Tag: saradha scam

saradha scam

  • ED Raid: সকাল থেকেই কলকাতা-হাওড়ায় ইডি-র তল্লাশি অভিযান, এ বার কোন মামলায়?

    ED Raid: সকাল থেকেই কলকাতা-হাওড়ায় ইডি-র তল্লাশি অভিযান, এ বার কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিনকন ও টাওয়ার গ্রুপের চিটফান্ড মামলায় বুধবার সকাল থেকেই শহরজুড়ে চলছে ইডি-র তল্লাশি (ED Raid) অভিযান। ইডি সূত্রে খবর, মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।  ৫০-৬০ জন ইডি আধিকারিক অভিযান চালাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে আলিপুরের বর্ধমান রোডে এক আইনজীবী ও গড়িয়াহাটের কেয়াতলা রোডে এক ব্যক্তির বাড়ি। সূত্রের খবর, চিটফান্ড মামলায় একাধিক প্রভাবশালীর হয়ে আইনি লড়াই লড়েছিলেন এই আইনজীবী। তাঁর কাছে লেনদেনের তথ্যও রয়েছে বলে অনুমান ইডি আধিকারিকদের। সেই কারণেই এই তল্লাশি (ED Raid)। এদিন বেশ কিছু নথি দেখিয়ে ওই আইনজীবীকে জেরা করা হচ্ছে বলে খবর।

    তল্লাশিতে ইডি আধিকারিকরা

    সূত্রের খবর, বুধবার সকাল ৭ টা নাগাদ দুটি চিটফান্ড কাণ্ডের তল্লাশিতে (ED Raid) নামেন ইডি আধিকারিকরা। একটি দল যায় কেয়াতলা রোডে। সেখানে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে চলছে তল্লাশি। একটি দল গিয়েছে হাওড়ার জগাছা এলাকায় ও আরেকটি দল আলিপুরের বর্ধমান রোডের একটি আইনজীবীর বাড়িতে। ইডি আর একটি সূত্র জানাচ্ছে, একাধিক মামলার তদন্তে চালানো হচ্ছে এই তল্লাশি অভিযান। যার মধ্যে সারদা মামলাও রয়েছে। ২৪ ঘণ্টা আগেই ভবানীপুর এলাকায় পিজি হাসপাতালের পিছন দিকের একটি পাড়ায় তল্লাশি (ED Raid) অভিযান চালিয়েছিল ইডি। আর্থিক তছরুপের তদন্তকারী এই কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছিল, মঙ্গলবারের ওই তল্লাশি অভিযানের সঙ্গে মোবাইল গেমিং প্রতারণা কাণ্ডের যোগ রয়েছে। তবে বুধবার হাওড়ার যে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে, তিনি সারদা মামলায় বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: এরপর যে নাম সামনে আসবে তাতে বিস্ফোরণ হবে, দাবি গোপাল দলপতির

    বুধবার সকাল ৮টা ৪০মিনিট নাগাদ ইডির (ED Raid) কর্তারা পৌঁছে যান হাওড়া জগাছায় ব্যবসায়ী রামেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। জগাছার ধারসা পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা রামেন্দু টাওয়ার গ্রুপ নামে চিট ফান্ড কোম্পানির মালিক। তবে এ ছাড়াও সৌরবিদ্যুৎ-সহ নানা ব্যবসা এবং বিনিয়োগ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনীতে বাড়ি ঘিরে ফেলে দীর্ঘক্ষণ ধরে সেখানে চলছে তল্লাশি (ED Raid)। যদিও এই তল্লাশি প্রসঙ্গে এখনও কোনও তথ্য দেয়নি ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saradha Scam: সারদা মামলায় বাজেয়াপ্ত প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক, ইস্টবেঙ্গল কর্তা, নলিনী চিদম্বরমের সম্পত্তি

    Saradha Scam: সারদা মামলায় বাজেয়াপ্ত প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক, ইস্টবেঙ্গল কর্তা, নলিনী চিদম্বরমের সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খবরের শিরোনামে ফের উঠে এল সারদা মামলা। আজ, শুক্রবার সারদা মামলায় সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক দেবেন বিশ্বাস, ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার, পি চিদম্বরমের স্ত্রী নলিনী-সহ একাধিক ‘সুবিধাভোগী’র সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডি সূত্রে খবর, বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির মোট অর্থমূল্য ৬ কোটি টাকারও বেশি। এনারা সকলেই সারদা সংস্থার জালিয়াতিতে লাভবান হয়েছিলেন।

    ইডির তরফে কী জানানো হল?

