Tag: security

security

  • Bangladesh: ভীত বাংলাদেশ! ত্রিপুরার উপ-দূতাবাস বন্ধ করল ঢাকা, অমিল ভিসা পরিষেবা

    Bangladesh: ভীত বাংলাদেশ! ত্রিপুরার উপ-দূতাবাস বন্ধ করল ঢাকা, অমিল ভিসা পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তির আঁচ পেয়ে ত্রিপুরায় এবার বন্ধ হল বাংলাদেশ (Bangladesh) সহকারী হাইকমিশন বা উপ-দূতাবাস। মঙ্গলবার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়, আপাতত ভিসা এবং কনস্যুলার কাজ বন্ধ থাকবে। নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কারণ দেখিয়েই সহকারী হাইকমিশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগরতলায় বাংলাদেশের উপ-দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভের ঘটনায় ভারতের রাষ্ট্রদূতকেও তলব করেছে ইউনূস সরকার। ত্রিপুরার ঘটনায় বাংলাদেশের উদ্বেগ প্রকাশের পর ট্যুইট করেছেন বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

    হিন্দুদের উপরে অত্যাচারের প্রতিবাদ 

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের উপরে নির্বিচারে হওয়া অত্যাচারের প্রতিবাদ হচ্ছে দিকে দিকে। ত্রিপুরার আগরতলাতেও প্রতিবাদ হচ্ছিল। বিক্ষোভ চলাকালীন কিছু বিক্ষুব্ধ জনতা সহকারী হাইকমিশন চত্বরে ঢোকার চেষ্টা করে। এই ঘটনার নিন্দা করেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। ভারত সরকারের তরফেও এই ঘটনার দুঃখপ্রকাশ করা হয়। ভাঙচুরের ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাসপেন্ড করা হয়েছে ৩ পুলিশ অফিসারকে। বদলি করা হয়েছে পুলিশের আরও এক কর্তাকেও। তবে, এই ঘটনায় ভয় পেয়েছে বাংলাদেশ, এমনটাই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। বিশেষজ্ঞদের দাবি, দোষীদের শাস্তি দিয়ে এবং ঘটনার প্রতিবাদ করে সংখ্যালঘুদের কীভাবে নিরাপত্তা দিতে হয়, তা দেখিয়ে দিল ভারত। বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বারবার ভারত বার্তা পাঠালেও ইউনূস সরকার তা নিশ্চিত করতে পারছে না, এটাই ফারাক দুই দেশের। 

    প্রতিবাদ অসমেও 

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে (Bangladesh) ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপরে আক্রমণ এবং ধর্মগুরু চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির প্রতিবাদে ত্রিপুরার হোটেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঘোষণা করেছে, ব্যবসার ক্ষতি করেও বর্তমানে তারা হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিষেবা দেবে না। আগে থেকে যাঁরা হোটেলে ছিলেন, শুধু তাঁদেরই থাকতে দেওয়া হচ্ছে। বিক্ষোভ হয়েছে অসমেও। শিলচরে বাংলাদেশের ভিসার একটি ফ্রাঞ্চাইজি কেন্দ্রে বিক্ষোভ হয়। দক্ষিণ অসমের চার জেলা সদরে ধর্না দেয় সনাতনী ঐক্য মঞ্চ। হাফলংয়ে বিক্ষোভ দেখায় ৩০টি সংগঠন। লোক জাগরণ মঞ্চের তরফে ধুবুড়ি, জোরহাট, নলবাড়ি, মাজুলি, বরপেটা, নলবাড়ি, গোলাঘাট, হোজাই-সহ বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ মিছিল হয়। স্মারকপত্র পাঠানো হয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের উদ্দেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NSG: এনএসজির বদলে এবার ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে সিআরপিএফের বিশেষ দল

    NSG: এনএসজির বদলে এবার ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে সিআরপিএফের বিশেষ দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে আর ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো বাহিনীর (NSG) নিরাপত্তা পাবেন না দেশের ৯ ভিভিআইপি (VIP Security)। এনএসজি (ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড), এরাই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো নামে পরিচিত)-র পরিবর্তে এঁদের প্রহরায় থাকবে সিআরপিএফের বিশেষ দল। আগামী মাস থেকেই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোর বদলে ওই ৯ জন ভিভিআইপির নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে সিআরপিএফ। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে কয়েক বছর আগেই। এবার তা কার্যকর করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    যাঁদের এনএসজি প্রত্যাহার করা হল (NSG)

