Tag: Shantanu thakur

Shantanu thakur

  • Aadhaar Card: ‘‘রাতের মধ্যেই ফের সক্রিয় হবে নিষ্ক্রিয় হওয়া আধার’’, রাজ্যবাসীকে আশ্বাস সুকান্তর

    Aadhaar Card: ‘‘রাতের মধ্যেই ফের সক্রিয় হবে নিষ্ক্রিয় হওয়া আধার’’, রাজ্যবাসীকে আশ্বাস সুকান্তর

     

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক ব্যক্তির আধার (Aadhaar Card) নিষ্ক্রিয় হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি সমাধানে সক্রিয় গেরুয়া শিবির। সোমবার, রাজ্য বিজেপির তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে যাদের আধার নিষ্ক্রিয় হয়েছে, তা মঙ্গলবারের মধ্যেই পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠবে। বঙ্গ বিজেপি নেতাদের দাবি, পরিকল্পনামাফিক ষড়যন্ত্র করে ভোটের ঠিক আগে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তদন্ত করে তার বের করা প্রয়োজন বলেও মনে করছে বঙ্গ বিজেপি।

    গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বহু মানুষের কাছে আধার-নিষ্ক্রিয় (Aadhaar Card) হওয়ার চিঠি ও বার্তা আসতে শুরু করেছে। এই নিয়ে তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ভোটের মুখে। সমস্যা যে গুরুতর হতে চলেছে, তা আগাম আঁচ করে তড়িঘড়ি আসরে নামেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। যোগাযোগ করা হয় কেন্দ্রের সঙ্গে। গোটা বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পেশ করা হয়। এর পরই, কেন্দ্রের তরফে আশ্বাস পেয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি এদিন রাজ্যবাসীকে অভয় দেন। 

    ‘‘২৪-ঘণ্টার মধ্যে সক্রিয় হবে কার্ড’’

    এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘আধার কার্ড (Aadhaar Card) নিয়ে বেশ কিছু জেলায় বেশ কিছু সমস্যা হয়েছে। তাকে হাতিয়ার করে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা সন্দেশখালি থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে, ভয় পাওয়ানোর চেষ্টা করছে। আমি রাজ্য বিজেপি সভাপতি হিসাবে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমি রেলমন্ত্রী, তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ও আধারের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় সচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। কারও বিন্দুমাত্র ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। আজ রাতের মধ্যে সমস্ত তথাকথিত ডিঅ্যাক্টিভেটেড আধার কার্ড আবার চালু হয়ে যাবে। কোনও আধার কার্ড বাতিল হবে না।’’

    ‘‘অভিযোগ জানানোর প্রয়োজন নেই’’

    রাজ্যের বাসিন্দাদের কারও আধার (Aadhaar Card) নিষ্ক্রিয় হলে যাতে তারা অভিযোগ জানাতে পারে, তার জন্য একটি পোর্টাল তৈরির ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মর্মে তিনি মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেন। সেই প্রেক্ষিতে এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) জানিয়ে দেন, কোনও প্রয়োজন নেই কোথাও অভিযোগ করার। সোমবার রাতের মধ্যেই সব আধার সক্রিয় হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী একটা পোর্টাল খুলেছেন বলে শুনতে পাচ্ছি। কোনও পোর্টালে কোনও অভিযোগ জানানোর দরকার নেই। যদি আজ রাতের পরে কারও আধার কার্ড ডিঅ্যাক্টিভেটেড থাকে, বিজেপি পার্টি অফিসে যোগাযোগ করুন। আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি, আমরা দায়িত্ব নিয়ে আপনাদের আধার কার্ড অ্যাক্টিভেট করে দেব। আমরা আঞ্চলিক আধার অফিসের সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ করিয়ে দেব। আজ রাতের মধ্যে সবার সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’’

    কেন্দ্রের অগোচরে এমন কাজ?

