Tag: Santiniketan

Santiniketan

  • Sonajhuri Haat: সোনাঝুরির হাট কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

    Sonajhuri Haat: সোনাঝুরির হাট কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনাঝুরির হাট (Sonajhuri Haat) কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের (Santiniketan) ব্যবসায়ীদের কপালে যেন চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি জমি বেআইনি দখল মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কলকাতা সহ জেলায় জেলায় চলছে অবৈধ উচ্ছেদের কাজ। পুরসভা এবং পুলিশ বেশ সক্রিয়। এই তালিকায় বাদ যায়নি বীরভূমের বোলপুর। শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাটের ছয়টি বাড়ি এবং রিসর্ট মালিককে নোটিস দিয়েছে বনদফতর। এই বাড়ি এবং রিসর্ট মালিকদের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। যদি উপযুক্ত কাগজ না দেখাতে পারে, তাহলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    বনদফতরের জমি দখল করে বাড়ি-রিসোর্ট (Sonajhuri Haat)!

    বনদফতরের রেঞ্জার জ্যোতিষ বর্মণ বলেছেন, “সোনাঝুরি হাট (Sonajhuri Haat) কর্তৃপক্ষকে নোটিশ পাঠানো হবে। দরকার হলে হাট এখান থেকে তুলে নেওয়া হবে। কারণ বনদফতরের জায়গায় ওই হাট বসানো হয়েছে। আমরা সার্ভে করেছি, বেশকিছু বাড়ি আমাদের বনবিভাগের জমির মধ্যে পড়েছে। এই জন্য আমরা আগাম নোটিশ পাঠালাম। তবে তাঁদের সপক্ষে নোটিশ থাকলে আমরা দেখব। তবে হাটের বিষয়ে এখনও নোটিশ আসেনি। অনেক দিন ধরে হাট বসছে, মৌখিক ভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্ডার এলে আমরা জানিয়ে দেব।”

    আরও পড়ুনঃ সরকারি দফতরে বিডিও-কে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন তৃণমূল নেত্রী! শোরগোল

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    এদিকে বনদফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে, বাড়ি এবং রিসর্টের মালিকরা (Sonajhuri Haat) বলেছেন, “আইনের পথেই সব কিছুর সমাধান হবে। যদি জমি বনদফতরের হলে তাহলে আমরা ছেড়ে দেব।” অপর দিকে হাট উঠে গেলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জীবন-জীবিকার সঙ্কটের মধ্যে পড়বেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের দাবি, যদি ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে যেন পুনর্বাসন দেওয়া হয়। আবার হাটের দায়িত্বে থাকা তন্ময় মিত্র বলেছেন, “আমরা নোটিশ যদিও পাইনি, কয়েকটি হোটেল এবং রিসর্ট (Santiniketan) মালিকদের দেওয়া হয়েছে। তবে নোটিশ দিলে আমরা বিকল্প ব্যবস্থার দাবি করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shantiniketan: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! সবুজ সংকেত বিশ্বভারতীর

    Shantiniketan: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! সবুজ সংকেত বিশ্বভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা আয়োজিত হতে চলেছে বিশ্বভারতীর পূর্বপল্লির মাঠেই। তিন বছর বাদে আবারও পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষ মেলা। দিন দুয়েক আগেই জেলা প্রশাসনের তরফে মাঠ চেয়ে বিশ্বভারতীর কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের তরফে পূর্বপল্লির মাঠ পৌষমেলার জন্য জেলা প্রশাসনকে দেওয়ার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। তাই মনে করা হচ্ছে সব কিছু ঠিক থাকলে তিন বছর বাদে ফের পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরতে চলেছে শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা। তবে এতদিন অবধি এই মেলা পরিচালনা করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ আর তার আহ্বায়ক ছিল শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। তবে, এই বছর পূর্বপল্লির মাঠে মেলা আয়োজিত হলে এবারও জেলা প্রশাসন পরিচালনা করবে।

    বিশ্বভারতীর কাছে মাঠ চেয়ে আবেদন প্রশাসনের (Shantiniketan)

