Tag: SC

SC

  • Supreme Court: ‘‘মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে মন্দির-মসজিদ ভাঙা যাবে’, বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ‘‘মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে মন্দির-মসজিদ ভাঙা যাবে’, বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জনসাধারণের নিরাপত্তাই শেষ কথা। সেক্ষেত্রে মন্দির, মসজিদ কিংবা দরগা-সহ কোনও ধর্মীয় স্থান যদি রাস্তা, রেললাইন বা কোনও জলাশয় দখল করে গড়ে ওঠে (Religious Structure), তাহলে তা ভাঙা যাবে।’ মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    কী বলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)

    শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, “ভারত একটি ধর্ম নিরপেক্ষে দেশ। সেক্ষেত্রে জবরদখল বিরোধী যদি কোনও অভিযান হয়, তাহলে তা ধর্ম বা নাগরিক দেখে হবে না। সবার ক্ষেত্রেই একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।” আদালতের মন্তব্য, “যদি রাস্তার মাঝে কোনও ধর্মীয় কাঠামো থাকে, সে গুরুদ্বার কিংবা দরগা অথবা মন্দির হোক, এটি পাবলিকের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।” বিচারপতি গাভাই বলেন, “অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রে একটাই নিয়ম হবে। সেই নিয়ম কোনও ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করবে না।”

    ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ

    দেশের একাধিক রাজ্যে বিভিন্ন (Supreme Court) অভিযোগে অভিযুক্তদের সম্পত্তি ধ্বংস নিয়ে হওয়া একটি মামলার শুনানি হচ্ছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, পাবলিকের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না কোনও ধর্মীয় কাঠামো। এই বেঞ্চই ১৭ সেপ্টেম্বর জানিয়ে দিয়েছিল, কোনও অভিযুক্তর সম্পত্তি ১ অক্টোবর পর্যন্ত ভাঙা যাবে না। আলাদত বলেছিল, কেউ কোনও মামলায় অভিযুক্ত হলেই তার সম্পত্তি ভেঙে দেওয়া যায় না।

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ, উদ্বিগ্ন ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    বিচারপতি গাভাই বলেন, “পুরসভা এবং পঞ্চায়েত আইন অবশ্যই মেনে চলতে হবে।” স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটা অনলাইন পোর্টাল বাস্তবায়নের পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। বিচারপতি বলেন, “একটি অনলাইন পোর্টালও হওয়া উচিত, যাতে লোকজন সচেতন হয়।” তিনি বলেন, “একাবার আপনি এটিকে ডিজিটাইজড করলে (Religious Structure), একটা রেকর্ড থেকে যাবে (Supreme Court)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: সিসিটিভি বসানোর কাজ কতদূর এগিয়েছে, জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: সিসিটিভি বসানোর কাজ কতদূর এগিয়েছে, জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিসিটিভি বসানোর কাজে কতদূর এগিয়েছে রাজ্য। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে এই তথ্যই জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এদিন আরজি করকাণ্ড (RG Kar case) মামলার শুনানি হচ্ছিল শীর্ষ আদালতে। সেখানেই সিসিটিভি ইনস্টলেশনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

    রাজ্যের জবাব (Supreme Court)

    শীর্ষ আদালতের প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। বাকি কাজও শেষ হয়ে যাবে ১০ অক্টোবরের মধ্যে। রাজ্যের আইনজীবী বলেন, যা প্রস্তাব ছিল, তার ২৬ পারসেন্ট সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে বাকিটা লাগানো হবে। রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির জন্যই যে কাজে কিছুটা দেরি হচ্ছে, এদিন তাও জানান রাজ্যের আইনজীবী। গত ১৭ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নির্দেশ ছিল, রাজ্য সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী টেন্ডার বেরনোর ১৪দিনের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।

