Tag: Santiniketan

Santiniketan

  • Bolpur: স্কুল ফাঁকি দিয়ে নদীতে স্নান! তলিয়ে গেল যমজ ভাই, এলাকায় শোকের ছায়া

    Bolpur: স্কুল ফাঁকি দিয়ে নদীতে স্নান! তলিয়ে গেল যমজ ভাই, এলাকায় শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল ফাঁকি দিয়ে কোপাই নদীতে স্নান করতে এসে তলিয়ে গেল যমজ ভাই। পরে, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে নদী থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদের নাম সায়ক পাল ও সোহম পাল। তাদের বাড়ি বোলপুরের (Bolpur) বাইপাস এলাকায়। তারা টেকনো ইণ্ডিয়া স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    এদিন সকালে স্কুল যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে দুই ভাই বের হয়। তাদের সঙ্গে আরও চারজন বন্ধু ছিল। তারা সকলেই বোলপুরের (Bolpur) টেকনো ইণ্ডিয়া গ্রুপ পাবলিক স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র। শান্তিনিকেতনের গোয়ালপাড়ার কাছে কোপাই নদীতে ৬ জন মিলে স্নান করতে নামে। সেখানেই দুই ভাই  একসঙ্গে তলিয়ে যায়।  ক্ষিপ্ত জনতা মৃতদের বন্ধুদের মারধর শুরু করে। খবর পেয়ে বোলপুর ও শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। স্থানীয় যুবকেরা জলে নেমে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করেন। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ দুটি বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    বন্ধুদের বক্তব্য কী?

    চোখের সামনে দুই বন্ধুকে তলিয়ে যেতে দেখে হতবাক হয়ে পড়ে তাদের বাকী চার বন্ধু। সৌগত গড়াই নামে এক বন্ধু বলে, স্কুল ফাঁকি দিয়ে আমরা নদীতে স্নান করতে এসেছিলাম। তবে, সবাই নদীতে নামিনি। সায়ক আর একজন জলে নেমেছিল। পরে, আমিও স্নান করতে নামি। সায়ক নদীর অনেকটাই ভিতরে চলে গিয়েছিল। আচমকাই সে তলিয়ে যেতে থাকে। আমি বুঝে ওঠার আগেই তার ভাই সোহম নদীতে তাকে বাঁচাতে ঝাঁপ দেয়। দুজনেই একসঙ্গে তলিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তারা জলে স্নান করছিল। জলের মধ্যে লাফালাফি করছিল। দুজনেই তলিয়ে যায়। এরপরই ক্ষিপ্ত জনতা মৃত দুই ভাইয়ের বন্ধুদের মারধর শুরু করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ কোনওরকমে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে চার ছাত্রকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal: ডাইনি সন্দেহে তিন বছর ধরে তিন আদিবাসী পরিবার ঘরছাড়া! কোথায় জানেন?

    Tribal: ডাইনি সন্দেহে তিন বছর ধরে তিন আদিবাসী পরিবার ঘরছাড়া! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন আদিবাসী (Tribal) পরিবারের বারোজন সদস্য গ্রাম ছাড়া। গত ৩ বছর ধরে তাঁরা নিজেদের এলাকায় ঢুকতে পারছেন না। পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা শিকেয় উঠেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এর আগেও একাধিকবার পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসহায় ওই তিন পরিবারের সদস্যদের বাড়ি ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমনটা অভিযোগ নির্যাতিতা পরিবারের।  আবারও শান্তিনিকেতন থানা এবং এসডিপিও-র কাছে দ্বারস্থ হল এই পরিবার।

    কেন তিন পরিবারের সদস্যদের গ্রাম ছাড়া করা হয়েছিল?

    ২১ জুলাই ২০২০ সালে শান্তিনিকেতন থানার মুলুক এলাকার মণিকুন্ঠ গ্রামে দুর্ঘটনা ঘটেছিল। আর সেই দুর্ঘটনার জন্য তিন আদিবাসী (Tribal) পরিবারের দুজনকে দায়ী করা হয়। ডাইনি বলে চিহ্নিত করে দুর্ঘটনার জন্য তাঁদের দায়ী করা হয়। এরপরই এলাকাবাসীর নিদানে তাঁদের গ্রাম ছাড়া করা হয়। ফলে, তিন বছর ধরে নিজের বাড়ি থাকার পরও তাঁরা থাকতে পারছেন না। শুক্রবারই ওই পরিবারের সদস্যরা শান্তিনিকেতন থানাতে যান। এলাকাবাসীর নিদানে তিন বছর ধরে তারা যে গ্রামে ঢুকতে পারছেন না তা পুলিশ প্রশাসনকে জানান। এমনকী গ্রামে ফিরতে না পারার কারণে কী কী সমস্যা হচ্ছে তা তাঁরা পুলিশ প্রশাসনের সামনে তুলে ধরেন।  পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন পরিবারকে ফেরানোর  আশ্বাস দেওয়া হয়।  

    কী বললেন এসটি,এসসি, ওবিসি মাইনরোটি সেলের জয়েন্ট ফোরামের সভাপতি?

