Tag: sandeshkhali incident

sandeshkhali incident

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডের প্রায় দুই মাস পর নির্বাচনের আগেই ওসি বদল

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডের প্রায় দুই মাস পর নির্বাচনের আগেই ওসি বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali) প্রায় দুই মাস পর থানার ওসিকে বদল করা হল। এই সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতাদের অত্যাচার, জবর দখল, জমি লুট, হিন্দু বউদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ সহ একাধিক ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি, ঠিক এমনটাই জানিয়েছেন এলাকার মানুষ। এলাকার মানুষের আরও বক্তব্য, অভিযোগ করতে গেলে, পুলিশ পালটা গ্রামের মানুষকে শাহজাহান-শিবু-উত্তম-সিরাজের কাছে অনুমতি নিতে বলত। এমনকী এলাকার মানুষের নামে পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকার মানুষকে অত্যাচার করত। আজ সন্দেশখালির অত্যাচারী তৃণমূল নেতা সিবিআই-য়ের অধীনে রয়েছে। এই অবস্থায় থানার ওসি বদলে শোরগোল পড়েছে। নতুন ওসির দায়িত্বে এসেছেন গোপাল সরকার।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Sandeshkhali)

    শনিবার সকালে বসিরহাট পুলিশ জেলা সুপারের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই ওসি বদলের কথা জানানো হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সন্দেশখালি থানার ওসি বিশ্বজিৎ সাঁপুইকে বদলি করা হয়েছে বসিরহাট থানায়। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার নতুন ওসি হলেন গোপাল সরকার। তিনি আগে বসিরহাট পুলিশের জেলা স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের ওসি ছিলেন। বাদুরিয়া থানার ওসি প্রশান্ত মণ্ডলকে হেমনগর কোস্টাল থানায় পাঠানো হয়েছে। এদিকে বসিরহাট পুলিশ জেলায় আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা মোট ৪ জন সাব ইন্সপেক্টরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali) পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করে বলেন, “তৃণমূলের অত্যাচারী নেতা শেখ শাহজাহানকে নিরপাদ আশ্রয়ে রেখে দিয়েছিল পুলিশ।” ইডির উপর হামলার ৫৬ দিনের মাথায় পুলিশ শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছিল। এরপর আইনি টানাপোড়নে অবশেষে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন শাহজাহান। সেই সঙ্গে বার বার দফায় দফায় শাহজাহানের সরবেড়িয়ার বাড়িতে তাল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। একই ভাবে এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা এবং দুস্কৃতীদের দৌরাত্ম্য আটকাতে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে। কিন্তু ভোটের মুখে এই ওসি বদল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই বদলে মানুষের রাগ কতটা প্রশমিত হয়, সেটাই এখন দেখার।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: আন্দোলনকে প্রশমিত করতেই কি সন্দেশখালিতে পুলিশের স্বাস্থ্য শিবির?

    Sandeshkhali: আন্দোলনকে প্রশমিত করতেই কি সন্দেশখালিতে পুলিশের স্বাস্থ্য শিবির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) জনসংযোগ করতে এলাকায় স্বাস্থ্য ও চোখ পরীক্ষা শিবিরের ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকার খুলনা বাজার, শান্তির ঘেরি, পাত্র পাড়া এবং ন্যাজাট এলাকায় দুবেলা টহল দিতে শুরু করেছে। এলাকায় মানুষের অসুবিধার বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। একশো দিনের কাজের মজুরি দেওয়ার পাশাপাশি বিডিও সহ সরকারি আধিকারিকরা জানতে চাইছেন আর কী কী সমস্যা? কিন্তু এলাকার মানুষের প্রশ্ন, পুলিশের কেন এই জনসংযোগ? যে পুলিশ এলাকার মানুষের অভিযোগ দায়ের করেনি, এমনকী মিথ্যা কেস দিয়েছিল এলাকার মানুষের বিরুদ্ধে, সেই পুলিশ এতো মানবিক কেন? এদিন বারাসতে মোদির সভায় নিপীড়িত মহিলাদের আমন্ত্রণ করলে তাঁদেরকেও তলব করেছে সন্দেশখালি থানার পুলিশ। ফলে এই শিবিরের পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই তো? এলাকাবাসীর মনে উঠছে নানা প্রশ্ন।

    পুলিশের জন সংযোগ কেন (Sandeshkhali)?

    সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান, সিরাজ, শিবু, উত্তম, আমির আলির মতো নেতাদের দৌরাত্ম্যে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মানুষের সাধারণ জনজীবন একেবারে বিপর্যস্ত ছিল। বাড়ির মহিলাদের রাতে তুলে নিয়ে গিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে শারীরিক নিগ্রহ করা হত। শুধু তাই নয়, মানুষের চাষের জমি, মাছের ক্ষেত, বোমা বন্দুকের ভয় দেখিয়ে জোর করে দখল করে নেয় তৃণমূলের গুন্ডারা। থানায় অভিযোগ করতে গেলে এলাকার মানুষকে তৃণমূল নেতা শাহজাহান-শিবু-উত্তম-সিরাজদের অনুমতির নিদান দিত পুলিশ। সাধারণ মানুষের কোনও কথাই পুলিশ শুনতে চায়নি। গত ৫ই জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্ত করতে গেলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের উপর হামলা করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এরপর থেকে পলাতক ছিলেন তৃণমূলের শেখ শাহজাহান। ঘটনার ৫৬ দিন পর পুলিশ মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করে তাকে। ইতিমধ্যে সন্দেশখালির মানুষ নানা সময়ে হাতে লাঠি-ঝাঁটা নিয়ে পথে নেমে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ মানুষের আইনী সহযোগিতা করেনি, বরং প্রতিবাদী মহিলাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিয়েছিল বলে এলাকার মহিলারা অভিযোগ করেন। ইতিমধ্যে লোকসভা ভোটের আগেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ শুরু করেছে। এই অবস্থায় পুলিশের লোক দেখানো স্বাস্থ্য শিবির কতটা কাজে লাগবে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এলাকার মানুষ।

    পুলিশের বক্তব্য

    এই শিবিরে আজ উপস্থিত ছিলেন সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ২-এর বিডিও অরুণকুমার সামন্ত এবং সন্দেশখালি থানার ওসি বিশ্বজিৎ সাঁপুই। স্বাস্থ্য শিবিরে বিডিও গ্রাম বাসীদের বলেন, “ভয়-ভীতির পরিবেশ নেই এখন। আপনাদের যার যা অভিযোগ আছে, পুলিশের কাছে বা আমাকে জানাবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ইডি থেকে বাঁচতেই কি ইডি’র ওপর হামলার দায় স্বীকার শাহজাহানের?

    Sheikh Shahjahan: ইডি থেকে বাঁচতেই কি ইডি’র ওপর হামলার দায় স্বীকার শাহজাহানের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির উপর হামলার ঘটনা আদালতে কার্যত স্বীকার করে নিলেন শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। ‘সন্দেশখালির ত্রাস’ শাহজাহানের মতো এক তথাকথিত দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা আদালতে এক কথায় স্বীকার করে নিলেন নিজের অপরাধ! অবাক রাজনৈতিক মহল। শাহজাহানের স্বীকারোক্তিই তো পুলিশের কেস শক্ত করে দিল। সহজেই আরও জিজ্ঞাসাবাদের ‘অজুহাতে’ পুলিশের হেফাজতে চলে গেলেন শেখ শাহাজাহান। তিনি কি নিজেই চাইছেন পুলিশের কাছে থাকতে, বা বলা ভালো, রাজ্যে থাকতে?

    পুলিশের দাবি

    মিনাখাঁ থেকে শাহজাহান শেখকে গ্রেফতার করার পর বৃহস্পতিবার সোজা তাঁকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে নিয়ে আসে পুলিশ। আদালতে তাঁকে ১৪ দিন নিজেদের হেফাজতে রাখার আবেদন করে পুলিশ। যদিও আদালত শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এ দিন পুলিশ আদালতে জমা দেওয়া নথিতে শাহজাহানকে ‘অত্যন্ত প্রভাবশালী’ বলে উল্লেখ করেছে। উল্লেখ করা হয়েছে ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে। তাঁকে জামিন দিলে সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) এবং ন্যাজাট থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলেও মনে করছে পুলিশ।

    নথিতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। যে সমস্ত সমাজবিরোধী গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালির সরবেড়িয়া গ্রামে শাহজাহানের বাড়ির সামনে ইডি আধিকারিকদের মারধর, গাড়ি ভাঙচুর এবং লুটপাটে যুক্ত ছিল, তাদের চিহ্নিত করতে শাহজাহানই পথ বলেও নথিতে দাবি করেছে পুলিশ। লুট হওয়া মালপত্রের কিছুই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার পরেই দাবি করা হয়েছে, শাহজাহান পুলিশকে আশ্বস্ত করেছেন যে, তিনি লুটের মাল উদ্ধার করতে পুলিশকে সহযোগিতা করবেন। তাই পুলিশ হেফাজতেই থাক শহজাহান। 

    শাহজাহানের স্বীকারোক্তি

    এদিন আদালতে মাত্র ১০ মিনিট সওয়াল জবাব হয়। শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করেন সরকারি আইনজীবী। তখনই শাহজাহান বলেন, ‘‘সাত সকালে কোনও নোটিশ ছাড়া ইডির আধিকারিকরা আমার বাড়তে এসেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আমি গ্রেফতারির আশঙ্কা করে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তাই অনুগামীদের ইডি আধিকারিকদের ওপরে হামলা করার নির্দেশ দিই। তাদের জিনিসপত্র ছিনতাই করে নিতে বলি।’’ এত সহজে দোষ স্বীকার করে নিলেন দোর্দণ্ডপ্রতাপ এই তৃণমূল নেতা! প্রশ্ন উঠছে ইডির হাত থেকে বাঁচতেই এই স্বীকারোক্তি নয় তো? রাজ্য পুলিশের হেফাজতে থাকলে অন্তত কিছুদিন ঠেকানো যাবে ইডিকে।

    আরও পড়ুুন: “এটা গ্রেফতার নয়, মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট”, শাহজাহান প্রসঙ্গে তোপ শুভেন্দুর

    সেফ কাস্টোডিতে শাহজাহান!

    সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের মামলা আপাতত সিআইডির হাতে দেওয়া হয়েছে। তারাই এই সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগের তদন্ত করতে চলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। শাহজাহানকে গ্রেফতার করে বসিরহাট থেকে বৃহস্পতিবার নিয়ে যাওয়া হয় ভবানী ভবনে। আগামী ১০ দিন তিনি সেখানেই থাকবেন। আদালত তাঁকে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। ভবানী ভবনে রাজ্য পুলিশের গোয়ান্দারা শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন, বলে খবর। পুলিশের আনা অভিযোগ এক প্রকার মেনে নিয়েছেন সন্দেশখালির নেতা। পুলিশকে  সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। সামনে লোকসভা নির্বাচন রাজনৈতিক মহলের ধারণা, ইডি-র ওপর হামলার ঘটনাকে হাতিয়ার করেই শাহজাহানকে ইডি-র হাত থেকে বাঁচাতে চাইছে মমতার পুলিশ? ভোটের আগে ইডি ছুঁলে রক্ষে নেই তাই অন্তত কিছুদিন পুলিশের সেফ কাস্টোডিতে থাকাই ভাল! প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি এই গ্রেফতারি সত্যিই ফেক, এই কাস্টোডি মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট। যেমনটা বলছে বিরোধীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: সিবিআই বা ইডি’ও গ্রেফতার করতে পারবে শাহজাহানকে, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sandeshkhali Incident: সিবিআই বা ইডি’ও গ্রেফতার করতে পারবে শাহজাহানকে, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু রাজ্য পুলিশ নয়, সিবিআই বা ইডি যে কেউ গ্রেফতার করতে পারে শেখ শাহাজাহানকে। বুধবার এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এদিন সন্দেশখালি নিয়ে একটি মামলার (Sandeshkhali Incident) শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, সিবিআই, ইডি এবং রাজ্য পুলিশ যে কেউ শাহজাহান শেখকে গ্রেফতার করতে পারে। সন্দেশখালি নিয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টের নির্দেশের পরিবর্তন চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। নির্দেশনামার ৮ নম্বর প্যারার পুনর্বিবেচনা চেয়েছিল রাজ্য। সেই মামলার শুনানিতেই বুধবার প্রধান বিচারপতি শাহজাহানের গ্রেফতারি নিয়ে এই মন্তব্য করেন।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, ‘‘স্পষ্ট ভাবে বলছি, পুলিশকে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ইডির মামলায় সিট গঠনের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। আমরা পুলিশকে বলিনি যে, শাহজাহান গ্রেফতার করা যাবে না।’’ প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘‘আমরা ওই দিন পুলিশকে তদন্ত করতে বারণ করেছিলাম। আমরা কোথাও বলিনি যে নতুন অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রেফতার করা যাবে না। শুধু মাত্র তদন্তের ক্ষেত্রেই নির্দেশ দিয়েছিলাম। অনেকেই বলছেন হাইকোর্ট অভিযুক্তকে রক্ষা করছে। ৪২টা এফআইআর দায়ের হওয়ার পরেও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা যায়নি, তার দায় পুলিশ ঝেড়ে ফেলতে পারে না।’’

