Tag: Scam news

Scam news

  • Kuntal Ghosh: মঙ্গলে কুন্তল-তাপসকে বসিয়ে মুখোমুখি জেরা! নীলাদ্রির ‘পরিচয়’ মিলবে এদিনই?

    Kuntal Ghosh: মঙ্গলে কুন্তল-তাপসকে বসিয়ে মুখোমুখি জেরা! নীলাদ্রির ‘পরিচয়’ মিলবে এদিনই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির যুব তৃণমূল (TMC) নেতা কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh) নিয়োগ দুর্নীতিতে সাড়ে ১৯ কোটি টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal)। ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন কুন্তল। পরে তিনি দাবি করেন, তাপসকে তিনি ৫০ লক্ষ টাকা দেননি বলে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। প্রশ্ন হল, তাপস না কুন্তল, কে সত্য বলছেন? এর উত্তর খুঁজতে মঙ্গলবার তাপস ও কুন্তলকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে বলে ইডি সূত্রের খবর।

    নীলাদ্রি ঘোষ…

    কুন্তলের আরও অভিযোগ, তাপসের পাশাপাশি জনৈক নীলাদ্রি ঘোষ হুমকি দিয়ে তাঁর কাছে টাকা আদায় করতেন। নীলাদ্রিকে চেনেন বলে জানিয়েছেন তাপসও। সোমবার বিধাননগর হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর সিজিও কমপ্লেক্সে ফিরে আসার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে কুন্তল (Kuntal Ghosh) বলেন, নীলাদ্রি হল তাপস মণ্ডলের দালাল। এই দুর্নীতিতে আর কেউ জড়িত কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাপসকে জিজ্ঞাসা করলে সব উত্তর মিলবে।

    আরও পড়ুুন: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    এই মামলায় নীলাদ্রির পাশাপাশি নাম জড়িয়েছে গোপাল দলপতি ও তাপস মিশ্রেরও। তাপস মণ্ডলের দাবি, এই তিনজনই তাঁর পরিচিত এবং তাঁর অফিসে এঁদের যাতায়াতও ছিল। তাঁর দাবি, চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরতের জন্যই নীলাদ্রিকে কুন্তলের কাছে পাঠিয়েছিলেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত। এর আগেও তাঁকে ইডির তরফে একাধিকবার তলব করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীনই তাপস দাবি করেন, হুগলির তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল () শিক্ষক পদপ্রার্থীদের কাছ থেকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রায় ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন।

    এদিকে, দুটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানোর সময় কুন্তলের (Kuntal Ghosh) একটি নোটবুক ও বেশ কয়েকটি নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। সেই নথিতে রয়েছে একাধিক সাংকেতিক চিহ্নও। সেই সাংকেতিক চিহ্নের পাঠোদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। এর আগে তাপসের কাছ থেকেও নথিসমৃদ্ধ একটি ডায়েরিও উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। কুন্তল ও তাপসকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার সময় এসবই মিলিয়ে দেখা হবে। দুজনের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথিতে কোনও মিল রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     

  • Primary TET Scam: মানিকের অপসারণ বহাল, এখনই চাকরি পাবেন না ২৬৯ জন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Primary TET Scam: মানিকের অপসারণ বহাল, এখনই চাকরি পাবেন না ২৬৯ জন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্ষেপে টেট কেলেঙ্কারির (TET Scam) তদন্ত করবে সিবিআই (CBI)। আগেই এই রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) সিঙ্গল বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই রায় বহাল রাখল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চও। শুধু তাই নয়, যে ২৬৯ জনের চাকরি খোয়া গিয়েছিল, তাঁদেরও এখনই পুনর্বহাল করা যাবে না বলেও রায় দিয়েছে ওই বেঞ্চ। শুক্রবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ (Division Bench) এই মামলায় বহাল রাখল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চের (Single Bench) রায়ই। পর্ষদ সভাপতির পদ থেকে মানিক ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশও সমর্থন করেছে ডিভিশন বেঞ্চ।
    প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পেতে গেলে বসতে হয় টেট পরীক্ষায়। ২০১৪ সালে জারি হয়েছিল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি। পরের বছর ১১ অক্টোবর ওই পরীক্ষা হয়। ফল প্রকাশ হয় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। প্রকাশিত হয় মেধাতালিকা। পরের বছর ডিসেম্বরে ফের বের হয় মেধাতালিকা। পরীক্ষায় বসেছিলেন ২৩ লক্ষ কর্মপ্রার্থী। নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন ৪২ হাজার। এই দ্বিতীয় তালিকা বেআইনি বলে আদালতে জানিয়েছিলেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং সুদীপ্ত দাশগুপ্ত। পরে ২৬৯ জনের চাকরি বাতিল করে হাইকোর্ট। 
    ওই নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছিল বলে সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছিল। যে ২৭৩ জনকে অতিরিক্ত এক নম্বর দেওয়া হয়েছিল, তার কারণ কী জানতে চেয়েছিলেন বিচারপতি। সেই সংক্রান্ত নথিও চেয়ে পাঠানো হয়। যদিও কর্তৃপক্ষ তা দিতে ব্যর্থ হয়। ওই ২৭৩ জনকে কেন অতিরিক্ত এক নম্বর দেওয়া হয়েছিল, তার কারণও দর্শাতে পারেনি বোর্ড। আদালতে হাজির করতে পারেনি ওএমআর শিটও। তার পরেই মানিককে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। এদিন ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সিঙ্গল বেঞ্চের রায় যথাযথ। বেআইনি নিয়োগের তদন্তের ভার যে সিবিআইকে দেওয়া হয়েছিল, এদিন তাও বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতে মানিক জানিয়েছিলেন অযথা তাঁর নাম নেওয়া হচ্ছে, কলঙ্ক লেপন করা হচ্ছে যা সংবিধানের ২১ নম্বর ধারার পরিপন্থী।

    আরও পড়ুন : টেট মামলায় আদালতে হাজিরা কেষ্ট কন্যার, উঠল ‘গরু চোর’ স্লোগান

    ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, পুরো পরিস্থিতি বিচার করেই রায় দিয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চ। বিচার করলেই হবে না, রায়টাকে কার্যকরও করতে হবে। এদিনও ২৭৩ জন চাকরি প্রার্থীকে কেন অতিরিক্ত এক নম্বর দেওয়া হয়েছে, তারও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বোর্ড। আদালত জানায়, এ রকম একজন ব্যক্তি (মানিক ভট্টাচার্য) অতিরিক্ত কোনও সুবিধা দাবি করতে পারেন না। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই ২৭৩ জনকে চাকরিতে পুনর্বহালও করা যাবে না। আদালতের নির্দেশ, কেলেঙ্কারির তদন্ত করবে সিবিআই। এই সংস্থাই তদন্ত করবে আর্থিক কেলেঙ্কারিরও। আদালতের নজরদারিতেই হবে তদন্ত। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে হস্তক্ষেপ করা হবে না। যে ২৭৩ জনকে অতিরিক্ত এক নম্বর দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে ২৬৯ জনের কোনও দাবিই মান্যতা পাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share