Tag: Sanjay Leela Bhansali

Sanjay Leela Bhansali

  • 20 Years of Devdas: ‘দেবদাস’ ছবির ২০ বছর! নস্টালজিক ঐশ্বর্য ও সঞ্জয়লীলা বনশালি

    20 Years of Devdas: ‘দেবদাস’ ছবির ২০ বছর! নস্টালজিক ঐশ্বর্য ও সঞ্জয়লীলা বনশালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়ি বছরে পা দিল সঞ্জয়লীলা বনশালি (Sanjay Leela Bhansali) পরিচালিত ‘দেবদাস’ (Devdas) সিনেমাটি। ২০০২ সালের ১২ জুলাই মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। মুখ্য চরিত্রে ছিলেন বলিউডের তিন সুপারস্টার শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan), ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan) ও মাধুরী দীক্ষিত (Madhuri Dixit)। ছবিটি ভারতীয় সিনেমায় এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। বাঙালি লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘দেবদাস’ উপন্যাস অবলম্বন করেই এই ছবিটি তৈরি করা হয়েছিল। মুক্তির ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও দর্শকদের মনে এই সিনেমার এক অন্যরকম উপস্থিতি রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাদশার প্রতিবেশী বাজিরাও! রণবীরের নতুন ফ্ল্যাটের দাম শুনলে আকাশ থেকে পড়বেন

    এই ছবি মুক্তির স্মৃতিচারণা করে ঐশ্বর্য রাই বচ্চন ছবির এক পোস্টার গতকাল ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করেন। শেয়ার করার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর অনুরাগীরা তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তবে প্রথমেই তাঁর ছবিতে যিনি কমেন্ট করেন, তিনি হলেন তাঁর স্বামী অভিষেক বচ্চন (Abhishek Bachchan)। তিনি সেখানে একটি হৃদয়ের ইমোজি দেন। এরপরেই ঐশ্বর্যের ভক্তরা একের পর এক কমেন্ট করতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে কেউ লিখেছেন “ ২০ বছর পার হলেও মনে হচ্ছে এটি কয়েকদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে। আমার সবসময়ের পছন্দের সিনেমা।“ কেউ লিখেছেন, “আপনার অভিনয় এই সিনেমায় অপূর্ব ছিল।“ অনেকেই এই দিনে আবার এই সিনেমাটি দেখবে, এই কথাও লিখেছেন কমেন্ট সেকশনে।

    [insta]https://www.instagram.com/p/Cf69k16OYqQ/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    এছাড়াও এদিন পরিচালক বনশালি ছবির জন্য নির্মিত পোস্টারগুলি ট্যুইট করে শেয়ার করেছেন। সেই পোস্টারেই দেখা যাচ্ছে মাথায় হ্যাট, মুখে চুরুট আর সাহেবিয়ানায় ভরপুর দেবদাস অর্থাৎ শাহরুখকে। অন্য দুটি পোস্টারে বলি ডিভা মাধুরী দীক্ষিত ও ঐশ্বর্য রাইকে দেখা যাচ্ছে। তাঁদের রূপের ছটা যেন ছড়িয়ে পড়েছে। চন্দ্রমুখী রূপে মাধুরীকে আর পারো বা পার্বতী রূপে ঐশ্বর্যকে আজও দর্শক মনে রেখেছে। এদের সৌন্দর্য যেন আজও আকর্ষণ করে মানুষকে। এই ছবির পুরনো সেই পোস্টারগুলি প্রায় সবাইকেই নস্টালজিক করে তুলেছে।

    আরও পড়ুন: অর্ধেক বলিউড লন্ডনে! লিস্ট বানালেন শাবানা আজমি

    [tw]


    [/tw] 

  • KK Demise: শিল্পী বেঁচে থাকে তাঁর সৃষ্টিতে! কে কে-এর কালজয়ী ১০টি গান

    KK Demise: শিল্পী বেঁচে থাকে তাঁর সৃষ্টিতে! কে কে-এর কালজয়ী ১০টি গান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গাইল সে শেষ গান, পরে শেষ মালা..”।  শিল্পীর ছুটি নেই। সে বেঁচে থাকে তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে। গান গাইতে গাইতেই সুরলোকে পারি দিলেন বলিউডের জনপ্রিয় প্লেব্যাক সিঙ্গার কে কে (K K Demise)। মাত্র ৫৪ বছর বয়সে থেমে গেল কণ্ঠ। না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন কৃষ্ণকুমার কুনাথ ওরফে কেকে।

    কিন্তু শিল্পীর কি আর মৃত্যু হয়? তাঁদের সৃষ্টি থেকে যায় ভক্ত ও শ্রোতাদের মনে। বার বার কলকাতাকে প্রিয় শহর বলেছেন কে কে। তাই এখানে আসার আগে উৎসাহী কে কে ফেসবুক পোস্টে বলেন, ”কলকাতা, গেট রেডি। আমি আসছি। ৩০ এবং ৩১ মে শহরে শো রয়েছে। ৩০ তারিখ বিবেকানন্দ কলেজের আয়োজিত ফেস্টে নজরুল মঞ্চে এবং গুরুদাস মহাবিদ্যালয়ের জন্য শো ৩১ মে।” তিনি এলেন, গাইলেন, রেখে গেলেন ‘পেয়ার কে পল…’।
     