    কাজ শেষের আশ্বাস

    এদিন রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ২৮টি হাসপাতালে সিসিটিভি বসানো ও শৌচাগার নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ হয়ে যাবে। প্রধান বিচারপতির (Supreme Court) নির্দেশ, রাজ্যকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে কাজ সম্পূর্ণ হয়। এর প্রেক্ষিতে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, “পরিকাঠামোগত কিছু সমস্যার জন্য কাজ শেষ করতে সময় লাগছে।” তিনি আরও বলেন, “৩১ অক্টোবরের মধ্যে সব কাজ শেষ হয়ে যাবে। আমরা চেষ্টা করছি ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সব কাজ শেষ করে ফেলব।” রাজ্যের তরফে আইনজীবী জানান, আরজি কর হাসপাতালের ডিউটি রুমের টেন্ডার হওয়ার পরেও কাজ আটকে রয়েছে। সিবিআই ছাড়পত্র দিলেই কাজ শুরু করা যাবে। সিবিআইয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ঘটনার পরে পাঁচ দিন কাজ হয়েছে। তাই এখন আর তাদের কোনও আপত্তি নেই।

    আরও পড়ুন: মামলার পথে ইডি! কেজরি, সোরেনের পর এবার কি সিদ্দারামাইয়ার জেলে যাওয়ার পালা?

    এদিকে, সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৫০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে দিন দুই আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম। প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে ওই হাসপাতালের কয়েকজন জুনিয়র চিকিৎসককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তার পরেই (RG Kar case) সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত হয় (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hospital Incident: সুপ্রিম কোর্টে পিছল আরজি করকাণ্ড মামলা, পরবর্তী শুনানি কবে?

    RG Kar Hospital Incident: সুপ্রিম কোর্টে পিছল আরজি করকাণ্ড মামলা, পরবর্তী শুনানি কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিছিয়ে গেল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar Hospital Incident) ধর্ষণ ও খুনের মামলার শুনানি। শুক্রবার শুনানি হওয়ার কথা ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court), প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। সেই মামলাই গেল পিছিয়ে। এই মামলার শুনানি হবে ১ অক্টোবর। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছেন, “আমরা ১ অক্টোবর মামলাটি শুনানির জন্য নথিবদ্ধ করব।”

    আরজি কর মামলার শুনানি (RG Kar Hospital Incident)

    এর আগে আরজি কর মামলার শুনানি হয়েছিল ১৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বকর্মা পুজোর দিন। প্রধান বিচারপতি ছাড়াও বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা। এই তিন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে সেদিন স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দেওয়া সেই স্টেটাস রিপোর্ট পড়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতিরা। সেদিনের শুনানিতে মোট ছ’দফা নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। এর মধ্যে রয়েছে, উইকিপিডিয়া থেকে মুছে ফেলতে হবে নির্যাতিতার নাম ও ছবি। নির্যাতিতার বাবা যে চিঠি ১২ সেপ্টেম্বর দিয়েছিলেন, সেই চিঠির অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

    কী বলেছিল আদালত?

    আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে জেলাশাসক, মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ও সিনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে হাসপাতালে শৌচাগার ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। মহিলা চিকিৎসকরা সেমিনার হলে বিশ্রাম নিতে গেলে তাঁদের বায়োমেট্রিক নেওয়া দরকার। আরজি করকাণ্ডের পর হাসপাতালের পুরো সিসিটিভির ফুটেজ পুলিশকে তুলে দিতে হবে সিবিআইয়ের (RG Kar Hospital Incident) হাতে। তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে পুলিশকে। এবং সর্বোপরি, জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠক করে কাজে যোগ দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: “আমরা এক সঙ্গে পারি…”, মোদিকে আশ্বাস শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্টের

    ওই দিনের শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওঠে। রাতে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিয়ে রাজ্য সরকারের বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি, জুনিয়র ডাক্তারদের চলতে থাকা কর্মবিরতি, পুলিশের ভূমিকা ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে সওয়াল জবাব চলে।

    প্রসঙ্গত, আরজি করে বছর একত্রিশের এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করা খুন করা হয় বলে অভিযোগ। তার জেরে তোলপাড় হয় রাজ্য। ওই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে (Supreme Court) সুপ্রিম কোর্ট। সেই মামলারই পরবর্তী শুনানি হবে ১ অক্টোবর (RG Kar Hospital Incident)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hearing: সিবিআইয়ের দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট দেখে ‘বিচলিত’ সুপ্রিম কোর্ট! কী আছে তাতে?