    যে ৯ জন ভিআইপির এনএসজি  প্রত্যাহার করা হল, তাঁরা হলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী এলকে আডবাণী, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিডিপি সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নাইডু, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিএসপি সভানেত্রী মায়াবতী, জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লা, জম্মু-কাশ্মীরের আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা দলত্যাগী কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং। এঁদের মধ্যে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ ও সোনোয়ালের জন্য থাকবে সিআরপিএফের উন্নত সুরক্ষা যোগাযোগ (অ্যাডভান্সড সিকিউরিটি লিয়েজন) প্রোটোকলও। বর্তমানে এই প্রোটোকলের আওতায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং গান্ধী পরিবারের তিন সদস্য – সোনিয়া, রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা।

    এনএসজি

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আগেই জানিয়েছিল, এনএসজিকে (NSG) পুরোপুরি কাজে লাগানো হবে জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে। এদেরই বিকল্প হিসেবে সিআরপিএফের ভিআইপি সিকিউরিটি উইংয়ের একটি ব্যাটেলিয়ান গড়া হয়েছে। সেই ব্যাটেলিয়নই প্রহরায় থাকবে ওই ৯ জন ভিভিআইপির।

    আরও পড়ুন: ঘুচল অন্ধত্ব, হাতে তরোয়ালের জায়গায় সংবিধান, নব কলেবরে ‘লেডি অফ জাস্টিস’

    প্রায় তিন দশক ধরে ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন এই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোরা। ১৯৮৪ সালে যখন এই বাহিনী গড়ে তোলার কথা ভাবা হয়েছিল, তখন তাদের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হয়নি এনএসজিকে। পরে ভিআইপি প্রহরার দায়িত্ব দেওয়া হয় ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোদের। যেসব নেতার প্রাণনাশের ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের সুরক্ষার উদ্দেশ্যেই বিভিন্ন কেন্দ্রীয় পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষিত জওয়ানদের নিয়ে গড়া হয়েছিল স্পেশাল রেঞ্জার গ্রুপ। অন্যদিকে, সন্ত্রাস দমন, বিমান ছিনতাই মোকাবিলা ও ঝটিকা হানাদারির জন্য (VIP Security) সেনার কমান্ডোদের নিয়ে এনএসজি (NSG) গড়েছিল স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: ‘‘বিনাশকারী’’, আরজি কর ইস্যুতে মমতাকে তুলোধনা করে পদত্যাগ দাবি বিজেপির

    BJP: ‘‘বিনাশকারী’’, আরজি কর ইস্যুতে মমতাকে তুলোধনা করে পদত্যাগ দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলের শাসনে মহিলারা নিরাপদে (Women Security) নেই।” এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া। সোমবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন ভাটিয়া। সেখানেই নিশানা করেন তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল উল্লেখ করেছেন এ রাজ্যে মহিলারা নিরাপদ নন। যদিও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং মহিলা। জাতীয় মহিলা কমিশনও তৃণমূল সরকারকে এ ব্যাপারে নোটিশ পাঠিয়েছে। তার পরেও পদত্যাগ করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।”

    আরজি করকাণ্ডে ক্ষোভ (BJP)

    কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে যে জঘন্যতম ঘটনা ঘটেছে, সে ব্যাপারেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভাটিয়া। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীও। তিনিই আবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার পরেও ঘটে গেল আরজি করকাণ্ড।” বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ইস্তফা দেওয়া উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বিনাশকারী হয়ে উঠেছেন। অপকর্মের দ্বারা মহিলাদের মর্যাদা নষ্ট করছেন তিনি। একজন চিকিৎসক, যিনি সমাজের সেবা করেছেন, তাঁকেও রেয়াত করা হয়নি।” বিজেপির এই মুখপাত্র বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আইনের শাসন ধ্বংস করে দিচ্ছেন।” মুখ্যমন্ত্রীকে নৈরাজ্যবাদী আখ্যাও দেন তিনি। বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নৈরাজ্যবাদী। তিনি এই নারকীয় অপরাধের প্রমাণ ধ্বংসকারী। তিনি আমাদের দেশের সংবিধান ধ্বংস করেছেন। তিনি মমতা নন, নি-র্মমতা!”

