Tag: Satyendar Jain

Satyendar Jain

  • Satyendar Jain: কনম্যান সুকেশের অভিযোগ! জেলবন্দি আপ নেতা সত্যেন্দ্রর বিরুদ্ধে তদন্তে সিবিআই-ও

    Satyendar Jain: কনম্যান সুকেশের অভিযোগ! জেলবন্দি আপ নেতা সত্যেন্দ্রর বিরুদ্ধে তদন্তে সিবিআই-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলবন্দি আম আদমি পার্টির নেতা তথা দিল্লি সরকারের প্রাক্তন কারামন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের (Satyendar Jain) বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ‘প্রিভেনশন অফ করাপশন অ্যাক্ট’-এর অধীনেই এই তদন্তের অনুমতি দিয়েছে অমিত শাহের মন্ত্রক। শুক্রবারই এই খবর সামনে এসেছে। দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, কনম্যান সুকেশ চন্দ্রশেখরকে জেলে নিরাপত্তা দেওয়ার নাম করে জোর পূর্বক তাঁর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা আদায় করেছিলেন সত্যেন্দ্র জৈন। প্রসঙ্গত, সত্যেন্দ্র জৈন ছাড়াও বর্তমানে আবগারি দুর্নীতিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। একই অভিযোগে জেলে রয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াও।

    অভিযুক্ত তিহার জেলের প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল সন্দীপ গোয়েলও  

    প্রসঙ্গত কারামন্ত্রী ছাড়াও সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendar Jain) দিল্লির প্রদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। ২০২২ সালের মে মাসে অন্য একটি আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সত্যেন্দ্র জৈনের পাশাপাশি তিহার জেলের প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল সন্দীপ গোয়েল এবং অন্যান্য বেশ কিছু আধিকারিকও একই অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। জোরপূর্বক তাঁরা জেলে থাকার জন্য টাকা দাবি করেছেন কনম্যান সুকেশের কাছে। নিজের বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছেন সুকেশ।

    সুকেশ চন্দ্রশেখরের দাবি 

    প্রসঙ্গত, সুকেশ চন্দ্রশেখর বর্তমানে তিহার জেলে বন্দি রয়েছেন। বেআইনি আর্থিক লেনদেনের মামলাতে। তিনিই দাবি করেছেন, ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে তৎকালীন দিল্লির সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendar Jain) তাঁর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা জোরপূর্বক আদায় করেছেন বিনিময়ে নিরাপত্তা ও শান্তিতে জেলে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন সত্যেন্দ্র। এছাড়া আরও অভিযোগ তোলা হয়েছে, অন্যান্য জেলা আধিকারিকরা ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা তাঁর কাছ থেকে নিয়েছেন। ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত। এই  টাকাও নেওয়া হয়েছে জেলে সুকেশের নিরাপত্তা দেওয়ার নামে।

     

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ কলকাতায় নামী ছাতু ব্যবসায়ীর অফিসে আয়কর হানা, উদ্ধার বিপুল টাকা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Satyendar Jain: কারাগারে ‘আম’ মন্ত্রীর রাজকীয় ভোজ! সত্যেন্দ্র জৈনের নয়া ভিডিও ভাইরাল

    Satyendar Jain: কারাগারে ‘আম’ মন্ত্রীর রাজকীয় ভোজ! সত্যেন্দ্র জৈনের নয়া ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক তছরুপের দায়ে অভিযুক্ত দিল্লির মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendra Jain) তিহাড়ের জেলে বসে খাচ্ছেন রাজকীয় খাবার। জেলে তেল মালিশের পর সদ্য আপ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের এই ভিডিও ভাইরাল। ওজন কমে গিয়েছে আঠাশ কেজি। যথেষ্ট খাবার দেওয়া হচ্ছে না জেলে। আদালতে এমন অভিযোগই করেছিলেন দিল্লির জেলবন্দি মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তার এক দিন পরেই প্রকাশ্যে এল একটি সিসিটিভি ফুটেজ, যেখানে দেখা গিয়েছে জেলের কুঠুরিতে বসে ফল, স্যালাড খাচ্ছেন সত্যেন্দ্র। তিহাড় জেলের একটি সূত্র বলছে, প্রকাশ্যে আসা ফুটেজ সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসের তিনটি দিনের। সূত্রটির দাবি, এই ফুটেজ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, সত্যেন্দ্রের পর্যাপ্ত খাবার না পাওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। ওই সূত্রটি আরও জানিয়েছে, জেলে থেকে দিল্লির মন্ত্রীর ওজন আঠাশ কেজি কমেনি। বরং ৮ কেজি বেড়েছে।