    RG Kar Hearing: সিবিআইয়ের দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট দেখে ‘বিচলিত’ সুপ্রিম কোর্ট! কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ মতো মঙ্গলবার আরজি করকাণ্ডে দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট (RG Kar Hearing) জমা দিল সিবিআই। রিপোর্ট খতিয়ে দেখেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় স্বয়ং। তিনি জানান, তদন্ত নিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর রয়েছে এই রিপোর্টে। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, রিপোর্ট পড়ে তাঁরা ‘বিচলিত’। একইসঙ্গে, তদন্তের ক্ষেত্রে সিবিআইকে সময় দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

    ‘সিবিআই ঘুমোচ্ছে না’ (RG Kar Hearing)

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “তদন্ত শেষ করার এখনও সময় আছে। সিবিআই ঘুমোচ্ছে না। আমরা সিবিআইকে তদন্ত করার জন্য যথেষ্ট সময় দিতে চাই। তদন্তে তাড়াহুড়ো করলে যাবতীয় প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে যাবে। যদি সাধারণ মানুষের দাবি মেনে সাত দিনে তদন্ত শেষ করা হয়, তাহলে প্রকৃত সত্য উঠে আসবে না।” প্রসঙ্গত, সিবিআই তদন্তের ক্ষেত্রে বারবার সময় বেঁধে দেওয়ার কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযুক্তের মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে তদন্তের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট যে তাড়াহুড়ো করার পক্ষপাতী নয়, এদিন তা সাফ জানিয়ে দিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

    প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

    প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় ছাড়াও বেঞ্চে রয়েছেন (RG Kar Hearing) বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা। সিবিআইয়ের জমা দেওয়া স্ট্যাটাস রিপোর্ট খুঁটিয়ে দেখে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “তদন্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়েছে।” এদিন প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, সিবিআইয়ের দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্টে ময়নাতদন্তের চালান দেওয়া হয়েছিল কিনা, ময়নাতদন্তের পদ্ধতি মানা হয়েছে কিনা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট-সহ পুরো বিষয়টির বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। তিনি বলেন, “সিবিআই রিপোর্টে যা দিয়েছে, তা খুবই উদ্বেগের।” রিপোর্ট পড়ে তাঁরা ‘বিচলিত’ হয়ে পড়েন বলেও মন্তব্য করেন চন্দ্রচূড়। তিনি বলেন, “তদন্ত চলছে। এই অবস্থায় রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে তদন্তপ্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

    আরও পড়ুন: আসবে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি! বাড়ির এই দিকে রাখুন পঞ্চমুখী হনুমানজির ছবি

    তদন্তের অগ্রগতি দেখে খুশি শীর্ষ আদালত। তবে এই দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্টে কী রয়েছে, তা জানা যায়নি।সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার দিন ঘটনাস্থলে কারা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের নাম জমা দিতে হবে জুনিয়র ডাক্তারদের। নির্যাতিতার বাবা যেসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, খতিয়ে দেখতে হবে তা-ও। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, তদন্তের স্বার্থে ওই বিষয়গুলি নিয়ে সিবিআইকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ (Supreme Court) করতে হবে। তদন্তে সাহায্য করবে কলকাতা পুলিশও (RG Kar Hearing)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Hearing: “আরজি কর মামলার শুনানির সরাসরি সম্প্রচার চলবে’’, রাজ্যের আপত্তি উড়িয়ে সুপ্রিম-ঘোষণা

    RG Kar Hearing: “আরজি কর মামলার শুনানির সরাসরি সম্প্রচার চলবে’’, রাজ্যের আপত্তি উড়িয়ে সুপ্রিম-ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরজি করকাণ্ড (RG Kar Hearing) মামলার শুনানির সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করা যাবে না।” মঙ্গলবার সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি সরাসরি সম্প্রচার বন্ধের আর্জি জানিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে চলছে এই মামলার শুনানি। সেখানে রাজ্যের তরফে আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, “শুনানির সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ রাখা হোক।” এর পরেই প্রধান বিচারপতি সাফ জানিয়ে দিলেন, “মামলার শুনানির সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করা যাবে না।”

    রাজ্যের আর্জি (RG Kar Hearing)

