Tag: Satellite Launch

Satellite Launch

  • ISRO Satellite Launch: মহাকাশে আবার সফল ভারত! প্রথম ইমেজিং স্যাটেলাইট ‘ইওএস-০৫’ -কে নিয়ে উড়ল জিএসএলভি-এফ১৭

    ISRO Satellite Launch: মহাকাশে আবার সফল ভারত! প্রথম ইমেজিং স্যাটেলাইট ‘ইওএস-০৫’ -কে নিয়ে উড়ল জিএসএলভি-এফ১৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন ইতিহাস রচনা করল ভারত। অন্ধকারের বুক চিরে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার স্পেসপোর্ট থেকে মহাকাশের উদ্দেশে রওনা দিল ইসরোর (ISRO Satellite Launch) আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট (পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহ) ইওএস-০৫ বহনকারী জিএসএলভি-এফ১৭ রকেট। রকেটটি ভারতীয় সময় রাত ২.৫৫ মিনিটে সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে আকাশে পাড়ি দেয়। রকেটের উৎক্ষেপণের পরপরই ইওএস-০৫ স্যাটেলাইটটিকে সফলভাবে তার নির্ধারিত ‘সাব-জিওসিনক্রোনাস ট্রান্সফার অরবিট’-এ স্থাপন করা হয়।

    সবচেয়ে ভারী স্যাটেলাইট

    ইসরো প্রধান ড. ভি. নারায়ণন বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, জিএসএলভি-এফ১৭ রকেটটি অত্যাধুনিক আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট বা জিও-ইমেজিং স্যাটেলাইট ‘ইওএস-০৫’-কে সফল ও নিখুঁতভাবে তার কাঙ্ক্ষিত কক্ষপথে স্থাপন করেছে।” জিএসএলভি-এফ১৫ রকেট মিশনের ডিরেক্টর থমাস কুরিয়ান জানান, জিএসএলভি-র মাধ্যমে জিটিও বা সাব-জিটিও কক্ষপথে উৎক্ষেপণ করা এটিই এযাবৎকালের সবচেয়ে ভারী স্যাটেলাইট। থমাস কুরিয়ান বলেন, “এটি আমাদের সবার জন্যই অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের মুহূর্ত। জিএসএলভি তার ১৯তম মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করল। এই মিশনে বহন করা হয়েছিল ইওএস-০৫ স্যাটেলাইটটিকে, যা একটি অনন্য গঠনের আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট এবং এটি প্রায় ‘রিয়েল-টাইম’ বা তাৎক্ষণিক ছবি তোলার ক্ষমতাসম্পন্ন। জিএসএলভি-র মাধ্যমে জিটিও বা সাব-জিটিও কক্ষপথে পাঠানো এটিই সবচেয়ে ভারী স্যাটেলাইট। উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়াটি মাত্র কয়েক মিনিটের হলেও, এর পেছনে রয়েছে মাসের পর মাস ও বছরের পর বছর ধরে করা কঠোর পরিশ্রম।”

    সর্বক্ষণের নজরদারি

    এই মিশনে ইওএস-০৫ স্যাটেলাইটটি পাঠানো হয়েছে, যা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৬,০০০ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে পুরো ভারতের ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখতে পারে। ৫১.৭ মিটার উচ্চতা এবং ৪২০.৫ টন ওজনের জিএসএলভি-এফ১৭ উৎক্ষেপণ যানটি ভারতের বৃহত্তম কার্যকর উৎক্ষেপণ যানগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ইসরোর জিএসএলভি-এফ-১৭ রকেট মিশনের সফল উৎক্ষেপণের প্রশংসা করে জানান, ভারতের মহাকাশ সক্ষমতা ক্রমাগত নতুন উচ্চতা স্পর্শ করছে এবং বিশ্বমঞ্চে মহাকাশ শক্তি হিসেবে দেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করছে। জিতেন্দ্র সিং ‘এক্স’-এ লিখেছেন, “ইওএস-০৫ হল একটি অত্যাধুনিক আর্থ অবজারভেশন (পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী) উপগ্রহ এবং ভূ-স্থির কক্ষপথ থেকে ভারতের প্রথম ইমেজিং উপগ্রহ। এটি দৃশ্যমান, ইনফ্রারেড, মাল্টিস্পেকট্রাল এবং হাইপারস্পেকট্রাল ব্যান্ডের মাধ্যমে উন্নত মানের ছবি তুলতে পারে।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করে ইসরো প্রধান নারায়ণন জানান, নেভিগেশন স্যাটেলাইট ‘এনভিএস-০৩’-সহ আরও ছয়’টি উৎক্ষেপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এই অর্থবছরের জন্য।