    নতুন ভিডিও

    বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা সম্প্রতি একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে, আর্থিক তরুপের দায়ে গ্রেফতার হওয়া আপ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendra Jain) জেলের ভিতর নিজের পছন্দের খাবার খাচ্ছেন। ট্যুইটারে পুনাওয়ালা লেখেন, “জনমাধ্যমে আরও একটি ভিডিও সামনে এসেছে। ধর্ষকের কাছ থেকে মালিশ নেওয়ার পর এখন রাজকীয় খাবার উপভোগ করছেন সত্যেন্দ্র জৈন। তাঁকে সেলের মধ্যে কর্মীরা খাবার দিয়ে যাচ্ছেন, যেন কোনও রিসোর্টে বেড়াতে গিয়েছেন তিনি! কালো টাকার কারবারি যেন জেলের ভিতর ভিভিআইপি সুবিধা পান, তা কেজরিওয়ালজি নিজে নিশ্চিত করেছেন”। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, খিদে বৃদ্ধিকারক খাবার দিয়ে ভোজন শুরু করার পর স্যালাড সহ অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছেন মন্ত্রী। সেইসঙ্গে তাঁর জন্য কেনা পানীয় জলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। একজন কর্মী তাঁকে খাবার সাজিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে তাঁর চেয়ারের কাছে একটি ডাস্টবিনও রেখে দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: জেলে সত্যেন্দ্রকে মালিশ করা ব্যক্তি ধর্ষণে অভিযুক্ত বন্দি! সরব বিজেপি

    বিতর্কের কেন্দ্র

    উল্লেখ্য,গত কয়েক দিন ধরেই সত্যেন্দ্র জৈনকে (Satyendra Jain) ঘিরে একাধিক ভিডিও প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। যা নিয়ে দিল্লির কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন বিতর্কের কেন্দ্রে থেকেছেন।সত্যেন্দ্রর আইনজীবী আদালতে অভিযোগ করেছিলেন, গত ছ’মাসে শুধুই ফল, সব্জি, দানাশস্য, শুকনো ফল এবং খেজুর খেয়ে রয়েছেন। প্রত্যেক জেলবন্দির জন্য যে রেশন বরাদ্দ থাকে, তার আওতায় ওই ফলমূল কিনে খেয়েছেন বলে দাবি সত্যেন্দ্রের। অভিযোগ ছিল, গত ছ’মাস ধরে ধর্মীয় উপবাস করছেন সত্যেন্দ্র। তা সত্ত্বেও তাঁকে ফল, সব্জি, শুকনো ফল, খেজুর দিচ্ছেন না জেল কর্তৃপক্ষ। এর ফলে সত্যেন্দ্রর শরীরে ‘প্রোটিন ও আয়রনের ঘাটতি’ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। এই অবস্থায় প্রকাশ্যে এল এই ভিডিও ফুটেজ। যা নিয়ে পুরভোটের আগে দিল্লির রাজনীতি সরগরম।

  • Satyendar Jain: কয়েদিকে আরামের মালিশ! জেলে সত্যেন্দ্র জৈনের সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

    Satyendar Jain: কয়েদিকে আরামের মালিশ! জেলে সত্যেন্দ্র জৈনের সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্রে জৈন (Satyendar Jain)। দিন কাটছে হাজতে। এই কথাটা শুনেই যদি আপনার সিনেমায় দেখা বন্দিদের দুরাবস্থার করুণ ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে, তাহলে আপনি ভুল ভাবছে। জেলের মধ্যেও মন্ত্রীর জীবন কাটছে রাজার হালে। হাজতেই পাঁচতারা হোটেলের পরিষেবা পাচ্ছেন দিল্লি সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তাঁর জন্যে রয়েছে গোটা শরীর মালিশের বিশেষ ব্যবস্থা। অন্তত দিল্লির তিহার জেলের ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ সে গল্পই শোনাচ্ছে। 

    আর্থিক তছরুপের দায়ে ৩০ মে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে গ্রেফতার হন সত্যেন্দ্র জৈন। তারপর থেকেই তাঁর ঠিকানা তিহার জেল। ১৩ সেপ্টেম্বরের তিহার জেলের একটি সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে মন্ত্রী একটি বছানায় আরামে শুয়ে রয়েছেন এবং তাঁর পায়ে মালিশ করছেন এক ব্যক্তি।  

     

