Tag: September

September

  • Amit Shah: “৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচন”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচন”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে সাঙ্গ হয়েছে লোকসভা নির্বাচন। ভূস্বর্গে ভোটও পড়েছে ব্যাপক হারে। এতেই উৎসাহিত কেন্দ্র। কেন্দ্রের এই উচ্ছ্বাস ধরা পড়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কথায়। তিনি বলেন, “৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই হবে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচন।”

    জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা (Amit Shah)

    সংবাদ সংস্থায় সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেলেই জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে যাবে।” শাহ বলেন, “ভূস্বর্গে লোকসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে মিটেছে। যা থেকে প্রমাণ হয়, মোদি সরকারের কাশ্মীর নীতি সফল।” তিনি বলেন, “আমি সংসদেও বলেছি, কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেলে আমরা রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর প্রক্রিয়াও শুরু করে দেব। অনগ্রসর শ্রেণিগুলির সমীক্ষা, বিধানসভা ও লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন- সব পরিকল্পনামাফিক চলছে। আসন পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। তা না হলে শ্রেণি অনুযায়ী সংরক্ষণ দেওয়া সম্ভব হত না। কাশ্মীরে লোকসভা নির্বাচনও হয়ে গিয়েছে। বাকি শুধু বিধানসভা ভোট, তা-ও হয়ে যাবে।”

    ‘সুপ্রিম রায় মেনেই হবে ভোট’

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে, তার আগেই ওই প্রক্রিয়া আমরা শেষ করব।” প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করাতে হবে। শাহ বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরে ভোটের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে বলেছিলেন, উপত্যকার মানুষ ভারতের সংবিধানে বিশ্বাস করেন না। কিন্তু এই নির্বাচনটি ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী হয়েছে। কাশ্মীরের সংবিধান আর সেখানে নেই। যাঁরা উপত্যকায় পৃথক দেশ চান, যাঁরা পাকিস্তানে চলে যেতে চান, তাঁরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। এটা গণতন্ত্রের জয়। মোদি সরকারের কাশ্মীর নীতির জয়।”

    আর পড়ুন: “বিজেপি কখনওই সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলাবে না”, বললেন রাজনাথ

    ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেই মোদি সরকার ভূস্বর্গ থেকে রদ করেন ৩৭০ ধারা। যার জেরে বিশেষ রাজ্যের অধিকার এবং রাজ্যের মর্যাদা হারায় জম্মু-কাশ্মীর। তার তিন বছর আগেই অবশ্য ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বিধানসভা। সেই নির্বাচনই হবে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেও। উল্লেখ্য, অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। ভূস্বর্গে লোকসভার আসন পাঁচটি। পাঁচ দফায় হয়েছে নির্বাচন (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Calendar: ক্যালেন্ডারের উৎপত্তি কীভাবে? ইংরেজি বছরের মাসের নামকরণের কারণ জানেন?

    Calendar: ক্যালেন্ডারের উৎপত্তি কীভাবে? ইংরেজি বছরের মাসের নামকরণের কারণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়ের হিসেব যেমন রাখা জরুরি, ঠিক তেমনই সারা বছরে দিন ও মাসের হিসেব রাখতে হয়। আর এই হিসেব জানতে আমাদের চোখ রাখতে হয় ক্যালেন্ডারের দিকে। সেই ক্যালেন্ডারে (Calendar) চোখ রাখলেই আমাদের নজরে আসে বারোটি মাসের নাম। কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই বারোটি মাসের নামের উৎপত্তি কীভাবে হয়েছে? প্রত্যেক বাড়িতে বা অফিসে যে ক্যালেন্ডার আমাদের চোখে পড়ে, তা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নামে পরিচিত। এখানে বছরের শুরু হয় জানুয়ারি মাস থেকে। বছরের হিসেব এই জানুয়ারির ১ তারিখ থেকেই ধরা হয়। এছাড়াও গোটা বিশ্বে আরও অনেক ধরনের ক্যালেন্ডার আছে। কিন্তু সমস্ত ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বে এই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার সবথেকে বেশি ব্যবহৃত হয়।

    কী এর ইতিহাস? (Calendar)

    এই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের উৎপত্তি হয় ১৫৮২ সালে। রাশিয়ার জুলিয়ান নামক ক্যালেন্ডার (Calendar) সারা বিশ্বে প্রচলিত ছিল, যেখানে দশ মাসে এক বছর ধরা হত, যেখানে বড়দিনের জন্য নির্দিষ্ট কোনও দিন নির্ধারিত ছিল না। পরবর্তী ক্ষেত্রে আমেরিকার আলোসিয়াস লিলিয়াস ১৫৮২ সালের ১৫ অক্টোবরকে বড়দিনের জন্য বেছে নেন। এর পরে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার আসার পর থেকে ডিসেম্বরের ২৫ তারিখে বড়দিন হিসেবে উদযাপিত করা শুরু হয়। অনেকের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে, বাকি মাসের নামগুলির উৎপত্তি কীভাবেে হল? আসুন সেগুলি দেখে নেওয়া যাক।

    কীভাবে নামকরণ হয় প্রত্যেক মাসের? (Calendar)

    বছরের প্রত্যেকটি মাসের নামকরণের পিছনে আছে আলাদা আলাদা কারণ। আসুন দেখে নিই সেই কারণগুলি।

    জানুয়ারি: এই মাসের নামকরণ করা হয়েছিল রোমান দেবতা জানুসের নাম অনুসারে। যাকে ল্যাটিন ভাষায় জেনারিস বলে সম্বোধন করা হত। আর এই জেনারিস থেকেই জানুয়ারি নামের উৎপত্তি বলে মনে করা হয়।

