Tag: Sexual Harassment

Sexual Harassment

  • Uttar Pradesh: বিয়ের টোপ দিয়ে মহিলাকে যৌন হেনস্থা! সর্বস্ব লুট করে চম্পট মুসলিম যুবকের

    Uttar Pradesh: বিয়ের টোপ দিয়ে মহিলাকে যৌন হেনস্থা! সর্বস্ব লুট করে চম্পট মুসলিম যুবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের টোপ দিয়ে এক মহিলাকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে যৌন নির্যাতন (Sexual Harassment) করেছে মুসলিম যুবক জালালউদ্দিন। আরও অভিযোগ, নির্যাতিতাকে বিয়ের কথা বলে ভয় দেখিয়ে টাকা, গয়না এবং মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে চম্পট দেয় ওই যুবক। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) গোরক্ষপুরের ঘটনা।

    আর্থিক অনটনের মধ্যে ছিলেন নির্যাতিতা (Uttar Pradesh)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা (Sexual Harassment) দুই সন্তানের মা। তিনি ২০১৩ সালে বিয়ে করেছিলেন। স্বামীর সঙ্গে গিদা এলাকায় বসবাস করতেন। বাড়িতে আর্থিক অনটন থাকায় সন্তাদের ভরনপোষণের জন্য বিআরডি মেডিক্যাল কলেজ (Uttar Pradesh) এলাকায় একটি চায়ের দোকান চালাতেন মহিলা। এরপর মুসলিম যুবক জালালউদ্দিনের সংস্পর্শে আসেন ওই মহিলা। শুরু হয় প্রেম।

    আমার টাকা, গয়না লুট করে পালায়

    জালালউদ্দিন প্রথমে ওই মহিলার আস্থা অর্জন করেন। তিনি তাঁর স্বামীকে ছেড়ে আসতে রাজি করান। প্রতিশ্রুতি দেন, মহিলার সন্তানদেরও দায়িত্ব নেবেন। মহিলার অভিযোগ, “আমি ওঁকে বিশ্বাস করেছিলাম। আমার স্বামীকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। এরপর জালালউদ্দিন এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আমাকে যৌন নির্যাতন (Sexual Harassment) করে। যখনই আমি বিয়ের কথা বলতাম, এড়িয়ে যেত। গত ৯ জানুয়ারি ফের যখন বিয়ে করতে বলি, তখন আমায় ব্যাপক মারধর করে। তারপর আমার টাকা, গয়না লুট করে পালায়। ঘটনার পর থেকেই এক সপ্তাহ ধরে তার কোনও খোঁজ না পাওয়ায় আমি থানায় (Uttar Pradesh) অভিযোগ দায়ের করেছি। এখন আমি ওই শাস্তি চাই।”

    আরও পড়ুন: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    মুসলিম যুবকরা মেয়েদের প্রলোভনে টার্গেট করে

    থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারায় মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সব রকম ব্যবস্থা নিতে কাজ শুরু হয়েছে। তবে উত্তরপ্রদেশে জেহাদি মুসলমান যুবকদের এইরকম দৌরাত্ম্যের কথা আগেও সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে নানা সময়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পরিচয় গোপন করে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করে মুসলমান যুবকরা। এরপর লাভ জিহাদের (Sexual Harassment) ঘটনা ঘটে। যদিও যোগী সরকার (Uttar Pradesh) ক্ষমতায় বসার পর থেকেই এভাবে প্রলোভন এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা আগের চেয়ে খানিক কমেছে।       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sexual Harassment: কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যালে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গ্রেফতার অধ্যাপক

    Sexual Harassment: কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যালে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গ্রেফতার অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার রাতেই আরও একটি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে রাজ্য। অভিযোগ, কল্যাণীর এক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন এক অধ্যাপক। ৯ অগস্ট রাতে কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। নির্যাতিতা মেডিক্যাল কলেজের ওই বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। যার ভিত্তিতে পুলিশ ওই অধ্যাপককে গ্রেফতার করেছে।

