Tag: sandeshkhali incident

sandeshkhali incident

  • Sheikh Sahajahan: ১১৩ পাতার চার্জশিট! জমি দখল করে কত কোটি টাকার সম্পত্তি করেছেন শাহজাহান?  

    Sheikh Sahajahan: ১১৩ পাতার চার্জশিট! জমি দখল করে কত কোটি টাকার সম্পত্তি করেছেন শাহজাহান?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি দখল করে প্রায় ২৬১ কোটি টাকার সম্পত্তি করেছেন শেখ শাহজাহান (Sheikh Sahajahan)। সন্দেশখালির জেলবন্দি তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিটে এমনই দাবি করল ইডি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অভিযোগ, দুর্নীতির মাধ্যমে এই সম্পত্তি করা হয়েছে। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে প্রথম চার্জশিট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জমি দখল সংক্রান্ত মামলায় সোমবার কলকাতায় বিশেষ ইডি আদালতে এই চার্জশিট পেশ করেছে ইডি। 

    চার্জশিটে কী বলল ইডি

    আদালতে শুনানির পরে সোমবার ইডির আইনজীবী বলেন, ‘‘তদন্তের ৫৬ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা হল। অভিযুক্ত চার জনের বিরুদ্ধে জমি দখল এবং তোলাবাজির মাধ্যমে সম্পত্তি করার অভিযোগ রয়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ২৬১ কোটি টাকার সম্পত্তি চিহ্নিত করা হয়েছে।’’ চার্জশিটে জানানো হয়েছে, আনুমানিক ১৮০ বিঘা জমি দখল করেছেন শাহজাহান। তবে সেই পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।  ১১৩ পাতার ওই চার্জশিটে শাহজাহান ছাড়াও নাম রয়েছে শাহজাহানের (Sheikh Sahajahan) ভাই আলমগির এবং তাঁর দুই ‘সঙ্গী’ দিদার বক্স ও শিবু হাজরার। সাক্ষী হিসাবে সরকারি আধিকারিকদেরও বয়ান নেওয়া হয়েছে। সিবিআই সন্দেশখালিতে অভিযান চালিয়ে যে অস্ত্র উদ্ধার করেছিল, সে কথারও উল্লেখ আছে চার্জশিটে।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপটে সোমবার বিকেলেও বৃষ্টি শহরে, কবে কাটবে দুর্যোগ?

    জামিন পাওয়া কঠিন

    চলতি বছরের শুরু থেকেই টানা সংবাদ শিরোনামে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। দীর্ঘদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর অবশেষে ধরা পড়েছেন শেখ শাহজাহান (Sheikh Sahajahan)। তারপর থেকে বহু জল বয়ে গিয়েছে সন্দেশখালির উপর দিয়ে। মুখ খুলেছেন সন্দেশখালির মানুষরা। জানিয়েছেন তাঁদের অভিযোগের কথা। উঠে এসেছে জমি দখল সংক্রান্ত বিস্তর অভিযোগ। জমি দখল সংক্রান্ত ওই অভিযোগগুলির তদন্ত শুরু করেছিল ইডি। প্রসঙ্গত, মার্চের গোড়ায় শাহজাহান এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত ১২ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার সম্পত্তি আটক করেছিল ইডি। তার পর আবার মে মাসে দ্বিতীয় দফায় তাঁর স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি আটক করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। গত ১৭ মে ইডির তরফে জানানো হয়, শাহজাহানের ১৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে তিন কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা আটক করা হয়েছে। তার পাশাপাশি, ৫৫টি স্থাবর সম্পত্তি, যার বাজারমূল্য ১০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, তা-ও আটক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে জমি দখল সংক্রান্ত যা তথ্য ইডির কাছে রয়েছে তার ফলে শেখ শাহাজাহানের জামিন পাওয়া মুশকিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mampi Das: “মমতার শেষ দেখে ছাড়ব”, জেলমুক্ত হয়েই হুঙ্কার সন্দেশখালির মাম্পির

