Tag: Sandeshkhali

Sandeshkhali

  • Bengal Missionary Activities: আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় ধর্মান্তর করছেন মিশনারিরা! অভিযোগে সরগরম উত্তর ২৪ পরগনা

    Bengal Missionary Activities: আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় ধর্মান্তর করছেন মিশনারিরা! অভিযোগে সরগরম উত্তর ২৪ পরগনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী ও আর্থিকভাবে দুর্বল হিন্দু পরিবারগুলির ধর্মান্তরকরণ ঘিরে অভিযোগকে কেন্দ্র করে ফের বিতর্কের কেন্দ্রে পশ্চিমবঙ্গের খ্রিস্টান মিশনারি কার্যকলাপ (Bengal Missionary Activities)। উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট এলাকায় ধর্মান্তরকরণ এবং বিদেশি অর্থের ব্যবহার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের সঙ্গে ক্ল্যারেটিয়ান মিশনারিদের বচসা ও উত্তেজনার অভিযোগ সামনে এসেছে (Foreign Funding Row)। পাল্টা মিশনারিদের পক্ষ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে ভয় দেখানো ও হুমকির অভিযোগ জানানো হয়েছে পুলিশের কাছে।

    অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ (Bengal Missionary Activities)

    ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর ডাওসিসের অধীনস্থ ন্যাজাটের ক্ল্যারেট প্রেমালয় মিশন কেন্দ্রে। মিশন কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নথিভুক্ত করে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখার আশ্বাস দেয়। অভিযোগ দায়েরের সময় পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এই ঘটনাকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ ও আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় মিশনারি কার্যকলাপ, ধর্মান্তর এবং বিদেশি অর্থের ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ফের সামনে এসেছে। বিভিন্ন সময়ে রাজ্যের একাধিক এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং হিন্দু সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে ধর্মান্তরকরণের অভিযোগ করা হলেও মিশনারি সংগঠনগুলি বরাবরই তা অস্বীকার করে এসেছে। তাদের দাবি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, ধর্মীয় সেবা এবং মানবিক সহায়তার মধ্যেই তাদের কাজ সীমাবদ্ধ।

    মিশন কেন্দ্রে গিয়ে কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন

    মিশনারিদের দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩১ জুলাই প্রায় আটজন স্থানীয় ব্যক্তি ন্যজটের ওই মিশন চত্বরে যান। সেখানে তাঁরা মিশনের সঙ্গে যুক্ত ধর্মযাজকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং এলাকায় তাঁদের কার্যকলাপ সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা জানতে চান, ওই এলাকায় কতগুলি ক্যাথলিক পরিবার বসবাস করে, মিশনের মূল কাজ কী এবং কী ধরনের কার্যকলাপ সেখানে পরিচালিত হয়। কথাবার্তার এক পর্যায়ে মিশনের বিরুদ্ধে দরিদ্র আদিবাসী ও হিন্দু পরিবারগুলিকে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগও তোলা হয়। মিশনের পরিকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য ব্যবহৃত অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। অভিযোগকারীদের দাবি ছিল, বিদেশ থেকে পাওয়া অর্থ মিশনারি কার্যকলাপে ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও মেলেনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে ধর্মপ্রচার ও ধর্মান্তরকরণ নিয়ে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে, এই ঘটনায় তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে এর আগেও একই ধরনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা ও মিশনারি সংগঠনগুলির মধ্যে বিরোধের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

    সাত দিনের মধ্যে মিশন ছাড়ার হুমকির অভিযোগ

    মিশনারিদের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দলের এক সদস্য নিজেকে স্থানীয় কাউন্সিলর পরিচয় দিয়ে মিশন কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের মধ্যে জায়গা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মিশনারিরা সেখান থেকে চলে না গেলে বাইরে থেকে মিশনের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। যদিও ঘটনাস্থলে কোনও অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি, মিশনারিদের দাবি, চলে যাওয়ার আগে ওই ব্যক্তিরা মিশন চত্বরের ভবন এবং সেখানে থাকা যানবাহনের ছবি তোলেন। পরিস্থিতি নিয়ে বারুইপুরের বিশপ এবং আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করার পর ক্ল্যারেটিয়ান মিশনারিদের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। অভিযোগ পেয়ে মিশনে যায় পুলিশ। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য শোনা হয়েছে। নজর রাখা হচ্ছে পরিস্থিতির ওপর। গ্রেফতারির কোনও খবর এখনও নেই। অভিযোগের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    সন্দেশখালিতেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ

    ন্যাজাটের ঘটনার এক দিন আগে সন্দেশখালিতেও এক খ্রিস্টান ধর্মযাজককে ঘিরে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেছে বিভিন্ন খ্রিস্টান সংগঠন। তাদের বক্তব্য, সেখানেও এক স্থানীয় মিশনারিকে বিদেশি অর্থে পরিচালিত কার্যকলাপ এবং ধর্মপ্রচারের কাজ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। খ্রিস্টান সংগঠনগুলির দাবি, দুই ঘটনায়ই একই ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তাদের প্রকাশ করা কয়েকটি ভিডিয়োয় এক ব্যক্তিকে এক ধর্মযাজকের সঙ্গে বিদেশি অর্থের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন করতে এবং এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলতে দেখা গিয়েছে বলে সংগঠনগুলির দাবি। যদিও ভিডিয়োগুলির সত্যতা যাচাই করা হয়নি। ফলে ভিডিয়োয় দেখা ব্যক্তি বা উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে (Bengal Missionary Activities) নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায়নি।

