Tag: Service

Service

  • Kolkata Metro: ৫ অগাস্ট থেকে বাড়ছে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সময়সীমা, জানুন টাইমটেবিল

    Kolkata Metro: ৫ অগাস্ট থেকে বাড়ছে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সময়সীমা, জানুন টাইমটেবিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) যাত্রীদের জন্য দারুণ খবর। আগামী ৫ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে সময়সূচি। কবি সুভাষ (Kabi Subhash) থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় পর্যন্ত মেট্রো অরেঞ্জ লাইনের পরিষেবার সময় বাড়ানো হচ্ছে বলা জানা গিয়েছে। সকালে প্রথম মেট্রো ছাড়ার সময় কিছুটা পিছিয়ে আনা হয়েছে এবং শেষ মেট্রো ছাড়ার সময় রাত পর্যন্ত কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে আগে থেকে সময় অনেকটাই বেড়েছে। যাত্রীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে সপ্তাহে ৫ দিন নয়, ৬ দিন মিলবে মেট্রো।

    মেট্রো রেলের বিবৃতি (Kolkata Metro)

    মেট্রো একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পরিষেবা আরও উন্নত সহজ করতে মেট্রো রেক চালানো হবে স্টেশনগুলিতে। এতদিন এই ‘অরেঞ্জ’ লাইনের আপ এবং ডাউন লাইনে মোট ৪৮টি রেক চলতো। এবার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪। দুই স্টেশনেই এবার থেকে মেট্রো চলবে সকাল ৮টা থেকে। যদিও এতদিন চলছিল সকাল ৯টা থেকে। অপর দিকে এত দিন পর্যন্ত বিকেল ৪টে ৪০ মিনিট পর্যন্ত শেষ মেট্রো চলত। এবার থেকে সেই ট্রেনের সময় বেড়ে দাঁড়াল রাত্রি ৮টা পর্যন্ত। ক্রমশ যাত্রীদের সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য

    মেট্রোরেলের (Kolkata Metro) জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেছেন, “মেট্রোরেল মূলত চালানো হয় কলকাতাবাসীর সুবিধার কথা মাথায় রেখেই। অনেক দিন ধরেই অরেঞ্জ লাইনে পরিষেবা বৃদ্ধি করার জন্য অনুরোধ বার বার আসছিল। ওই লাইনে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সে ক্ষেত্রে অনেকেই প্রতিদিন যাতায়াত করেন। এই সব কথা চিন্তা করেই পরিষেবা বৃদ্ধি করছি আমরা।”

    আরও পড়ুনঃ জামিন পেলেও এখনই ছাড়া পাচ্ছেন না কেষ্ট মণ্ডল, থাকতে হবে তিহাড়েই

    বাসনো হবে এএসসিআরএম মেশিন

    মেট্রোতে (Kolkata Metro) অরেঞ্জ লাইনে নিউ গড়িয়া (Kabi Subhash) থেকে রুবি পর্যন্ত যেতে মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। আবার অপর দিকে, পার্পল লাইনের তারাতলা, সখের বাজারে যাত্রী সংখ্যা কম হওয়ার কারণে টিকিট কাউন্টার তুলে নেওয়া হবে। সেখানে টিকিট ব্যবস্থা হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে। বাসানো হবে এএসসিআরএম মেশিন। যাত্রীরা নিজেরাই টিকিট কাটতে পারবেন। এই তালিকায় যুক্ত করা হবে অরেঞ্জ লাইনের কবি সুকান্ত স্টেশনকেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Employment: রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ, ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট,  তবুও রাজকুমারের পরিচয় ফেরিওয়ালা !

    Employment: রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ, ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট, তবুও রাজকুমারের পরিচয় ফেরিওয়ালা !

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেরি করেই জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন উচ্চশিক্ষিত রাজকুমার। রায়গঞ্জ ব্লকের মণিপুর অঞ্চলের কান্তরের বাসিন্দা রাজকুমার মাহাতো। বয়স ২৫। পড়াশোনার জন্য রায়গঞ্জ শহরের উকিলপাড়ায় তাঁর বর্তমান অস্থায়ী বাসস্থান। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ এবং ক্যারাটেতে ব্লাকবেল্ট তিনি। ছোট্ট ফেরিগাড়িতে মণিহারি সামগ্রী সাজিয়ে গ্রামে গ্রামে ফেরি করে বেড়ান। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফেরিগাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ান গ্রামগঞ্জে। পরিবারের সদস্যদের সুখেশান্তিতে রাখার পাশাপাশি নিজের পায়ে দাঁড়াতে (Employment) কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি।

    নিজের পেশাকে পরিহাস বলতে নারাজ, কেন জানেন ?

