Tag: SBI

SBI

  • SBI FD: ফিক্সড ডিপোজিটে ফের সুদের হার বাড়াল স্টেট ব্যাঙ্ক, কত হল জানেন?

    SBI FD: ফিক্সড ডিপোজিটে ফের সুদের হার বাড়াল স্টেট ব্যাঙ্ক, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্থায়ী আমানতে ফের সুদের হার বাড়াল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI FD)। ২ কোটি টাকা পর্যন্ত যাঁরা আমানত করবেন এবং তার চেয়েও বেশি পরিমাণ যাঁরা আমানত করবেন দুই ক্ষেত্রেই কয়েকটি প্রকল্পে সুদের হার বাড়ানো হয়েছে ৭৫ বেসিস পয়েন্ট। বুধবার থেকেই কার্যকর হয়েছে নয়া সুদের হার। স্টেট ব্যাঙ্ক সুদের হার বাড়ালেও, এখনও অন্য ব্যাঙ্কগুলি তা করেনি। উল্লখ্য যে, সাম্প্রতিক অতীতে স্টেট ব্যাঙ্ক ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হার যতটা বাড়িয়েছে, আমানতের ক্ষেত্রে বাড়ানো হয়নি সেই হারে। এহেন আবহে মিলল খানিক স্বস্তির খবর। স্থায়ী আমানতে বাড়ল সুদের হার।

    স্থায়ী আমানত কী? (SBI FD)

    স্থায়ী আমানত হল, কোনও একজন ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যাঙ্কে যত পরিমাণ টাকা জমা রাখেন। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে এই টাকা তোলা যায় না। স্থায়ী আমানতের মেয়াদ কিছু দিনের জন্য হতে পারে, আবার বেশ কয়েক বছরের জন্যও হতে পারে। রেগুলার সেভিংস অ্যাকান্টের চেয়ে সচরাচর স্থায়ী আমানতে সুদের হার বেশি হয়ে থাকে (SBI FD)। চড়া হারে সুদ পাওয়ার আশায় মানুষ স্থায়ী আমানত করেন। এতে বাজারগত ঝুঁকি প্রায় নেই বললেই চলে।

    কোথায়, কত বাড়ল সুদ

    ২ কোটি টাকা পর্যন্ত যাঁরা আমানত করবেন, তাঁরা যদি ৪৬ থেকে ১৭৯ দিনের মেয়াদে টাকা জমা রাখেন, সেক্ষেত্রে সুদের হার ৪.৭৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৫.৫ শতাংশ। ১৮০ থেকে ২১০ দিনের স্থায়ী আমানতে সুদ ২৫ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৬ শতাংশ। ২১১ দিন থেকে এক বছরের কম মেয়াদে সুদ বেড়েছে ২৫ বেসিস পয়েন্ট। নয়া সুদের হার দাঁড়াল ৬.২৫ শতাংশ। অবশ্য এর বেশি মেয়াদের আমানতি প্রকল্পগুলিতে সুদের হার রয়েছে একই।

    আর পড়ুন: ‘‘ওরা চাঁদে পৌঁছে গেল, সেখানে আমরা…’’, পাক সাংসদের মন্তব্য ভাইরাল

    ২ কোটি টাকার ওপর যাঁরা আমানত করবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ৭ থেকে ৪৫ দিনের জন্য সুদ পাবেন ৫.২৫ শতাংশ হারে (SBI FD)। ৪৬ থেকে ১৭৯ মেয়াদি আমানত প্রকল্পে যাঁরা টাকা রাখবেন, তাঁরা সুদ পাবেন ৬.২৫ শতাংশ হারে। ১৮০ থেকে ২১০ দিনের মেয়াদি আমানতে সুদের হার বেড়ে হয়েছে ৬.৬ শতাংশ। এক বছর থেকে দু’বছরের কম মেয়াদের আমানতে সুদের হার মিলবে ৭ শতাংশ হারে। আর দু’বছর থেকে তিন বছরের কম সময়ের মেয়াদি আমানতেও সুদের হার ৭ শতাংশ। প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রবীণ আমানতকারীরা সুদ পাবেন অতিরিক্ত .৫ শতাংশ (SBI FD)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • SBI: সময়ে ঋণ শোধ করেননি? স্টেট ব্যাঙ্ক চকোলেট নিয়ে হাজির হতে পারে বাড়ির দরজায়

