Tag: scam

scam

  • Supreme Court: ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণায় অভিযুক্তদের সহজে জামিন নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণায় অভিযুক্তদের সহজে জামিন নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল অ্যারেস্টের (Digital Arrest) নামে প্রতারণার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের ভয় দেখিয়ে তাঁদের আজীবনের সঞ্চয় হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এবার আরও কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) প্রতারণার মামলায় অভিযুক্তদের সহজে জামিন দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র অসাধারণ বা ব্যতিক্রমী কারণ প্রমাণ করতে পারলেই জামিনের আবেদন বিবেচনা করা হবে। আদালতের মতে, এই প্রতারণা সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ অপরাধগুলির একটি।

    জামিনের আবেদন খারিজ

    প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ এক অভিযুক্তের জামিনের আবেদন খারিজ করে এই মন্তব্য করে। অভিযুক্তের দাবি ছিল, তিনি শুধু মূল অভিযুক্তকে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে সাহায্য করেছিলেন এবং এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জেলে রয়েছেন। তবে আদালতের মতে, তিনি প্রতারণা চক্রের একজন সক্রিয় সহযোগী। তাই তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ করা হয়।

    ‘সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অপরাধ’

    শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানায়, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) প্রতারণা মানুষের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অপরাধ, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, প্রতারকরা ভয় দেখিয়ে প্রবীণদের সারাজীবনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় হাতিয়ে নিচ্ছে। তাই এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের নমনীয়তা দেখানো যাবে না।

    নিম্ন আদালতগুলিকেও বার্তা

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) শুধু নিজের অবস্থানই স্পষ্ট করেনি, পাশাপাশি দেশের সব হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতকেও কড়া বার্তা দিয়েছে। আদালতের মতে, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) সংক্রান্ত মামলায় জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে এবং অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    কঠোর আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

    গত শুক্রবারও একই বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) ও সাইবার প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন সংক্রান্ত কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। আদালতের মতে, এই ধরনের অপরাধকে ডাকাতি বা লুঠের মতোই গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

    সিবিআই তদন্ত ও সমন্বয়ের নির্দেশ

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে গত বছর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বিশেষ করে প্রবীণদের লক্ষ্য করে হওয়া প্রতারণার তদন্তে সিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলারও নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তদন্তকারী সংস্থাগুলির তথ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল অ্যারেস্ট ও সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ৩,০০০ কোটিরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই বিপুল আর্থিক ক্ষতির কথা উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • Mamata Banerjee: হাইকোর্টে মমতাকে ‘চোর চোর’ স্লোগান, ‘কৃতকর্মের ফল’ বললেন শমীক, কী প্রতিক্রিয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর?

    Mamata Banerjee: হাইকোর্টে মমতাকে ‘চোর চোর’ স্লোগান, ‘কৃতকর্মের ফল’ বললেন শমীক, কী প্রতিক্রিয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘চোর চোর’ স্লোগান শুনতে হল মমতাকে! কলকাতা হাইকোর্টের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির সাক্ষী থাকল বৃহস্পতিবার। ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং বুলডোজার দিয়ে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে এদিন  সশরীরে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।  একেবারে আইনজীবীর কালো গাউন বা শামলা পরে।

    প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলাকালীন আদালতের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিগত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল সরকারের সময়ে চলা ভোট-পরবর্তী হিংসার সময় মমতা কোথায় ছিলেন এই প্রশ্ন তোলে বিজেপি। সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের আলোয় আসতে এই নাটক বলে তীব্র কটাক্ষ বিজেপির। উল্লেখ্য রাজ্যে বিগত সরকারের সকল দুর্নীতির মাথা স্বয়ং নেত্রী এই অভিযোগ তুলে আইনজীবীদের একাংশ চোর চোর স্লোগান দেয়। কোর্ট চত্বরে মুখ পুড়ল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর।

    এজলাসের ভেতরে বাদানুবাদ ও সওয়াল-জবাব(Mamata Banerjee)