    কী অভিযোগ

    ঘটনাটি ঘটেছিল কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা ওই কলেজের মাইক্রোবায়োলজির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি কলেজের বিভাগীয় এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই সময় আরজিকর কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্যসহ গোটা দেশ। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় বর্ষের নির্যাতিতা ছাত্রী আরজিকর নিয়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। প্রতিবাদ আন্দোলনের মঞ্চেই তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। সহকর্মীদের তিনি এবিষয়ে জানান। পরে সহকর্মীদের কাছ থেকে সাহস পেয়ে তিনি স্থানীয় থানায় অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। গত ১৩ অগস্ট অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। তার ভিত্তিতে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ‘‘ওকেও উৎসব মণ্ডল করে দেব’’, ধৃত বাংলাদেশি হিন্দুকে মারার চেষ্টা মুসলিমদের

    জামিনের আর্জি খারিজ

    এই ঘটনায় অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তার জামিন খারিজ করে দেন। পরে কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানান অভিযুক্ত অধ্যাপক। অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে বলেন, এমন কিছুই ঘটেনি সেদিন রাতে। ছাত্রীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল খানিকটা। এরপর বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ বলেন, যেহেতু চার্জশিট ফাইল হয়ে গেছে, এবার ছাত্রীর সাক্ষ্য গ্রহণ হবে, তাই এই অবস্থায় জামিন দেওয়া যাবে না। জানা গিয়েছে এই বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তৎকালীন অধ্যক্ষ তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করেন। একদিনের মধ্যেই তার রিপোর্টও জমা পড়ে। সেই রিপোর্টও পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: দুই শীর্ষ পুলিশকর্তার অপসারণের দাবিতে নবান্ন ও কেন্দ্রকে চিঠি রাজ্যপালের, কেন?

    CV Ananda Bose: দুই শীর্ষ পুলিশকর্তার অপসারণের দাবিতে নবান্ন ও কেন্দ্রকে চিঠি রাজ্যপালের, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগের তদন্ত করার করার অভিযোগে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট ডিসিকে অপসারণের আর্জি জানিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। নবান্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তিনি আর্জি জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। রবিবার রাতে রাজভবন সূত্রে খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

    দুই আইপিএসকে কেন্দ্রীয়স্তরে ডেকে পাঠানোর দাবি (CV Anand Bose)

    জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল নবান্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আইএএস, আইপিএস ক্যাডার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ যথা ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিংকে (CV Anand Bose) এই চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, কলকাতা পুলিশের কমিশনার এবং ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় অসাংবিধানিক কাজ করেছেন। এর জন্য তাঁদের পদ থেকে যেন সরিয়ে দেওয়া হয়। ওই দুজন আইপিএস আধিকারিককে কেন্দ্রীয়স্তরে ডেকে পাঠানোর দাবি জানানো হয়। অবশ্য লালবাজারের তরফে এবিষয়ে এখন অবধি কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ (Kolkata Police)

    ২ মে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে রাজভবনের এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল রাজ্যপাল চাকরির পদোন্নতি প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হেনস্থা করেছেন। কিন্তু সাংবিধানিক রক্ষাকবচ থাকায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগের তদন্ত করা যায় না, বলে কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি কলকাতা পুলিশ। কিন্তু অভিযোগ না নিলেও মহিলার বয়ানের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালিয়েছিল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। রাজভবনের কর্মীদের ডেকে পাঠানো হয়। ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। এমনকি, পরবর্তীকালে মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে একাধিক প্রতিক্রিয়া মেলে। ডিসি সেন্ট্রাল এবিষয়ে সক্রিয় হন বলে সুত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: “চোপড়ায় চলছে তালিবান শাসন”, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    মহিলাকে পুলিশের কাছে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজভবনের কয়েকজন আধিকারিকের নামে মামলাও রুজু হয়। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে সেই তদন্ত বন্ধ হয়ে যায়। তবুও এই অভিযোগ পর্ব থেকেই রাজ্যপাল, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে যে তিক্ততা বেড়েছে তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sexual Harassment: তিলজলায় তরুণীকে গণধর্ষণ! অভিযুক্ত দুই বিদেশি ফুটবলার