    Mampi Das: “মমতার শেষ দেখে ছাড়ব”, জেলমুক্ত হয়েই হুঙ্কার সন্দেশখালির মাম্পির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ দেখে ছাড়ব। তাঁকে হারিয়ে দেখাব। এই লোকসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবেন।” শনিবার দমদম জেল থেকে ছাড়া পেয়ে এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে গেলেন সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী পিয়ালি ওরফে মাম্পি দাস (Mampi Das)। শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট অবিলম্বে মুক্তি দিতে বলেছিল মাম্পিকে। আলাদতের প্রশ্ন, “এর পিছনে (মাম্পির গ্রেফতারি) কার মাথা কাজ করছে? নিম্ন আদালতের বিচারক, পুলিশ কেউ কি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ জানেন না?”  আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর শনিবারই জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় সন্দেশখালির এই বিজেপি নেত্রীকে।

    কী বললেন মাম্পি? (Mampi Das)

    এদিন জেল থেকে মুক্তি পেয়েই মাম্পি হাতিয়ার করেন সন্দেশখালির ঘটনাকে। তিনি (Mampi Das) বলেন, “সন্দেশখালির নারী নির্যাতনের ঘটনা মিথ্যা নয়। এখানে আন্দোলনকারী মহিলাদের পাশে আমি সব সময় থাকব।” রাজ্য সরকারকে নিশানা করে এই পদ্ম-নেত্রী বলেন, “মিথ্যা অভিযোগে আমায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। আদালতে তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টকে অসংখ্য ধন্যবাদ। পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিজেপিকেও।”

    বেআইনিভাবে গ্রেফতারের অভিযোগ

    সন্দেশখালির ঘটনায় একাধিক অভিযোগে বারংবার খবরে উঠে এসেছেন সন্দেশখালির মাম্পি। এর মধ্যে আবার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের মতো অসত্য মামলা রুজু করানোর মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সন্দেশখালির স্টিং ভিডিওয়ও গঙ্গাধর কয়ালের মুখে শোনা গিয়েছিল মাম্পির নাম। একের পর এক অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশি নোটিশ পেয়ে গ্রেফতারি এড়াতে মাম্পি দ্বারস্থ হন বসিরহাট আদালতে। সেখানে আগাম জামিন চাইতে গিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময়ই অন্য একটি মামলায় বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    আর পড়ুন: আদালতের নোটিশ ফেরত সচিবের, ঔদ্ধত্যের জবাব দিলেন বিচারপতি

    নিম্ন আদালত মাম্পিকে সাত দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। বসিরহাট আদালতের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেন সন্দেশখালির এই গেরুয়া নেত্রী। শুক্রবার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন মঞ্জুর হয় তাঁর। তার পরেই মাম্পির চাঁদমারি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাম্পি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়ব না। উনি মানুষ নন। নারী নামেরও কলঙ্ক।” তিনি বলেন, “সত্যের পথেই আছি। সত্যের সঙ্গেই আছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখাব। নারীর ওপর এত অনাচার হচ্ছে আর উনি একজন নারী হয়েও তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন না! সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের পাশে আছি শুরু থেকেই, ভবিষ্যতেও থাকব (Mampi Das)।” প্রসঙ্গত, এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৯ জুন। তার আগে ৪ জুন বের হবে লোকসভা নির্বাচনের ফল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি নিয়ে ফের নতুন আবেদন সুপ্রিম কোর্টে, কী বলছেন মামলাকারীরা?

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি নিয়ে ফের নতুন আবেদন সুপ্রিম কোর্টে, কী বলছেন মামলাকারীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির মূল মামলার সঙ্গে যুক্ত হতে চেয়ে সুপ্রিম দুয়ারে আর্জি জানিয়েছিলেন সেখানকারই মহিলাদের একাংশ। মঙ্গলবার সেই আবেদন গ্রহণ করল শীর্ষ আদালত। বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ মূল মামলার সঙ্গে সন্দেশখালির মহিলাদের একাংশের মামলা যুক্ত করার অনুমতি দিয়েছে। আগামী জুলাই মাসে সন্দেশখালির মামলার শুনানি রয়েছে। তখনই এই আর্জি শুনবে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ। 

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    সম্প্রতি একটি ভাইরাল ভিডিও-তে কিছু অনৈতিক দাবি করা হয়েছে।  সন্দেশখালির ওই ভিডিও নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সেখানকার স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। ভাইরাল ভিডিওর বিষয় নিয়ে আবার সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্ত চেয়ে আবেদন করেছেন সন্দেশখালির মহিলাদের একাংশ। তারা নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন তদন্ত চান। সূত্রের খবর, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো সন্দেশখালির মূল মামলার সঙ্গে গঙ্গাধর কয়ালের ভিডিও সংক্রান্ত মামলাটিও যুক্ত হতে পারে। সন্দেশখালি সংক্রান্ত মূল মামলাটির শুনানি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে চলছে। সন্দেশখালিতে সিবিআই তদন্তের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তার বিরোধিতা করে সু্প্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি আপাতত স্থগিত রেখেছে শীর্ষ আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের রায়েও কোনও হস্তক্ষেপ করেনি সু্প্রিম কোর্ট। এই মামলার শুনানি আগামী জুলাই মাস পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বঙ্গে পঞ্চম দফায় ৭৬২, ষষ্ঠ দফাতে ১০২০ কোম্পানি বাহিনী!

