Tag: Shahjahan Sheikh

Shahjahan Sheikh

  • Sheikh Shahjahan: মিলল না আগাম জামিন, শাহজাহানের আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট

    Sheikh Shahjahan: মিলল না আগাম জামিন, শাহজাহানের আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিপাকে সন্দেশালিকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। মঙ্গলবার তাঁর আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আর্থিক তছরুপের মামলায় ইডির হাত থেকে রেহাই পেতে হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন শেখ শাহজাহান। কিন্তু এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রসিদির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ইডির হেফাজতে অন্য এক অভিযুক্তের মারফত শাহজাহানের নাম উঠে এসেছে। বর্তমানে সেই ঘটনার তদন্ত চলছে। এই প্রেক্ষিতে আগাম জামিন দেওয়া সম্ভব নয়। 

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    বর্তমানে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। তাঁকে দফায় দফায় জেরা করে সন্দেশখালিতে হামলার দিনের ঘটনার বিভিন্ন তথ্য জানার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এরই মাঝে ইডির হাত থেকে রেহাই পেতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা। উল্লেখ্য, এর আগে বসিরহাটের পিএমএলএ কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া ওই নেতা। সেখানেও তাঁর আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এদিন শাহজাহানের আইনজীবী সব্যসাচী ব্যানার্জী বলেন, “শাজাহানের বিরুদ্ধ সরাসরি কোনো অভিযোগ নেই । তাঁকে ইডি অফিসারদের হামলায় মদত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাই ইডি কিসের ভিত্তিতে তাঁকে হেফাজতে নেবে? এই বক্তব্যকে খারিজ করে ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী আদালতে জানান, রেশন দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করা হয়। সেখান থেকে শাহজাহানের নাম উঠে আসে। ফৌজদারি অপরাধে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। অর্থ তছরুপ প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর মামলায় তাঁকে এখনও গ্রেফতার করেনি ইডি। 

    আরও পড়ুন: ‘অস্বস্তিকর প্রশ্ন করলেই এসএসসি চুপ থাকে’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কটাক্ষ

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    দুপক্ষের সওয়াল জবাবের পর শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। ইডি জানায়, শাহজাহান প্রবল প্রভাবশালী। তাকে রক্ষা করতে উঠেপড়ে লেগেছিল রাজ্য সরকার। এমনকী আদালতের নির্দেশের পরেও তাকে গ্রেফতার করেনি রাজ্য পুলিশ। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। যার জাল বাংলাদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। তাকে আগাম জামিন মঞ্জুর করলে তদন্তে প্রভাব পড়বে। ইডির ওপর হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যে সিবিআই হেফাজতে রয়েছে শেখ শাহজাহান। বৃহস্পতিবার ফের তাকে আদালতে পেশ করবেন তদন্তকারীরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ ফুরোলেই শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারে ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sk. Shahjahan: হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য! শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে দিল না সিআইডি

    Sk. Shahjahan: হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য! শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে দিল না সিআইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও শেখ শাহজাহানকে (Sk. Shahjahan) সিবিআই-এর হাতে তুলে দিল না সিআইডি। যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Incident) মূল অভিযুক্ত শাহজাহানকে নিয়ে যেতে ভবানী ভবনে পৌঁছে গিয়েছিলেন সিবিআই-এর আধিকারিকরা৷ সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। কিন্তু ২ ঘণ্টারও বেশি সময়ের অপেক্ষার পর শাহজাহানকে ছাড়াই খালি হাতে ফিরে যেতে হল সিবিআইকে। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকার শেখ শাহজাহানকে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে৷ সেই যুক্তিতেই এদিন সিআইডির পক্ষ থেকে শেখ শাহজাহানকে সিবিআইকে হস্তান্তর করা হয়নি।