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে ‘১৭৪ ধারা’! স্থানীয় অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরতের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

    সওয়াল-জবাব

    এদিন শুনানি চলাকালীন রাজ্যের এজি সওয়াল করেন, ‘‘আমরা যদি শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারি তাহলে আমাদের দেখাতে হবে কোন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হল।’’ এরপর রাজ্যেকে উদ্দেশ্য করে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘তার মানে আপনারা জানেন যে তিনি কোথায় আছে।’’ এদিন ইডি জানায় যে রাজ্য পুলিশকে তদন্তভার দেওয়া হলে তথ্য প্রমাণ বিকৃত করা হবে। রাজ্য পুলিশ শাহজাহানকে গ্রেফতার করলে তাকে লঘু ধারায় মামলা করা হবে এবং তার জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। সিবিআই গ্রেফতার করলে কোনও অসুবিধা নেই। এরপরই প্রধান বিচারপতির (Calcutta High Court) মন্তব্য, সিবিআই বা ইডি যদি চায় তারাও শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারে। শুনানিতে ইডির তরফে সওয়াল করেন ধীরাজ ত্রিবেদী এব‌ং এসভি রাজু। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: রেশন-দুর্নীতি মামলায় শাহজাহানকে ফের ইডির তলব, এই নিয়ে চতুর্থবার!

    Sandeshkhali: রেশন-দুর্নীতি মামলায় শাহজাহানকে ফের ইডির তলব, এই নিয়ে চতুর্থবার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছর শুরু হতেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের বাড়িতে পৌঁছয় ইডির দল। ৫ জানুয়ারির ওই অভিযানে শাহজাহান বাহিনীর হামলায় মাথ ফাটে ইডি আধিকারিকদের। সেদিন থেকেই নিঁখোজ শেখ শাহজাহান। এর মধ্যে দফায় দফায় অশান্ত হয়েছে সন্দেশকালি। এই আবহে ফের একবার শাহজাহানকে তলব করল ইডি। প্রসঙ্গত, এই নিয়ে চতুর্থবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ডেকে পাঠাল রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত শাহজাহানকে। এর আগে তিনবার ইডি তাঁকে তলব করলেও, প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

    আজ শুক্রবার আগাম জামিনের মামলার শুনানি

    শেখ শাহজাহান কোথায়? তা নিয়ে সঠিক কিছুই বলতে পারছেন না কেউ। ২ দিন আগেই কলকাতা হাইকোর্ট সন্দেহ প্রকাশ করেছিল শাহজাহানকে লুকোতে সাহায্য করছে রাজ্য পুলিশই। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের দাবি সে (শাহজাহান) সন্দেশখালিতেই রয়েছে। প্রকাশ্যে না এলেও আইনজীবী মারফত বারবার জামিনের আবেদন করছেন তিনি। আজ শুক্রবার শেখ শাহজাহানের আগাম জামিন মামলার শুনানি রয়েছে আদালতে। উল্লেখ্য, শাহজাহানের আগাম জামিনের যে মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন, সেখানে আগের শুনানিতে ইডির তরফে শাহজাহানের প্রভাবশালী তত্ত্ব তুলে ধরা হয়েছিল। অন্যদিকে, আবার শাহজাহানের আইনজীবীর আর্জি ছিল, গ্রেফতার না করার শর্ত দিলে তবেই তাঁর মক্কেল হাজির হবেন।

