Tag: Sexual Harassment

Sexual Harassment

  • TCS: শেষমেশ মুখ খুলল টিসিএস, ‘দুর্বল বিবৃতি’তে যা জানালেন কর্তৃপক্ষ

    TCS: শেষমেশ মুখ খুলল টিসিএস, ‘দুর্বল বিবৃতি’তে যা জানালেন কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিন আগে প্রকাশ্যে এসেছিল টিসিএসে (TCS) মুসলমান কর্মীরা হিন্দু মহিলা সহকর্মীদের যৌন হয়রান করেছে। অভিযোগ, তারা জোর করে ইসলাম ধর্মে (Religious Conversion Case) ধর্মান্তরিত করার চেষ্টাও করেছিল। এ ব্যাপারে এই তিনদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন কোম্পানির কর্তাব্যক্তিরা। ঘটনার তিনদিন পর, কোম্পানি শেষমেশ একটি দুর্বল বিবৃতি দিয়েছে, যা মূলত পিআর-সংক্রান্ত শব্দে ভরা।

    ‘জেহাদি নেক্সাস’ (TCS)

    বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষের তরফে অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে হিন্দু সহকর্মীদের লক্ষ্য করে তথাকথিত ‘জেহাদি নেক্সাসে’র  কোনও উল্লেখ না করে, টিসিএস জানিয়েছে, “যে কোনও ধরনের হয়রানি ও জোরজবরদস্তির বিরুদ্ধে টিসিএসের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। আমরা সবসময় কর্মক্ষেত্রে আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখেছি।” নিজেদের দায়মুক্ত করতে এবং বিতর্ক এড়ানোর চেষ্টা করে সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত মুসলিম কর্মীদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। টিসিএস জানিয়েছে, “নাসিকের ঘটনাটি সম্পর্কে জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্ত কর্মীদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমরা স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করছি। তদন্তের ফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

    যৌন হয়রানি ও ধর্মান্তর চক্র

    প্রসঙ্গত, নাসিকে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের একটি বিপিও ইউনিটে গত ৪ বছর ধরে একটি বড় যৌন হয়রানি ও ধর্মান্তর চক্র চলছিল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জন মুসলিম কর্মী, যারা টিম লিডার হিসেবে কাজ করত, (আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং দানিশ শেখ) তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে (TCS)। অভিযোগ, ওই সংস্থায় হিন্দু মহিলাদের জোর করে গরুর মাংস খাওয়ানো হত, বাধ্য করা হত নমাজ আদায় করতে। ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত (Religious Conversion Case) করার জোরদার চেষ্টাও চলত। আরও জানা গিয়েছে, সংস্থার এইচআর ম্যানেজার (যিনি ধর্মে মুসলিম) ভুক্তভোগীদের ‘শান্ত থাকার’ পরামর্শ দেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি তাঁদের এও বোঝানোর চেষ্টা করেন যে বহুজাতিক কোম্পানিতে এটি খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার (TCS)।

     

  • Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত আক্রমণ। দেশ কিংবা বিদেশ সর্বত্রই এমনতর ঘটনা ঘনঘন এবং নিরন্তর চলছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই (Hindus Under Attack) নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, আক্রমণ, মন্দির-মূর্তির অবমাননা, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। এটি অভূতপূর্ব হিন্দু বিদ্বেষের পরিচায়ক (Roundup Week)।

    ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে (Hindus Under Attack)

    গত ৫ থেকে ১১ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত পর্বে আমরা এমন কিছু ঘটনার ছবি তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ছবিটা। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (USCIRF) তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে। তারা ভারতের বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম প্রায়ই এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে যা আদতে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

    ইমরান শেখ গ্রেফতার

    দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ভুবনেশ্বর থেকে ইমরান শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, সে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিল বলে অভিযোগ। ২২ বছর বয়সী শেখকে ওড়িশার রাজধানীর ইউনিট-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। মহারাষ্ট্রের নাসিকের একটি বহুজাতিক আইটি সংস্থায় যৌন হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সাত মহিলা পুলিশ কর্মী ছদ্মবেশে সেখানে ঢুকে দেখেন, হিন্দু মহিলা কর্মীরা হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। অভিযানে অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরা হয় এবং গ্রেফতার করা হয়। মোট ৯টি মামলা দায়ের হয়েছে, গ্রেফতার হয়েছে ৭ জন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’