    হাইকোর্টের নির্দেশ

    সন্দেশখালির ঘটনায় (Sandeshkhali Incident) অবিলম্বে শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ইডির উপরে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আজই বিকেল ৪.৩০টার মধ্যে শেখ শাহজাহানকে (Sk. Shahjahan) হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ওই সময়ের মধ্যে সিবিআইকে নথি দেওয়ারও নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ‘৫০ দিন পালিয়ে থাকার পর ২৯ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার হন শেখ শাহজাহান। শেখ শাহজাহান একজন সাধারণ নাগরিক নন, তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। যে রাজনৈতিক দলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, সেটা রাজ্যের শাসক দল। ন্যায়বিচারের স্বার্থে, স্থানীয়দের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যেই সিবিআই।’

    কোথায় শাহজাহান

    বিকেল পাঁচটা নাগাদ সিবিআই-এর দুই আধিকারিক প্রায় ২৫ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে নিয়ে শেখ শাহজাহানকে (Sk. Shahjahan) হেফাজতে নিতে ভবানী ভবনে পৌঁছন৷ মনে করা হচ্ছিল, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে হয়তো শাহজাহানকে সিবিআই-এর হেফাজতেই তুলে দেবেন সিআইডি আধিকারিকরা৷ কিন্তু প্রায় দু’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষার পর যখন সিবিআই আধিকারিকরা ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন, তখন তাঁদের সঙ্গে শেখ শাহজাহান ছিলেন না৷ শাহজাহানকে না নিয়েই ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে যায় সিবিআই আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে আসা চারটি গাড়ি৷  

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূল আর বেশিদিন থাকবে না’’, ইস্তফা দিয়েই হুঙ্কার অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    সুপ্রিম কোর্টের অজুহাত

    সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Incident) তদন্তভার সিবিআইকে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবারই ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল সরকার। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি লড়বেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। শীর্ষ আদালতে জরুরি ভিত্তিতে মামলাটির শুনানি চেয়েছিল রাজ্য। যদিও সুপ্রিম কোর্ট ওই আর্জিতে সাড়া দেয়নি। তবুও সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়বে রাজ্য এই অজুহাতেই মঙ্গলবারও শাহজাহানকে সিবিআই-এর হাতে তুলে দেয়নি সিআইডি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

    .

  • Shahjahan Sheikh: পুলিশি হেফাজতে শাহজাহান, তথ্য লোপাটের আশঙ্কায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ ইডি

    Shahjahan Sheikh: পুলিশি হেফাজতে শাহজাহান, তথ্য লোপাটের আশঙ্কায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখকে (Shahjahan Sheikh) ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আশঙ্কা, এর জেরে রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় যে তদন্ত ইডি করছে, তার অনেক তথ্য ও নথি নষ্ট হতে পারে। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ইডি। ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী বলেন, “রাজ্য পুলিশ শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন তিনি। তাই ইডি যে মামলার তদন্ত করছে, তার অনেক তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করে দেওয়া হতে পারে।”

    শাহজাহানের পুলিশি হেফাজত

    টানা ৫৫ দিন লুকিয়ে থাকার পরে বৃহস্পতিবার কাকভোরে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এদিন তোলা হয় আদালতে। তাঁকে ১৪ দিন নিজেদের হেফাজতে রাখার আবেদন করে পুলিশ। যদিও আদালত তাঁকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। আদালতে জমা দেওয়া নথিতে শাহজাহানকে (Shahjahan Sheikh) অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ। তাঁকে জামিন দিলে সন্দেশখালি ও ন্যাজাট থানা এলাকার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা পুলিশের। এদিনই শাহজাহানকে কলকাতার ভবানী ভবনে রাজ্য পুলিশের সদর দফতরে নিয়ে আসে পুলিশ।