    এদিন ইডি জানিয়েছে, তহবিল তছরুপ প্রতিরোধ আইন বা পিএমএলএ-র অধীনে, সব মিলিয়ে ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩.৩০ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পত্তি এবং ৩ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই সকল সম্পত্তি সারদা গোষ্ঠী এবং তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুবিধা লাভ করেছেন এরকম ব্যক্তিদের মালিকানাধীন ছিল।

    সুবিধাভোগীদের মধ্যে অন্যতম হলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের স্ত্রী নলিনী চিদম্বরম। নলিনী চিদম্বরম ছাড়াও আরও যে সকল বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে আছেন – ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের কর্তা দেবব্রত সরকার, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা সিপিআইএম-এর প্রাক্তন বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, অনুভূতি প্রিন্টার্স অ্যান্ড পাবলিকেশনের মালিক, অসমের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রয়াত অঞ্জন দত্ত প্রমুখ। সব মিলিয়ে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৬০০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি।

    আরও পড়ুন: মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    ইডি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সারদা গোষ্ঠীর আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থা, বিরাট মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২,৪৫৯ কোটি টাকা তুলেছিল। এর মধ্যে প্রায় ১,৯৮৩ কোটি টাকা এখনও পর্যন্ত ফেরত পাননি আমানতকারীরা। শুধু কিছু সুদের অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের এপ্রিলে এই চিটফান্ড কেলেঙ্কারি ধরা পড়েছিল। এই কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সংসদ কুণাল ঘোষ, শ্রীঞ্জয় বসু, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন পুলিশ কর্তা রজত মজুমদার, ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার, তৎকালীন ক্রীড়া এবং পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: ‘‘অপেক্ষা করুন, ছবি আসছে, সব সামনে আসবে!’’ শুভেন্দুর নিশানায় কে?

    Suvendu Adhikari: ‘‘অপেক্ষা করুন, ছবি আসছে, সব সামনে আসবে!’’ শুভেন্দুর নিশানায় কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারদা-তদন্ত পুরনো হয়নি। অপেক্ষা করুন ছবিটা সামনে আসবে। নাম না করে ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একের পর এক দুর্নীতি নিয়ে সরব হলেন বিজেপি নেতা। সারদার ছবি বিক্রির টাকা নিয়ে প্রশ্নও তুললেন শুভেন্দু অধিকারী।

    সারদা প্রসঙ্গে শুভেন্দু

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে তৃণমূলের মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্য, নিয়োগ কেলেঙ্কারি ও পাচার কাণ্ডের বিরুদ্ধে রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার ডাকে সোমবার কলেজ স্কোয়ার থেকে মিছিল হয়। পরে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলের সভায় শুভেন্দু বলেন,সারদা মামলা ও ছবি বিক্রির প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, “এই তো সবে সকাল। ছবি কেনাটা তো আসছে। সুদীপ্ত সেন, গৌতম কুণ্ডুরা কার ছবি কিনেছিলেন? লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির? ভেবেছিলেন সারদা পুরনো হয়ে গিয়েছে। অপেক্ষা করুন। ছবি আসছে। সব সামনে আসবে।” ফের তথ্য ফাঁসের হুঁশিয়ারিও দেন শুভেন্দু। পাশাপাশি এদিন চাকরিপ্রার্থীদের হয়েও সুর চড়ান তিনি। ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রীকে বারবার বলতে শোনা গিয়েছিল, ”ছবি বিক্রির টাকায় আমি দল চালাব।” কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা ছবির মূল্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন চিত্রকলা বিশেষজ্ঞরা। এবার তাই নিয়ে তৃণমূল শিবিরকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু।  তিনি বলেন, ”সারদাকাণ্ড নিয়ে ফের এগোবে ইডি। সারদাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত রজত মজুমদারের ২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছেন গোয়েন্দারা। শুক্রবারও গভীর রাত পর্যন্ত জেরা করা হয়েছে তাঁকে।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যে সরকারের পতন আসন্ন! ফের ডিসেম্বর ডেডলাইনের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    সারদা-মন্তব্যে সমালোচনা