  • ISRO Satellite Launch: সাফল্যের আশায় ইসরো! উৎক্ষেপণের প্রস্তুতিতে জিএসএলভি-এফ১৭, শুক্র ভোর-রাতে মহাকাশে পাড়ি দেবে ইওএস-০৫

    ISRO Satellite Launch: সাফল্যের আশায় ইসরো! উৎক্ষেপণের প্রস্তুতিতে জিএসএলভি-এফ১৭, শুক্র ভোর-রাতে মহাকাশে পাড়ি দেবে ইওএস-০৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রায় আট মাসের উৎক্ষেপণ-খরা কাটিয়ে ফের মহাকাশ অভিযানে ফিরতে চলেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO Satellite Launch)। শুক্রবার ভোরে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে জিএসএলভি-এফ১৭ (GSLV-F17) রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হবে পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ ইওএস-০৫ (EOS-05)। এই উপগ্রহটি জিস্যাট-১এ (GISAT-1A) নামেও পরিচিত। ইসরো সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪ সেপ্টেম্বর রাত পেরিয়ে ভোর ২টা ৫৫ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাড থেকে জিএসএলভি-এফ১৭ (GSLV-F17)-এর উৎক্ষেপণের সময় নির্ধারিত হয়েছে। এটি ভারতের জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকলের ১৯তম উড়ান। সফল উৎক্ষেপণ হলে দীর্ঘ বিরতির পর ফের ভারতের মহাকাশ কর্মসূচিতে গতি ফিরবে।

    ‘নটি বয়’-কে নিয়ে প্রত্যাশা

    জিএসএলভি-এফ১৭ (GSLV-F17)-কে ইসরোর অন্দরে অনেক সময় ‘নটি বয়’ বা ‘দুষ্টু ছেলে’ বলেও ডাকা হয়। কারণ, রকেটটির প্রাথমিক উড়ানগুলিতে একাধিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল। প্রথম ১৮টি উড়ানের মধ্যে ছ’টি পূর্ণাঙ্গ সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। ফলে এবারের অভিযান নিয়ে বিজ্ঞানী ও মহাকাশপ্রেমীদের আগ্রহ যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে বাড়তি প্রত্যাশা। ৪ সেপ্টেম্বর রাত ঠিক ২টো ৫৫ মিনিটে যখন প্রায় গোটা দেশ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকবে, তখন শ্রীহরিকোটার দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাড থেকে তৈরি হবে এক নতুন ইতিহাস (ISRO launch tonight)। অন্ধকারের বুক চিরে মহাকাশের উদ্দেশে রওনা দেবে ভারতের ভূ-সমলয় উপগ্রহ উৎক্ষেপণ যান ‘জিএসএলভি-এফ১৭’ (GSLV-F17)। সঙ্গে নিয়ে যাবে ৩৬ হাজার কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থানকারী ভারতের প্রথম ইমেজিং স্যাটেলাইট ‘ইওএস-০৫’ (EOS-5)। পরপর কয়েকটি ব্যর্থতার পর ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO) জন্য এই মিশন স্রেফ একটি উৎক্ষেপণ নয়, বরং হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাস ও মর্যাদা পুনরুদ্ধারের এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষা।