    দ্রুত শুনানি হোক

    সিট গঠন সক্রান্ত যে মামলা ছিল, এদিন মূলত তা নিয়েই আদালতে হাজির হন ইডির কর্তারা। তাঁরা চান, দ্রুত শুনানি হোক মামলাটির। প্রধান বিচারপতির কাছে এ নিয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছে ইডির তরফে। এদিন ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমকে চিঠি দিয়ে বলেন, “সিট গঠন সংক্রান্ত ডিভিশন বেঞ্চের মামলাটি ৬ মার্চ শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “এটা গ্রেফতার নয়, মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট”, শাহজাহান প্রসঙ্গে তোপ শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, সন্দেশখালির ঘটনায় রাজ্য পুলিশকে নিয়ে সিট গঠনের নির্দেশের ওপর অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এই তদন্তে রাজ্য পুলিশকে নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছিল। ইডি এর বিরোধিতা করেছিল। ইডির আধিকারিকদের ওপর হামলার পরে পরেই গা ঢাকা দেন শাহজাহান। তখনই তথ্য লোপাটের আশঙ্কা করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তৃণমূলের এই অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতার পুলিশি হেফজত হওয়ায় আরও একবার তথ্য ও নথি লোপাটের আশঙ্কা করল ইডি (Shahjahan Sheikh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: “শাহজাহান শেখের জন্য আমার কোনও সমবেদনা নেই”, বললেন প্রধান বিচারপতি

    Shahjahan Sheikh: “শাহজাহান শেখের জন্য আমার কোনও সমবেদনা নেই”, বললেন প্রধান বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh) জন্য আমার কোনও সমবেদনা নেই।” বৃহস্পতিবার তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh) আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায়কে এমনই জানালেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম।

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    এদিন শাহজাহানের আইনজীবী আদালতে হাজির হতেই প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনার জন্যই অপেক্ষা করেছিলাম। আগামী দশ বছর আপনাকে খুব ব্যস্ত থাকতে হবে। আপনার মক্কেলের (শাহজাহান) অনেক কাজ করতে ব্যস্ত থাকতে হবে। চার-পাঁচজন জুনিয়র রাখতে হবে। কারণ মামলার যা সংখ্যা।” এর পরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই ব্যক্তির (শাহজাহান) জন্য আমার কোনও সমবেদনা নেই।”

    আদালতে শাহজাহানের আইনজীবী

    শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে ৪৩টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারির পরেই শাহজাহানকে তোলা হয় বসিরহাট আদালতে। বিচারক তাঁকে দশ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। শাহজাহান গ্রেফতার হতেই এদিন তাঁর আইনজীবী হাজির হন কলকাতা হাইকোর্টে। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে তিনিই জানান শাহজাহানের গ্রেফতারির খবরটি। নিম্ন আদালতের পেন্ডিং জামিনের আবেদনগুলি প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করতে চায় শাহজাহান। সেই কারণেই স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় যুক্ত হতে চেয়ে এদিন কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন শাহজাহানের আইনজীবী। তার পরেই প্রধান বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ ওই মন্তব্য।

    আরও পড়ুুন: “এবার নতুন সূর্যোদয় দেখবে সন্দেশখালি”, শাহজাহানের গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া বোসের

    শাহজাহানের আইনজীবীর দাবি ছিল, আদালতে নিজের বক্তব্য জানাতে চায় তাঁর মক্কেল। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, জরুরি ভিত্তিতে শুনানির কোনও প্রয়োজন নেই। আদালতের আরও অনেক কাজ আছে। তাই শাহজাহানের আইনজীবীর আর্জি খারিজ হয়েছে। এদিকে, শাহজাহানের গ্রেফতারির পর এদিন সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার। তিনি বলেন, “আইনি বাধ্যবাধকতার কারণেই গ্রেফতার করা যায়নি শেখ শাহজাহানকে। আদালত স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার পর গ্রেফতার করা হয়েছে।”

    প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিকাণ্ডের জেরে গা ঢাকা দেয় তৃণমূল নেতা শাহজাহান। তৃণমূলের এই নেতা ও তাঁর শাগরেদদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিস্তর। তাঁকে গ্রেফতার করতে রাজ্য প্রশাসনকে একাধিকবার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তার পর এদিন কাকভোরে মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের এই হাঙর (আপাতত এই নামেই শাহজাহানকে ডাকছেন স্থানীয়দের একাংশ) নেতাকে (Shahjahan Sheikh)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