    সাজানো ঘটনা দাবি শুভেন্দুর 

    গত ৪ মে-র পর থেকে এখনও পর্যন্ত সন্দেশখালি নিয়ে একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সোমবারই সন্দেশখালি প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, ”এইসব ভিডিও করার পিছনে ভাইপোর মস্তিষ্ক রয়েছে। আইপ্যাককে দিয়ে এই কাজ করানো হয়েছে।” রাজ্যের পুলিশও এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত বলে দাবি শুভেন্দু। পরপর ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে রবিবার উত্তপ্ত হয়েছিল সন্দেশখালি। ওই ঘটনায় চারজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে সন্দেশখালি থানার পুলিশ। এলাকার বিজেপি কর্মী সমর্থকদের দাবি, ধৃত এই চারজন বিজেপি কর্মী গোলমালের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। তৃণমূল পরিকল্পনা করিয়ে পুলিশকে দিয়ে তাদের গ্রেফতার করিয়েছে! সোমবার ভোট শেষের পর বিকেলে সেই গ্রেফতারির প্রতিবাদেই পথে নামেন সন্দেশখালির মহিলারা। উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: বেআইনি ভাবে জমি দখলের মামলায় শাহজাহান শেখের ভাইকে ফের তলব ইডির

    Sandeshkhali Incident: বেআইনি ভাবে জমি দখলের মামলায় শাহজাহান শেখের ভাইকে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি কাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) ধৃত তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের ভাই সিরাজউদ্দিন শেখকে ফের তলব করল ইডি। শাহজাহানের আরও কয়েক জন আত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদেরও সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে। এর আগে সিরাজকেও তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করা হয়। সিরাজ ও শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি তলব করা হয়েছে ধৃত শিবু হাজরার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদেরও।  

    কী কারনে তলব? (Sandeshkhali Incident)

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহজাহানের ব্যাঙ্কের নথি, জমি লিজের কাগজপত্র খতিয়ে দেখতে গিয়ে এবং ধৃতদের বয়ানে যে সব নাম উঠে এসেছে, তাঁদেরই তলব করা হয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, সন্দেশখালির সরবেড়িয়া, ধামাখালি সহ বেশ কিছু এলাকায় আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের নাম ব্যবহার করে জমির লিজ নিতেন শাহজাহান। তাঁরা অবশ্য কেউই খুব বড় মাপের ব্যবসায়ী নন। শাহজাহান শুধু তাঁদের নামটুকু ব্যবহার করতেন। সেই সব ব্যক্তিদের নামেই জমির লেনদেন হত। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সেই সব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই শাহজাহান ও শিবুর আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের ডেকে পাঠানো হয়েছে।

    সিরাজুদ্দিন শেখের বিরুদ্ধে ইডির পদক্ষেপ 

    উল্লেখ্য সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Incident)পরই শাহজাহানের ভাই সিরাজুদ্দিন শেখের নাম শিরোনামে উঠে আসে। একাধিকবার তাঁকে হাজিরা দেওয়ার জন্য সমন পাঠায় ইডি। কিন্তু প্রতিবারই হাজিরা এড়ান সিরাজউদ্দিন। ইডির (ED) তদন্তকারীদের আশঙ্কা, তদন্ত থেকে বাঁচতে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করে থাকতে পারেন সিরাজউদ্দিন। তাই তিনি যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন, সে কারণে দেশের সব বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে সিরাজউদ্দিনের ছবি এবং তাঁর সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “সন্দেশখালির পাপ ঢাকার জন্য তৃণমূল অনেক কিছু করবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত

    প্রসঙ্গত, গত ১ মে কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) সরবেড়িয়া এলাকায় শাহজাহানদের বাড়ির সামনে যান সিবিআইয়ের একটি দল। সিরাজের বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেন তদন্তকারীরা। কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। তালাবন্ধ বাড়ির বাইরে নোটিশ সেঁটে দিয়ে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা। আর এই ঘটনার পর আবারও সিজিও কমপ্লেক্সে শাহজাহান শেখের ভাইকে তলব করল ইডি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali news: সন্দেশখালির ‘ভুয়ো ভিডিও’ প্রসঙ্গে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপির গঙ্গাধর

    Sandeshkhali news: সন্দেশখালির ‘ভুয়ো ভিডিও’ প্রসঙ্গে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপির গঙ্গাধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও শিরোনামে সন্দেশখালি। এবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali news) ভাইরাল হওয়া ‘ভুয়ো ভিডিও’ প্রসঙ্গে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। অভিযোগ, তাঁর ছবি ব্যবহার করে ‘ভুয়ো’ ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। তার পর তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সমাজমাধ্যমে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলার অনুমতি চেয়েছেন গঙ্গাধর। অনুমতি দিয়েছে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    উল্লেখ্য, সন্দেশখালির যে ভিডিও ভাইরাল (sandeshkhali viral video) হয়েছিল তাতে স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালকে দেখা গিয়েছিল। ভিডিওতে দেখা যায়, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের কাছে তিনি নিজে স্বীকার করছেন, সন্দেশখালির আন্দোলন সাজানো। টাকার বিনিময়ে সেখানকার মহিলারা তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং অত্যাচারের ভুয়ো অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভিডিওতে বিজেপি নেতা গঙ্গাধরকে বলতে শোনা গেছিল, “বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন অভিযোগকারী মহিলাদের। সন্দেশখালির ঘটনা পুরোটাই সাজানো। ২০০০ টাকা দিয়ে তাদের ভুয়ো অভিযোগ করতে বলা হয়েছিল।” এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যে। 

    কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ গঙ্গাধর

    এবার সেই ভিডিও ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন গঙ্গাধর। যদিও বিষয়টি নিয়ে ইতমধ্যেই সিবিআই-এর কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন তাঁরা। তাই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে আবেদন জানান। এই বিষয়ে বিচারপতি বলেন, “কী করে সিবিআই সরাসরি এই ভাবে মামলা নেবে? তাছাড়া সন্দেশখালির সব মামলা এখন ডিভিশন বেঞ্চে। মামলা দায়ের হোক। সোমবার শোনা হবে।” 

    আরও পড়ুন: ভোটের মধ্যেই হুগলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা

    বিজেপির দাবি 

    এ প্রসঙ্গে যদিও ভিডিওটিকে প্রথম থেকেই ‘ভুয়ো’ বলে দাবি করেছে বিজেপি। তাদের দাবি, ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। তৃণমূল ভুয়ো ভিডিও তৈরি করে সন্দেশখালি (Sandeshkhali news) নিয়ে মানুষের ক্ষোভ কমানোর চেষ্টায় রয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshhkhali Incident: ফের সন্দেশখালিতে সিবিআই! কার বাড়িতে ঢুকল এবার?

    Sandeshhkhali Incident: ফের সন্দেশখালিতে সিবিআই! কার বাড়িতে ঢুকল এবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও গুলি, বন্দুক উদ্ধার আবার কখনও স্টিং অপারেশন। সপ্তাহে অন্তত একবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। সেই জানুয়ারি মাস থেকে সংবাদ শিরোনামে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার এই প্রত্যন্ত এলাকা। সোমবার ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল হাজির হয়েছে সন্দেশখালিতে। এবার জমি মাফিয়ার খপ্পড়ে পড়া দিনু মন্ডল ও হান্নান গাজির বাড়িতে উপস্থিত হন সিবিআইয়ের (CBI) তদন্তকারী দলের সদস্যরা।

    দিনু মণ্ডলের বাড়িতে সিবিআই

    এদিন সিবিআই আধিকারিকদের একটি দল ন্যাজাট থানার শিরিষতলায় দীনু মণ্ডলের বাড়িতে উপস্থিত হন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর শেখ শাহজাহানদের দল বলের বিরুদ্ধে বলপূর্বক (Sandeshkhali Incident) জমি দখলের অভিযোগ ছিল। এর মধ্যে একটি অভিযোগ করেছিলেন দীনু মন্ডল। এদিন তাঁর বাড়িতে জমি সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখতে উপস্থিত হন তদন্তকারিরা। স্থানীয় সূত্রে খবর কাগজপত্র দেখানোর পর দিনু মন্ডল নিজের জমিও ঘুরিয়ে দেখান সিবিআই আধিকারিকদের।

