Tag: school student

school student

  • Ragging: যাদবপুরের পর এবার বসিরহাটের স্কুল হস্টেলে র‍্যাগিং! পালিয়ে গেল তিন স্কুল পড়ুয়া

    Ragging: যাদবপুরের পর এবার বসিরহাটের স্কুল হস্টেলে র‍্যাগিং! পালিয়ে গেল তিন স্কুল পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। ফের র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় তোলপাড় শিক্ষামহল। এবার ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট। সিনিয়র দাদাদের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে স্কুলের হস্টেল থেকে পালিয়ে গেল তিন ছাত্র। মঙ্গলবার দেগঙ্গা থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির হাতে তুলে দিয়েছে। এর আগেও এই জেলায় বনগাঁ মহকুমায় একটি হস্টেল থেকে সিনিয়রদের র‍্যাগিংয়ে এক স্কুল পড়ুয়া গভীর রাতে হস্টেলের পাঁচিল টপকে বাড়ি পালিয়ে যায়। ফের দেগঙ্গায় একই ঘটনা ঘটায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বেলা একটা নাগাদ দেগঙ্গার বেড়াচাঁপা বাজারে স্কুলের পোশাকে তিন ছাত্রকে উদ্দেশ্যহীন  ঘোরাঘুরি করতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ছাত্রদের পড়নে যে স্কুলড্রেস ছিল, তা এলাকার কোনও স্কুলের নয়। তাই, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের একটি দোকানে বসিয়ে রাখেন। এরপরই তাঁরা থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে দেগঙ্গা থানার পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে, তারা তিনজন  মাটিয়া থানার বেলে ধান্যকুড়িয়া হাইস্কুলের ছাত্র। দুজন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। অন্যজন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। একজনের বাড়ি হাবড়া ও অন্য দুই ছাত্রের বাড়ি নদিয়া জেলার কল্যাণী ও শান্তিপুরে। তারা হস্টেলে থেকেই পড়াশোনা করত। তিন পড়ুয়ার অভিযোগ, হস্টেলের সিনিয়র দাদারা তাদের মারধর করে। নানা অত্যাচার করে। হস্টেলে থাকতে পাচ্ছিলাম না। তাই, তারা হস্টেল ছেড়ে পালিয়েছিল।

    পুলিশ প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করল?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল পর্যন্ত থানায় র‍্যাগিংয়ের কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। ওই তিন ছাত্রের অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়েছে। আপাতত উদ্ধার হওয়া তিন ছাত্রকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিশনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। অভিভাবকরা আসার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যাদবপুরের ঘটনার পর ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ ঘিরে বিভিন্ন মহলে উঠেছে। বিশেষ করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Habra: যাদবপুরের পর হাবড়া! রাতে পাঁচিল টপকে হস্টেল ছেড়ে পালাল নবম শ্রেণির পড়ুয়া, কেন জানেন?

    Habra: যাদবপুরের পর হাবড়া! রাতে পাঁচিল টপকে হস্টেল ছেড়ে পালাল নবম শ্রেণির পড়ুয়া, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরকাণ্ডের পর এবার হাবড়ার (Habra) বাণীপুর। স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল উঁচু ক্লাসের পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। প্রাণের ভয়ে গভীর রাতে হস্টেলের উঁচু পাঁচিল টপকে রাতের অন্ধকারে প্রায় ১০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে বাড়ির দিকে পালায় ওই পড়ুয়া। কিন্তু, মাঝপথে ওই পড়ুয়াকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় পথ আটকায় বাজারের নৈশপ্রহরীরা। পরে, হাবড়া থানার পুলিশের উপস্থিতিতে রাতেই ছেলেটির বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে নিন্দার ঝড় রাজ্য জুড়ে। এরই মধ্যে হাবড়া (Habra) পুরসভার ওই স্কুলে উঠল র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ। অভিযোগ, শুক্রবার রাতে ওই স্কুলের নবম শ্রেণির এক পড়ুয়া র‍্যাগিং এর শিকার হন উঁচু ক্লাসের পড়ুয়াদের কাছে। প্রথমে ওই নবম শ্রেণির পড়ুয়াকে মারধর করা হয়। পরবর্তীতে জ্যামিতি বক্সের কম্পাস দিয়ে ওই পড়ুয়ার হাত কেটে দেওয়া হয়। এক প্রকার প্রাণ বাঁচতে বাদুড়িয়া থানার মাদ্রা এলাকার ওই পড়ুয়া গভীর রাতে হস্টেল থেকে পালিয়ে যায়। রাতের অন্ধকারে ১০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে যাওয়ার পরে হাবরা থানার কুমড়া বাজার এলাকায় বাজারের পাহারায় থাকা পাঁচ নৈশপ্রহরী যুবক স্কুল পড়ুয়ার পথ আটকায়। তখনই গোটা ঘটনা সে খুলে বলে। পরে, নৈশপ্রহরীদের পক্ষ থেকে হাবড়়া থানায় খবর দেওয়া হয়। একইসঙ্গে খবর দেওয়া হয় পড়ুয়ার বাড়িতে। ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এরপরে ওই পড়ুয়াকে তার বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়। নবম শ্রেণির পড়ুয়ার বক্তব্য, সামান্য বিষয় নিয়ে সিনিয়রা আমাদের উপর অত্যাচার করে। জল না নিয়ে আসার কারণে আমাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। কম্পাস দিয়ে আমার হাত কেটে দেওয়া হয়।