  • Shahjahan Sheikh: সন্দেশখালির ‘হাঙর’ তৃণমূলের শেখ শাহজাহান গ্রেফতার

    Shahjahan Sheikh: সন্দেশখালির ‘হাঙর’ তৃণমূলের শেখ শাহজাহান গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) গ্রেফতার। রাজ্যের শাসক দলের এই ‘অপরাধী’কে ধরতে পুলিশের সময় লাগল ৫৫ দিন। শাহজাহান যে এলাকায়ই গা ঢাকা দিয়েছিলেন, তার প্রমাণ মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। গ্রেফতার করার পরেই তৃণমূলের এই নেতাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বসিরহাট কোর্ট লকআপে। আজ, বৃহস্পতিবারই তাঁকে তোলা হবে আদালতে।

    তৃণমূলের ‘ছেঁদো’ যুক্তি

    শাহজাহানকে ধরার জন্য রাজ্যকে ৭২ ঘণ্টা সময়সীমা দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। সেই মন্তব্যের দুদিন পরই গ্রেফতার সন্দেশখালির এই তৃণমূল নেতা। শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে দেরি হওয়া প্রসঙ্গে আদালতকেই দুষছে তৃণমূল। গত ২৫ তারিখে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “শেখ শাহজাহানকে ধরার ক্ষেত্রে রাজ্যের হাত বেঁধে রেখেছে বিচার ব্যবস্থা।” অভিষেকের আইনি জটিলতা মন্তব্যের বিষয়টি আদালতে উত্থাপন করেছিলেন আদালত বান্ধব জয়ন্ত নারায়ণ। সেই সময় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেছিলেন, “শাহজাহানকে গ্রেফতার না করার জন্য পুলিশকে কোনও নির্দেশই দেওয়া হয়নি। আমরা পুলিশকে বলিনি যে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। ইডির মামলায় শুধু সিট গঠনের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল (Shahjahan Sheikh)।”

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের জেলা সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার গাড়ি ও হোটেল খরচ কত জানেন?

    শাহজাহান বাহিনীর (কু)কীর্তি!

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে নাম জড়ায় তৃণমূলের শাহজাহানের। এর পরেই তাঁর সন্দেশখালির বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যান ইডির আধিকারিকরা। অভিযোগ, শাহজাহানের অনুগামী তৃণমূল কর্মীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। তার পরেই গা ঢাকা দেন শাহজাহান। তৃণমূলের এই নেতা ও তাঁর শাগরেদদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগে সরব হয়েছেন স্থানীয় মহিলারা। নানা অছিলায় স্থানীয়দের জমি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তৃণমূলের এই নেতার দলবলের বিরুদ্ধে। তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে জবকার্ডের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা। শাহজাহান বাহিনীর কথা মতো না চললে মারধর, শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ সহ নানা অত্যাচার করা হত বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ, এহেন এক অপরাধী নিশ্চিন্তে ছিলেন তৃণমূলের আশ্রয়ে এবং প্রশ্রয়ে। যার জেরে শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে সময় লাগল প্রায় দু’মাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “কালীঘাটে রেড করলেই শাহজাহানকে পাওয়া যাবে”, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “কালীঘাটে রেড করলেই শাহজাহানকে পাওয়া যাবে”, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার দিন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনী কার্যালয় থেকে কিছুটা দূরে, দলের মন্ডল সভাপতিদের শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপন ও কর্মীসভা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল সহ অন্যান্যরা। মূলত এদিনের এই জনসভা থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), মমতার ভাইপোকে ‘চোর’ বলে আখ্যায়িত করেন। আবার একই ভাবে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে শাহজাহান সম্পর্কে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শাহজাহান একসাথে বসে খাওয়া-দাওয়া করছে তাই পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করছেনা”।

    সন্দেশখালি নিয়ে কী বলেন (Suvendu Adhikari)?

    সন্দেশখালিতে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার না হওয়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “পুলিশকে আর গ্রেফতার করতে হবে না। সন্দেশখালির মা-বোনেরা জেগে গিয়েছেন। এবারে তাঁরাই ধরবে তৃণমূলের দুষ্কৃতী শিবুকে। শাহজাহান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেই রয়েছে। কালীঘাটে রেড করুক তাঁকে পাওয়া যাবে। প্রতিদিন রাতের ডিনার এবং মধ্যাহ্ন ভোজন করছেন একসঙ্গে। ২০১১ আগে নন্দীগ্রাম ছিল এবার তৃণমূলের আমলে সন্দেশখালি হল।” অন্যদিকে তৃণমূল নেতা দেবাশীষ হাজরাকে সাসপেন্ড করার ঘটনায় তিনি বলেন, “লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল কংগ্রেস এইসব নাটক করছে, এছাড়া অন্য কোনও কিছুই নয়।” অপর দিকে এদিনের সভাস্থল থেকে তিনি আরও বলেন, “শীঘ্রই সিএএ লাগু হবে বাংলায়।”

    দেব প্রসঙ্গে কী বলেন?