    আরও পড়ুন: ভোটের আবহে ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতে এলেন

    হান্নান গাজির বাড়িতেও সিবিআই

    উল্লেখ্য বসিরহাটে (Basirhat) জমি দখল মামলার তদন্তভার বর্তমানে রয়েছে সিবিআই আধিকারিকদের হাতে। গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রের খবর ইমেলের মাধ্যমে বলপূর্বক জমি দখলের (Sandeshkhali Incident)  অভিযোগ জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। এদিন ন্যাজাট থানার ঝুপখালি এলাকার হান্নান গাজি নামে এক ব্যক্তির বাড়িতেও উপস্থিত হন সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানেও জমি জমা দখল সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল। অভিযোগ খতিয়ে দেখেন তদন্তকারিরা। গত মাসে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতন এবং জমি সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার সিবিআইকে গ্রহণ করতে হবে। এরপর অনলাইনে পোর্টাল খুলে ই-মেল মারফত অভিযোগ গ্রহণ শুরু হয়। প্রায় একশোর কাছাকছি অভিযোগ দায়ের হয়। সেই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত নেমেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। গত বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি কাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে তদন্তের স্ট্যাটাস রিপোর্ট মুখ বন্ধ খামে জমা দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?

    Calcutta High Court: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই। বৃহস্পতিবার একটি মুখবন্ধ খামে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে স্টেটাস রিপোর্ট দিয়েছে সিবিআই। আদালতে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, জমির রেকর্ড সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করছে না রাজ্য।

    রাজ্যকে নির্দেশ আদালতের (Calcutta High Court)

    জমি কেড়ে নেওয়া সংক্রান্ত ৯০০টি অভিযোগ রয়েছে। রাজ্য তদন্তে সহযোগিতা না করলে তদন্তে দেরি হবে। এর পরেই প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে হবে রাজ্যকে। রাজ্যের কাছে সিবিআই যেসব নথি চেয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে সিবিআইয়ের হাতে সেসব নথি তুলে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। গত ১০ এপ্রিল সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। সেখানে হতাশ হতে হয়েছে রাজ্যকে। হাইকোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করেনি শীর্ষ আদালত।

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় হস্তক্ষেপ করেনি। রাজ্যকে সহযোগিতা করতে হবে এটাই কাম্য।” প্রধান বিচারপতি জানান, সিবিআই যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তা অত্যন্ত গোপনীয়। তবে জমি দখলের তদন্তে রাজ্যকে যাবতীয় সাহায্য করতে হবে সিবিআইকে। প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, সিবিআইকে সহযোগিতা করতে রাজ্য সরকারকে আধিকারিকদের নিযুক্ত করতে হবে। নিজেদের কৌশল প্রয়োগ করে সন্দেশখালির ঘটনায় সাক্ষীদের কাছ থেকে সঠিক তথ্য বের করে আনতে হবে। তার জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর দায়িত্বও নিতে হবে সিবিআইকে। প্রয়োজনে মহিলা আধিকারিকদের নিযুক্ত করতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুন। সেদিনই সিবিআইকে ফের পরবর্তী রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে কংগ্রেসকে নিশানা মোদির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    সন্দেশখালিকাণ্ডের পর এলাকার রাস্তায় এলইডি লাইট ও সিসিটিভি লাগানোর ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সে ব্যাপারে রাজ্য কোনও পদক্ষেপ না করায় প্রধান বিচারপতির হুঁশিয়ারি, আগামী শুনানির আগে যদি রাজ্য প্রশাসন ওই বিষয়ে পদক্ষেপ না করে, তাহলে ইস্যু করা হবে আদালত অবমাননার রুল। এদিকে, সন্দেশখালি মামলায় যুক্ত হতে চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। বৃহস্পতিবার সেই অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, মামলায় যুক্ত হয়ে হলফনামা দিতে পারবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালির সেই ব্যাগে কী ছিল সিবিআইকে জানাল এনএসজি

    Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালির সেই ব্যাগে কী ছিল সিবিআইকে জানাল এনএসজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা শাহজাহানের (অবশ্য গ্রেফতার হতেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়) গড়ে (Sandeshkhali Violence) অভিযান শেষে শুক্রবার একটি ব্যাগ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিল এনএসজি। সেই ব্যাগে কী ছিল, তা নিয়ে কৌতূহলের অন্ত ছিল না। তবে এনএসজির নিয়ে যাওয়া ব্যাগে কী ছিল, তা জানা গেল এবার, এনএসজি রিপোর্ট দেওয়ার পর। সিবিআইকে দেওয়া রিপোর্টে এনএসজি জানিয়েছে, ওই ব্যাগে দুটি বিদেশি আগ্নায়াস্ত্র ছিল। বেশ কিছু কার্তুজ ও বিস্ফোরকও মিলেছে। এনএসজির রিপোর্ট পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই মামলায় প্রায় দশজনকে তলব করা হচ্ছে। এনএসজি যে রিপোর্ট দিয়েছে, সিবিআই তা আদালতে দেবে বলেও জানা গিয়েছে।

    উদ্ধার অস্ত্র (Sandeshkhali Violence)

    শুক্রবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Violence) প্রথমে অভিযান চালায় সিবিআই। শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় আবু তালেব মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু অস্ত্র। সিবিআইয়ের তরফে খবর দেওয়া হয় এনএসজিকে। ক্যালিবার যন্ত্র নিয়ে এসে দিনভর সন্দেশখালিতে অস্ত্রের খোঁজে তল্লাশি চালায় এনএসজি। নিষ্ক্রিয় করা হয় বেশ কিছু অস্ত্র। বন্দুক, পিস্তল, কার্তুজ ও কয়েকটি রশিদও পায় সিবিআই। সেই রশিদে নাম ছিল শাহজাহানের। কলকাতার একটি দোকান থেকে কেনা হয়েছিল ওই কার্তুজ। সিবিআইয়ের দাবি, সেদিন যে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল, তার মধ্যে একটি আবার শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগিরের।

    সিবিআইয়ের অভিযান

    শুক্রবার সিবিআই তল্লাশি অভিযান চালায় সন্দেশখালির (Sandeshkhali Violence) দুটি ঠিকানায়। সেখানে তিন দিক ভেড়ি দিয়ে ঘেরা একটি পাকা বাড়ির মেঝে খুঁড়ে বিভিন্ন মাপের সাতটি রিভলভার পেয়েছিল তারা। এর মধ্যে তিনটি রিভলভার ও পিস্তল বিদেশি। এর মধ্যে একটি পিস্তল রয়েছে, যেটি ব্যবহার করে পুলিশ। দেশি একটি রিভলভারও রয়েছে। কার্তুজ মিলেছিল সাড়ে তিনশোর মতো।

    আরও পড়ুুন: “মোদি জমানায় গণতন্ত্র বিপন্ন! মিথ্যা কথা”, দাবি সুব্রহ্মণ্যমের

    অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট বসিরহাট মহকুমা আদালতে জমা দিয়েছে সিবিআই। তদন্তের স্বার্থে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র নিজেদের কাছে রাখার আবেদনও জানানো হয়েছিল। সিবিআইয়ের আবদেন মঞ্জুর করেছেন বিচারক। জানা গিয়েছে, আবুল স্ত্রীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Case: “একজনকে বাঁচাতে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসবে কেন?” সন্দেশখালিকাণ্ড বিস্মিত সুপ্রিম কোর্ট

    Sandeshkhali Case: “একজনকে বাঁচাতে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসবে কেন?” সন্দেশখালিকাণ্ড বিস্মিত সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একজন বেসরকারি ব্যক্তিকে বাঁচাতে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসবে কেন?” সন্দেশখালিকাণ্ড মামলায় (Sandeshkhali Case) এমনই মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন সন্দেশখালিকাণ্ডে একজন বেসরকারি ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষায় আদালতে আবেদনকারী হিসেবে দাঁড়াবে, তা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করে দেশের শীর্ষ আদালত।

    বিস্মিত আদালত (Sandeshkhali Case)

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে শুনানি চলছিল এই মামলার। সেই সময়ই রাজ্য সরকারের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির কাছে বিস্ময় প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। প্রশ্ন তোলে, “একজন বেসরকারি ব্যক্তিকে বাঁচাতে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসবে কেন?”

    কী বলল রাজ্য?

