Tag: sandeshkhali incident

sandeshkhali incident

  • Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিল ওখানে। লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।” বক্তা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে  সিবিআই-কে (C.B.I.) তৃণমূল (T.M.C.) নেতা কুণাল ঘোষ তাঁর বাক্যবাণ সংযোগে যেভাবে নির্লজ্জ আক্রমণ করেছেন তার যোগ্য জবাব এভাবেই দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    কী বলেছিলেন কুণাল (Sandeshkhali)?

    “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ। কেজি কেজি বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করার পর কুণালের মন্তব্য, “আগে থেকে কেউ রেখে দিতে পারে। পুলিশের উচিত ছিল সেটা দেখা। বাংলাকে বদনাম করার চক্রান্ত। ভোটের মধ্যে তৃণমূল সম্পর্কে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করার জন্য অস্ত্র উদ্ধারের নাটক। পুলিশের ইন্টেলজেন্স কোথায়।” শুক্রবার এই মন্তব্য করেছিলেন কুণাল ঘোষ। শনিবারও নিজের মন্তব্যেই কায়েম ছিলেন তিনি। বলেছেন, “যা বলেছি ভুল কোথায়”।

    সুকান্তের বক্তব্য

    পাল্টা সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বেনজির কটাক্ষ ছুড়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আসলে উনি সব জানেন। আর বাকিরা কেউ কিছু জানে না। আমি আর শুভেন্দু অধিকারী পিঠে বোঝা নিয়ে গিয়েছিলাম। দিলীপ ঘোষ গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল আগে থেকে। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু একটা একটা করে অস্ত্র রেখেছিলাম ওখানে। আর পাশ থেকে লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।”

    পুলিশের ব্যর্থতা

    পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফেলিওর। নাকি সব জেনেও পুলিশ চুপ ছিল প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। যেভাবে বছরের পর বছর শাহজাহানের (Sandeshkhali) বিরুদ্ধে অভিযোগের পরেও তাঁকে ছেড়ে রেখেছিল পুলিশ তাতে রাজ্য পুলিশের থেকে কী আর আশা করা যায় বলছেন রাজ্যের বিরোধী নেতারা।

    আরও পড়ুন: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    কী কী উদ্ধার হয়?

    শুক্রবার শাহজাহানের বাড়ির (Sandeshkhali) আধা কিলোমিটেরর মধ্যে তাঁর এক সাগরেদের বাড়ি থেকে দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ ও বিষ্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই (CBI)।  বিষ্ফোরক উদ্ধার করতে নামাতে হয় রোবট। নামানো হয় এনএসজি কমান্ডো। সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার একটি বাড়ির মেঝে ভেঙে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভাণ্ডার।  ইডির উপর হামলার ঘটনার তদন্তে এসে তৃণমূল পরিচালিত সরবেড়িয়ার আগারহাটি পঞ্চায়েত সদস্য হাফিজুল খাঁয়ের আত্মীয় আবু তাহের মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাফিজুল খাঁয়ের ভগ্নিপতি হন এই আবু তাহের মোল্লা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan) রোহিঙ্গাদের (Rohingya) নিয়ে এসে ক্যাম্প তৈরি করেছিলেন। সেই ক্যাম্পের খরচ দিত জেলা পরিষদ। বিষ্ফোরক অভিযোগ বিজেপির বর্ধমান দুর্গাপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। শেষ দফায় ১ জুন বসিরহাটে (Basirhat) নির্বাচন হবে। দেশ জুড়ে নির্বাচন চলাকালীন সন্দেশখালি (Sheikh Shahjahan Sandeshkhali) থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ফের জাতীয় রাজনীতির ইস্যু হয়ে গিয়েছে সন্দেশখালি। দেশি, বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সহ একশোর বেশি রাউন্ড গুলি বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই (CBI)। উদ্ধার হয়েছে বিষ্ফোরক। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। নামাতে হয়েছে এনএসজি (NSG) কমান্ডো। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক অস্ত্রপাচারের যোগের অভিযোগ করেছে বিজেপি।

    দিলীপ ঘোষের বক্তব্য (Seikh Shahjahan)