    এদিন শুনানি শুরু হতেই সিব্বল বলেন, “মামলা শুরুর আগে আমরা পাঁচ-দশ মিনিট বলতে চাই।” এই সময়ই সরাসরি সম্প্রচার বন্ধের আর্জি জানান প্রবীণ আইনজীবী। তাঁর বক্তব্য, “বাইরে বিষয়টি অন্যভাবে বলা হচ্ছে। এই মামলার সঙ্গে যুক্ত মহিলা আইনজীবীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমাদের সম্মান রয়েছে। বলা হচ্ছে, আমরা নাকি এজলাসে হাসাহাসি করছি।” এই কারণ দেখিয়েই রাজ্যের তরফে শুনানির (RG Kar Hearing) সরাসরি সম্প্রচার বন্ধের আবেদন করা হয়।

    আদালতের সাফ কথা

    যদিও প্রধান বিচারপতি সাফ জানিয়ে দেন, “সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করতে বলতে পারব না। এটা জনস্বার্থ মামলা।” এর পরেই শুরু হয়ে যায় শুনানি। আগের দিনের মতোই সরাসরি সম্প্রচারও চলছে এই মামলার শুনানির। এদিকে, এদিনই আদালতে সিবিআইয়ের তরফে জমা দেওয়া হয় দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট। মৃতার বাবা-মা একটি মুখবন্ধ খামে চিঠি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।

    আরও পড়ুন: আসবে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি! বাড়ির এই দিকে রাখুন পঞ্চমুখী হনুমানজির ছবি

    প্রসঙ্গত, প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে চলছে আরজি করকাণ্ড মামলার শুনানি। প্রধান বিচারপতি ছাড়াও বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালা। গত শুনানিতে সিবিআইয়ের দেওয়া তদন্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখেছিল শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ (Supreme Court)। সেদিনই প্রধান বিচারপতি সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ১৭ তারিখ (এদিন) শুনানিতে (RG Kar Hearing) দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশ করতে। সেই মতো, এদিন মুখবন্ধ খামে সেই রিপোর্ট পেশ করে সিবিআই (CBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Anti Rape Laws: স্কুলের পাঠ্যসূচিতে ধর্ষণ-বিরোধী আইন রাখা যায় কি? কেন্দ্রকে জানাতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Anti Rape Laws: স্কুলের পাঠ্যসূচিতে ধর্ষণ-বিরোধী আইন রাখা যায় কি? কেন্দ্রকে জানাতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের পাঠ্যসূচিতে ধর্ষণ-বিরোধী আইন (Anti Rape Laws) এবং মহিলাদের অধিকার সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা যায় কিনা, কেন্দ্রের কাছে তা জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এ ব্যাপারে দেশের শীর্ষ আদালতের তরফে কেন্দ্রকে নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

    জনস্বার্থ মামলা দায়ের (Anti Rape Laws)

    সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এই আইনগুলিকে পাঠ্য বইয়ের অন্তর্ভুক্ত করতে যেন নির্দেশ দেওয়া হয় স্কুলগুলিকে। সেক্স এডুকেশন, ধর্ষণ-বিরোধী আইন এবং পকসো আইন সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই পিটিশনে। পিটিশনে এও বলা হয়েছে, পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে মহিলাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে হবে, মেয়ে হিসেবে কীভাবে সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে হয়, তা বোঝাতে হবে। পাশাপাশি স্কুলস্তর থেকেই ছেলেদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই পিটিশনে। আবেদনকারীর দাবি, কেবল পাঠ্যক্রম নয়, সেমিনার করে, বিজ্ঞাপন দিয়ে আইন সম্পর্কে মহিলা ও পুরুষদের সচেতন করতে হবে।

    কী বলছেন আবেদনকারী

    আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ধর্ষণ করে (Anti Rape Laws) খুন করা হয় এক মহিলা চিকিৎসককে। ওই ঘটনায় তোলপাড় হয় দেশ। এই পরিস্থিতিতে ধর্ষণ নিয়ে সচেতনতার প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন আইনজীবী আবাদ হর্ষদ পন্ডা। তিনি জানান, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে জুনিয়র ডাক্তারের মৃত্যুর ঘটনার পর পরই তিনি আবেদন করেছেন। পিটিশনে তিনি উল্লেখ করেছেন, রাজ্য যখন ধর্ষণের আইন প্রণয়ন করছে, তখন সমাজে এই বিষয়ে সচেতনতাই তৈরি হয়নি।

