Tag: Shantanu Banerjee

Shantanu Banerjee

  • Recruitment Scam: ১৭টি জেলায় ছড়িয়ে নিয়োগ দুর্নীতির জাল! চার্জশিটে আর কী কী জানাল ইডি?

    Recruitment Scam: ১৭টি জেলায় ছড়িয়ে নিয়োগ দুর্নীতির জাল! চার্জশিটে আর কী কী জানাল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ১৭টি জেলার আনাচে-কানাচে ছড়িয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) জাল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তারা প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীদের একটি তালিকা হাতে পেয়েছিল। তালিকায় যেমন উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, মালদহ, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, দুই দিনাজপুরের নাম রয়েছে, তেমনই নাম রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের হুগলি, নদীয়া, বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা এবং কলকাতার নামও। সোমবার শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও অয়ন শীলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই চার্জশিটে শান্তনু ও অয়নের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির উল্লেখ করার পাশাপাশি কী ভাবে চাকরি বিক্রি হয়েছে কী ভাবে নগদ টাকার হাত বদল হয়েছে, সমস্তটাই উল্লেখ করা হয়েছে।

    নামে-বেনামে সম্পত্তি

    ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগকাণ্ডে (Recruitment Scam) ধৃত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অয়ন শীলের নামে একগুচ্ছ অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে সেই চার্জশিটে। নামে-বেনামে মোট ১৪টি সম্পত্তি রয়েছে শান্তনুর। ৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৪৭ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকা। পাশাপাশি বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার কর্মচারী থেকে একাধিক সঙ্গীর নামেও সম্পত্তি থাকার হদিস পাওয়া গিয়েছে বলে চার্জশিটে দাবি করেছে ইডি। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, শান্তনুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীদের একটি তালিকা উদ্ধার হয়েছিল। সেই তালিকায় রাজ্যের ১৭টি জেলার ৩৪৬ জন প্রার্থীর নাম রয়েছে। যার মধ্যে অন্তত ১০ জন অযোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ৩৪৬ জনের তালিকায় ১৪৮ জন চাকরিপ্রার্থীই বীরভূমের বাসিন্দা। তালিকায় এর পরেই রয়েছে মুর্শিদাবাদ। সংখ্যার নিরিখে তার পরে রয়েছে মালদহ, কোচবিহার, বর্ধমান, উত্তর দিনাজপুর, পুরুলিয়া। সবচেয়ে কম প্রার্থী দক্ষিণ ২৪ পরগনার। সেখান থেকে মাত্র একজন প্রার্থী চাকরির জন্য শান্তনুদের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ১৯ মে প্রকাশিত হবে মাধ্যমিকের ফল, ঘোষণা পর্ষদের

    শান্তনুর বিরুদ্ধে চিঠি

    টাকা দিয়ে চাকরি না পাওয়ার বিষয়টিও জায়গা পেয়েছে ইডির চার্জশিটে । শান্তনুর বিরুদ্ধে লেখা একটি চিঠি এই তদন্তে ইডির হাতিয়ার। চাকরি পেতে কয়েক জন চাকরি প্রার্থীর তরফে দেওয়া হয়েছিল ১ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা।চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে, যে চিঠি পেয়েছিলেন শান্তনু, তাতে জমি বিক্রি করে টাকা জোগাড় করেছিলেন অনেকে বলে জানতে পেরেছে ইডি। কিন্তু চার বছর অপেক্ষার পর মেলেনি চাকরি, টাকা ফেরত পেতে শান্তনুকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়েছিল চিঠি। ইডির কাছে শান্তনু নিজেও ওই চিঠি প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছিলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: প্রায় দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি ২৬টি চাকরি! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক ইডি

    SSC Scam: প্রায় দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি ২৬টি চাকরি! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) কাণ্ডেও কালো টাকা সাদা করার জন্য দিন মজুরদের ভুল বুঝিয়ে চেকে সই করানো হতো। নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ধৃত হুগলির যুব তৃণমূল নেতা (এখন বহিষ্কৃত) শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলায় আদালতে বিস্ফোরক দাবি করল ইডি। আদালতে ইডির আইনজীবীরা বলেছেন, একটি ২৬ জনের তালিকা তাঁদের হাতে এসেছে। এই ২৬ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তার বিনিময়ে এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন শান্তনু। ইডির দাবি, হুগলির আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি গুণধর খাঁড়ার কাছ থেকেই চাকরি বিক্রি করতে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা নেন শান্তনু। ২৬ জন প্রার্থীর জন্য গুণধর ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা শান্তনুকে দিয়েছিলেন বলে ইডির তদন্তে উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার নথি নিয়ে ইডি দফতরে আবার গুণধরকে তলব করা হয়।