    দিলীপ ঘোষ বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকা যদি অস্ত্রের আড়তে পরিণত হয়, তাহলে দেশের সুরক্ষা কোথায়? যারা ইডির উপর হামলা চালিয়েছিল তারা প্রত্যেকে সন্ত্রাসবাদি। কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত তল্লাশি চালিয়ে প্রত্যেককে জেলে ভরা। শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan)  রোহিঙ্গাদের নিয়ে এসে ওখানে ক্যাম্প তৈরি করেছিল। সেই ক্যাম্পের খরচ চালাত ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ। ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের পাঠানো হত সারা ভারতের নানান প্রান্তে।”

    ঘটনার সূত্রপাত

    গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারকদের উপর হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তদন্তে সন্দেশখালিতে গিয়ে শেখ শাহজাহানের (Seikh Shahjahan)  বাড়ির ৫০০ মিটার দূরের একটি বাড়ি থেকে বিপুল অস্ত্র ভান্ডার বাজেয়াপ্ত করল সিবিআই। বিরোধীদের প্রশ্ন সিবিআই এখানে অস্ত্রের হদিশ পায়। অথচ পুলিশ কেন পায় না। পুলিশের বিরুদ্ধে আগেও উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। শাহজাহান ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে উল্টে তাদের কাছেই আলাপ আলোচনার জন্য নাকি পাঠিয়ে দিত পুলিশ। সেই অভিযোগে নতুন অধ্যায় জুড়ল সন্দেশখালি থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার। এমনকি এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ইন্টেলিজেন্স ফেলিওরের তত্ত্ব এনেছেন খোদ রাজ্যের তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। শেখ শাহজাহানের সাগরেদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্রভাণ্ডার। বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার আধার কার্ড, প্যান কার্ড, আগ্নেয়াস্ত্র কেনার লাইসেন্স ও কার্তুজ কেনার বিল সহ আরও বহু নথি।

    উঠছে আরও অনেক প্রশ্ন

    বিরোধী দলের নেতাদের প্রশ্ন সন্দেশখালিতে এত অস্ত্র এল কোথা থেকে? কারা আনল, কী কারণে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ওই বাড়িতে? ওই অস্ত্র কী ভোটের সময় সন্ত্রাসের জন্য মজুত করা হয়েছিল? এই অস্ত্রের জোরেই কি ইডির উপর হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছিল দুষ্কৃতীরা? একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। সন্দেশখালির মাস্টার মাইন্ড শেখ শাহজাহানের (Seikh Shahjahan)  সঙ্গে এই অস্ত্রের যোগ পাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

    বিরোধী দলনেতার বক্তব্য

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Seikh Shahjahan) এক্ষেত্রে বলেছেন, “যদি মিনাখাঁতে যান আইয়ুব গাজীর বাড়ি থেকে অস্ত্র পাবেন। জীবনতলায় যান শওকত মোল্লার ডেরা থেকে অস্ত্র পাবেন। বাসন্তীতে গেলে রাজা গাজীর ডেরা থেকে অস্ত্র পাবেন।” যে কটি নাম বলেছেন বিরোধী দলনেতা সকলেই নিজ-নিজ এলাকায় শাসকদলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানগড়ে অস্ত্রভান্ডারে মিলল পুলিশের রিভলভার, শোরগোল

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও কুনাল ঘোষ এর বক্তব্য এই অস্ত্র সিবিআই রেখে দিয়ে আই ওয়াশ করা তদন্ত করেছে। পুলিশের আগে থেকে সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। পুলিশের ইন্টেলিজেন্স কি করছিল। কেউ অস্ত্র রেখে রাজ্যকে বদনাম করার চেষ্টা করছে কিনা সেটা পুলিশের নজরদারি রাখা উচিত ছিল। অস্ত্র পাওয়া গেলে পুলিশের ভূমিকা ওতো অবশ্যই প্রশ্নের মুখে পড়বে। রাজনৈতিক কারণে শুভ কুনাল ঘোষ যাই বলুন না কেন ইন্টেলিজেন্স ফেললিয়নের কথা তিনি ঘুরিয়ে স্বীকার করে নিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক উদ্ধারে নামানো হল রোবট, এনএসজি কমান্ডো, আরও চাপে শাহজাহান