    Sexual Harassment: তিলজলায় তরুণীকে গণধর্ষণ! অভিযুক্ত দুই বিদেশি ফুটবলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক তরুণীকে ধর্ষণের (Sexual Harassment) অভিযোগে এক মহিলা ও দুই বিদেশি ফুটবলার সহ তিনজনকে গ্রেফতার করল নিউটাউন থানার পুলিশ। অভিযুক্ত দুই ফুটবলার দক্ষিণ আফ্রিকার ঘানার বাসিন্দা। কলকাতায় তারা বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টে টাকার বিনিময়ে ফুটবল খেলে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে অভিযুক্ত মহিলা মিজোরামের বাসিন্দা। রবিবার তিনজনকেই বারাসত জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক অভিযুক্তদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

    টাকা চাইতে গিয়েই বিপদ

    পুলিশ সূত্রে খবর, এক তরুণী নিউটাউন থানায় এসে অভিযোগ করেন যে তাঁর সঙ্গে পূর্ব পরিচিত এক মহিলার কাছে টাকা চাইতে যান তিনি। ওই মহিলা জানান, তাঁর কাছে টাকা নেই। কিন্তু তাঁর সঙ্গে গেলে তিনি টাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারবেন। সেই বিশ্বাসে তাঁর সঙ্গে সাহায্যপ্রার্থী তরুণী গিয়েছিলেন দুই বিদেশি ফুটবলারের কাছে। অভিযোগ, তারা নিজেদের ফ্ল্যাটে টাকা দেওয়ার অছিলায় ধর্ষণ (Sexual Harassment) করে ওই তরুণীকে। পাঁচ দিন আগের এই ঘটনায় শনিবার রাতে তিলজলা ও নিউটাউন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক মহিলা-সহ তিন অভিযুক্তকে। নিউটাউন থানা এলাকার বাসিন্দা ওই তরুণী পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন গত ১৯ মে। তার ভিত্তিতে এই ধরপাকড় চালায় পুলিশ। 

    আরও পড়ুন: এগরার পর বজবজ! বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী, মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

    ধৃতদের পরিচয়

    বিধাননগর কমিশনারেট সূত্রের খবর, ধৃত দুই ফুটবলারের নাম ক্রিস জোসেফ ও মোজেস জুটা। কলকাতার তিলজলায় একটি ফ্ল্যাটে তাঁরা থাকেন। ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জেনেছে, ঘানার ওই দুই ফুটবলার চুক্তির বিনিময়ে খেলে থাকেন। তবে কলকাতার কোনও নামী ক্লাবের সঙ্গে তাঁদের এখনও কোনও যোগসূত্র পাওয়া যায়নি বলেই দাবি করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, দুই ফুটবলার ২০১৯ সালে কলকাতায় এসেছিলেন। কোভিডের সময়ে তাঁরা ঘানায় ফিরে যান। ফের ২০২১ সালে তাঁরা কলকাতায় আসেন। ময়দান সূত্রের খবর, দক্ষিণ শহরতলিতে এই ধরনের বিদেশি ফুটবলারদের বসবাস রয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগই নামী ক্লাবের সঙ্গে জড়িত নন। ধৃত তরুণী লিজার প্রসঙ্গে পুলিশের দাবি, ওই তরুণী নানা ধরনের কাজ করে থাকেন। অনেক বিদেশির সঙ্গেই তাঁর বন্ধুত্ব রয়েছে। লিজার কাজকর্ম নিয়েও সন্দেহ রয়েছে পুলিশের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeep Singh: যৌন হয়রানির অভিযোগ মহিলা কোচের, পদত্যাগ করলেন হরিয়ানার ক্রীড়ামন্ত্রী