    মা সারদা ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ে চলতি বছরের জুনে উলুবেড়িয়া উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক চিকিৎসক নির্মল মাঝি-র মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মা সারদার কথা টেনে বিতর্ক বাঁধিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। তারই প্রেক্ষিতে নির্মলের নাম না করে কড়া সমালোচনা করেছিল রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন কর্তৃপক্ষ। কেন সারদা মায়ের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলনা? ব্যাখ্যা চেয়েছিল মিশন কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে সোমবার নির্মল মাঝিকেও আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘তোলামূলের সংস্কৃতি কী? বলছে মা সারদা নাকি জন্মেছেন কালীঘাটে (Kalighat)’? মহুয়া মৈত্রকে আলট্রা মডার্ন-অতিশিক্ষিত তৃণমূলের জনপ্রিয় সাংসদ হিসেবে ব্যাখ্যা করে, তাঁর সাম্প্রতিক বিতর্কিত কালী মন্তব্যের কথাও তুলে ধরেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, “এই কথা যদি উত্তর প্রদেশে বা রাজস্থানে বলতেন, দোকানে আলকাতরা থাকত না। আজ এদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Saradha Scam: সারদা কাণ্ডে ফের তৎপর ইডি, জেরার মুখে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি

    Saradha Scam: সারদা কাণ্ডে ফের তৎপর ইডি, জেরার মুখে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার, গরু পাচারের পর এবারে সারদা চিটফান্ড মামলায় (Saradha Scam) তৎপর ইডি বা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সারদা চিটফান্ড মামলায় প্রাক্তন পুলিশকর্তা রজত মজুমদারকে শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন ইডির গোয়েন্দারা। এর পাশাপাশি ফ্রিজ করা হয়েছে রজতবাবুর ২টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। প্রায় ৮ বছর আগে সারদা কাণ্ড নিয়ে সিবিআই-ইডির তদন্ত শুরু হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন দুর্নীতির মামলার তদন্ত শুরু হতেই সারদা মামলার তদন্ত পিছিয়ে গিয়েছিল। ফলে এবারে ফের তৎপর হয়ে উঠেছে ইডি। তাই এবারে ইডির স্ক্যানারে রাজ্যের প্রাক্তন ডিজি।

    ইডির নজরে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি

    সম্প্রতি সারদা মামলায় (Saradha Scam) নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন পুলিশকর্তা রজত মজুমদারের। ফলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ডেকে পাঠায় ইডির আধিকারিকরা। একসময় রজতবাবু রাজ্য পুলিশের ডিজি ছিলেন। এরপর পরবর্তীতে রজত মজুমদার সারদায় যোগ দেন ও তাঁকে সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যানের পদ দেওয়া হয়। এমনকি তিনি পরে রাজনীতিতেও সরাসরি প্রবেশ করেন। এরপর এই প্রাক্তন পুলিশ কর্তা নাম লেখান বাংলা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসেও।

    সারদা মামলায় (Saradha Scam) এর আগেও গ্রেফতার হতে হয়েছে রজত মজুমদারকে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বা সিবিআই। পরে তিনি জামিনও পেয়ে যান। কিন্তু রেহাই হল না। ফের ইডির নজরে এসেছেন তিনি। তাই তাঁকে ইডির বিধান নগরের কার্যালয়ে ডেকে পাঠিয়ে শনিবার পর্যন্ত দু’দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁকে শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত জেরা করা হয় ও তাঁর বয়ানও রেকর্ড করা হয় বলে সূত্রের দাবি।

    আরও পড়ুন: আদালতে স্বস্তি শুভেন্দুর! বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে আনা জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, সারদা মামলা (Saradha Scam) নিয়ে তদন্ত শুরু করা হলে সংস্থার কর্ণধার সুদীপ্ত সেন ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয় ও তারা আজও সংশোধনাগারে বন্দী। সারদা চিটফান্ড মামলায় ২০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। আজও সেই টাকা সম্পূর্ণভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ইডির তৎপরতায় জল্পনা