    ঘাটালের প্রার্থী হওয়া নিয়ে দেব ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক প্রসঙ্গের বিষয় নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আমতলার সভায় বলেন, “কোনও লাভ হবে না, ঘাটালে বিজেপি ২ লাখ ভোটে জয়লাভ করবে। কেউ পাগল নয় যে দেশটাকে আফগানিস্তান-ইউক্রেন করতে চাইবে। মোদি জিকে সকলে ভোট দেবে।” পাশাপাশি বিশিষ্ট অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং আগামী লোকসভায় একসঙ্গে তাঁরা দুজনে প্রচার কর্মসূচি করবেন এমনটাও জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি মামলায় সিট গঠনের উপর স্থগিতাদেশ ডিভিশন বেঞ্চের

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালি মামলায় সিট গঠনের উপর স্থগিতাদেশ ডিভিশন বেঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি কাণ্ডে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠনের উপর স্থগিতাদেশ দিল প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্য পুলিশ যে যে মামলা রুজু করছে, সেগুলির উপরেও আপাতত অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ  দিয়েছে আদালত। সন্দেশখালি কাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) কারা তদন্ত করবে, সিবিআই না রাজ্য, তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি এবং রাজ্য দু’পক্ষই। বুধবার সেই মামলা সংক্রান্ত একটি নির্দেশে আগামী ৬ মার্চ পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দিল হাই কোর্ট। যার ফলে আপাতত সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্ত অন্তত এক মাস পিছিয়ে গেল বলে মনে করছেন আইনজীবী এবং রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    ইডির সওয়াল

    ইডি প্রথম থেকেই চেয়েছিল, সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Incident) তদন্ত করুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। এই মর্মে তারা কলকাতা হাইকোর্টে আর্জিও জানিয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত তাঁর নির্দেশে জানিয়ে দেন, শুধু সিবিআই নয়, এই মামলার তদন্ত করতে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) তৈরি করা হবে। সেই সিটের মাথায় থাকবেন সিবিআই এবং রাজ্য, দু’তরফেরই এসপি পদমর্যাদার আধিকারিক। এ ছাড়া দু’পক্ষেরই সমান সংখ্যক সদস্য সিটে থাকবে বলে জানিয়েছিল আদালত। বিচারপতি এ-ও জানিয়েছিলেন আদালতের নজরদারিতে এই তদন্ত হবে। এরপর হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যায় ইডি। 

    কী বলল আদালত

    এদিনের শুনানির সময়ে ইডি-র আইনজীবী  এস ভি রাজু সওয়াল করেন, “খুব সিরিয়াস একটি বিষয়। রাজ্য এক্ষেত্রে তদন্ত করলে পক্ষপাতদুষ্ট হবে।” তিনি আদালতে জানান,  সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছিল রাজ্য তদন্তে অসন্তুষ্ট। তাও রাজ্য পুলিশকে রাখা হয়। একজন মন্ত্রী জড়িত, সেখানে রাজ্য পুলিশ কীভাবে তদন্ত করতে পারে? তাঁর কথায়, “জয়েন্ট টিম এর পারপাস ক্লিয়ার করতে পারবে না।” সিবিআই তদন্তের দাবি জানান তিনি। এদিনের শুনানিতে ইডি-র বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি আর কারোর বক্তব্য শুনতে চাননি। তিনি সরাসরি সিট গঠনের ওপর অন্তবর্তী স্থগিতাদেশের নির্দেশ দেন। একইভাবে রাজ্য সরকারের পুলিশ যে কটি তদন্ত করছিল, সব কটির ওপরই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুুন: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    বুধবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ আপাতত স্থগিত থাকবে। কোনও এফআইআরের উপরই তদন্ত করতে পারবে না রাজ্য পুলিশও। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পরে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। ৬ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলেও জানায় বেঞ্চ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    CV Ananda Bose: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে” মন্তব্যে করলেন রাজ্যপাল। শাহজাহান কোথায়? মা গঙ্গা কী সত্যই জানেন? এই প্রশ্নে ফের গ্রেফতার নিয়ে সরব হলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গতকাল রবিবার ভাটপাড়ায় গঙ্গা আরতি করতে গিয়ে গঙ্গার কাছে উত্তর খুঁজলেন তিনি। উল্লেখ্য, আগেও রাজ্যপাল রাজ্য পুলিশকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারও গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছিলেন কিন্তু ঘটনার ১৫ দিন কেটে গেলেও অধরা এই তৃণমূল নেতা। এইদিন গঙ্গায় আরতির এক অনুষ্ঠানে ফের রাজ্যপাল সরব হলেন পুলিশের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)?

