Tag: Shahzad Bhatti Network

  • Howrah Terror Module: হাওড়ায় জঙ্গি-যোগ! হামিম-আদিত্যদের মতো আরও অনেকেই চিহ্নিত, দাবি নিশানায় থাকা মন্ত্রীর

    Howrah Terror Module: হাওড়ায় জঙ্গি-যোগ! হামিম-আদিত্যদের মতো আরও অনেকেই চিহ্নিত, দাবি নিশানায় থাকা মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় জঙ্গি-যোগের (Howrah Terror Module) তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে আরও নতুন তথ্য। জঙ্গি সন্দেহে রবিবারই ধৃত হামিম মণ্ডলের সহযোগী আদিত্য সিংকে হাওড়া থেকে গ্রেফতার (Aditya Singh Arrest) করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ (STF)। এবার তদন্তকারীদের রাডারে উত্তর হাওড়ায় বিদেশি যোগাযোগ থাকা আরও একাধিক সন্দেহভাজন। তদন্তকারীদের দাবি, তাঁদের উপরও নজরদারি চালানো হচ্ছে। একইসঙ্গে এই বিষয়ে পুলিশকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই (Umesh Rai)। তিনিও না কি জঙ্গি-নিশানায় ছিলেন বলেই অভিযোগ।

    তদন্তে নতুন দিক (Howrah Terror Module)

    গত বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে (Hamim Mondal) গ্রেফতার করে তদন্তকারীরা। পরে ধরা পড়ে তার বান্ধবী অর্পিতা সরকার। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, দু’জনেই পাকিস্তানি গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টির নেটওয়ার্কের (Pakistan Link) সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাঁদের জেরার ভিত্তিতেই রবিবার রাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোড থেকে আদিত্য সিংকে গ্রেফতার (Aditya Singh Arrest) করে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ (STF)। সূত্রের খবর, বর্ধমানে যাওয়ার আগে হামিম দীর্ঘদিন হাওড়ার পিলখানায় থাকত। সেই এলাকারই বাসিন্দা আদিত্য। তদন্তকারীদের অনুমান, উমেশ রাই ও তাঁর পরিবারের বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি এবং গতিবিধির খবর হামিমের কাছে পৌঁছে দিয়েছিল আদিত্যই। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অপহরণের ছক তৈরি হয়েছিল বলে সন্দেহ।

    ‘আমিই ছিলাম টার্গেট’

    পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই (Umesh Rai) বলেন, “অনেক কড়া পদক্ষেপ করেছিলাম। তাতে অনেকেরই অসুবিধা হয়েছিল। সেই কারণেই হয়তো আমাকে টার্গেট করা হয়েছে। তবে আমি ভয় পাইনি। আমার কাছে পাঁচ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল। পাকিস্তান থেকে ফোনও এসেছিল। প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিইনি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নাম জড়িয়ে পড়ার পরই পুলিশকে সব জানানো হয়।”

    ‘হাওড়ায় আরও অনেক আদিত্য রয়েছে’

    উমেশ রাইয়ের (Umesh Rai) আরও অভিযোগ, উত্তর হাওড়ায় আদিত্যের মতো আরও অনেক ব্যক্তি সক্রিয় রয়েছেন, যাঁদের বিদেশি যোগাযোগ রয়েছে। তাদের ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা গেলে বিপুল পরিমাণ বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার হতে পারে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও তাঁদের গতিবিধির উপরও নজর রাখছে বলে জানা গিয়েছে।

    কলেজ পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ টাকা! 

    আদিত্য সিংকে ঘিরে আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন উমেশ রাই (Umesh Rai)। একজন কলেজ ছাত্রের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা রয়েছে? যা অত্যন্ত সন্দেহজনক। মন্ত্রী বলেন, “এরা টাকার বিনিময়ে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা, দেশের নিরাপত্তা বিক্রি করে দিচ্ছে। এটাই সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়। তাই সাধারণ মানুষকেও সতর্ক থাকতে হবে।”

    তদন্তে আরও বড় চক্রের ইঙ্গিত

    হামিম, অর্পিতা ও আদিত্যকে ঘিরে তদন্তে একটি বৃহত্তর নেটওয়ার্কের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বিদেশি যোগাযোগ, অর্থের লেনদেন, সম্ভাব্য অপহরণচক্র এবং বেআইনি অস্ত্রের যোগ- সব দিকেই সমান্তরালভাবে তদন্ত চলছে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা।

  • Assam STF: অসমে পাকিস্তানি জঙ্গি নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা, এসটিএফের জালে ৩ সন্দেহভাজন