    SBI: সময়ে ঋণ শোধ করেননি? স্টেট ব্যাঙ্ক চকোলেট নিয়ে হাজির হতে পারে বাড়ির দরজায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্ক (SBI) থেকে ঋণ নিয়েছেন, কিন্তু ইএমআই শোধ করছেন না? তাহলে ব্যাঙ্কের তরফ থেকে কর্মীরা এবার আপনার বাড়িতে চকোলেট নিয়ে হাজির হবেন। খুচরো ঋণ আদায় করার ক্ষেত্রে এমনই অভিনব পদক্ষেপ নিতে চলেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। সূত্রের খবর, বাড়িতে হাজির হয়ে এভাবেই ঋণগ্রহীতাদের ঋণের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন কর্মীরা। স্টেট ব্যাঙ্কের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে সাধারণভাবে যাঁরা ঋণ গ্রহণ করে শোধ করতে চান না, তাঁরা কোনওভাবেই ফোন ধরেন না। তাই না বলে তাঁদের বাড়িতে হাজির হওয়াটাই ঠিক হবে বলে মনে করছে ব্যাঙ্ক। সম্প্রতি যে তথ্য উঠে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। স্টেট ব্যাঙ্ক (SBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রচার এখন অবশ্য পাইলট প্রজেক্ট হিসেবেই রয়ে গেছে। ১০ থেকে ১২ দিন আগেই এটি শুরু করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে বেশ ভালো সাড়াও মিলেছে। এই পাইলট প্রজেক্ট আশাব্যঞ্জক হলে ব্যাঙ্ক পরবর্তীকালে তা বড় আকারেও গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে।

    কী বলছেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর? 

    এবিষয়ে স্টেট ব্যাঙ্কের (SBI) ম্যানেজিং ডিরেক্টর অশ্বিনীকুমার তিওয়ারি জানিয়েছেন, ঋণ গ্রাহকদের ঋণের কথা মনে করাতেই এমন অভিনব পন্থা নেওয়া হয়েছে। দুটি অর্থনৈতিক প্রযুক্তি সংস্থা এ বিষয়ে দেখাশোনা করবে বলেও জানিয়েছেন অশ্বিনীকুমার তেওয়ারি। তাঁরাই গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে চকোলেট নিয়ে গিয়ে তাঁদের ঋণের কথা মনে করাচ্ছেন। যদিও এই সংস্থা দুটির নাম প্রকাশ্যে আনতে চাননি অশ্বিনীকুমার তিওয়ারি।

    ঋণগ্রহীতার পরিমাণ বেড়েছে স্টেট ব্যাঙ্কে

    অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে স্টেট ব্যাঙ্কে (SBI) গ্রাহকদের ঋণ নেওয়ার পরিমাণও বেশ খানিকটা বেড়েছে। ২০২৩ সালে জুন মাসে ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ১২ লাখ ৪ হাজার ২৭৯ কোটি টাকা ছিল। ২০২২ সালের জুনে এই ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ৩৪ হাজার ১১১ কোটি টাকা। অর্থাৎ হিসাব বলছে এক বছরের মধ্যে ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বেড়েছে ১৬.৪৬ শতাংশ। স্টেট ব্যাঙ্কের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে এর বেশিরভাগটাই হল খুচরো ঋণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SBI: এসবিআই গ্রাহকদের কাছে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার ভুয়ো মেসেজ! বাঁচার উপায় কী? 

    SBI: এসবিআই গ্রাহকদের কাছে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার ভুয়ো মেসেজ! বাঁচার উপায় কী? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএমএসে প্রতারণার শিকার হয়েছেন, এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। ভুয়ো ফোন কল বা মেসেজ থেকে সাইবার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক থাকতেও বলেন বারংবার। এবার টাকা হাতানোর নতুন চক্র ফেঁদেছে প্রতারকরা। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (SBI) নাম করে ফেক মেসেজ আসছে গ্রাহকদের ফোনে। সেখানে দেওয়া থাকছে লিঙ্ক। যা ক্লিক করলেই তৈরি প্রতারণার ফাঁদ। টাকা উড়ে যাচ্ছে গ্রাহকদের আকাউন্ট থেকে। ভুয়ো ফোন কল রুখতে ইতিমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাই। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া তার গ্রাহকদের সতর্ক করেছে এবং এই রকমের কোনও মেসেজ এলে কী কী করতে হবে, তারও নির্দেশিকা দিয়েছে।

    ভুয়ো মেসেজ মোবাইলে এলে কী করবেন?