    Sandeep Singh: যৌন হয়রানির অভিযোগ মহিলা কোচের, পদত্যাগ করলেন হরিয়ানার ক্রীড়ামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করলেন হরিয়ানার (Haryana) ক্রীড়ামন্ত্রী সন্দীপ সিং (Sandeep Singh)। তাঁর দাবি, তাঁর ভাবমূর্তি কলঙ্কিত করার চেষ্টা চলছে। এদিকে, সন্দীপের বিরুদ্ধে এদিন চণ্ডীগড় থানায় যৌন হয়রানি (Sexual Harassment), ভয় দেখানো এবং আটকে রাখার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর ঠিক একদিন আগেই সন্দীপের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন মহিলা জুনিয়র কোচ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন মন্ত্রিত্বে ইস্তফা দেন হরিয়ানার ক্রীড়ামন্ত্রী।

    অভিযোগ অস্বীকার…

    তাঁর বিরুদ্ধে তোলা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সন্দীপ। তিনি বলেন, আমার ভাবমূর্তি কলঙ্কিত করার চেষ্টা চলছে। আমি আশা করি, আমার বিরুদ্ধে যে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে, তদন্তে তা প্রমাণ হবে। আমি ক্রীড়া দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছি। যতদিন না তদন্ত রিপোর্টে আমি নির্দোষ প্রমাণিত হচ্ছি, ততদিন পর্যন্ত মন্ত্রিত্বে ফিরব না। এদিকে, ওই মহিলা কোচ বিরোধী দল ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোকদলের অফিসে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি জানান, মনোহরলাল খট্টর সরকার এখনই যেন সন্দীপকে (Sandeep Singh) মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেন। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে বিশেষ তদন্তকারী দল নিয়োগ করেন। কেবল ওই মহিলা কোচই নন, প্রায় একই দাবি করেছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা তথা হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র সিং হুডা। অভিযোগ প্রমাণে তদন্তের দাবি তুলেছেন তিনিও।

    আরও পড়ুন: ‘বাবার মৃত্যুর সময়ও কর্তব্যে অবিচল ছিলেন মোদি’, স্মৃতির সাগরে ডুব ভিএইচপি নেতার

    ওই মহিলা কোচের দাবি, সন্দীপ তাঁকে একটি জিমে দেখেছিলেন। তারপর ইনস্টাগ্রামে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তার পর থেকে মন্ত্রী তাঁর সঙ্গে নানাভাবে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করেন। ওই মহিলা কোচ বলেন, তিনি আমাকে ইনস্টাগ্রামে মেসেজ করেছিলেন। বলেছিলেন, আমার ন্যাশনাল গেমস সার্টিফিকেট বকেয়া রয়েছে। এই কারণে তিনি আমার সঙ্গে দেখা করতে চান। তিনি বলেন, শেষমেশ আমি তাঁর বাড়ি কাম ক্যাম্প অফিসে তাঁর (Sandeep Singh) সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজি হই। সেখানে অন্যান্য নথিপত্রও নিয়ে যাই। তাঁর অভিযোগ, সেখানে যাওয়ার পরেই মন্ত্রী তাঁকে যৌন হেনস্থা করেন। প্রসঙ্গত, সন্দীপ সিং বিজেপি বিধায়ক। তিনি কুরুক্ষেত্রের পেহা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন। তিনি একজন পেশাদার হকি খেলোয়াড়ও। ভারতীয় হকি দলের অধিনায়কও ছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে তাঁর একটি বায়োপিক রিলিজ হয়। নাম ছিল ‘সুরমা’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Me too: বলিউডের পর আবার টলিউডেও ‘মি টু’ ঝড়, অভিযুক্ত উঠতি পরিচালক