    এসটি,এসসি, ওবিসি মাইনরোটি সেলের জয়েন্ট ফোরামের সভাপতি  বৈদ্যনাথ সাহা বলেন,  এখনও মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলছে। কোনও ঘটনার জন্য একটি বা দুটি পরিবারের সদস্যদের দায়ী করা ঠিক নয়। কিন্তু, ওই তিন আদিবাসী (Tribal) পরিবারের সদস্যরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ওই তিন পরিবারকে বাড়ি ফেরানোর জন্য প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে প্রচুর আবেদন করেছি। কিন্তু, কোনও কাজ হয়নি। ফলে, তিন পরিবারের ছেলে ও মেয়েরা বঞ্চিত হয়েছেন শিক্ষার আলো থেকে। তিন বছর ধরে স্কুলে না যাওয়ার কারণে স্কুল ছুট হয়েছেন তাঁরা। আমরা আবারও প্রশাসনের দ্বারস্থ হলাম। এখন তাঁরা কবে বাড়ি ফেরেন সেদিকেই আমরা তাকিয়ে রয়েছি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amartya Sen: জমি-বিবাদে অমর্ত্য সেনকে ‘চরমপত্র’! এবার কি তাহলে উচ্ছেদ অভিযানে নামতে চলেছে বিশ্বভারতী?

    Amartya Sen: জমি-বিবাদে অমর্ত্য সেনকে ‘চরমপত্র’! এবার কি তাহলে উচ্ছেদ অভিযানে নামতে চলেছে বিশ্বভারতী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতী বনাম নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) জমি-বিবাদ এবার মারাত্মক দিকে মোড় নিল। এতদিন বিষয়টি আলাপ-আলোচনা বা চিঠি-চালাচালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এখনও তাই-ই আছে। কিন্তু এবার বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ অমর্ত্য সেনকে যে নোটিশ পাঠিয়েছে, তার বিষয়বস্তু নিয়ে ব্যাপক জলঘোলা শুরু হয়েছে। অমর্ত্য সেনের আইনজীবী গোরাচাঁদ চক্রবর্তীকে ই-মেইল মারফত যে নোটিশ বিশ্বভারতীর রেজিস্ট্রার পাঠিয়েছেন, তাতে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ১৯ শে এপ্রিল ১৯৭১ সালের দখলদার উচ্ছেদ আইন অনুযায়ী ‘কড়া পদক্ষেপ’ নেবে কর্তৃপক্ষ। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি এবার সরাসরি উচ্ছেদ অভিযানে নামতে চলেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ? 

    কী নিয়ে উভয়পক্ষের এই বিবাদ?

    বিবাদের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অমর্ত্য সেনের লিজ নেওয়া জমি। অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) দাবি, জমির পরিমাণ ১.৩৮ একর। বিশ্বভারতীর বক্তব্য, জমির পরিমাণ আরও কম এবং সেটা হল ১.২৫ একর। বিশ্বভারতীর অভিযোগ, ওই বাড়তি জমি অমর্ত্য সেন জোর করে দখল করে রেখেছেন এবং তা ভোগদখল করছেন। তাই তা আসলে বিশ্বভারতীর নিজস্ব সম্পত্তি। অন্যদিকে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের দাবি, বিশ্বভারতী ঠিক কথা বলছে না। ওই জমি কিনেছিলেন তাঁর বাবা। সেই সংক্রান্ত কাগজপত্রও তাঁর কাছে রয়েছে। 

    কেন পরিস্থিতি জটিল দিকে মোড় নিল?

    বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৯ শে মার্চ এই বিষয়ে আলোচনার জন্য অমর্ত্য সেনকে (Amartya Sen) ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। কিন্তু তিনি আসতে পারেননি। আরও কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল তাঁর পক্ষ থেকে। বিশ্বভারতীর বক্তব্য, আইন মোতাবেক তাঁকে সাতদিনের বেশি সময় দেওয়া যায় না। যেখানে অমর্ত্য সেন চেয়েছিলেন আরও চার মাস সময়। নোটিশে একথাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ১৯ তারিখ চাইলে অমর্ত্য সেনের আইনজীবী হাজির থাকতে পারবেন, এমনকি তিনি চাইলে ই-মেইলে তাঁর বক্তব্য জানাতে পারেন।

    পুলিশ-প্রশাসন কী ব্যবস্থা নিচ্ছে?