    জানানো হয়েছে, এরকম কোনও বার্তা পেলেই আপনি মেইল করবেন report.phishing@sbi.co.in-এ। সরকারের তরফ থেকে ইতিমধ্যে একটি হেল্পলাইন দেওয়া হয়েছে ১৯৩০। এতেও যোগাযোগ করতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে,  ভুয়ো ফোন বা ই মেইল থেকে দূরে থাকতে। কিন্তু মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে এই প্রতারণার ব্যবসা এখনও রমরমিয়ে চলছে।

    ব্যাঙ্ক কী বলছে?

    এসবিআই এ বিষয়ে জানাচ্ছে, গ্রাহকদের কখনই তাদের ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন অ্যাকাউন্ট নাম্বার, পাসওয়ার্ড মেসেজের মাধ্যমে দেওয়া উচিত নয়। এ ধরনের বার্তা পেলে তাদের যাচাই করতেও বলছে ব্যাঙ্ক। ব্যাঙ্ক আরও বলছে যে ব্যক্তিগত তথ্য তারা কখনও গ্রাহকদের কাছ থেকে চায় না। শুধুমাত্র ভুয়ো মেসেজ নয়, অনেক সময় কেওয়াইসি আপডেটের নামেও প্রতারকরা ফোন করে। এক্ষেত্রে কেওয়াইসি আপডেট না হলে অ্যাকাউন্ট ব্লক করারও ভয় দেখানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Diwali 2022: দীপাবলীতে প্রবীণদের জন্য উপহার, ফিক্স ডিপোজিটে সুদের হার বাড়াল এসবিআই

    Diwali 2022: দীপাবলীতে প্রবীণদের জন্য উপহার, ফিক্স ডিপোজিটে সুদের হার বাড়াল এসবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উৎসব (Diwali 2022) শুরু হওয়ার ঠিক এক দিন আগে, ভারতের সবচেয়ে বড়ো সরকারী  ব্যাংক বৃহত্তম স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (State Bank Of India) ফিক্সড ডিপোজিটের উপর সুদের হার  ২৫ বেসিস পয়েন্ট থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৮০ বেসিস পয়েন্টে বৃদ্ধি করেছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই আমানতকারীদের মধ্যে খুশীর ঝড় উঠেছে। নতুন রেটগুলি ₹২ কোটির নিচে থাকা FD অ্যাকাউন্টের জন্য প্রযোজ্য। এসবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে ২২ অক্টোবর থেকে এই নিয়মটি কার্যকর করা হবে৷ তারা আরও জানান, এই স্কিমের ফলে মূলত প্রবীণ নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী হবেন৷

    এসবিআই ফিক্সড ডিপোজিটের নতুন রেট:

    ১ বছর বা তার কম সময় অন্তত ২১১ দিনের ফিক্স ডিপোজিটের ক্ষেত্রে ৮০ বেসিস পয়েন্ট দ্বারা সুদের হার বর্তমানের ৪.৭০ থেকে বেড়ে ৫.৫০ হবে।

    ব্যাঙ্ক বর্তমানে দেওয়া ১৮০ দিনের ফিক্স ডিপোজিটে ৪.৬৫% এর তুলনায় ২১০ দিন মেয়াদী এফডি-তে সুদের হার ৬০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫.২৫% করেছে।  একই রকম বৃদ্ধি করা হয়েছে ২ বছর থেকে ৩ বছরের কম মেয়াদের ফিক্স ডিপোজিটে সুদ ৫.৬৫% থেকে বেড়ে ৬.২৫% হয়েছে।

    বর্তমানে ৪৬ দিন থেকে ১৭৯ দিনের এফডিতে ৫০ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করে সুদের হার ৪% থেকে ৪.৫০% করা হয়েছে।
    দীর্ঘ মেয়াদে, স্টেট ব্যাংক ৩০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে সুদের হার ৬.১০% করেছে এবং ১০ বছরের মেয়াদ কালীন ফিক্স ডিপোজিটে সুদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে  ৫.৮৫%।

