Tag: Sewage Treatment Plants

  • Satyendar Jain: দিল্লি জল বোর্ডের টেন্ডার দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার আপ নেতা সত্যেন্দ্র, জালে আরও ৫

    Satyendar Jain: দিল্লি জল বোর্ডের টেন্ডার দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার আপ নেতা সত্যেন্দ্র, জালে আরও ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি জল বোর্ডের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি ও অনিয়মের (Jal Board Corruption Case) অভিযোগে আম আদমি পার্টির নেতা এবং দিল্লির প্রাক্তন জলমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনকে (Satyendar Jain) গ্রেফতার করল দুর্নীতি দমন শাখা। অর্থ পাচার মামলায় ইতিমধ্যেই ১৮ মাস জেলে কাটিয়েছেন জৈন। তাঁর এই গ্রেফতারিকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

    যেসব অভিযোগে গ্রেফতার সত্যেন্দ্ররা (Satyendar Jain)

    এই মামলায় জৈন ছাড়াও আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দিল্লি জল বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক তথা আইএএস অফিসার উদিত প্রকাশ রাই, প্রাক্তন চুক্তিভিত্তিক পরামর্শদাতা অঙ্কিত শ্রীবাস্তব এবং তিন বেসরকারি ব্যক্তি নাগেন্দ্র যাদব, রাজা কুমার কুররা ও পঙ্কজ বর্মা। দিল্লি দুর্নীতি দমন শাখার দাবি, ২০২৪ সালের ১১ মে দায়ের হওয়া এফআইআরের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতারি। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছিল। দিল্লির জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের সরকারের নজরদারি অধিদফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার সূত্রপাত। অভিযোগ, দিল্লি জল বোর্ডের অধীনে নিকাশি জল শোধনাগারের সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের জন্য বিভিন্ন কাজের বরাত দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছিল। টেন্ডারের শর্ত বদলে দেওয়া, প্রক্রিয়ায় কারচুপি এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগও উঠেছে। মামলায় ঘুষ, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মতো অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতি দমন শাখার বক্তব্য, তদন্তে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কারচুপির প্রাথমিক প্রমাণ সামনে আসার পরেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে।

    আপের প্রশ্ন

    গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাম হল সত্যেন্দ্র (Satyendar Jain)। দিল্লির জলমন্ত্রী থাকাকালীন জল বোর্ডের সঙ্গে তাঁর সরাসরি প্রশাসনিক যোগ ছিল। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সময়কাল ও দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আম আদমি পার্টি। দলের নেতা ধান্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, “আর কত প্রমাণ দরকার যে বিজেপি আম আদমি পার্টিকে ভয় পায়?” তাঁর আরও প্রশ্ন, জৈন যখন ১৮ মাস জেলে ছিলেন, তখন তাঁর অনুপস্থিতিতে ঘটে যাওয়া অনিয়মের জন্য তাঁকে কীভাবে দায়ী করা যায়? জৈনের গ্রেফতারির সঙ্গে আসন্ন পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনকেও যুক্ত করেছে আম আদমি পার্টি। বর্তমানে পাঞ্জাবে দলের সহ-দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে কাজ করছেন জৈন। দলের অভিযোগ, সেই কারণেই এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এদিকে, দুর্নীতি দমন শাখা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, দিল্লি জল বোর্ডের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি ও কারচুপির অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবেই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তদের। মামলায় সত্যেন্দ্রকে দিল্লির প্রাক্তন জলমন্ত্রী, উদিত প্রকাশ রাইকে দিল্লি জল বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক এবং অঙ্কিত শ্রীবাস্তবকে প্রাক্তন চুক্তিভিত্তিক পরামর্শদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নাগেন্দ্র, রাজা, এবং পঙ্কজকে এফআইআরে নাম থাকা সংস্থাগুলির সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    পুরো তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নিকাশি জল শোধন পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিভিন্ন চুক্তিতে অনিয়মের অভিযোগ। ফলে অভিযুক্তদের (Satyendar Jain) রাজনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ জনপরিকাঠামো প্রকল্পও (Jal Board Corruption Case) এই মামলাকে করে তুলেছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

     

  • Vanishing Lakes of Kashmir: বিপন্ন ভূস্বর্গের জীববৈচিত্র্য, লুপ্ত হয়ে গিয়েছে ৫১৮টি হ্রদ!