    সকাল ১১টার কিছু আগে হাইকোর্ট (Calcutta High Court) চত্বরে পৌঁছে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আইনজীবীর বেশে হাজির হন প্রধান বিচারপতি পালের এজলাসে। সেখানে সওয়াল করেন তিনি। এদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে ছিল তিল ধারণের জায়গা নেই। আইনজীবী রীতঙ্কর দাস এবং শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা পৃথক দুটি মামলার শুনানিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত চত্বরে ভিড় জমতে শুরু করে। অভিযোগ ছিল, হগ মার্কেট এলাকায় জেসিবি দিয়ে ইমারত ভাঙা হয়েছে এবং ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টে অ্যাডিশনাল সলিসেটার জেনারেল অশোক চক্রবর্তী তৃণমূলনেত্রীর অভিযোগকে বাস্তব ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন।

    ‘‘আদালত যেন নাটকের মঞ্চে পরিণত না হয়’’

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন এই মামলাগুলোর প্রেক্ষিতে নিজের বক্তব্য পেশ করতে ওঠেন, তখন এজলাসের ভেতরেই উপস্থিত আইনজীবীদের একাংশ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অভিযোগ ওঠে, সওয়াল চলাকালীন এক আইনজীবী তাঁকে উদ্দেশে মন্তব্য করেন যে, আদালত যেন নাটকের মঞ্চে পরিণত না হয়। এই পরিস্থিতিতে উপস্থিত আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় রুখে দাঁড়ান এবং কড়া ভাষায় পাল্টা জবাব দেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই আইনি লড়াইয়ে এজলাসের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত থমথমে। তার পরে এজলাস থেকে বেরোনোর সময়েই তৃণমূলনেত্রী যে মামলা লড়তে গিয়েছেন, সে কথা প্রত্যাশিত ভাবেই ততক্ষণে ছড়িয়ে পড়েছিল হাইকোর্টের আইনজীবী মহলে। এরপর রাজ্যের ঘটে যাওয়ার একাধিক দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    আদালত চত্বরে ‘চোর চোর’ স্লোগান ও উত্তেজনা

    আসল নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় শুনানি শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যখন আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসছিলেন। আইনজীবীদের (Calcutta High Court)  একটি বড় অংশ তাঁকে দেখে ‘চোর চোর’ এবং ‘পিসি চোর, ভাইপো চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এই ঘটনায় উপস্থিত নিরাপত্তারক্ষীরা রীতিমতো হিমশিম খান। উত্তেজিত আইনজীবীদের ভিড় সামলাতে গিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, আদালতের মূল প্রবেশদ্বারে থাকা মেটাল ডিটেক্টর গেটটি ধাক্কাধাক্কিতে উল্টে যায়।

    আদালত চত্বর ‘শুদ্ধ’ করার ডাক

    উপস্থিত আইনজীবীদের অনেকেই মোবাইলে এই ঘটনার ভিডিও করতে থাকেন। ক্ষুব্ধ এক আইনজীবী মন্তব্য করেন, “যিনি একসময় বিচারপতিদের সম্মান জানাতেন না, আজ তিনি নিজেই আদালতে আশ্রয় নিতে এসেছেন। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক।” এমনকি আদালত চত্বর ‘শুদ্ধ’ করার ডাক দিয়ে কেউ কেউ গোবর ও গঙ্গাজল ব্যবহারের দাবিও তোলেন। মোবাইল করে আইনজীবীরাই মমতার ছবি তুলতে থাকেন। গোটা পরিস্থিতির ভিডিও করতে থাকেন। আরও এক আইনজীবী বলেন, “হাইকোর্টকে আজকে গোবর, গঙ্গাজল দিয়ে শুদ্ধ করতে হবে। বিচারপতিদের সবচেয়ে বেশি অপমান করেছে তৃণমূল।”

    প্রাক্তনকে নিয়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিতর্ক বা রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমানে তাঁর মূল ফোকাস রাজ্যের প্রশাসনিক কাজ এবং উন্নয়নমূলক দায়িত্ব পালনের উপরেই রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “এই বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। আমাদের সামনে রাজ্যের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে, তাই সেই দিকেই নজর দেওয়া প্রয়োজন।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর উপর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি পরিষেবা এবং রাজ্যের সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রমের দিকে সমানভাবে নজর রাখতে হচ্ছে। সেই কারণেই বিতর্কিত বা রাজনৈতিক মন্তব্যে জড়াতে তিনি আগ্রহী নন। তাঁর কথায়, “এখন আমার অনেক দায়িত্ব। রাজ্যের সব দিকেই নজর দিতে হচ্ছে। তাই এ ধরনের বিষয় নিয়ে সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই, আর আমি ব্যক্তিগতভাবেও এসব নিয়ে ভাবতে রাজি নই।”