    অমর্ত্য সেন (Amartya Sen) এখন রয়েছেন বিদেশে। তিনি আগামী ১৯ শে এপ্রিলের মধ্যে আসতে পারবেন, এমন সম্ভাবনাও নেই বলেই জানা গিয়েছে। তাই ‘প্রতীচী’ বাড়ি ঘিরে যে কোনও ধরনের গণ্ডগোল হতে পারে, এরকম একটা আশঙ্কা রয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অমর্ত্য সেনের এই বাড়ি ঘিরে যাতে শান্তি বজায় থাকে, তা দেখতে স্থানীয় পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • President Of India: বিশ্বভারতী ঘুরে অভিভূত দ্রৌপদী মুর্মু!  সমাবর্তনে কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    President Of India: বিশ্বভারতী ঘুরে অভিভূত দ্রৌপদী মুর্মু! সমাবর্তনে কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এলেন। ঘুরে দেখলেন। আর হিন্দি ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ভাষায় বক্তব্য রেখে সকল পড়ুয়ার মন জয় করে নিলেন। রাষ্ট্রপতিকে (President Of India)  কাছ থেকে দেখে এবং তাঁর বক্তব্য শুনে অভিভূত পড়ুয়ারা। প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায়, অনসূয়া দে নামে পড়ুয়ারা বলেন, রাষ্ট্রপতিকে (President Of India)  এত কাছ থেকে দেখব ভাবতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলে-মেয়ের সংখ্যা সমান সমান জেনে তিনি খুশি হয়েছেন। মেয়েদের আরও এগিয়ে যাওয়ার তিনি বার্তা দিয়েছেন। আমরা খুব খুশি। এই প্রথম রাষ্ট্রপতি (President Of India)  বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে এলেন। রাষ্ট্রপতি (President Of India)  আসবেন বলে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের চত্বর কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছিল। নো ফ্লাইং জোন ছিল গোটা এলাকা। হেলিকপ্টারে নামার পর কনভয়ে করে  রাষ্ট্রপতি সোজা বিশ্বভারতী চলে যান। শান্তিনিকেতনে এসে প্রথমে রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালায় যান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) । সেখানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত চেয়ারে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তিনি। সংগ্রহশালায় কবিগুরুর ব্যবহৃত সামগ্রী, পাণ্ডুলিপি, আঁকা ছবি তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন। ভিজিটর বুকে নিজের মতামতও লেখেন তিনি। পরে, বিশ্বভারতীর অন্যতম কলাভবন ঘুরে দেখেন দ্রৌপদী মুর্মু। কলাভবনে খোলা আকাশের নীচে নির্মিত ভাস্কর্যগুলি ঘুরে দেখেন তিনি। সেখান থেকে ছাতিমতলায় এসে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি তথা বিশ্বভারতীর পরিদর্শক দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) । তারপর আম্রকুঞ্জের জহর বেদীতে সমাবর্তনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। সঙ্গে ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। প্রথা অনুযায়ী সপ্তপর্ণী (ছাতিম পাতা) তুলে দেন বিভিন্ন ভবনের অধ্যক্ষ ও বিভাগীয় প্রধানের হাতে। বিশ্বভারতীর তরফে রাষ্ট্রপতিকে (President Of India)  বিশ্বকবির একটি প্রতিকৃতি উপহার দেন উপাচার্য।

    সমাবর্তনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কী  বললেন রাষ্ট্রপতি? President Of India

    মঙ্গলবার বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) বলেন,”সকল উত্তীর্ণ পড়ুয়াদের আমার অভিবাদন। জীবনে সফল হও। আমি আপ্লুত বিশ্বের একজন প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আমি পরিদর্শক। এটা আমার প্রাপ্তি। আমি গতকাল (সোমবার) গুরুদেবের বাড়িও ঘুরে দেখেছি। দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতার মাটিতে এসে আমি খুশি।” ছোটবেলায় শান্তিনিকেতনের কথা শুনতেন দ্রৌপদী মুর্মু, সেই স্মৃতিচারণও করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “আমি ছোটবেলায় শান্তিনিকেতনের কথা শুনতাম। শুনতাম এখানে গাছের তলায় পড়াশুনা করানো হয়। গুরুদেবের সময় থেকেই চলে আসছে। আমি আজ নিজে দেখলাম সেই শান্তিনিকেতন। খুব আনন্দিত। এক কথায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতীর শিক্ষা ও পরিবেশের প্রসংশায় পঞ্চমুখ ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Of India) ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: সকালে বেলুড়মঠে, দুপুরে শান্তিনিকেতনে রাষ্ট্রপতি! কড়া নিরাপত্তা কলকাতা থেকে বোলপুরে