    Vanishing Lakes of Kashmir: বিপন্ন ভূস্বর্গের জীববৈচিত্র্য, লুপ্ত হয়ে গিয়েছে ৫১৮টি হ্রদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৬৭ সাল থেকে ৬৯৭টি প্রাকৃতিক হ্রদের মধ্যে ৫১৮টি হয় সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে অথবা আয়তনে কমে গিয়েছে (CAG)। ফলে পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতি হয়েছে জীববৈচিত্র্যেরও (Vanishing Lakes of Kashmir)। ক্যাগের রিপোর্টেই উঠে এসেছে ভূস্বর্গের চাঞ্চল্যকর এই ছবি। ক্যাগের আধিকারিকরা ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত নথিপত্র যাচাই করার ক্ষেত্রে তাঁদের সূক্ষ্মতা এবং কঠোর পর্যবেক্ষণের জন্য পরিচিত। বিভিন্ন মন্ত্রক ও দফতরের উল্লেখ করে ক্যাগের প্রতিবেদনগুলিতে ত্রুটি, ভুলভ্রান্তি এবং ঘাটতিগুলি তুলে ধরা হয়। এসব বিশদ মন্তব্য ও সুপারিশ প্রায়ই সংশোধনের পথ দেখায়। চলতি বছরের জম্মু-কাশ্মীরের ওপর ক্যাগের রিপোর্টে বহু সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, বিশেষ করে হ্রদগুলিকে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

    লোপ পাচ্ছে একের পর এক হ্রদ (Vanishing Lakes of Kashmir)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলজ এলাকা থেকে জলাভূমি, তারপর দ্বীপ এবং শেষে মানুষের বসবাসযোগ্য জমিতে রূপান্তর একটি প্রায় অপরিবর্তনীয় প্রক্রিয়া। ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সংরক্ষণ সংক্রান্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, মোট ২৮,৯৯০ হেক্টর এলাকাজুড়ে থাকা ৬৯৭টি হ্রদের মধ্যে ৩১৫টি হ্রদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়েছে এবং ২০৩টি হ্রদের আয়তন ১,৩১৪.১৯ হেক্টর কমেছে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দখলদারিত্ব বা দুর্গম এলাকায় অনুপ্রবেশ—উভয়ই একই ফল দেয়, ক্রমেই সংকুচিত হয় উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল। মোট ৫১৮টি হ্রদের ২,৮৫১.২৬ হেক্টর এলাকা হ্রাস পেয়েছে কিংবা বিলুপ্ত হয়েছে। এশিয়ার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ উলার হ্রদ (Wular Lake)-এর অবস্থাও একই রকম উদ্বেগজনক (Vanishing Lakes of Kashmir)। এই তালিকায়ই রয়েছে ডাল লেক এবং শ্রীনগরের অন্যান্য হ্রদগুলিও।

    ক্যাগের সুপারিশ

    কার্যকর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সময়সীমাবদ্ধ ও কাঠামোবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছে ক্যাগ। আয়তনে লেকের এই কমে যাওয়া আকার পরিবেশগত পরিষেবা ব্যাহত করেছে এবং জল, খাদ্য ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। হ্রদের আয়তন কমে যাওয়াও জলবায়ু নিরাপত্তাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ২০১৪ সালের কাশ্মীরে বন্যার  অন্যতম কারণ ছিল উলার হ্রদের অবক্ষয়, যা স্বাভাবিকভাবে বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (CAG)। জানা গিয়েছে, ২০৩টি সংকুচিত হ্রদের মধ্যে ৬৩টি ৫০ শতাংশেরও বেশি আয়তন খুইয়েছে, যা তাদের বিলুপ্তির ঝুঁকিতে ফেলেছে। ক্যাগের মতে, ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন, বন উজাড়, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নিয়ন্ত্রণহীন মানবিক কার্যকলাপই এই অবক্ষয়ের প্রধান কারণ (Vanishing Lakes of Kashmir)।

    সমস্যায় ডাল লেকও

    ডাল লেকের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। ২০০৭ সালে ১৫.৪০ বর্গকিমি থেকে ২০২০ সালে ১২.৯১ বর্গকিমিতে নেমে এসেছে। গত ১৩ বছরে ১০.১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সময়ে ভাসমান উদ্ভিদ, কৃষিজমি এবং বসতিস্থানের পরিমাণ বেড়েছে। ক্যাগের রিপোর্টেই  লক্ষ্য করা গিয়েছে যে লেকস কনজারভেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (Lakes Conservation and Management Authority ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া সিউয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (STP) সঠিকভাবে কাজ না করা, দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, এবং দুর্বল নজরদারি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে। জাতীয় হ্রদ সংরক্ষণ কর্মসূচি (NLCP) এবং প্রধানমন্ত্রীর পুনর্গঠন কর্মসূচি (PMRP)-এর বাস্তবায়নেও গুরুতর ঘাটতি দেখা গিয়েছে। STP-তে ৪৫ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করা সত্ত্বেও বর্জ্য যথাযথভাবে শোধন করা হয়নি। ওই প্রতিবেদনই জানায় যে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং পর্যবেক্ষণে ঘাটতি (CAG) থাকলে ডাল লেকের (Vanishing Lakes of Kashmir) পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে।

     

LinkedIn
Share