    জিওসিঙ্ক্রোনাস কক্ষপথে নতুন সক্ষমতা

    ইওএস-০৫ (EOS-05)-এর এই অভিযান ভারতের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সফল হলে এটি হবে ভারতের প্রথম এমন ইমেজিং উপগ্রহ, যা জিওসিঙ্ক্রোনাস কক্ষপথ থেকে পৃথিবী পর্যবেক্ষণ করবে। সাধারণত পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহগুলি লো আর্থ অরবিটে অবস্থান করে এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর কোনও অঞ্চলের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় ছবি সংগ্রহ করে। কিন্তু ইওএস-০৫ প্রায় ৩৬ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় জিওসিঙ্ক্রোনাস কক্ষপথে কাজ করবে। ফলে ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ও আশপাশের এলাকার উপর দীর্ঘ সময় ধরে বারবার নজর রাখা সম্ভব হবে। তবে জিএসএলভি-এফ১৭ সরাসরি ইওএস-০৫-কে তার চূড়ান্ত জিওসিঙ্ক্রোনাস কক্ষপথে পৌঁছে দেবে না। রকেটটি প্রথমে উপগ্রহটিকে একটি সাব জিওসিঙ্ক্রোনাস কক্ষপথে স্থাপন করবে। এরপর উপগ্রহটির নিজস্ব অনবোর্ড প্রপালশন ব্যবস্থা ব্যবহার করে ধীরে ধীরে কক্ষপথের উচ্চতা বাড়িয়ে নির্ধারিত অবস্থানে পৌঁছবে।

    ২০২১-এর ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা

    ভারতের জিওসিঙ্ক্রোনাস ইমেজিং সক্ষমতা তৈরির ক্ষেত্রে এই অভিযান কার্যত দ্বিতীয় বড় প্রচেষ্টা। এর আগে ২০২১ সালের আগস্টে জিএসএলভি-এফ১০ (GSLV-F10) রকেটের মাধ্যমে জিআইস্যাট (GISAT) উৎক্ষেপণের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু রকেটের ক্রায়োজেনিক আপার স্টেজে সমস্যার কারণে উপগ্রহটি নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছতে পারেনি। সেই ব্যর্থতার পর ইওএস-০৫-এর অভিযান তাই ইসরোর কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এমনিও সাম্প্রতিক সময়ে ইসরোর দিনগুলো খুব একটা ভাল কাটেনি। বিগত বছরগুলোতে ইসরোর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ‘ওয়ার্কহর্স’ রকেট পিএসএলভি (PSLV) পর পর কয়েকটি অভিযানে চরম ব্যর্থতার মুখে পড়ে। ফলে সরকারের নির্দেশে সেটিকে আপাতত বসিয়ে রেখে শুরু হয়েছে তদন্ত। এই কঠিন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে জিএসএলভি-র এই যাত্রা ইসরোর আত্মবিশ্বাস ফেরানোর অন্যতম বড় সুযোগ। অবশ্য প্রযুক্তিগত দিক থেকে পিএসএলভি এবং জিএসএলভি সম্পূর্ণ আলাদা গোত্রের। ইঞ্জিনের গঠন বা চালিকাশক্তির ক্ষেত্রে এদের মধ্যে কোনও সরাসরি যোগাযোগ নেই। ফলে পিএসএলভির সমস্যা জিএসএলভির উপর প্রভাব ফেলবে না- এই ভাবনাই এখন ইসরোর বিজ্ঞানীদের একমাত্র ভরসা।