    বিজেপির নিশানায় আম আদমি পার্টি

    বিষয়টিতে কেজরিওয়াল সরকারকে এক হাত নিয়েছে কেন্দ্রীয় শাসক দল। বিজেপি নেতা সেহজাদ পুনাওয়ালা ট্যুইটে লেখেন, “কারাগারে ভিভিআইপি আচরণ! তিহার জেলে থাকাকালীন শরীর মালিশ? যে পাঁচ মাস জামিন পায়নি, সেই বন্দিকে এমন সুবিধা! এটি আম আদমি পার্টির আসল চেহারা দর্শায়।”   

     

    এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়াল দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এবং ভিভিআইপি সংস্কৃতির অবসানের জন্য দল তৈরি করেছিলেন। কিন্তু এখানে একজন দুর্নীতিবাজ সব সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন।”

    নিজেরদের সাফাইয়ে কী বলল আপ?

    এদিকে নিজেদের সাফাই দিয়ে আম আদমি পার্টি (AAP) দাবি করে, যে সত্যেন্দ্র জৈনের চিকিৎসার কারণে এই মালিশ দেওয়া হচ্ছে। পাল্টা বিজেপি এই মন্তব্যের সমালোচনা করে বলে, “এভাবে কারও অসুস্থতা নিয়ে তামাসা করা ঠিক নয়।” বিষয়টির তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর। তিহার জেলের সুপারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এরপরেও আম আদমি পার্টি নিজেদের দাবিতে অনড়। এখনও একই সুরে তাঁরা বলে চলেছেন যে, সত্যেন্দ্র জৈনকে কোনও ভিআইপি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না জেলে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

     

     

  • Satyendar Jain: আরও বিপাকে সত্যেন্দ্র জৈন, বিপুল নগদ-সোনা উদ্ধার ইডির

    Satyendar Jain: আরও বিপাকে সত্যেন্দ্র জৈন, বিপুল নগদ-সোনা উদ্ধার ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দুর্নীতির মামলায় জড়িত দিল্লির মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের (Satyendar Jain) ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২.৮৫ কোটি টাকা নগদ এবং ১৩৩টি সোনার কয়েন উদ্ধার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)।

    ইডির (ED) তরফে জানানো হয়েছে— বৈভব জৈন, অঙ্কুশ জৈন, নবীন জৈন এবং রামপ্রকাশ জুয়েলার্সের মালিকরা আর্থিক তছরুপে সত্যেন্দ্রকে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সাহায্য করেছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, রাম প্রকাশ জুয়েলার্সের কাছ থেকে ২.২৩ কোটি টাকা নগদ পাওয়া গিয়েছে, বৈভব জৈনের কাছ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা এবং ১৩৩টি সোনার কয়েন সহ ৪১.৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।  

    বিষয়টির প্রতিক্রিয়া জানিয়ে একটি ট্যুইট করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি লেখেন, “আপ-এর পেছনে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় রাজধানী এবং পঞ্জাবে বিজেপি সরকারে নেই। মিথ্যা, মিথ্যা এবং আরও মিথ্যা। সমস্ত সংস্থার ক্ষমতা আপনার হাতে, কিন্তু ঈশ্বর আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।”   

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র পাল্টা ট্যুইটে লিখেছেন, “সত্যেন্দ্র জৈনের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা, সোনার কয়েন বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে। সাহস থাকে তো সত্যেন্দ্রকে মন্ত্রিসভা থেকে বের করুন। কিন্তু, আপনি পারবেন না, কারণ, আপনার হাটে হাঁড়ি ভেঙে যাবে।” 

    [tw]


    [/tw]

    কপিল যোগ করেন, “কেজরিওয়ালের মতে, তিনি একজন সৎ মানুষ। সত্যেন্দ্র জৈনের দুর্নীতি শুধুমাত্র একটা ঝলক মাত্র। আসল মাস্টারমাইন্ড হলেন কেজরিওয়াল, কেজরিওয়ালের দুর্নীতিতে গোটা বিশ্ব অবাক হবে।”

    সত্যেন্দ্র জৈন গত ১ জুন থেকে ইডির হেফাজতে রয়েছেন। ইডির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, “সত্যেন্দ্র জৈনের বাস ভবনে এবং কিছু অন্যান্য স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। সত্যেন্দ্র জৈন আগামী ৯ জুন পর্যন্ত ইডির হেফাজতেই থাকবেন।” 