    ২০২০ সালে করোনা ভাইরাসের কারণে মেলা হয়নি। তার পরবর্তী দুই বছর বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী মেলা করেননি, এমন অভিযোগ উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। তারই বিকল্প হিসেবে বোলপুরের ডাকবাংলা ময়দানে মেলা করেছে জেলা প্রশাসন। এই বছর বিদ্যুৎ চক্রবর্তী ৮ নভেম্বর উপাচার্য রূপে তাঁর মেয়াদ শেষ করেন। তারপরেই শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) পূর্বপল্লির মাঠে মেলা হবে এমনটাই ভেবেছিলেন অনেকে। তবে, প্রথমে বিশ্বভারতীর তরফে সময় ও পরিকাঠামোর অভাবে পূর্বপল্লির মাঠে মেলা করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। তারপর জেলা প্রশাসনের তরফে বৈঠক করে বিশ্বভারতীর কাছে মাঠ চেয়ে আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনেই সাড়া দিয়েছে বিশ্বভারতী।

    মেলা নিয়ে বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    বিশ্বভারতীর কর্মসচিব অশোক মাহাত বলেন, ‘পৌষমেলা হোক আমরা চেয়েছিলাম। কিন্তু, মেলাকে ঘিরে সমস্ত তিক্ততার অবসান চেয়েছিলাম। পাশাপাশি, অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে কতকগুলি বিষয় বিবেচনার জন্য বলেছি।’ জানা গিয়েছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santiniketan: পৌষমেলার দাবিতে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ বিশ্বভারতীর গেট ভাঙলেন বিক্ষোভকারীরা!

    Santiniketan: পৌষমেলার দাবিতে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ বিশ্বভারতীর গেট ভাঙলেন বিক্ষোভকারীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ছিল ছোট করে হলেও পৌষমেলা হবে। কিন্তু, সময় কম থাকার কারণে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও শান্তিনিকেতন (Santiniketan) ট্রাস্ট যৌথ ভাবে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিল, এবারও হচ্ছে না ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। এবার সেই পৌষমেলার দাবিতে বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ ও ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা বিক্ষোভ দেখানোর নামে কার্যত তাণ্ডব চালালেন।

    বিশ্বভারতীর গেট ভেঙে ঢোকেন বিক্ষোভকারীরা (Santiniketan)

    ২০১৯ সালে শেষ বার শান্তিনিকেতনে (Santiniketan) হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। ২০২০ সালে কোভিড পরিস্থিতির জন্য বন্ধ ছিল মেলা। কিন্তু, পরবর্তীতে ২০২১ ও ২০২২ সালে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী পৌষমেলা বন্ধ করে দেন। যা নিয়ে শান্তিনিকেতন জুড়ে বিক্ষোভ হয়। ৮ নভেম্বর উপাচার্য হিসাবে মেয়াদ শেষ হয়েছে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর। নতুন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হয়েছেন সঞ্জয় কুমার মল্লিক। তাই বোলপুর-শান্তিনিকেতনবাসী আশা করেছিলেন, এবার হয়তো পৌষমেলা হবে। কিন্তু, সময় কম থাকার কারণে এত বড় ঐতিহ্যবাহী মেলা করা সম্ভব নয় বলেই শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট ও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বৈঠক করে যৌথ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মেলা বাতিল করে দেয়। যা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সকলে। বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ ও বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢোকার প্রথম বলাকা গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকেন বিক্ষোভকারীরা। যদিও, কার্যালয়ে নেই ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সহ কর্মসচিব। পৌষমেলা করতে হবে এই দাবিতে চলে বিক্ষোভ। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্বভারতী।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চর পক্ষ থেকে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আমরা এবার আশা করেছিলাম পৌষমেলা হবে। আচমকা এভাবে মেলা বন্ধ করা ঠিক নয়। মেলা করতে হবে। কেন বন্ধ করা হল মেলা? আমাদের সঙ্গে কেন উপাচার্য কথা বলছেন না? এই মেলা আমাদের সবার আবেগ। ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করা হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। আমরা চুপচাপ বসে থাকব না। মেলার দাবিতে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Poush Mela: শান্তিনিকেতনে এই বছর হচ্ছে না পৌষমেলা, ঘোষণা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের

    Poush Mela: শান্তিনিকেতনে এই বছর হচ্ছে না পৌষমেলা, ঘোষণা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়ের অভাবে এবছরও শান্তিনিকেতনে পৌষমেলা (Poush Mela) হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সময়পর্বে মেলা বন্ধ করা হয়েছিল। মেলার নামে ক্যাম্পাসে রবি ঠাকুরের সংস্কৃতিকে নষ্ট করার কথা উঠেছিল। কিন্তু তাঁর কার্যকালের সময় শেষ হলে আবার শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা হবে বলে শোনা গিয়েছিল। কিন্তু আজ সোমবার বিশ্বভারতী ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট জানিয়ে দিল, সময়ের অভাবে ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা হচ্ছে না। অবশ্য এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের কথা জানা গিয়েছে।

    প্রথমে হওয়ার কথা ছিল মেলা (Poush Mela)

    প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ শেষ হতেই এই পৌষমেলা (Poush Mela) নিয়ে প্রথমে আশার আলো দেখা গিয়েছিল স্থানীয় এবং দেশ-বিদেশের পর্যটকদের। ক্যাম্পাসের ভিতরে-বাইরে সকলের মধ্যে মেলা হওয়ার কথা জানতে পারায় বেশ খুশির আবহ ছিল। কিন্তু সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে লম্বা বৈঠকের পর ঘোষণা হয়, সময় কম, তাই এই সংক্ষিপ্ত সময়ে মেলার পুরোপুরি প্রস্তুতি সম্ভবপর নয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয়কুমার মল্লিক। তবে বিশ্বভারতীর অভ্যন্তরীণ পৌষ উৎসব পালন করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার বলেন, ‘‘আমাদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে, এই বছর আর পৌষমেলা করা সম্ভব হচ্ছে ।“

    ২০১৯ সাল থেকেই বন্ধ পৌষমেলা

    বোলপুর শান্তিনিকেতনের অন্যতম প্রধান উৎসব হল পৌষমেলার (Poush Mela) উৎসব। এই উৎসব নানাবিধ কারণে বিগত ২০১৯ সাল থেকে বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিবাদে সরব হয়েছিল নানা মহল। বিশ্বভারতীতে ছাত্রদের মধ্যে নানান বিক্ষোভ কর্মসূচিও দেখা যায়। পাশাপাশি তৎকালীন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবতী এই মেলাকে বন্ধ করার কারণ হিসাবে মেলার নামে ক্যাম্পাসে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের জায়গা দখল, মাঠে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ তুলেছিলেন। সার্বিক ভাবে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্রমিক জীবনযাপনের উপর মেলার নামে অপসংস্কৃতিকে চাষ হচ্ছে বলে যুক্তিও উঠেছিল সেই সময়। বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সময়পর্বে তাই মেলা বন্ধ করা হয়। সেই সময়পর্বে ক্যাম্পাসের নিজস্ব জায়গাগুলিকে দখলমুক্ত করতে ফেন্সিং ওয়াল দিতে গেলে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক, নেতা এবং কর্মীরা জেসিবি মেশিন দিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ উঠেছিল। একই ভাবে নির্মাণসামগ্রী রড, বালি, পাথর চুরি হয় বলে সংবাদ মাধ্যমে জানা গিয়েছিল। বহিরাগত দৌরাত্ম্যের কবল থেকে ক্যাম্পাসকে মুক্ত করার কথা তৎকালীন উপাচার্যের মুখে বার বার শুনে গিয়েছিল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: শান্তি নেই ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ শান্তিনিকেতনে! ডিজের দাপটে অতিষ্ঠ মানুষ