    সর্বাধিক, একজন প্রবীণ নাগরিক ৫ বছর বা ১০ বছর  মেয়াদি ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার ৬.৯০% হারে বর্তমানের ৬.৬৫% থেকে ২৫ বেসিস পয়েন্টের হিসেবে বেশি উপার্জন করতে পারবেন।  
    তবে ৭দিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে খোলা ফিক্সড ডিপোজিটে ৩.৫০% হিসেবে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকছে।

    এর আগেও এসবিআই সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য ‘ইউ কেয়ার ফিক্সড ডিপোজিট’ নামে একটি স্কিম এনেছিল। সাধারণ প্রকল্পে পাঁচ বছর পর্যন্ত ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার ৫.৪ শতাংশ। সেখানে প্রবীণ নাগরিক স্পেশ্যাল ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার ৬.২০ শতাংশ হয়েছে। এই স্কিমের বিশেষত্ব, ৬০ বা তার বেশি বয়সের যে কেউই বিনিয়োগ করতে পারেন। কমপক্ষে পাঁচ বছরের জন্য এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করা যায়। তবে তার আগেও টাকা তোলা যায়। তবে সে ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুদ পাওয়া যাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Electoral Bonds: নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ‘ডিয়ার লটারি’ থেকে ৫৪২ কোটি টাকা পেয়েছে তৃণমূল!

    Electoral Bonds: নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ‘ডিয়ার লটারি’ থেকে ৫৪২ কোটি টাকা পেয়েছে তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী বন্ডের (Electoral Bonds) মাধ্যমে একটি সংস্থার থেকে সবচেয়ে বেশি চাঁদা পেয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা যাচ্ছে, কোয়েম্বাটোরের ‘ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের এই সংস্থা ঘাসফুল শিবিরকে দিয়েছে ৫৪২ কোটি টাকা চাঁদা। এর পাশাপাশি ওই সংস্থা তামিলনাড়ুর শাসকদল ডিএমকে শিবিরকে দিয়েছে ৫০৩ কোটি টাকা চাঁদা। দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এই চাঁদা দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত ‘ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেড’- এই সংস্থার মালিক স্যান্টিয়াগো মার্টিন। তিনি দেশের লটারি ব্যবসার ‘মুকুটহীন সম্রাট’ নামেও পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গ সমেত বেশ কয়েকটি রাজ্যে লটারির ব্যবসায় যুক্ত রয়েছেন তিনি। ‘ডিয়ার লটারি’র মালিক হলেন এই মার্টিন।

    লটারি কিং-এর ৪০ শতাংশ দান পেয়েছে তৃণমূল

    হিসাব বলছে, নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে মোট যা চাঁদা দিয়েছেন লটারি কিং মার্টিন, তার ৪০ শতাংশই পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, ৩০৩টি সাংসদ নিয়ে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনী বন্ডে (Electoral Bonds) প্রথম স্থানে রয়েছে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মাত্র ২২ আসন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সারাদেশে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। স্টেট ব্যাঙ্কের প্রকাশিত তথ্য বলছে, ডিয়ার লটারির মালিকের কাছ থেকে সব থেকে কম চাঁদা পেয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। তারা পেয়েছে ১০০ কোটি।

    আর কার কাছে চাঁদা পেয়েছে তৃণমূল

    স্টেট ব্যাঙ্কের প্রকাশিত তথ্য বলছে, মার্টিনের সংস্থার পরেই তৃণমূলকে সবথেকে বেশি চাঁদা দিয়েছে হলদিয়া এনার্জি-নামের সংস্থা। এই সংস্থা তৃণমূলকে ২৮১ কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক থেকে যে তথ্য মিলেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, বেদান্ত গ্রুপ নামের একটি সংস্থার কাছ থেকেও তৃণমূল অনুদান (Electoral Bonds) পেয়েছে। এর পাশাপাশি বায়োকন গ্রুপের প্রধান কিরণ মজুমদার শ’-এর থেকেও অনুদান পেয়েছে ঘাসফুল শিবির। এছাড়া তৃণমূলকে অনুদান দিয়েছে ন্যাটকো ফার্মা, রুংটা প্রাইভেট লিমিটেডের মতো সংস্থাগুলিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড কমিশনের

    Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, নির্বাচনী বন্ডের (Electoral Bond) নম্বর প্রকাশ্যে আনতে হবে। সেই মতো রবিবার নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড করল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়েছিল প্রথম দফার কিছু তথ্য।

    দ্বিতীয় দফায় কোন তথ্য প্রকাশ (Electoral Bond) 

    দ্বিতীয় দফায় যে তথ্য আপলোড করা হয়েছে, তা থেকে জানা যাচ্ছে কত টাকার নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে, তা থেকে কতগুলি বন্ড ভাঙিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি ইত্যাদি। বন্ড কেনার তারিখ, বন্ডের সংখ্যা, এসবিআইয়ের কোন শাখা থেকে বন্ড কেনা হয়েছিল, সেই বন্ড কোন রাজনৈতিক দল ভাঙিয়েছে, সব তথ্যই আপলোড করা হয়েছে কমিশনের তরফে দেওয়া দ্বিতীয় দফার তথ্যে। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ১২ মার্চ মুখবন্ধ খামে নির্বাচন কমিশনের হাতে এসব (Electoral Bond) তথ্য তুলে দিয়েছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

    মমতার দলের আয় কত?

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, নির্বাচনী বন্ড থেকে সব চেয়ে বেশি আয় হয়েছে সর্বভারতীয় দল বিজেপির। আঞ্চলিক দল হওয়া সত্ত্বেও বন্ড বাবদ রোজগারের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনী বন্ড থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল আয় করেছে ১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর একটি সর্বভারতীয় দল কংগ্রেস। নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে লাভবান হয়েছে আরও কয়েকটি আঞ্চলিক দল।

    আরও পড়ুুন: বাকি আসনের প্রার্থী ঘোষণা শীঘ্রই? রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতাকে দিল্লি তলব বিজেপির

    তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এসবিআইকে বিভিন্ন বন্ডের ইউনিক নম্বর জানাতে বলেছে। যাতে করে দল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে পারে। মায়াবতীর বহুজন সমাজবাদী পার্টি জানিয়েছে, নির্বাচনী বন্ড থেকে তারা কোনও অনুদান পায়নি। সিপিএম এবং সিপিআইও জানিয়েছে, নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে কোনও অনুদান পায়নি তারা। তামিলনাড়ুর শাসক দল ডিএমকে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে পেয়েছে ৬৫৬.৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে লটারি কিং সান্তিয়াগো মার্টিনের সংস্থা ফিউচার গেমিংয়ের দেওয়া ৫০৯ কোটি টাকাও। কংগ্রেস জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে এসবিআই যে তথ্য দিয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনবে তারা। কংগ্রেসের গোয়া ইউনিট জানিয়েছে, ভাস্কো দা গামা ভিত্তিক কোম্পানি ভিএম সালগাওকরের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা অনুদান (Electoral Bond) পেয়েছে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bonds Case: পাঁচ বছর কত নির্বাচনী বন্ড, হলফনামা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাল এসবিআই

    Electoral Bonds Case: পাঁচ বছর কত নির্বাচনী বন্ড, হলফনামা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাল এসবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bonds Case) প্রকল্প বাতিল করেছিল উনিশের এপ্রিল মাসে। সেই থেকে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে ২২ হাজার ২১৭টি। বুধবার দেশের শীর্ষ আদালতে একথা জানাল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

    এসবিআইয়ের হলফনামা

    এদিন হলফনামা দিয়ে এসবিআই জানিয়েছে, গত পাঁচ বছরে নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে ২২ হাজার ২১৭টি। এর মধ্যে ২২ হাজার ৩০টি বন্ড ক্যাশ করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বাকি ১৮৭টি বন্ড জমা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিলে। উল্লেখ্য, নির্বাচনী বন্ড পাওয়ার পক্ষকালের মধ্যে সেটি ভাঙানো না হলে বন্ডের (Electoral Bonds Case) অর্থ জমা হয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে।

    পেনড্রাইভ

    আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, একটি পেনড্রাইভে করে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ্যাবলী জমা দেওয়া হয়েছে। দুটি পিডিএফ ফাইলে করে এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে শীর্ষ আদালতে জানিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক। স্টেট ব্যাঙ্ক এও জানিয়েছে, সঠিক পাসওয়ার্ড ছাড়া ফাইলগুলি খোলা যবে না।