    আরও পড়ুন: “রাহুল গান্ধী দেশের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী,” তোপ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    এই মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি মনোজ মিশ্র ও বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালার বেঞ্চে। হর্ষদ পন্ডা বলেন, “সারা দেশে যা চলছে, তাতে দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ অর্থাৎ মহিলারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে সকলের ধর্ষণ বিরোধী আইন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন।” তাঁর মতে, দেশের (Supreme Court) বহু মানুষ এখনও এই সম্পর্কে সচেতন নন (Anti Rape Laws)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar case: “২৭ বছরের কেরিয়ারে এমন দেখিনি”, ময়নাতদন্ত নিয়ে বিস্ফোরক আইনজীবী

    RG Kar case: “২৭ বছরের কেরিয়ারে এমন দেখিনি”, ময়নাতদন্ত নিয়ে বিস্ফোরক আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড (RG Kar case) মামলার শুনানি ছিল সোমবার সুপ্রিম কোর্টে। নিহত চিকিৎসকের দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়ে উঠেছে গুচ্ছের প্রশ্ন (Supreme Court)। মৃতদেহ কী অবস্থায় পাওয়া গেল? মৃত্যুর কতক্ষণ পরে থানায় জানানো হল? কতক্ষণ পরেই বা দায়ের হল এফআইআর? এমন বিভিন্ন প্রশ্ন। এমনিতেই ময়নাতদন্তের চালান না পাওয়া যাওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পার্দিওয়ালা। তিনি বলেন, “চালান যদি মিসিং হয়, তাহলে আমাদের বুঝতে হবে কিছু সমস্যা আছে।”

    বিস্ফোরক প্রশ্ন (RG kar case)

    আর ময়নাতদন্তের পদ্ধতি নিয়ে বিস্ফোরক প্রশ্ন তুললেন আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। তিনি বলেন, “মৃতদেহ যখন উদ্ধার হল, তখন তার পা ঘোরানো ছিল ৯০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে। পশ্চাৎদেশ ভাঙা না হলে, পা এভাবে ঘোরানো সম্ভব নয়।” ফরেনসিক রিপোর্টের সঙ্গে এক্স রে রিপোর্ট দেখার আর্জিও শীর্ষ আদালতে জানান তিনি। এডুলজির দাবি, “নির্যাতিতার ভ্যাজাইনাল সোয়াব ৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা উচিত। এ ক্ষেত্রে সেটা হয়নি। তাই প্রমাণ লোপাট হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

    এডুলজির বিস্ময় 

    মৃত্যুর দীর্ঘক্ষণ পরে এফআইআর দায়ের হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, “আমার ২৭ বছরের কেরিয়ারে এমন ঘটনা আমি দেখিনি।” তাঁর প্রশ্ন, “প্রমাণ সংগ্রহ করার এতক্ষণ পর কেন এফআইআর দায়ের হল? এফআইআর চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।” যিনি ভিডিওগ্রাফি করেছেন, তাঁর ডেজিগনেশন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এডুলজি (RG Kar case)। বলেন, “ভিডিওগ্রাফি কে করল? তাঁর কী পদ? ময়নাতদন্তের সময় কারা উপস্থিত ছিলেন?”

    আরও পড়ুন: “চালান কই, চালান ছাড়া ময়নাতদন্ত হল কীভাবে?” প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    শুনানিতে ছিলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাও। তিনি বলেন, “ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রথম পাঁচ ঘণ্টা সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সময় অসংখ্য লোককে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে। পাঁচ দিন পর যখন আমরা তদন্ত শুরু করেছি, তখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।” তিনি বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী, ক্রাইম সিন পুরো ঘিরে দিতে হয় (RG Kar case)। সেখানে কেউ ঢুকতে পারেন না। বেরতেও পারেন না কেউ। এখানে লোকজন আসা-যাওয়া করছিলেন (Supreme Court)। ছবিও তোলা হচ্ছিল (RG kar case)।”

