি মানুষের একসঙ্গে বসবাস করার অধিকার আছে এবং এই সামাজিক বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, পিএফ, বিমা ইত্যাদির সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। কাজেই, এটা আপনার জন্য এক ধাপ অগ্রগতি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share