Tag: Sanatan Dharma

Sanatan Dharma

  • Ranbir Kapoor: সনাতন ধর্মে অগাধ আস্থা, মোদিতে মুগ্ধ রণবীর কাপুর

    Ranbir Kapoor: সনাতন ধর্মে অগাধ আস্থা, মোদিতে মুগ্ধ রণবীর কাপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মের প্রতি তাঁর অগাধ আস্থা। প্রতি দিন ঈশ্বরকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েই ঘুমোতে যান অভিনেতা রণবীর কাপুর (Ranbir Kapoor)। সম্প্রতি এক পটকাস্টে উদ্যোক্তা নিখিল কামাথের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেতা। ধর্ম (Sanatan Dharma) থেকে রাজনীতি, কেরিয়্যার সবকিছু নিয়েই নিজের মত ব্যক্ত করেছেন রণবীর। অভিনেতা জানান, রাজনীতি নিয়ে খুব বেশি চিন্তা না করলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যবহার তাঁকে প্রতি মুহূর্তে আকর্ষণ করে। 

    ঈশ্বরে বিশ্বাস

    আগামীতে ‘রামায়ণ’-এ রামের চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। বাস্তবেও সনাতন ধর্মের (Sanatan Dharma) প্রতি গভীর আস্থা ঋষি কাপুর পুত্রের।  রণবীর (Ranbir Kapoor) বলেন, “আমার বাবা খুবই ধার্মিক ছিলেন। মা বরং বাবার মতো ততটা ধার্মিক ছিলেন না। কিন্তু বাবা ধর্মচর্চা করতে ভালবাসতেন বলে, মা-ও সঙ্গ দিতেন। আমরা তখন ছোট। দেখতাম বাবা-মাকে। বাচ্চারা তো বাবা-মাকেই অনুকরণ করার চেষ্টা করে। তাই ঈশ্বর-ভাবনা আমার ভাল লাগে। আমি বহু আগেই বুঝতে পেরেছিলাম, আমার প্রার্থনার জোর আছে। ঈশ্বরের কাছে কিছু চাইলে, তা খুব সহজেই পেয়ে যেতাম। তাই খুব ছোট বয়সেই, আমি ঈশ্বরের কাছে কিছু চাওয়া বন্ধ করে দিই। হয়তো কোনও এক বর্ষার দিনের জন্য সেই প্রার্থনার সুযোগ বাঁচিয়ে রাখতাম। আমি আসলে নিজের সঙ্গেই কথা বলতাম। তবে, মনে আছে, সেই সময় থেকেই ঘুমোতে যাওয়ার আগে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাতাম। এখন আমি যে জায়গায় আছি, তা নিয়ে আমি সত্যি ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ।” 

    সনাতন ধর্মে আস্থা

    রণবীর কাপুর (Ranbir Kapoor) এখনও নিশ্চিত করেননি যে তিনি ‘রামায়ণ’-এ রয়েছেন কিনা, তবে সীতা রূপী সাই পল্লবীর পাশে ভগবান রামের বেশে রণবীরের ছবি স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এই ছবি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন নীতেশ তিওয়ারি। ইতিমধ্যেই ছবির শ্যুটিংও শুরু হয়ে গিয়েছে। রণবীর বেশ কিছুদিন ধরে এই চরিত্রের জন্য কঠোর প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। সনাতন ধর্মের উপর বিশ্বাস নিয়ে রণবীর বলেন, “আমি সনাতন ধর্মের উপর বিশ্বাস করতে শুরু করেছি। বেশ কয়েক বছর ধরে এই ধর্ম নিয়ে অনেক পড়াশোনা করেছি। সনাতন ধর্মের প্রভাব কী, তা জানতে আমি গভীরে গিয়ে বিষয়টা দেখেছি।”

    আরও পড়ুন: পাইন গাছের বর্জ্য ব্যবহার করেই জীবিকা অর্জনের সুযোগ, পথ দেখাচ্ছেন দুই বোন

    প্রধানমন্ত্রী মোদির ব্যবহারে মুগ্ধ

    ওই সাক্ষাতকারে রাজনীতি থেকে চলচ্চিত্র নানা জগৎ নিয়ে কথা বলেন রণবীর (Ranbir Kapoor)। অভিনেতা জানান তিনি খুব বেশি চিন্তা করেন না রাজনীতি নিয়ে। ভবিষতে রাজনীতি আসবেন কিনা সে নিয়েও কিছু ভাবেননি, তবে আপাতত তিনি আসতে চান না। তবে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা বলার দক্ষতা, তাঁর ব্যবহার, তাঁর আঙ্গিক, রণবীরকে আকর্ষণ করে। অভিনেতার কথায়, ৪ থেকে ৫ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একটি বৈঠকে দেখা হয়েছিল।  যেখানে অভিনেতা এবং পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।  প্রধানমন্ত্রীর কথার মধ্যে এমনই এক বিষয় রয়েছে যা সবার উপর ছাপ ফেলে। রণবীর সেই মিটিংয়ে মোদির প্রবেশের মুহূর্তটিরও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সেই মুহূর্তের মধ্যে যে একটা চৌম্বকীয় আকর্ষণ ছিল। রণবীর আরও জানান মোদি মিটিংয়ে উপস্থিত সকলের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন। তিনি রণবীরের বাবার চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন। প্রধানমন্ত্রী মোদির ব্যবহারের সঙ্গে সিনে দুনিয়ায় বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের কিছুটা মিল রয়েছে বলেও জানান রণবীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Naga Sadhus: তাঁদের বীরত্ব ও দাপটের সামনে হার মানে আফগান বাহিনীও, জানুন নাগা সাধুদের ইতিহাস

