Tag: sergey lavrov

  • Marco Rubio: রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে বড় স্বীকারোক্তি মার্কো রুবিও-র, বিরোধীদের থোঁতা মুখ হল ভোঁতা

    Marco Rubio: রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে বড় স্বীকারোক্তি মার্কো রুবিও-র, বিরোধীদের থোঁতা মুখ হল ভোঁতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত শুধু এই প্রতিশ্রুতিই দিয়েছে যে তারা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার পরিমাণ আর বাড়াবে না। তেল কেনা বন্ধ হবে এমন কোনও প্রতিশ্রুতি নয়াদিল্লির তরফে দেওয়া হয়নি ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে।” মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে এমনই মন্তব্য করলেন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তাঁর এহেন মন্তব্য ভারত- রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তাতে আরও ইন্ধন জোগাল বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    কী বললেন রুবিও (Marco Rubio)

    রুবিও বলেন, “ভারত শুধু এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কেনার পরিমাণ বাড়াবে না।” তিনি সাফ জানিয়ে দেন, নয়াদিল্লি মস্কো থেকে সম্পূর্ণভাবে তেল কেনা বন্ধ করার কোনও প্রতিশ্রুতিই দেয়নি। এমন কিছু নেই-ও ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে। তাঁর এই মন্তব্য সরাসরি সেই রাজনৈতিক দাবিগুলির দাবিকেই খণ্ডন করে, যেখানে বলা হচ্ছিল যে মার্কিন চাপের মুখে ভারত পুরোপুরি রুশ তেল আমদানি বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। বৈশ্বিক নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রুবিও বলেন, “ওয়াশিংটন ভারতের কাছ থেকে এই প্রতিশ্রুতি পেয়েছে যে তারা অতিরিক্ত রুশ তেল কিনবে না। এখানে মূল শব্দটি হল “অতিরিক্ত”।

    তেল আমদানি চালিয়ে যাবে ভারত

    এর অর্থ, ভারত বর্তমানে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ লাখ ব্যারেল হারে তেল আমদানি চালিয়ে যাবে, তবে এর বেশি বাড়াবে না। রুবিও এরও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও ইউক্রেনকে সমর্থন জানানো অব্যাহত রাখলেও, ভারতের সঙ্গে আলোচনায় কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং চাপ – উভয়ই থাকবে।” এই সম্মেলনেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এই বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “ভারতের জ্বালানি নীতি নির্ধারিত হয় মূল্য, সরবরাহের নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে, বাইরের কোনও চাপের ভিত্তিতে নয়।” তিনি বলেন, “ভারত কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন অনুসরণ করে, দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ মাথায় রেখে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।” তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট হয় যে ভারত রুশ তেলের ওপর কোনও সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা মেনে নেয়নি।

    কংগ্রেসের সমালোচনা

    ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য কাঠামো নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকেই ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিরোধী দল নিরন্তর মোদি সরকারের সমালোচনা করে চলেছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, “এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঠিক করবে ভারত কোথা থেকে তেল কিনবে।” তাঁর দাবি, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করতে রাজি হয়েছেন।” কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশও বারবার প্রশ্ন তুলেছেন, “সংসদকে কি জানানো হয়েছে যে সরকার রুশ তেল কেনা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে?” এই মন্তব্যগুলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমের একাংশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং এমন ধারণা তৈরি হয় যে ভারত রুশ তেল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করেছে। রুবিওর ব্যাখ্যা এখন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এমন কোনও পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞায় ভারত রাজি হয়নি।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারী দেশ

    ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারী দেশ। দেশটি প্রতিদিন প্রায় ৫০ লক্ষ ব্যারেল তেল ব্যবহার করে, যার ৮০–৮৫ শতাংশই আমদানি-নির্ভর। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাশিয়া সস্তায় তেল সরবরাহ করেছে, যা অনেক সময় আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় ব্যারেল প্রতি ২০–৩০ মার্কিন ডলার কম ছিল। এর ফলে ভারত জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে, মুদ্রাস্ফীতি সামাল দিতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে সক্ষম হয়েছে। ২০২৫ সালের জুন মাসে ভারতে রুশ তেল সরবরাহ দৈনিক প্রায় ২০.৯ লাখ ব্যারেলে পৌঁছায়। পরে কিছুটা কমলেও তা বাজারদর পরিবর্তন ও সরবরাহের বহুমুখীকরণের কারণে, রাজনৈতিক চাপে নয়। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে রাশিয়া ভারতের বৃহত্তম তেল সরবরাহকারী দেশ ছিল। তবে অতিনির্ভরতা এড়াতে ভারত মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা থেকেও আমদানি বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ফের ক্ষমতায় ফেরার পর বিষয়টি আরও উত্তপ্ত হয়। তাঁর প্রশাসন ২০২৫ সালের অগাস্টে কিছু ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বাড়িয়েছিল, যা অনেকেই ভারতের রুশ তেল নির্ভরতা কমানোর চাপ হিসেবে দেখেন।

    রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য

    ট্রাম্প একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছেন যে, ভারত রুশ তেল কেনা বন্ধে রাজি হয়েছে। তবে পরবর্তী আলোচনার ফলে একটি সংশোধিত বাণিজ্য সমঝোতা হয়, যাতে শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয় এবং অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ জরিমানা তুলে নেওয়া হয়। অর্থনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ভারত রুশ তেলের ওপর কোনও পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেনি। বরং শুধু বর্তমান পরিমাণের বেশি না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এমনকি রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও বলেছেন, “ভারতের সম্পূর্ণ অবরোধের দাবি মস্কোর পক্ষ থেকে আসেনি।” এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখায় যে, পশ্চিমী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার পাশাপাশি ভারত কীভাবে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ও নিজের জ্বালানি নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করছে। মিউনিখে রুবিওর বক্তব্য বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছে। তিনি জানান, ভারত রুশ তেল কেনা সম্পূর্ণ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেয়নি। কেবল আমদানি বর্তমান স্তরে স্থির রাখার কথা বলেছে। এই মুহূর্তে নয়াদিল্লির অবস্থান স্পষ্ট, জ্বালানি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সাশ্রয়ী মূল্য, প্রাপ্যতা এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও।

  • India Russia Relation: ভারতে আসছেন পুতিন, হবে ভারত-রাশিয়া গুচ্ছের চুক্তি সই! তার আগে গুরুদায়িত্বে জয়শঙ্কর-ডোভাল

    India Russia Relation: ভারতে আসছেন পুতিন, হবে ভারত-রাশিয়া গুচ্ছের চুক্তি সই! তার আগে গুরুদায়িত্বে জয়শঙ্কর-ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (India Russia Relation) সঙ্গে নয়া চুক্তি চূড়ান্ত করতে চলেছে নয়াদিল্লি। ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে ভারত সফরে আসার কথা রুশ প্রেসিডেন্টের। সেই সফরেই নয়াদিল্লি একগুচ্ছ নয়া চুক্তি ও উদ্যোগ চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    পুতিনের সফর (India Russia Relation)

    তিনি পুতিনের সফরকে কেন্দ্র করে ২৩তম বার্ষিক ভারত–রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মস্কোয় রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা করেন। জয়শঙ্কর বলেন, “এই বিশেষ উপলক্ষটি আমার কাছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমরা ২৩তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের জন্য প্রেসিডেন্ট পুতিনের ভারত সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।” তিনি জানান, উভয় পক্ষই বহু ক্ষেত্রে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, উদ্যোগ এবং প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, “আমরা এগুলি আগামী দিনগুলিতে চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছি। এই সব পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে আমাদের বিশেষ এবং সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও সমৃদ্ধ ও সুদৃঢ় করবে।” জানা গিয়েছে, ৫ ডিসেম্বরের আশপাশে ভারতে আসার কথা পুতিনের। এই সফরে তিনি বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও। গত বছর মোদি মস্কো সফর করেছিলেন বার্ষিক শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিতে।