    Draupadi Murmu: সকালে বেলুড়মঠে, দুপুরে শান্তিনিকেতনে রাষ্ট্রপতি! কড়া নিরাপত্তা কলকাতা থেকে বোলপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার শান্তিনিকেতন (Santiniketan) যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। সেখানে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। তবে তার আগে মঙ্গলবার সকালে বেলুড় মঠে যেতে পারেন তিনি। রাষ্ট্রপতির বেলুড় মঠ সফরের আগেই বালি বেলুড় অঞ্চল সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে।

    বেলুড় মঠ থেকে শান্তিনিকেতন

    বেলুড় মঠ সূত্রে খবর, ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেবের মূল মন্দির, মা সারদা দেবীর মন্দির সহ স্বামীজি ও ব্রহ্মান্দজীর মন্দির পরিদর্শন করবেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি অধ্যক্ষ মহারাজের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করার সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল ন’টা থেকে সাড়ে ন’টা পর্যন্ত মঠেই থাকার কথা রাষ্ট্রপতির। এরপর শান্তিনিকেতনের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। কলকাতা থেকে বিশেষ নিরাপত্তায় এদিন বেলা ১২টা নাগাদ শান্তিনিকেতনে পৌঁছবেন রাষ্ট্রপতি (President Draupadi Murmu)। এরপর ঘুরে দেখবেন রবীন্দ্রনাথের বাড়ি। মধ্যাহ্নভোজনে রাষ্ট্রপতির জন্য বিশেষ বাঙালি পদের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    কড়া নিরাপত্তা

    আজ, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Visva Bharati University) ঐতিহ্যবাহী সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)।  তাঁর নিরাপত্তা (security) সুনিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতির হেলিকপ্টার যখন নামবে, মঙ্গলবার সেইসময় বা তার আগে আশেপাশের সমস্ত বাড়িতে ছাদে ওঠা যাবে না। জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় এই নির্দেশ নিয়ে বলেন, “কেবলমাত্র হেলিপ্যাড সংলগ্ন বাড়িগুলির ছাদে কাপড় মেলতে বা সেখানে গিয়ে কাউকে দাঁড়াতে বারণ করা হয়েছে। কারণ, কোনওভাবে যদি হাওয়ায় কাপড় উড়ে গিয়ে হেলিকপ্টারে লেগে যায়, তাহলে বড়সড় অঘটন ঘটতে পারে। তাই রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার খাতিরে এই নির্দেশ মানতে বলা হয়েছে। শান্তিনিকেতনের মানুষজন নিশ্চয়ই আমাদের এ বিষয়ে সহযোগিতা করবেন।”

    আরও পড়ুন: তিহাড় জেলের হাসপাতালে ভর্তি কেষ্ট, সিবিআইয়ের তলব বীরভূমের চালকল মালিককে

    বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি

    প্রশাসন সূত্রে খবর, বিশ্বভারতীর বিনয় ভবন মাঠেই মঙ্গলবার নামবে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হেলিকপ্টার। ইতিমধ্যে সেখানে একটি অস্থায়ী হেলিপ্যাড তৈরি করা হয়েছে। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা শহরকে। চতুর্দিকে অসংখ্য সিসি ক্যামেরাও লাগানো হয়েছে। শুরু হয়েছে নজরদারিও। আজ, শান্তিনিকেতনে পৌঁছনোর পর প্রথমে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। মেনুতে থাকছে ভাত, দেশি ঘি, পোস্তর বড়া, কয়েক রকমের ভাজা। এছাড়া মুগের ডাল, সবজি, পনির, মাশরুম, পাঁপড়…পুরোটাই নিরামিষ। এছাড়া বিদেশি কিছু নিরামিষ পদেরও আয়োজন করা হয়েছে। তারপর আড়াইটে নাগাদ রবীন্দ্র ভবনের উদয়ন, কোর্নাক, শ্যামলী, পুনশ্চ, উদীচি— রবীন্দ্রনাথের এই পাঁচটি বাড়ি পরিদর্শনের পর কলাভবন ঘুরে দেখবেন তিনি। দুপুর ৩টেয় আম্রকুঞ্জের জহরবেদিতে বিশ্বভারতীর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। এদিনের সফরে তাঁর সঙ্গে থাকবেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share