    আরও পড়ুন: আরজি করের প্রতিবাদ, পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যান করে ‘অভয়া’কে স্মরণ

    আত্মসম্মান ধ্বংস

    মুখ্যমন্ত্রী আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে রক্ষা করছেন বলেও অভিযোগ বিজেপির (BJP) এই জাতীয় মুখপাত্রের। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে রক্ষা করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও রকম তদন্ত না করেই তাঁকে ছেড়ে দিয়েছেন। অধ্যক্ষের দায়িত্ব ছিল ছাত্রীর নিরাপত্তার। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হওয়ার পরেও, তাঁকে পুরস্কৃত করেছেন। তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন মমতা।” তিনি বলেন, “মমতার (Mamata Banerjee) এই পদক্ষেপ একজন নারীর সম্মান ও আত্মসম্মান ধ্বংস করে দিয়েছে। মমতা যে সাংবিধানিক মূল্যবোধরক্ষার শপথ নিয়েছিলেন, তাও ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।” বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্রের আগে মমতা সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি বলেছিলেন, “এই রাজ্য নারীদের জন্য নিরাপদ নয়। বাংলা তার নারীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে। রাজ্য সরকার যে নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারেনি, তাও নিশ্চিত করেছে রাজ্য সরকার। আরজি করের ঘটনায়ই এটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে।”

    পুলিশকে নিশানা ভাটিয়ার

    কলকাতা পুলিশকেও একহাত নিয়েছেন ভাটিয়া (BJP)। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্দেশ মেনে নির্যাতিতার পরিবারকে বিপথে চালিত করছে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেও এটা স্পষ্ট। এই একই অভিযোগ করেছেন মৃত ট্রেনি চিকিৎসকের মা-ও। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রথমে মৃতের পরিবারকে বলেছিল, তাঁদের মেয়ে অসুস্থ। কিছুক্ষণ পরেই আবার জানানো হয়, তাঁদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে যখন নির্যাতিতার পরিবার হাসপাতালে পৌঁছালেন, তখন তাঁদের অপেক্ষা করতে হয়েছে তিন-চার ঘণ্টা। তাঁদের মেয়ের বডিও দেখতে দেওয়া হয়নি।”

    “কালপ্রিটের পাশে দাঁড়িয়েছেন মমতা”

    বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্রের প্রশ্ন, “এই তিন-চার ঘণ্টায় কোন কোন প্রমাণ লোপাট করা হয়েছে?” তিনি বলেন, “নির্যাতিতা নন, কালপ্রিটের পাশে দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।” মুখ্যমন্ত্রীকে কেন প্রমাণ লোপাটকারী বলা হচ্ছে তাঁর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “প্রত্যকেই জানেন, অপরাধ ঘটার প্রথম ৪৮ ঘণ্টাই হচ্ছে তদন্তকারীদের জন্য গোল্ডেন পিরিয়ড। এই সময়ের মধ্যেই পুলিশ সমস্ত এভিডেন্স সংগ্রহ করে। ধর্ষণ কিংবা খুনের ঘটনার ক্ষেত্রে এই প্রমাণের মধ্যে থাকে ছেঁড়া চুল-সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণ। এই সময়টা পেরিয়ে গেলে অপরাধীর অপরাধ প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজে পুলিশ মন্ত্রীও, তিনি কিনা কেসটাকে দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।”

    লজ্জাহীনতার চূড়ান্ত নিদর্শন!

    আরজি করকাণ্ডে দোষীর শাস্তির দাবিতে আয়োজিত মিছিলে অংশ নিয়েছেন মমতা। বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্র বলেন, “ওঁর মিছিলে হাঁটাটা লজ্জাহীনতার চূড়ান্ত নিদর্শন। উনি মিছিলে হাঁটছেন দেখে গোটা দেশ হতভম্ব হয়ে গিয়েছে।” ভাটিয়ার প্রশ্ন, “কার বিরুদ্ধে মিছিল করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) প্রশাসনে কমপ্লিট ডিসঅর্ডার রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায় তাঁর। তার পরেও তিনি নির্যাতিতার পরিবারকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ক্রিমিনালদের ধরার বদলে উল্টে নির্লজ্জের মতো তিনি আবার মিছিল করছেন।” ভাটিয়া বলেন, “এই মিছিলই প্রমাণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যর্থতা। তাই তাঁর উচিত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পদত্যাগ করা। কারণ তাঁর কাজই প্রমাণ করে দিচ্ছে, তিনি নিষ্ক্রিয়।”

    প্রসঙ্গত, ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে হত্যা করা হয় বছর একত্রিশের এক ট্রেনি মহিলা চিকিৎসককে (Women Security)। তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odisha: বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশ আটকাতে সমুদ্র উপকূলে নিরাপত্তা আঁটসাঁট করল ওড়িশা

    Odisha: বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশ আটকাতে সমুদ্র উপকূলে নিরাপত্তা আঁটসাঁট করল ওড়িশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশিদের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করতে ওড়িশা (Odisha) উপকূল বরাবর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে ওড়িশা সরকার। সমুদ্র উপকূলে ৪৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অশান্ত-বিধ্বস্ত বাংলাদেশ থেকে বিশেষ করে অপরাধীদের অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত।

