Tag: search operation

search operation

  • Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত হলেন পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার, ২২শে এপ্রিল, সুপ্রিম কোর্ট ভর্ৎসনা করে। চলতি বছরের শুরুতে কলকাতার একটি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থায় ইডি (Supreme Courts) পরিচালিত তল্লাশি অভিযানে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার জেরে ভর্ৎসিত হন তিনি। বিচারপতি পিকে মিশ্র এবং এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানায়, একজন মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের আচরণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আদালত স্পষ্ট করে দেয়, এটি কেন্দ্র বনাম রাজ্যের বিরোধ নয়, বরং একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির কাজ। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এটি রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে কোনও বিরোধ নয়। কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের মাঝখানে ঢুকে পড়তে পারেন না। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়…।” বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এই ধরনের আচরণ গোটা গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।”

    বিচারপতিদের বক্তব্য (Supreme Courts)

    বিচারপতিরা আরও বলেন, “বিআর আম্বেদকর এবং এইচএম সীরভাইয়ের মতো সাংবিধানিক চিন্তাবিদরাও এমন পরিস্থিতি কল্পনা করতে পারেননি।” শুনানির সময় বেঞ্চের মন্তব্য, “আপনি আমাদের সীরভাই, আম্বেদকর সম্পর্কে বলছেন, কিন্তু তাঁদের কেউই ভাবতে পারেননি যে একদিন কোনও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটি অফিসে ঢুকে পড়বেন…।” আদালত সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে ইডির দায়ের করা আবেদনে এই হস্তক্ষেপের অভিযোগে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের এক পুলিশ কর্তার পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী মেনেকা গুরুস্বামীর যুক্তি, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয় (Mamata Banerjee)।

    সাধারণ ঘটনা নয়

    তিনি বলেন, “আমি গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বলছি… এখানে কোনও অপরাধমূলক কাজ বা ভয় দেখানো হয়নি। তাই এত গুরুতর হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই। যদিও আদালত এই যুক্তির সঙ্গে একমত হয়নি। তাদের বক্তব্য, প্রতিটি আইনি প্রশ্ন বড় বেঞ্চে পাঠানোর প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি প্রশ্নেই কিছু আইনি দিক থাকবে। তাই বলে প্রতিটি ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের আবেদন ৫ বিচারপতির বেঞ্চে যাবে না (Supreme Courts)।” বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করে এবং বলে এটি কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। তারা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির উল্লেখ করে, যেখানে আধিকারিকদের বাধা দেওয়া হয়েছে, এবং জানায় যে, আদালত এসব উপেক্ষা করতে পারে না। আদালত বলে, “আমরা বাস্তবতা থেকে চোখ বন্ধ করতে পারি না… এটি রাম ও শ্যামের মধ্যে মামলা নয়। এটি এক অসাধারণ পরিস্থিতি, যেখানে বিষয়ের পরিধি সম্পূর্ণ আলাদা।”

    তল্লাশিতে বাধা

    এই মন্তব্যগুলি এসেছে প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরার যুক্তির প্রতিক্রিয়ায়, যেখানে তিনি বলেন, ইডি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যেতে পারত। এদিকে, ৮ই জানুয়ারি, ২০২৬-এ ইডি আই-প্যাকের অফিস এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাসভবনে তল্লাশি চালায়। এই অভিযানটি ২০২০ সালের কয়লা পাচার কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচারের তদন্তের অংশ ছিল, যেখানে ব্যবসায়ী অনুপ মাজির নাম জড়িত (Mamata Banerjee)। তল্লাশির সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, টিএমসি নেতৃবৃন্দ এবং রাজ্য পুলিশ-সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযানে বাধা দেন। তাঁরা আধিকারিকদের সঙ্গে তর্ক করেন এবং নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেমন একটি ল্যাপটপ এবং একটি আইফোন সরিয়ে নেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তিনি দলীয় তথ্য বিজেপির হাতে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এই কাজ করেছিলেন (Supreme Courts)।

     

  • ED Raid Kolkata: নিয়োগ ‘দুর্নীতি’র তদন্তে সকালেই বড়বাজার-মানিকতলা সহ ৯ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    ED Raid Kolkata: নিয়োগ ‘দুর্নীতি’র তদন্তে সকালেই বড়বাজার-মানিকতলা সহ ৯ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শহরের একাধিক জায়গায় হানা দিল ইডি। বড়বাজার, মানিকতলা, নিউ আলিপুর সহ প্রায় ৯টি জায়গায় তদন্ত চালায় ইডির আধিকারিকরা। অভিযানে ইডির (ED Raid Kolkata) সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও রয়েছেন। ইডির আধিকারিকরা এই তল্লাশি সম্পর্কে প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি। সূত্রের খবর, প্রাথমিকে শিক্ষক দুর্নীতি মামলার তদন্তেই অভিযান।

    কোথায় কোথায় তল্লাশি

    বৃহস্পতিবার সকালে ডালহৌসি অঞ্চলের একটি অফিসে, বড়বাজারের একটি অফিসে এবং সল্টলেকের বেঙ্গল কেমিক্যালসে দেখা যায় ইডি (ED Raid Kolkata) আধিকারিকদের। ইডির তরফে এই তল্লাশির কারণ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানা না-গেলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকে শিক্ষক দুর্নীতি মামলার তদন্তের সূত্রেই এই অভিযান। বড়বাজারে যে জায়গায় ইডি আধিকারিকেরা হানা দিয়েছেন, সেটি এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টের অফিস বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, হিসাবে গরমিল সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্তের সূত্রেই সেখানে হানা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ডাল, আটার পর সরকারি চাল! ২৫ টাকা কেজি দরে বাজারে আসছে ‘ভারত রাইস’

    কেন তল্লাশি

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে তৎপর পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টেরও বেঁধে দেওয়া ডেডলাইন রয়েছে। তাই বছর শেষেও তৎপর ইডির আধিকারিকরা। এদিন সকালে বড়বাজারে ক্যানিং স্ট্রিট এলাকায় রাজেশ যোশী নামে এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্টের অফিসে তল্লাশির জন্য পৌঁছে যান। সূত্রের খবর, ওই অফিসের মালিকের সঙ্গেও কথা বলবেন ইডির (ED Raid Kolkata) গোয়েন্দা দল। আপাতত গোটা অফিসটি ঘিরে ফেলেছেন সিআরপিএফ জওয়ানরা।  অন্যদিকে বেঙ্গল কেমিক্যালস বাসস্টপের কাছে মণিকলা আবাসনের ১৬ ও ১৮ তলায় দু’জন ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটেও তল্লাশির জন্য পৌঁছে গিয়েছে এজেন্সি। সেখানেও নানা কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, শহরের এই জায়গাগুলিতে গিয়ে সেখান থেকে কোনও নথি উদ্ধার করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই দলে কয়েকজন মহিলা অফিসারও রয়েছেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share