    Assam STF: অসমে পাকিস্তানি জঙ্গি নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা, এসটিএফের জালে ৩ সন্দেহভাজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে সক্রিয় হয়ে ওঠা পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (Assam STF)। পাকিস্তানি জঙ্গি নেটওয়ার্ক ‘শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক’ (Shahzad Bhatti Network)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এই জঙ্গি-অপরাধচক্রটি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (ISI)-এর নির্দেশে কাজ করত এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নাশকতা, জঙ্গি কার্যকলাপ ও স্লিপার সেল গড়ে তোলার পরিকল্পনা করে যাচ্ছিল।

    একযোগে তিন জেলায় অভিযান

    অসম পুলিশের এসটিএফ (Assam STF) জানিয়েছে, ২৪ জুলাই ধুবড়ি, চিরাং এবং বরপেটা জেলায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে যোগ দিয়েছিল সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশও। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ধুবড়ি জেলার বেপারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা আক্রামূল ইসলাম (২৬), চিরাং জেলার পানবাড়ির ধুপিরি এলাকার বাসিন্দা আমিনুর রহমান (২২), এবং বরপেটা জেলার কালগাছিয়ার দাবান্দিয়া এলাকার বাসিন্দা আবদুল হুসেনকে (৫৪)।

    কী কী কাজে যুক্ত ছিল এই নেটওয়ার্ক (Shahzad Bhatti Network)?

    তদন্তকারীদের (Assam STF) দাবি, শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক শুধু জঙ্গি নিয়োগই নয়, অনলাইনে উগ্রপন্থায় প্ররোচনা, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রেকি, অস্ত্র সংগ্রহ, লজিস্টিক সহায়তা, গুপ্তচরবৃত্তি এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্লিপার সেল গড়ে তোলার কাজও করছিল। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে বসে থাকা হ্যান্ডলাররা এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই নেটওয়ার্ক পরিচালনা করত।

    একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ

    এসটিএফের (Assam STF) দাবি, এই নেটওয়ার্কের যোগাযোগ ছিল একাধিক উগ্রপন্থী সংগঠনের সঙ্গে। তাদের মধ্যে রয়েছে- খালিস্তান আর্মড ফোর্স, পঞ্জাব সার্বভৌমত্ব অ্যালায়েন্স, খালিস্তান লিবারেশন আর্মি, শের-ই-পাঞ্জাব ব্রিগেড, ইউনাইটেড শিখ ব্রাদারহুড, শিখ টাইগার্স অফ খালিস্তান,  তেহরিক-ই-তালিবান হিন্দুস্তান (টিটিএইচ)। পুলিশের দাবি, চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি এবং ২৪ মে পঞ্জাব পুলিশের দুই সদস্যকে লক্ষ্য করে হওয়া হত্যাকাণ্ডের দায়ও তেহরিক-ই-তালিবান হিন্দুস্তান স্বীকার করেছিল।

    অসমে কীভাবে সামনে এল এই চক্র?

    অসমে এই নেটওয়ার্কের (Shahzad Bhatti Network) কার্যকলাপ প্রথম সামনে আসে নলবাড়ি জেলার একটি তদন্তে। ওই তদন্তে গত ২২ মে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তদন্তের সূত্র ধরেই আরও তথ্য হাতে আসে এবং শেষ পর্যন্ত তিন জেলায় একযোগে অভিযান চালিয়ে এই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

    কী কী উদ্ধার হয়েছে?

    ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে  ৫টি মোবাইল ফোন, ৭টি সিম কার্ড, আধার কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই ও ডেবিট কার্ড। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও সন্দেহজনক নথিও উদ্ধার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই সমস্ত সামগ্রী খতিয়ে দেখে নেটওয়ার্কের বিস্তার এবং আর্থিক লেনদেনের সূত্র খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

    নাশকতার পরিকল্পনা!

    অসম পুলিশের এসটিএফ (Assam STF)-এর পুলিশ সুপার প্রণব কুমার পেগু জানিয়েছেন, “গোয়েন্দা সূত্রে নির্দিষ্ট তথ্য মিলেছিল যে পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত এই নেটওয়ার্ক দেশবিরোধী কার্যকলাপ এবং সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। প্রথমে পঞ্জাব, হরিয়ানা-সহ দেশের বিভিন্ন অংশে স্লিপার সেল গড়ে তোলার পর চলতি বছরে অসম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতেও এই নেটওয়ার্ক নিজেদের কার্যকলাপ বিস্তারের চেষ্টা শুরু করে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই ধুবড়ি, চিরাং এবং বরপেটায় একযোগে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

    তদন্তে আরও বড় চক্রের ইঙ্গিত

    পুলিশের দাবি, এই গ্রেফতারির মাধ্যমে তদন্ত শেষ নয়। বরং উত্তর-পূর্ব ভারতে এই নেটওয়ার্কের আরও সদস্য বা সহযোগী রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সীমান্ত পেরিয়ে পরিচালিত জঙ্গি ও অপরাধচক্রের শেকড় উপড়ে ফেলতে তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অসম পুলিশ।

LinkedIn
Share