    ছোট নৌকা ব্যবহার করে হতে পারে অনুপ্রবেশ (Odisha)

    ওড়িশা পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (আইন শৃঙ্খলা) সঞ্জয় কুমার বলেছেন, “বাংলাদেশ উপকূল থেকে ওড়িশা প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ওই দেশ থেকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারীরা (Bangladeshis) ছোট নৌকা ব্যবহার করে এই রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে অস্থিরতার সময়, অনেক থানা এবং কারাগারে হামলা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। বহু অপরাধীকে কারাগার ভেঙে মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ফলে ঘোষিত দুষ্কৃতীরা নাশকতা মূলক উপাদান নিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে। তাই ভারতের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা ভেবে উপকূলের দিকে নজরদারি রাখা হয়েছে।”

    কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর নজরদারি

    এডিজি (Odisha) সঞ্জয় কুমার আরও বলেছেন, “আমরা ১৮টি মেরিন পুলিশ স্টেশনকে হাই অ্যালার্টে রেখেছি। এডিজির পক্ষ থেকে উপকূলের নিরাপত্তার জন্য একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষও খোলা হয়েছে। একাধিক স্থানে সুরক্ষাকর্মী, নৌকা এবং অন্যান্য সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ উপকূলের কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ রেখে চলেছে। তবে আমাদের সীমান্ত ভারত ও বাংলাদেশ-বিরোধী কার্যকলাপের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। অতিরিক্ত তথ্য পেতে আমরা সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য চ্যানেলগুলিতে নিবিড় নজর রাখছি।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘কুস্তির কাছে আমি হেরে গেলাম’’, ক্ষমা চেয়ে অবসর ঘোষণা বিনেশ ফোগাটের

    উপকূলরেখার গ্রামগুলিতে চলছে নজরদারি

    রাজ্য (Odisha) সরকার সমস্ত উপকূলীয় জেলার পুলিশ সুপারদের টহলদারি জোরদার করতে বলেছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladeshis) প্রবেশ রোধে নজর দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রপাড়া, জগৎসিংহপুর এবং ভদ্রকের মতো জেলাগুলিতে এই আশঙ্কা সব থেকে বেশি। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, রাজস্ব দফতর এবং বন দফতরের আধিকারিকদের উপকূলরেখার কাছাকাছি গ্রামে মানুষের চলাচলের উপর নজর রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: প্যারিস পৌঁছল ‘কে-৯’ স্কোয়াড, অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়রা

    Paris Olympics 2024: প্যারিস পৌঁছল ‘কে-৯’ স্কোয়াড, অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) সুরক্ষার দায়িত্বে থাকছে ভারতের কমান্ডো বাহিনীর ‘কে-৯’ স্কোয়াডের ১০টি কুকুর (Special Dogs)। অলিম্পিক্সে জঙ্গি হামলা রুখতেই পাঠানো হয়েছে এই সারমেয় টিমকে। টিমে রয়েছে বেলজিয়ান শেফার্ড ম্যালিনোইস প্রজাতির কুকুর। এই প্রজাতিরই কুকুর হদিশ দিয়েছিল আল কায়দার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের। এই প্রজাতির কুকুর ব্যবহার করে মার্কিন সেনা বাহিনীও।

    ফরাসি শেখানো হয়েছে কুকুরদের (Paris Olympics 2024)

    ভারতের এই কমান্ডো কুকুরদের সচরাচর বোমা ও আইইডি শনাক্ত করার কাজে লাগানো হয়। নকশাল-বিরোধী অভিযানেও শামিল হয় এই সারমেয়কুল। প্রবল ঘ্রাণশক্তির জন্য তামাম বিশ্বেই ভীষণ জনপ্রিয় এই প্রজাতির কুকুর। ইতিমধ্যেই তারা পৌঁছে গিয়েছে ফ্রান্সের রাজধানীতে। এই দলের দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক জানান, অলিম্পিক্সের জন্য এই কুকুরদের আলাদা করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে (Paris Olympics 2024)। তারা যাতে ফরাসি ভাষা বুঝতে পারে, সেই প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। এই সারমেয় দলে রয়েছে ভাস্ট এবং ডেনবি-ও। সিআরপিএফের বেঙ্গালুরুর প্রশিক্ষণ স্কুল থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে এই দুই কুকুরকে।