    ধর্মান্তর নিয়ে পুরনো বিতর্ক ফের সামনে

    ন্যাজাটের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে মিশনারি প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যকলাপ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক আবারও আলোচনায় এসেছে। বেশ কয়েকটি হিন্দু সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, কিছু মিশনারি প্রতিষ্ঠান শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের আড়ালে আদিবাসী ও আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলির মধ্যে ধর্মান্তরকরণের কাজ চালাচ্ছে। যদিও মিশনারি সংগঠনগুলি এই অভিযোগ প্রথম থেকেই অস্বীকার করে এসেছে। তাদের বক্তব্য, দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া, ধর্মীয় দায়িত্ব পালন এবং মানবিক সহায়তা প্রদানই তাদের মূল উদ্দেশ্য। ধর্মান্তরকরণের অভিযোগকে তারা ভিত্তিহীন বলেই এবারও দাবি করেছে। ফলে ধর্মান্তর নিয়ে অভিযোগ এবং মিশনারি সংগঠনগুলির পাল্টা বক্তব্য—দু’পক্ষের দাবির মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলছে। বিশেষ করে আদিবাসী ও গ্রামীণ এলাকায় এই প্রশ্নটি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে (Bengal Missionary Activities)।

    বিদেশি অর্থের ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন

    ধর্মান্তরের পাশাপাশি বিদেশ থেকে পাওয়া অর্থ কীভাবে খরচ করা হচ্ছে, তা নিয়েও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে সংবেদনশীল আদিবাসী ও গ্রামীণ এলাকায় কাজ করা মিশনারি প্রতিষ্ঠানগুলির আর্থিক লেনদেন এবং কার্যকলাপে আরও স্বচ্ছতার দাবি জানানো হয়েছে। ন্যাজাটের ঘটনায়ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের অন্যতম বিষয় ছিল বিদেশি অর্থের ব্যবহার। তবে কোনও বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়েছে কি না, কিংবা বিদেশি অর্থ আদৌ ধর্মান্তরকরণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশ অভিযোগের অন্যান্য দিকের পাশাপাশি এই বিষয়টিও খতিয়ে দেখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে (Foreign Funding Row)।

    তদন্তের দিকেই নজর

    ন্যাজাটের ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই মিশনারিদের অভিযোগ নিয়েছে, এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও নথিভুক্ত করা হয়েছে। এখন তদন্তে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং মিশনারিদের পাল্টা অভিযোগ—দুই দিকই কতটা সত্য, তা স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষা। ধর্মান্তরকরণের অভিযোগের আদৌ বাস্তব ভিত্তি রয়েছে কি না, বিদেশি অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মিশনারিদের বিরোধের প্রকৃত কারণ কী এবং মিশন খালি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল কি না—এই বিষয়গুলিই তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্রসঙ্গত, ঘটনাটি এমন একটি সময়ে সামনে এসেছে, যখন ধর্মান্তর এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই চলছে (Foreign Funding Row) বিতর্ক। ফলে উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাটের এই ঘটনা আগামী দিনে আরও রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া তৈরি (Bengal Missionary Activities) করে কি না, সেটাই দেখার।

     

  • Suvendu Adhikari: “শাহজাহানের নির্দেশেই এই হামলার ষড়যন্ত্র”! মামলা অন্যত্র সারানোর দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “শাহজাহানের নির্দেশেই এই হামলার ষড়যন্ত্র”! মামলা অন্যত্র সারানোর দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সন্দেশখালির ভোলানাথ ঘোষ। বুধবার আদালতে সাক্ষী গ্রহণের জন্য ছোট ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে গাড়ি করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ন্যাজাটের কাছে দশ চাকার একটি ট্রাক ভোলানাথের গাড়িতে ধাক্কা মারে, এরপর তাঁর ছেলে এবং গাড়ির চালকের মৃত্যু হয়। কপালজোরে প্রাণে বেঁচে যান ভোলানাথ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তীব্র তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “এটা শাহজাহান করিয়েছেন। জেলে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। তাঁর নির্দেশেই এই হামলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।”

    জেলে বসে সব পায় (Suvendu Adhikari)

    তৃণমূলের কুখ্যাত দুষ্কৃতী শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) রেশন দুর্নীতি, অবৈধ জমি দখল এবং নারী নির্যাতনের মতো অজস্র মামলায় জড়িত। তাঁর বিরুদ্ধে গোটা সন্দেশখালির হিন্দু মহিলারা, বাড়ির বৌ-রা অভিযোগ জানিয়ে বারংবার আন্দোলন করেছেন। আপতত জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি। তবে যেহেতু রাজ্য সরকার তৃণমূলের আর নিজেও ওই দলের নেতা ছিলেন, তাই শাসক দল জেলের ভিতরে বাড়তি অক্সিজেনের জোগান দেয় বলে বিজপির অভিযোগ। গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর উপরে হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, “এই মামলা পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নিয়ে যাওয়া উচিত। বসিরহাটের জেলে বসে থাকলে মামলার সাক্ষীরা একে একে খুন হবেন। আজ ভোলা ঘোষের উপর হামলা হয়েছে, এক, ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আগামিকাল বড় ছেলের উপরেও হামলা হবে। এই তৃণমূল নেতা ফোন ব্যবহার করে। জেলেই ওর সব প্রয়োজন মেটানো হয়। তৃণমূলের ছোট বড় সকল নেতাদের জেলের ভিতরে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়। জীবনকৃষ্ণ সাহা জেল থেকে ফোন করে কথা বলেন। যা খেতে ইচ্ছা হয়, তাই খায়। অনেক রাতে ডিনার দেওয়া হয়। যত রকমের ছবি আসে সব দেখে। কখনও পিজির উডবার্ন ওয়ার্ডে আবার কখনও মন খারাপ হলে নিয়ে যাওয়া হয় বেসরকারি হাসপাতালে। সব জেলার সুপাররা খারাপ নয়, বেরিয়ে এসে আমাকে জানান যে, নেতারা ফোন ব্যবহার করছে।”