    Naga Sadhus: তাঁদের বীরত্ব ও দাপটের সামনে হার মানে আফগান বাহিনীও, জানুন নাগা সাধুদের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মে যুদ্ধের ঐতিহ্য বরাবরই রয়েছে। ধর্মের বেশিরভাগ দেবতার হাতেই সে কারণে অস্ত্র আমরা দেখতে পাই। দেবী দুর্গা থেকে শ্রীকৃষ্ণ, ভগবান বিষ্ণু থেকে রামচন্দ্র। প্রত্যেকেই অস্ত্র ধরেছেন, যুদ্ধ করেছেন ও ধর্মরাজ্যের স্থাপন করেছেন। অষ্টম শতাব্দীতে হিন্দু ধর্মের পুনর্জাগরণ করেন আদি শঙ্করাচার্য। মূলত সারা ভারতব্যাপী তীর্থ ভ্রমণ করে হিন্দু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন তিনি। তখন থেকেই নতুন একটি সামরিক প্রথা চালু হয়। হিন্দু আখড়াগুলির মধ্যে নাগা-রা ছিল সবচেয়ে বেশি সামরিকভাবে সজ্জিত এবং শক্তিশালী। বৈদিক ধর্মের ওপর যেখানেই আঘাত আসত সেখানেই এগিয়ে যেত নাগা সাধুরা (Naga Sadhus) এবং তারা রুখে দিত আক্রমণকারীদের। ঐতিহাসিকদের মতে, নাগাদের হাতে থাকত তলোয়ার, বর্শা, তীরধনুক ইত্য়াদি।

    শঙ্করাচার্যের শাস্ত্র ও শস্ত্র ভাবনা

    আদিগুরু শঙ্করাচার্য (Adi Shankaracharya) কেরলের কালাডি গ্রামের জন্মগ্রহণ করেছিলেন। জানা যায়, মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই সন্ন্যাস ধর্মে দীক্ষিত হয়ে তিনি বাড়ি ছেড়েছিলেন। জ্ঞান এবং অস্ত্র অর্থাৎ ভালো বাংলায় বলতে গেলে শাস্ত্র এবং শস্ত্র – এই দুটিরই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন আদি শঙ্করাচার্য। শাস্ত্রকে তিনি আচার্যদের ওপর ছেড়ে দেন এবং অস্ত্রের দায়িত্ব তিনি নাগাদের (Naga Sadhus) ওপরেই দেন। আদিগুরু শঙ্করাচার্যের এমন ভাবনা সফল হয়। সারা ভারতবর্ষে হিন্দু ধর্মের পুনর্জাগরণ শুরু হয়। শঙ্করাচার্য প্রবর্তিত সম্প্রদায় দশনামী সম্প্রদায় নামে পরিচিত। উল্লেখযোগ্য সম্প্রদায়গুলি হল – গিরি অর্থাৎ পর্বতের সম্প্রদায়, পুরী অর্থাৎ শহরের সন্ন্যাসী, সরস্বতী যার অর্থ পুরোহিত, আরণ্যক অর্থাৎ বনের সম্প্রদায়। সাগর অর্থাৎ সমুদ্র উপকূলীয় সম্প্রদায়।

    বীর নাগা সাধুরা পরাস্ত করে আফগানদের 

    আদিগুরু শঙ্করাচার্যের এই ভাবনা যে বৃথা যায়নি তা প্রমাণ করে দেন নাগা সন্ন্যাসীরা (Naga Sadhus)। একাধিক যুদ্ধভূমিতে। ১৭৫৭ সালে গোকুলের যুদ্ধের নাগা সন্ন্যাসীরা (Naga Sadhu) অসম্ভব বীরত্বের পরিচয় দেন এবং সেখানে আফগান সেনাপতি সর্দার খান যখন গোকুল আক্রমণ করেন সেখানে মাত্র তিন হাজার নাগা সাধু ত্রিশ হাজার আফগান সৈন্যকে পরাজিত করতে সমর্থ হন।

    আহমেদ শাহ আবদালি চারবার ভারত আক্রমণ করেছিলেন

    প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের সম্রাট আহমেদ শাহ আবদালি চারবার ভারত আক্রমণ করেছিলেন বলে জানা যায়। সে সময় মুঘলরা অত্যন্ত দুর্বল ছিল এবং উত্তর ভারতে ইসলামিক আক্রমণকে প্রতিহত করার মতো কোনও হিন্দু শক্তি ছিল না। ১৭৫৭ সালের জানুয়ারি মাসে আফগান বাহিনী লুণ্ঠন করে, প্রচুর মন্দির ধ্বংস করে। এত লুটপাট চালানোর পরেও আফগান সম্রাট তাঁর দুই জন সেনাপতি নাজিব খান এবং জাহান খানকে কুড়ি হাজার সৈন্য সমেত মথুরা,আগ্রা, বল্লভগড় এবং বৃন্দাবনে হামলা চালানোর  নির্দেশ দেন। জানা যায়, সেই সময় তিনি তাঁর সৈন্যদের বলেন যে মথুরা এবং বৃন্দাবন হিন্দুদের একটা পবিত্র স্থান। এটিকে সম্পূর্ণভাবে তলোয়ারের নিশানায় রাখতে হবে। আগ্রা পর্যন্ত কোনও জায়গাকে ছাড়া যাবে না। প্রতিটি দালান বাড়িতে ভেঙে ফেলতে হবে। হিন্দু কাফেরদের শিরোচ্ছেদ করতে হবে। আফগানিস্তানে এসে সেই মাথা আমাকে উপহার দিতে হবে। তার জন্য পুরস্কার হিসেবে তোমরা ৫ টাকা নেবে।