    ইডির দফতরে গুণধর

    ইডি সূত্রে খবর, প্রায় দেড় কোটি টাকা নিয়েও শান্তনু চাকরি করে দেননি বলে গুণধরের অভিযোগ। শান্তনু গ্রেফতার হওয়ার আগে থেকেই নাকি গুণধরের দেওয়া তালিকায় অনেকের চাকরি না হওয়ার বিষয়ে শান্তনুর সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন গুণধর। কিন্তু তাতেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ গুণধরের। যদিও শান্তনু টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন এবং তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন। ইডির এই দাবি নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘এবার ভাবুন, শান্তনু যদি এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকা পান তাহলে ওর প্রভুদের কাছে কত টাকা গিয়েছে!’

    আরও পড়ুুন: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    গুণধর প্রাইমারিতে চাকরির জন্য ৭ জন এবং আপার প্রাইমারিতে ১৯ জন প্রার্থীর জন্য শান্তনুকে টাকা দিয়েছিলেন বলে ইডি সূত্রে খবর। একটি সূত্রের দাবি, গুণধর তাঁর আত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠ কয়েক জনের চাকরির জন্য শান্তনুকে টাকা দিয়েছিলেন। পরে কলকাতা হাই কোর্ট ২৬৯ জনের নিয়োগ বাতিলের যে নির্দেশ দেন, তাতে গুণধরের দুই মেয়ের নাম রয়েছে বলেও শোনা যায়। 

    দিনমজুরের অ্যাকাউন্টে টাকা

    ইডির তরফে বলা হয়, “৩০০ জনের থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছেন শান্তনু। এর বাইরে আরও ২৬ জন চাকরিপ্রার্থীর তালিকা হাতে এসেছে গত। এদের প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা আদায় করেছেন। এবং সেই কালো টাকা সাদা করার জন্য একটি নির্মাণ সংস্থার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার পাশাপাশি এলাকার বেশ কিছু দিনমজুরদের অ্যাকাউন্টকেও কাজে লাগিয়েছেন শান্তনু।”এমনকী, প্রয়োজনে যাতে টাকা তুলতে পারেন সেজন্য দিন মজুরদের দিয়ে আগাম চেকবুকে সই করিয়ে নেওয়াও হয়েছিল। এধরনের অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক কর্মীদের হাত রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TET Scam: শুধু প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির পরিমাণ অন্তত ১০০ কোটি! আদালতে আর কী কী জানাল ইডি?

    TET Scam: শুধু প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির পরিমাণ অন্তত ১০০ কোটি! আদালতে আর কী কী জানাল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রেই দুর্নীতি (TET Scam) হয়েছে অন্তত ১০০ কোটি টাকার। মঙ্গলবার আদালতে এমনই দাবি করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। মঙ্গলবার আদালতে রিমান্ড লেটারে ইডি (Enforcement Directorate) দাবি করে, আগামী দিনে তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এই অঙ্ক বহু গুণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এই দুর্নীতিতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, অয়ন শীলরা একই সঙ্গে যুক্ত।

    কুন্তলের বিরুদ্ধে চার্জশিট

    মঙ্গলবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে কুন্তলের বিরুদ্ধে ১০৫ পাতার চার্জশিট পেশ করেন গোয়েন্দারা। সেই চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাথমিকের চাকরি বিক্রি করে ১০০ কোটি টাকা তুলেছেন অয়ন শীল। মঙ্গলবার কুন্তলের বিরুদ্ধে পেশ করা চার্জশিটে একাধিক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছে ইডি। চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে যোগসাজস করে প্রাথমিকে (TET Scam) চাকরি বিক্রি করেছেন অয়ন শীল। ২০১২ ও ২০১৪ সালের টেটে প্রায় ১০০ কোটি টাকার চাকরি বিক্রি করেছেন তিনি। জেরায় একথা কুন্তল জানিয়েছেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আদালতে মানিক