    এদিকে, আচমকা রাজ্যবাসীর আধার-কার্ড নিষ্ক্রিয় হওয়ার ঘটনার নেপথ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র হয়ে থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর দাবি, সমস্যা তৈরি হয়েছে আধার কার্ডের রাঁচি আঞ্চলিক দফতর থেকে। এদিন এক্স হ্যান্ডলে শুভেন্দু লেখেন, ‘‘এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলেছি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্ক্রিয় হওয়া আধার কার্ড সক্রিয় হয়ে যাবে।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘রাঁচির আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে যে এরকমটা করা হয়েছে, তা উচ্চপর্যায়ের আধিকারিক এবং মন্ত্রকের কেউ জানতেন না।’’

    ভোটের আগে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র?

    এই কাণ্ড ঘটিয়ে ভোটের আগে বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলেও মনে করছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। কারণ, যাঁদের আধার কার্ড (Aadhaar Card) নিষ্ক্রিয় হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অনেকেই মতুয়া-সম্প্রদায়ভুক্ত। বিজেপির দাবি, ভোটের আগে সিএএ-এনআরসি জুজু দেখিয়ে মতুয়া ভোটব্যাঙ্ককে বিজেপি-বিরোধী করার একটা অপচেষ্টা করা হয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘সত্যটা কী, তা জানতে একটা তদন্ত করা হবে এবং এটাও খতিয়ে দেখা হবে যে ভোটের আগে কোনও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে কিনা।’’ এই প্রসঙ্গে শীর্ষস্তরে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য শুভেন্দু জাহাজমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদ থেকে সহজেই বাংলাদেশ! ৫৯ বছর পর নৌবন্দর পরিষেবা ফের চালু

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদ থেকে সহজেই বাংলাদেশ! ৫৯ বছর পর নৌবন্দর পরিষেবা ফের চালু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ময়া নৌবন্দর থেকে বাংলাদেশের রাজশাহীর সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর পরিষেবা ফের চালু হল। সোমবার লালগোলার ময়া গ্রামে নৌবন্দর পরিষেবার উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ ও কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের আধিকারিকরা। নৌপথে বাংলাদেশ-ভারতে পণ্য আনা-নেওয়া বন্ধ হওয়ার পর শুরু হয় সড়ক ও রেলপথ ব্যবহার। এতে উভয় দেশের পণ্য পরিবহণ খরচ বেশি হত। এবার নৌবন্দর চালু হওয়ায় খুশি দু’দেশের মানুষ।

    ৫৯ বছর পর আবার চালু হল (Murshidabad)

    জানা গিয়েছে, এক সময় এই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নৌবন্দর দিয়ে পণ্য আনা-নেওয়া হত। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আগে সুলতানগঞ্জ-ময়া ও গোদাগাড়ি-লালগোলা নৌপথ বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে দীর্ঘ ৫৯ বছর পর আবার চালু হল নৌবন্দর পরিষেবা। নৌবন্দর চালু হওয়ায় ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে সময় ও খরচ দু’টোই কমবে। এতে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, বছরে এই নৌপথে হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হবে। বাংলাদেশের রাজশাহী থেকে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান পর্যন্ত ৭৮ কিলোমিটার একটি নৌপথের অনুমোদন থাকলেও পদ্মার নাব্যতার সমস্যার কারণে কার্যকর করা যায়নি। ফলে রুটটি সুলতানগঞ্জ থেকে ময়া নৌবন্দর পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত করা হয়। আড়াআড়িভাবে ২০ কিলোমিটার পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে পণ্য আনা-নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। শুরুতে এই নৌপথে ভারত থেকে পাথর, বালি ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী আনা হবে। এই নৌবন্দর চালুর ফলে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলে আশাবাদী এলাকার বাসিন্দারা।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রী স্থাপনে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি করতেই এই দেশ থেকে পণ্য সহজেই পৌঁছে যাবে ওপারে। শুধু তাই নয়, ত্রিপুরাতেও সহজেই পণ্য পৌঁছবে। দূরত্ব কমবে অনেকটাই। ঠিক তেমনই ওপার থেকে পণ্য পৌঁছে যাবে ভারতে। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সাল থেকে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) থেকে বাংলাদেশ নৌপথ পুনরায় চালুর ভাবনা শুরু হয়। সেই কারণেই চিঠি পাঠানো হয় দুই দেশকে। ২০১৮ সালে মার্চ মাসে জমি ও নদী পরিদর্শন করা হয় সংশ্লিষ্ট দফতরের পক্ষ থেকে। এরপর ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে মউ স্বাক্ষর করা হয়। মোট ২৫ বিঘা জমির ওপর ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় এই বন্দর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, সাধারণ মানুষ, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অনেকটাই সুবিধা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে এটা বাস্তবায়িত হয়েছে। তবে, বন্দরে যাওয়ার রাস্তা বেহালের কারণে রাজ্য সরকারকে তিনি দায়ী করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: শান্তনুতেই আস্থা! সিএএ নিয়ে আশার আলো দেখছেন মতুয়ারা