    রাজ্যের কৌঁসুলি জানান, এর (Sandeshkhali Case) কারণ হল, ঘটনার পর থেকে হাইকোর্টের নির্দেশে এমন কিছু মন্তব্য ছিল, যাতে তার মক্কেলের মর্যাদাহানি হয়েছে। কৌঁসুলি জানান, রাজ্য সরকার যখন সক্রিয়ভাবে পদক্ষেপ করেছে, তখন তার বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য করা ঠিক নয়। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের তরফে করা আবেদনে বলা হয়েছে, “হাইকোর্ট একটি খুব সাধারণ আদেশে রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে যে কোনও নির্দেশিকা ছাড়াই সিবিআইকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে হবে, যা সন্দেশখালি এলাকায় যে কোনও অপরাধ, জনস্বার্থ মামলাকারীদের অভিযোগের সঙ্গে তার সম্পর্ক যদি নাও থাকে, তার তদন্ত করার জন্য রাজ্য পুলিশের ক্ষমতা হরণ করার সমান।

    আরও পড়ুুন: সম্পদের পুনর্বণ্টন, সম্পত্তি কর, কংগ্রেসকে একেবারে ধুয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এদিনই সুপ্রিম কোর্টে মুলতুবি হয়ে গিয়েছে সন্দেশখালি মামলার শুনানি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে গ্রীষ্মাবকাশের পর, জুলাই মাসে। সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলাই আপাতত মুলতুবি রইল। হাইকোর্টের রায়েও হস্তক্ষেপ করেনি শীর্ষ আদালত। বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এই মামলায় মহিলাদের ওপর নির্যাতন, জমি কেড়ে নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে। তার পরেই জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত এই মামলার শুনানি মুলতুবি রাখার কথা জানায় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত  এও জানিয়েছে, মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে বলে তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত করা যাবে না। তা যেমন চলছিল, চলবে। হাইকোর্টে চলা মামলায় কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে (Sandeshkhali Case) সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালি মামলার শুনানি মুলতুবি, তবে চলবে তদন্ত, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালি মামলার শুনানি মুলতুবি, তবে চলবে তদন্ত, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে মুলতুবি হয়ে গেল সন্দেশখালি (Sandeshkhali Violence) মামলার শুনানি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে গ্রীষ্মাবকাশের পর, জুলাই মাসে। সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলাই আপাতত মুলতুবি রইল। হাইকোর্টের রায়েও হস্তক্ষেপ করেনি শীর্ষ আদালত।

    কী বলছে আদালত? (Sandeshkhali Violence)

    বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এই মামলায় মহিলাদের ওপর নির্যাতন, জমি কেড়ে নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে। তার পরেই জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত এই মামলার শুনানি মুলতুবি রাখার কথা জানায় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত (Sandeshkhali Violence) এও জানিয়েছে, মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে বলে তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত করা যাবে না। তা যেমন চলছিল, চলবে। হাইকোর্টে চলা মামলায় কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, সন্দেশখালি মামলায় নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে জমি জবরদখল করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তাই কোনওভাবেই এর বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত করা যাবে না।

    শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সন্দেশখালির তৎকালীন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তার শাগরেদদের বিরুদ্ধে জমি দখল এবং নারী নির্যাতনের একরাশ অভিযোগ দায়ের হয়েছিল পুলিশের কাছে। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর পঞ্চান্ন দিনের মাথায় মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় শাহজাহানকে। সিবিআই এবং ইডি হেফাজতে দিন কতক কাটিয়ে শাহজাহান আপাতত গারদে। শিবু হাজরা-সহ শাহজাহানের কয়েকজন স্যাঙাৎও গ্রেফতার হয়েছে। সন্দেশখালি নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে।

    আরও পড়ুুন: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    সম্প্রতি তারই একটি মামলার শুনানিতে সিবিআইকে সিট গঠনের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ সন্দেশখালি নিয়ে একটি ইমেল আইডি চালু করার নির্দেশও দেয়। সেখানেই জমা হতে থাকে অভিযোগের পাহাড়। নারী নির্যাতনের পাশাপাশি নানা বিষয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছে সিবিআইকে। সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার নেওয়ার পর বেশ কয়েকবার সেখানে গিয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা। হাইকোর্টের এই সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করেই শুক্রবার শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলার শুনানিই মুলতুবি রাখল শীর্ষ আদালত (Sandeshkhali Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share