Tag: sdpi

sdpi

  • SDPI Riyaz: গরু জবাই নিয়ে মন্তব্য করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে এসডিপিআই নেতার জেল

    SDPI Riyaz: গরু জবাই নিয়ে মন্তব্য করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে এসডিপিআই নেতার জেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের বেলথাঙ্গাডির একটি আদালত ২০১৫ সালের একটি সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক বক্তৃতা মামলায় সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি অব ইন্ডিয়ার (SDPI Riyaz) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ ফারাঙ্গিপেটেকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। আদালত তাঁকে ছ’মাসের কারাদণ্ডের (Cow Slaughter Beef Case) পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। মামলাটি ২০১৫ সালের ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ ধারায় দায়ের হয়েছিল। ওই ধারায় বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ উসকে দেওয়া এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার মতো কার্যকলাপকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। রায়ের পর ম্যাজিস্ট্রেট রামালিঙ্গাপ্পা রিয়াজকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, তাঁর বক্তৃতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছিল।

    ২০১৫ সালের বিক্ষোভ থেকে মামলার সূত্রপাত (SDPI Riyaz)

    পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের জুলাই মাসে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ার এক বিক্ষোভ সভায় রিয়াজ বক্তব্য রাখেন। গোরক্ষার নামে মুসলিমদের উপর হামলা অব্যাহত থাকলে প্রকাশ্যে গরু জবাই করে গরুর মাংস বিক্রির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। তদন্তকারী সংস্থার নথি অনুযায়ী, বকরি ইদ উপলক্ষে বেলথাঙ্গাডি বাসস্ট্যান্ডের সামনে প্রকাশ্যে গরুর মাংস বিতরণ করা হবে বলেও তিনি দাবি করেছিলেন। সেই কর্মসূচি আটকানোর চেষ্টা হলে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ২০১৫ সালের ওই মামলায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ এবং ২৯৫এ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছিল। বিচারের সময় পুলিশ নথিপত্র ও সাক্ষ্যপ্রমাণ আদালতে পেশ করে। তদন্তকারী আধিকারিক রবি বিএস মামলার তদন্ত চালিয়ে রিপোর্ট জমা দেন। আদালতে সরকারি আইনজীবী আশিথার সওয়াল, উপস্থাপিত প্রমাণ থেকে স্পষ্ট যে ওই বক্তব্য সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা উসকে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল এবং তা সংশ্লিষ্ট দণ্ডবিধির আওতায় অপরাধ।দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জানায়, রিয়াজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রসিকিউশন বা সরকারি পক্ষ সফলভাবে প্রমাণ করতে পেরেছে। এরপরই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ছ’মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    পিএফআইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক

    কর্নাটকের দক্ষিণ কন্নড় জেলার রাজনৈতিক নেতা রিয়াজ বর্তমানে এসডিপিআইয়ের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক। এসডিপিআই নিজেকে একটি স্বাধীন রাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি করে এবং দলটি নিষিদ্ধ নয়। তবে বিভিন্ন তদন্তে এসডিপিআইয়ের মাধ্যমে পিএফআইয়ের প্রাক্তন সদস্যদের রাজনৈতিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।পিএফআইকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের অধীনে কেন্দ্রীয় সরকার নিষিদ্ধ করে। সরকারি নথিতেও বেলথাঙ্গাডির ২০১৫ সালের মামলায় পিএফআইয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্তের উল্লেখ রয়েছে।

    আরও কয়েকটি মামলায় নাম জড়িয়েছিল রিয়াজের

    ২০১৯ সালে মেঙ্গালুরুতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জির বিরুদ্ধে হিংসাত্মক বিক্ষোভের সময় হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে লোকজনকে সংগঠিত করার অভিযোগও রিয়াজের বিরুদ্ধে ওঠে। সেই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিহারে একটি জনসভা বানচাল করার কথিত ষড়যন্ত্রের তদন্তের অংশ হিসেবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা রিয়াজের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তবে রিয়াজ ওই অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং মামলাটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন (SDPI Riyaz)।

    গরু জবাইয়ের হুমকি নিয়ে বিতর্ক

    প্রকাশ্যে গরু জবাই ও গরুর মাংস বিক্রির হুমকির অভিযোগ ঘিরে রিয়াজের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত এসডিপিআই সদস্যদের পক্ষ নেওয়ার কারণেও তিনি রাজনৈতিক বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন। দলটির দাবি ছিল, ওই ঘটনায় উপস্থাপিত প্রমাণ বিকৃত করা হয়েছিল। সম্প্রতি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়েও রিয়াজের বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, তিনি এই প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য করেছেন। তবে ২০১৫ সালের বক্তৃতা মামলায় আদালতের রায়টি নির্দিষ্ট অভিযোগ, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও সেই সময়কার ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারার ভিত্তিতেই দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ঘটনায় বর্তমান ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা প্রয়োগের প্রশ্ন (Cow Slaughter Beef Case) ওঠে না, মামলাটি ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ ধারায়ই হয়েছিল। পরবর্তীকালে কার্যকর হয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (SDPI Riyaz)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত ও বিদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন, একাধিক ঘটনায় উদ্বেগ

