মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল অ্যারেস্টের (Digital Arrest) নামে প্রতারণার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের ভয় দেখিয়ে তাঁদের আজীবনের সঞ্চয় হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এবার আরও কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) প্রতারণার মামলায় অভিযুক্তদের সহজে জামিন দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র অসাধারণ বা ব্যতিক্রমী কারণ প্রমাণ করতে পারলেই জামিনের আবেদন বিবেচনা করা হবে। আদালতের মতে, এই প্রতারণা সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ অপরাধগুলির একটি।
Tag: scam
scam
-

Digital Arrest: জনমানসে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ স্ক্যাম! প্রতারণার জাল থেকে কীভাবে রক্ষা?
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সাইবার ক্রাইমের ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর (Digital Arrest) মাধ্যমে প্রতারণা করার প্রবণতা বাড়ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে প্রতারকরা সব কিছু পরিচালনা করে। নানা কৌশল প্রয়োগ করে কোটি কোটি টাকা সাধারণ মানুষের আত্মসাৎ করে নেয় প্রতারকরা। অনেক সময় সারা জীবনের উপার্জনের সমস্ত অর্থ হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা।
সাইবার জালিয়াতিতে দেশে কত টাকা খোয়া গিয়েছে? (Digital Arrest)
বিদেশে বসে প্রতারকরা একের পর এক প্রতারণা করে চলেছে। পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে যে ২০২৪ সালের প্রথম চার মাসে, ভারত সাইবার জালিয়াতি করে ১,৭৭৭ কোটি টাকা প্রতারকরা হাতিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে ৪৬ শতাংশ প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে মায়নমার, লাওস এবং কম্বোডিয়ায়। আর সাইবার ক্রাইমের মধ্যে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest) প্রতারকদের অন্যতম হাতিয়ার। আর এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে ১২০ কোটি টাকা হাতিয়েছে প্রতারকরা।
আরও পড়ুন: দ্রুত নামবে পারদ! মাঝ-ডিসেম্বর থেকেই শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং, বলছে পূর্বাভাস
‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ কী?
‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest) আসলে একটা টার্ম। এতে সাইবার জালিয়াতরা অন্য একজনকে গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে তাঁর বাড়িতে বন্দি করে রাখে। এতে সাইবার প্রতারকরা ভিডিও কল করে। প্রতারকরা নিজের চারপাশের ব্যাকগ্রাউন্ডকে হুবহু থানার মতো করে নেয়। অথবা এটিকে কোনও এজেন্সির অফিসের মতো করে নেয়। এই সব দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। এরপর ওই ব্যক্তি ভয় পেয়ে প্রতারণাচক্রের জালে জড়িয়ে পড়েন। এর পরে এই সাইবার জালিয়াতিরা আপনাকে প্রতারণা করতে শুরু করে। আপনার থেকে নানা ভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশ্যে আসা সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং উদ্বেগজনক কেলেঙ্কারিগুলির মধ্যে একটি হল এই ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’।
‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ স্ক্যাম কীভাবে কাজ করে?
সাধারণত, এই কেলেঙ্কারি (Digital Arrest) শুরু হয় পুলিশ, সিবিআই বা অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি- সহ সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে জাহির করা একজনের কাছ থেকে একটি অযাচিত ফোন কল বা ভিডিও কলের মাধ্যমে। এসব প্রতারক তাদের ‘টার্গেট’ ব্যক্তিকে নানা কৌশল অবলম্বন করে ভয় দেখাতে শুরু করে। প্রতারকরা মিথ্যাভাবে দাবি করে যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আর্থিক জালিয়াতি, মাদক পাচার বা অর্থ পাচারের মতো উল্লেখযোগ্য অপরাধ করেছে। প্রতারিত হওয়া ব্যক্তি তাদের কথা না মানলে, প্রতারকরা (Scam) তাঁকে অবিলম্বে গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে তাড়াহুড়ো করতে শুরু করে। প্রতারকদের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হল প্রতারিতদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। স্ক্যামাররা প্রায়ই নিরাপত্তার জন্য দ্রুত টাকা দিতে বলে। প্রতারকরা তাদের প্রতারিত হওয়া ব্যক্তির মানসিক অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে, তাঁকে ভয় দেখিয়ে পরিবারের সদস্যদের সম্মানহানির আশঙ্কার কথা বলে তাঁদের আরও দুর্বল করে তোলে। বিনিময়ে বহু টাকা দাবি করে।
কীভাবে আপনার টাকা পুনরুদ্ধার করবেন?
‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest) জালিয়াতির কারণে হারানো অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কেউ এই প্রতারণার শিকার হলে তাঁকে অবিলম্বে ১৯৩০ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্থানীয় থানায় একটি এফআইআর দায়ের করার কথা বলা হচ্ছে। একইসঙ্গে আদালতে পিটিশন করতে বলা হচ্ছে। অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পুলিশকে দিন। একইসঙ্গে আপনার আইনজীবীকে অবশ্যই পুলিশ রিপোর্ট এবং আপনার ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টগুলি প্রমাণ হিসেবে দিন। আদালত একবার দাবিটি যাচাই করলে, তারা ব্যাংকগুলিকে প্রতারকদের ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টে থাকা আপনার অর্থ ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে। তবে, আপনাকে রিফান্ডের পরিমাণের সমান একটি জামিন (সিওরটি) প্রদান করতে হবে, যা মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালতে থাকবে। আর আপনি প্রয়োজনীয় জামিন প্রদান করতে ব্যর্থ হলে, আপনি তহবিল পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবেন না। প্রতারকরা যখন বিভিন্ন প্রতারিতদের কাছে থেকে টাকা হাতিয়ে একই অ্যাকাউন্টে রাখে, তখন ব্যাঙ্কগুলি আদালতের আদেশের ক্রম অনুসারে তহবিল ছেড়ে দেয়। আদালতের নির্দেশের মাধ্যমে প্রতারিতরা তাদের অর্থ পুনরুদ্ধার করতে পারে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।
-

Maharashtra Bitcoin Scam: ‘জড়িত’ পাওয়ার-কন্যা! মহারাষ্ট্রে বিটকয়েন কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত শুরু সিবিআইয়ের
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে বিটকয়েন কেলেঙ্কারি (Maharashtra Bitcoin Scam) মামলার তদন্ত শুরু করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, অমিত ভরদ্বাজ ও আমন ভরদ্বাজ-সহ ছ’জন অভিযুক্তের নামে বুধবার দায়ের হয়েছে এফআইআর। তার ভিত্তিতেই শুরু হয়েছে তদন্ত।
নাম জড়িয়েছে পাওয়ার-কন্যার (Maharashtra Bitcoin Scam)
রবীন্দ্রনাথ পাটিল নামে অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ অফিসারের অভিযোগ, এনসিপি প্রতিষ্ঠাতা শরদ পাওয়ারের মেয়ে সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের সঙ্গে ২০১৮ সালের ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত ওই কেলেঙ্কারিতে জড়িত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নানা পাটোলে। ওই কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথকে। যদিও সুপ্রিয়া এবং নানা দুজনেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ছ’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
জানা গিয়েছে, দুই ভরদ্বাজ-সহ মোট ছ’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে সিবিআই। অভিযোগ, তারা ৮০ হাজার বিটকয়েন সংগ্রহ করেছে। বিদেশে সম্পত্তি কেনার জন্য ৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকার তহবিল সরিয়ে নিয়েছে ন’টি বিদেশি সংস্থার মাধ্যমে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আগেই মৃত্যু হয়েছে অমিতের। অজয় পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে একাধিক সংস্থা। গৌরব মেহতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে (Maharashtra Bitcoin Scam) সিবিআই।
এফআইআর দায়ের হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বিটকয়েন লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় রায়পুরে গৌরব মেহতার বাসভবনে তল্লাশিও চালিয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের আওতায় হচ্ছে তদন্ত।
আরও পড়ুন: নিজ্জর হত্যা নিয়ে ‘মানহানিকর প্রচার’, কানাডাকে কড়া জবাব ভারতের
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা মাল্টি-লেভেল-মার্কেটিং (MLM) স্কিম চালিয়ে ২০১৭ সালে প্রায় ৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বিটকয়েনের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছিল। তারা মাসিক ১০ শতাংশ লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করেছিল। বিটকয়েন একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি। এটি স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। বিশ্বব্যাপী কোনও কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় এটি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই এ সংক্রান্ত একটি টেলিফোনিক কনভার্সেশন ছড়িয়ে পড়েছে। বিজেপির অভিযোগ, তাতে সুপ্রিয়া ও পাটোলের গলা শোনা যাচ্ছে। যদিও সুলে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সিবিআই সূত্রে খবর, বিটকয়েন সংক্রান্ত ওই মামলায় যোগ থাকার তথ্য রয়েছে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। ওই সংস্থার আধিকারিক গৌরব মেহতাকে তলব করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য (Maharashtra Bitcoin Scam)।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।