    মথুরায় ধ্বংসলীলা আফগানদের

    আফগান সেনারা এই নির্দেশ মোতাবেক মথুরায় পৌঁছায় এবং তারা একের পর এক মন্দিরকে ধ্বংস করতে থাকে। তার পাশাপাশি হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ করতে থাকে। হিন্দু পুরুষদের শিরোচ্ছেদ করে টুকরো টুকরো করা হয়। শিশুদেরকে দাস বানানো হয়। অনেক নারী তাদের সম্মান রক্ষায় যমুনা নদীতে ঝাঁপ দিতে বাধ্য হন। জানা যায়, সে সময়ে আফগান আক্রমণকারীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রচুর সংখ্যক মহিলা এবং শিশু শীতলা মাতা মন্দির এর পিছনে গুহায় আশ্রয় নেন। কিন্তু সেই জায়গাও আফগান সৈন্যরা দেখে ফেলে এবং সেখানে অত্যন্ত নিষ্ঠুরতা সঙ্গে প্রবেশ করে ভিতরে থাকা প্রত্যেকটি হিন্দুকে হত্যা করে। মথুরার পবিত্র ভূমিতে হিন্দুদের ওপর এই আক্রমণ তিনদিন ধরে চলেছিল এবং সেখানে আকাশ বাতাসে কয়েক মাস ধরে দুর্গন্ধ ছিল বলে জানা যায়। আফগানিস্তানের সেনারা ৬,০০০ হিন্দু নারীকে ক্রীতদাস বানায় এবং ১২ কোটি টাকা মথুরা থেকে লুট করে। মথুরা আক্রমণ করার পর আফগানরা বৃন্দাবনের দিকে অগ্রসর হয় এবং সেখানে আক্রমণ চালানো হয়। 

    আফগানরা রণে ভঙ্গ দেয় নাগাদের আক্রমণের মুখে পড়ে

    বৃন্দাবনকে ধ্বংস করার পর আফগান সেনাপতি সর্দার খান, গোকুলকে লুণ্ঠন করে লুটপাট করার কথা ভাবেন। সেই মতো ১০ হাজার আফগান সেনা বাহিনী গোকুলের দিকে অগ্রসর হয়। সেখানে তারা দেখতে পান ৪ হাজার নাগা সাধু (Naga Sadhus) তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য দাঁড়িয়ে রয়েছে। নাগা সাধুরা যখন আফগানিস্তানে হিন্দুদের ওপর দুর্দশার কথা শুনেছিলেন তখন তাঁরা হরিদ্বার এবং উজ্জয়িনী গোকুলে আসতে থাকেন। নাগা সাধুদের সঙ্গে প্রবল যুদ্ধ শুরু হয় আফগানিস্তানে সেনাদের। প্রথমে আফগান সেনারা মনে করেছিল যে নাগা সাধুরা তাদেরকে মোকাবিলা করতে পারবে না কিন্তু শীঘ্রই তারা ভুল প্রমাণ হতে থাকে। নাগাদের (Naga Sadhu) সামরিক দক্ষতার কাছে একদম পরাস্ত হয় তারা। আতঙ্কিত আফগান সেনারা রণে ভঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যায় এবং নাগাদের কোনওভাবেই তারা প্রতিরোধ করতে পারে না। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সঙ্গে আফগান সেনারা পরাজয় স্বীকার করে। জানা যায়, গোকুলের প্রবল যুদ্ধে ২০০০ নাগা সৈন্য মারা যান এবং আফগান সৈন্যদের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ছিল ৫০০০। নাগা সন্ন্যাসীরা অসংখ্য হিন্দু মন্দিরে আফগান শাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন এবং গোকুলকে সেদিন রক্ষা করেন নাগা সাধুরা (Naga Sadhus)। নাগা সাধুদের সাহসিকতা এবং বীরত্বের ইতিহাস আজও অনুপ্রাণিত করে আমাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
     

  • Ram Mandir: গর্ভগৃহের বেদিতে বসানো রামলালার মূর্তির মধ্যে রয়েছে বিষ্ণুর দশাবতার

    Ram Mandir: গর্ভগৃহের বেদিতে বসানো রামলালার মূর্তির মধ্যে রয়েছে বিষ্ণুর দশাবতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামলালা (Ram Mandir) হলেন ভগবানব বিষ্ণুর অবতার। তাঁর মূর্তির মধ্যে রয়েছে স্বস্তিক চিহ্ন থেকে পদ্ম, গরুড়ু চিত্রমূর্তি। মূর্তির গঠন, আকৃতি, ডিজাইনে হিন্দু দশাবতার এবং সনাতন ধর্মের তাৎপর্যপূর্ণ প্রতীকগুলিকে চিত্রিত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার কৃষ্ণশিলায় নির্মিত এই রামলালার মূর্তিটিকে মন্দিরের গর্ভগৃহের মূলবেদিতে স্থাপন করা হয়েছে। এরপর করা হয়েছে বিধি নিয়মের পূজাচার। একটি হলুদ কাপড়ের আবরণে রামালালার মূর্তি আবৃত করে রাখা হয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাম ভক্তদের মধ্যে এখন এই মূর্তিকে ঘিরে তীব্র উচ্ছ্বাস।

    কেমন দেখতে মূর্তি (Ram Mandir)?

    রামলালার (Ram Mandir) এই মূর্তির দৈর্ঘ্য ৪.২৪ ফুট এবং প্রস্থ ৩ ফুট। মূর্তির মধ্যে রয়েছে ভগবান বিষ্ণুর ১০ অবতারের ছোট খোদাই। রামলালার মূর্তির ডান দিকে উপর থেকে নিচে রয়েছে মৎস, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামনের চিত্রমূর্তি। আবার ডান দিকে উপর থেকে পরপর নিচে রয়েছে পরশুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, কল্কির মূর্তি। মূল মূর্তির একদম উপরে রয়েছে স্বস্তিক চিহ্ন, রয়েছে ওম, চক্র, গদা, শঙ্খ। এর ঠিক নিচে রয়েছে সূর্য নারায়ণের চিত্র। একই ভাবে মূর্তির ডান দিকে একেবারে নিচে রয়েছে রাম ভক্ত হনুমানের চিত্র এবং বাঁ দিকে নিচে রয়েছে আরেক রাম ভক্ত গরুড় মূর্তি। এই দুই মূর্তির চিত্র রামলালার পাদদেশের সঙ্গে মিশে রয়েছে। এই মূর্তির ওজন ২০০ কেজি। মূর্তিটিতে রাম লালার পাঁচ বছরের রূপটিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রামলালার চেহারার মধ্যে শিশু সুলভ সারল্যের ভাব বর্তমান রয়েছে।