    তবে আট বছর ধরে সারদা মামলার তদন্ত যেখানে পিছিয়ে গেছে, সেখানে হঠাৎ পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঠিক আগেই আবারও সারদা নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের তৎপরতা শুরু হওয়ায় জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বাংলার শাসক শিবিরের অভিযোগ ভোটের আগে তাদের বেকায়দা ফেলতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে অন্যদিকে এই যুক্তি খারিজ করে দিয়ে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে যে, আদালতের নির্দেশেই সারদা কাণ্ডে (Saradha Scam) সিবিআই ও ইডির তদন্ত চলছে। বিপুল টাকা এখনও উদ্ধার হয়নি। ফলে বাকি টাকা উদ্ধারের জন্যই তদন্তকারী সংস্থা ফের তৎপর হয়ে উঠেছে।  

    সূত্রের খবর অনযায়ী, আগামী দিনে এই ঘটনায় (Saradha Scam) আরও অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ইডির জেরার মুখে পড়তে হবে বলে জানা গিয়েছে। যেসব প্রভাবশালীরা সারদা থেকে লাভবান হয়েছিলেন বলে অভিযোগ, তাঁদের খুব শীঘ্রই তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

  • Saradha Scam: ৯ নভেম্বর নিলামে সারদা-র সম্পত্তি, আপনার টাকা আছে?

    Saradha Scam: ৯ নভেম্বর নিলামে সারদা-র সম্পত্তি, আপনার টাকা আছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে সারদাকাণ্ড (Saradha scam)। চিটফান্ড সংস্থা সারদার বেআইনিভাবে তোলা অর্থ উদ্ধার করতে সম্পত্তি নিলাম করা হবে, তা আগেই জানা গিয়েছিল, তবে এই নিলামের দিন আরও বাড়িয়ে দেওয়া হল। এর আগে জানা গিয়েছিল, ১ নভেম্বর সারদার সম্পত্তির নিলাম করা হবে। কিন্তু পরে বাজার নিয়ামক সংস্থা সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া-র (সেবি) তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, চলতি বছরের ৯ নভেম্বর সম্পত্তির ই-নিলাম করা হবে।

    এই নিয়ে দুবার নিলামের দিন পিছিয়ে দেওয়া হল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এবার উৎসবের মরশুম এবং আগের নির্ধারিত নিলামের দিনে ব্যাংক ছুটির কারণে অগ্রিম (আর্নেস্ট মানি ডিপোজিট) জমা দেওয়ার জন্য আরও সময় চেয়ে বিডারদের স্বার্থ বিবেচনা করে, দিন  বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ই-নিলামের (Saradha scam) শেষ তারিখ ৯ নভেম্বর, সেবি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, নিলামের ডাকে অংশ নিতে অগ্রিম জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩ নভেম্বর।

    সারদা মামলায় (Saradha scam) এখনও বহু আমানতকারী টাকা ফেরত পায়নি। সেই সমস্ত আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্ট সারদা মামলা পাঠায় অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শৈলেন্দ্রপ্রসাদ তালুকদারের কমিটির কাছে। সারদা কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পরেই তদন্ত করেছে সিবিআই, ইডি এবং রাজ্যের একাধিক তদন্তকারী সংস্থা। এই সমস্ত তদন্তকারী সংস্থার হাতে সারদার টাকা এবং সম্পত্তি আছে। সেই সমস্ত অর্থ এবং সম্পত্তি তালুকদার কমিটির হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আবেদনকারীদের আইনজীবী অরিন্দম দাস জানান, বিচারপতি আইপি মুখার্জি এবং বিচারপতি শুভেন্দু সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে এই সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজার নিয়ামক সংস্থা সেবির মাধ্যমে বিক্রি করবে তালুকদার কমিটি। এরপর সেই টাকা আমানতকারীদের ফেরাতে পদক্ষেপ নেবে কমিটি।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সারদা গ্রুপ অফ কোম্পানির (Saradha scam) ৬৯টি সম্পত্তি নিলাম করা হবে। সবমিলিয়ে এগুলির সর্বনিম্ন দাম ৩০ কোটি টাকা। এই সম্পত্তিগুলি পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে ছড়িয়ে আছে। বেআইনি প্রকল্পের মাধ্যমে সারদা জনগণের কাছ থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করেছে, তা উদ্ধার করতেই সেবি-র এই উদ্যোগ। এছাড়াও সেবি C1 ইন্ডিয়াকে ই-নিলাম প্রদানকারী হিসাবে নিয়োগ করেছে ও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন এবং ই-নিলাম Quikr Realty-র মাধ্যমে পরিচালিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। আবার বিডারদের তাদের বিড জমা দেওয়ার আগে নিলামে রাখা সম্পত্তির দায়বদ্ধতা, মামলা, সংযুক্তি, অধিগ্রহণের দায় সম্পর্কে তাদের নিজস্ব তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে।  