    ‘‘এই অবস্থার জন্য দায়ী তৃণমূলই’’, বলল বিজেপি

    কোর্টে (Calcutta High Court)  মমতার (Mamata Banerjee)  এই নাটক দেখে এই ঘটনাকে তীব্র তোপ দেগে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপি আছে বলেই তৃণমূলের কর্মীরা এখনও বেঁচে আছেন, আমাদের কর্মীরাও তৃণমূলের ভাষা জানেন। তবে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে জয়ের পরেও ৩ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছে তৃণমূল। বাকি সব জায়গায় তৃণমূল বনাম তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে হত্যা হয়েছে।” শমীক জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক এই বিক্ষোভের সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। তাঁর বক্তব্য, ‘‘এ ধরনের আচরণ বিজেপির রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়। উনি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং একজন মহিলা। তাঁকে দেখে রাস্তায় মানুষ ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেবে— এমন পরিস্থিতি বিজেপি তৈরি করে না। এই অবস্থার জন্য দায়ী তৃণমূলই।’’

    ‘‘কৃতকর্মের ফল একসময় ফিরে আসেই’’: শমীক

    তিনি আরও বলেন, ‘‘মানুষের কৃতকর্মের ফল একসময় ফিরে আসেই। যদিও আমরা চাই না এ ধরনের ঘটনা ঘটুক। বিজেপি সবসময় সুস্থ ও স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশের পক্ষেই রয়েছে। তৃণমূল অতীতে যা করেছে, বর্তমানের এই প্রতিক্রিয়া তারই ফল।’’ মমতাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়েও শমীক দাবি করেন, এই বিক্ষোভ সম্পূর্ণ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাঁর কথায়, ‘‘যাঁরা প্রতিবাদ করছেন, তাঁরাও তৃণমূলের; আবার যাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, তাঁরাও তৃণমূলেরই অংশ। এখানে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। আসলে এটা তৃণমূলের ভিতরে সুবিধাভোগী এবং বঞ্চিত গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব। এতদিন যারা সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বঞ্চিতরাই এখন মুখ খুলতে শুরু করেছে।’’

  • Pokhara Airport: পোখরা বিমানবন্দর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    Pokhara Airport: পোখরা বিমানবন্দর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের দুর্নীতি তদন্ত কমিশন চিনের অর্থে নির্মিত পোখরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করল দুর্নীতির মামলা (China Nepal)। অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচজন প্রাক্তন মন্ত্রীও রয়েছেন। রবিবার বিশেষ আদালতে দায়ের করা এই মামলা নেপালের পদস্থ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্তাদের বিরুদ্ধে বৃহত্তম দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (Pokhara Airport)।

    দুর্নীতি তদন্ত কমিশনের বক্তব্য (Pokhara Airport)

    দুর্নীতি তদন্ত কমিশনের সহকারি মুখপাত্র গণেশ বহাদুর অধিকারীর মতে, অভিযুক্তরা বিমানবন্দর তৈরির সময় চিনের দেওয়া সফট লোনের আওতায় প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ করা ৮.৩৬ বিলিয়ন নেপালি রুপি আত্মসাৎ করেছেন। প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ব্যয়, চুক্তি-প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (BRI) অধীনে চিনা প্রতিষ্ঠানের ঋণনির্ভর পরিকাঠামো চাপিয়ে দেওয়ার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    কাঠগড়ায় যাঁরা

    যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তাঁরা হলেন প্রাক্তন মন্ত্রী রাম শরণ মহাত, ভীম প্রসাদ আচার্য, প্রয়াত পোস্ট বহাদুর বোগাটী, রাম কুমার শ্রেষ্ঠা এবং দীপক চন্দ্র আমাত্য। এছাড়াও নেপাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির ১০ জন প্রাক্তন সচিব ও পদস্থ কর্তা, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল ত্রিরত্ন মহারজন, রতীশ চন্দ্র লাল সুমন এবং বর্তমান ডিরেক্টর জেনারেল প্রদীপ অধিকারী, এঁদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    চিনা ঠিকাদারি সংস্থা চায়না সিএএমসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড এবং এর নেপালে নিযুক্ত প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। এটি সরকারি পরিকাঠামো প্রকল্পে বিদেশি কোম্পানিগুলির ভূমিকা নিয়ে সিআইএএর নজরদারি আরও (Pokhara Airport) বিস্তৃত হয়েছে বলেই ইঙ্গিত দেয়।