    সপ্তাহে ৩ দিন রায়গঞ্জ শহর ও শহরতলি এলাকায় ক্যারাটের প্রশিক্ষণ দিতেও দেখা যায় তাঁকে। ফেরিওয়ালা রাজকুমারের পেশার সঙ্গে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা মোটেই মানানসই নয়। তবু জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে ফেরিওয়ালা পেশাকেই বেছে নিয়েছেন তিনি। বাবা পেশায় কৃষক। অনটনের সংসারে একটি সরকারি চাকরির (Employment) খুব প্রয়োজন থাকলেও নিজের পেশাকে পরিহাস বলতে মানতে নারাজ তিনি। রাজকুমার ২০১৫ সালে ভগিলতা হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ ও ২০১৭ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর রায়গঞ্জ সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনার্স নিয়ে ভর্তি হন। এরপর রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ কমপ্লিট করেন। এম এ পড়ার সময় রায়গঞ্জে চলে আসেন তিনি। মেলায় মেলায় বেলুন বিক্রি করে নিজের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতেন রাজকুমার। কিছু টাকাপয়সা জোগাড় হতেই ভ্যানগাড়ি তৈরি করে মনিহারি সামগ্রী বিক্রি শুরু করেন। পাশাপাশি চালিয়ে যান ক্যারাটে প্রশিক্ষণ।

    ইচ্ছে শিক্ষক হওয়া আর অলিম্পিকে সোনা নিয়ে আসা

    ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট পাওয়ার পর গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য মহারাজা মোড়ে একটি স্কুলও চালু করেছেন। এত পরিশ্রমের পরেও হাসিখুশি  রাজকুমারের ইচ্ছে অলিম্পিকে অংশ নেওয়া। তার বিশ্বাস, অংশ নিলে সোনা আনবেনই। গত ২০ মার্চ রাজকুমার রায়গঞ্জ থেকে কলকাতার উদ্দেশে পায়ে হেঁটে রওনা দিয়েছিলেন এবং ৬ দিনে কলকাতায় পৌঁছন। ইচ্ছে ছিল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে গ্রামেগঞ্জে ছেলেমেয়েদের মোবাইল ফোনের অত্যাধিক ব্যবহার বন্ধের জন্য গ্রাম্য খেলাধুলোর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানাবেন। কিন্তু দেখা করার সুযোগ পাননি। রাজকুমার জানান, ফেরি করে যে আয় হয়, তা দিয়ে চাকরির জন্য পড়াশোনার খরচ এবং সংসারের খরচটুকু ওঠে। কঠিন লড়াই করতে হয়। নেট ও স্লেটের জন্য চেষ্টা করছি। বাবা রামদেব মাহাতো গ্রামেই থাকেন। অন্যের জমিতে কাজ করেন। মা মিনাদেবী মাহাতো অসুস্থ। মা, বাবা ও চার ভাইবোন নিয়ে কোনও রকমে চলে তাঁদের সংসার। উকিলপাড়ার এক বাসিন্দা রাজকুমারকে থাকতে দিয়েছেন, এজন্য কোনও ভাড়া নেন না। রাজকুমার জানান, ইচ্ছে শিক্ষক হওয়ার। কিন্তু আমাদের মতো গরিব মানুষের কাছে চাকরি (Employment) স্বপ্নের মতো। কারণ, এখন যোগ্যতার দাম নেই, টাকা দিলেই চাকরি মেলে। 

    ঘরে এত মেডেল, কিন্তু সম্মান নেই, আক্ষেপ রাজকুমারের

    রাজকুমারের ঘরে গিয়ে দেখা গেল, দেওয়ালে ঝোলানো রয়েছে অনেক মেডেল। জাতীয়, রাজ্য ও জেলাস্তরে ক্যারাটেতে অংশ নিয়ে কোনওবার প্রথম, আবার কোনওবার দ্বিতীয় হয়েছেন। তাঁর আক্ষেপ, এত মেডেল রয়েছে, কিন্তু কোনও সম্মান নেই। প্রতিবেশীদের কাছে অত্যন্ত নম্র, ভদ্র এবং গুণী ছেলে রাজকুমার। প্রতিবেশি লক্ষ্মী চৌহান বলেন, উচ্চশিক্ষিত হয়েও সে যেভাবে ফেরি করে নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি সংসার চালায়, সত্যি ভাবা যায় না। এমন ছেলে দেখা যায় না। ওর একটা চাকরি (Employment) দরকার। পাড়ার ছেলেমেয়েরা খুব ভালোবাসে ওকে। সোনিয়া চৌহান নামে পাড়ার এক ছাত্রী জানায়, দাদা খুব ভালো মানুষ। আমাদের সঙ্গে খেলাধুলো করে।আমাদের খুব সাহায্য করে। দাদার একটা চাকরি দরকার। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি  সকল ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকার দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। ঠিক এইরকমই এক সময়ে রাজকুমারের লড়াই কি কর্মসংস্থান প্রশ্নে রাজ্য সরকারের ভূমিকার দিকে আঙুল তুলছে না?
    এই প্রশ্নই ঘুরছে বিশেষজ্ঞ মহলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share