    কী বললেন নৈশ প্রহরীরা?

    হাবড়া (Habra) বাজারের দায়িত্বে থাকা নৈশ প্রহরীরা বলেন, আমরা না দেখলে হয়তো ওই স্কুল পড়ুয়ার বড় বিপদ হত। একদিকে যাদবপুরে এরকম ঘটনা ঘটেছে, সেখানে দাঁড়িয়ে কি করে একটি ছেলে র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়ে হস্টেল থেকে বেরিয়ে এত বড় পাঁচিল টপকে দশ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে এলো? এত রাতে পালিয়ে আসতে গিয়ে পথেও তো ছেলেটির বড় কোনও বিপদ হতে পারত? স্কুল এবং হস্টেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও  প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Student Death: কসবায় পাঁচতলা থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু, স্কুলের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পরিবারের

    Student Death: কসবায় পাঁচতলা থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু, স্কুলের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের পাঁচতলা থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু (Student Death)। সোমবার দুপুরে খোদ কলকাতা শহরের কসবা এলাকার ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। দশম শ্রেণির ওই ছাত্র আত্মঘাতী হয়েছে কিনা, তা জানা যায়নি। যদিও মৃত ছাত্রের পরিবারের তরফে স্কুলের বিরুদ্ধে মানসিক চাপ সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়েছে।

    মৃতের পরিবারের অভিযোগ

    মৃত ছাত্রের বাবা বলেন, “আজ একটি প্রজেক্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। দিতে পারেনি বলে ওকে বকাবকি করা হয়েছিল। সবার সামনে কান ধরে দাঁড় করিয়েও রাখা হয়েছিল। নিশ্চয়ই ও অপমানিত বোধ করেছিল।” ছাত্রটি কীভাবে পাঁচতলায় পৌঁছল, সেই প্রশ্নও তুলেছে তার পরিবার। স্কুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। মৃত ছাত্রের পরিবারের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষের বয়ানে রয়েছে অসঙ্গতি। মৃত ছাত্রটি বাবা বলেন, “করোনা অতিমারির সময় এই স্কুলের বেতন কমানো হচ্ছিল না বলে আমি অন্য অভিভাবকদের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একত্রিত করেছিলাম। অভিভাবকদের চাপে ৩৩ শতাংশ বেতন কমানো হয়েছিল। সেই সময়ই প্রধান শিক্ষিকা আমাকে বলেছিলেন, আপনাকে চিহ্নিত করে রাখা হল। তখনই বুঝেছিলাম, ওরা আমার ছেলের ক্ষতি করবে। আমরা ধারণা, স্কুলেই ওকে মারধর করা হয়েছে। পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।”

    তদন্ত শুরু পুলিশের 

    জানা গিয়েছে, কসবার রথতলার সিলভার পয়েন্ট স্কুলে পড়ত ওই ছাত্র। পুলিশ জানিয়েছে, এদিন দুপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্র স্কুলের পাঁচতলা থেকে নীচে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। ছাত্রটি আত্মঘাতী (Student Death) হয়েছে নাকি তাকে কেউ ঠেলে ফেলে দিয়েছে, তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    আরও পড়ুুন: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

    মৃত ছাত্রের বাবার দাবি, তাঁর ছেলের শরীরের কোনও হাড় ভাঙেনি। পাঁচতলা থেকে পড়লে যা স্বাভাবিক। তাঁর ছেলের কান ও মুখ থেকে রক্ত পড়তে দেখেছেন তিনি। ঘটনার পর পরই স্কুলের তরফে ফোন করা হয় তাঁকে। বলা হয়, তাঁর ছেলে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েছে। তবে চিকিৎসার পর সুস্থ রয়েছে। অথচ হাসপাতালে গিয়ে ছেলের মৃত্যু সংবাদ পান তিনি। এ ব্যাপারে অবশ্য স্কুল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share