    এদিন মানিক ভট্টাচার্য ও তাঁর স্ত্রী শতরূপা ও পুত্র সৌভিককে আদালতে পেশ করে ইডি। রিমান্ড লেটারে ইডি-র তরফে দাবি করা হয়, ধৃত কুন্তল ঘোষের বয়ান থেকে জানা গেছে যে, ২০১২ এবং ২০১৪-র টেট-এ (TET Scam) বহু অযোগ্য প্রার্থীকে পাস করিয়ে দিয়ে, তাঁদের থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা তুলেছিলেন অয়ন শীল। গোটা বিষয়টা জানতেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। এর পাশাপাশি, ইডির আইনজীবী এদিন আদালতে দাবি করেন, মানিক ভট্টাচার্য গোটা পরিবারকে নিয়ে একাধিকবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। কিন্তু ব্যাঙ্ক থেকে এক টাকাও খরচ হয়নি। ইডির অনুমান নিয়োগ দুর্নীতির (TET Scam) কালো টাকাই এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: থরে থরে সাজানো ওএমআর শিট! অয়নের বাড়িতে মিলল চাকরি পরীক্ষার এই সব উত্তর পত্র

    মানিকের জামিনের আর্জি খারিজ

    এদিন আদালতে মানিক ভট্টাচার্যের আইনজীবী বলেন, “আমার মক্কেল কিছু বলতে চান।” তখন বিচারক বলেন, “আমরা সবাই আইনের ছাত্র। শুনেছি উনি আইন কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন। উনি নিশ্চই জানেন, একবার আইনজীবী নিয়োগ করলে আর আদালতে নিজে বলা যায় না। ” এদিন শুনানির পরে মানিককে ১৮ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠিয়েছেন বিচারক। শতরূপা এবং সৌভিকের জামিনের আর্জি সংক্রান্ত নির্দেশ বুধবার ঘোষণা করা হতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ৫০ কোটির লেনদেন, উদ্ধার ৪০০ ওএমআর শিট! নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত শান্তনু ঘনিষ্ঠ অয়ন শীল

    SSC Scam: ৫০ কোটির লেনদেন, উদ্ধার ৪০০ ওএমআর শিট! নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত শান্তনু ঘনিষ্ঠ অয়ন শীল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় আজ, সোমবার আদালতে তোলা হবে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলকে। টানা ৩৭ ঘণ্টা তাঁর সল্টলেকের অফিসে ম্যারাথন তল্লাশি চালানোর পরে রবিবার রাতে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। রবিবার গভীর রাত ৩.৩০ মিনিট নাগাদ তাঁকে নিয়ে আসা হয় সিজিও কমপ্লেক্সে। 

    অয়নের অফিসই কন্ট্রোল রুম

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ, সোমবার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে অয়নের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁকে। এরপরেই ব্যাংকশাল কোর্টে নিয়ে যাওয়া হবে অয়নকে। নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানাবে ইডি। শনিবার শান্তনু ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলের সল্টলেকের অফিসে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। দীর্ঘক্ষণ অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, একাধিক বিষয়ে সদুত্তর দিতে না পাওয়ায় অয়নকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ইডি সূত্রে খবর অয়নকে হেফাজতে নেওয়ার পর শান্তনুর মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। শনিবার হুগলির চুঁচুড়ায় গিয়ে প্রথম অয়নের ফ্ল্যাটের সন্ধান মেলে। সেখানেই সস্ত্রীক থাকতেন অয়ন। জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি জানতে পারে, সল্টলেকের এফডি ব্লকের ৩৮৮ নম্বর বাড়ির একতলায় অয়নের অফিস রয়েছে। ওইদিনই সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডি-র একটি দল ওই অফিসে হানা দেয়। শনিবার দুপুর সাড়ে ৩টে থেকে তল্লাশি শুরু হয়। রাতেই অয়নকে নিয়ে আসা হয় সল্টলেকের অফিসে।