    প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতিও

    শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানতে চান, আরজি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়ি থেকে হাসপাতালের দূরত্ব কত? জবাবে সিবিআইয়ের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ১৫-২০ মিনিটের পথ (RG Kar case)। এরপর প্রধান বিচারপতি  জানতে চান, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা কখন যুক্ত করা হয়েছিল। জবাবে রাজ্যের তরফে বলা হয়, দুপুর ১টা ৪৭ মিনিটে মৃত্যু শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল। দুপুর ২টো ৫৫ মিনিটে অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা যুক্ত করা হয়েছিল। জেনারেল ডায়েরি কখন করা হয়েছিল, সেই তথ্যও জানতে চায় আদালত। রাজ্য জানায়, জেনারেল ডায়েরিও ২টো ৫৫ মিনিটেই করা হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: “চালান কই, চালান ছাড়া ময়নাতদন্ত হল কীভাবে?” প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: “চালান কই, চালান ছাড়া ময়নাতদন্ত হল কীভাবে?” প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Case) উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ঘটনার পর মাসখানেক পার হতে চলল, এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর অধরা। নির্যাতিতার দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্টের প্রেক্ষিতেও হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) উঠেছে নানা প্রশ্ন। এই মামলায় সোমবারই স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশ করেছে সিবিআই। আগামী সোমবারের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থাকে দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

    চালান কই? (RG Kar Case)

    এদিন মামলার শুনানির সময় রাজ্যকে একাধিক প্রশ্ন করেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। ময়নাতদন্তের সময়কাল নিয়ে প্রশ্নোত্তর-পর্ব চলাকালীনই প্রধান বিচারপতি জানতে চান, “দেহ যখন ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়, তখনকার সেই চালান কোথায়? চালান এই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তা দেখলে বোঝা যায় মৃতদেহের সঙ্গে আর কী কী পাঠানো হয়েছিল।”

    সমস্যা আছে!

    কোনও মৃতদেহ যখন ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়, তাঁর আগে চিকিৎসকরা একটি চালান পূরণ করে মৃতদেহের সঙ্গে পাঠিয়ে দেন। সিবিআইকে সেটাই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) পেশ করতে বলা হয়। সিবিআইয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, তাঁরা কোনও চালান পাননি। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাও জানান, তিনিও এমন কোনও চালানের নথি পাননি। সিবিআই এবং সলিসিটর জেনারেলের উত্তর শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। বলেন, “এই চালান ছাড়া দেহ ময়নাতদন্তের (RG Kar Case) জন্য গ্রহণ করা হয় না, তাহলে?” তিনি বলেন, “চালান ছাড়া কীভাবে ময়না তদন্ত হল দেহের?” বিচারপতি পার্দিওয়ালা বলেন, “চালান যদি মিসিং হয়, তাহলে আমাদের বুঝতে হবে কিছু সমস্যা আছে।”

    আরও পড়ুন: পরের শুনানি ১৭ই, আরজি করকাণ্ডে সিবিআইকে দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশের সুপ্রিম-নির্দেশ

    রাজ্যের তরফে জানানো হয়, হাইকোর্টে যে কেস ডায়েরি দেওয়া হয়েছিল, সেখানে চালান ছিল। পরবর্তী শুনানির দিন সেই চালান আনার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েও উঠল প্রশ্ন। নিয়ম অনুযায়ী, সন্ধে ৬টার পর ময়নাতদন্ত করা যায় না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তুলে ধরে সলিসিটর জেনারেল বলেন, “দুপুর ২.৩০ থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ১০টি জিডি রয়েছে। তাহলে একটি জিডি কি ভুয়ো? নাকি পরে তৈরি করা হয়েছে? কারা (RG Kar Case) করেছে ভিডিওগ্রাফি? কোনও প্রমাণ আছে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: পরের শুনানি ১৭ই, আরজি করকাণ্ডে সিবিআইকে দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশের সুপ্রিম-নির্দেশ

    Supreme Court: পরের শুনানি ১৭ই, আরজি করকাণ্ডে সিবিআইকে দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশের সুপ্রিম-নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে সিবিআইকে (CBI) দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশ করার নির্দশ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। সোমবার মামলাটির শুনানি হয় শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালার ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থাকে দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় সর্বোচ্চ আদালত।

    দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশের নির্দেশ (Supreme Court)