    শাহজাহানের ভাই সিরাজের বিরুদ্ধে জনরোষ

    বৃহস্পতিবার ফের একবার জনরোষের চিত্র ধরা পড়ল ঝুপখালিতে (Sandeshkhali)। এলাকার এক মহিলা তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “শাহজাহানের ভাই সিরাজ ওরফে সিরাজউদ্দিন আমার দোকানের জায়গা দখল করে নিয়েছে। শুধু আমার জায়গা নয়, গোটা এলাকা দখল করে নিয়েছে। ১৫ থেকে ১৬ বিঘা জমি দখল করে নিয়েছে গায়ের জোরে। আমাদের জমি দখল করে ভেড়ি তৈরি করে নিয়েছে ওরা। শুধু তাই নয়, ভেড়িগুলিকে লোকের কাছে চড়া দামে বিক্রিও করে দিয়েছে। এলাকায় এই তৃণমূল নেতাদের অত্যাচারে নতুন করে আর যাতে ভেড়ি নির্মাণ না হয়, সেই দাবি জানাই।” ক্ষোভ আর প্রতিবাদ গিয়ে পড়ে সিরাজের উপর। তাঁর ভেড়ি এবং অফিস আলাঘর পুড়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: বেপাত্তা শাহজাহানের জামিনের আর্জি ইডি আদালতে, শুনানি আজ

    Sheikh Shahjahan: বেপাত্তা শাহজাহানের জামিনের আর্জি ইডি আদালতে, শুনানি আজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে ইডি অধিকারিকদের মাথা ফাটানোর ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা সেখানকার স্বঘোষিত বাঘ শেখ শাহজাহান। পরবর্তীকালে ইডির দল ফের একবার যায় শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে। ইডি দফতরের হাজিরা দিতে বলে, তখনই তাঁর বাড়িতে নোটিশ সাঁটিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার ২৯ জানুয়ারি ছিল সেই হাজিরার দিন। কিন্তু শেখ শাহজাহানকে ইডি অফিসের ধারে কাছে তো দূরের কথা প্রকাশ্যেই কোথাও দেখা যায়নি। ইডি অফিসে হাজিরা না দিলেও আগাম জামিনের আবেদন করেছেন শেখ শাহাজাহান। সোমবার ইডির বিশেষ আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী।

    আরও পড়ুুন: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

    শাহজাহানের আগাম জামিনের শুনানি আজ

    আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারি সেই আবেদনের শুনানি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বারবার বিরোধী নেতারা অভিযোগ জানিয়েছেন যে পুলিশই লুকিয়ে রেখেছে শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)। অন্যদিকে, শাহজাহানের অডিও বার্তার এর মধ্যে ভেসে এসেছে। মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে সন্দেশখালিতে বিভিন্ন জায়গায় তাঁর অবস্থান মিলেছে। এত কিছু সত্ত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়নি পুলিশ।

    শাহজাহানকে ক্লিনচিট দিলেন অভিষেক

    সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শেখ শাহজাহানের পাশেই দাঁড়ালেন দেখা গেল তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। এর মাধ্যমে সন্দেশখালিতে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) কার্যকলাপে কার্যত সিলমোহর দিলেন তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘‘শেখ শাহজাহান কী করেছে? যেদিন ঘটনা ঘটেছে, শেখ শাহজাহান ছিল বলে তো আমার জানা নেই। কিছু লোকের বিক্ষোভ আমি দেখতে পেয়েছি। আমি জানি না। তবে যে ঘটনা ঘটেছে, তা অনভিপ্রেত। এটা না ঘটলেই ভাল হত। যে ঘটনা সেদিন তাঁর বাড়ির বাইরে ঘটেছে, সেটা তো তদন্ত ছাড়া বলা যাবে না।’’

    আরও পড়ুন: পরীক্ষার্থীদের টেনশন কমাতে গুচ্ছ টিপস, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় কী বললেন মোদি?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: ইডির দেওয়া সময় অতিক্রম করে গেলেও দেখা মিলল না শাহজাহানের

    Shahjahan Sheikh: ইডির দেওয়া সময় অতিক্রম করে গেলেও দেখা মিলল না শাহজাহানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির দেওয়া সময় অতিক্রম করে গেল। দেখা মিলল না তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh)। সন্দেশখালিতে সরবেড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের আক্রমণের শিকার হতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির তিনজন অফিসারকে। আজ ঘটনার ২৪ দিন পার হলেও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন না এই তৃণমূল নেতা। ইডির অনুমান বাংলাদেশে গাঢাকা দিয়েছেন।