    Shantanu Thakur: শান্তনুতেই আস্থা! সিএএ নিয়ে আশার আলো দেখছেন মতুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাতদিনের মধ্যে সিএএ লাগু হবে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী  শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আশ্বাসে নতুন করে আশার আলো দেখা শুরু করেছেন মতুয়ারা। খুশির হাওয়া মতুয়া গড়ে। তাঁদের বিশ্বাস, মন্ত্রী যখন বলেছেন, তখন হবেই। এত লড়াইয়ের স্বীকৃতি এবার মিলবেই।

    সিএএ লাগু হওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন অমিত-শুভেন্দু

    মতুয়ারা দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের দাবিতে আন্দোলন করছেন। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে মতুয়া গড় ঠাকুরনগরে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বস্ত করেছিলেন। এমনকী গত বছর নভেম্বরে কলকাতায় এসে ধর্মতলার সমাবেশ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, সিএএ অবশ্যই কার্যকর হবে। সেদিন তৃণমূল সরকারকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অমিত শাহকে বলতে শোনা গিয়েছিল, সিএএ গোটা দেশের আইন। বাংলার সরকার এই আইন কোনও ভাবেই রুখতে পারবে না। বাংলায় অনুপ্রবেশে মদত দিচ্ছে তৃণমূল। তাই সিএএ কার্যকর করতে চান না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এটা দিল্লির আইন। তাই চেষ্টা করলেও এটাকে রুখতে পারবেন না। এদেশে একজন হিন্দু নাগরিকের যতটা অধিকার,শরণার্থীদের অধিকারও ঠিক ততটাই। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ফেব্রুয়ারিতেই সি এএ লাগু হয়ে যাবে। একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা সিএএ কার্যকরী হওয়ার কথা বলায় মতুয়ারা নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও (Shantanu Thakur) এক সপ্তাহ সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।

    কী বললেন মতুয়ারা?

    মতুয়াদের বক্তব্য, আমরা উচ্ছ্বসিত, আপ্লুত। অবশেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) হাত ধরে আমাদের দাবি পূরণ হতে চলেছে। কারণ, শান্তনু ঠাকুর যখন বলেছেন অবশ্যই সিএএ লাগু হবে। আমরা শুভদিনের অপেক্ষায় দিন গুনছি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি সিএএ’র কথা বললেও তা লাগু না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছিল মতুয়াদের মধ্যে। এমনকী বিজেপি-র এক বিধায়ক সিএএ-এর পক্ষে জোর সওয়াল করেছিলেন।  ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন আগে দেশে সিএএ কার্যকরী হলে বিজেপি মাস্টারস্ট্রোক হবে বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: ‘এক সপ্তাহের মধ্যে দেশজুড়ে সিএএ কার্যকর হবে’, আশ্বাস শান্তনুর

    Shantanu Thakur: ‘এক সপ্তাহের মধ্যে দেশজুড়ে সিএএ কার্যকর হবে’, আশ্বাস শান্তনুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে আবারও সিএএ নিয়ে বড় দাবি করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। এক সপ্তাহের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সিএএ অর্থাৎ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকর হবে। রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের নিশ্চিন্তপুরে একটি সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনটাই বলেছেন শান্তনু।

    এক সপ্তাহের মধ্যে সিএএ কার্যকরী হবে (Shantanu Thakur)