    আরও পড়ুুন: নিজের মাতৃভাষা কখনও ভুলোনা, তরুণদের বার্তা অমিত শাহের

    কালো টাকা সাদা করেছেন অয়ন

    ইডি-র দাবি, অয়নের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেই শান্তনুর টাকা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) ৫০ কোটি টাকারও বেশি লেনদেন হয়েছে অয়ন শীলের অ্যাকাউন্ট থেকে। ইডি-র দাবি, ওই লেনদেন নিয়ে প্রোমোটার অয়নের কাছ থেকে কোনও সদুত্তর মেলেনি। এছাড়াও, অয়নের সল্টলেকের অফিস থেকে ৩৫০-৪০০ ওএমআর শিট, অ্যাডমিট কার্ড, চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা এবং রাজ্যের ৭০টি পুরসভার নিয়োগ সংক্রান্ত নথি ও ডিজিটাল নথি মিলেছে। ইডি সূত্রে খবর, অয়নের অফিসে ৭টি কম্পিউটারের মধ্যে কয়েকটির অ্যাকসেস পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর অয়নকে এনে সেগুলি খোলা হয়। অয়নকে গ্রেফতারের পাশাপাশি, ২টি ট্রলি ব্যাগে করে প্রচুর নথি নিয়ে যাওয়া হয়েছে ইডি অফিসে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: রিসর্টের মালিক কে? নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত শান্তনুর ছায়াসঙ্গী আকাশকে প্রশ্ন ইডির

    SSC Scam: রিসর্টের মালিক কে? নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত শান্তনুর ছায়াসঙ্গী আকাশকে প্রশ্ন ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত শান্তনুর ছায়াসঙ্গী সুপ্রতিম ঘোষ ওরফে আকাশ। শনিবার সকালে তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে বলাগড়ের রিসর্টে নিয়ে যান এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আধিকারিকেরা। খাতায়কলমে বলাগড়ের চাঁদড়া বটতলা এলাকার ওই রিসর্টের মালিক  তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, ওই রিসর্টের মালিক আকাশ হলেও, আদতে ওই রিসর্টের মালিক শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ই। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে শান্তনুর নাম জড়ানোর পর থেকেই নামে-বেনামে তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর একাধিক সম্পত্তির হদিস মিলেছে। ইডির দাবি, একাধিক বাড়ি, রেস্তরাঁ, বিলাসবহুল বাগানবাড়ির মালিক এই শান্তনু। 

    বন্দুক ঠেকিয়ে জোর করে জমি কব্জা

    বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বন্দুক দেখিয়ে জমি দখলের অভিযোগ করলেন স্থানীয়রা। শনিবার বলাগড়সহ হুগলিতে শান্তনুর একাধিক ঠিকানায় হানা দেয় ইডি। তল্লাশি চলে শান্তনুর বলাগড়ের রিসর্টেও। স্থানীয় ২ ব্যক্তির দাবি, ওই জমি মাথায় বন্দুক ধরে বিক্রি করতে বাধ্য করেছিল শান্তনুর পোষা গুন্ডারা। জমি হারানো এক ব্যক্তি দাবি করেন,”বছর খানেক আগে জমি বিক্রির জন্য শান্তনু আমাকে চাপ দিতে থাকে। কিন্তু আমি জমি বিক্রি করতে রাজি ছিলাম না। জমি বিক্রির জন্য আমাকে চাপ দিতে থাকে শান্তনুর পোষা গুন্ডারা। আমাকে বন্দুক দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয়। চাপের মুখে জলের দড়ে আড়াই বিঘা জমি বিক্রি করতে বাধ্য হই।”

    ১০০ দিনের কাজের আওতায় পাঁচিল তৈরি

    ১০০ দিনের সরকারি কাজের নাম করে গ্রামবাসীদের দিয়ে নিজের কাজ করিয়ে নিয়েছেন বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই অভিযোগ তুলছেন এলাকার প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান। অভিযোগ, বলাগড়ে শান্তনুর যে রিসর্ট রয়েছে, তার চারপাশে পাঁচিল দিয়ে ঘেরা হয়েছে বেশ কিছু জমি। ১০০ দিনের কাজের টাকাতেই সেই কাজ করানো হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রামবাসীদের কারও কারও অভিযোগ, শান্তনুর রিসর্টের কাজ করেও তাঁরা প্রাপ্য টাকা পাননি।

    আরও পড়ুুন: দাম শুনলে চোখ কপালে উঠবে! মণীশের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ

    রিসর্টের মালিকানা ঘিরে জল্পনা

    বলাগড়ে ১০ বিঘা জমির উপর রিসর্ট তৈরি করে শান্তনু। মোটা টাকা বিনিয়োগ করেই যে এই ঝাঁ চকচকে রিসর্টটি তৈরি হয়েছে সে ব্যাপারে কোনও সংশয় নেই গোয়েন্দাদের। সংশয় রয়েছে ওই রিসর্টের মালিকানা নিয়ে। কাগজে কলমে ওই রিসর্টটির মালিক শান্তনুর ছায়াসঙ্গী সুপ্রতিম ঘোষ ওরফে আকাশ। বলাগড়ের জিরাট কলেজের কর্মী তিনি। তবে কাগজে তাঁর নাম থাকলেও আদপে রিসর্টটি শান্তনুর এমনই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। আকাশ এলাকায় শান্তনুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। ইডির সন্দেহ, রিসর্ট নিয়ে আকাশ অনেক কিছু জানেন। এমনকী শান্তনুর সঙ্গে আকাশের নিয়মিত আর্থিক লেনদেনও হত বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Interrogation: শান্তনুর স্ত্রী ও কুন্তলের পার্টনারশিপ সংস্থার হদিশ পেল ইডি

    Interrogation: শান্তনুর স্ত্রী ও কুন্তলের পার্টনারশিপ সংস্থার হদিশ পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: তৃণমূলের (TMC) বহিষ্কৃত নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা ও আর এক বহিষ্কৃত নেতা কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) পার্টনারশিপ সংস্থার হদিশ পেল ইডি (ED)। অন্তত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (Interrogation) দাবি তেমনই। ইডি সূত্রে খবর, কুন্তলকে জেরা করে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গিয়েছে। প্রিয়ঙ্কাদের ওই সংস্থায় আরও দুজন পার্টনার ছিলেন। এবার তাঁদেরও জেরা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রিয়ঙ্কাদের ওই সংস্থার মাধ্যমে কী ধরনের লেনদেন হয়েছে, নিয়োগ কেলেঙ্কারির টাকা এই সংস্থায় বিনিয়োগ করা হয়েছে কিনা, সেসবই খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। ইডির দাবি, কুন্তলের দুটি অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা। টাকা গিয়েছে টালিগঞ্জের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীর অ্যাকাউন্টেও।

    ইডির দাবি…

    এদিন ইডির আইনজীবীর (Interrogation) দাবি, দুটো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যেখানে সাড়ে ৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। টালিগঞ্জের কয়েকজনের সঙ্গেও যোগসূত্র রয়েছে। শর্ট ফিল্ম তৈরির জন্য পার্টনারশিপ ফার্ম তৈরি করেছেন কুন্তল। এই টাকার একটা বড় অংশ শর্ট ফিল্ম বানানোর জন্য টালিগঞ্জের স্টারদের কাছে গিয়েছে। একজনকে গাড়ি কিনে দিয়েছিল। যাঁর নাম বনি সেনগুপ্ত। তিনি স্বীকার করেন যে, গাড়ি কেনার জন্য ৪৪ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা বনি ফেরত দিয়েছেন। টাকা নিয়েছিলেন সোমা চক্রবর্তীও। তিনিও ৫৫ লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, সেই সময় তাঁরা জানতেন যে এটা নিয়োগ দুর্নীতির টাকা। জানতে পেরে টাকা ফেরত দিয়েছন।

    আরও পড়ুুন: স্কুল ইউনিফর্মের বরাতে নেওয়া হয়েছে কাটমানি? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    এদিকে, শান্তনুকে (Interrogation) নির্দোষ বলে দাবি করেছেন তাঁর স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা। একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁর স্বামী পুরোপুরি নির্দোষ। তবে কেউ ষড়যন্ত্র করেছেন কি না, তা অবশ্য জোর দিয়ে বলতে পারেননি তিনি। শনিবার সকাল থেকে শান্তনুর বাড়ি, গেস্ট হাউস, ঘনিষ্ঠের বাড়িতে গিয়েছে ইডি। যদিও প্রিয়ঙ্কা বলেন, শান্তনু কোনও দুর্নীতির সঙ্গে একেবারেই যুক্ত নন। তদন্ত চলছে সবটাই দেখতে পাবেন। সবটাই তদন্তসাপেক্ষ। তিনি বলেন, এত টাকার সম্পত্তি রয়েছে, আমার জানা নেই। থাকলে আমি জানতাম। কুন্তল তাঁদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন বলেও জানান প্রিয়ঙ্কা। তিনি বলেন, কুন্তল ঘোষকে চিনতাম, ঠিক যেমন পাড়ার ছেলেদের চেনে। আমাদের বাড়িতেও এসেছে। বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান হলে নিমন্ত্রণ করা হত, তখন আসত। প্রিয়ঙ্কার দাবি, তাঁর স্বামীর যা কিছু সবটাই নিজে থেকে করেছেন। ধাবা, গেস্ট হাউস, বাড়ি সবই সৎপথের রোজগারে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Banerjee: ‘প্রভাবশালী’দের কথায় কাজ করেছেন শান্তনু! ২৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করল ইডি