    লাদেনকে ধরিয়ে দিয়েছিল এই কুকুরই

    প্রসঙ্গত, প্যারিস অলিম্পিক্সে ভারতীয় জওয়ান ও কুকুরদের কাজে লাগানোর অনুরোধ জানিয়েছিল ফরাসি সরকার। সেই কারণেই ভারত থেকে গিয়েছে এই বিশেষ দল। সুরক্ষার দায়িত্বে থাকছে ভারতের আধা সামরিক বাহিনীর ১০টি বিশেষ দলও। প্রতিযোগিতার সময় স্টেডিয়ামগুলিতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে তারা। ২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল লাদেন। মার্কিন সেনাকে তার সন্ধান দিয়েছিল বেলজিয়ান শেফার্ড ম্যালিনোইস প্রজাতির কুকুরই। এদের বৈশিষ্ট্য হল, সন্দেহপ্রবণ কাউকে দেখলে এরা চিৎকার করে না। মাথা নেড়ে ইঙ্গিত দেয় নিরাপত্তারক্ষীদের। তাই সন্দেহজনক ব্যক্তিটি যে নিরাপত্তারক্ষীদের টার্গেট হয়ে গিয়েছে, তা ঘূণাক্ষরেও টের পায় না তারা। তাই পালিয়েও যেতে পারে না। ফলে তাদের ধরে ফেলাটা সহজ হয় নিরাপত্তারক্ষীদের পক্ষে।

    আরও পড়ুন: ভোটে জিতেই নবান্নে যাবে বিজেপি, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    চলতি বছর প্যারিস অলিম্পিক্স শুরু হবে ২৬ জুলাই। শেষ হবে অগাস্টের ১১ তারিখে। এই দিনগুলিতে স্টেডিয়াম প্রহরায় থাকবে ভারতের এই সারমেয়কুল। ভাস্ট এবং ডেনবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ সিআরপিএফ। তারা জানিয়েছে, প্যারিস পাঠানোর আগে তাদের প্রায় ১০ সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের (Special Dogs) কী কাজ করতে হবে, তা-ও শিখিয়ে পড়িয়ে নেওয়া হয়েছে (Paris Olympics 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BJP Candidate: তৃতীয় দফা ভোটের আগে সাত বিজেপি প্রার্থী পাচ্ছেন এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    BJP Candidate: তৃতীয় দফা ভোটের আগে সাত বিজেপি প্রার্থী পাচ্ছেন এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম, দ্বিতীয় দফার পর এবার তৃতীয় দফার ভোটের জন্য সেজে উঠছে গোটা দেশ। ভোটের তাপে ফুটছে বাংলাও। ৭ মে ভোট রয়েছে জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণে। তৃতীয় দফা ভোটের আগে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্য সফর করে গিয়েছেন। তবে, তৃতীয় দফায় যে সব এলাকায় ভোট রয়েছে, আগেই প্রধানমন্ত্রী সভা করে গিয়েছেন। ভোটের এই আবহের মধ্যে এবার আরও সাতজন বিজেপি প্রার্থীর (BJP Candidate) নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    তালিকায় বিজেপির কোন কোন প্রার্থী রয়েছেন? (BJP Candidate)

    রাজ্যে বিজেপির প্রার্থী (BJP Candidate) পদ ঘোষণা হওয়ার পর পরই সন্দেশখালির রেখা পাত্রের পাশাপাশি বহরমপুরের নির্মল সাহা, মথুরাপুরের অশোক পুরকাইত, জয়নগরের অশোক কান্ডারী, রায়গঞ্জের কার্তিক পাল, ঝাড়গ্রামের প্রনথ টুডু-র কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল। সন্দেশখালির রেখা পাত্র প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের হামলার মুখে পড়েছিলেন। তাঁর গাড়িতেও হামলা হয়েছিল। ঘটনাচক্রে রেখা পাত্র আক্রান্ত হওয়ার পর পরই তাঁর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ফলে, ভোট যত এগিয়ে আসছে তৃণমূলের সন্ত্রাসও চারিদিকে বাড়ছে। ফলে, প্রার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই আরও সাতজন প্রার্থীর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভোটের সুরক্ষায় মাঠে নেমে পড়েছে আধা সেনা। দিকে দিকে চলছে টহল। এদিকে শেষবেলার প্রচারে ঝাঁপিয়েছে শাসক বিরোধী সব রাজনৈতিক দলই। এবার আরও সাতজন প্রার্থীর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, তালিকায় নাম রয়েছে, বোলপুরের পিয়া সাহা, আরামবাগের অরূপ দিগার, উলুবেড়িয়ার অরুণ উদয় পাল চৌধুরী, দমদমের শীলভদ্র দত্ত, কৃষ্ণনগরের অমৃতা রায়, দক্ষিণ কলকাতার দেবশ্রী চৌধুরী এবং উত্তর কলকাতার বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়। এক্স ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হবে এই প্রার্থীদের। জানা যাচ্ছে, পাঁচ জন করে সিআইএসএফ জওয়ানরা ঘিরে থাকবেন বিজেপি প্রার্থীদের। শনিবার থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার কথা রয়েছে বিজেপির সাত প্রার্থীর।  

    আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    Arabul Islam: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় তাঁর দাপটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় এলাকায় কারও কথা বলার সাহস ছিল না। তৃণমূলের সেই দাপুটে নেতা আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam) এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পুলিশ-প্রশাসন ও জেলার দলীয় নেতৃত্বকে এ বিষয়ে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তার আবেদনও করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কেন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আরাবুল? (Arabul Islam)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে আরাবুলের (Arabul Islam) দাপট কমছে। এর আগে পঞ্চায়েতে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিল। দুদিন আগে ফের নিজের খাসতালুকে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ ডিসেম্বর ভাঙড়-২ নম্বর ব্লকে একটি সভা ছিল। সেখানে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে বক্তব্য রাখতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যার নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূল নেতা আরাবুল। তার জেরে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। দীর্ঘক্ষণ বিডিও অফিসে আটকে রাখা হয়। এই ঘটনা ভাঙড়ে প্রথম নয়। পঞ্চায়েতে ভোটপর্বেও বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন আরাবুল। ফলে, নিজের খাসতালুকে জমি হারাতে শুরু করেছেন আরাবুল। তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। এবার আইএসএফের কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পরার পর  থেকেই নিরাপত্তাহীনতা ভুগতে শুরু করেছেন তিনি।

    কী বললেন আরাবুল?

    আরাবুল বলেন, আমরা বারবার প্রশাসনকে জানাচ্ছি। প্রশাসন কতটা নিরাপত্তা আমাদের দিতে পারে সেটা প্রশাসন জানে। সেটা নিয়ে আর কিছু বলব না। আমি রাজ্য নেতৃত্ব থেকে শুরু করে আমাদের জেলা নেতৃত্বকে বারবার বলেছি। আমাদের যে কোনও সময় প্রাণহানির আশঙ্কা আছে। আচমকা আমার তিনজন সিকিউরিটিকে তুলে নেওয়া হল। কোনও কারণ নেই। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, আমাদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখুন।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বলেছেন?

    এই প্রসঙ্গে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজমুদার বলেন, আরাবুলের (Arabul Islam) ভয়ে এলাকায় মানুষ কথা বলতে পারতেন না। তিনি এখন ভয় পাচ্ছেন। এটা ভাবতেও অবাক লাগছে। তৃণমূলের জমি যে আলগা হচ্ছে এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নিল প্রতারকরা, কীভাবে?

    Fraud: অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নিল প্রতারকরা, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই জামতারা গ্যাংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বারাকপুর জুড়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা (Fraud) করার অভিযোগ উঠেছিল একটি দলের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। মূল পান্ডার খোঁজে তল্লাশি শুরু করছে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার রাজ্য পুলিশের এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মী কালীচরণ মাঝি প্রতারকদের খপ্পড়ে পড়লেন। তিনি বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষের প্রাক্তন দেহরক্ষী ছিলেন। প্রতারকরা কয়েক দফায় তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৭ লাখ ১৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ইতিমধ্যেই বারাকপুর সাইবার ক্রাইম থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। একজন পুলিশ কর্মীর অ্যাকাউন্ট সাফ করে দেওয়ার ঘটনায় যথেষ্ট উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কীভাবে প্রতারণা? (Fraud)

    রাজ্যজুড়ে অনলাইন প্রতারণা (Fraud) চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আধার কার্ড জালিয়াতি করে বহু মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা সাফ করে দিচ্ছে প্রতারকরা। অনলাইনে প্রতারকদের বিরুদ্ধে পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে। অনেককে গ্রেফতারও করেছে। কিন্তু, প্রতারকদের এই জালিয়াতি বন্ধ করতে পারছে না পুলিশ। নিত্য নতুন কৌশল ব্যবহার করে প্রতারকরা মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, কালীচরণ মাঝি রাজ্য পুলিশের কর্মী ছিলেন। তিনি থাকেন সোদপুরে। তিনি পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। মাসখানেক আগে তিনি অবসরগ্রহণ করেন। স্বাভাবিকভাবে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অবসরকালীন অনেক টাকাই গচ্ছিত ছিল। এই গচ্ছিত টাকার একটা বড় পরিমাণ প্রতারকরা হাতিয়ে নেয়। কালীচরণবাবু বলেন, আমার মোবাইলের মেসেজে একটা নম্বর আসে। এরপর একটা অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। বিদ্যুতের বিল আপডেট নেই বলে জানানো হয়। আমি বিল মিটিয়ে দিয়েছি। অফিস যাচ্ছি বলার পর ফোনের অপরপ্রান্তে থাকা ব্যক্তি বলেন, অফিস যাওয়ার প্রয়োজন নেই। একটি ওটিপি দিচ্ছি। সেটা শেয়ার করলেই বিল আপডেট হয়ে যাবে। ওটিপি শেয়ার করতেই পর পর মোবাইলে মেসেজ আসে। এরপর কয়েক দফায় আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ৭ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ বলেন, রাজ্যজুড়ে প্রতারণা (Fraud)  চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অবসরকালীন তিনি যে টাকা পেয়েছিলেন, সেই টাকার একটা বড় অংশ প্রতারকরা হাতিয়ে নিয়েছে। পুলিশে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। আমাদের দাবি, যে বা যারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: আজ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, নজরে কমিশনের ভূমিকা!