    মকর সংক্রান্তির ঠিক আগের দিন উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ার হিন্দু জাগরণ মঞ্চের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি গঙ্গার ঘাটে আরতি করেন। আরতি শেষ করে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “গঙ্গা গোটা দেশের সম্প্রীতি রক্ষা করছে। এখন এই শাহজাহান কোথায় তা মা গঙ্গাই জানেন। উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে।” এই মন্তব্যে রাজ্য প্রশাসনের উপর ফের চাপ বৃদ্ধি করলেন রাজ্যপাল। এখন এই মা গঙ্গা বলতে কাকে ইঙ্গিত করেছেন সেটাও একটা প্রশ্ন। ইতিমধ্যে বিজেপির নেতারা বার বার শাহজাহানের গ্রেফতার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রথম থেকেই বিরোধীরা শাহজাহান বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করলেও এরপর স্থানীয়রা এই তৃণমূল নেতাকে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু এখনও শাহজাহানকে কেন পুলিশ গ্রেফতার করছে না তা নিয়েও মানুষের ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে।

    ৫ জানুইয়ারি থেকেই নিখোঁজ

    গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহানের উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার বাড়িতে তদন্ত করতে গেলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি আক্রান্ত হয়। তিনজন তদন্তকারী অফিসারের মাথা ফাটিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর কেন্দ্রীয় জওয়ানদের মারধর করা হয়। এমনকী তাঁদের গাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর করা হয়। এরপর থেকেই তৃণমূল নেতা শাহজাহান পলাতক। ঠিক তার পরেই রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বাংলায় ‘জঙ্গল রাজত্ব’ চলছে বলে মন্তব্য করেন। পুলিশকে আইনের শাসন প্রয়োগের কথা বলেন। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৪ জনকে গ্রেফতার হলেও আসল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করিনি পুলিশ। প্রশাসন কবে এখন গ্রেফতার করে তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে মামলা ইডির, বয়ান রেকর্ডে সিজিওতে বসিরহাট পুলিশ

    Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে মামলা ইডির, বয়ান রেকর্ডে সিজিওতে বসিরহাট পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) তাদের উপরে হামলার ঘটনায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, রেশন দুর্নীতি মামলায় তল্লাশি করতে গিয়ে তাদের আধিকারিকদের উপর হামলা করা হয়েছে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত ইডিকে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। আগামী কাল বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে বুধবারই ইডির দফতর সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছল বসিরহাটের পুলিশ। এদিনই ইডি অফিসারদের বয়ান রেকর্ড করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    হাইকোর্টে ইডি