    অল্পের জন্য বেঁচে যান

    শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) যে লোককে ট্রাক চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল সেই ব্যক্তি ধাক্কা মেরে একটি বাইকে করে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। এই ট্রাক চালকের বাবা শাহজাহানের খুব ঘনিষ্ঠ। ন্যাজাটের কাছে বয়ারমারি পেট্রোল পাম্পের সামনে ভোলার গাড়িতে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনা স্থলেই মৃত্যু হয় ভোলার ছোট ছেলে সত্যজিতের। অল্পের জন্য বেঁচে যান ভোলা। মামলার সাক্ষী দিতে গিয়েই এই ঘটনা ঘটেছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “ভোলানাথকে দেখার জন্য বিশেষ টিম পাঠানো হয়েছে। এসএসকেএমে চিকিৎসা করানোর টা ভোলার জন্য খুব বিপদজনক হতে পারে। তবে সিবিআইকে ধন্যবাদ যে ভোট পরবর্তী মামলার নিরপেক্ষতা, গুরুত্ব এবং প্রভাব বুঝে অন্য রাজ্যে পাঠানোর জন্য সুপ্রিমকোর্টে আবেদন করা হয়েছে।”

  • Sandeshkhali: আদালতের পথে ‘হত্যার ষড়যন্ত্র’ শাহজাহান মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ভোলাকে! জেলে বসেই প্ল্যান?

    Sandeshkhali: আদালতের পথে ‘হত্যার ষড়যন্ত্র’ শাহজাহান মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ভোলাকে! জেলে বসেই প্ল্যান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেন হিন্দি সিনেমার দৃশ্য! সাক্ষীকে মারতে জেলে বসেই কি প্ল্যান করেছেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূলের কুখ্যাত নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Sahajahan)? রেশন দুর্নীতি এবং সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতন মামলার সাক্ষীকে হত্যার ছক করে ছিলেন। বিজেপি অবশ্য বারবার রাজ্যের জেল প্রশাসনকে তোপ দেগে অভিযোগ করে জানিয়েছে, জেলে বসেই শাহজাহান সন্দেশখালির মামলাকে প্রভাবিত করার গভীর ষড়যন্ত্র করছে। অভিযুক্ত নেতা জেলে থাকলেও তাঁর বিচরণ যে সর্বত্র তা আরও একবার প্রমাণিত বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। মামলার প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন ভোলানাথ ঘোষ। আদালতে সাক্ষী দিতে যাওয়ার সময় গাড়িতে দুর্ঘটনার শিকার হন। তবে ভোলা প্রাণে বাঁচলেও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য গোটা দুর্ঘটনার পিছনে শাহজাহানের প্রত্যক্ষ হাত রয়েছে বলে মনে করছে।

    আগে থেকে পরিকল্পিত হামলা (Sandeshkhali)

    বুধবার, আদালতে ছিল শেখ শাহজাহানের (Sheikh Sahajahan) একটি মামলা। এই মামার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন ভোলা ঘোষ। আজ আদালতে যাচ্ছিলেন মামলার সাক্ষী দিতে। রাস্তায় যাওয়ার সময় ন্যাজাটের কাছে বয়ারমারি পেট্রোল পাম্পের সামনে ভোলার গাড়িতে ধাক্কা মারে একটি ট্রাক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ছোট ছেলে সত্যজিৎ ঘোষের। একই ভাবে মৃত্যু হয় চালক শাহানুরের। কিন্তু বেঁচে যান ভোলা। তবে নিজে এখনও জানেন না ছেলের মৃত্যু হয়েছে। ট্রাক চালক ধাক্কা মারার পর বাইকে করে পালিয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গোটা ঘটনা যে আগে থেকেই পরিকল্পিত তাও দাবি করেছে বিজেপি।

    মামলার সাক্ষীকে খতম করাই উদ্দেশ্য

    বিজেপির অবশ্য দাবি, “শাহজাহানের মামলায় (Sandeshkhali) যেহেতু ভোলা সাক্ষী, তাই তাঁকে খুনের ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কোর্টে যাওয়ার সময় পরিকল্পিত ভাবে হামলা করা হয়। আগে থেকে প্রিপ্ল্যান্ড্ ছিল। ছেলে এবং তাঁর গাড়ির চালক মারা গিয়েছেন। যে গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন সেই গাড়ির কাগজপত্র ঠিক ছিল না। আজকেই ইএমআই-এর তারিখ ছিল।”

    ভোলানাথ ঘোষ একসময়ে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Sahajahan) সঙ্গী ছিলেন। পরবর্তীতে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি। ২০২১ সালে শাহজাহানের লোকজন ভোলার বাড়িঘর ভাঙচুর করেছিল। তারপর থেকে ঘরছাড়া ছিলেন। কিন্তু শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার পরেই বাড়িতে ফিরেছিলেন তিনি। ভোলা নিজে বলেন, “বয়ারমারি পার হয়েছি ওই লরিটা সামনে যাচ্ছিল আমাদের গাড়ি এগোচ্ছিল। ডাইরেক্ট এসে আমার গাড়িতে মারল। তারপর আমার গাড়ি জলে চলে গেল। অজ্ঞান হয়ে গেলাম।”

    ‘‘এটা একশ শতাংশ খুন’’

    ভোলার বড় ছেলে বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, “এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিতভাবে ভাবে খুন করা হয়েছে। এটা একশ শতাংশ খুন। আমি যা শুনেছি ট্রাকের ড্রাইভারের নাম আলিম। গারিটা ছিল লাউখালির। আগে থেকে বাবার গাড়ি ফলো করছিল। পাশ থেকে দুবার ধাক্কা দেওয়া হয়। এখানে শাহজাহানের (Sheikh Sahajahan) রাজ চলে, জেলে বসেই নিজের বৌয়ের সঙ্গে গল্প করেন তিনি। শাহজাহানের হয়ে ন্যাজাটের (Sandeshkhali) সবিতা রায় এবং মোসলেম শেখ দাপট চালাচ্ছে। ওদের ষড়যন্ত্রেই এই খুন হয়েছে।”

  • Yusuf Pathan: শেখ শাহজাহান হোক বা ইউসূফ পাঠান, তৃণমূল আর জবরদখল যেন সমার্থক!