    Panchayat Election 2023: আজ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, নজরে কমিশনের ভূমিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার রাজ্যে দশম পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) ভোট গণনা। সমতলের ২০ জেলায় ত্রিস্তরীয় ও পাহাড়ে দুই জেলায় দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোটের গণনা শুরু হবে সকাল আটটায়। গণনার জন্য রাজ্যে মোট ৩৩৯টি গণনা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি গণনা কেন্দ্র থাকছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৮টি, মুর্শিদাবাদে ২৬। এরপরই রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে ২৫, পূর্ব বর্ধমানে ২৩টি, বাঁকুড়াতে ২২টি, উত্তর ২৪ পরগনায় ২২টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২১টি, পুরুলিয়ায় ২০টি, বীরভূমে ১৯টি, নদিয়ায় ১৮টি, হুগলিতে ১৮টি, মালদায় ১৫টি, হাওড়ায় ১৪টি, কোচবিহারে ১২টি, জলপাইগুড়িতে ১০টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮টি, ঝাড়গ্রামে ৮টি, পশ্চিম বর্ধমানে ৮টি, উত্তর দিনাজপুরে ৮টি, আলিপুরদুয়ারে ৬টি, দার্জিলিঙে ৫টি, কালিম্পংয়ে ৪টি। গণনা পর্ব মসৃণ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    গণনা কেন্দ্রের বাইরে ১৪৪ ধারা

    গত শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্র করে বিপুল রাজনৈতিক হিংসা ও অশান্তির সাক্ষী থেকেছে রাজ্য। গণনা পর্বে তার পুনরাবৃত্তি আটকাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ব্যাপক সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রেই মোতায়েন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এছা়ডা রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ ও ভিন রাজ্যের পুলিশও গণনা কেন্দ্রের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করবে। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে থাকছে সিসিটিভির নজরদারি। গণনা কেন্দ্রের বাইরে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। তবে ভোটের মতো এক্ষেত্রেও বাস্তবে কী হবে, তা নিয়ে বিরোধীরা যথেষ্ট সন্দিহান। কমিশন জানিয়েছে, প্রথমে ভোটকর্মীদের ভোট গণনা করা হবে। তারপর গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং পরিশেষে জেলা পরিষদের আসনে ভোট গণনা হবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা  জানান, গণনা পর্ব পুরো শেষ হতে ১২ জুলাই পেরিয়ে যেতে পারে।

    প্রেক্ষাপট

    শনিবার পঞ্চায়েত ভোটের দিনই (Panchayat Election 2023) বিভিন্ন জেলা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। রাজনৈতিক হিংসায় শুধু মাত্র ভোটের দিন প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন। জায়গায় জায়গায় ভোট লুট,  ছাপ্পা, ব্যালট বাক্সে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনেক বুথে একঘণ্টার মধ্যেই ভোট গ্রহণ শেষ হয়ে যায়। আবার কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখাও মেলেনি। বেশ কিছু রাজনৈতিক সংঘর্ষে ভোটদান বন্ধ হয়ে যায়। ভোট শেষের পরেই জেলা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন৷ সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে কোন জেলায় কতগুলি বুথে পুনরায় ভোট হবে, তার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রবিবারই তার তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। সেই মতো সোমবার রাজ্যের ৬৯৪ কেন্দ্রে শুরু হয় পুনর্নির্বাচন। অন্যদিকে পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে হানাহানির যে ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনায় বিএসএফের আইজি এবং রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