    Shantanu Banerjee: ‘প্রভাবশালী’দের কথায় কাজ করেছেন শান্তনু! ২৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে শান্তনু ব্যানার্জির (Shantanu Banerjee) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করল ইডি। ইডি সূত্রে খবর, ফ্রিজ করা হয়েছে শান্তনুর মোট ২৫টি অ্যাকাউন্ট। এই অ্যাকাউন্টগুলিতে প্রায় দেড় কোটি টাকা রয়েছে। ফ্রিজ হওয়া অ্যাকাউন্টগুলি শান্তনু, তাঁর স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা ও তাঁদের সংস্থার। আবার নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির হাতে ধৃত হুগলির বলাগড়ের যুবনেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির হাতে এসেছে। জানা গিয়েছে, কয়েকজন ‘প্রভাবশালীর’ নির্দেশে কাজ করেছেন শান্তনু (Shantanu Banerjee) , এমনটাই দাবি তাঁর।

    শান্তনুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ

    এর আগের দিন রিমান্ড লেটারে দাবি করা হয়েছিল যে কুন্তল ঘোষ বিভিন্ন সময়ে প্রায় ১ কোটি টাকা নগদ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Shantanu Banerjee) ধার দিয়েছিলেন। সেই টাকার খোঁজেই, শান্তনুর লেনদেন সম্পর্কিত তথ্য খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়ায় ধৃত যুবনেতা, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের সংস্থার নামে খোলা ২৫টির মত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’ করে দিয়েছে ইডি। এই সমস্ত অ্যাকাউন্টের গত পাঁচ বছরের লেনদেন ইডির নজরে রয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেন আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে সেগুলি ‘অ্যাটাচ’ করা হবে। দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে শান্তনুকে।

    আরও পড়ুন: ২০১৮ সালে বিজেপি প্রার্থীর ‘কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে’ মনোনয়ন প্রত্যাহার করিয়েছিলেন শান্তনু!

    শান্তনুর মুখে ‘প্রভাবশালী’দের কথা

    ইডি সূত্রে খবর, জেরায় শান্তনু (Shantanu Banerjee) তাঁদের কাছে দাবি করেছেন, কয়েক জন প্রভাবশালীর নির্দেশেই তিনি ‘সব কাজ’ করেছেন। হুগলিরই আর এক ধৃত যুবনেতা কুন্তল ঘোষ, যাঁকে নিয়োগকাণ্ডের ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে দাবি করেছিলেন শান্তনু, তাঁর মাধ্যমে প্রভাবশালীদের দেওয়া নির্দেশ কার্যকর করানো হত বলেও তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তিনি। ইডি সূত্রে খবর, শান্তনু বর্ণিত ‘প্রভাবশালী’ কারা, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। এই তথ্য কতটা সত্যি, তাও তদন্ত করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।   

     

  • Recruitment scam: চাকরি বিক্রির ডিল হত কফি শপে বসে! তিনটি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ চাইল ইডি

    Recruitment scam: চাকরি বিক্রির ডিল হত কফি শপে বসে! তিনটি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ চাইল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (Recruitment scam) আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, চাকরির ডিল করা হত কফি শপে বসে। ফলে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এবার কলকাতা ও লাগোয়া এলাকার তিনটি অভিজাত হোটেলের কফি শপের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চাইল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি সূত্রে খবর, ওই হোটেলের ক্যাফেটেরিয়ায় কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে নিয়োগ দুর্নীতির ব্লুপ্রিন্ট, টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বৈঠক হয়েছিল।

    ইডি আর কী কী জানাল?

    নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment scam) গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডি সূত্রে খবর, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তাঁরা জানতে পেরেছেন শহর কলকাতার তিনটি অভিজাত হোটেলের কফিশপে শান্তনু, কুন্তল, তাপস মণ্ডলরা বিভিন্ন সময় বৈঠক করেছেন। শান্তনুর বয়ানের উপর ভিত্তি করে এই তিনটি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ চেয়ে পাঠানো হয়েছে। ইডি গোয়েন্দারা যাচাই করে দেখতে চাইছেন শান্তনুর বয়ানের সত্যতা কতটা। এমনকী এও দেখা হচ্ছে, শান্তনু, কুন্তল ছাড়া আর কারা উপস্থিত থাকতেন ওই বৈঠকে।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে পরবর্তী এসসিও-র বৈঠকের জন্য পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ মোদির, কী করবে ইসলামাবাদ?

    সূত্রের খবর, ২০১৭ সালের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে এইসব অভিজাত হোটেলগুলির কফি শপে শান্তনু, কুন্তলদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল বলে খবর। জানা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে আলিপুরের একটি নামী হোটেলও। ওই কফি শপগুলিতে হয়েছে একাধিক বৈঠক। কোন কোন চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হবে। তা সমস্ত কিছুই ঠিক করা হত এই বৈঠকে। শান্তনু ও কুন্তল ঘোষ ছাড়া বৈঠকে কারা থাকতেন, তা জানতেই শহরের তিন অভিজাত হোটেলের কফি শপের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ চাওয়া হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানা গেছে।

    সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে নিয়োগ দুর্নীতিতে কুন্তল এবং শান্তনুর যোগাযোগ সম্পর্কে আরও তথ্য ইডির হাতে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কফি শপে গিয়ে তাঁদের মধ্যে কোনও টাকার লেনদেন হয়েছে কি না, তা-ও ফুটেজ দেখে বোঝার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা। এর ফলে তদন্তে সুবিধা হতে পারে। তবে কোন তিন কফি শপে কুন্তল আর শান্তনু দেখা করতেন, তদন্তের স্বার্থে আপাতত তা গোপন রাখতে চাইছে ইডি। তবে এখন এটাই দেখার যে, ফুটেজে কী পায় ইডি। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • TMC: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত শান্তনু-কুন্তলকে ছেঁটে ফেলল তৃণমূল, বহাল তবিয়তে মানিক, পার্থ

    TMC: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত শান্তনু-কুন্তলকে ছেঁটে ফেলল তৃণমূল, বহাল তবিয়তে মানিক, পার্থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের (TMC) পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। তাঁকে সাসপেন্ড করা হলেও বহিষ্কার করা হয়নি। যেমন বহিষ্কার করা হয়নি পলাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকেও। গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও বহাল তবিয়তে রয়েছেন দলে। তবে এঁদের মতো ‘কপাল’ নয় নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হুগলির দুই তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুন্তল ঘোষের। মঙ্গলবার তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

    তৃণমূলের (TMC) শাস্তির খাঁড়া…

    এদিন এক সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের তরফে দলের মুখপাত্র তথা রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা এই দুই নেতার বহিষ্কারের খবর জানান। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে শশীর পাশে ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শশী বলেন, আমরা বরাবর বলে এসেছি, আমরা এই দুর্নীতির সমাধান চাই। যাঁরা এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাঁদের রেয়াত করা হবে না। শশী বলেন, তৃণমূল (TMC) কখনওই দোষীদের সমর্থন করেনি। বরং তারা চায় এই দুর্নীতির তদন্তে গতি আসুক। দ্রুত এর সমাধান হোক। এই প্রক্রিয়ায় যাঁদের নাম প্রকাশ্যে এসেছে, দল তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করছে। তিনি বলেন, এখানেই অন্যান্য দলের সঙ্গে তৃণমূলের ফারাক। তৃণমূল অভিযুক্তদের সমর্থন করে না। অথচ বিজেপিকে দেখা গিয়েছে, স্পষ্টতই তাদের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত নেতাদের জামিনের জন্য তদ্বির করতে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সিপিএমকে সাফ করেছি, পিসি-ভাইপোকেও গ্যারাজ করব’’, নন্দীগ্রামে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    শশীর দাবি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে বহু রাজনৈতিক দল জড়িত। বহু নেতা বিধানসভায় প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছেন তোমায় জেলে ভরে দেব। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস কোনও দুর্নীতি সহ্য করতে করে না। শশী বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত নিয়ে তৃণমূলের আপত্তি নেই। কিন্তু যেভাবে রোজ নিয়ম করে সিবিআই-ইডি তল্লাশি চালিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বদনাম করার চেষ্টা চলছে, তাতে আপত্তি রয়েছে। তিনি বলেন, একটা কথা মানতে হবে, তা হল যে টাকা উদ্ধার হয়েছে, তা কিন্তু তৃণমূলের কোনও পার্টি অফিস (TMC) থেকে হয়নি। তা উদ্ধার হয়েছে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে। শশী বলেন, কারও বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হলে, তার দায় দলের নয়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ৩৫০ কোটির কেলেঙ্কারি! জানেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আর কী কী বলল ইডি?