    কী কী কাজ করবে এই স্যাটেলাইট

    আবহাওয়া থেকে দুর্যোগ মোকাবিলা, সীমান্তে পাহারা—একাধিক ক্ষেত্রে নজরদারি চালাবে ইওএস-০৫। এটি সফলভাবে কার্যকর হলে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও জঙ্গল-আগুনের মতো বিপর্যয় নজরদারিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। একই বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে বারবার পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতার ফলে দ্রুত পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার পরিস্থিতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কে আরও কার্যকর তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে। বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উপর ধারাবাহিক নজরদারি দেশের পৃথিবী পর্যবেক্ষণ পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। তবে, এর গুরুত্ব শুধু সাধারণ পর্যবেক্ষণেই সীমাবদ্ধ নয়। সীমান্ত এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং কৌশলগত জায়গার উপর নিয়মিত নজর রাখার ক্ষেত্রেও এর তথ্য কাজে লাগতে পারে। বিশেষ করে কোনও এলাকায় হঠাৎ কোনও পরিবর্তন হলে তা দ্রুত নজরে আসার সম্ভাবনা বাড়বে। তবে এটিকে সরাসরি ‘গুপ্তচর উপগ্রহ’ বলা ঠিক হবে না। এটি মূলত পৃথিবী পর্যবেক্ষণের উপগ্রহ, যার তথ্যের বেসামরিক এবং কৌশলগত—দুই ধরনের ব্যবহার হতে পারে।

    নয়া অধ্যায়ের সূচনা

    কাউন্টডাউন এগিয়ে চলেছে। এখন সকলের নজর শ্রীহরিকোটার দিকে। সফল উৎক্ষেপণ শুধু ইসরোর দীর্ঘ উৎক্ষেপণ-বিরতির অবসান ঘটাবে না, একইসঙ্গে ভারতের মহাকাশভিত্তিক পৃথিবী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।

  • ISRO: ২০২৬-এর প্রথম উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি ইসরোর, ১২ জানুয়ারি মহাকাশে পাড়ি দেবে পিএসএলভি-সি৬২

    ISRO: ২০২৬-এর প্রথম উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি ইসরোর, ১২ জানুয়ারি মহাকাশে পাড়ি দেবে পিএসএলভি-সি৬২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ১২ জানুয়ারি পিএসএলভি-সি৬২ (PSLV-C62)  মিশনের মাধ্যমে নতুন বছরের প্রথম উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরো (ISRO)। ইসরোর এক্স হ্যান্ডলে জানানো হয়েছে, আগামী সোমবার সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে কৃত্রিম উপগ্রহটির উৎক্ষেপণ করা হবে। পাশাপাশি, এই বছর ইসরোর প্রধান মিশন হবে চালকবিহীন গগনযান পাঠানো। এই অভিযানে ব্যোমমিত্র নামের একটি হিউম্যানয়েড রোবটকে মহাকাশে পাঠানো হবে। এটি ভারতের প্রথম মানব মহাকাশ অভিযানের আগে একটি পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। ২০২৭ সালে তিনজন মহাকাশচারীকে কক্ষপথে পাঠানোর লক্ষ্যে ইসরো প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    কী কাজ করবে এই নয়া স্যাটেলাইট

    ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) ২০২৬ সালের মহাকাশ উৎক্ষেপণ কর্মসূচির সূচনা করতে চলেছে পিএসএলভি-সি৬২ (PSLV-C62) মিশনের মাধ্যমে। আগামী ১২ জানুয়ারি, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় অবস্থিত সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে এই উৎক্ষেপণ করা হবে। এই রকেটের প্রধান পেলোড হল ইওএস এন-ওয়ান (EOS-N1)। এটি একটি উন্নত পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী (Earth Observation) স্যাটেলাইট। এটি প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও দ্বারা নির্মিত। কৌশলগত উদ্দেশ্যে তৈরি এই স্যাটেলাইট ভারতের নজরদারি ও গোয়েন্দা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে বলে জানা গেছে। নির্ভরযোগ্য পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল (PSLV)-এর মাধ্যমে ইওএস এন-ওয়ান-কে নির্ধারিত কক্ষপথে স্থাপন করা হবে।