    বাড়িতে নোটিশ দিয়েছিল ইডি (Shahjahan Sheikh)

    সন্দেশখালিতে দুবার অভিযান চালিয়েও ধরতে পারেনি তদন্তকারী অফিসারেরা। গত বুধবার তাঁর বাড়িতে এক কোম্পানি বাহিনী নিয়ে তল্লাশি করতে গিয়েছিল ইডি। কিন্তু খোঁজ মেলেনি শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh)। তদন্তকারী অফিসারেরা এই তৃণমূল নেতার বাড়িতে নোটিশ দিয়ে বলে আসেন, আগামী ২৯ জানুয়ারি সকাল ১১ টায় সল্টলেকের ইডির দফতরে হাজিরা দিতে হবে। সেইসঙ্গে পাসপোর্ট, ভোটার, আধার, ছবি সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু আজও সেই নির্ধারিত দিনে দেখা মেলেনি তৃণমূল নেতার। এমনকী তাঁর পক্ষাবলম্বন করে কোনও আইনজীবীরও দেখা মেলেনি এদিন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কেউ আসেননি বলে জানা গিয়েছে।

    না আসায় ইডির পদক্ষেপ কী হবে?

    শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) সত্যিই ইডির ডাকে আসবেন কি না এই নিয়ে সংশয় প্রথম থেকেই ছিল। তবে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মহলে খবর, এদিন সিজিওতে আসলেই গ্রেফতার হতে পারেন। আবার অন্যরকম ভাবে আত্মসমর্পণ করতেও পারেন শাহজাহান। ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তৃণমূলের এই নেতা না এলেও ইডি তদন্ত যেমন ভাবে চালাচ্ছে ঠিক তেমনি ভাবে চালাবে। এখনও পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে অনেক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি ভালো করে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সম্পত্তির কেনাবেচার ক্ষেত্রেও দুর্নীতি করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। ফলে অর্থ তছরুপের মামলায় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তবে তাঁর নিরুদ্দেশ সম্পর্কে ইডির অনুমান বাংলাদেশে গিয়ে গাঢাকা দিয়েছেন তিনি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম নিখোঁজ সম্পর্কে বলেন, “শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) যা করেছে অন্যায় করেছে। আমি গণমাধ্যমে দেখেছি। মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা করেছে অত্যন্ত অন্যায়।” এখন দল দূরত্ব তৈরি করছে কিনা তাই নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

    আবার বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর শাহজাহান সম্পর্কে বলেন, “এই তৃণমূল নেতা মায়নামারে পালিয়ে গিয়েছে।” মাঝে একটি অডিও বার্তা সামাজিক মাধ্যমে শোনা গিয়েছিল। তবে এই তৃণমূল নেতা কোথায় আছে সেটাই প্রশাসনের কাছে একটি বড় প্রশ্ন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: গ্রেফতারির ভয়ে লুকিয়ে শাহজাহান, অথচ হুঙ্কার বার্তা ভেসে এল অডিও বার্তায়

    Shahjahan Sheikh: গ্রেফতারির ভয়ে লুকিয়ে শাহজাহান, অথচ হুঙ্কার বার্তা ভেসে এল অডিও বার্তায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতারের ভয়ে সে নিজেই লুকিয়ে রয়েছে। সন্দেশখালি অভয়ারণ্যের বাঘ যেন বিড়াল! লুকিয়ে থেকে এবার হুঙ্কার বার্তা জারি করল সেখ শাহজাহান (Shahjahan Sheikh)। মাধ্যম অবশ্য এই অডিও বার্তার সত্যতা যাচাই করেনি। অডিও বার্তায় সে বলছে, ‘‘ইডি-সিবিআইকে নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ বুঝতে পারছ পুরোটাই চক্রান্ত। আমি সেখ শাহজাহান বলছি। দোষ করলে মাথা কেটে ফেলুন।’’ এখানেই উঠছে প্রশ্ন। তৃণমূল নেতা যদি সত্যিই নিরপরাধ হয়, তবে ইডির তদন্ত মোকাবিলা করতে তার এত ভয় কিসের? কেনই বা বাড়িতে তল্লাশি করতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে?