    মূর্তিটি কৃষ্ণশিলায় নির্মিত

    প্রভু রামলালার (Ram Mandie) এই মূর্তিটি কৃষ্ণশিলা থেকে খোদাই করে রামলালার অবয়ব তৈরি করা হয়েছে। মেঙ্গালুরুর কাছেই কারকালা শহরে পাওয়া যায় এই মূর্তির শিলা। কর্ণাটকের ভাস্কর অরুণ যোগীরাজ হলেন মূর্তির শিল্পী। জানা গিয়েছে, যোগীরাজের পরিবার পাঁচ পুরুষ ধরে মূর্তি নির্মাণের কাজ করছেন। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বৈদিক ব্রাহ্মণ এবং আচার্যদের দ্বারা মূর্তি স্থাপনার পর বিশেষ ভাবে পুজো অর্চনা করা হয় গত বৃহস্পতিবার। কেদারনাথে শঙ্করাচার্যের যে মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে তা তাঁরই তৈরি করা মূর্তি। একই ভাবে দিল্লির ইন্ডিয়া গেটে স্থাপন করা সুভাষ চন্দ্র বসুর বিখ্যাত মূর্তিও যোগীরাজ তৈরি করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sanatan Dharma: এবার সনাতন ধর্মকে কুষ্ঠের সঙ্গে তুলনা প্রাক্তন ইউপিএ মন্ত্রীর, কড়া প্রতিক্রিয়া অনুরাগ ঠাকুরের

    Sanatan Dharma: এবার সনাতন ধর্মকে কুষ্ঠের সঙ্গে তুলনা প্রাক্তন ইউপিএ মন্ত্রীর, কড়া প্রতিক্রিয়া অনুরাগ ঠাকুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে (Sanatan Dharma) ডেঙ্গি এবং ম্যালেরিয়ার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধি। এবার তাঁর দলেরই এক লোকসভার সাংসদ এবং প্রাক্তন ইউপিএ সরকারের মন্ত্রী এ রাজা সেসব ছাপিয়ে গেলেন। সনাতন ধর্মকে (Sanatan Dharma) তিনি কুষ্ঠ এবং এইচআইভির সঙ্গে তুলনা করলেন। বুধবারই এ রাজা মন্তব্য করেন, ‘‘একটা সময় ছিল যখন কুষ্ঠ এবং এইচআইভি একটি কলঙ্ক হিসাবে বিবেচিত করা হত। বর্তমানে এটিকেও (সনাতন ধর্ম) (Sanatan Dharma) এইচআইভি এবং কুষ্ঠরোগের মতো বিবেচনা করা উচিৎ যা একটি সামাজিক কলঙ্ক রূপে বিবেচিত হত।’’ 

    কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    সনাতন ধর্ম (Sanatan Dharma) সম্পর্কে এমন অপমানজনক মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া দিতে শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধীর এই ‘নফরত কী দুকান’-এ ‘ঘামান্ডিয়া’ জোটের সদস্যরা ‘নফরত কা সামান’ বিক্রি করছেন।’’

    উত্তরের পাপ্পু রাহুল দক্ষিণের পাপ্পু উদয়নিধি মন্তব্য তামিলনাড়ুর বিজেপির সভাপতির

    অন্যদিকে সনাতন ধর্ম (Sanatan Dharma) সম্পর্কে স্টালিন পুত্র উদয়নিধির এই মন্তব্যকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাই। রাহুল গান্ধী ও উদয়নিধি স্ট্যালিনকে এক সারিতে এনে তামিলনাড়ুর রাজ্য সভাপতি মন্তব্য, উত্তরের পাপ্পু রাহুল গান্ধী দক্ষিণের পাপ্পু উদয়নিধি। তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতির আরও দাবি, ৬ বছর ধরে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছে ডিএমকে সরকার। তারা সামাজিক ন্যায় বিচার (Sanatan Dharma) দিতে পারেনি তামিলনাড়ুর মানুষকে অথচ এখন তারাই সামাজিক ন্যায় বিচারের প্রশ্ন তুলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধির, তীব্র প্রতিক্রিয়া শাহের

    Amit Shah: সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধির, তীব্র প্রতিক্রিয়া শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের পুত্র উদয়নিধি স্ট্যালিনের। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রসঙ্গত তামিলনাড়ু সরকারের মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের মন্তব্য ছিল, ‘‘কিছু জিনিসের প্রতিবাদ করা যায় না। সেগুলির অবলুপ্ত ঘটানো দরকার। আমরা ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া কিংবা করোনার বিরোধিতা করতে পারি না। আমরা সেটা নির্মূল করি। ঠিক সেভাবেই আমাদের সনাতন ধর্মকে নির্মূল করতে হবে।’’ জুনিয়র স্ট্যালিনের আরও দাবি ছিল যে সামাজিক ন্যায় এবং সাম্যের বিরুদ্ধে রয়েছে সনাতন ধর্ম। তাই সমাজ থেকে যেকোনও মূল্যে এই ধর্মকে উপড়ে ফেলতে হবে।

    সনাতন ধর্ম বিরোধী এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া অমিত শাহের (Amit Shah)

    ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম শরিক ডিএমকে নেতার এই মন্তব্যে তোপ দাগলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। রাজস্থানে বিজেপির সাংগঠনিক কর্মসূচি পরিবর্তন যাত্রার অনুষ্ঠানে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠান থেকেই উদয়নিধি স্ট্যালিনের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘উদয় নিধি স্ট্যালিন যে কথা বলেছেন তা আসলে ইন্ডিয়া জোটের প্রত্যেক শরিকের মনের কথা।’’ অমিত শাহের (Amit Shah) আরও সংযোজন, ‘‘ওই জোট হিন্দু ধর্মের বিরোধী এবং হিন্দুত্বকে ঘৃণা করে।’’ জুনিয়র স্ট্যালিনের এই মন্তব্য যে সনাতন ভারতীয় ঐতিহ্যকে আঘাত করেছে তাও এদিন স্পষ্ট করে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।  অমিত শাহের (Amit Shah) আরও সংযোজন, ‘‘উদয়নিধি স্ট্যালিনের মন্তব্য লস্কর-ই-তৈবার থেকেও ভয়ঙ্কর।’’

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও একহাত নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    এদিন কংগ্রেস নেতার রাহুল গান্ধীকেও এক হাত নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) এবং তিনি বলেন, ‘‘বিরোধীদের এই জোট সাম্প্রদায়িক তোষণের রাজনীতি করছে।’’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) আরও সংযোজন, ‘‘জোটের নেতারা বলছেন মোদি পুনরায় ক্ষমতায় এলে সনাতন ধর্মের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। তাদের জানা উচিত সনাতন ধর্ম মানুষের হৃদয়ে রয়েছে। কেউ সেটাকে সরাতে পারবে না। প্রসঙ্গত বিজেপি নেতা অমিত মালব্য উদয়নিধি স্ট্যালিনের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। অমিত মালব্যর, দাবি স্ট্যালিন পুত্র গণহত্যারও ডাক দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sanatan Dharma: সনাতন ধর্মে ঋষি এবং বেদের ভূমিকা জানুন

    Sanatan Dharma: সনাতন ধর্মে ঋষি এবং বেদের ভূমিকা জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তসিন্ধু তীরে খ্রিস্টের জন্মের ২৫০০ বছর আগে বেদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এক সভ্যতা। বিভিন্ন সাহিত্যে, নাটকে কণ্ব মুনির আশ্রমে শকুন্তলার বেড়ে ওঠার গল্পতো খুবই জনপ্রিয়। প্রাচীন বৈদিক সভ্যতার সামাজিক জীবন আমাদের সামনে এইভাবেই চিত্রায়িত হয়।

    সনাতন ধর্মে (Sanatan Dharma) ঋষিদের ভূমিকা

    গৈরিক বসন পরিহিত গলায় রুদ্রাক্ষের মালা সমেত শ্বেত শুভ্র লম্বা দাড়ি, ঋষি শব্দ শুনলেই আমাদের মনে এমন এক পুরুষের চিত্র ভেসে ওঠে। ঋষি মানে মন্ত্রদ্রষ্টা। যাঁরা সংস্কার দান করেন। সংস্কৃতিকে ধারণ করে থাকবেন এবং জীবন বোধ সম্পর্কে শিক্ষা দেবেন। প্রত্যেক বৈদিক ঋষিই ছিলেন এক একজন মহান যোগী যাঁরা ঘন অরণ্যে অথবা পর্বতের গুহায় তপস্যা করতেন। সর্বোচ্চ এবং শাশ্বত সত্যকে জানার তপস্যা। তপস্যায় তাঁরা যে জ্ঞান উপলব্ধি করতেন , সেই জ্ঞানই পরবর্তীকালে বেদ এবং বিভিন্ন মন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত হত। 

    প্রাচীন ভারতীয় ঋষিরা মহাকাশ বিজ্ঞান এবং প্রকৃতি সম্পর্কেও অনেক যুক্তিনির্ভর তথ্য দিয়েছেন। যেগুলি বর্তমানে সময়োপযোগী বলে প্রমাণিত হয়েছে। এগুলি ছাড়াও  চিকিৎসা বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, গণিত, সাহিত্য, প্রযুক্তিবিদ্যা, শিল্পবিদ্যা, আধ্যাত্মিক বিদ্যা এসব বিষয়ের চর্চাও প্রাচীন ভারতীয় ঋষিদের মধ্যে ছিল বলে জানা যায়। শূন্যের আবিষ্কারক আর্যভট্ট, জ্যোতির্বিজ্ঞানী বরাহমিহির, চিকিৎসাশাস্ত্রে চরক, সুশ্রুত ইতিহাস প্রসিদ্ধ নাম।

    বৈদিক সভ্যতায় যে সমস্ত বিষয় ঋষিরা চর্চা করতেন সেগুলিকে সাধারণত বলা হত আধ্যাত্মিক বিজ্ঞান, এটাই সনাতন ধর্মের (Sanatan Dharma) মূল তত্ত্ব বলা যেতে পারে। ভারতীয় পরম্পরা এবং ভারতীয় আধ্যাত্মিকতার যে ধারা, সেটিকে ভারতীয় মুনি ঋষিরাই প্রজন্মের পর প্রজন্ম বহন করে গেছেন। প্রাচীন ভারতীয় ঋষিরা সংস্কৃত ভাষায় কথা বলতেন। সংস্কৃত ছন্দের মাধুর্যে উচ্চারিত হত বৈদিক শ্লোক। সারা পৃথিবীতে যখন লিখিত শব্দ অজ্ঞাত ছিল তখন কিন্তু ভারতীয় মুনি ঋষিদের স্মৃতিশক্তির কারণেই  ঋষিদের জ্ঞান এক প্রজন্ম থেকে আর এক প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হতো। একেই বলা হয় গুরু শিষ্য পরম্পরা। 

    প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতায় কোন কোন বিষয় পড়ানো হত

    আধুনিককালে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যা কিছু পড়ানো হয় প্রাচীন ভারতীয় বৈদিক সভ্যতায় (Sanatan Dharma) এর থেকে কম কিছু পড়ানো হতো না। সে সময়ে চতুরাশ্রমের কথাতো আমরা সকলেই জানি। ব্রহ্মচর্য, গার্হস্থ্য, বানপ্রস্থ এবং সন্ন্যাস। ব্রহ্মচর্য পালনকালে শিষ্যরা গুরুগৃহে থেকে বিদ্যা আহরণ করতো। এই সময়ে শিষ্যকে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান দান করতেন গুরু। কোন কোন বিষয় তখন গুরুগৃহে পড়ানো হত গুরুকুলে, তার একটি তালিকা একনজরে দেখা যাক। প্রথমে জেনে নিই বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির বিষয়ে কী কী পড়ানো হত।