    শান্তনু (Shantanu Thakur) বলেন, ‘আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের প্রতিটি রাজ্যে সিএএ চালু হবে। লোকসভা নির্বাচনের আগে বাংলার প্রতিটি মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ভারতবর্ষে সিএএ লাগু হবে, এই গ্যারান্টি দিয়ে গেলাম। সেটা আপনারা দেখতে পাবেন।হল, ২০১৯ সালে কেন্দ্রে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর সিএএ আইন সংসদে পাশ করায় নরেন্দ্র মোদি সরকার। এরপর চার বছর কেটে গেলেও সেই আইন কার্যকর করা হয়নি। বলা যায়, সিএএ কার্যত ঠান্ডাঘরে চলে গিয়েছিল। তবে গত নভেম্বরে কলকাতায় এসে ধর্মতলার সমাবেশ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, সিএএ অবশ্যই কার্যকর হবে। সেদিন তৃণমূল সরকারকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অমিত শাহকে বলতে শোনা গিয়েছিল, সিএএ গোটা দেশের আইন। বাংলার সরকার এই আইন কোনও ভাবেই রুখতে পারবে না। বাংলায় অনুপ্রবেশে মদত দিচ্ছে তৃণমূল। তাই সিএএ কার্যকর করতে চান না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এটা দিল্লির আইন। তাই চেষ্টা করলেও এটাকে রুখতে পারবেন না। এদেশে একজন হিন্দু নাগরিকের যতটা অধিকার,শরণার্থীদের অধিকারও ঠিক ততটাই।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র কী বলেছিলেন?

    সিএএ নিয়ে গত চার বছর ধরে বিতর্ক অব্যাহত। এই আইনের সাহায্যে মূলত ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হওয়া হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, পার্সি, খ্রিস্টান ও জৈন শরণার্থীরা পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে নাগরিকত্ব পাবেন। এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র ঠাকুর নগরে এসে মার্চ মাসের মধ্যে সিএএ-র চূড়ান্ত খসড়া তৈরি হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। তারপরই আইন আসবে বলে তিনি বলেছিলেন। এই আবহের মধ্যে রবিবার কাকদ্বীপের সভায় রীতিমতো সময় বেঁধে দিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) দাবি করলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে এক সপ্তাহের মধ্যেই সিএএ লাগু হয়ে যাবে।’ যে দাবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। আর সেটা হলে লক্ষ লক্ষ মতুয়া ভোট যে বিজেপির দিকে নিশ্চিত ভাবে চলে আসবে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: “আগে কাজ তারপর ভোট’ বেহাল রাস্তা নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

    North 24 Parganas: “আগে কাজ তারপর ভোট’ বেহাল রাস্তা নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আগে কাজ তারপর ভোট’ দেড় কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেঁটে, রাস্তার বেহাল দশা পরিদর্শন করে মন্তব্য করলেন বনগাঁ লোকসভার (North 24 Parganas) বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। তাঁর সংসদীয় ক্ষেত্র জামদা আদিবাসী পাড়ার এক রাস্তার অত্যন্ত খারাপ অবস্থার কথা তুলে ধরে, তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করলেন এই বিজেপি সাংসদ। পাল্টা তৃণমূল কংগ্রেস থেকেও বিজেপিকে কটাক্ষের ঘটনায় ব্যাপক রাজনৈতিক শোরগোল পড়েছে এলাকায়। রাজ্যের পঞ্চায়েত-পুরসভাগুলিতে চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন সাধারণ মানুষ। এছাড়াও এলাকার মানুষ নিজেরা চাঁদা তুলে রাস্তা সারাই করছেন, এমন ঘটনার কথাও সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে।   

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (North 24 Parganas)?