    হলফনামায় এসবিআই জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনে ১২ মার্চ ব্যবসায়িক সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই বন্ড সম্পর্কিত বিশদ তথ্য তারা দিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। প্রতিটি বন্ড কেনার তারিখ, ক্রেতার নাম এবং বন্ডের মূল্য-সহ বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

    গত ১৫ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকারের নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। এই বন্ডের মাধ্যমেই এতদিন রাজনৈতিক দলগুলিকে চাঁদা দিতেন বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থার মালিক ও বড় বড় শিল্পপতিরা। সে সংক্রান্ত তথ্য গোপন রাখা হত। এটি দেশের সংবিধানের পরিপন্থী বলে জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে এসবিআইয়ের দেওয়া তথ্য প্রকাশিত হওয়ার কথা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে (Electoral Bonds Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে  জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    Ram Mandir: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৫০০ বছরের এক ঐতিহাসিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে অযোধ্যায় নির্মিত হয়েছে রাম মন্দির (Ram Mandir)। গত ২২ জানুয়ারি মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু বালক রামের  প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর কেটে গিয়েছে একটা মাস। দেশের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ রামভক্ত বালক রামকে দর্শন করতে মন্দিরে যাচ্ছেন। পুণ্যার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়েছে মন্দির চত্বর। আগত ভক্তরা মন্দিরে রামলালার শ্রীচরণে দান করছেন প্রচুর উপহার। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর এক মাসের মধ্যেই এখনও পর্যন্ত মোট ১০ কেজি সোনা এবং ২৫ কেজি রুপো দানবাক্সে জমা পড়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকা হাতে গুণে শেষ করা যাচ্ছে না তাই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শরণাপন্ন হয়েছে মন্দির ট্রাস্ট।

    কী জানিয়েছে ট্রাস্ট

    মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রকাশ গুপ্তা বলেছেন, “মন্দির (Ram Mandir) চত্বরে চারটি স্বয়ংক্রিয় টাকা গোনার যন্ত্র বাসিয়েছে এসবিআই। ১০ কেজি সোনা ও ২৫ কেজি রুপোর অলঙ্কার, চেক, ড্রাফ্ট এবং নগদ দান হিসাবে পাওয়া গিয়েছে। ট্রাস্টের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অনলাইনে টাকা পাঠিয়েছেন অনেক ভক্ত। সবটা এখনও গোনা হয়নি। ভক্তদের ভক্তির কথা বিবেচনা করে, মন্দিরে সোনা-রুপোর তৈরি এই জিনিসগুলি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ব্যাঙ্কে জমা করা হয়েছে। পরবর্তীকালে, এগুলি বিক্রি করে নগদে পরিণত করা হবে। এসবিআই এবং ট্রাস্টের মধ্যে একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

    ৬২ লাখ দর্শনার্থী মন্দির দর্শন করেছে

    জানা গিয়েছে, রামমন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের পর থেকেই মন্দিরে বিরাট ভিড় উপচে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬২ লক্ষ মানুষ বালক রামকে দর্শন করেছেন। আগত দর্শনার্থীরা মন্দিরের জন্য মুক্ত হস্তে দান করছেন। ইতিমধ্যে কোটি কোটি টাকা দনাবাক্সে জমা পড়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে প্রচুর সোনা এবং রুপো। মন্দিরে মোট ছয়টি দানপাত্র রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে চারটি আরও দানপাত্র। এখনও পর্যন্ত মোট জমা পড়েছে ৫০ কোটি টাকা। প্রত্যেক দিন গড়ে দেড় কোটি টাকা জমা পড়ছে। এরমধ্যে রয়েছে নগদ এবং চেক। প্রতিদিন ব্যাঙ্কের দশজন এবং মন্দিরের চার জন কর্মী টাকা পয়সা গোনার কাজ করছেন।