    Sandeshkhali: আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক উদ্ধারে নামানো হল রোবট, এনএসজি কমান্ডো, আরও চাপে শাহজাহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহজাহানের ডেরায় বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল সিবিআই (CBI)। বিষ্ফোরক উদ্ধার করতে নামাতে হল রোবট। নামানো হলে এনএসজি কমান্ডো। সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার একটি বাড়ির মেঝে ভেঙে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভাণ্ডার। আনুমানিক ১০ থেকে ১৫টি দেশী ও কিছু বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। খোঁজ মিলেছে বস্তা বোঝাই বিষ্ফোরকের। জানা গিয়েছে, ইডির উপর হামলার ঘটনার তদন্তে এসে তৃণমূল পরিচালিত সরবেড়িয়ার আগারহাটি পঞ্চায়েত সদস্য হাফিজুল খাঁয়ের আত্মীয় আবু তাহের মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাফিজুল খাঁয়ের ভগ্নিপতি হন এই আবু তাহের মোল্লা।

    বেআইনি অস্ত্রের হদিস সিবিআই-এর

    আদালতের নির্দেশে সন্দেশখালির তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়া হয়। তদন্তভার নেওয়ার পর বেশ কয়েক বার সন্দেশখালি এসেছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার গোয়েন্দারা। শেষ শনিবারও সন্দেশখালিতে এসেছিল সিবিআইয়ের দু’টি দল। একটি দল গিয়েছিল থানায়। অন্য দল গিয়েছিল সুন্দরীখালির দিকে। এদিন মল্লিকপুরে আবু তাহের মোল্লার ভেড়ি ঘেরা বাড়িতে আসে তদন্তকারী দল। মূল সড়ক থেকে ভেড়ির আল বরাবর ইট পাতা রাস্তা হয়ে ওই বাড়িতে ঢোকে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও তদন্তকারী দল। তদন্তকারী দল এদিন নিজেদের সঙ্গে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও কিছু স্ক্যানার নিয়ে এসেছিল। ওই বাড়ির ৫০০ মিটার দুরের একটি বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। নির্দিষ্ট সূত্র মারফত খবর পেয়ে বাড়িতে ঢুকে মেঝে স্ক্যান করা হয়। মেঝের নীচে ধাতব ও সন্দেহজনক বস্তু লক্ষ করা যায়। এর পর মেঝে ভাঙার কাজ শুরু হয়। মেঝে ভেঙে বিপুল পরিমাণ বেআইনি অস্ত্রের হদিস পায় তদন্তকারীরা। কিন্তু সেই অস্ত্রের পরিমাণ কী তা জানান নি তদন্তকারীরা। অসমর্থিত সূত্রের খবর দেশী ও বিদেশী বেআইনি অস্ত্র ও এক বস্তা বোমা পাওয়া গেছে। এগুলি সক্রিয় নাকি নিষ্ক্রিয় তদন্তকারীরা দেখে নিতে চাইছেন।

    রাজনৈতিক তরজায় বিজেপি-তৃণমূল

    ২০২৪’এর লোকসভার দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের দিনে আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা উদ্ধার নিয়ে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সন্দেশখালিতে। এখনও পাঁচ দফা নির্বাচন বাকি। ১ জুন বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন। এরই মাঝে কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেছেন, “ অস্ত্র মজুতের ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের মদত রয়েছে। ভোটের জন্য মজুত করা হয়েছিল অস্ত্র।” পাল্টা তৃণমূল নেতা শান্তনু সেন বলেন, “যারা মানুষের রায়ে জিতে আসে তাঁদের অস্ত্রের দরকার হয় না। যারা মানুষের রায়ে প্রত্যাখাত হয়েছে, তাঁদের অস্ত্রের দরকার হয়।”

    প্রচুর পরিমাণে বিষ্ফোরক মজুত অনুমান

    জানা গিয়েছে অস্ত্র মজুতের ঘটনায় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। ১০০ মিটারের মধ্যে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ ছিল এদিন। তবে দিন দুপুরের পরেই বদলে যায় পরিস্থিতি। হঠাৎ গাড়ি ভর্তি করে একদল এনএসজি কমান্ডো আসে এলাকায়। কী কারণে তাঁরা এসেছেন, সেই বিষয় নিয়ে সকলের মুখে কুলুপ। এর পরেই দেখা যায়, মঙ্গল গ্রহে কিংবা চন্দ্রযানে যেমন রোভার নামানো হয়েছিল সেরকম একটি রোবট এগিয়ে যায় ওই মেঝে ভাঙা ঘরের দিকে। এর পরেই সকলের কৌতুহল আরও বাড়তে থাকে। অসমর্থিত সূত্রের খবর, প্রচুর পরিমাণে বিষ্ফোরক মজুত রয়েছে সেখানে। কিন্তু পরিমাণ কতটা? শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তা জানানি কেউই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: নৈহাটির মাতৃসদনে টাকা ঢেলছে সন্দেশখালির সংস্থা! পার্থ- শাহজাহান যোগ নিয়ে বিস্ফোরক অর্জুন