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের আগে পর্যন্ত সক্রিয় ছিল এই চিটফান্ড  সংস্থা (Saradha scam)। সারদা গ্রুপ অফ কোম্পানি, ২৩৯ টিরও বেশি বেসরকারী সংস্থার একটি কনসোর্টিয়াম, খুব অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সারদা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রায় ১৭ লক্ষ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে প্রায় ৪০০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল এই সংস্থা। ঘটনায় অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নামও জড়ায়। তদন্তভার হাতে নিয়ে তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

     

  • Saradha Scam: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মিথ্যে বয়ান দিতে দেবযানীকে চাপ সিআইডি-র! সিবিআইকে বিস্ফোরক চিঠি মায়ের

    Saradha Scam: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মিথ্যে বয়ান দিতে দেবযানীকে চাপ সিআইডি-র! সিবিআইকে বিস্ফোরক চিঠি মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে প্রায় থিতু হয়ে যাওয়া সারদাকাণ্ড (Saradha scam)। এবার সিবিআইকে (CBI) চিঠি দিলেন সারদাকাণ্ডে অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মা শর্বরী মুখোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী ওই সংস্থাকে শর্বরী জানিয়েছেন, সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের কাছ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ছ’কোটি টাকা নিয়েছেন বলে যেন সিবিআইয়ের কাছে স্বীকার করেন দেবযানী। শর্বরীর অভিযোগ, ২৩ অগাস্ট জেলে গিয়ে সিআইডি দেবযানীকে চাপ দিয়ে একথা বলতে বলে। 

    মাসকয়েক আগে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন সিবিআইকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, শুভেন্দু অধিকারীকে তিনি নিজে কয়েক কোটি টাকা দিয়েছেন। সুদীপ্ত সেনের এই বক্তব্যকেই হাতিয়ার করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। নানা সময়ে তাঁরা আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দুকে। সারদাকাণ্ডের জেরে ২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল কাশ্মীরের সোনমার্গ থেকে গ্রেফতার করা হয় সুদীপ্ত সেন ও তাঁর সহকর্মী দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে। বর্তমানে আলিপুর মহিলা সংশোধানাগারে বন্দি রয়েছেন দেবযানী। বাংলার পাশাপাশি ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডেও তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। বাংলায় রেহাই পেলেও, প্রতিবেশী দুই রাজ্যের মামলা থেকেও অব্যাহতি পেতে হবে তাঁকে। তা না পাওয়ায় বন্দি রয়েছেন তিনি।

    সারদা গ্রুপ অফ ইন্ড্রাস্ট্রিজের পদস্থ কর্তা ছিলেন দেবযানী। সারদা কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে এ পর্যন্ত ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। লগ্নিতে বেশি অর্থ ফেরতের আশ্বাস দিয়ে বাজার থেকে কয়েকশো কোটি টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে সারদার কোম্পানির বিরুদ্ধে। সেই মামলায়ই এবার এল নয়া মোড়। 

    শর্বরী বলেন, মেয়েকে মানসিক চাপ দিচ্ছে সিআইডি (West Bengal CID)। শুভেন্দু অধিকারী ও সুজন চক্রবর্তীর (Sujan Chakraborty) নামে অভিযোগ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। সারদার কাছ থেকে দুজনেই নিয়েছেন ৬ কোটি করে টাকা। তাঁর সামনেই টাকা দেওয়া হয়েছে বলে বয়ান দিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে দেবযানীকে। অভিযোগ না করলে আরও ৯টি মামলায় ফাঁসানো হবে তাঁকে। ঘটনাটিকে ধিক্কার জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, এক সময়ের মর্যাদা সম্পন্ন সিআইডি বর্তমানে পিসি-ভাইপোর দারোয়ানে পরিণত হয়েছে।

    আরও পড়ুন : মমতার ‘গদ্দার’ কটাক্ষের জবাব দিলেন শুভেন্দু, কী বললেন জানেন?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
LinkedIn
Share