    Birbhum: শান্তি নেই ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ শান্তিনিকেতনে! ডিজের দাপটে অতিষ্ঠ মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তি নেই শান্তিনিকেতনে (Birbhum)। কালীপুজো থেকে ছটপুজো, ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ শান্তিনিকেতনে শব্দদানব ডিজের দাপটে অতিষ্ঠ মানুষজন৷ শব্দ দূষণের কারণে শান্তিনিকেতন এখন অশান্ত। মধ্যরাত পর্যন্ত ডিজে বাজিয়ে চটুল অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় শান্তিনিকেতনের শ্যামবাটি থেকে ৭ জন শিল্পীকে আটক করেছে পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয় ডিজে বক্স সহ গাড়ি৷ জানা গিয়েছে, জেলা জুড়ে কয়েক দিনে প্রায় ১৫০ টি অভিযোগ জমা পড়েছে৷ সাধারণ মানুষ চরম অস্বস্তির মধ্যে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কার নেতৃত্বে চলছিল চটুল অনুষ্ঠান (Birbhum)?

    ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ শান্তিনিকেতন (Birbhum), সংস্কৃতির শহর৷ এলাকার মানুষের অভিযোগ, কালীপুজো থেকে শুরু করে ছটপুজো। সর্বত্র ডিজেবক্সের শব্দ দানবের দৌরাত্ম্যে একেবারে সাধারণ জীবন নাজেহাল। স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, শান্তিনিকেতন থানার শ্যামবাটিতে শহরের মূল রাস্তা অবরোধ করে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রচণ্ড শব্দে ডিজে বক্স বাজিয়ে চলছিল চটুল অনুষ্ঠান। সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, বোলপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার চন্দন মণ্ডলের নেতৃত্বে চলছিল এই চটুল অনুষ্ঠান। আরও জানা গিয়েছে, মানুষ প্রতিবাদ করলে অভিযোগকারীদের শাসক দলের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। 

    পুলিশের ভূমিকা

    শান্তিনিকেতনে (Birbhum) উচ্চস্বরে ডিজে বাজানোর অভিযোগ পেয়ে বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায় ৪ জন পুলিশ অফিসারকে শোকজ করেছেন। তারপর থেকেই ডিজের দৌরাত্ম্য বন্ধে তৎপর হয়েছে পুলিশ। আবার শান্তিনিকেতন থানার ওসি কস্তুরী মুখোপাধ্যায় বলেন, “এই অনুষ্ঠানের বিষয়ে কোনও অনুমতিই নেওয়া হয়নি।”

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    ঘটনায় বোলপুরের (Birbhum) তৃণমূল কাউন্সিলার চন্দন মণ্ডল বলেন, “এটা ঠিক একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল৷ তবে এই প্রথম অনুষ্ঠান নয়, আগেও এইরকম অনুষ্ঠান হয়েছে এখানে। একটু রাত হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু ডিজে বাজানোর তেমন কোনও ঘটনা ঘটেনি৷ কিন্তু, এমন নয় অনিয়ম করা হয়েছে বা অশান্তি হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্ট বনাম কাজলের অভিনব পোস্টার এবার টোটোতে, কী লেখা রয়েছে জানেন?

    Anubrata Mondal: কেষ্ট বনাম কাজলের অভিনব পোস্টার এবার টোটোতে, কী লেখা রয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এখন তিহার জেলে রয়েছেন। কেষ্টহীন বীরভূমে কাজলের উত্থান নিয়ে জেলাজুড়ে চর্চা রয়েছে। দলীয় কার্যালয় থেকে একে একে কেষ্টর ছবি মুছে ফেলা হচ্ছে। কেষ্টর অনুগামীরাও জেলায় কোণঠাসা হতে শুরু করেছেন। কয়েকদিন আগে তাঁর ভাইকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। থানায় লুটিয়ে পড়ে রয়েছেন তিনি। পুলিশ ফিরেও তাকাচ্ছে না তাঁর দিকে। সেই ছবি দেখেছে রাজ্যবাসী। একসময়ের কেষ্ট গড়ে এখন তাঁর বিরোধী গোষ্ঠী কাজল শেখের রমরমা। এবার সেই কাজল বনাম কেষ্টর পোস্টার উঠে এল শান্তিনিকেতনে ঠাকুরের টোটোতে। আগত পর্যটকেরা প্রতিবাদী টোটোতে ভয় না পেয়ে, ঠাকুরের উদ্যোগকে সমর্থন করছেন।