    SSC Scam: ৩৫০ কোটির কেলেঙ্কারি! জানেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আর কী কী বলল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় টাকার অঙ্ক ৩৫০ কোটি ছুঁয়েছে, দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির। সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয় নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) অভিযুক্ত তৃণমূলের যুবনেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিন সওয়াল জবাব চলাকালীন আদালতে ইডি জানায়, ১০০, ২০০ নয়, রাজ্যে স্কুলে নিয়োগে ৩৫০ কোটির দুর্নীতি হয়েছে। ইডির আইনজীবী আদালতে জানান, দুর্নীতির টাকার অঙ্ক ক্রমেই বেড়ে চলছে। ১১১ কোটি টাকা থেকে তা পৌঁছে গিয়েছে ৩৫০ কোটি টাকায়। এই টাকার অঙ্ক আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান ইডির আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘পুরুলিয়ার ছোট টিলা থেকে দুর্নীতি পৌঁছে গিয়েছে এভারেস্টের চূড়ায়।’ 

    ৩৫০ কোটির কেলেঙ্কারি

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়,আগে মনে হয়েছিল ১১১ কোটির দুর্নীতি, এখন মনে হচ্ছে ৩৫০ কোটির কেলেঙ্কারি (SSC Scam)। কুন্তলের কাছ থেকে নগদে ১ কোটিরও বেশি টাকা পেয়েছিলেন শান্তনু। এদিন ইডির তরফে বলা হয়, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২টি ফোন পাওয়া গেছে, তা আসলে সোনার খনি, খতিয়ে দেখতে হবে। আরও অনেক প্রভাবশালী জড়িত রয়েছে এই কেসে। কেস ডায়েরিতে সব স্পষ্ট  করা হবে। এদিন শান্তনুকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য সওয়াল করে ইডি। তারা জানায়, বিপুল সম্পত্তির মালিক শান্তনু । তার উৎস জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে । শান্তনুর দুটি মোবাইল ফোন ভর্তি রয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের তালিকায়। অ্যাডমিট কার্ড, রোল নম্বর বিভিন্ন তথ্য রয়েছে শান্তনুর ফোনে। হেফাজতে রেখে তার থেকে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে চায় ইডি। এদিন শান্তনুর জামিনের আবেদন খারিজ করে,তাঁকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ফের ধাক্কা! উপাচার্য পুনর্নিয়োগের অধিকার নেই রাজ্যের

    সব দায় কুন্তলের

    প্রসঙ্গত, এদিন নিয়োগে দুর্নীতির (SSC Scam) দায় কুন্তলের উপরেই চাপিয়ে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন শান্তনু।  তাঁর দাবি, নিয়োগ মামলায় মূল পাণ্ডা কুন্তল ঘোষ। মামলা এগোলে প্রমাণ হয়ে যাবে যে তিনি নির্দোষ।  তিনি বলেন, ‘কুন্তল টাকা পাচার করেছে অন্য রাজ্যে। কুন্তল এজেন্টদের ভয় দেখাচ্ছে, অন্য রাজ্যে টাকা পাঠাচ্ছে ওর লোকজন কয়েকশো এজেন্টের থেকে কয়েকশো কোটি টাকা তুলেছে কুন্তল। কারও নির্দেশে টাকা দেওয়া হয়নি, মিথ্যা কথা বলছে কুন্তল। আমি কোনও কিছুতে জড়িত নই, আগামীদিনে প্রমাণ হবে। আমার সব লিগাল, আগামীদিনে প্রমাণ হবে’। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share