    বৃন্দাবন-পুরী-তিরুপতি-কামাখ্যার তুলনায় অনেক ভিড়

    রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ জানিয়েছে, দেশের আর কোনও মন্দিরে এক মাসে এত বিপুল সংখ্যায় ভক্ত সমাগম হয়নি। রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে দেশের সকল মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা শুরু হয়েছে। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভক্তদের অবিরাম প্রবাহ চলছে। বারাণসী, মথুরা, বৃন্দাবন, পুরী, তিরুপতি, কামাখ্যার তুলনায় অযোধ্যার ভিড় অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। আবার মন্দিরের পুরোহিত জানিয়েছেন, মন্দির ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মাঝে দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিশ্রামের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাম জন্মভূমি দর্শনের জন্য আস্থা ট্রেন চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে  জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    Ram Temple: এক মাসেই রাম মন্দিরের দানবাক্সে জমা পড়েছে ১০ কেজি সোনা, ২৫ কেজি রুপো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৫০০ বছরের এক ঐতিহাসিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে অযোধ্যায় নির্মিত হয়েছে রাম মন্দির(Ram Temple)। গত ২২ জানুয়ারি মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু বালক রামের  প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর কেটে গিয়েছে একটা মাস। দেশের নানা প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ রামভক্ত বালক রামকে দর্শন করতে মন্দিরে যাচ্ছেন। পুণ্যার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়েছে মন্দির চত্বর। আগত ভক্তরা মন্দিরে রামলালার শ্রীচরণে দান করছেন প্রচুর উপহার। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর এক মাসের মধ্যেই এখনও পর্যন্ত মোট ১০ কেজি সোনা এবং ২৫ কেজি রুপো দানবাক্সে জমা পড়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকা হাতে গুণে শেষ করা যাচ্ছে না তাই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শরণাপন্ন হয়েছে মন্দির ট্রাস্ট।

    কী জানিয়েছে ট্রাস্ট (Ram Temple)

    মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রকাশ গুপ্তা বলেছেন, “মন্দির (Ram Temple) চত্বরে চারটি স্বয়ংক্রিয় টাকা গোনার যন্ত্র বাসিয়েছে এসবিআই। ১০ কেজি সোনা ও ২৫ কেজি রুপোর অলঙ্কার, চেক, ড্রাফ্ট এবং নগদ দান হিসাবে পাওয়া গিয়েছে। ট্রাস্টের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অনলাইনে টাকা পাঠিয়েছেন অনেক ভক্ত। সবটা এখনও গোনা হয়নি। ভক্তদের ভক্তির কথা বিবেচনা করে, মন্দিরে সোনা-রুপোর তৈরি এই জিনিসগুলি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ব্যাঙ্কে জমা করা হয়েছে। পরবর্তীকালে, এগুলি বিক্রি করে নগদে পরিণত করা হবে। এসবিআই এবং ট্রাস্টের মধ্যে একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

    ৬২ লাখ দর্শনার্থী মন্দির দর্শন করেছে

    জানা গিয়েছে, রামমন্দির (Ram Temple) উদ্বোধনের পর থেকেই মন্দিরে বিরাট ভিড় উপচে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬২ লক্ষ মানুষ বালক রামকে দর্শন করেছেন। আগত দর্শনার্থীরা মন্দিরের জন্য মুক্ত হস্তে দান করছেন। ইতিমধ্যে কোটি কোটি টাকা দনাবাক্সে জমা পড়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে প্রচুর সোনা এবং রুপো। মন্দিরে মোট ছয়টি দানপাত্র রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে চারটি আরও দানপাত্র। এখনও পর্যন্ত মোট জমা পড়েছে ৫০ কোটি টাকা। প্রত্যেক দিন গড়ে দেড় কোটি টাকা জমা পড়ছে। এরমধ্যে রয়েছে নগদ এবং চেক। প্রতিদিন ব্যাঙ্কের দশজন এবং মন্দিরের চার জন কর্মী টাকা পয়সা গোনার কাজ করছেন।