    কী রয়েছে টোটোর পিছনে সাঁটানো পোস্টারে? (Anubrata Mondal)

    শান্তিনিকেতনের রাস্তায় এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃত্বদের কটাক্ষ, প্রতিবাদ ছবি পোস্টার টোটোতে লাগিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন ঠাকুর। যার নাম সুখেশ চক্রবর্তী। তাঁর বাড়ি আবার অনুব্রত মণ্ডলের পাড়াতে। এর আগে পার্থ-অর্পিতা সহ বিভিন্ন তৃণমূল নেতার ছবি টোটোতে নিয়ে ঘুরতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এবার অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) বনাম যুযুধান নেতা কাজল সেখ-এর পোস্টার টোটোতে লাগিয়ে ঘুরছেন ঠাকুরসাহেব। পোস্টারের উপরে লেখা রয়েছে,..’সত্য পথে চললে পড়ে জীবনে অনেক দুঃখ-কষ্ট আসে, কিন্তু, সত্যের জয় হয় শেষে’ নীচে দুটি ছবি রয়েছে। বাঁদিকে হাত জোড় করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল সেখ। সেই ছবির পাশে পাশে নীল বাতি সাদা গাড়ি। ঠিক নীচে লেখা রয়েছে,’অসৎ পথে চলে পড়ে এই পরিণতি হয় শেষে’। লেখার ঠিক নীচে বাঁদিকে আছে কালো গাড়ি, লালবাতি। যে গাড়ি নিয়ে জেলা ঘুরতেন অনুব্রত মণ্ডল। আর এই ছবির পাশে অনুব্রত মণ্ডল কার্টুন ছবি গারদে ভিতরে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন টোটো চালক?

    টোটো চালক সুখেশ চক্রবর্তী বলেন, কাজলদা বহুদিন ধরে রাজনীতি করছেন। এতদিন পর তিনি সন্মান পেলেন। একজনের কারণে তিনি অবহেলিত ছিলেন। অবশেষে তিনি যোগ্য সন্মান পেয়েছেন। আর কেষ্টদা (Anubrata Mondal) দুর্নীতি করেছিলেন বলেই সিবিআই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি অন্যায় করেছিলেন বলেই তাঁর আজ এই পরিণতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santiniketan: ‘মুখ্যমন্ত্রী কান দিয়ে দেখেন’, চিঠি দিয়ে কেন এই অভিযোগ করলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য?

    Santiniketan: ‘মুখ্যমন্ত্রী কান দিয়ে দেখেন’, চিঠি দিয়ে কেন এই অভিযোগ করলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনকে (Santiniketan) ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তকমা পাওয়ার পরই ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা পাওয়ার পর সেই সংক্রান্ত একটি শ্বেত পাথরের ফলক বসিয়েছেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরপর পূর্ত দফতরের কাছে থেকে উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা বিশ্বভারতীকে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এরপর গত ৩০ সেপ্টেম্বর আরও একবার চিঠি লেখেন। শুধু তাই নয় তিনি রাস্তায় নেমে রাস্তা দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সকলের কাছে আবেদন পর্যন্ত রাখেন। উপাচার্য পর পর দুবার চিঠি দিলেও মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এবার রাস্তা ফেরত চেয়ে তৃতীয়বার চিঠি লিখলেন উপাচার্য। সেখানে রাস্তা ফেরত চাওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণও করেছেন তিনি।

    চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীকে কী লিখেছেন উপাচার্য? (Santiniketan)

    চিঠিতে শান্তিনিকেতনের (Santiniketan) রাস্তা ফেরতের আবেদন জানাতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে  চিঠিতে লেখা হয়েছে,’নিজের চোখ দিয়ে বাস্তব না দেখে, ‘আপনি (মুখ্যমন্ত্রী) এখনও কান দিয়ে দেখেন।’ সেই সঙ্গে ফলক সরিয়ে নেওয়ার কথাও চিঠিতে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, রাজ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তৃণমূলের নেতা- মন্ত্রীদের গ্রেফতারি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘আপনার মন্ত্রিসভার দুই মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। আপনার বিশ্বস্ত নেতারা (কেউ বীরভূম থেকে) জেলে রয়েছেন। কেউ তিহাড়েও রয়েছেন।