    Me too: বলিউডের পর আবার টলিউডেও ‘মি টু’ ঝড়, অভিযুক্ত উঠতি পরিচালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউডে ফের নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে ‘মি টু’ (Me Too)। অভিনেত্রী শার্লিন চোপড়া এবং গায়িকা সোনা মহাপাত্র নির্দেশক সাজিদ খানের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন। এবার সেরকমই কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠল টলিপাড়ার উঠতি পরিচালক বাপ্পার বিরুদ্ধেও। অভিযোগ করেছেন বাংলা সিরিয়ালের চেনা মুখ সুকন্যা দত্ত (Sukanya Dutta)। সুকন্যার অভিযোগ, পরিচালক বাপ্পা (Director Bappa) তাঁকে প্রস্তাব দেন, তাঁর ছবিতে অভিনয় করতে গেলে বোল্ড সিনের ওয়ার্কশপ করতে হবে। ফেসবুকে পোস্ট করে অভিযোগ করেছেন তিনি। 

    অভিনেত্রী ফেসবুকে অভিযোগ করেছেন, বাপ্পা তাঁকে নিজে থেকে ফেসবুকে মেসেজ পাঠিয়ে কাজের প্রস্তাব দেন। এরপর দেখা করার কথা বলেন। সুকন্যার দাবি, বাপ্পা তাঁকে বোল্ড সিনের ওয়ার্কশপ করার কথা বলেন। সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পরেও নানান ভাবে যৌন ইঙ্গিতবাহী কথা বলতে থাকেন। তিনি ফেসবুকে এও লেখেন, যে তিনি বুঝতে পারছেন না বাপ্পা সিনেমা বানাবেন নাকি পর্ন ফিল্ম! বিষয়টি সামনে আসতেই আরও একবার উত্তাল টলিউড। 

    আরও পড়ুন : এবার কেষ্টকন্যা সুকন্যাকে দিল্লিতে তলব ইডির

    সংবাদমাধ্যমকে সুকন্যা বলেন, “উনি অনেক বারই আমায় বাইরে দেখা করতে বলেছেন। আমারও অভিনয়ের ইচ্ছে ছিল। সেই জন্য আমি এক দিন ওঁর স্টুডিয়োর বাইরে দেখা করি। স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি নিয়ে আলোচনার পর আমায় স্কুটি করে গলির মোড় পর্যন্ত পৌঁছে দেন। শুধু তাই নয়, ঘনিষ্ঠ এবং যৌনদৃশ্যে অভিনয়ের মহড়া দেওয়ার দাবি জানান পরিচালক। হয়তো সেটা উনি অনেকের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন। কারণ বৃহস্পতিবার সে কথা উল্লেখ করে অনেকে নানা ইঙ্গিতে আমার সঙ্গে রসিকতা শুরু করেন। তখনই আমার মনে হল, আমার সঙ্গে যা ঘটেছে, তা সকলকে জানানো উচিত।”

    বিষয়টিতে সাময়িক মৌনতা বজায় রাখলেও, শনিবার রাতে নিজের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে পাল্টা একটি ফেসবুক পোস্ট করেন ‘শহরের উপকথা’- খ্যাত পরিচালক বাপ্পা। ‘অল বেঙ্গল মেল ফোরাম’-এর শ্রীমতী নন্দিনী ভট্টাচার্যই তাঁকে এই পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাপ্পা। সুকন্যার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    তাঁর বক্তব্য, ইন্ডাস্ট্রিতে তিনিও নতুন কাজ শুরু করেছেন। আর শুরুতেই যদি এমনটা হয়, তা হলে তো বেজায় মুশকিল। শনিবার নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করে দিলেন পরিচালক। সঙ্গে পোস্ট করলেন সুকন্যার সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের বেশ কিছু স্ক্রিনশটও। পরিচালক বলেন, “আমি ভেবেছিলাম চুপ থাকব। এই সব বিষয়ে মন্তব্য করার ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু শেষ কয়েক দিন ধরে যা শুরু হয়েছে, তাতে চুপ থাকতে পারলাম না। ‘অল বেঙ্গল মেল ফোরাম’-এ অভিযোগ জানিয়েছি। তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ করবে। এ ছাড়া স্থানীয় থানায়ও অভিযোগ জানাব।” সুকন্যার করা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পরিচালক। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
LinkedIn
Share