    সিবিআই অবশ্য এদিন একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশ করেছে। সেই রিপোর্ট খুঁটিয়েও পড়ে ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি বলেন, “সিবিআই তদন্ত যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তা চলুক। তার পর আরও একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশ করুক সিবিআই।” সে ক্ষেত্রে পরের মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৭ সেপ্টেম্বর শুনানি হতে পারে এই মামলার। তিনি বলেন, “তদন্তে যাতে প্রভাব না পড়ে, তাই ওপেন কোর্টে কিছু মন্তব্য করতে চাই না। আগামী সোমবার তদন্তের আবার একটা স্ট্যাটাস রিপোর্ট দিন। তদন্তে নতুন কী তথ্য উঠে এল, তা নিয়ে আগামী সোমবার স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেবে সিবিআই।” আইনজীবীদের একাংশের মতে, সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশেই পরিষ্কার যে তদন্তের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সিবিআইয়ের ওপর চাপ রাখছে শীর্ষ আদালত। সেই কারণেই দ্রুত দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে (Supreme Court)। 

    সিব্বলকে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

    এই মামলায় রাজ্যের হয়ে আদালতে সওয়াল করছেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। প্রধান বিচারপতি তাঁকে বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে অভিযুক্ত কখন ঢুকছে বা কখন বের হচ্ছে। ভোর সাড়ে ৪টের পরের সিসিটিভি ফুটেজও কি সিবিআইকে দেওয়া হয়েছে?” সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, ২৭ মিনিটের মোট চারটি ক্লিপিং দেওয়া হয়েছে সিবিআইকে। তিনি বলেন, “ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রথম পাঁচ ঘণ্টা সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সময় অসংখ্য লোককে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে। পাঁচ দিন পর যখন আমরা তদন্ত শুরু করেছি, তখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।”

    এদিকে, এদিনই দুপুর তিনটের মধ্যে সিআইএসএফের থাকার বন্দোবস্তের সমস্যা মেটাতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। স্বরাষ্ট্র দফতরের সিনিয়র অফিসার এবং সিআইএসএফের সিনিয়র অফিসাররা আলোচনা (CBI) করে পুরো বন্দোবস্ত করবেন (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সুপ্রিম কোর্টে আজ শুনানি হচ্ছে না আরজি করকাণ্ড মামলার

    RG Kar Incident: সুপ্রিম কোর্টে আজ শুনানি হচ্ছে না আরজি করকাণ্ড মামলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানি হচ্ছে না আরজি করকাণ্ড (RG Kar Incident) মামলার। এদিন যে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বসছে না, তা আগেই জানানো হয়েছিল। এবার জানা গেল, অন্য বেঞ্চেও রাখা হয়নি আরজি কর মামলা। শীর্ষ আদালতে নয়া শুনানির যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেই তালিকায় রাখা হয়নি আরজি কর মামলা। তবে কবে পরবর্তী শুনানি হবে, তা আজ, বৃহস্পতিবার জানানো হতে পারে বলে আদালত সূত্রে খবর।

    সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি (RG Kar Incident)

    বুধবার সন্ধেয় সুপ্রিম কোর্টের তরফে জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। তাতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার বসবে না প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ। এই বেঞ্চের দুই সদস্য বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্র আলাদা করে ১০ নম্বর কোর্টের কিছু মামলা শুনবেন। তবে কোন মামলা শুনবেন, তা স্পষ্ট নয়। পরে আরও একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে শীর্ষ আদালত। সেখানে ১০ নম্বর কোর্টে কোন কোন মামলার শুনানি হবে, তার তালিকা প্রকাশিত হয়। এই তালিকায় দেখা যায়, আরজি কর মামলা নেই। আরজি করের (RG Kar Incident) বিচারের দাবিতে দিন গুণছেন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররাও তাকিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের শুনানির দিকে। শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় হতাশ তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ৫২ বাড়িয়ে ৮০! কার চাপে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে বাড়ানো হত নম্বর?

    সুয়োমটো কগনিজেন্স

    জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই আদালতে আসছেন না প্রধান বিচারপতি। অসুস্থতার কারণেই তাঁকে কোর্টে দেখা যাচ্ছে না বলে খবর। বৃহস্পতিবার ৫ সেপ্টেম্বরও তিনি কোর্ট গরহাজির থাকছেন। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে বলা হয় ‘মাস্টার অফ রস্টার’। কোন মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে, তা ঠিক করেন তিনিই। তবে আরজি কর মামলার (RG Kar Incident) সুয়োমটো কগনিজেন্স নিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। তাই মামলাটি অন্য বেঞ্চে পাঠানো হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার একটি পরিবর্তিত মামলার তালিকা আসতে পারে। তখনই জানা যাবে এই মামলার ভবিষ্যত কী হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share