    উপাচার্যের চিঠি নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিশ্বভারতীর উপাচার্যের এই চিঠি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ বলেছেন, চিঠির ভাষা কী আছে জানি না। বর্তমান উপাচার্য এমন ভাব দেখাচ্ছেন, যেন সবকিছু তাঁর নিজস্ব। আমরা চাই বিশ্বভারতী নিজের ঐতিহ্য নিয়ে চলুক। কিন্তু, তিনি যেভাবে চলছেন তাতে বিশ্বভারতী থেকে রবি ঠাকুরকে মুছতে চাইছেন। এটা নিয়েই আমাদের আপত্তি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে হুক্কাবারের রমরমা, হুঁশ নেই পুরসভার

    Birbhum: কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে হুক্কাবারের রমরমা, হুঁশ নেই পুরসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনে (Birbhum) রমরমিয়ে চলছে বেআইনি হুক্কাবার। সন্ধ্যা নামলেই ওঠে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। নেশায় বুঁদ যুবসমাজ। কোপাই নদীর অদূরেই প্রশাসনের ঠিক নাকের ডগায় কোনও অনুমতি ছাড়াই বসছে হুক্কার আসর৷ এমনকি, ১৮ বছরের নীচেও ছেলেমেয়েরা মজেছে হুক্কায়। আর এতে নির্বিকার পুলিশ ও প্রশাসন। সরব হয়েছেন শিক্ষাবিদের একাংশ।

    কীভাবে চলছে হুক্কাবার (Birbhum)?

    সাধারণত হুক্কাবারে ১৮ বছরের নিচে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না৷ কিন্তু, এখানে এসব ছাড়! কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী ছাড়াও এই বোলপুর-শান্তিনিকেতনে (Birbhum) রয়েছে বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয় সহ একাধিক সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিল্পচর্চা ও সাহিত্য কেন্দ্র। সেখানে প্রশাসনের নাকের ডগায় হুক্কার আসর বসায় রীতিমতো প্রশ্ন উঠেছে, কেন নির্বিকার পুলিশ ও প্রশাসন?

    কী কী লাগে হুক্কাবার চালাতে?

    আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন শহর বোলপুর (Birbhum)৷ আর বোলপুর পুরসভা হল এই সরকারের মডেল পুরসভা৷ এই পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে কোপাই নদীর অদূরে রমরমিয়ে চলছে বেআইনি হুক্কাবার। একটি হুক্কাবার চালাতে গেলে ২০০৩ সালের ‘সেন্ট্রাল টোব্যাকো আইন’ অনুযায়ী কমপক্ষে ১০ টি লাইসেন্স প্রয়োজন হয়। যেমন স্থানীয় পৌরসভা থেকে ফুড লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, ইন্ডিয়ান পারফরম্যান্স রাইটস সোসাইটি থেকে মিউজিক লাইসেন্স, সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক, ফায়ার লাইসেন্স, জিএসটি রেজিস্ট্রেশন, স্টাফ ও লেবার লাইসেন্স, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ লাইসেন্স সহ স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে নো অবজেকশন এবং পুলিশের কাছ থেকে ছাড়পত্র প্রভৃতি। কিন্তু, শান্তিনিকেতন থানার অন্তর্গত গোয়ালপাড়া রাস্তায় কোনও রকম কোনও প্রশাসনিক দফতরের অনুমতি ছাড়াই রমরমিয়ে চলছে পশালবনী নামে এক হুক্কাবার৷