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর (North 24 Parganas) এদিন এলাকার রাস্তা পরিদর্শন করতে গিয়ে বলেন, “আমি যদি রাস্তার অনুমোদন করে দিই, আপনাদের দায়িত্ব থাকবে পঞ্চায়েত থেকে সেই রাস্তা বের করে নিয়ে আসা। আপনারা কি পারবেন? আমি কোনও প্রতিশ্রুতি বুঝি না, আগে কাজ তারপর ভোট। কথার সঙ্গে কাজের মিল থাকতে হবে। আমি কাজের পক্ষপাতি। এলাকায় অত্যন্ত খারাপ রাস্তা। মানুষের সমস্যা কী তাই আমি জানতে চাই।”

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    বেহাল রাস্তার ফলে এলাকার (North 24 Parganas) মানুষের সমস্যা অত্যন্ত প্রবল। হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে যাওয়া, ইত্যাদি ক্ষেত্রে গাড়ি চালানোর জন্য উপযুক্ত নয় এই রাস্তা। এই জামদা এলাকার এক স্থানীয় আশাকর্মী জয়ন্তী বসু বলেন, “অনেক গর্ভবতী নারীকে এই রাস্তায় দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতেই রাস্তায় বেশ কয়েকটি বাচ্চা প্রসবের ঘটনা ঘটেছে। কারণ রাস্তা খুব খারাপ। চালাচলের যোগ্য নয় এই রাস্তা। প্রয়োজনীয় কোনও গাড়ি এখানে যাতায়াত করতে পারে না। তাছাড়া রাস্তা খারাপ বলে গাড়ি চালকেরা অধিক টাকা চায়। এলাকার বেহাল রাস্তা ঠিক করার ক্ষেত্রে প্রশাসনের নজর নেই।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বনগাঁ এলাকার সাংগঠনিক জেলার (North 24 Parganas) তৃণমূলের কংগ্রেস সহ সভাপতি প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, “এলাকার সাংসদ ২০১৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত চার বছর শো-কেসে ছিলেন। বনগাঁর কোনও মানুষ তাঁকে চোখে দেখেননি। এলাকার পঞ্চায়েতের কোনও মানুষ তাঁকে চেনে না। সামনে লোকসভার ভোট তাই এখন মাঠে নেমেছেন তিনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: বিমানবন্দর থেকে ফেরার পথে কনভয়ে গাড়ির ধাক্কা, কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর?

    Shantanu Thakur: বিমানবন্দর থেকে ফেরার পথে কনভয়ে গাড়ির ধাক্কা, কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) কনভয়ে একটি গাড়ির ধাক্কা মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় পিছন দিক থেকে এসে গাড়িটি ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। নিছক দুর্ঘটনা, না এর পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসনের কাছে বিষয়টি মন্ত্রী জানিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Shantanu Thakur)

    শনিবার কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী (Shantanu Thakur) কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ঠাকুরনগরে ফিরছিলেন, সে সময়ই অশোকনগরের মানিকতলা এলাকায় কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর কনভয়ে একটি গাড়ি ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। ঘটনা নিয়ে থানায় মৌখিক অভিযোগও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ঘাতক গাড়িটি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর কনভয় ফলো করে আসছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। শান্তনুর গাড়ি যখন গুমা পেরিয়ে অশোকনগরের মানিকতলা এলাকা জ্যামে আটকে পড়ে, তখন পিছন থেকে ধাক্কা মারার অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই ঘটনার জেরে কোনওরকম চোট পাননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তবে, গাড়ির পিছনে অংশ দুমড়ে মুছড়ে গিয়েছে।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    শান্তনু (Shantanu Thakur) বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় আমি বিমানবন্দর থেকে ফিরছিলাম। সেই সময়েই ঘটনাটি ঘটেছে। তাঁর অভিযোগ, ওই গাড়িটি আমার কনভয়ের পিছু নিয়েছিল। ১০ কিলোমিটার ধরে পিছনে পিছনেই আসছিল। এরপর কনভয় যানজটে আটকাতেই পিছনে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। কনভয় গুমা পার করে অশোকনগরের মানিকতলা ঢুকতেই জ্যামে আটকায়। সেই সময়েই কনভয়ের পিছনের একটি গাড়িতে ধাক্কা মারে ওই গাড়িটি। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধও করা হয়েছে। তবে, বিষয়টি নিয়ে এখনই কোনও রাজনৈতিক কারণ খোঁজার চেষ্টা করছি না। তবে, ১০ কিলোমিটার দূর থেকে কেন আমার কনভয়ের পিছু নেওয়া হল তা তদন্ত করা দরকার। এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘‘পাঁচ-ছ’মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার পড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়’’, মত সুকান্তর