    Yusuf Pathan: শেখ শাহজাহান হোক বা ইউসূফ পাঠান, তৃণমূল আর জবরদখল যেন সমার্থক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনি গেরোয় তৃণমূলের (TMC) সাংসদ ইউসূফ পাঠান (Yusuf Pathan)। প্রাক্তন এই ক্রিকেট তারকাকে ‘দখলদার’ তকমা দিল গুজরাট হাইকোর্ট। আদালতের সাফ কথা, বরোদা পুরসভার জমি বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছেন ইউসূফ। তাই ওই জমি তাঁকে খালি করে দিতে হবে। প্রয়োজনে পুরসভা বুলডোজার চালিয়ে ওই জমি খালি করাতে পারবে। তৃণমূলের আরও এক নেতা সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধেও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। মাথায় শাসক দলের আশীর্বাদী হাত থাকায় তিনিও গিলে ফেলেছেন বিঘের পর বিঘে জমি।

    তৃণমূলের সাংসদ ইউসূফ (Yusuf Pathan)

    গুজরাটের বাসিন্দা ইউসূফ। মুসলিম তাস খেলতে গত লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করে তৃণমূল। তার জেরে গোহারা হেরে যান ওই কেন্দ্রের দীর্ঘদিনের সাংসদ কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। তৃণমূলের এহেন নেতার গায়েই লাগল দখলদারের তকমা। গুজরাট আদালতের পর্যবেক্ষণ, “ইউসূফ একজন জনপ্রতিনিধি। তিনি সেলিব্রিটিও। তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপের প্রভাব পড়ে সমাজের ওপর। তাই তাঁর আইন মেনে চলা উচিত। উল্টে তিনিই বেআইনি কাজ করছেন।” গুজরাট হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তৃণমূল সাংসদকে আর নোটিশ পাঠাবে না পুরসভা। এর পর জমি খালি না করলে পুরসভা প্রয়োজনে বুলডোজার চালাতে পারবে।

    জমি দখলের অভিযোগ

    বরোদা পুরসভার অধিকৃত ৯৭৮ স্কোয়ার মিটার জমি নিয়েছিলেন পাঠান। পুরসভার অভিযোগ, ওই জমিতে দেওয়াল তুলে জায়গাটি নিজের সম্পত্তির মতো ব্যবহার করছিলেন তৃণমূলের এই সাংসদ। কাজটি বেআইনি। উল্লেখ্য যে, ২০১২ সালে পাঠানকে একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন বরোদা পুরসভা কর্তৃপক্ষ। তাঁরা তাঁকে জমিটি কিনে নিতে বলেছিলেন। সেজন্য নিলাম করা হবে না। প্রতি বর্গমিটারে ৫৭ হাজার ২৭০ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। ২০১৪ সালে পুরসভার ওই অনুমোদন বাতিল করে দেয় গুজরাট সরকার। পাঠান বেআইনিভাবে জমিটি দখল করে রেখেছেন, এই মর্মে তৎকালীন বিজেপি কাউন্সিলর বিজয় পাওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন। তার পরেও এত বছর ধরে জমিটি ব্যবহার করে চলেছেন তৃণমূলের এই সাংসদ।

    জমি দখলের অভিযোগ প্রমাণিত

    আদালতে পাঠান (Yusuf Pathan) জানান, বর্তমান বাজারদরে তিনি জমিটি কিনে নিতে ইচ্ছুক (TMC)। এবার আপত্তি জানায় পুরসভা। তাদের দাবি, বিখ্যাত ক্রিকেটার সাংসদ হলেও, জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর জ্ঞান নেই। শুক্রবার সংশ্লিষ্ট মামলার শুনানিতে পাঠানের দখল করা জমি পুররুদ্ধারের জন্য পুরসভাকে নির্দেশ দিয়েছেন গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি মউনা ভট্ট। আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, “প্রাক্তন ক্রিকেটার যে ওই জমি দখল করে রেখেছেন, তা প্রমাণিত। তাই আইনত পুরসভা তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে।”

    আদালতের নির্দেশ

    পুরসভার তরফেও জমি জবরদখলের জন্য পাঠানকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল একাধিকবার। প্রতিবারই তাঁকে খালি করতে বলা হয় জমিটি। তার পরেও তিনি ছাড়েননি জমির দখলদারি। উল্টে পুরসভার নোটিশের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন পাঠান। আদালতের নির্দেশ, পাঠানকে আর কোনও নোটিশ পাঠানো হবে না। তিনি যদি নিজেই জমিটি খালি না করেন, তবে পুরসভা নিজে থেকেই ব্যবস্থা নেবে। অথচ জমিটি (Yusuf Pathan) পেতে কীই না করেছেন তৃণমূলের (TMC) এই সাংসদ। আস্তাবল করতে ওই প্লটটি কিনে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে তিনি আবেদন করেছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে। দাবির স্বপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, তিনি ও তাঁর ভাই ইরফান পাঠান দু’জনেই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব। তবে তার পরেও যে চিঁড়ে ভেজেনি, এদিন গুজরাট হাইকোর্টের রায়েই তা স্পষ্ট।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি

    গুজরাট থেকে এবার চোখ ফেরানো যাক খোদ তৃণমূল-শাসিত পশ্চিমবঙ্গে। এখানেও জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের আরও এক নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাচক্রে, তিনিও মুসলিম। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তৃণমূল জমানায় তিনি ও তাঁর ভাই সিরাজউদ্দিন গায়ের জোরে ফসলের খেত দখল করে বদলে দিয়েছেন জমির চরিত্র। যে জমি এক সময় সবুজ সবজিতে ভরে উঠত, সেই জমির চরিত্র বদলেই বানানো হয়েছে মাছের ভেড়ি। শোনা যায়, ঘনিষ্ঠ (Yusuf Pathan) মহলে শাহজাহান প্রায়ই বলতেন ‘নোনা জলে সোনা ফলে’। সেই ‘সোনা’ ফলাতে গিয়েই তৃণমূলের (TMC) এই নেতা গায়ের জোরে দখল করে নিয়েছেন স্থানীয়দের জমি-জিরেত। রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডের জেরে শাহজাহান গারদে যেতেই মুখ খুলতে শুরু করেন স্থানীয়দের অনেকেই। বেড়মজুর গ্রামের বাসিন্দা মৌসুমি হালদার সেই সময় বলেছিলেন, “আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। শ্বশুরমশাইকে মেরেছে। মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে এক বিঘে কৃষিজমি লিখিয়ে নিয়েছে। বাচ্চা দুটোর প্রাণের আশায় আমি কিছু বলিনি।”

    পাঠানকাণ্ডের গুজরাট (Yusuf Pathan) হাইকোর্টের রায়ের পর অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, তৃণমূল (TMC) আর জবরদখল যেন সমার্থক!

  • Calcutta High Court: সন্দেশখালির তিন বিজেপি কর্মী খুনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশই বহাল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চেও

    Calcutta High Court: সন্দেশখালির তিন বিজেপি কর্মী খুনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশই বহাল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মুখ পুড়ল প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তিন বিজেপি কর্মী খুনের অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশই বহাল রাখল বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের ডিভিশন বেঞ্চ।

    শাহজাহানের আবেদনের গ্রহণযোগ্যতাই নেই (Calcutta High Court)

    বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সিবিআই তদন্তের বিরুদ্ধে সন্দেশখালির প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের আবেদনের কোনও গ্রহণযোগ্যতাই নেই। গত ৩০ জুন সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর সিঙ্গল বেঞ্চ। সিবিআইয়ের যুগ্ম অধিকর্তাকে সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশও দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৮ জুন খুন হন বিজেপি কর্মী প্রদীপ মণ্ডল ও সুকান্ত মণ্ডল। নিখোঁজ হয়ে যান দেবদাস মণ্ডল। যদিও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, দেবদাসকেও খুন করা হয়েছে। খুনের অভিযোগ ছিল শেখ শাহজাহানের এবং তাঁর শাগরেদদের বিরুদ্ধে। আদালতের দ্বারস্থ হন প্রদীপ মণ্ডলের স্ত্রী পদ্মা ও দেবদাসের স্ত্রী সুপ্রিয়া মণ্ডল গায়েন। সেই মামলায়ই এই নির্দেশ দেয় আদালত।

    চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল শাহজাহানের নাম

    জানা গিয়েছে, এই খুনের মামলায় প্রথমে যে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছিল, তাতে নাম ছিল শাহজাহানের। পরে মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে যাওয়ার পর চার্জশিট থেকে বাদ যায় শাহজাহানের নাম। ২০২২ সালেও একটি খুনের মামলায় চার্জশিটে ছিল শাহজাহানের নাম। সেবারও জামিন পেয়ে (Calcutta High Court) যান তিনি। প্রসঙ্গত, সন্দেশখালির অঘোষিত শাসক হিসেবে পরিচিত তৃণমূলের শাহজাহান ইতিমধ্যেই রেশন কেলেঙ্কারি ও ইডি অফিসারদের ওপর হামলার মামলায় জেলবন্দি। প্রায় দু’মাস গা-ঢাকা দেওয়ার পর গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এরপর প্রথমে সিবিআই এবং পরে ইডি দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাই হেফাজতে নেয় তাঁকে। এই অবস্থায় আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের রায় বহাল রাখায় শাহজাহানের রক্তচাপ যে বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য (Sandeshkhali)।

    মৌরসি পাট্টায় পরিণত করেছিলেন শাহজাহান

    সন্দেশখালিকে কার্যত নিজের মৌরসি পাট্টায় পরিণত করেছিলেন শাহজাহান। তিনি ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মাধ্যক্ষ। সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতিও তিনিই। স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০০৩ সালে এই শাহজাহানই করতেন সন্দেশখালি-সরবেড়িয়া রুটের ট্রেকারের হেল্পারি। তাঁর মামা ছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান। সেই সূত্রে বাম আমলে ভেড়ির ব্যবসায় পা রেখেছিলেন শাহজাহান। স্থানীয়দের একাংশের আবার অভিযোগ, শাহজাহান বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। সন্দেশখালির মাছের ভেড়ির রাশ নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি (Calcutta High Court) প্রথমদিকে তিনি শোনা যায় গরিবদের সাহায্যও করতেন। তখনও শাহজাহান হয়ে ওঠেননি ‘সন্দেশখালির বাঘ’। বাম জমানার একেবারে শেষের দিকে স্থানীয় বিধায়ক অনন্ত রায়ের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছিলেন শাহজাহান। শোনা যায়, সেই সময় থেকেই তিনি হাত পাকিয়েছিলেন কাঠ ও গরু পাচারে। মানুষ পাচারের অভিযোগও ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।

    শাহজাহান যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে

    ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শাহজাহান যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের হাত ধরেই বস্তুত সক্রিয়ভাবে রাজনীতির জগতে পা রাখেন তিনি। মাথায় জ্যোতিপ্রিয়র আশীর্বাদী হাত থাকায় তৃণমূলের পদ পেতেও বিশেষ বেগ পেতে হয়নি শাহজাহানকে। যদিও বাম আমলে বিধায়ক ঘনিষ্ঠ থাকলেও, কোনও পদ ছিল না শাহজাহানের। তৃণমূলের পদ পাওয়ার পরেই শাহজাহান হয়ে ওঠেন ‘শের-ই-সন্দেশখালি’। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে সন্দেশখালি কেন্দ্রে তৃণমূলের তারকা-রাজনীতিক নুসরত জাহানকে লিড পাইয়ে (Sandeshkhali) দেওয়ার ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা ছিল এই শাহজাহানেরই (Calcutta High Court)।