    ১) অগ্নিবিদ্যা (Metallurgy)

    ২) বায়ুবিদ্যা (aviation)

    ৩) জলবিদ্যা (Navigation)

    ৪) অন্তরীক্ষবিদ্যা (Space Science)

    ৫) পৃথিবীবিদ্যা (Environment and Ecology)

    ৬) সূর্যবিদ্যা (Solar System Studies)

    ৭) চন্দ্রলোক বিদ্যা (Lunar Studies)

    ৮) মেঘ বিদ্যা (Weather Forecast) 

    ৯) পদার্থ-বিদ্যুৎবিদ্যা (Battery)

    ১০) সৌরশক্তি-বিদ্যা (Solar Energy)

    ১১) দিনরাত্রি-বিদ্যা (Day Night Studies)

    ১২) সৃষ্টিবিদ্যা (Space Research)

    ১৩) মহাকাশ বিজ্ঞান (Cosmic Science)

    ১৪) ভূগোলবিদ্যা (Geography)

    ১৫) কালবিদ্যা (Time)

    ১৬) ভূগর্ভ-বিদ্যা (Geology and Mining)

    ১৭) রত্ন এবং ধাতুবিদ্যা (Gemology and Metal)

    ১৮) আকর্ষণবিদ্যা (Gravity)

    ১৯) আলোকবিদ্যা (Optics)

    ২০) যোগাযোগ-বিদ্যা (Communication)

    ২১) বিমানবিদ্যা (Aviation)

    ২২) জলযান-বিদ্যা (Water Hydraulics Vessels)

    ২৩) অস্ত্রবিদ্যা (Arms and Ammunition)

    ২৪) জীবজন্তু বিজ্ঞান (Zoology Botany)

    ২৫) পদার্থবিদ্যা (Material science)

    বাণিজ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পড়ানোর রীতিও প্রাচীন ভারতীয় বৈদিক সভ্যতায় (Sanatan Dharma) প্রচলিত ছিল। এরকম ৩৫ টি বিষয় প্রাচীন ভারতীয় বৈদিক সভ্যতাতে পড়ানো হতো যেগুলি আমরা জানবো এবার এক নজরে।

    ১) বাণিজ্য (Commerce)

    ২) ভেষজ (Pharmacy)

    ৩) শল্যকর্ম বা চিকিৎসা (Diagonis and Surgery) 

    ৪) কৃষি (Agriculture)

    ৫) পশুপালন (Animal Husbandry)

    ৬) পাখি পালন (Birdkeeping)

    ৭) পশু প্রশিক্ষণ (Animal Training)

    ৮) যান যন্ত্রকার (Mechanics)

    ৯) রথকার (Vehicle Designing)

    ১০) রত্নকার (James Designing)

    ১১) সুবর্ণকার (Jewellery Designing)

    ১২) বস্ত্রকার (Textile)

    ১৩) কুম্ভকার (Pottery)

    ১৪) লৌহকার (Metallurgy)

    ১৫) তক্ষক (Toxicology)

    ১৬) রঙ্গসাজ (Dying)

    ১৭) রজ্জুকর (Logistics)

    ১৮) বাস্তুকার (Architect)

    ১৯) পাকবিদ্যা (Cooking)

    ২০) সারথ্য (Driving)

    ২১) নদীজল প্রবন্ধক (Water Management)

    ২২) সুচিকার (Data Entry)

    ২৩) গোশালা (Animal Husbandry)

    ২৪) নদী জল প্রবন্ধক (Water Management)

    ২৫) বাগানপাল (Horticulture)

    ২৬) বনপাল (Forestry)

    ২৭) বদ্যি (Paramedical)

    ২৮) অর্থশাস্ত্র (Economics)

    ২৯) তর্কশাস্ত্র (Logic)

    ৩০) ন্যায়শাস্ত্র  (Law)

    ৩১) নৌকাশাস্ত্র (Ship Building) 

    ৩২) রসায়ন শাস্ত্র  (Chemical Science)

    ৩৩) ব্রহ্মবিদ্যা (Cosmology)

    ৩৪) অথর্ববেদ (Atharvved)

    ৩৫) ব্যবচ্ছেদ (Postmortem)
     
    বেদ এবং স্মৃতির ভাগ

    প্রাচীন ভারতীয় পরম্পরায় (Sanatan Dharma) বৈদিক সাহিত্যের দুটি ভাগ ছিল। একটি শ্রুতি এবং অপরটি স্মৃতি। গুরুর মুখ থেকে শিষ্যরা শুনে শুনে বেদ মুখস্ত করতো তাই বেদের অপর নাম শ্রুতি এবং এই পরম্পরা এক প্রজন্ম থেকে অপর প্রজন্মে প্রবাহিত হত। শ্রুতির মধ্যে চারটি বেদ রয়েছে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ, অথর্ববেদ। প্রতিটি বেদ আবার কতগুলি ভাগে বিভক্ত যেমন বেদাঙ্গ, উপবেদ, সংহিতা,  ব্রাহ্মণ, আরণ্যক এবং উপনিষদ। 

    প্রতিটি বেদাঙ্গের আবার ছ’টি ভাগ রয়েছে যেমন ব্যাকরণ, জ্যোতিষ, নিরুক্ত, শিক্ষা, ছন্দ ও কল্প। প্রতিটি উপবেদের আবার চারটি ভাগ রয়েছে অর্থভেদ, ধনুর্বেদ, গন্ধর্ববেদ এবং আয়ুর্বেদ। 

    স্মৃতির মধ্যে পড়ছে ১৮ টি পুরাণ, তন্ত্রবিদ্যা, শ্রীমদ্ভাগবত গীতা সমেত বিভিন্ন ধর্মশাস্ত্র-গুলি তার পাশাপাশি ঐতিহাসিক যে গ্রন্থ, মহাকাব্য রামায়ণ এবং মহাভারতও স্মৃতির মধ্যে পড়ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন লঙ্গরখানা খুলবেন রসুলপুর, কেন জানেন?