    Barrackpore: নৈহাটির মাতৃসদনে টাকা ঢেলছে সন্দেশখালির সংস্থা! পার্থ- শাহজাহান যোগ নিয়ে বিস্ফোরক অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যরাকপুরের (Barrackpore) তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিকের (Partha Bhowmick) সঙ্গে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) যোগের প্রমাণ রয়েছে তাঁর হাতে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। সন্দেশখালির একটি বেসরকারি সংস্থা ওএনজিসি’র সিএসআর ফান্ডের টাকা নৈহাটির মাতৃসদনে বিনিয়োগ করেছে। সন্দেশখালির ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠরা যুক্ত দাবি অর্জুন সিংয়ের।

    এক্স হ্যান্ডেলে অর্জুনের বক্তব্য (Barrackpore)

    সামাজিক মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে ব্যরাকপুরের (Barrackpore) প্রার্থী অর্জুন উল্লেখ করেছেন, “ওএনজিসির ‘সিএসআর’ ফান্ডের টাকায় বেশ কিছু জিনিস দান করা হয়েছিল সন্দেশখালির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মা সারদা ওমেন এন্ড রুরাল ওয়েলফেরায় সোসাইটিকে’। ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সেই জিনিসগুলি আবার নৈহাটি পুরসভার হাসপাতাল মাতৃসদনকে দান করেছে। এদিন  বিকেলে হালিশহরে ভোট প্রচারে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এই ঘটনা সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তাঁর প্রশ্ন ওয়েলফেয়ার সোসাইটি রাজ্যের কোনও সরকারি হাসপাতালকে সেগুলো না দিয়ে নৈহাটির মাতৃসদন হাসপাতালকে কেন প্রদান করেছে? এতেই নৈহাটির সঙ্গে সন্দেশখালি যোগের প্রমান ধরা পড়েছে। শিবু হাজরা নৈহাটির কাঁপা চাকলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জমি কিনেছে দাবি করেন অর্জুন। তিনি আরও জানান আগামী দিনে পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে শেখ শাহজাহানের সরাসরি যোগাযোগ প্রমাণ করে দেবেন।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে এবার উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার, চলল গুলি, পড়ল বোমা, আহত শিশু-সহ ২

    বিজেপির অভিযোগ

    ব্যরাকপুরের (Barrackpore) প্রার্থী বিজেপি অর্জুন আরও বলেন, “নৈহাটি পুরসভার মাতৃসদন হাসপাতাল রোজগারের একটা কেন্দ্রে হিসেবে পরিণত হয়েছে। অন্য হাসপাতালে যাতে রোগী না নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর জন্য চিকিৎসকদের ভয় দেখানো হচ্ছে। তাঁদের বাধ্য করা হচ্ছে এখানে ডিউটি করার জন্য।”  পাল্টা নৈহাটি পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সনৎ দে বলেন, “ কে আমাদের সরঞ্জাম দিল আমরা দেখতে যাব কেন? ওএনজিসি কাকে টেন্ডার দেবে সেটা তাঁদের ব্যাপার। আমরা তাঁদের (ongc) কাছে ডায়েলিসিসের বিভিন্ন সরঞ্জাম সাহায্য হিসেবে চেয়েছিলাম। কিছু জিনিসের প্রয়োজন ছিল। সেটা পেয়েছি। কিভাবে ওএনজিসি ওই সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করল সেটা তাঁদের ব্যাপার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: পুলিশের পর সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই

    Sandeshkhali Incident: পুলিশের পর সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের পর এবার সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই। সন্দেশখালির ঘটনায় (Sandeshkhali Incident) আদালতের নির্দেশে তদন্তে নেমে ই-মেল আইডি তৈরি করে স্থানীয়দের অভিযোগ গ্রহণ করে সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, মেল আইডি খুলে দিতেই সন্দেশখালি থেকে আসা লিখিত অভিযোগ উপচে পড়ে সিবিআইয়ের মেলবক্সে। এরপর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার তদন্তকারী সংস্থা সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে নেমে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল।

    চাপে পড়ে পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিল শিবু-সহ মোট তিন জনের বিরুদ্ধে

    সন্দেশখালিকাণ্ডে এর আগে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) সহযোগী তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরার বিরুদ্ধে ধর্ষণের দুটি অভিযোগ দায়ের করেছিল পুলিশ। বসিরহাট মহকুমা আদালতে অভিযোগকারিণীর গোপন জবানবন্দির ভিত্তিতে শিবু হাজরার (Shibu Hazra) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল শিবু-সহ মোট তিন জনের বিরুদ্ধে। এ বার সন্দেশখালিকাণ্ডে নারী নি‌র্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
    ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের।

    ই-মেইলে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে এক নির্যাতিতার বাড়ি গিয়ে কথা বলে সিবিআই

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ই-মেইলে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে এক নির্যাতিতার বাড়ি গিয়ে কথা বলেন তাঁরা (Sandeshkhali Incident)। অভিযোগকারিনী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বয়ান রেকর্ড করে সিবিআই (CBI)। সেই বয়ানের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ। তবে ধর্ষণে অভিযুক্ত কে বা কারা তা জানা যায়নি।

    গত ১০ এপ্রিল সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইকে (Sandeshkhali Incident) দেয় কলকাতা হাইকোর্টের

    উল্লেখ্য শাহজাহান পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথমে সিবিআই হেফাজত এবং তার পরে ইডি হেফাজতে ছিলেন। বর্তমানে জেলে রয়েছেন শেখ শাহজাহান। গ্রেফতার হয়েছেন শিবু-সহ শাহজাহানের শাগরেদরাও। গত ১০ এপ্রিল সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইকে (Sandeshkhali Incident) দেয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে রাজ্য পুলিশকে সব রকম সাহায্য করার নির্দেশ দেয় আদালত। আর এর পরেই আদালতের নির্দেশে তদন্তে নেমে নারী নি‌র্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident:সন্দেশখালিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন, ডিজি-মুখ্যসচিবের রিপোর্ট তলব কমিশনের

    Sandeshkhali Incident:সন্দেশখালিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন, ডিজি-মুখ্যসচিবের রিপোর্ট তলব কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছিল। সাফ জানানো হল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (NHRC) রিপোর্টে। সন্দেশখালির পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এক ডজন সুপারিশও করেছে কমিশন। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে রাজ্য কী কী পদক্ষেপ করেছে, দু’সপ্তাহের মধ্যে তা জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। রিপোর্টে কমিশন জানিয়েছে, সন্দেশখালির ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে।

    এক ডজন সুপারিশ কমিশনের (Sandeshkhali Incident)

    সন্দেশখালিকাণ্ডে ২১ ফেব্রুয়ারি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পদক্ষেপ করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সন্দেশখালির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ১২ দফা সুপারিশ করেছেন কমিশনের দলের সদস্যরা। এই সুপারিশগুলির মধ্যে রয়েছে, আইনের শাসন সম্পর্কে সন্দেশখালিবাসীর (Sandeshkhali Incident) আস্থা ফিরিয়ে আনা, যাঁরা যৌন অপরাধের শিকার, তাঁদের কাউন্সেলিং করানো, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করাও। তৎকালীন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তার বাহিনী যে জমি দখল করেছে, সেই জমিও প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সন্দেশখালি এলাকা থেকে গত কয়েক বছরে যেসব মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে, তাদের উদ্ধারে তদন্ত চালানোর কথাও বলা হয়েছে সুপারিশে। এই এক ডজন সুপারিশের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করছে, দু’মাসের মধ্যে তা জানাতে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও মুখ্যসচিবকে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

    কেলেঙ্কারিতে যুক্ত শাহজাহানের ভাইও!