    বৃহত্তর বিশ্বের স্বার্থ পূরণ

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত শান্তি প্রতিষ্ঠার সাম্প্রতিক প্রচেষ্টাগুলিকে সমর্থন করে। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই এই লক্ষ্যকে গঠনমূলকভাবে নেবে। সংঘাতের দ্রুত অবসান এবং একটি স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বার্থেই।” তিনি বলেন, “ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীলতার একটি উপাদান হিসেবে কাজ করেছে এবং এই অংশীদারিত্বের বিকাশ দুই দেশ এবং বৃহত্তর বিশ্বের স্বার্থ পূরণ করে (India Russia Relation)।” দুই মন্ত্রী আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করব। এই খোলামেলা আলোচনা বরাবরই আমাদের সম্পর্ককে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেন সংঘাত, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফগানিস্তানের ঘটনাবলিও।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মস্কোয় জয়শঙ্করের এই সফরটি আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক একটি পদক্ষেপ, যেখানে কৌশলগত সহযোগিতা আরও মজবুত করতে উল্লেখযোগ্য ফলের সম্ভাবনা রয়েছে (S Jaishankar)।প্রসঙ্গত, ভারত ও রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনার জন্য ফি বছর একটি করে বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে। এখন পর্যন্ত এই ধরনের ২২টি সম্মেলন হয়েছে। রাশিয়া ভারতের দীর্ঘদিনের অংশীদার। এটি নয়াদিল্লির বিদেশনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।

    ডোভাল-নিকোলাই বৈঠক

    এদিকে, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সোমবার পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং রাশিয়ার মেরিটাইম বোর্ডের চেয়ারম্যান নিকোলাই পাত্রুশেভের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের আলোচনার মূল বিষয় ছিল সামুদ্রিক নিরাপত্তা। নয়াদিল্লিতে অবস্থিত রুশ দূতাবাস বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, ভারতের জাতীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তা সমন্বয়ক ভাইস অ্যাডমিরাল বিশ্বজিৎ দাসগুপ্তও আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন (India Russia Relation)। দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়, “রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সহকারী ও রাশিয়ার মেরিটাইম বোর্ডের চেয়ারম্যান নিকোলাই পাত্রুশেভ ভারতে পৌঁছেছেন। তিনি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (S Jaishankar) অজিত ডোভাল এবং ভারতের জাতীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তা সমন্বয়ক ভাইস অ্যাডমিরাল বিশ্বজিৎ দাসগুপ্তের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।” উল্লেখ্য যে, পাত্রুশেভের এই সফরটি এমন একটি দিনে হল, যেদিন ভারতের বিদেশমন্ত্রী রুশ বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে নতুন করে বৈঠক করতে মস্কো পৌঁছেছেন।

    ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, আমেরিকার সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করছে ভারত। গত অগাস্ট মাসেই রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। গিয়েছিলেন ডোভালও। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে উদ্যোগী হয়েছেন নয়াদিল্লির মোদি এবং মস্কোর পুতিন সরকার (India Russia Relation)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে মস্কো থেকে অপরিশোধিত তেল কেনায় ভারতের ওপর রুষ্ট ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের হুমকি উপেক্ষা করেই রাশিয়ার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে রাজি হয়নি ভারত। ডোভাল, জয়শঙ্করের রাশিয়া সফর এবং (S Jaishankar) নরেন্দ্র মোদি-পুতিনের ফোনে কথা, ভারতের ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপের সমালোচনা, পুতিনের ভারতে আসার সম্ভাবনা, এমন নানা বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সেই সময় যে আলাপ-আলোচনা হয়েছিল, তা ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক আরও মজবুত করার ইঙ্গিত ছিল। সেই সম্পর্কই আরও মজবুত হবে পুতিনের আসন্ন ভারত সফরে (India Russia Relation)।

LinkedIn
Share