    চলতি বছরেই এপ্রিলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কলকাতার একটি কোম্পানির সঙ্গে সম্পর্কিত ৪.৮১ কোটি টাকার তছরুপের মামলায় সত্যেন্দ্র জৈনের যোগ খুঁজে পায়। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রীকে। সিবিআইয়ের দায়ের করা একটি এফআইআরের ভিত্তিতে আপ ওই নেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত করা হয়। 

    অভিযোগ, সত্যেন্দ্র জৈন চারটি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার হওয়া সত্ত্বেও, কোম্পানিগুলির তহবিলের টাকার উৎস কী, তার জবাব দিতে পারেননি। তদন্ত সংস্থার দাবি, সত্যেন্দ্র জৈনের দিল্লিতে বেশ কয়েকটি কোম্পানি রয়েছে এবং তাদের মাধ্যমেই ১৬.৩৯ কোটি কালো টাকা পাচার করেছেন মন্ত্রী। 

      

  • Satyendar Jain: হাওয়ালা লেনদেন! ৯ জুন পর্যন্ত ইডি হেফাজতে সত্যেন্দ্র জৈন

    Satyendar Jain: হাওয়ালা লেনদেন! ৯ জুন পর্যন্ত ইডি হেফাজতে সত্যেন্দ্র জৈন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি (Delhi) সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনকে (Satyendra Jain) ৯ জুন পর্যন্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) হেফাজতে পাঠাল আদালত। বেআইনি আর্থিক লেনদেনের (money laundering) অভিযোগে সোমবার তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি (ED)।

    মঙ্গলবার আদালতে পেশ করা হয় সত্যেন্দ্রকে। ইডি-র তরফে আদালতে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta)। তিনি বলেন, “কী ভাবে টাকা হাওয়ালায় (Hawala) লগ্নি করা হয়েছিল, অন্যত্র পাঠানো হয়েছিল, সে সব তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতের ১৪ দিনের হেফাজত চাইছে ইডি।” 

    মেহতা জানান, ২০১৫ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন প্রায় ১.৬৭ কোটি টাকার সম্পত্তি করেছিলেন সত্যেন্দ্র। তদন্তে উঠে এসেছে, সেই দুর্নীতির টাকা তিনি কলকাতার ভুয়ো সংস্থার খাতায় পাঠিয়েছিলেন। কলকাতারই দুই ব্যক্তি ওই কাগুজে সংস্থাগুলি তৈরি করেছিলেন। একশো টাকায় ১৫-২০ পয়সা কমিশনের ভিত্তিতে কাজ করার কথা তাঁরা স্বীকারও করেছেন। ইডি-র দাবি, আসলে সত্যেন্দ্রই ওই সংস্থাগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতেন।

    আরও পড়ুন: আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    সূত্রের খবর, রাজনীতিতে আসার আগে সত্যেন্দ্র প্রথমে কেন্দ্রীয় পূর্ত দফতরে চাকরি করতেন। পরে চাকরি ছেড়ে নির্মাণ সংক্রান্ত একটি পরামর্শদাতা সংস্থা খোলেন। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কাজকর্মের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ইডি ইতিমধ্যেই জৈন পরিবার ও তাঁদের নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থাগুলির ৪.৮১ কোটি টাকার সম্পত্তি সাময়িক ভাবে বাজেয়াপ্ত করেছে।

    আদালতে ইডি জানায়, এই মামলায় প্রথমে সত্যেন্দ্রকে গ্রেফতার না করেই তদন্ত চালাতে চেয়েছিল তারা। কিন্তু মন্ত্রী উত্তর এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। সত্যেন্দ্রর আইনজীবী বলেন, ‘‘২০১৮ সালে এই মামলা দায়ের হয়েছিল। এখন ২০২২। এর মধ্যে অন্তত ছ’বার মন্ত্রীকে ডাকা হয়েছে এবং প্রত্যেক বারই তিনি সহযোগিতা করেছেন। তদন্তকারী সংস্থা শুধু বড় বড় কথা বলছে। মন্ত্রীর সঙ্গে কালো টাকার যোগের প্রমাণ কোথায়?’’