    বোলপুর পুরসভার বক্তব্য

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই কলকাতা, সল্টলেক, বিধাননগর, শিলিগুড়ি প্রভৃতি জায়গায় হুক্কাবার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট পুরনিগম। যদিও, এই বিষয় নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছে লাইসেন্স প্রাপ্ত হুক্কাবার মালিকেরা৷ কিন্তু, শান্তিনিকেতনে (Birbhum)  হুক্কাবার বা হুক্কার আসরের কোনও অনুমতি নেই প্রশাসনের। আর এই নিয়ে সরব হয়েছেন শিক্ষাবিদদের একাংশ। বোলপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন পর্ণা ঘোষ বলেন, “বোলপুর পুরসভা হুক্কাবারের লাইসেন্স দেওয়ার অধিকারী নয়। রবিঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত এই শহর, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন। এখানে যুবসমাজ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ুক আমরা চাই না। তারজন্য যা যা পদক্ষেপ নেওয়ার আমরা নেব। পুলিশকেও বলব বিষয়টি দেখার জন্য৷”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Visva Bharati: শান্তিনিকেতনের কলা ভবনের ছাদে তুলির টানে আস্ত একটি পুকুর!

    Visva Bharati: শান্তিনিকেতনের কলা ভবনের ছাদে তুলির টানে আস্ত একটি পুকুর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃতির মাঝে সৃষ্টির আনন্দই বোধহয় আলাদা। তা যেমন নিজেকে পরিতৃপ্ত করে, তেমনই আনন্দ দেয় আপামর মানুষকে। শান্তিনিকেতনের (Visva Bharati) কলা ভবনের ছাদে তুলির টানে আস্ত একটি পুকুর বানিয়ে পদ্ম ফোটালেন বিশ্বভারতীর ছাত্র। নীল জলে ফুটে রয়েছে শালুক-পদ্মফুল৷ কৃত্রিম এই পুকুরে ছবি তোলার সুযোগ কেউ হাতছাড়া করতে চাইছেন না৷ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটে ছড়িয়ে পড়েছে এই অনবদ্য শিল্পকর্মের ছবি৷ প্রশংসিত হয়েছেন শিল্পী সুমন দে।

    দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি ছবির পদ্মপুকুর

    বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দা সুমন। বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) কলা ভবনের স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষের ছাত্র৷ পরীক্ষার জন্য যখন প্রত্যেক ছাত্র নিজ নিজ শিল্পকর্ম তৈরিতে ব্যস্ত, তখন সুমনের মাথায় আসে এক অভিনব ভাবনা। শান্তিনিকেতনের বিভিন্ন জায়গা থেকে পদ্ম পুকুরের ছবি তিনি মোবাইলে লেন্সবন্দি করে আনেন৷ পরে সঙ্গীত-কলা ভবনের ছাদটাকেই তুলির টানে আস্ত একটি পুকুর বানিয়ে পদ্ম ফোটান শিক্ষানবীশ শিল্পী। জলও রয়েছে তাতে৷ উঁচু জায়গা থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি ছবির পদ্মপুকুর৷ তাঁর এই শিল্পকর্ম সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটে প্রচুর প্রশংসা কুড়চ্ছে। অন্যান্য পড়ুয়াদের মধ্যেও এই পুকুরের ছবি তোলার হিড়িক কম নয়।

    কী বললেন শিল্পী?

    সুমন (Visva Bharati) জানান, প্রায় ১০ দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে তিনি এই পদ্মপুকুর বানিয়েছেন। অ্যাক্রেলিক ও ওয়েদার কোট রং ব্যবহার করা হয়েছে। প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে কৃত্রিম পদ্মপুকুরের জন্য৷ পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় শিল্পকলার কাজ করে উপার্জিত অর্থ সঞ্চয় করেই তিনি এই নজরকাড়া পুকুরটি বানিয়েছেন৷ শিল্পী বলেন, “ছাদটি পুকুরের মতো আকারের৷ তাই পরীক্ষার আগে এটিকেই পদ্মপুকুর বানিয়ে ফেললাম৷ এই কাজটি করার সময় বৃষ্টি হচ্ছিল৷ সেটাকেও আমি শিল্পের অঙ্গ হিসাবেই নিয়েছিলাম৷ সবাই খুব প্রশংসা করছে। কতজন এসে এসে ছবি তুলছে৷ এটাই আমার পরম প্রাপ্তি৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result: এই প্রথম আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ ৪ ছাত্রী!