    কলকাতার ভবানীপুরে ভোলানন্দ গিরি আশ্রমে তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অসীম বসু ঢুকে পড়ে সেখানকার সাধুদের জোর করে বের করে দেন। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সাধুদের অভিযোগ, তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং আশ্রমের বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)। দিল্লির ত্রিনগরে একটি ‘লাভ জেহাদ’ মামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। সেখানে বছর পনেরোর এক হিন্দু কিশোরী ও বছর চৌত্রিশের এক মুসলিম ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। ওই কিশোরীর পরিবারের দাবি, ওই ব্যক্তি পরিচয় গোপন করে ‘সৌরভ রাইডার’ নামে পরিচয় দিয়েছিল। তিনি নৃত্য প্রশিক্ষক। পড়াতে গিয়ে ওই মেয়েটির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর।

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ থেকে উদ্ভূত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলিতেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব আজও রয়ে গিয়েছে, যা এই ধরনের অপরাধকে উৎসাহ দেয় (Roundup Week)। দীপাবলিতে পটকা নিষিদ্ধ করার বিষয়টি এর একটি উদাহরণ। একে পরিবেশ বাঁচানোর কারণ বলে মনে করিয়ে দিয়ে  হয়। বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং দ্বৈত মানদণ্ডের ইঙ্গিত দেয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Kerala Woman Arrested: হিন্দুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে ধৃত মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সার

    Kerala Woman Arrested: হিন্দুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে ধৃত মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর বিয়াল্লিশের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার (Sexual Harassment) অভিযোগ তুলে ভাইরাল করে দেওয়া হয় ভিডিও। অভিযোগ, তার পরেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই ব্যক্তি। কেরলের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। এই ঘটনায় বছর পঁয়ত্রিশের এক মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেফতার (Kerala Woman Arrested) করা হয়েছে। তিনিই ওই ভিডিওটি ভাইরাল করেছিলেন।

    ভিডিও রেকর্ড (Kerala Woman Arrested)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে শিমজিথা মুস্তাফা ও দীপক ইউ একই বাসে যাত্রা করছিলেন। ইনফ্লুয়েন্সার মুস্তাফা একটি ভিডিও রেকর্ড করে দাবি করেন যে দীপক তাঁকে যৌন হেনস্তা করেছেন এবং সেই ভিডিও তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং ২০ লক্ষেরও বেশি ভিউ পায়। ভিডিওতে মুস্তাফা বলেন, “গতকাল আমি একটি পাবলিক বাস থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছি, যেখানে এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার সম্মতি ছাড়াই আমায় স্পর্শ করেছে। এটি কোনও দুর্ঘটনা বা ভুল বোঝাবুঝি নয়। এটি ছিল আমার যৌন সীমা স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন।”

    ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

    তিনি আরও বলেন, “আমি রেকর্ডিং শুরু করি যখন দেখি আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক মহিলা অস্বস্তিতে ছিলেন। তাঁর দুষ্কর্ম ভিডিও করা হচ্ছে জেনেও ওই ব্যক্তি আমায় স্পর্শ করতে থাকেন। এটি তাঁর ইচ্ছাকৃত আচরণ, সহমর্মিতার অভাব এবং এই বিশ্বাসের পরিচয় যে তার কোনও সাজা হবে না।” রবিবার, ভিডিওটি রেকর্ড হওয়ার দু’দিন পর, কোঝিকোড়ে নিজের বাড়িতে দীপকের বাবা-মা তাঁদের একমাত্র ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁদের দাবি, দীপক নির্দোষ ছিলেন এবং চরম অপমানের শিকার হয়েছিলেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে শনিবার, নিজের জন্মদিন-সহ টানা (Sexual Harassment) দু’দিন কিছুই খাননি তিনি। তার পরেই উদ্ধার হয় দীপকের ঝুলন্ত দেহ।

    দীপকের মা বলেন, “আমার সন্তান এই অপমান সহ্য করতে পারেনি। ওর বিরুদ্ধে কখনও কোনও ভুল কাজের অভিযোগ ওঠেনি (Kerala Woman Arrested)।” ঘটনার পর মুস্তাফা ভিডিওটি মুছে দেন এবং পরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আরও একটি ভিডিও আপলোড করেন। সেই ভিডিওটিও পরে ‘প্রাইভেট’ করে দেওয়া হয়। সোমবার পুলিশ আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ওই মহিলা ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে। একই সঙ্গে কেরল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনও ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং উত্তর জোনের ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল (ডিআইজি)-কে এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলে (Kerala Woman Arrested)।

LinkedIn
Share