    এদিকে, সরকারি অর্থ তছরুপ এবং মহিলাদের যৌন হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগির ও সঙ্গী শিবপ্রসাদ হাজরার বিরুদ্ধে (Sandeshkhali Incident)। সন্দেশখালিতে তদন্তে গিয়ে এমনই অভিযোগ পেয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। তাঁদের সেই বয়ানের ভিত্তিতেই ইডির বিশেষ আদালতে এমনতর দাবি করেছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার আলমগির, শিবপ্রসাদ এবং জনৈক দিদার মোল্লাকে আদালতে হাজির করানো হয়। ২২ এপ্রিল পর্যন্ত তাদের ইডি হেফাজত দিয়েছেন বিচারক। এদিন আদালতে ইডির তরফে বলা হয়, জমি দখলের টাকা পাচার করতে শাহজাহানের সংস্থা থেকে কোটি কোটি টাকা গিয়েছে আলমগির, শিবু এবং দিদারের অ্যাকাউন্টে। তারা সেই টাকা কীভাবে রোজগার করেছে, তা জানতে সন্দেশখালির বেশ কিছু বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলেছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপে আমি দায়বদ্ধ”, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, তৎকালীন তৃণমূল নেতা শাহজাহানের (ইডির হাতে গ্রেফতার হতেই কলঙ্ক মুছতে তড়িঘড়ি তাকে বহিষ্কার করে তৃণমূল) বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডির কর্তারা। সেই ঘটনার তদন্ত শুরু হতেই সন্দেশখালি থেকে বের হচ্ছে একের পর কেলেঙ্কারির কেউটে (Sandeshkhali Incident)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই, সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই, সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি কাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। জনস্বার্থ ও স্বতঃপ্রণোদিত মামলা, দুটো ক্ষেত্রেই সিবিআই-কে সিট গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নজরদারিতে হবে তদন্ত। আদালত জানিয়েছে, নতুন ইমেল আইডি চালু করে সন্দেশখালির ঘটনা সংক্রান্ত অভিযোগ জমা নিতে হবে সিবিআইকে। আজ, বুধবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্ত শুরু করতে বলা হয়েছে।

    আদালতের নির্দেশ

    সন্দেশখালি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মোট পাঁচটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। একত্রে সেই মামলাগুলি শুনছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের তরফে জানানো হয়, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তাই এই মামসার তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়া হয়েছে। মহিলাদের উপর অত্যাচার, সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তফসিলি জনজাতির জমি কেড়ে নেওয়া-সহ বিভিন্ন অভিযোগ বিবেচনা করে তাই আদালত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সিবিআই সন্দেশখালির মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করবে। জমি দখল, ধর্ষণ, চাষের জমিতে ভেড়িতে পরিবর্তন করা-সহ সমস্ত অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই। 

    নতুন পোর্টাল তৈরি

    আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে,  সিবিআই-কে পোর্টাল তৈরি করতে হবে। সিবিআইয়ের চালু করা ইমেল আইডির মাধ্যমে মামলার সব পক্ষকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সিবিআইয়ের কাছে সব অভিযোগ জমা দিতে হবে। অভিযোগকারীদের গোপনীয়তা বজায় রাখতে এই ব্যবস্থা। সন্দেশখালি এলাকায় ওই ইমেল আইডির প্রচার করতে হবে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসককে। বুধবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “সব কিছু দেখে আমাদের কোন সন্দেহ নেই যে এক্ষেত্রে স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থার প্রয়োজন রয়েছে। রাজ্য সব সহযোগিতা করবে তদন্তকারী সংস্থাকে।”

    আরও পড়ুন: ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাটির অপব্যবহার হচ্ছে, মত কর্নাটক হাইকোর্টের

    স্পর্শকাতর এলাকায় সিসিটিভি

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) স্পর্শকাতর এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসাতে বলেছে আদালত। উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, স্থানীয় প্রশাসনকে একসঙ্গে মিলে স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করতে হবে। রাস্তায় বসাতে হবে এলইডি আলো। সিসিটিভি এবং এলইডি আলোর খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশ, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যকে এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং খরচ দিতে হবে। আগামী ২ মে হাইকোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ফের ইডি হেফাজতে শাহজাহান, সন্দেশখালিতে কী চলত, আদালতে বলল তদন্তকারীরা

