Tag: Security Guard

Security Guard

  • Kalyani: কল্যাণী গান্ধি হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষীদের ‘দাদাগিরি’! রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের

    Kalyani: কল্যাণী গান্ধি হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষীদের ‘দাদাগিরি’! রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা রক্ষীদের ‘দাদাগিরি’। যার জেরে রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়া জেলার কল্যাণী (Kalyani) গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতালে। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কল্যানীর ওই হাসপাতালের কর্মী ও নিরাপত্তা রক্ষীদের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত সরকারি আধিকারিকের নাম সুশান্তকুমার বালা। তিনি উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সুশান্তবাবুর বাড়ি নদিয়ার তেহট্টে। শুক্রবার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের ভাই উকিল বালাকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সুশান্তবাবু অসুস্থ ভাইকে দেখতে  হাসপাতালে যান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। কিন্তু, তাঁদের হাসপাতালের গেটেই আটকে দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। আর হাসপাতালে ঢোকা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা হয়। এরপর সুশান্তবাবুর এক আত্মীয়কে ধরে হাসপাতালের গ্রুপ-ডি কর্মীরা মারধর করেন। ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। তাঁকেও মারধর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ আধিকারিকরা। হাসপাতাল থেকে দুই নিরাপত্তারক্ষীকে আটক করা হয়।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    আক্রান্ত সরকারি আধিকারিক কী বললেন?

    হাসপাতালে (Kalyani) নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে মার খাওয়ার পর আক্রান্ত সুশান্তবাবু বলেন,  ভাই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমরা শুধু ভাইকে দেখতে চেয়েছিলাম। ওরা এভাবে রক্তপাত করল। আমি জখম হয়েছি। যা বলার পুলিশ-প্রশাসনকে বলব। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হাসপাতালে ঢোকা নিয়ে বচসা হচ্ছিল। আচমকাই মারধর করা শুরু হয়ে যায়। তবে, হাসপাতালের (Hospital) মধ্যে এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

    নিরাপত্তারক্ষীরা কী সাফাই দিলেন?

    হাসপাতালে (Hospital)  নিরাপত্তারক্ষীদের বক্তব্য, রোগী দেখার সময় ওরা আসেনি। ওরা জোর করে ঢোকার চেষ্টা করছিল। আমরা বাধা দিয়েছি। কোনও হামলা করিনি। ওরা মারধর করেছে। কারও গায়ে আমরা হাত দিইনি। হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gurugram Slap Case: পাঁচ মিনিট লিফটে আটকে পড়ায় নিরাপত্তারক্ষীকে সপাটে চড়! ভাইরাল ভিডিও

    Gurugram Slap Case: পাঁচ মিনিট লিফটে আটকে পড়ায় নিরাপত্তারক্ষীকে সপাটে চড়! ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে লিফটে আটকে পরেছিলেন এক ব্যক্তি। ইন্টারকমে সেই অসুবিধার কথা জানান নিরাপত্তারক্ষীদের। লিফটের কাজ করার লোক আনতে ৫ মিনিট মতো লেগে যায় সময়। আর এই অপরাধেই লিফট থেকে থেকে বেরিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর চড়াও হলেন ওই ব্যক্তি। সপাটে চড় (Slap) মারলেন দুই নিরাপত্তারক্ষীকে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, লিফট (Lift) থেকে নামতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ওই ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে গুরুগ্রামের (Gurugram) ৫০ নম্বর সেক্টরের আবাসিক টাওয়ার ‘নির্ভানা কান্ট্রি’তে। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম বরুণ নাথ। তিনি ওই ফ্ল্যাটের ১৪ তলায় থাকেন। সকাল ৮ টার দিকে ১২ তলায় লিফটে আটকে পড়েন তিনি। বেরিয়ে আসার জন্য তিনি  লিফটের ভিতর থেকেই নিরাপত্তারক্ষীর (Security Guard) সঙ্গে ইন্টারকমে যোগাযোগ করেন। যোগাযোগের ৫ মিনিটের মধ্যেই নিরাপত্তারক্ষীরা লিফট থেকে তাঁকে উদ্ধার করলেও বরুণ রেগে বেরিয়ে এসে সেখানে উপস্থিত নিরাপত্তারক্ষীদের চড় মারতে শুরু করেন। ঘটনাস্থলে তিনজন নিরাপত্তারক্ষী উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে দুজনের ওপর হামলা চালান তিনি। ঘটনার পরেই ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামেন আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীরা। কাজ বন্ধ করে দেন। শ্লোগান দেওয়া শুরু করেন ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তারপরেই ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ভয়াল বন্যায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান, মৃত হাজারেরও বেশি মানুষ, সমবেদনা জানালেন মোদি  

    অভিযুক্ত বরুণ নাথকে সোমবার থানায় তলব করা হয়।  রাত সাড়ে ৯টার দিকে থানায় পৌঁছলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। পুলিশ জানিয়েছে, বরুণ নাথ একজন ব্যবসায়ী, তিনি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) বাসিন্দা। ২৯ অগাস্ট গুরুগ্রাম পুলিশ অভিযুক্ত বরুণ নাথের বিরুদ্ধে  গুরুগ্রাম সেক্টর ৫০  থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ধারা ৩২৩ (স্বেচ্ছায় আঘাত করা) এবং ৫০৬ (ফৌজদারি ভয় দেখানো) এর অধীনে মামলা করেছে। ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিও দেখে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তারক্ষীদের প্রতি অসম্মানজনক এবং অসংবেদনশীল আচরণ করার জন্য ওই ব্যক্তির নিন্দায় সরব হয়েছেন নেট নাগরিকরা। 

    আরও পড়ুন: জামাতের অনুমতি পেলেই গণেশ পুজো! নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    এক নিরাপত্তারক্ষী বলেন, “ওরা দিন- রাত কাজ করেন। কিন্তু আবাসনের কিছু বাসিন্দা ওদের কৃতদাস ভাবেন। ওরা এই ঘটনার যথাযথ তদন্ত দাবি করেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share