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন লঙ্গরখানা খুলবেন রসুলপুর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জানুয়ারির ২২ তারিখে উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir)। প্রত্যাশিতভাবেই এদিন কয়েক লক্ষ মানুষের ভিড় হবে অযোধ্যায়। মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে অযোধ্যায় আগত ভক্তদের জন্য লঙ্গরখানা খুলবেন সংখ্যালঘু শিখ সম্প্রদায়ের বাবা হরজিৎ সিং রাসুলপুর। তিনি নিহাঙ বাবা ফকির সিং খালসার ১৮তম বংশধর। ঘটনাটি ঘটছে ১৬৫ বছর পরে। ১৮৫৮ সালে তাঁর পূর্বপুরুষ অযোধ্যার বাবরি মসজিদের দখল নিয়েছিলেন। কীভাবে? ভগবান রামের জন্মভূমির ওপর মুঘলরা মসজিদ গড়েছিলেন। ১৬৫ বছর আগে সেই মসজিদের দেওয়ালে রাম নাম খোদাই করে দিয়েছিলেন তাঁরই এক পূর্বপুরুষ।  

    মসজিদের দেওয়ালে রাম, রাম খোদাই

    ভগবান রামের প্রতি তাঁর বংশের ভক্তি অটুট। রসুলপুর জানান, ১৮৫৮ সালে ফকির সিং ও তাঁর নিহাঙ সিং সঙ্গীরা মসজিদের দেওয়ালে রাম, রাম খোদাই করে দিয়েছিলেন। উড়িয়ে দিয়েছিলেন গেরুয়া ধ্বজা। ঘটনার (Ram Mandir) প্রেক্ষিতে নভেম্বরের ৩০ তারিখে আওয়াধ পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের আগেও তিনি জানিয়েছিলেন একথা। শিখ এবং হিন্দুদের মধ্যে বিরোধ কোনওদিনই চাইতেন না ফকির সিং। রসুলপুরের দাবি, তাঁদের পরিবারের বরাবর সমান বিশ্বাস শিখ ও হিন্দু ধর্মের প্রতি। তিনি জানান, রাম মন্দিরের দাবিতে প্রথম যে এফআইআর দায়ের হয়েছিল, তা কোনও হিন্দুর বিরুদ্ধে নয়, এক শিখের বিরুদ্ধে।

    মাথায় পাগড়ি, পরেন রুদ্রাক্ষ 

    কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন রসুলপুর। তিনি জানান, একই সঙ্গে নিহাঙ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখায় তাঁর ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। শিখ হয়েও রুদ্রাক্ষ ধারণ করেন রসুলপুর। একই শরীরে বহন করেন শিখ ও হিন্দুধর্মের প্রতীক। এই মানুষটিই মন্দির উদ্বোধনের দিন অযোধ্যায় খুলবেন লঙ্গরখানা। শিখধর্মে লঙ্গরখানার চল রয়েছে। এই লঙ্গরখানার অর্থ হল নিখরচায় আগত অতিথিদের খাওয়ানো। সাম্প্রদায়িক ঐক্য ও নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক এই লঙ্গরখানা। রসুলপুর জানেন, মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বহু মানুষ আসবেন ঐতিহাসিক এই ঘটনার সাক্ষী হতে। লঙ্গরখানায় তাঁদের খাইয়ে তাঁদের মধ্যে সম্প্রতি ও নিঃস্বার্থ সেবার বার্তাই দিতে চান রসুলপুর।

    আরও পড়ুন: ধনখড়কে মিমিক্রি-বাণ কল্যাণের, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তারা যখন মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের শেষ প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত, তখন রসুলপুর দিন গুনছেন কবে আসবে বহু প্রতীক্ষিত সেই দিন। যেদিন তাঁর লঙ্গরখানায় সেবা করিয়ে তামাম ভারতকে রসুলপুর মনে করিয়ে দেবেন বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের সুমহান বাণী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: নারী সশক্তিকরণে জোর সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠকে, দেশজুড়ে শুরু মহিলা সম্মেলন

    RSS: নারী সশক্তিকরণে জোর সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠকে, দেশজুড়ে শুরু মহিলা সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী সশক্তিকরণে জোর দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। শনিবার পুণেতে সমন্বয় বৈঠক শেষে  সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান সঙ্ঘ নেতা মনমোহন বৈদ্য। প্রসঙ্গত ১৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল সঙ্ঘের সমন্বয় বৈঠক, এদিন তা শেষ হয়। মোট ৩৬টি শাখা সংগঠনের ২৬৬ জন নেতা এই বৈঠকে হাজির ছিলেন। বিজেপির তরফে বৈঠকে যোগ দেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। শনিবার সঙ্ঘের (RSS) সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন আরএসএস-এর দুই সর্বভারতীয় পদাধিকারী সুনীল আম্বেকর এবং মনমোহন বৈদ্য। সাংবাদিক বৈঠকে সঙ্ঘের কাজের রিপোর্টও প্রকাশ করেন মনমোহন বৈদ্য। তিনি জানান, ফি বছর বাড়েছে সঙ্ঘের শাখা। ২০২০ সালে সারাদেশে শাখার সংখ্যা ছিল ৬২ হাজার ৪১৯ বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ৬৮ হাজার ৫৫১ তে।