    BJP: ‘‘পাঁচ-ছ’মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার পড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়’’, মত সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ-ছ’মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার পড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়, এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। প্রসঙ্গত, শনিবারই কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুরও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছিলেন, ‘‘আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি, পাঁচ মাসের মধ্যে এই রাজ্যের সরকার পড়ে যাবে।’’ রাজ্য জুড়ে লাগামছাড়া হিংসা ছড়িয়েছে পঞ্চায়েত ভোটকে ঘিরে। প্রতিটি অভিযোগই উঠে এসেছে শাসক দলের বিপক্ষে। ভোট ঘোষণার দিন থেকে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৫৭ ছাড়িয়েছে। এরই মাঝে বারবার জোরালো দাবি উঠেছে ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের। রবিবার সুকান্ত মজুমদারের সাংবাদিক সম্মেলন সেই দাবিকেই ইন্ধন দিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    সুকান্তর সাংবাদিক সম্মেলন 

    রবিবার সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে বিজেপির (BJP) দফতরে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। দলীয় অফিসের সামনে সংবাদ মাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, ‘‘সরকার পাঁচ মাস, ছ’মাস যখন খুশি পড়ে যেতে পারে। অসুবিধার তো কিছু নেই। সরকার কী ভাবে চলে? বিধায়কদের সমর্থনে। বিধায়কেরা হঠাৎ মনে করল, আমরা সমর্থন করব না। আমরা অন্য কাউকে সমর্থন করব। বিধায়কদের তো মনে হতেই পারে। না হওয়ার তো কিছু নেই।’’ সুকান্তর আরও সংযোজন, ‘‘আবার ধরুন, এমন গণ আন্দোলন শুরু হল, যে বিধায়কেরা বলল, ‘আমরা আজ থেকে আর বিধায়ক পদে থাকব না।’ হাত জোড় করে সবাই বিধায়ক পদ ছেড়ে দিল। এরকমও গণ আন্দোলন হতে পারে। সব সম্ভাবনাই আছে। রাজনীতিতে কোনও সম্ভাবনা অস্বীকার করা যায় না।’’

    শনিবারই একই দাবি করেন শান্তনু ঠাকুর

    শনিবারই তৃণমূলকে একহাত নেন শান্তনু ঠাকুর। শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগণার গাইঘাটা ফুলশড়া পাঁচপোতায় এলাকায় হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী। পঞ্চায়েতে বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থীদের সংবর্ধনার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছিলেন তিনি। শান্তুনু নিজের বক্তব্য বলেন, ‘‘তৃণমূল ভেবে নিয়েছে এরা চিরস্থায়ী। কখনই এরা চিরস্থায়ী নয়। আগামী পাঁচ মাসের মধ্যে এদের সরকার পড়ে যাবে। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলে যাচ্ছি।’’ তাঁর সঙ্গে এদিন হাজির ছিলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি রামপদ দাস সহ বিজেপি (BJP) নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: লাগু হয়েছে সিএএ, নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করবেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর

    Shantanu Thakur: লাগু হয়েছে সিএএ, নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করবেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাগু হয়ে গিয়েছে সিএএ, এবার নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করবেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বনগাঁ লোকসভার সাংসদ শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। উল্লেখ্য সারা দেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হতেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোয়াপধ্যায় আইনের ব্যাখ্যা নিয়ে অপপ্রচার করছেন বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগেই অভিযোগ করেছেন। এবার তৃণমূলের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে একাধাপ গিয়ে নিজেই সিএএ আইনে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করবেন বলে জানান মতুয়া সংঘের নেতা শান্তনু ঠাকুর।

    কী বললেন শান্তনু (Shantanu Thakur)

