Tag: sco summit 2022

sco summit 2022

  • SCO summit 2022: সন্ত্রাসবাদ থেকে জলবায়ু, আজ এসসিও বৈঠকে আলোচ্য সূচি কোন কোন বিষয়?

    SCO summit 2022: সন্ত্রাসবাদ থেকে জলবায়ু, আজ এসসিও বৈঠকে আলোচ্য সূচি কোন কোন বিষয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (SCO) একটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলনে (SCO summit 2022) যোগ দিতে বৃহস্পতিবার উজবেকিস্তানে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Uzbekistan)। ইউক্রেন সংকটের মুহূর্তে এই সম্মেলনকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণবলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, চিন এবং রাশিয়া এসসিও-র (Bilateral Talk with Russia and China) অন্যান্য সদস্য দেশগুলিকে নিজেদের পক্ষে আনতে এই মঞ্চকে কাজে লাগাতে পারে। 

    আরও পড়ুন: শুক্রবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-পুতিন, কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

     



     
    ১৫ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গেই এই সময়ে সম্মেলনে যোগ দিতে উজবেকিস্তানে পৌঁছেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন। এই সম্মেলনের মাঝে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকও হতে পারে নরেন্দ্র মোদির। বৈঠক হতে পারে উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও। গত তিনবছরে এই প্রথমবার মোদি-জিনপিং মুখোমুখি সাক্ষাতের একটি সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।  

    https://www.pib.gov.in/PressReleseDetailm.aspx?PRID=1859532

    সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এরপরের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দিল্লিতে। যার কারণে এবারের সামিট খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে ভারতের কাছে। চিন, রাশিয়ার পাশাপাশি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং ইরানের ইব্রাহিম রাইসিকেও। গত ছ মাস ধরে সমরকন্দে প্রস্তুতি চলছে এই সামিটের। প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে সাংহাইয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় এই সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন। বর্তমানে আটটি সদস্য দেশ, চিন, ভারত, কাজাখাস্তান, কির্গিজস্তান, রাশিয়া, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান রয়েছে এসসিও-র।

    আরও পড়ুন: প্রথমে রাখা হবে কোয়ারান্টাইনে! আফ্রিকা থেকে বিশেষ বিমানে আসছে আটটি চিতা

    সম্প্রতি লাদাখে হট স্প্রিংয়ে পয়েন্ট-১৫ থেকে নিজেদের সৈন্য প্রতাহার করেছে ভারত এবং চিন। ২০২০ সালের থেকে লাদাখে ভারত-চিন টানাপোড়েন জারি রয়েছে। ২০২০ সালের জুন মাসে এই টানাপোড়েন ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে। ২০ জন ভারতীয় সেনা প্রাণ হারান। এরপর থেকে ক্রমেই অবনতি ঘটেছে ভারত-চিন সম্পর্কের। তাই সমরকন্দে মোদির সঙ্গে জিনপিংয়ের বৈঠক ঘিরে তৈরি হচ্ছে জল্পনা। যদিও দুই দেশের তরফে এই বিষয়ে কোনও কিছু বলা হয়নি। তবে মুখোমুখি বৈঠক না হলেও সম্মেলন চলা কালীন অন্তত দুটি সেশনের জন্য মোদি এবং জিনপিং একই ঘরে উপস্থিত থাকবেন। 

    দিনভর ঠাসা কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী মোদির। বিদেশ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শীর্ষ সম্মেলনের মাঝে প্রধানমন্ত্রী মোদি কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। কাদের সঙ্গে হবে এই বৈঠক সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, উজবেক প্রেসিডেন্ট শাভকাত মির্জিওয়েভ, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে পারেন মোদি। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে উঠে আসতে পারে রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যু। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।   

    আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই উত্তাল সময়ে এই সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যু থেকে সন্ত্রাসবাদ এই সম্মেলনের আলোচনা ছুঁয়ে যাবে সমস্ত আন্তর্জাতিক সমস্যাকে। উঠে আসতে পারে সমাধান  সূত্রও।  এছাড়াও আলোচনার বিষয় হবে, জলবায়ু, অর্থনীতি, উন্নয়ন, বিনিয়োগ। তাই এই সম্মেলন নিয়ে আশাবাদী ওয়াকিবহাল মহল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SCO Summit 2022: মোদির মুখোমুখি শি, শেহবাজ! এবারের এসসিও সম্মেলনে ভারতের গুরুত্ব কতটা?

    SCO Summit 2022: মোদির মুখোমুখি শি, শেহবাজ! এবারের এসসিও সম্মেলনে ভারতের গুরুত্ব কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হল ২২তম সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন সামিট, সংক্ষেপে এসসিও (SCO)। দু দিনের এই সম্মেলন শুরু হয়েছে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে। ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), চিনের (China) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping), রাশিয়ার (Russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin), পাকিস্তানের (Pakistan) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) যোগ দিয়েছেন এই সম্মেলনে। এই প্রথম বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখোমুখি হবে এই সম্মেলনে। কারণ অতিমারির কারণে এর আগে দুবার এসসিও সামিট হয়েছিল ভার্চুয়ালি।এক মঞ্চে জিনপিং এবং পুতিনের আগমনে যেমন নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত পাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহল, তেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিও নজর কাড়ছে বিশ্ববাসীর।

    আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, মাদক পাচার, সন্ত্রাসবাদ বিরোধী ইস্যু সহ নানা বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করে ভারত। এসসিও ভারতকে বহুপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে। যদিও ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলি ভারতে সামাজিক ক্ষত তৈরি করতে যুবসমাজকে টার্গেট করছে বলে অভিযোগ। ভারত যখন থেকে এসসিওর সদস্য হয়েছে, তখন থেকেই শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ইউরেশিয়ান অঞ্চলে স্থায়িত্বের ওপর জোর দিচ্ছে। এসসিও নয়াদিল্লির কাছে একটা প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করছে। যার মাধ্যমে পাকিস্তানকে সেন্ট্রাল এশিয়া এবং সাউথ এশিয়া সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে বাধ্য করে। ভারত এই সম্মেলনে ছাবাহার বন্দর প্রোজেক্ট এবং ইন্টারন্যাশনাল নর্থ সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর নিয়েও আলোচনা করতে পারে। ভারত, ইরান এবং উজবেকিস্তান এই তিন দেশ ছাবাহার বন্দর ও অন্যান্য কানেক্টিভিটি প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করেছিল ২০২০ সালে।এই সামিটের মাধ্যমে ভারত রাশিয়া, ইরান এবং সেন্ট্রাল এশিয়ান রিপাবলিক্সের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার একটা সুযোগ পেল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন : শুক্রবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-পুতিন, কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

    এদিকে, এই সম্মলেনর ফাঁকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকে বসতে পারেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মোদির আলাদা করে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ভারত রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনেছে। তাই এই বৈঠকের দিকে শ্যেনদৃষ্টি রয়েছে আমেরিকারও। এদিকে, এবারের সমরখন্দ সামিটে যোগ দেওয়ার কথা শি জিনপিংয়ের। ২০২০ সালের পর অতিমারির কারণে তিনি দেশের বাইরে পা রাখেননি। তাই তিনি এই সামিটে যোগ দেওয়ায় শুরু হয়েছে নয়া গুঞ্জন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share