-

Partha Chatterjee: প্রাথমিক টেটে অযোগ্যদের তালিকা আমলাকে পাঠান স্বয়ং পার্থই, দাবি সিবিআইয়ের
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা (TET) আমলাকে পাঠান স্বয়ং তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ঠিক এমনটাই দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। বিকাশ ভবনে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হওয়া গুরুত্বপূর্ণ নথি দেখার পর এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারী অফিসারদের হাতে। এই তথ্যের উপর নির্ভর করে তাঁকে মঙ্গলবার প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারী অফিসাররা।
তালিকাভুক্তদের অনেকেই অযোগ্য (Partha Chatterjee)
গত জুন মাসে বিকাশ ভবনে টানা অভিযান চালায় সিবিআই। সেখানে ২০১৪ সালের অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) সঙ্গে টেট (TET) দুর্নীতির প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে। বিকাশ ভবনের গুদামঘর থেকে উদ্ধার হয় বস্তাভর্তি নথিপত্র। তার মধ্যে ছিল, প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার টেট প্রার্থীদের তালিকা। মোট ৭৫৩ জনের একটি তালিকা পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে ওই বছর ৩১০ জনের চাকরি হয়েছিল। সিবিআইয়ের দাবি, ওই তালিকাভুক্তদের অনেকেই অযোগ্য। বাজেয়াপ্ত নথি ঘেঁটে জানা গিয়েছে, পার্থ অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের তালিকা পাঠিয়েছিলেন এক সরকারি আমলাকে। ওই তালিকা থেকে কয়েক জনের চাকরি হয়। এই নথির মধ্যে প্রভাবশালী কয়েকজনের নাম পাওয়া গিয়েছে বলে খবর।
২০২২ সালে গুদামটি সিল করেছিল সিবিআই
শিক্ষা দফতরের বিভিন্ন কাগজপত্র রাখার জন্য ব্যবহৃত ওই গুদামটি ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিল করেছিল সিবিআই। এই গুদামে তল্লাশি চালিয়ে বহু নথি উদ্ধার করেছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার টেট সংক্রান্ত জরুরি তথ্য ছাড়াও সেই নথিতে ছিল পরীক্ষার্থী এবং চাকরি প্রাপ্তদের নামের তালিকাও।
আরও পড়ুনঃ ১৮ অক্টোবর সিঙ্গুরে রতন টাটার ছবি নিয়ে মৌন মিছিলের ডাক শুভেন্দুর
নাকতলার বাড়ি থেকে গ্রেফতার হন পার্থ
২০২২ সালের ২২ জুলাই তারিখে দক্ষিণ কলকাতার নাকতলার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশির পর বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয় তৎকালীন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee)। এরপর এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তৎকালীন এই মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতাকেও গ্রেফতার করেছিল। যদিও আলাদা করে সিবিআই নিজেদের হেফাজতে নেয়নি পার্থকে। বর্তমানে, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে, পার্থর বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় জামিনের আবেদন শুনানি শেষ হয়েছে। রায়দান আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে হাইকোর্টে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।
-

ED: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের ২৫০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের কয়েকশো কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)। কেবল তাই নয়, বাবু সিং কুশওয়াহা নামে সমাজবাদী পার্টির ওই নেতার জমিতে থাকা নির্মাণও ভেঙে দিয়েছেন (NRHM Scam) ইডির আধিকারিকরা। কুশওয়ার যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি, সেটা রয়েছে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কানপুর রোডে।
এনআরএইচএম কেলেঙ্কারি (ED)