    উৎক্ষেপণের সময়সূচি ও স্থান

    ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, ১২ জানুয়ারি সকাল ১০টা ১৭ মিনিট (IST)-এ উৎক্ষেপণ করা হবে। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের ফার্স্ট লঞ্চ প্যাড থেকে এই মিশন শুরু হবে। এই মিশনটি প্রায় ১ ঘন্টা ৪৮ মিনিট স্থায়ী হবে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাউন্টডাউনের আগে সব প্রস্তুতি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে। এই মিশনে ইওএস এন-ওয়ান ছাড়াও একাধিক আন্তর্জাতিক ও বাণিজ্যিক পেলোড থাকার কথা রয়েছে, যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। ইসরো জানিয়েছে, সাধারণ মানুষ চাইলে শ্রীহরিকোটার লঞ্চ ভিউ গ্যালারি থেকে সরাসরি উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। প্রবেশের সময় আধার কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো বৈধ সরকারি পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি সঙ্গে রাখতে হবে। ইসরো-র মতে, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল দেশের মহাকাশ কর্মসূচির সঙ্গে সাধারণ মানুষের আরও বেশি সম্পৃক্ততা বাড়ানো।

  • ISRO OneWeb Satellite Launch: আজই প্রথম বাণিজ্যিক রকেট উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত ইসরো

    ISRO OneWeb Satellite Launch: আজই প্রথম বাণিজ্যিক রকেট উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)  তাদের সবচেয়ে ভারী রকেট লঞ্চ ভেহিকেল LVM3-M2-তে ৩৬টি ব্রডব্যান্ড কমিউনিকেশন স্যাটেলাইটের প্রথম বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ করতে প্রস্তুত। ৪৩.৫  মিটার লম্বা রকেটটি রবিবার ভারতীয় সময় রাত ১২টা বেজে ৭ মিনিটে  শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাড থেকে লঞ্চ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। রকেটটিকে ৮ হাজার  কেজি পর্যন্ত স্যাটেলাইট বহন করার ক্ষমতার রয়েছে। এই কারণে রকেটটি সবচেয়ে ভারী হতে পারে বলে ইসরো সূত্রে খবর ।

    [tw]


    [/tw] 

    রবিবারের উৎক্ষেপণটি ইসরোর কাছে তাৎপর্যপূর্ণ কারণ LVM3-M2 মিশনটি সফল হলেই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ পরিষেবার বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। ইসরোর বাণিজ্যিক শাখা নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং ওয়ানওয়েব (One Web) নামে একটি ব্রিটিশ স্টার্ট আপ কোম্পানির এর মধ্যে বাণিজ্যিক চুক্তি হিসেবে মিশনটি হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে  ইসরো।

    [tw]


    [/tw] 

    মহাকাশ সংস্থার মতে, মিশনটি ওয়ানওয়েবের ৩৬ টি স্যাটেলাইটকে নিয়ে ৫৭৯৬  কেজি  ওজনের সবচেয়ে ভারী  ওজন বহন করবে। এলভিএম-থ্রি হল একটি তিন পর্যায়ের বাহন যেখানে দুটি সলিড মোটর স্ট্র্যাপ-অন, একটি লিকুইড প্রপেলান্ট কোর স্টেজ এবং একটি ক্রায়োজনিক স্টেজ রয়েছে।নতুন রকেটটি একটি জিওসিঙ্ক্রোনাস ট্রান্সফার অরবিটে চার টন বর্গের উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম।এই এনভিএম থ্রি রকেটকে আগে জিএসএলভি এমকে থ্রি বলা হত। ওয়ানওয়েব ইন্ডিয়া-১ মিশনের এলভিএম থ্রি-এম২ রকেট যাচ্ছে মহাকাশে।

    মহাকাশ বিজ্ঞানের জগতে ভারত প্রতিদিনই একাধিক নতুন মাত্রা তৈরি করছে। এই মিশন সফল হলে সরকারি, ব্যবসায়িক ও বিভিন্ন সংযোগের ক্ষেত্রে ‘জেন ওয়ান এলইও কনস্টেলেশন’ এর হাত ধরে আরও উচ্চ গতি সম্পন্ন সংযোগ পাওয়া যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share