    বুধবার হাইকোর্টে ইডি-র অভিযোগ, ‘রেশন দুর্নীতির মামলায় তল্লাশি করতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন অফিসাররা। উলটে আমাদের অফিসারদের বিরুদ্ধেই পুলিশ এফআইআর করেছে বলে শুনতে পাচ্ছি। সব সংবাদমাধ্যমে এটা প্রচার হচ্ছে। আমরা বসিরহাট কোর্টেও খোঁজ নিয়েছি। কিন্তু সেখানেও এমন কোনও এফআইআর কপি যায়নি। ওয়েবসাইটে আপলোডও করা হয়নি। উলটে পুলিশ প্রতিদিন আমাদের অফিসে গিয়ে খোঁজ করছে, কোন কোন অফিসার সেদিন সেখানে গিয়েছিলেন। আমাদের আশঙ্কা হেনস্থা করার জন্য তাঁদের নামেও নতুন অভিযোগ দায়ের করবে।’ এদিন ইডির আবেদন শোনার পর মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। আগামী কাল বৃহস্পতিবারই মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    তৎপর কেন্দ্র

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) ঘটনায় তৎপর হয়েছে কেন্দ্রও। রাজ্যে এসে দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইডির ডিরেক্টর রাহুল নবীন। সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে দফায় দফায় বৈঠক করেন ইডির ডিরেক্টর। কথা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্তাদের সঙ্গে। সূত্রের খবর, বৈঠকে ছিলেন সিআরপিএফ, এনআইএ, এসএসবি, সিআইএসএফ ও আইটি-র কর্তার। সেখানে দফতরের আধিকারিকদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    সিজিও কমপ্লেক্সে পুলিশ

    অন্যদিকে সন্দেশখালির ঘটনায় (Sandeshkhali Incident) তল্লাশি অভিযানে যাওয়া কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের বয়ান রেকর্ড করতেই বসিরহাটের ডিএসপি-র নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সিজিওতে পৌঁছেছে বলে সূত্রের খবর। সঙ্গে রয়েছে পুলিশের ক্যামেরাম্যানও। বুধবার ১২টা নাগাদ বসিরহাট পুলিশ সিজিও কমপ্লেক্সে যায়। তবে ইডির ডেপুটি ডিরেক্টর বয়ান রেকর্ডের জন্য উপস্থিত না থাকার কারণে কিছুক্ষণ পরে পুলিশ সিজিও কমপ্লেক্স ছেড়ে বেড়িয়ে যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED in Sandeshkhali: সন্দেশখালি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের বিজেপির, শুনানি বৃহস্পতিবার

    ED in Sandeshkhali: সন্দেশখালি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের বিজেপির, শুনানি বৃহস্পতিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি এবং বনগাঁয় ইডি (ED attacked in Sandeshkhali) আধিকারিকদের উপর আক্রমণের ঘটনায় হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করল বিজেপি। সোমবার এই বিষয়ে বিজেপির তরফে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এনআইএ তদন্ত ও তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের গ্রেফতার চেয়ে আবেদন করা হয় জনস্বার্থ মামলায়। আগামী বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি। 

    জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার সন্দেশখালিতে তদন্তের কাজে গিয়ে ইডি আধিকারিকদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্য। এখনও খোঁজ নেই শেখ শাহজাহানের। অন্যদিকে বনগাঁতে পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করতে গিয়েও হামলার মুখে পড়েন ইডি আধিকারিকরা। এবার সেই দুই ঘটনার প্রেক্ষিতে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করার করার অনুমতি চায় বিজেপি। আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত দ্রুত শুনানি চেয়ে আবেদন করেন। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদির অপমানে ক্ষুব্ধ অক্ষয়-সলমনরা, দেশের দ্বীপগুলিতে যাওয়ার আর্জি সচিনের

    দ্রুত শুনানির আর্জি

    বিজেপি শুক্রবারই এই ঘটনার সমালোচনা করেছিল। রবিবার দুপুরে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দলের তরফে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি তুলে দেন রাজ্যপালের হাতে। চিঠির বিষয়বস্তু হিসাবে বিজেপি লেখে, “রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ।” ভিতরে সে দিনের ঘটনার বিবরণ দিয়ে বিজেপি লেখে, ‘‘রাজ্যপালের কাছে অনুরোধ, তিনি যেন পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেন এবং এমন ব্যবস্থা নেন, যাতে তা বাস্তবে কাজে লাগে।’’ এদিকে ঘটনার পর থেকে ৩ দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত শেখ শাহজাহানের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। উল্টে ঘটনায় ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share