    Sheikh Shahjahan: ফের ইডি হেফাজতে শাহজাহান, সন্দেশখালিতে কী চলত, আদালতে বলল তদন্তকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandesh Khali) আদিবাসীদের জমি কেড়ে নিয়ে টাকার বিনিময়ে সেই জমি অন্যদের ব্যবহার করতে দিতেন শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। নগদ অর্থের বিনিময়ে বেনামে জমি ব্যবহার করা হত। আদালতে সোমবার এই কথা জানায় ইডি। সেই কালো টাকা সাদা করতে মাছের ভেড়ির ব্যবসা চলত। তাই  দেশের স্বার্থে, সন্দেশখালির মানুষের স্বার্থে শাহজাহানকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই মামলার আরও গভীরে পৌঁছতে চায় ইডি। এদিন ইডির সেই আর্জি মঞ্জুর করেছে আদালত। আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত শাহজাহানকে ইডি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

    কী বলল ইডি

    সোমবার শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) বিশেষ ইডি আদালতে পেশ করার পর, ইডির আইনজীবীরা তুলে ধরেন কী কী চলত সন্দেশখালিতে (Sandesh Khali)। আদালতে ইডির আইনজীবী জানান, জমি ও মাছের ভেড়ি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আদিবাসীদের জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করেন ইডির আইনজীবী। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী জানান, সেখানে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করা হয়েছিল, যার কিংপিন বা মাস্টারমাইন্ড ছিলেন শাহাজাহান। সঙ্গে আরও অনেককে চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও জানান ইডির আইনজীবী। শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষ নিজেদের ভেড়ির মালিক দেখিয়েও উপার্জন করেছেন বলে দাবি ইডির। তাদের আরও দাবি, জমি দখলের কালো টাকা চিংড়ির ব্যবসার মাধ্যমে সাদা করা হত। টাকাটা চিংড়ি ব্যবসার লেনদেন হিসাবে দেখানো হত। সেই ব্যবসা শাহজাহানের মেয়ে শেখ সাবিনার নামাঙ্কিত। ইডির দাবি, চিংড়ি বেচা-কেনা করে দুর্নীতির টাকা নয়ছয় করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    শাহজাহানের ‘ফাঁসি’র দাবি

    আদালতের লকআপে প্রবেশের সময় ভিড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিতে হোঁচট খান শাহজাহান। এ দিকে সে সময় আইনজীবীদের একাংশ তাঁর ফাঁসি চেয়ে স্লোগান তোলেন। তাঁকে দুষ্কৃতী বলেও তোপ দাগেন। স্লোগান দেওয়া আইনজীবীদের এক জন বলেন, “শাহজাহান(Sheikh Shahjahan) যা করেছেন, তাতে ফাঁসিও ওঁর শাস্তির জন্য যথেষ্ট নয়।” সোমবার আদালতে ইডি দাবি করে, কিছু নথি দেখিয়ে জেরা করার সময় তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন শাহজাহান। প্রশ্নও এড়িয়ে গিয়েছেন। এ ছাড়াও তদন্তে বেশ কয়েকটি নতুন নাম উঠে এসেছে। ইডির আশঙ্কা, এই পরিস্থিতিতে শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা না হলে, যাঁদের নাম উঠে এসেছে, তাঁরা পালিয়ে যেতে পারেন বা নাগালের বাইরে চলে যেতে পারেন। সব কথা শুনে আদালত এদিন ইডির দাবি মেনে শাহজাহানকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত হেফাজতে পাঠানোর কথা জানায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: খালিস্তানি বিতর্ক! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সেনগুপ্ত

    Suvendu Adhikari: খালিস্তানি বিতর্ক! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সেনগুপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে এফআইআর সংক্রান্ত একটি মামলা সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। হাইকোর্টের বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যের ওই আবেদন তিনি শুনবেন না। এর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতির এজলাসে ওই মামলাটি পাঠিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। প্রসঙ্গত, খালিস্তানি বিতর্কের জেরে শুভেন্দু অধিকারী বিরুদ্ধে এফআইআর করতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। আবেদনটি যায় বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের কাছে। তবে এফআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির শুনানি বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে হবে বলেই জানা গিয়েছে। আগামী ১০ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করতে হাইকোর্টের অনুমতি লাগবে