কেন এই পদক্ষেপ ইডি-র? জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল রুরাল হেল্থ মিশন কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত করছে ইডি। এই মামলায় কুশওয়াহার যোগ প্রকাশ্যে এসেছিল আগেই। এই ঘটনারই তদন্তে নেমে সমাজবাদী পার্টির ওই নেতার ২৫০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। এই সম্পত্তিতে থাকা সব বেআইনি নির্মাণও বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার লোকজন।
সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
প্রসঙ্গত, এনআরএইচএম কেলেঙ্কারির সময় কুশওয়াহা ছিলেন উত্তরপ্রদেশের বিএসপি সরকারের পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। এই মামলায় ইতিমধ্যেই চার বছর জেলও খেটেছেন তিনি। এবার বাজেয়াপ্ত করা হল তাঁর সম্পত্তি। গ্রেফতার হওয়ার আগে কুশওয়াহা ছিলেন মায়াবতীর বিএসপিতে। জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে তিনি অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে জৌনপুরে প্রার্থী হন সমাজবাদী পার্টির। জিতেও যান। তার পর এদিন তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)।
আরও পড়ুন: বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ে নাকি ‘স্মরণীয় দিন’ কাটিয়েছেন শশী! তুলোধনা করল বিজেপি
২০১১ সালে ন্যাশনাল রুরাল হেল্থ মিশনে ব্যাপক কেলেঙ্কারি হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই সময় উত্তরপ্রদেশের কুর্সিতে ছিল মায়াবতী সরকার। বিএসপি সরকারের বিরুদ্ধে ১০ হাজার কোটিরও বেশি টাকা কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নেমে সিবিআই গ্রেফতার করে কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্তাকে। গ্রেফতার করা হয় কুশওয়াহাকেও। কেবল এই কেলেঙ্কারিই নয়, আয় বহির্ভুত সম্পত্তি মামলায়ও দোষী সাব্যস্ত হন সমাজবাদী পার্টির এই সাংসদ। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ২৫টি। ইতিমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ৮টি মামলায়।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি দিল্লি, হরিয়ানা এবং মধ্যপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন এলাকার ৬০টিরও বেশি জায়গায় অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। সেই সময় অভিযান চালানো হয়েছিল কুশওয়াহার (ED) বাড়িতেও।এর পরেও একাধিকবার (NRHM Scam) হয়েছে অভিযান।,
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।
-

NEET UG Scam: নিট কেলেঙ্কারির শেকড়ে পৌঁছতে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট কেলেঙ্কারির (NEET UG Scam) শেকড়ে পৌঁছতে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রের। শনিবার কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তদন্তভার। মোদি সরকারের নির্দেশ, নিট-ইউজি নিয়ে এখনও পর্যন্ত যত অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, তার তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় এই সংস্থা। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল কিনা, চক্রের চাঁই কে, এসবেরই তদন্ত করবে সিবিআই। জানা গিয়েছে, পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের বিবৃতি (NEET UG Scam)
শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে (NEET UG Scam), “নিট পরীক্ষা নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি করা, এক জনের হয়ে অন্য জনের পরীক্ষা দেওয়া, অসৎ উপায় অবলম্বন করা ইত্যাদি অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রক বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সিবিআইয়ের হাতে এর তদন্তভার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “পরীক্ষার্থীদের স্বার্থরক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতির স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। এই ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে, যে বা যারা এর সঙ্গে যুক্ত, তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।”
পরীক্ষায় কেলেঙ্কারি