    দলের এই ‘সম্পদ’কে খুশি করতে পদ

    দলের এই ‘সম্পদ’কে খুশি করতে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঘাসফুল শিবির প্রার্থী করে শাহজাহানকে। নির্বাচনে জিতে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষও হন তিনি। এর পরে পরেই রেশন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়। তদন্ত শুরু হতেই উঠে আসে শাহজাহানের নাম। তাঁকে ধরতে সন্দেশখালি গিয়েছিলেন ইডির কর্তারা। সেদিন শাহজাহান বাড়ির ভেতরে থাকলেও, বাইরে বের হননি। উল্টে শাহজাহান বাহিনীর হামলার মুখে পড়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। ঘটনাটিকে সেদিন তৃণমূল নেতারা ব্যাখ্যা করেছিলেন, ‘এটি ইডির বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান’।

    মুখোশ খুলে পড়ে শাহজাহানের

    এই ‘গণঅভ্যুত্থানে’র পরেই মুখোশ খুলে পড়ে শাহজাহানের। মুখ খোলেন স্থানীয়রা। কেউ তাঁর বিরুদ্ধে জমিজমা দখলের অভিযোগ করেন, কেউ আবার শাহজাহান ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগে সরব হন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গা-ঢাকা দেন শাহজাহান। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁর শাগরেদ উত্তম সর্দার, শিবু হাজরাদের। শেষমেশ পুলিশের জালে পড়েন সন্দেশখালির বাঘ। দলের গায়ে যাতে শাহজাহানের কলঙ্ক (Sandeshkhali) না লাগে, তাই (Calcutta High Court) তাঁকে করে দেওয়া হয় ‘প্রাক্তনী’।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির ৩ বিজেপি কর্মী খুনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির ৩ বিজেপি কর্মী খুনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে ২০১৯ সালে তিন বিজেপি কর্মীকে হত্যার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। আদালত সিবিআইকে এই মামলার জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনেরও নির্দেশ দিয়েছে। ২০১৯ সালের ৮ জুন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাসিন্দা তথা বিজেপি প্রদীপ মণ্ডল, দেবদাস মণ্ডল এবং সুকান্ত মণ্ডলকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। তিনজনই বিজেপি কর্মী ছিলেন। এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে। প্রথম পর্যায়ে তার নাম চার্জশিটে থাকলেও পরে সিআইডির হাতে তদন্ত যাওয়ার পর তার নাম বাদ পড়ে যা নিয়ে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়।

    ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তায় হাইকোর্টে যায় নিহতদের পরিবার

    প্রদীপ মণ্ডলের পরিবারের অভিযোগ, সেদিন একদল সশস্ত্র দুষ্কৃতী তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে গুলি করে খুন করে। তার তুতো ভাই সুকান্ত এবং প্রতিবেশী দেবদাস মণ্ডলকেও একই কায়দায় হত্যা করা হয়। ঘটনায় দু’টি পৃথক এফআইআর দায়ের করেছিলেন সুপ্রিয়া মণ্ডল এবং পদ্মা মণ্ডল। দুই মামলাতেই মূল অভিযুক্ত ছিল শেখ শাহজাহান (Sandeshkhali)। একটি মামলায় ২৮ জন এবং অন্যটিতে ২৪ জন অভিযুক্ত ছিল। কিন্তু রহস্যজনকভাবে, দুই মামলার চার্জশিট থেকেই বাদ যায় শেখ শাহজাহানের (Sandeshkhali) নাম। এরপর ২০২৪ সালের ৮ জানুয়ারি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তায় নিহতদের পরিবার ফের হাইকোর্টে সিবিআই তদন্তের দাবি জানায়।

    তদন্তকারী আধিকারিককে ভর্ৎসনা বিচারপতির (Calcutta High Court)

    মামলার শুনানির সময় তদন্তকারী আধিকারিককে প্রশ্ন করেন বিচারপতি, ‘‘সাক্ষীর গোপন জবানবন্দিতে শেখ শাহজাহানকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন তার নাম চার্জশিটে নেই?’’ উত্তরে আধিকারিক (Sandeshkhali) বলেন, ‘‘সাক্ষীকে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি।’’ তখন বিচারপতি পাল্টা বলেন, ‘‘আপনি ঠিক করবেন কে বিশ্বাসযোগ্য আর কে নয়?’’ বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, তদন্ত যথাযথভাবে হয়নি, সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদেও গাফিলতি রয়েছে। তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, “যখন বছরের পর বছর মূল অভিযুক্তের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, তখন হঠাৎ এখন অতিরিক্ত চার্জশিট দেওয়ার তোড়জোড় কেন? চার-পাঁচ বছর ধরে চুপ ছিলেন, আর এখন সক্রিয়তা মানুষ এসব বুঝতে পারে।”

  • Firhad Hakim: রেখাকে নিয়ে কুমন্তব্যে নিন্দার ঝড়! চাপে পড়ে দুঃখপ্রকাশ করতে হল ফিরহাদ হাকিমকে