    মমতাকে দরাজ সার্টিফিকেট দুর্নীতিগ্রস্ত নেতার

    সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দরাজ সার্টিফিকেটও দিচ্ছে। তার কথায়, ‘‘ওরা আমাকে দমাতে পারলে মনে করছে সন্দেশখালিতে তৃণমূলকে দুমড়ে দিতে পারবে। অতএব ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমার মতো হাজার হাজার সেখ শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) আছে। আর তোমরা তৃণমূলের সৈনিক। যে ভাবে মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার, আপনার পরিবারের জন্য করেছেন, তা অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই।’’ তার আরও সংযোজন, ‘‘আপনারা আস্থা হারাবেন না। আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের পাশে থাকবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভাবে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য কাজ করছেন, সেই মানুষটার মুখের দিকে তাকিয়ে আমার কী হবে, আমার কোথায় যাব, সে চিন্তা আপনাদের করার দরকার নেই।’’ সেখ শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) রকেট গতিতে বেড়েছে সম্পত্তি। তা সন্দেশখালির কারও অজানা নয়। তার এই উত্থানের পুরো কৃতিত্ব যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সে কথাই অডিও বার্তা জারি করে দিচ্ছে সে। অর্থাৎ মমতার প্রশয়েই যে বিপুল দুর্নীতি এবং লাগামছাড়া সন্ত্রাস সংঘটিত হয়েছে সন্দেশখালিতে শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) এই অডিও বার্তাতেই তা স্পষ্ট।

    ৩ জন বিজেপি কর্মী খুনে অভিযুক্ত শাহজাহান

    সন্দেশখালির পঞ্চায়েত প্রধান থাকার সময় একসঙ্গে তিনজন বিজেপি কর্মীকে খুন। ২০১৯ সালে বিজেপির ঝড়ের মধ্যে বসিরহাটে তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহানকে সন্দেশখালি থেকে প্রচুর ভোটে লিড দিয়েছিল এই শাহজাহান। ইনাম পেয়েছিলেন দলের থেকে। মাথায় হাত ছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। জুটেছিল জেলা পরিষদের টিকিট। ভোটে জিতে হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ। একইসঙ্গে সে আবার সন্দেশখালির ব্লক ১ এর সভাপতিও। ক্ষমতার দাপট বাড়তেই বাহিনীর দাপটও বাড়তে শুরু করে। পুলিশও তার বাহিনীকে স্পর্শ করার সাহস দেখায় না। আর রেশন দুর্নীতির অভিযোগে ইডি (Enforcement Directorate) হানা দিতে শাহজাহানের বাহিনীর দাপট দেখলেন রাজ্যবাসী। ইডি অফিসারদের রক্তাক্ত করতে পিছপা হল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মারধরের পাশাপাশি চুরি করা হয়েছে ফোন, ল্যাপটপ, অভিযোগ ইডির

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মারধরের পাশাপাশি চুরি করা হয়েছে ফোন, ল্যাপটপ, অভিযোগ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকালই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে আক্রমণের মুখে পড়েন ইডি আধিকারিকরা। সেখানেই তাঁদেরকে ব্যাপক মারধর করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। পরবর্তীকালে হাসপাতালে ভর্তি হন তাঁরা। তবে শুধু মারধর করাই নয় সেখানে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা ইডি আধিকারিকদের মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এ সমস্ত কিছু চুরি করেছেন বলে খবর। পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাগও চুরি করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। সেখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিল বলে জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, মোট চার থেকে পাঁচটি মোবাইল ফোন খোয়া গেছে ইডি আধিকারিকদের। এই জিনিসগুলি যে কখন বেহাত হল তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অনুমান, যখন মারধরের ঘটনা ঘটে তখনই ওই তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের (Sandeshkhali) মধ্যে কেউ ল্যাপটপ, মোবাইল, ব্যাগ সরিয়ে রাখতে শুরু করে।