    পাঞ্জাবের আপ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজয় সিংলার (Vijay Singla) বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় সপ্তাহখানেক আগেই তাঁকে বরখাস্ত করে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান (Bhagwant Mann)। সত্যেন্দ্রর ক্ষেত্রে কেজরিওয়ালও (Kejriwal) কেন একই পথে হাঁটছেন না, বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া আজ সেই প্রশ্ন তুলেছেন।

    কেজরিওআলের দাবি, ‘‘পাঞ্জাবের মন্ত্রীর একটি অডিয়ো রেকর্ডিং পাওয়া গিয়েছিল, যার কথা কোনও তদন্তকারী সংস্থা বা বিরোধীরা জানতই না। চাইলে আমরা সেটা ধামাচাপা দিয়ে দিতেই পারতাম। কিন্তু আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি, তাঁকে গ্রেফতার করিয়েছি। কিন্তু সত্যেন্দ্র নির্দোষ। মামলাটি পুরোপুরি জাল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বিচার ব্যবস্থায় আমাদের আস্থা আছে। সত্যেন্দ্র জৈন সত্যের পথে হেঁটেই নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবেন।’’

    এদিকে, সত্যেন্দ্রকে সমর্থন করার জন্য কেজরিওয়ালের দিকে প্রশ্ন তোলেন বিজেপি (BJP) নেত্রী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। সত্যেন্দ্রকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ তকমা দিয়ে স্মৃতি বলেন, সত্যেন্দ্র দেশের সম্পদ লুঠ করেছেন তাঁকে শাস্তি না দিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়াচ্ছেন আপ (AAP) নেতা।

  • Satyendar Jain: আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    Satyendar Jain: আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার এক কোম্পানির সঙ্গে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে দিল্লির (Delhi) স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party) নেতা সত্যেন্দ্র জৈনকে (Satyendar Jain) গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি।

    সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাওয়ালা চক্রের মাধ্যমে আর্থিক তছরুপের (Money laundering) অভিযোগে সত্যেন্দ্রর বাড়ি এবং দফতরে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি (ED)। তাঁর স্ত্রী ইন্দু এবং কয়েক জন আত্মীয়ের নামে থাকা ৪ কোটি ৮১ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

    দিল্লিতে আম আদামি পার্টির (AAP) সরকারের ক্যাবিনেটে গুরুত্বপূর্ণ পোর্টফোলিও রয়েছে সত্যেন্দ্র জৈনের নামে। একাধারে স্বাস্থ্য ছাড়াও বিদ্যুৎ, গৃহ, পিডব্লিউডি, শিল্প, নগরোন্নয়ন, বন্যা, সেচ ও জল মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন জৈন। ইডি সূত্রের খবর, ৫৭ বছর বয়সী জৈন সোমবার ইডির জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রশ্ন এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। এরপরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। সত্যেন্দ্রর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তাঁকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে।

    ১৪ দিনের জেল হেফাজতে ঘুষকাণ্ডে ধৃত পাঞ্জাবের বরখাস্ত হওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ইতিমধ্যেই জৈনের গ্রেফতারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আপ বিধায়ক সোমনাথ ভারতী। তাঁর অভিযোগ, এজেন্সির “অপব্যবহার” করছে বিজেপি (BJP)। ভারতী বলেন, “ইডি কোনও দেবতা নয়। আমাদের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ার ফলেই এই কাজ করানো হচ্ছে। আমি নিশ্চিত যে উনি এর থেকে বেরিয়ে আসবেন।” এই নিয়ে বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া (Manish Sidodia)। ট্যুইটারে তিনি বলেন, ”হিমাচল প্রদেশে দলের নির্বাচনের দায়িত্ব রয়েছে জৈনের হাতে। এখনও নির্বাচন বাকি। তাই এই ধরনের কাজ করানো হচ্ছে।”

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) সাফ জানিয়ে দেন, তিনি সতৈন্দ্র জৈনের বিরুদ্ধে আনা মামলা ভাল করে খতিয়ে দেখেছেন। পুরো মামলাটই ভুয়ো বলে অভিযোগ কেজরির। এরপর কেজরি বলেন, “আমরা দুর্নীতি সহ্য করব না, দুর্নীতি করবও না। আমাদের সরকার সততার ওপর দাঁড়িয়ে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে আমাদের টার্গেট করা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে।”

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে বদ্ধপরিকর ধামি! রূপরেখা তৈরিতে গঠিত বিশেষ কমিটি

    দিল্লি বিজেপি’র প্রধান আদেশ গুপ্তা (Adesh Gupta) ইডির এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কেজরিওয়াল সরকার মুখে দুর্নীতি দূর করার কথা বললেও আদতে চুপ থাকে। নিজেদের দলের নেতা-মন্ত্রীদের দোষ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে আম আদমি পার্টি।” সত্যেন্দ্র জৈনকে আরও আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল বলে দাবি করেন আদেশ।

LinkedIn
Share