    Firhad Hakim: রেখাকে নিয়ে কুমন্তব্যে নিন্দার ঝড়! চাপে পড়ে দুঃখপ্রকাশ করতে হল ফিরহাদ হাকিমকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেখা পাত্রের উদ্দেশে কু-মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে। বিভিন্ন মহলে ওঠে নিন্দার ঝড়। সন্দেশখালি থানায় অভিযোগ করেছিলেন রেখা পাত্র (Rekha Patra)। সন্দেশখালির রাস্তায় ফিরহাদের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভও দেখাতে থাকেন সাধারণ মানুষ। অবশেষে চাপের মুখে দুঃখপ্রকাশ করলেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, ‘‘আমার কথায় ওঁর (রেখার) যদি খারাপ লেগে থাকে, আমি অত্যন্ত দুঃখিত। কোনও নারীকে অসম্মান করার কথা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারি না।’’ প্রসঙ্গত, বসিরহাটের হাড়োয়া কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে আগামী ১৩ নভেম্বর। বুধবারই সেখানে প্রচারে গিয়েছিলেন ফিরহাদ। অভিযোগ, সেখানেই সন্দেশখালির প্রসঙ্গ উঠলে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং লোকসভায় সেখানকার বিজেপি প্রার্থী রেখার উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

    কী বলেছিলেন ফিরহাদ (Firhad Hakim)?

    হাড়োয়া উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে সন্দেশখালির প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, ‘‘সন্দেশখালিকে কলঙ্কিত করেছে বিজেপি, সন্দেশখালির মানুষের নামে কুৎসা রটিয়েছে, দেশের কাছে সন্দেশখালি নিয়ে ভুল বার্তা দিয়েছে। এখানকার মেয়েদেরও বদনাম হয়েছে। কিছু দিন আগে আমার সন্দেশখালির এক বন্ধুর মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছিল ক্যানিংয়ে। কিন্তু ছেলের বাড়ি থেকে বিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। বলে, সন্দেশখালি থেকে মেয়ে আনলে পাড়ার লোকে বলবে, সে মেয়ে পবিত্র নয়।’’ এর পরে রেখার (Rekha Patra) উদ্দেশে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করেন ফিরহাদ, এমনটাই অভিযোগ।

    গতকালই প্রতিবাদে নামেন সন্দেশখালির মহিলারা

    এর প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার রেখার নেতৃত্বে সন্দেশখালিতে বিজেপির মহিলা কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল করেই থানায় যান তাঁরা। সেখানে রেখা পাত্র বলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যের মন্ত্রী (Firhad Hakim) যে ভাষায় দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন, সন্দেশখালির মা-বোনেদের যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আমরা থানায় অভিযোগ জমা দিতে এসেছি। মন্ত্রীরাই যদি এই ধরনের ভাষা প্রয়োগ করেন, তা হলে আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি? এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীই দায়ী। আমাকে উদ্দেশ্য করে নোংরা ভাষা ব্যবহার করেছেন ফিরহাদ। তা আমরা মুখে প্রকাশ করতে পারব না। লজ্জায় আমাদের মাথা হেঁট হয়ে যাচ্ছে। আমরা ওঁর পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি।’’ অবশেষে চাপের মুখে দুঃখপ্রকাশ করলেন ফিরহাদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: রেখা পাত্রকে ‘কু-মন্তব্য’ ফিরহাদের! মুখ্যসচিব-ডিজিকে তদন্তের নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

    Firhad Hakim: রেখা পাত্রকে ‘কু-মন্তব্য’ ফিরহাদের! মুখ্যসচিব-ডিজিকে তদন্তের নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাড়োয়ায় উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্রকে নিয়ে প্রকাশ্য জনসভা থেকে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে ফিরহাদের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে। যা নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজনৈতিক মহলে। এবার ফিরহাদ হাকিমের ওই মন্তব্য নিয়ে তদন্ত করার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে নির্দেশ দিল জাতীয় মহিলা কমিশন। আইনি পদক্ষেপ করার জন্য কমিশন নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তদন্ত শেষে ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। এসেছে এমনই নির্দেশ।

    ফিরহাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (Firhad Hakim)

    বৃহস্পতিবার সকালেই ফিরহাদের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে বিধাননগর দক্ষিণ থানার দ্বারস্থ হন বিজেপির বিধাননগরের মণ্ডল সভাপতি সঞ্জয় পয়রা। কিন্তু, পুলিশ অভিযোগ নিতে চায়নি বলে দাবি তাঁর। পরবর্তীতে মেইল মারফত অভিযোগ দায়ের হয় বিধাননগর কমিশনারেটে। যা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই বিজেপি নেতা। তিনি ক্ষোভের সুরে বলেন, “বাংলায় গণতন্ত্র নেই। আইনের শাসন নেই। শাসকের আইন রয়েছে। তাই অভিযোগ নিতে অস্বীকার করল পুলিশ।”

    আরও পড়ুন: আমেরিকার নয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিনন্দন হাসিনার, কৌশলী বার্তা আওয়ামী লিগের

    সরব হয়েছেন শুভেন্দু

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্য প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রেখা পাত্রকে অপমান করার কোনও অধিকার নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য ফিরহাদ হাকিমের। একজন মহিলা সম্পর্কে ওই শব্দ ব্যবহার করা উচিত হয়নি।”  ‘কু-মন্তব্যের’ জন্য ফিরহাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। জাতীয় মহিলা কমিশনকে ট্যাগ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন শুভেন্দু। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দফতর, জাতীয় মহিলা কমিশন, জাতীয় তফসিলি জাতি জনজাতি কমিশনকে ট্যাগ করে অভিযোগ জানান। সেই সঙ্গে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদারকেও ট্যাগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, “শুধু একজন মহিলাকে নয়, পৌণ্ড্র ক্ষত্রিয় জনজাতিকেও অপমান করা হয়েছে”।

    সন্দেশখালির মা-বোনেদের অপমান

    এদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগের জবাব দিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার জানিয়েছেন, জাতীয় মহিলা কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। তিনি এক্স মাধ্যমে লিখেছেন,”সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। এই মন্তব্য তাঁদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে। এটা সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।” ফিরহাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন রেখা পাত্রও। তিনি বলেন, “আমাকে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, সেটা খুব নিন্দনীয়। আমার মতো খেটে খাওয়া পরিবারের মেয়েকে অপমান করা হয়েছে। এই অপমান গোটা সন্দেশখালির মা-বোনেদের অপমান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ড মামলায় (Sandeshkhali Case) সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মুখ পুড়ল রাজ্যের। শীর্ষ আদালতে খারিজ রাজ্যের সিবিআই তদন্তের বিরোধিতার আর্জি। রাজ্যকে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, “রাজ্য কি কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে?”