প্রসঙ্গত, গত ৫ মে হয় নিট-ইউজি পরীক্ষা। দেশজুড়ে ৪ হাজার ৭৫০টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হয়েছিল। পরীক্ষা দিয়েছিলেন ২৪ লাখের কাছাকাছি পরীক্ষার্থী। এই পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৭ জন ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ফুল মার্কস পেয়েছেন। গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৫৬৩জনকে। অনিয়মের অভিযোগে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা এনটিএকে ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। নিটকাণ্ডে গ্রেফতারও করা হয়েছে ১৯ জনকে। এদের মধ্যে মাস্টারমাইন্ড রবি অত্রিও রয়েছে। তবে আর এক অভিযুক্ত অতুল বৎসের খোঁজ এখনও মেলেনি। ধৃতেরা স্বীকারও করে নিয়েছে, টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার আগের দিনই বিক্রি করা হয়েছিল প্রশ্ন।
আর পড়ুন: বায়োমেট্রিক-নির্ভর আধার যাচাই চালুর সিদ্ধান্ত, জিএসটি বৈঠক শেষে জানালেন নির্মলা
এদিকে, শনিবার (NEET UG Scam) অপসারণ করা হয়েছে এনটিএর ডিজি সুবোধ কুমার সিংকে। এই সংস্থাই নিয়েছিল পরীক্ষা। সুবোধের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আইএএস অফিসার প্রদীপ সিং খারোলা। বর্তমানে তিনি ইন্ডিয়া ট্রেড প্রমোশন অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান এবং ম্যানেজিং এডিটর।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।
-

Narendra Modi: নির্বাচনে প্রতিটি বুথে তৃণমূলের জামানত জব্দ করার আবেদন জানালেন মোদি
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:“এই ভোটে তৃণমূলকে শিক্ষা দেওয়া দরকার।” রবিবার জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ির জনসভা থেকে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেন মোদি। সভায় উপস্থিত সাধারণ মানুষের কাছে তৃণমূলকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য আবেদন জানান তিনি। পাশাপাশি কিছুদিন আগেই উত্তরবঙ্গে মিনি টর্নেডো হয়ে গিয়েছে। একাধিক প্রাণহানির খবর এসেছে। এদিন বক্তব্যের শুরুতেই স্বজনহারাদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, ‘ঝড়ে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যাঁরা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।’
প্রতিটি বুথে তৃণমূলের জামানত জব্দ করার আবেদন (Narendra Modi)
এদিন দলীয় সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি টাকা পৌঁচ্ছে দিতে চাই। আর তৃণমূল বলছে, ওদের কাছে টাকা দিতে হবে। ওরা টাকা লুট করবে। আমরা এটা তো মেনে নেব না। এই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি করেছে। রেশনে দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতি মামলায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। আমি পরামর্শ নিচ্ছি, কী ভাবে ওই টাকা বঞ্চিতদের ফেরত দেওয়া যায়। শিক্ষকের চাকরির জন্য গরিব মানুষেরা টাকা দিয়েছেন। আমি ওঁদের টাকা ফেরত দেব।” এরপর তিনি জনগনের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এই ভোটে তৃণমূলকে শিক্ষা দেওয়া খুব জরুরি। প্রতিটি বুথে তৃণমূলের জামানত জব্দ করতে হবে। প্রতিটি বুথে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিন। কোনও ভয় পাবেন না।”
আরও পড়ুন: “আইন এবং সংবিধানকে নষ্ট করার দল হচ্ছে তৃণমূল”, তোপ মোদির
চা শিল্প নিয়ে তৃণমূলকে তোপ মোদির
উত্তরবঙ্গে চা শিল্প নষ্ট হওয়ার জন্য তৃণমূলকে কাঠগড়ায় দাঁড়় করান প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে ছোট-বড় তৃণমূল নেতারা বাংলোয় থাকেন। আর চা শ্রমিকদের কোনও সুবিধা নেই। এই তৃণমূলের জমানায় একের পর এক চা কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এরপর তিনি বলেন,সবাইকে সঙ্গে নিয়ে, সবার বিশ্বাস জিতে, সবার উন্নয়ন করাই বিজেপির লক্ষ্য। এটাই তো বিকশিত ভারতের সংকল্প। এই সংকল্পের জন্য আজ প্রত্যেক ভারতীয় সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছেন। বিকশিত ভারতের স্বপ্নপূরণের জন্য আমার প্রতি মুহূর্ত দেশের জন্য সঁপে দিয়েছি। সেই জন্য আমি সর্বক্ষণ ২০৪৭ সালের কথা মাথায় রেখে কাজ করছি।’ তিনি বলেন, বিজেপি সরকার জি-২০-র বৈঠকের জন্য উত্তরবঙ্গকে এই কারণেই বেছে নিয়েছিল, যাতে এই এলাকাকে আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে জায়গা পেয়ে যায়। কেন্দ্রীয় সরকার এখানে চওড়া রাস্তা বানাচ্ছে, রেল যোগাযোগ উন্নত করছে। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনকে আধুনিক রূপ দেওয়ার জন্যও জোরকদমে কাজ চলছে। এই সব উদ্যোগের মধ্য দিয়েই নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। প্রত্যেকের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।’
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।