    ফেব্রুয়ারি: বছরের দ্বিতীয় মাস হল ফেব্রুয়ারি যা ল্যাটিন শব্দ ফ্যাবরা থেকে এসেছে। আবার অনেকের মতে, ফেব্রুয়ারি মাসের নামকরণ হয়েছে রোমান দেবী ফেব্রুয়ারিয়ার নাম অনুসারে।

    মার্চ: বছরের তৃতীয় মাস হল মার্চ। মনে করা হয়, রোমান দেবতা মাস্র-এর নাম অনুসারে এই মাসের নামকরণ করা হয়। আর রোমানে বছরের শুরু হয় এই মার্চ মাস থেকেই। 

    এপ্রিল: বছরের চতুর্থ মাস হল এপ্রিল, ল্যাটিন শব্দ অ্যাপিরিয়ার থেকে এপ্রিল মাসের উৎপত্তি। এই অ্যাপিরিয়ার শব্দের অর্থ হল ফুলের কুঁড়ি। রোমে বসন্ত ঋতু সূচনা হয় এই মাসেই, যেখানে ফুল ও ফুলের কুঁড়ি ফুটতে দেখা যায়।

    মে: রোমান দেবতা মার্কারির নাম অনুসারে বছরের পঞ্চম মাস মে মাসের উৎপত্তি হয়েছে।

    জুন: রুমের শ্রেষ্ঠ দেবতা জিউস-এর স্ত্রীর নাম ছিল জুনো। তা এই জুন মাসের উৎপত্তি হয়েছে (Calendar)।

    জুলাই: রোমান সাম্রাজ্যের এক শ্রেষ্ঠ শাসক জনপ্রিয় জুলিয়াস সিজারের নাম থেকেই জুলাই মাসের নামকরণ করা হয়। এই মাসেই জুলিয়াস সিজারের জন্ম ও মৃত্যু হয় বলে কথিত আছে।

    অগাস্ট: সেন্ট অগাস্টাস সিজারের নাম থেকে অগাস্ট মাসের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয়।

    সেপ্টেম্বর: ল্যাটিন শব্দ সেপ্টম থেকে সেপ্টেম্বর মাসের উৎপত্তি।

    অক্টোবর: ল্যাটিন শব্দ অক্টো থেকে অক্টোবর মাসের নামকরণ করা হয়।

    নভেম্বর: ল্যাটিন শব্দ নবম থেকে নভেম্বর শব্দটি আসে। 

    ডিসেম্বর: শব্দ ডিসেম থেকে উৎপত্তি হয় ডিসেম্বর নামের (Calendar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • GST: সেপ্টেম্বরে জিএসটি বৃদ্ধি ২৬%, মাসিক সংগ্রহ ১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা

    GST: সেপ্টেম্বরে জিএসটি বৃদ্ধি ২৬%, মাসিক সংগ্রহ ১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেপ্টেম্বরে জিএসটি (GST) থেকে সরকারের আয় ১,৪৭,৬৮৬ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের (Ministry of Finance) তরফে এমনটাই জানানো হল। গত বছর সেপ্টেম্বরের তুলনায় এ বছর সংগৃহীত জিএসটি-র পরিমাণ ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, লাগাতার ছয় মাস জিএসটি থেকে মাসিক আয় ১.৪০ লক্ষ কোটি টাকার বেশি আয় হচ্ছে। মন্ত্রকের মতে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মোট সংগৃহীত জিএসটির মধ্যে কেন্দ্রীয় জিএসটি (CGST) ছিল ২৫,২৭১ কোটি টাকা ৷ রাজ্য জিএসটি (SGST) ৩১,৮১৩ কোটি টাকা এবং ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি (IGST) ৮০,৪৬৪ কোটি টাকা (এর মধ্যে আমদানি পণ্য থেকে এসেছে ৮৫৬ কোটি টাকা) এবং সেজ ১০,১৩৭ কোটি টাকা (এর মধ্যে আমদানি পণ্য থেকে এসেছে ৪১,২১৫ কোটি টাকা)। অগাস্টে মোট জিএসটি (gst) রাজস্ব সংগ্রহ হয়েছে ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬১২ কোটি টাকা। জুলাই মাসে জিএসটির কারণে ভারতের রাজকোষে মোট ১.৪৯ লক্ষ কোটি টাকা এসেছে।    

    আরও পড়ুন: ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি, বাড়ল প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ  

    সম্প্রতি, জিএসটি কাউন্সিল নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের ওপরেই জিএসটি ধার্য করেছে। যা আগে করমুক্ত ছিল। এতে যে আখেরে দেশের অর্থনীতিতে সুফলই এসেছে, তার প্রতিফলন দেশের কোষাগারে স্পষ্ট। 

    এখন হোটেল রুমে ১০০০ টাকার কম হলেও এখন থেকে জিএসটি দিতে হয়। এছাড়াও, হাসপাতালের ঘরের ভাড়া ৫০০০ টাকার বেশি হলেও ৫% জিএসটি ধার্য করা হয়। প্যাকেটজাত খাবারের ওপরও ৫ শতাংশ জিএসটি আরোপ করা হয়েছে। অর্গানিক ফুডের ওপরেও ধার্য করা হয়েছে জিএসটি। আগে এই বিষয়গুলি করমুক্ত ছিল।   

    আরও পড়ুন: নয়া নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনও ভাড়াটের জিএসটির রেজিস্ট্রেশন থাকে, তবে তাঁকে ভাড়ার উপর জিএসটি দিতে হবে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

LinkedIn
Share