    নারী সশক্তিকরণে জোর

    ২০২৫ সালে সঙ্ঘ শতবর্ষে পদার্পণ করবে। সেই লক্ষ্যে সংগঠনের কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে জোর দিচ্ছে সঙ্ঘ (RSS)। ইতিমধ্যে শাখা সংগঠনগুলিও একাজে নেমে পড়েছে বলে জানান মনমোহন বৈদ্য। জানা গিয়েছে, সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করা মহিলাদের ১১টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এনজিও-এর কর্ণধার, উকিল, ডাক্তার, প্রশাসনিক আধিকারিক, লেখিকা, গ্রামস্তরের রাজনীতিবিদ, জনজাতি সমাজের মধ্যে কার্যরত মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো হবে। দেশজুড়ে এনিয়ে মহিলা সম্মেলনও শুরু করে দিয়েছে সঙ্ঘ (RSS)। অগাস্ট থেকে শুরু হওয়া সম্মেলনগুলি চলবে জানুয়ারি পর্যন্ত। দেশের নানা প্রান্তে মোট ৪১১টি মহিলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। মনমোহন বৈদ্য জানান, ইতিমধ্যে ৭৩টি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসাহ সহকারে বিভিন্ন পেশার মহিলারা তাতে অংশগ্রহণ করেছেন। সঙ্ঘের রিপোর্ট অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ১লাখ ২৩ হাজার মহিলা এই সম্মেলগুলিতে অংশগ্রহণ করেছেন।

    আরও পড়ুুন: পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই, এবার জানিয়ে দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও

    আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা ভারতেই দেখা যায়

    এদিন স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধির সনাতন ধর্ম বিরোধী মন্তব্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে মনমোহন বৈদ্য বলেন, ‘‘আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা আমাদের দেশের অন্যতম ভিত্তি। এখানে মনে করা হয় প্রতিটি মানুষের মধ্যে ঈশ্বরের বাস। সনাতন ধর্ম বিদ্বেষী মন্তব্য যাঁরা করেন, তাঁরা জানেন না ধর্ম কী? ভারতের ধর্ম পাশ্চাত্যের রিলিজিয়নের থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। সনাতন ধর্ম তো সর্বত্র বিরাজমান। তাইতো লোকসভায় দেখা যায়, লেখা রয়েছে ‘ধর্মচক্রপ্রবর্তন’ এবং সুপ্রিম কোর্টে ‘যথা ধর্ম তথা জয়’।’’ সঙ্ঘ (RSS) নেতা আরও জানিয়েছেন দেশের যুব সমাজের মধ্যে স্বয়ংসেবক হওয়ার বিপুল আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। প্রতিবছর ১ লাখের বেশি যুবক অনলাইনে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Yogi Adityanath: সনাতন ধর্মই ভারতের রাষ্ট্রীয় ধর্ম, সাফ জানালেন যোগী আদিত্যনাথ

    Yogi Adityanath: সনাতন ধর্মই ভারতের রাষ্ট্রীয় ধর্ম, সাফ জানালেন যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মই (Sanatan Dharma) ভারতের (India) রাষ্ট্রীয় ধর্ম। রাজস্থানের ভিনমলে নীলকণ্ঠ মহাদেব মন্দিরের পুননির্মাণ ও মূর্তি প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। ওই অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে হাজির ছিলেন তিনি।

    আদিত্যনাথ উবাচ…

    বক্তৃতা দিতে গিয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সনাতন ধর্মই ভারতের রাষ্ট্রীয় ধর্ম। যখন আমরা স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারি, কেবল তখনই আমরা রাষ্ট্রীয় ধর্মের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারি। তিনি বলেন, আমরা যখন জাতীয় ধর্মের সঙ্গে একাত্মবোধ করি, তখন আমাদের দেশও সুরক্ষিত থাকে। এদিনের অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, অতীতে কখনও যদি আমাদের ধর্মীয় স্থানকে ধ্বংস করা হয়ে থাকে বা তাকে অপবিত্র করা হয়ে থাকে, তাহলে সেই স্থানগুলিকে পুরনো মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রচার অভিযান চালানো জরুরি। ঠিক যেমন অযোধ্যার রাম মন্দিরের ক্ষেত্রে হয়েছে। তিনি (Yogi Adityanath) বলেন, ৫০০ বছর ধরে লড়াই চালানোর পর সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দক্ষতায় সুউচ্চ, সুরম্য রামমন্দির তৈরি হচ্ছে। আপনারা সবাই তাতে সাধ্য মতো দান করেছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জলবিদ্যুৎ মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতও। মন্দির উদ্বোধনের পর লাগোয়া এলাকায় একটি রুদ্রাক্ষ বৃক্ষ রোপণ করেন আদিত্যনাথ ও শেখাওয়াত।

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই বারাণসীর জ্ঞানবাপী ও মথুরার শাহি ইদগা মসজিদ নিয়েও অযোধ্যার মতোই দাবি তুলেছে হিন্দুত্ববাদী নানা সংগঠন। বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্কের আঁচ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পাশে মসজিদটির বাইরের দেওয়াল সংলগ্ন এলাকায় মা শৃঙ্গার গৌরী স্থল বলে দাবি করেছেন হিন্দুরা। মা শৃঙ্গার গৌরীর কাছে প্রার্থনা করার দাবি জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। এদিকে, মসজিদের ওজুখানায় শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে দাবি করে হিন্দত্ববাদী সংগঠন। তাঁদের এও দাবি, আদালতের নির্দেশে ভিডিওগ্রাফি করার সময় ওজুখানায় শিবলিঙ্গ দেখা গিয়েছে। যদিও মসজিদ কমিটির দাবি, ওজুখানায় থাকা বস্তুটি শিবলিঙ্গ নয়, সেটি আদতে একটি ফোয়ারা।

    আরও পড়ুুন: আরএসএস, বিজেপি নেতাদের সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে ফলওয়ালাকে রিপোর্টার নিয়োগ করেছিল পিএফআই!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

     

LinkedIn
Share