    কমিশনের নির্দেশিকা

    অন্যদিকে কমিশন সোমবার এক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, গণনার (Panchayat Election 2023) সময় যে ব্যালক পেপারের পিছনে প্রিসাইডিং অফিসারের সিল ও স্বাক্ষর থাকবে না, সেই ব্যালটকে বাতিল বলে ঘোষণা করা হবে। গণনা কেন্দ্রে একমাত্র কাগজ আর পেন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে। পাশাপাশি বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী অবস্থায় যে হানাহানির ঘটনা ঘটেছিল, তা ফের আবারও যেন না হয়, সেইজন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গণনার দশদিন পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে রাজ্যে। এখন দেখার বিষয় একটাই যে ছাপ্পার মুখে ছাই ফেলতে আদৌ কি কমিশন সত্যিই প্রশংসনীয় হয়ে উঠবে নাকি প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মুখ পোড়াবে সকলের কাছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda School: সেই বন্দুকবাজ উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল? হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ

    Malda School: সেই বন্দুকবাজ উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল? হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দুকবাজের তাণ্ডবের পর এখনও থমথমে পুরাতন মালদা থানার মুচিয়ার চন্দ্রমোহন হাইস্কুল (Malda School)। স্কুলে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই চন্দ্রমোহন হাইস্কুল এবং মুচিয়া এলাকা রয়েছে থমথমে। এদিন স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির হার ছিল একেবারেই সামান্য। বহু অভিভাবক আতঙ্কের কারণে নিজেদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠানোর সাহস পাননি। শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত থাকলেও তাঁদের একটি অফিসঘরে গুটি-শুটি মেরে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এখন তো নিরাপত্তা দেওয়া রয়েছে। এটা কতদিন থাকবে? আগামী দিনে যে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে না, তা নিশ্চিত করে কে বলতে পারে। তাই আমরা চাই পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো হোক।এদিকে বুধবার রাতে মালদার পুলিশ সুপার তাঁর নিজস্ব অফিসে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন। পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব জানিয়েছেন, এই ধরনের উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র বিহার অথবা ঝাড়খণ্ড থেকেই সংগ্রহ করে থাকতে পারে অভিযুক্ত বন্দুকবাজ দেব বল্লভ। তবে এই ঘটনার পিছনে তাঁর পারিবারিক সমস্যাই মূলত জড়িত রয়েছে। তা বলে স্কুলে ঢুকে এমন ঘটনা ঘটাবে, এটা পরিকল্পনা মাফিক। আমাদের পুলিশ অফিসার ও কর্মীরা দারুণ কাজ করেছে। যেভাবে চন্দ্রমোহন হাইস্কুলের ক্লাস সেভেনের ছাত্র-ছাত্রীদের সুরক্ষিত রেখে পুলিশ অফিসাররা ওই বন্দুকবাজকে ধরেছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়।

    কার হাত ঘুরে আগ্নেয়াস্ত্র এল, তদন্তে পুলিশ

    পুলিশ সুপার সাংবাদিক বৈঠকে আরও জানিয়েছেন, এই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র কার মাধ্যমে অভিযুক্ত দেব বল্লভ আমদানি করল, সে ব্যাপারেও তদন্ত শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে মালদা আদালতের মাধ্যমে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হবে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হয়তো অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। পুলিশ সুপার বলেন , ইতিমধ্যে জেলা শিক্ষা দফতর, জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্তাদের নিয়ে একটি বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। যেখানে প্রতিটি স্কুলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সেসব নিয়েই মূলত আলোচনা করা হবে। স্কুল (Malda School) চলাকালীন গেট বন্ধ রাখা, বিভিন্ন স্কুলে সিসি ক্যামেরা বসানো, প্রয়োজনে স্কুলে নিরাপত্তার যাতে ব্যবস্থা করা যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা করা হবে।

    আগেও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হুমকি দিয়ে ভাইরাল হয়েছিল অভিযুক্ত

    এদিকে পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, গত দেড় বছর আগে বন্দুক হাতে প্রশাসনের কর্তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হুমকি দিয়ে ভাইরাল হয়েছিল অভিযুক্ত এই দেব বল্লভ। সেই সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় সেই আগ্নেয়াস্ত্রটি। কিন্তু তারপরে আবারও নতুন করে উন্নত মানের নাইনএমএম পিস্তল এবং দুটি ম্যাগাজিন অভিযুক্ত কোথা থেকে জোগাড় করল? এমনকী পেট্রোল বোমা বানাতে শিখল কীভাবে, এসবের পিছনে কোনও জঙ্গি সংগঠনের মদত রয়েছে কিনা, সে ব্যাপারেও পুলিশ নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি। কিন্তু পুরো বিষয়টি (Malda School) নিয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছেন পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share