    লোকসভার ভোটে এই রাজ্যে বিজেপি ২২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের সুফল পেতে ঠাকুর নগরের ঠাকুর বাড়িতে মতুয়া সমাজের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পরবার মতো। বনগাঁ লোকসভার বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) গতকাল বাগদার হেলেঞ্চা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের একটি সমাবেশ করেন। সেখানে সাংবাদিকদের বলেন, “বাংলাদেশের নথি বাধ্যতামূলক নয়, যদি কারও কাছে নথি নাও থাকে তাহলে যে কোনও রেজিস্টার্ড সংস্থা থেকে লিখিত কপি জমা দিতে পারেন। অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে এই গেজেট তৈরি হয়েছে। আগামী প্রজন্মের মানুষকে ভারতে সুরক্ষিত করতেই এই আইন ব্যাপক কার্যকরী হবে। ভারতের মানুষের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং দেশের প্রগতির জন্য আইন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।”

    নাগরিকত্ব আবেদন করবেন

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের কার্যকর প্রসঙ্গে তৃণমূলের অপপ্রচারকে সমালোচনা করে শান্তনু (Shantanu Thakur) বলেন, “আমি আবশ্যই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করব। আমার না করলেও কিছু হবে না। কারণ আমার ঠাকুর দাদার নিজস্ব সিটিজেনশিপ কার্ড রয়েছে এদেশের। কিন্তু আমি তবুও আবেদন করব। কারণ তৃণমূল বিভ্রান্তি তৈরি করছে। আমি নাগরিকত্বে আবেদন করে দেখেব আমার কিছু বাদ হয় কি না।”

    সিএএ কি বলা হয়েছে?

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে বলা হয়েছে ভারতের প্রতিবেশী মুসলমান রাষ্ট্র বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, জৈন, পার্সি, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ধর্মের মানুষদের মধ্যে যাঁরা ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়েছেন তাঁদের সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু এই রাজ্যে হিন্দু উদ্বাস্তু শরণার্থীদের জন্য এই আইন সম্মানের সঙ্গে বাঁচার অধিকারকে সুরক্ষিত করবে। অপর দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজের জনসভায় প্রচার করছেন সিএএ-তে আবেদন করলে নাগরিকত্ব চলে যাবে। পাল্টা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, ‘নাগরিকত্ব গেলে বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেবো’। এর মধ্যে সিএএ-তে শান্তনুর (Shantanu Thakur) নাগরিকত্বের আবেদনের কথায় শোরগোল পড়েছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Matua Thakurbari: মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে অশান্তির ঘটনায় সিট গঠনের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Matua Thakurbari: মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে অশান্তির ঘটনায় সিট গঠনের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে (Matua Thakurbari) অশান্তির ঘটনায় সিট গঠনের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। এডিজি পদ মর্যাদার কোনও আধিকারিককে এই তদন্তের দায়িত্ব দিতে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। তাঁর নির্দেশ, অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর গ্রহণ করতে হবে পুলিশকে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের মামলায় মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। যেসব মতুয়া ভক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদেরও জামিনে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ আদালতের। রাজ্যকে হাইকোর্টের নির্দেশ, ওই মন্দির চত্বর ও হাসপাতালের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করতে হবে পুলিশকে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৮ জুলাই।

    অভিষেককে বাধা মতুয়াদের

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মতুয়া মন পেতে ১১ জুন ঠাকুরবাড়িতে (Matua Thakurbari) পুজো দিতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ এবং দলীয় বিধায়ক তাপস রায়। বিকেল ৪টে নাগাদ ঠাকুরবাড়িতে পৌঁছান তাঁরা। তাঁদের মন্দির ঢুকতে বাধা দেন শান্তনু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক বিজেপির অশোক কীর্তনিয়া। দু পক্ষের কথা কাটাকাটির মধ্যেই মূল মন্দিরে ঢুকে পড়ে দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে দেন শান্তনু। মূল মন্দির ঢুকতে না পেরে পাশেই অন্য একটি মন্দিরে পুজো দেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। 