    কী বলল সুপ্রিম কোট? (Sandeshkhali Case)

    সন্দেশখালিতে জমি দখল ও মহিলাদের যৌন হেনস্থার অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে আবেদন করে রাজ্য। সেখানেই খারিজ হয়ে যায় রাজ্যের আবেদন। সোমবার মামলাটির শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিআর গাভাই এবং কেভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চে। তখনই বিচারপতি গাভাই প্রশ্ন ছুড়ে দেন, “এই বিষয়ে কেন আবেদন করেছে রাজ্য সরকার? তারা কাকে প্রোটেক্ট করতে চাইছে?” বেঞ্চের আরও প্রশ্ন, “সন্দেশখালিতে যেখানে নারী নির্যাতনের এত অভিযোগ উঠেছে, যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে, সেখানে কেন রাজ্য সরকার বাড়তি আগ্রহ দেখাচ্ছে?”

    কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেলেঙ্কারির বেরল কেউটে!

    রাজ্যে রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে কেউটে। গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের দাপুটে নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই কেলেঙ্কারির শেকড় খুঁজতে জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেই সময় হামলা হয় ইডির আধিকারিকদের ওপর (Sandeshkhali Case)। পরে গ্রেফতার হয় শাহজাহান। তার পরেই একে একে বেরিয়ে আসতে থাকে কেলেঙ্কারির কেউটে।

    আর পড়ুন: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    শাহজাহান ও তার দলবলের বিরুদ্ধে জমি দখল, নারী নির্যাতন-সহ একাধিক অভিযোগ তুলে পথে নামে সন্দেশখালির প্রমীলা বাহিনী। জমি দখল এবং নারী নির্যাতনের অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। দেওয়া হয়েছিল সিবিআই তদন্তের নির্দেশ। উচ্চতর আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোটের দুয়ারে হাজির হয় রাজ্য। সেখানেও জুটল রামধাক্কা।

    দেশের শীর্ষ আদালতে রাজ্য সরকারের মুখ পোড়ায় যারপরনাই খুশি বিজেপি। সাংসদ বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্য সরকার কিছু অনৈতিক দাবি নিয়ে কিছু অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। সেই জন্যই মানুষেরই দেওয়া ট্যাক্সের টাকা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয় তারা। বারংবার পরাজিতও হয় (Sandeshkhali Case)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sandeshkhali: রেখা পাত্র ‘সন্দেশখালির বাঘিনী’, বিরাট ইঙ্গিত বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের

    Sandeshkhali: রেখা পাত্র ‘সন্দেশখালির বাঘিনী’, বিরাট ইঙ্গিত বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-পরবর্তী হিংসা পরিদর্শন করতে সন্দেশখালিতে আসলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। মঙ্গলবার বিকেলে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সড়বেড়িয়া এলাকায় আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার তৈরি করা ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। এই দলের মধ্যে রয়েছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, কেন্দ্রীয় প্রাক্তন আইন মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ, বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল সহ আরও চারজন। এদিন সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রের কাছ থেকে অত্যাচারের বিবরণ শোনেন প্রতিনিধি দল।

    এদিন তাঁরা সড়বেড়িয়ার আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট বিট পোলের ৪২, ৪৫ নম্বর বুথের বামন ঘেরি এলাকায় গিয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন টিম। তাঁদের বর্তমান অবস্থার কথা জানার চেষ্টা করেন। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেন তাঁরা। তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

    প্রতিনিধি দলের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ব্রিজপাল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়ে রেখা পাত্রকে বলেন, “রেখা পাত্র সন্দেশখালির বাঘিনী। রেখা যেভাবে লড়াই করেছে, তা বলার মতো। আমি বলে রাখলাম এই মেয়ে অনেক দূর যাবে। আমি এই নিয়ে বাংলায় মোট পাঁচবার এসেছি। এই সন্দেশখালিতে কেবল অত্যাচারই হয়েছে। আমি উর্দি পরেছি। কিন্তু এখানে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা দেখে দুঃখ পাই।” একই সঙ্গে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদও রেখার সাহসিকতার জন্য বাহবা দেন।

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারে জনশূন্য গ্রাম! তোপ রবিশঙ্করের

    রেখা পাত্রের বক্তব্য

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) গদখালিতে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের উপর ব্যাপক অত্যাচার করেছে। আর সেই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের পাশে থেকে রেখা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন শক্তিস্বরূপা। আজ প্রাক্তন পুলিশকর্তা বাঘিনী বললেন আমাকে, তবে আমার মনে হয়, এটা শুধু আমাকে বলা নয়, সন্দেশখালির প্রত্যেক মহিলাকে বলা হয়েছে। মানুষে তো বাড়িতেই ফিরতে পারেননি। কাউন্টিং এজেন্টরা এখনও ঘরছাড়া। গ্রামে ঢুকতে পারেননি। তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হল কীভাবে?”

    তৃণমূলের অত্যাচারে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক গ্রাম জনশূন্যে পরিণত হয়েছে। এই টিম কলকাতা, কোচবিহার এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় নিপীড়িত বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছে। বিজেপির টিম রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এবং এলাকা পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেবেন সর্বভারতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডার কাছে। আজই তাঁদের রাতে দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share