    দেখে নিন কেকে এর কালজয়ী ১০টি গান:

    ১) পল্ (Pal)
    KK এর বিখ্যাত মিউজিক অ্যালবাম ‘পল্’ ৯০ এর দশকের বিখ্যাত গানগুলোর একটি। মানুষ এখনও তার অ্যালবাম ‘পল’পছন্দ করে।  লাইভ কনসার্টে এটিই তার শেষ গাওয়া গান।

    ২) তু হি মেরি সব হে ( Tu HI Meri Shab Hai)
    কঙ্গনা রানাউত, ইমরান হাশমি এবং শাইনি আহুজা অভিনীত ফিল্ম গ্যাংস্টার-এর বিখ্যাত গান ‘তু হি মেরি সব হ্যায়’ কে কে তার সুরেলা কণ্ঠে গেয়েছিলেন।

    ৩) আওয়ারাপন বাঞ্জারাপন ( Awarapan Banjarapan)
    জিসম ছবির ‘আওয়ারাপন বাঞ্জারাপন’ গানটিও কেকে-এর সেরা গানগুলির মধ্যে একটি।  গায়কের গানটি শ্রোতাদের খুব পছন্দ।

    ৪) ম্যায়নে দিল সে কাহা (Maine Dil Se Kaha)
    রোগ ছবির ‘ম্যায়নে দিল সে কাহা’ গানটিও কে কে তার নিজের সুর দিয়ে সাজিয়েছিলেন।  

    ৫) খুদা জানে (Khuda Jaane)
    কে কে রণবীর কাপুর, দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ছবি ‘বাচনা এ হাসিনো’-এর বিখ্যাত গান ‘খুদা জানে’ গেয়েছেন।  এই গানটি শীর্ষ রোমান্টিক গানের মধ্যে একটি।

    আরও পড়ুুুুন: তবুও শ্রোতারা তাঁকে দিল না ছুটি…গানই শেষ সঙ্গী, দর্শকই বন্ধু, সুরলোকে কে কে

    ৬) তদাপ তদাপ (Tadap Tadap)
    প্লেব্যাকে তাঁর প্রথম বড় ব্রেক বলিউডে সঞ্জয় লীলা বনশালীর সুপারহিট ছবি ‘হম দিল দে চুকে সনম’। সালমান খান, ঐশ্বর্যা রাই এবং অজয় ​​দেবগণ অভিনীত এই সিনেমায় গাওয়া কে কে-এর ‘তড়প তড়প কে’ গানটি বহু ভগ্ন হৃদয়ের মলম হয়ে উঠেছিল।এর আগে মাচিস ছবি দিয়ে বলিউডে জার্নি শুরু কে কে-র। ‘ছোড় আয়ে হাম ও গলিয়া’ গানে হরিহরণের সঙ্গে গান গেয়েছিলেন কে কে। 

    ৭) জারা সি দিল মে দে ( Zaraa Si Dil Main)
    ইমরান হাশমির সুপারহিট ছবি ‘জন্নত’-এর বিখ্যাত গান ‘জারা সি দিল মে দে’ এখনও শ্রোতাদের প্রিয় গানগুলির মধ্যে একটি।  এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কেকেও।

    ৮) বিতে লামহে (Beete Lamhein)
    কে কে ইমরান হাশমির ফিল্ম ‘দ্য ট্রেন’-এর বিখ্যাত গান ‘বিতে লামহে’ ও গেয়েছেন।  এই গানটি বিরহের মধ্যে পথ দেখায়।

    ৯) সাচ কেহ রাহা হ্যায় দিওয়ানা ( Sach Keh Raha Hai)
    এর সুপারহিট হিন্দি ছবি ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’-র বাম্পার হিট গান ‘সচ কহ রহা হ্যায় দিওয়ানা’। আসমুদ্র হিমাচল এই গানে মেতে উঠেছিল… ভালোবাসা জাহিরেও যেন মুশকিল আসান ছিল কে কে-র এই গান।

    ১০) ইয়ারোঁ দোস্তি বাদি হাসিন হ্যায় (Yaro Dosti Badi Hassin Hai)
    কে কে এর কণ্ঠে গাওয়া ‘ইয়ারোঁ দোস্তি বাদি হাসিন হ্যায়’ গানটি নব্বই দশকের একটি বিখ্যাত গান।  আজও এই গানটি শুনলে সবার মনে পড়ে তাদের বন্ধু ও বন্ধুত্বের কথা।  কে কে-এর এই গানটি সত্যিই বন্ধুত্বকে সংজ্ঞায়িত করে।

    এছাড়া, তাঁর গাওয়া কালজয়ী গানগুলির তালিকায় রয়েছে—

     

    ক্যায়া মুঝে প্য়ায়ার হ্যায় (ছবি: ও লমহে্)

    আঁখো মে তেরে (ছবি: ওম শান্তি ওম)

    তু জো মিলা (ছবি: বজরঙ্গী ভাইজান)

    তু আশিকী হ্যায় (ছবি: ঝনকার বিট্স)

    আলবিদা (ছবি: লাইফ ইন আ মেট্রো)

LinkedIn
Share