    সমস্ত অভিযোগ এক করে দায়ের হবে এফআইআর

    তবে যেভাবে ইডি আধিকারিকদের হেনস্থা (Sandeshkhali) করা হয়েছে, তা খুব সহজে ছেড়ে দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গুয়াহাটির অফিসার রাজকুমার রামের মাথায় চোট লেগেছে। করা হয়েছে তাঁর স্ক্যান। বাকি ২ আধিকারিক অঙ্কুর দত্ত এবং সোমনাথ দত্ত তাঁদেরও আঘাতে সেলাই করতে হয়েছে। জানা গিয়েছে সন্দেশখালিতে যে ধরনের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে, এরপরেই অভিযোগ জানাতে চলেছে ইডি। সূত্রের খবর যে সমস্ত রকমের অভিযোগ কে একত্রীভূত করে একসঙ্গে দায়ের করা হবে এফআইআর।

    এনআইএ তদন্তের আর্জি

    উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনায় হইচই পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে। এদিন ইডি, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার ঘটনায় কারা কারা জড়িত ছিল, নাম উল্লেখ করে এনআইএ-র দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ‘দেশবিরোধী শক্তি’র বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করার জন্য জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র কাছে আর্জি জানিয়েছেন শুভেন্দু। শুক্রবার সকালেই সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিজের এক্স হ্যান্ডলের একটি পোস্টে ট্যাগ করেন শুভেন্দু। সেই এক্স বার্তায় কেন্দ্রীয় পদক্ষেপের আর্জি জানানোর পাশাপাশি তিনি জুড়ে দেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল, ইডির অধিকর্তা এবং সিআরপিএফকেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ৩ বিজেপি কর্মীর খুনে অভিযুক্ত শাহজাহান, কেস ডায়েরি তলব হাইকোর্টের

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ৩ বিজেপি কর্মীর খুনে অভিযুক্ত শাহজাহান, কেস ডায়েরি তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ৩ বিজেপি সমর্থককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ রয়েছে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে। সেই মামলার শুনানিতে এবার ঘটনার কেস ডায়েরি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামী শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানিতে কেস ডায়েরি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ততদিন নিম্ন আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। ওই ঘটনার এফআইআর-এ নাম থাকলেও, চার্জশিট থেকে শেখ শাহজাহানের নাম বাদ দিয়েছিল রাজ্য পুলিশ। 

    কোন ঘটনার কেস ডায়েরি

    ২০১৯ সালে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ৩ বিজেপি কর্মী সুকান্ত মণ্ডল, তপন মণ্ডল ও প্রদীপ মণ্ডলকে পুলিশের উপস্থিতিতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে খুন করে শাহজাহানের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরিবারের দাবি, ৩ নিহতের মধ্যে ২ জনের দেহ এখনও পাওয়া যায়নি। সেই ঘটনায় শাহজাহানসহ একাধিক দুষ্কৃতীর নামে এফআইআর দায়ের হয়। প্রাথমিকভাবে শাহজাহানকে অভিযুক্ত করা হলেও পরে পুলিশ আদালতে আবেদন করে তার নাম অভিযুক্তের তালিকা থেকে বাদ দেয়। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, ওই ঘটনার পর বেশ কিছুদিনের জন্য গায়েব হয়ে গিয়েছিল শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। পরে ফের তাকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায়।

    আরও পড়ুন: রাত থেকেই ভিজছে শহর, আগামী তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    বিজেপির দাবি ছিল, অভিযোগপত্রে নাম থাকা সত্ত্বেও শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) নাম ছিল না চার্জশিটে। এই সংক্রান্ত এক মামলার শুনানির সময়ে কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল, গত ৪ বছরে ৪৩ টি এফআইআর হয়েছে, যার মধ্যে ৪২টি মামলায় চার্জশিট পেশ হয়েছিল। কিন্তু আদালত বিস্ময় প্রকাশ করেছিল যে, ৪২টি মামলার চার্জশিট দিতে কেন ৪ বছর সময় লেগেছে। নিহত তপন মণ্ডলের পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন পুলিশের উপস্থিতিতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় তপনবাবুকে। এর পর সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের লোকেরা তার ভেড়ির মাঝখানে নিয়ে গিয়ে তপনকে নৃশংসভাবে মারধর করে। এর পর একের পর এক গুলি করা হয় তপনবাবুকে। এমনকী তাঁর ২টি চোখেও গুলি করে দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর থেকে ঘরছাড়া নিহতদের পরিবার। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এবার সেই ঘটনারই কেস ডায়েরি চেয়ে পাঠাল কলকাতা হাইকোর্ট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share