    Madhyamik Result: এই প্রথম আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ ৪ ছাত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠে ধান পোঁতার কাজ সেরে পড়াশোনা। এই প্রথম একটি গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে (Madhyamik Result) উত্তীর্ণ হল এমনই ৪ ছাত্রী৷ আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম শান্তিনিকেতনের সাহেবডাঙা। বিংশ শতাব্দীতে এসে নারী শিক্ষার অগ্রগতির নজির এই চার ছাত্রীর উত্তীর্ণ হওয়ার খবরে খুশি গ্রামবাসীরা৷

    কীভাবে এল এই সাফল্য (Madhyamik Result)?

    শান্তিনিকেতন থানার অন্তর্গত কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহেবডাঙা আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত একটি গ্রাম। উন্নয়নের আলো সেভাবে পৌঁছায়নি এই গ্রামে। পাশাপাশি শিক্ষার আলো থেকেও এতকাল বঞ্চিত ছিল এই গ্রাম৷ অথচ, শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতির পীঠস্থান হিসাবে পরিচিত শান্তিনিকেতন। কিন্তু, প্রবাদবাক্য আছে ‘প্রদীপের নিচে অন্ধকার’। যদিও, এই প্রবাদবাক্যকে উপেক্ষা করে এই প্রথম এই গ্রাম থেকে ৪ জন মেয়ে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হল। বোলপুর পারুলডাঙা শিক্ষানিকেতন আশ্রম বালিকা বিদ্যাপীঠের ছাত্রী বাসন্তি টুডু, লতিকা মুর্মু, মিরু হাঁসদা ও গুসকড়ার পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আবাসিক স্কুলের ছাত্রী সুমিত্রা টুডু এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় (Madhyamik Result) উত্তীর্ণ হয়েছে। এর আগে এই গ্রাম থেকে কোনও মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেইনি, উত্তীর্ণ হওয়া তো দূরের কথা৷ নারী শিক্ষার অগ্রগতি নিয়ে আন্দোলন চলছে বহু দিন ধরেই৷ সেই আন্দোলনের নজির বলা যায় ৪ আদিবাসী কন্যার সাফল্যকে৷ বাবা-মায়ের সঙ্গে মাঠে ধান পোঁতা, ধান কাটার কাজ করে তারা৷ তার ফাঁকেই পড়াশোনা। তারা জানায়, এর আগে কোনও মেয়ে সেভাবে পড়াশোনা করতে পারেনি৷ কারণ পরিকাঠামো নেই, বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নেই পড়াশোনার পরিবেশ। সদ্য একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই গ্রামটিকে দত্তক নিয়েছে৷ তাদের তত্ত্বাবধানেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে তারা৷ যে যুবকের উদ্যোগে তাদের এই সাফল্য সেই বুদ্ধিশ্বর মণ্ডল বলেন, “এই গ্রামের উন্নয়ন একেবারেই নেই৷ প্রত্যন্ত একটি গ্রাম থেকে ৪ টি মেয়ে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ। আমি ওদের সঙ্গে আছি বহু দিন ধরে৷ তাদের সাফল্যে খুব খুশি হয়েছি।”

    কী বলল উত্তীর্ণরা (Madhyamik Result)?

    সুমিতা টুডু, বাসন্তি টুডু, মেরু হাঁসদা বলে, “এই গ্রামে আগে কোনও মেয়ে মাধ্যমিক (Madhyamik Result) পাশ করেনি৷ কারণ কোনো রকম সুযোগ সুবিধাই ছিল না৷ টিউশন পড়তে পারতাম না। আমাদের গ্রামের অবস্থাও ভালো নয়৷ সবাই মাঠে কাজ করে৷ আমরাও ধান পোঁতার কাজ করি৷ আমরা পাশ করায় গ্রামের সবাই খুব খুশি। আগামীতে গ্রামের বাকি মেয়েদের বলব, তারাও যেন পড়াশোনা করে আরও ভালো ফল করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share