    Hindus Under Attack: ভারত ও বিদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন, একাধিক ঘটনায় উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর হামলার ঘটনা ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে (Hindus Under Attack)। হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি অপবিত্র করা, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—বিভিন্ন ধরনের ঘটনার উল্লেখ রয়েছে সাপ্তাহিক এক প্রতিবেদনে (Roundup Week)। ২৬ জুলাই থেকে ১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ঘটনাগুলিকে তুলে ধরে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বের বহু অঞ্চলে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন ধীরে ধীরে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এর পেছনে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ, ধর্মীয় মতাদর্শ এবং রাজনৈতিক অবস্থানের ভূমিকা রয়েছে।

    ভারতে একাধিক ঘটনা নিয়ে অভিযোগ (Hindus Under Attack)

    কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে ছাত্রদের একটি বিক্ষোভ চলাকালীন জেলে থাকা ইসলামপন্থী উগ্রপন্থী উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের প্রশংসাসূচক লেখা-সহ উসকানিমূলক প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে অজ্ঞাতপরিচয় এক মহিলার বিরুদ্ধে। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভের আড়ালে দেশবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগও তোলা হয়েছে। বিবিসির ভারতীয় সংবাদকর্মী গীতা পাণ্ডের বিরুদ্ধে ভারতের হিন্দু ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মহাকুম্ভকে “দৃশ্য প্রদর্শনী”, রামমন্দিরকে “ধ্বংস করা মসজিদ” এবং “জয় শ্রী রাম”-কে “হত্যার স্লোগান” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    অবৈধ ধর্মান্তর

    উত্তরপ্রদেশে অবৈধ খ্রিস্টান ধর্মান্তর কার্যকলাপের অভিযোগে একটি আন্তঃরাজ্য চক্রের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। লখনউয়ের মোহনলালগঞ্জ এলাকা থেকে পরিচালিত ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। ধৃতদের মধ্যে মূল অভিযুক্ত যাজক ড্যানিয়েল এবং তাঁর স্ত্রীও রয়েছেন। তামিলনাড়ু থেকে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলায় এই নেটওয়ার্কের যোগাযোগ ছিল এবং প্রলোভন ও সংগঠিত প্রার্থনাসভার মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষকে ধর্মান্তরের জন্য নিশানা করা হত বলে দাবি পুলিশের। শিক্ষা সংস্কার এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন-উত্তর সময়ে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্কের রূপ নেয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনের অভিযোগ, আন্দোলনে অংশ নেওয়া কিছু ব্যক্তির বক্তব্য ছিল হিন্দু-বিরোধী এবং মুসলিমপন্থী। হিন্দু-বিরোধী বক্তব্য আন্দোলনের মঞ্চ থেকে ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

    হিন্দু ধর্ম অবমাননা!

    দিল্লির যন্তর মন্তরের ছাত্র বিক্ষোভ পাকিস্তান থেকে পরিচালিত বলে সন্দেহ করা ৪০০-রও বেশি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করে বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ। উপ-পুলিশ কমিশনার রোহিত রাজবীর সিংয়ের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। এআই দিয়ে তৈরি ভুয়ো ভিডিও, বিকৃত ছবি এবং এডিটেড সরকারি বিবৃতি ব্যবহার করে জনমত বিভ্রান্ত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার জন্য একটি আন্তঃসীমান্ত অপপ্রচার চালানো হচ্ছিল বলে পুলিশের অভিযোগ। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে হিন্দু ধর্ম অবমাননা করার অভিযোগ তুলেছেন প্রতিবেদকরা। বিজেপির সমালোচনার আড়ালে তিনি ধারাবাহিকভাবে হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় প্রধান বিচারপতির সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত অভিজিৎ দীপকেকে ভগবান বিষ্ণুর অবতার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি হিন্দু ধর্মকে অপমান করেছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    হিন্দু ‘সেজে’ বিপাকে মনোয়ার আনসারি

    ঝাড়খণ্ডের সাহিবগঞ্জ জেলার বারহেটের বাসিন্দা মনোয়ার আনসারির বিরুদ্ধে ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে রাঙ্গার এক নাবালিকা হিন্দু মেয়েকে প্রলোভিত করার অভিযোগ উঠেছে। মেয়েটির মায়ের দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত নিজেকে মনোহর বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ তাঁকে জেলে পাঠিয়েছে। আদালতে রেকর্ড করা হয়েছে মেয়েটির বয়ানও (Roundup Week)। এক হিন্দু কিশোরীকে ধর্ষণ, নির্যাতন এবং তাঁর আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে ভয়াবহ এক ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। শোয়েব, সালমান এবং আরও এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। হোটেল থেকে আতঙ্কিত অবস্থায় বেরিয়ে আসার সময় জনৈক হিমাংশু পটেল, দেবেন্দ্র পটেল এবং নির্দোষ রাঠোর তাঁর ছবি তুলে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন বলে (Hindus Under Attack) অভিযোগ। শারীরিক ও মানসিক আঘাতে জর্জরিত নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী শেষমেশ আত্মহত্যা করেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ

    জাতীয় পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে লোকসভায় আলোচনার সময় আইআইটি মাদ্রাজের অধিকর্তা ভি কামাকোটিকে উদ্দেশ করে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরার মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি “গোমূত্র” শব্দ ব্যবহার করে কটাক্ষ করেছেন। উত্তরপ্রদেশের মিরাটে এক তরুণীকে ভুয়ো পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের মা ও মাসির হুমকির পর ওই তরুণী বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত আরমান, তাঁর মা ও মাসির বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলা করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। কর্নাটকে হিন্দু জনজাগৃতি সমিতির গুরু পূর্ণিমা মহোৎসব নিয়ে এসডিপিআই নেতা আশরাফের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বান্টওয়াল থানায় অভিযোগ দায়ের করে তিনি আয়োজকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং গুরু পূর্ণিমার অনুষ্ঠানকে “দেশ-বিরোধী” বলে অভিহিত করেন। ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও ভক্তরা।

    হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও বৈষম্যের অভিযোগ

    প্রতিবেদনটির দাবি, অধিকাংশ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষমূলক অপরাধের পেছনে নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব রয়েছে। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হলেও, নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে দাবি করা দেশগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব রয়েছে বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় সরাসরি চোখে পড়ে না। আইন, সরকারি নীতি এবং সামাজিক আচরণের দীর্ঘমেয়াদি ধারা বিশ্লেষণ করলে এর উপস্থিতি বোঝা যায় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবহারের ওপর ধীরে ধীরে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তিতে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও, বৃহত্তর পরিসরে হিন্দু ধর্মীয় উৎসবের ওপর আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং সেগুলির যুক্তির (Roundup Week) মধ্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে।প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে, হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ও বৈষম্যের ঘটনাগুলিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে (Hindus Under Attack) বৃহত্তর মানবাধিকার সঙ্কটের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

     

  • Kerala: “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকারের আচরণে নজর রাখতে হবে”, বললেন বিজেপি নেতা

    Kerala: “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ সরকারের আচরণে নজর রাখতে হবে”, বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF)-এর নয়া সরকারকে সতর্ক করে দিলেন কেরল বিজেপির (Kerala) সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর। শনিবার তিনি জানান, ইউডিএফ বিধানসভা নির্বাচনে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ভুয়ো প্রচারের মাধ্যমে (BJP Chief Slams) জয়ী হয়েছে। তাঁর অঙ্গীকার, রাজ্যের পক্ষে বিপজ্জনক শক্তিগুলি সরকারকে ‘রিমোট কন্ট্রোল’ করছে কি না, সেই বিষয়েও কড়া নজর রাখবে বিজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য (Kerala)

    মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বিজেপির এই নেতা বলেন, “জামাত-ই-ইসলামি এবং এসডিপিআইয়ের মতো শক্তিগুলি এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে—এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি এমন একটি বিষয়, যা শুধু আজ বা আগামিকাল নয়, আগামী কয়েক মাস ও বছর ধরে গভীরভাবে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা দরকার। আমাদের এই সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং দেখতে হবে যে, কতটা এই সরকার এমন শক্তির দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে যারা আমাদের রাজ্যের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। এসডিপিআই এবং জামাত-ই-ইসলামির মতো সংগঠনগুলিকে মূলধারায় আনা আমাদের রাজ্যের পক্ষে ভালো নয়, কোনও মালয়ালির জন্যই ভালো নয়।”

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    চন্দ্রশেখর জানান (Kerala), নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, দুর্নীতি, ভোটব্যাঙ্ক তোষণ এবং মালয়ালি সমাজকে বিভক্ত করার রাজনীতির বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP Chief Slams) ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, “কংগ্রেস এমন কিছু প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে এই জনসমর্থন পেয়েছে, যা তারা কখনও পূরণ করতে পারেনি। তারা সিপিএম ও বিজেপির মধ্যে গোপন সমঝোতার ভুয়ো গল্প রটিয়েছে এবং এফসিআরএ (FCRA) নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালিয়েছে। আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, আমরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেও বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে দুর্নীতি, কোনও সম্প্রদায়কে তোষণ, অথবা মালয়ালিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির যে কোনও প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব।”

    তিনি আরও বলেন, “আজ (শনিবার) সকালে মুখ্যমন্ত্রী মনোনীত ভিডি সতীশন আমায় ফোন করেছিলেন এবং অত্যন্ত সৌজন্যের সঙ্গে ১৮ তারিখের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানান। আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাও জানাই এবং বলি যে, আমি অবশ্যই আমার সহকর্মী বিধায়ক ও দলীয় কর্মীদের নিয়ে উপস্থিত থাকব।” তিনি এও বলেন, “এই নির্বাচনকে ‘পরিবর্তনের জনাদেশ’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এলডিএফ (LDF)-এর দশ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেরলে এলডিএফ সরকারের এক দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে (Kerala) নিরঙ্কুশ জয় লাভ করেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। সতীশন ১৮ মে সকাল ১০টায় লোকভবনে (পূর্বতন রাজ্যপাল ভবন) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে (BJP Chief Slams) শপথ নেবেন।

     

LinkedIn
Share