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে উদ্বোধন করা পোখরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্নপূর্ণা সার্কিটের দ্বার। নেপালের পর্যটন খাতে বড় ধরনের অগ্রগতির অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ভাবা হয়েছিল একে। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় দু’বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বিমানবন্দরটি কোনও নির্ধারিত আন্তর্জাতিক (China Nepal) যাত্রিবাহী উড়ান পায়নি। এতেই ওঠে নানা প্রশ্ন। বিশ্লেষকদের মতে, নয়া দুর্নীতির অভিযোগ চিন-সমর্থিত নেপালের প্রকল্পগুলির ওপর নজরদারি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, বিশেষ করে যেসব প্রকল্পের সমালোচনা করা হয়েছে অস্বচ্ছ চুক্তি এবং সন্দেহজনক আর্থিক মডেলের জন্য (Pokhara Airport)।

  • Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সম্পর্কে জামাই। অথচ ভোটার কার্ডে তাঁকে দেখানো হয়েছে ছেলে হিসেবে। আর মেয়ের জৈবিক বাবাও তিনি। যার অর্থ দাঁড়ায়, এই (Suvendu Adhikari) পরিবারে বিয়ে হয়েছে ভাই-বোনের মধ্যেই (SIR)। আজ্ঞে না, বাবার নামের জায়গায় শ্বশুরের নাম দিয়ে দিব্যি বানানো হয়েছে ভোটার কার্ড। এসআরএরের গুঁতোয় এমন ঘটনাই প্রকাশ্যে এল।

    শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড (Suvendu Adhikari)

    ঘটনাটি খুলে বলা যাক। রাজ্যে এসআইআর চালু হতেই ভারতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা হাকিমপুরের মতো সীমান্ত দিয়ে পিলপিল করে পালাতে শুরু করেছে। এই সময়ই ঝুলি থেকে বের হচ্ছে একের পর এক বেড়াল। তবে শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড বানানোর জালিয়াতির পর্দা ফাঁস করে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে নিশানা করে দীর্ঘ একটি পোস্টও করেছেন শুভেন্দু। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘এসআইআরের ধাক্কায় শ্বশুর যখন বাবা’। এর স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে ভোটার তালিকার ছবিও দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা একজনই

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভোটার তালিকায় স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা যে একজনই, এসআইআরের দৌলতে তা-ও দেখতে হচ্ছে। যদিও বঙ্গেশ্বরীর রাজত্বে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। এসআইআর চালু হওয়ার পরে এ রাজ্যে নিত্য নতুন রঙ্গ তামাশা দেখছে জনগণ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার রামনগর (Suvendu Adhikari) গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৬৫ নম্বর বুথের ভোটার মণিরুজ্জামান মণ্ডল ও আর্জিনা মণ্ডল স্বামী-স্ত্রী। মণিরুজ্জামান ওই বুথেরই তৃণমূল নেতা, আর আর্জিনা আইসিডিএস কর্মী এবং তৃণমূল কর্মী। তাঁদের দু’জনের পিতার নামই মিজানুর মণ্ডল। জানা গিয়েছে, আর্জিনার জন্মদাতা হলেন মিজানুর। ওই বুথটি আবার রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বাসুদেব ঘোষের বুথ। এই বাসুদেবের ছেলেই আবার ওই বুথের বিএলও। মনিরুজ্জামান আবার বাসুদেবের ডানহাত বলে এলাকায় পরিচিত। অভিযোগ উঠেছে, এই বিএলও-ই কারসাজি করে মণিরুজ্জামান ও মিজানুরকে ম্যাপিংয়ে বাবা ও ছেলে হিসেবে দেখিয়েছেন।” তিনি লেখেন, “দিকে দিকে ভাড়া করা বাবা-মায়ের ছড়াছড়ি (SIR)। সঠিকভাবে এসআইআরের কাজ সম্পন্ন হলে এই ধরনের ভুয়ো ভোটার ধরা পড়বে (Suvendu Adhikari), পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যাও কমে যাবে।”

     

LinkedIn
Share