    গত ২০ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালিতে পুলিশের সঙ্গে বচসার মাঝে খালিস্তানি মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই অভিযোগ তুলেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের বেঞ্চ শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের দায়ের করা ২৬টি এফআইআর-এ স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। সে সময় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার জানিয়েছিলেন, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা করতে গেলে আগে হাইকোর্টের অনুমতি নিতে হবে। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলায় এফআইআর করছে রাজ্য, এমনটাই অভিযোগ ছিল বিজেপি শিবিরের। সেই মর্মে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু।

    খালিস্তানি বিতর্কের এফআইআর দায়ের হয় ভবানীপুর থানায়

    আদালতের কাছে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) আবেদন জানান, তাঁর নামে দায়ের হয় এফআইআর গুলি খারিজ করা হোক অথবা মামলার তদন্ত সিবিআই করুক। তখন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের পর্যবেক্ষণ ছিল, শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি মানুষের ভোটে নির্বাচিত। পুলিশ নিজে অথবা অন্য কারও নির্দেশে অভিযোগ এনে জনগণের প্রতি বিরোধী দলনেতার কর্তব্য স্তব্ধ করার চেষ্টা করছে। প্রসঙ্গত, খলিস্তানি বিতর্কে জেরে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় একটি এফআইআর দায়ের হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সিবিআইয়ের পর শাহজাহানকে জেরা করতে চায় ইডি-ও, কোর্টে আবেদন আজই?

    Sandeshkhali: সিবিআইয়ের পর শাহজাহানকে জেরা করতে চায় ইডি-ও, কোর্টে আবেদন আজই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকরা। তারপর থেকে অনেক ঘটনাক্রম। একাধিক সমন। কিন্তু ইডির মুখোমুখি হননি শাহজাহান। তবে এবার বসিরহাট জেলে থাকা সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শাহজাহান শেখকে জেরা করতে চাইছে ইডি। জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শনিবার এ ব্যাপারে বসিরহাট মহকুমা আদালতে আবেদন করতে পারে ইডি। এমনটাই খবর সূত্রের।

    শাহজাহানকে নিজেদের হেফাজতেও নেওয়ার কথা ভাবছে ইডি

    সন্দেশখালিকাণ্ডে শাহজাহানকে গ্রেফতার করে প্রথমে রাজ্য পুলিশ। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় পুলিশ। তার পর থেকে সিবিআইয়ের হেফাজতে ছিলেন একদা সন্দেশখালির এই স্বঘোষিত বাঘ। চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারই তাঁর ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বসিরহাট মহকুমা আদালত। প্রসঙ্গত, সিবিআইয়ের পাশাপাশি শাহজাহানের বিরুদ্ধে (Sandeshkhali) আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সূত্রের খবর, সেই মামলাতেই শাহজাহানকে জেরা করতে চায় ইডি। জানা গিয়েছে, ইডির নজরে রয়েছে শাহজাহানের নামাঙ্কিত ওই মার্কেট এবং ধামাখালির একটি মাছের বাজারও। সামান্য মাছের ব্যবসা (Sandeshkhali) থেকে শাহজাহান কীভাবে ফুলে ফেঁপে উঠেছেন, সেটাও খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকরা। তবে শুধু জেরাই নয়, সূত্রের খবর, শাহজাহানকে নিজেদের হেফাজতেও নেওয়ার কথা ভাবছে ইডি। সেই মতো কলকাতার বিশেষ ইডি আদালতে আবেদনও করতে পারে তারা বলে জানা গিয়েছে।

    শাহজাহানের প্রায় ১৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে

    ইডি সূত্রে আরও খবর মিলেছে, সম্প্রতি শাহজাহানের প্রায় ১৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে জমি, ফ্ল্যাট, মাছের ভেড়ি। জানা গিয়েছে, সন্দেশখালি (Sandeshkhali), সরবেড়িয়া এবং কলকাতায় সেই সব সম্পত্তি রয়েছে। আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত মামলায় সন্দেশখালির বেশ কয়েকটি জায়গায় ইতিমধ্যেই তল্লাশিও চালিয়েছে ইডি। ইডি সূত্রে আরও খবর, শাহজাহান মার্কেটের কাছে একটি মুদি দোকানের গুদাম থেকে দু’টি গাড়িও উদ্ধার হয়েছে। ইডির দাবি, একটি শাহজাহান আর অন্যটি তাঁর ভাই আলমগির শেখের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share