    সিট গঠনের নির্দেশ

    অনুমতি না নিয়ে মতুয়া মহাসঙ্ঘের মন্দিরে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন (Matua Thakurbari) অভিষেক, এমনই অভিযোগে সরব হয়েছেন মতুয়াদের একাংশ। পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তা ও অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শান্তনু। সাংসদের অভিযোগ, মন্দিরের তরফে জানানো হলেও, কোনও পদক্ষেপ করেনি পুলিশ। উল্টে ওই দিনের ঘটনায় কয়েকজন ভক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। শান্তনুর এই মামলার প্রেক্ষিতে সিট গঠনের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুুন: বিজেপি প্রার্থীকে বাড়ি বয়ে হুমকি! সুকান্তর তাড়ায় চম্পট দিল শাসক দল

    বাম জমানায় মতুয়া মহাসঙ্ঘের (Matua Thakurbari) রাশ ছিল বামেদের হাতে। পরে হাতবদল হয় রশি। রাজ্যে পালাবদলের পর মতুয়া মহাসঙ্ঘের রাশ হস্তগত করে তৃণমূল। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে আগেই সেই রশি চলে আসে বিজেপির হাতে। তার পর থেকে মতুয়া মন পেতে চেষ্টার কসুর করছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। ওই দিন ঠাকুরবাড়িতে অভিষেকের পুজো দিতে যাওয়াও সেই চেষ্টারই অঙ্গ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: ‘ক্ষমা চান, না হলে নবান্ন অভিযান হবে’, মতুয়া বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি পরিষদের

    Suvendu Adhikari: ‘ক্ষমা চান, না হলে নবান্ন অভিযান হবে’, মতুয়া বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মতুয়া (Matua) সম্প্রদায়ের গুরুর নাম বিকৃত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেজন্য মালদহের গাজোলে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। এবার এই দাবিতে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এই দুই বিজেপি নেতার অভিযোগ, গাজোলের একটি সভা থেকে মতুয়া সম্প্রদায়ের আরাধ্য হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করেছেন মমতা। শনিবার নদিয়ার একটি জনসভায় এনিয়ে ফের সরব হন শুভেন্দু। আগামী সাত দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমা না চাইলে নবান্ন অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু-শান্তনু।

    মতুয়া…

    আন্তর্জাতিক মতুয়া পরিষদের আহ্বায়ক সুকেশ চৌধুরী। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। সেই সময় মতুয়া পরিষদের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাত দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এই সময়সীমার মধ্যে তিনি ক্ষমা না চাইলে নবান্ন অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরাও।

    এদিন নদিয়ার সভা শেষে শান্তনু বলেন, শুধুমাত্র একটা সম্প্রদায়ের মানুষকে খুশি করার জন্য, ভোটব্যাঙ্কের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মালদহের গাজোলে দাঁড়িয়ে হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাম বিকৃতি করে উচ্চারণ করেছেন। তাঁকে এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। এর পরেই শুভেন্দুও বলেন, গাজোলে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মতুয়া সম্প্রদায়ের পথেই হাঁটতে হবে গোটা রাজ্যের মানুষকে। এর আগেও ট্যুইট করে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তখনও তিনি জানিয়েছিলেন, গুরুচাঁদের নাম বিকৃত করে মতুয়া ও নমঃশুদ্র সমাজকে অপমান করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সারাজীবন মতুয়া সমাজকে ভোট ব্যাঙ্ক ভেবেছেন, মন থেকে সম্মান করেননি।

    আরও পড়ুুন: সবাই নাগরিক হলে ৭১- এর দলিল চায় কেন? সিএএ প্রসঙ্গে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, গাজোলের একটি জনসভায় মতুয়াদের ধর্মগুরুর নাম ভুল বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে তখন থেকেই শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমা না চাইলে আন্দোলন হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সর্বভারতীয় মতুয়া মহাসংঘ। বিষয়টি নিয়ে পথে নামবেন বলে ঘোষণা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতাও। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় বিক্ষোভেও শামিল হন মতুয়া সম্প্রদায়ের লোকজন। তৃণমূল ভোট চাইতে এলে মতুয়াদের লাঠি নিয়ে তৈরি থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share