    বৃন্দাবন-পুরী-তিরুপতি-কামাখ্যার তুলনায় অনেক ভিড়

    রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ জানিয়েছে, দেশের আর কোনও মন্দিরে এক মাসে এত বিপুল সংখ্যায় ভক্ত সমাগম হয়নি। রাম মন্দির নিয়ে দেশের সকল মানুষের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা শুরু হয়েছে। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভক্তদের অবিরাম প্রবাহ চলছে। বারাণসী, মথুরা, বৃন্দাবন, পুরী, তিরুপতি, কামাখ্যার তুলনায় অযোধ্যার ভিড় অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। আবার মন্দিরের পুরোহিত জানিয়েছেন, মন্দির ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মাঝে দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিশ্রামের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাম জন্মভূমি দর্শনের জন্য আস্থা ট্রেন চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Per Capita Income: স্বাধীনতার শতবর্ষে ভারতের মাথাপিছু গড় আয় দাঁড়াবে ১৪.৯ লাখ টাকা, বলছে রিপোর্ট

    Per Capita Income: স্বাধীনতার শতবর্ষে ভারতের মাথাপিছু গড় আয় দাঁড়াবে ১৪.৯ লাখ টাকা, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির জমানায় যে শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে দেশের অর্থনীতির, তা আগেই জানিয়ে দিয়েছে দেশ এবং বিদেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্থা। এবার প্রায় একই কথা জানাল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া বা এসবিআই-ও। তারাও জানাল, দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। সমীক্ষা করার পর এসবিআই জানিয়ে দিয়েছে, ২০৪৭ সালে দেশ যখন স্বাধীনতার শতবর্ষ পালন করবে, ভারতের পার ক্যাপিটা ইনকাম (Per Capita Income) বৃদ্ধি পাবে সাত গুণ।

    এসবিআইয়ের রিপোর্ট

    ৭৭তম স্বাধীনতা দিবসের পরের দিনই একটি রিপোর্ট পেশ করে এসবিআই। তাতেই তারা রীতি মতো হিসেব কষে দেখিয়ে দিয়েছে ভারতবাসীর পার ক্যাপিটা ইনকাম ২ লক্ষ টাকা থেকে বেড়ে হবে ১৪.৯ লক্ষ টাকা। এসবিআইয়ের ওই রিসার্চ রিপোর্টে নমিনাল ইনকামের কথা বলা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে ২০৪৭ পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতির হিসেব অবশ্য দেখানো হয়নি। আজ ১৪.৯ লক্ষ টাকার যে মূল্য, ২৪ বছর পরে অবশ্য একই থাকবে না। মুদ্রাস্ফীতির কারণে পার ক্যাপিটা ইনকামের (Per Capita Income) একটি হিসেব তুলে ধরে দেখানো হয়েছে ওই রিপোর্টে। অনুমান করা হয়েছে, বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার ৫ শতাংশ।

    মুদ্রাস্ফীতির হার

    গত ১০ বছরে অন্তত এভাবেই বেড়েছে মুদ্রাস্ফীতির হার। সেই হিসেবে ২০৪৭ সালে ১৪.৯ লক্ষ টাকার প্রকৃত মূল্য আজকের টাকার অঙ্কে দাঁড়াবে ৪ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। এই মুহূর্তে ভারতের পার ক্যাপিটা ইনকামের পরিমাণ খুবই কম। পার ক্যাপিটা ইনকামে ভারত রয়েছে বাংলাদেশেরও নীচে। স্বাধীনতার শতবর্ষের মধ্যে দেশে ওয়ার্কফোর্সের পাশাপাশি বাড়বে ট্যাক্সদাতাদের সংখ্যাও। করদাতাদের দিতে হবে এখনের চেয়ে সাতগুণ বেশি ট্যাক্স। ২০৪৭ সালে সব মিলিয়ে করের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪৮.২ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুুন: ১০০ কেজিরও বেশি মাদক বাজেয়াপ্ত, এমবিএ পাশ যুবক সহ গ্রেফতার ৭ পাচারকারী

    রিপোর্টে বলা হয়েছে স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তির সময় ট্যাক্সদাতাদের সংখ্যা একলপ্তে বেড়ে যাবে অনেকখানি। যাঁদের আয় কম এমনতর ২৫ শতাংশ মানুষের নাম বাদ যাবে ট্যাক্সদাতাদের তালিকা থেকে। যাঁরা আয়কর দেবেন, তাঁদের মধ্যে ১৭.৫ শতাংশ করদাতার আয় হবে পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকার মধ্যে। পাঁচ শতাংশ মানুষের আয় হবে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকার মধ্যে (Per Capita Income)। আর ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকার মধ্যে আয় করবেন করদাতাদের মধ্যে তিন শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share